Tag: Arambagh

Arambagh

  • Arambagh: আরামবাগে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: আরামবাগে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:বিজেপি কর্মীর বাড়িতে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-১ নম্বর ব্লকের অরুণ্ডা গ্রামে। তৃণমূলের হামলায় ৪ জন বিজেপি কর্মী জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উদ্যোগে একটা খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগ, আচমকা তৃণমূলের ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মী তাঁদের বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালায়। মারধরও করা হয়। এমনকী বাড়িতে থাকা টাকা-সোনাও লুট করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় জখম হন বিজেপির দুই মহিলা ও দুই পুরুষ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে আরামবাগ (Arambagh) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। প্রসঙ্গত, গত ২৯ অগাস্ট অরুণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল গোটা এলাকায়। রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল অরুণ্ডা গ্রাম। সূত্রের খবর, চলেছিল গুলি। দেদার বোমাবাজি ও হয়। অনেক বাড়িতে ভাঙচুর চলে, পঞ্চায়েত ভবনে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগুনও। পুলিশের গাড়িতেও চলে ভাঙচুর। পুলিশের চারটি বাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ১৯ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে থমেথমে ছিল গোটা এলাকা। এরমধ্যে ফের তৃণমূল তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধেই স্পষ্ট অভিযোগ আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তথা পুড়শুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষের। তিনি বলছেন, তৃণমূল ও পুলিশ উভয়েই অরুণ্ডাতে বিজেপি সমর্থকদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনকে জানাব।  সুরাহা না হলে আদালত পর্যন্ত যাব।

    হামলা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী সমস্ত অভিযোগই উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। মারধর লুটপাট এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। কোন্দল ঢাকতে ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগে পঞ্চায়েত প্রধানের দাদাগিরি! বাড়ি ভাঙচুর, হামলা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Arambagh: আরামবাগে পঞ্চায়েত প্রধানের দাদাগিরি! বাড়ি ভাঙচুর, হামলা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর অনুগামীদের দাদাগিরি। রাতে একাধিক বাড়ি ভাঙচুর। রবিবার সকালে যুব তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ। পুরাতন মামলা প্রত্যাহার না করায় এহেন হামলার অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর এলাকায়। তৃণমূল কর্মীদের মারধর ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। যদিও পাল্টা প্রধানের এক অনুগামীকে মারধরের অভিযোগ। ঘটনায় আহত দুই তৃণমূল কর্মী। আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি। যুব তৃণমূল কর্মীর নাম সেখ জাকির হোসেন এবং প্রধান অনুগামী জখম কর্মীর নাম সেখ ইনসান আলি। বাড়ি আরামবাগের বলুন্ডি এলাকায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জাকির হোসেন নামে এক যুবক তৃণমূলের যুব গোষ্ঠীর কর্মী। পুরাতন একটি গন্ডগোলের ঘটনায়  জাকির সহ এলাকার বেশ কয়েকজন যুব তৃণমূল কর্মী স্থানীয় আরামবাগ (Arambagh) মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের প্রধান অলোক সাঁতরার অনুগামীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রধান অনুগামীদের বিরুদ্ধে। মামলা প্রত্যাহার না করায় প্রধান অনুগামীরা শনিবার এলাকায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল যুব কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি রবিবার সকালে সেখ জাকির হোসেনকে বাজারে একা পেয়ে প্রধানের অনুগামীরা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত জাকির বলেন, প্রধান ও তাঁর অনুগামীরা এলাকায় দাদাগিরি চালাচ্ছে। থানায় অভিযোগ তোলা হয়নি বলে আমাদের যুব কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমাকে বেধড়ক মেরেছে।

    কী বললেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান?

    পুরো ঘটনায় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অলোক সাঁতরার নেতৃত্বে তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে আক্রান্তরা। যদিও ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার করেছে আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর- ২ নং পঞ্চায়েতের প্রধান অলোক সাঁতরা। তিনি বলেন, এই ধরনের কোনও হামলা করা হয়নি। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। বরং আমাদের দলের কর্মী সেখ ইনসান আলিকে ওরা মারধর করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। বাড়ির মধ্যেই বাজি তৈরি হত বলে জানা গেছে। সেখানেই বুধবার আনমানিক দুপুর ১২টা নাগাদ বাজি তৈরি করতে গিয়ে এই বিস্ফোরণে ঘটে বলে অনুমান।

    বিস্ফোরণের জেরে উড়ে যায় চালা ঘরের একাংশ (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটের মান্দারণ পঞ্চায়েতের মোষপুর এলাকার বাসিন্দা সেখ লাল্টু নিজের বাড়িতেই বেআইনিভাবে গোপনে বাজি কারখানা চালাতো। সেখানে হঠাৎই এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। আগুন লেগে যায় চালা ঘরে। ঘটনা জেনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। যদিও নিজেরাই সাবমার্সিবল চালিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় প্রচুর মানুষ জমায়েত হয়। যদিও প্রকাশ্যে কেউ ভয়ে এবিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। তবে, ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ওই চালাঘরের অ্যাসবেস্টস ও টিন। এদিক ওদিক পরে রয়েছে বাজি তৈরির সরঞ্জাম, বাজির খোলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এমনকী বারুদে ভরা বাজি তৈরির মেশিন পড়ে রয়েছে পরিত্যক্ত জায়গায়। ঘটনার পর পলাতক বাড়ির মালিক সেখ লাল্টু।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রায় দশ বছর আগে বোমা তৈরি করতে গিয়ে এই বাড়িতেই বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় উড়ে গিয়েছিল বাড়ির চাল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রতিবেশীদের বাড়িও। এমনকী মৃত্যু হয়েছিল বাড়ির এক মহিলার। সেই ঘটনার পর ফের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকা জুড়ে। অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে না চাইলেও প্রতিবেশী কয়েকজন বলেন, আগের ঘটনার অভিজ্ঞতা ও আতঙ্কের কথা। তাদের ধারণা বাজি তৈরি করতে গিয়েই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন দত্তপুকুরের ঘটনার পরেও কেন শিক্ষা নিচ্ছে না প্রশাসন? তাহলে কি প্রশাসন কোনও খোঁজখবর রাখেনি নাকি পুলিশ প্রশাসনের মদতেই এই বাজি তৈরির কারখানা চলতো। যদি ফের বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায় কে নিত?

    বিস্ফোরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষের বক্তব্য, দত্তপুকুর ও এগরার ঘটনার পরেও পুলিশ প্রশাসন নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় আর তৃণমূল নেতাদের মদতে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বারুদের স্তুপ। এতে সাধারণ মানুষের আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে গেছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরামবাগে (Arambagh) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিল ১৫ টি সংখ্যালঘু পরিবার সহ শতাধিক কর্মী। আরামবাগের জেলা কার্যালয়ে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিধায়ক মধুসূদন বাগ। এমনিতেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে বিজেপির ভাল ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই এলাকায় বিজেপির সংগঠন আরও মজবুত হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপিতে যোগদানকারীদের কী বক্তব্য? (Arambagh)

    বিজেপিতে যোগদানের পর যোগদানকারীরা বলেন, তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। তারা এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেনি। বরং, রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ টাকা পকেটে পুড়েছে তৃণমূলের নেতারা। দিনের পর দিন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। পাশাপাশি তাঁরা আরও বলেন, এনআরসি-র কথা বলে আমাদের মনে ভয় ঢোকানো হয়েছিল। বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল। আমরা তো ভারতীয়, তাই আমাদের কোনও সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি। ফলে, তৃণমূল এতদিন আমাদের ভুল বুঝিয়ে আসছিল। ভুল ভাঙতেই আমরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। আর আরামবাগ (Arambagh) এলাকার উন্নয়নের বিষয়টি তো রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এ নিয়ে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এই ভুল ভেঙেছে। সবকা সাথ সবকা বিকাশের কথা মানুষ বুঝতে পারছে। সে জন্যই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সংখ্যালঘুরা বিজেপির ছাতার তলায় আসছে। তৃণমূল এতদিন তাঁদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক করে রেখেছিল। সেটা তারা বুঝতে পেরেই আমাদের দলে যোগ দিয়েছে। আগামীদিনে আরও অনেকেই আমাদের দলে আসবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই যোগদানের প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপি টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে কিছু লোকজনকে দলে টানছে। পতাকা ধরিয়ে নাটক করছে। যাঁরা যাচ্ছেন তাঁরা নিজেরাই পরে ভুল বুঝতে পেরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের মদতেই আরামবাগে চলছে তোলাবাজি, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ব্যবসায়ীরা

    Arambagh: তৃণমূলের মদতেই আরামবাগে চলছে তোলাবাজি, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মদতেই এলাকায় রমরমে চলছিল তোলাবাজি। প্রতিবাদে পথে নামলেন ব্যবসায়ীরা। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে দোকান বন্ধ রেখে রাজ্য সড়ক অবরোধের পাশাপাশি বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)  

    অভিযোগ, তোলাবাজদের মাথায় শাসক দলের নেতাদের একাংশের হাত রয়েছে। শাসক দলের প্রভাব খাটিয়ে কিছু সমাজ বিরোধী ব্যাবসায়ীদের কাছে থেকে তোলা চাইছে। আর কেউ দিতে অস্বীকার করলে দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছে। গোটা এলাকাজুড়ে যা খুশি তাই করে বেড়াছে। এমনকী সাধারণ মানুষের কাছে থেকেও তোলা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শাসক দলের মদত থাকায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে না। ওরা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যার জেরে ব্যাপক সমস্যায় এলাকার ব্যাবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। তোলাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশকে বার বার  জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ। তাই এবার এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বাধ্য হয়ে এদিন মায়াপুর এলাকার ব্যাবসায়ীরা আরামবাগ-(Arambagh) কোলকাতা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। বেশ কিছুক্ষণ অবরোধের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে  দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা অবরোধ তুলে নেয়। একই আশ্বাস দেন হরিণখোলা- ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ হাজারিও। তবে, ব্যবসায়ীরা পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শাসক দলের একাংশের মদতেই এসব হচ্ছে। এ ধরনের দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য ফের দেখা দিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন এলাকায় তোলাবাজি চালাচ্ছে। ব্যবসাদার ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছে থেকে তোলা আদায় করছে। মায়াপুরেতে দীর্ঘদিন ধরেই এই ঘটনা ঘটে চলেছে। পুলিশ, প্রশাসনকে ব্যবসায়ীরা বারবার জানিও কোন কাজ না হওয়ার কারণে এদিন ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়েই পথে নেমে প্রতিবাদ জানান।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরামবাগ (Arambagh) সংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনওরকমভাবেই জড়িত নয়। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: পাঁচ হাজার পুলিশ এনেও ‘খেলা’ হল না, খানাকুলের পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে

    Panchayat Board: পাঁচ হাজার পুলিশ এনেও ‘খেলা’ হল না, খানাকুলের পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির জেরে পঞ্চায়েত বোর্ড (Panchayat Board) গঠন স্থগিত ছিল। হুগলি জেলার খানাকুলের ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েতের বোর্ড অবশেষে সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গঠিত হল। এদিন খানাকুলের ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি। টান টান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হয়। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশের উপস্থিতিতে এদিন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সকাল থেকেই পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    কীভাবে হল বোর্ড (Panchayat Board) গঠন?

    খানাকুলের ২৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১ টি বিজেপির দখলে। তার মধ্যে একটি পঞ্চায়েত সমিতি আছে। উল্লেখ্য, গত ১১ ই অগাস্ট আরামবাগ মহকুমার প্রায় সব ক’টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠিত হলেও ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েতে ব্যাপক মারপিট হওয়ায় বোর্ড গঠন (Panchayat Board) প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এদিন বন্ধ হয়ে যাওয়া ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ টি সংসদের মধ্যে ১৩ টি পায় বিজেপি এবং তৃণমূল পায় ১২ টি। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি এগিয়ে থাকে। এদিন খানাকুলের মোড়ে ব্যাপক জমায়েত ছিল তৃণমূল ও বিজেপির। প্রশাসনের নজরদারির পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়। কড়া পুলিশি পাহারার মধ্য দিয়ে বিজেপির জয়ী ১৩ জন প্রার্থীকে পঞ্চায়েতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বোর্ড গঠনের জন্য ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশেষে বিজেপির প্রধান হন রামকৃষ্ণ মাইতি এবং উপ প্রধান হন সন্ধ্যা কোটাল।

    খানাকুল জুড়ে বিজেপির জয়জয়কার (Panchayat Board)

    এরপরই গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এদিন এই বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় পুড়শুড়ার বিধায়ক তথা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ ও খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। বিজেপি নেতা বিমান ঘোষ বলেন, একটা পঞ্চায়েত (Panchayat Board) গঠন করতে এত পুলিশ কেন দিতে হবে? তৃণমূল চেয়েছিল কারচুপি করে বোর্ড দখল করে নেবে। কিন্তু বিজেপি তাকে প্রতিরোধ করে। অপরদিকে খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, খানাকুল জুড়ে বিজেপির জয়জয়কার। সেরকম ভাবেই বিজেপি ঠাকুরানিচক দখল নিয়েছে।সব মিলিয়ে ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েত গঠনে তৃণমূল খেলার মাঠ ছেড়ে পালালো বলা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা হুগলির আরামবাগে (Arambagh)। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে মানুষ যে কতখানি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, এই ঘটনা তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ। সুদে টাকা ধার দিয়ে না পাওয়াতে এক ব্যক্তি দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে হামলা চালালো একজনের বাড়িতে। শুধু তাই নয়, এলোপাথাড়ি গুলিও চালালো। তাতে জখম হলেন ওই ব্যক্তির ছেলে। এলাকার বাসিন্দারাই বলছেন, এমন ঘটনা তাঁরা আগে কখনও দেখেননি।

    কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?

    ঘটনা হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট থানার মথুরা এলাকার। শনিবার রাতে হঠাৎ ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। রাতেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনায় আহতকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল এই ঘটনা (Arambagh)?

    জানা গেছে, গোঘাটের (Arambagh) মথুরা গ্রামের বাসিন্দা ফটিক রায় তাঁর পরিচিতদের কাছ থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা সুদে ধার নেন। প্রথম কয়েক মাস সুদের টাকা দিতে পারলেও গত দু’মাস তিনি তা দিতে পারেননি। সেই কারণে শনিবার রাতে বাইকে করে ফটিক রায়ের বাড়িতে হঠাৎ চড়াও হয় পাওনাদার সহ তিন দুষ্কৃতী। প্রথমে টাকা ফেরতের দাবি করে। টাকা ফেরত না পেয়ে ফটিক রায়কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। সেই সময় পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দেয় তারা। তার মধ্যেই একটি গুলি গিয়ে লাগে ফটিক রায়ের ছেলে অর্জুন রায়ের হাতে। তার পরেই ভয়ে পালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। দু’জন পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরে ফেলে পরিবারের লোকজন। তার পর খবর দেওয়া হয় গোঘাট থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে গ্রেফতার করে ওই দুষ্কৃতীকে। এখনও পড়ে রয়েছে গুলির খোল। পরিবারের দাবি, প্রায় চার রাউন্ড গুলি চালায়।

    কী বলছেন আক্রান্ত (Arambagh)?

    অন্যদিকে ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অর্জুনকে আরামবাগ (Arambagh) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাতেই। এই ঘটনার বিষয়ে ফটিক রায় বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাহা নামে আমার এক পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে চার মাস আগে ৭৫ হাজার টাকা সুদে ধার নিয়েছিলাম। চার মাস ধরে সুদ দিয়েছি। কিন্তু তাকে এখন পুরো ৭৫ ফেরত টাকা দিতে হবে বলে আমাকে চাপ দেয় বেশ কয়েকদিন ধরে। আমি পুরো টাকা না দিতে পারায় শনিবার প্রায় রাত দেড়টা নাগাদ কৃষ্ণেন্দু সাহা দুই দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়িতে ঢুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকজন বাধা দিলে আমাদের মারধর করে, আমার ছেলে বাধা দিলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তারা চার রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীরা ছেলেকে গুলি চালায়। একটি গুলি ছিটকে হাতে লাগে। মাটিতে পড়ে যায় অর্জুন। তারপরে ভয় পেয়ে দুজন দুষ্কৃতী পালিয়ে গেলেও একজন মোটর বাইকে স্টার্ট দিতে না পারলে আমরা তাকে ধরে ফেলি। পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এলে পুলিশের হাতে তুলে দিই ওই দুষ্কৃতীকে। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: খানাকুলে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: খানাকুলে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্ড গঠনের পরই অশান্তি হুগলি জেলার আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার খানাকুলে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার গুলির খোল ও তিনটি তাজা বোমা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। রাতভর বোমাবাজির জেরে আতঙ্কিত ঠাকুরানিচক এলাকার বেরাপাড়া। বাড়ির গৃহবধূ থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ ও ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কে ঘরবন্দি হয়ে রয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলের ঠাকুরানিচকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুদীপ বেড়ার বাড়িতে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। বাড়ি লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। এদিন সকাল থেকেই ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়। পুরো এলাকায় পুলিশি টহল চলছে। এই বিষয়ে ওই এলাকার এক গৃহবধূ মিতা বেরা বলেন, পুরো পাড়া বোমা গুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে আছে। গভীর রাতে গুলি চলে। ভয়ে গোটা পাড়ার মানুষ বাড়ির বাইরে বের হতে পারেনি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা তপন মণ্ডল বলেন, খানাকুলের তৃণমূল নেতা নইমুল হক ও বিদায়ী প্রধান শীতল মণ্ডলের নেতৃত্বে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুদীপ বেরার বাড়িতে হামলা হয়। গুলি ও বোমা ছোঁড়া হয়। লাগাতার সন্ত্রাস চলে। বাড়িতে গর্ভবতী বোন ছিল। তাঁর মাথার উপর দিয়ে গুলি চলে যায়। বোর্ড গঠনের পরই তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূল নেতা নইমুল হক বলেন, লোকের বাড়িতে ঝামেলা করা আমাদের দলের এই সব নীতি আদর্শ নয়। বিজেপি দুষ্কৃতীকারী দল। বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। তৃণমূলের নাম খারাপ করার জন্য বিজেপি চক্রান্ত করেছে। সবমিলিয়ে পুলিশ বোমা ও গুলির খোল গুলো উদ্ধার করার পাশাপাশি তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগের খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রথম বোর্ড গড়ল বিজেপি, কর্মীদের উচ্ছ্বাস

    Arambagh: আরামবাগের খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রথম বোর্ড গড়ল বিজেপি, কর্মীদের উচ্ছ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলকে হারিয়ে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি। শুধু আরামবাগ নয়, হুগলি জেলায় প্রথম বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড গঠন করল। যদিও বোর্ড গঠনের আগেই একটু উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে, তা মিটে যায়। খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট ৩৩ টি আসন রয়েছে। এরমধ্যে তৃণমূল জয়ী হয় ১৫ টি আসনে। আর বাকি ১৮ টি আসনের দখল নেয় বিজেপি। সেই কারণে এদিন সকাল থেকে বোর্ড গঠনের জন্য পঞ্চায়েত সমিতির অফিস চত্বরে প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক জমায়েত হন। প্রথমদিকে সামান্য উত্তেজনা হওয়ার পর বিজেপি বোর্ড গঠন করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    এদিন আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন ঘিরে সকাল থেকেই চাপা উত্তেজনা ছিল। ঘটনার সূত্রপাত, ব্লক অফিসে একটি অচেনা গাড়ি ঢোকাকে কেন্দ্র করে। অচেনা গাড়ি দেখে হঠাৎ করে বিজেপি কর্মীরা বাধা দেন। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করতেই বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি কর্মীরা পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করেন। বিজেপি কর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই বাধ্য হয়েই পিছু হটতে হয় পুলিশকে। যদিও পরে, শান্তিপূর্ণভাবে বোর্ড গঠন হয়। প্রথম পঞ্চায়েত সমিতি দখল করে বিজেপি কর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, এই খানাকুলে তৃণমূল এতদিন সন্ত্রাস কায়েম করে রেখেছিল। এবার মানুষ বিজেপির উপর আস্থা রেখেছে। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে নতুন বিজেপি বোর্ড। অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, পুলিশ শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। আমাদের কর্মীরা পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করতে গিয়েছিল, সেখানে পুলিশ তাদের ওপর অমানবিকভাবে বিনা দোষে লাঠি চালিয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। শাসক দল চেয়েছিল পুলিশকে দিয়ে বোর্ড গঠন বানচাল করে পঞ্চায়েত সমিতি দখল নেবে। কিন্তু, আমাদের কর্মীরা মার খেয়েও এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি। তাই, এতদিন পর আমরা বোর্ড দখল করলাম।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপির বাধায় আমাদের কর্মীরা যেতে পারেনি। যাওয়ার পর ওরা যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল তাতে কর্মীরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসে। তবে পুলিশের উপর হামলা করেছে বলে জানতে পারছি। এ ঘটনা খুবই নিন্দনীয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat Election: বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    Gram Panchayat Election: বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি জেলার খানাকুলে বিজেপি (BJP) বিধায়কের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে বিধায়কের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে খানাকুলের কিশোরপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সামনে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Gram Panchayat Election)

    খানাকুলের কিশোরপুর-১ নং পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ১৩ টি। তার মধ্যে তৃণমূলের দখলে ৮ টি। আর বিজেপি জয়ী হয় ৫ টি আসনে। সেই জয়ী প্রার্থীদের শপথ গ্রহণ করাতে গিয়েছিলেন খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, সেখানেই তৃণমূল নেতা নঈমুল হকের নেতৃত্বে বিধায়ককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ইট ছোঁড়া হয়। সেই ইটের আঘাতে জখম হন বেশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী। পাশাপাশি বিধায়কের গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়। তারপরেই জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে খানাকুল থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ বসেন বিজেপি বিধায়ক। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি করা হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেফতার না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। পাশাপাশি আরামবাগ -গরেরঘাট ও কলকাতা,তারকেশ্বর ১৬/২০ রুটে খানাকুল বাসস্টপে রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করেন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, দলীয় জয়ী প্রার্থীদের (Gram Panchayat Election) নিয়ে যাওয়ার সময় ওরা এই হামলা চালিয়েছে। তৃণমূল বোর্ড গঠনের দিনই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে। আসলে এলাকায় ওরা তাণ্ডব করতেই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা নঈমুল হক বলেন, বিজেপি (BJP) বিধায়ক আমাদর দলের জয়ী প্রার্থী নিজের দলে টানার চেষ্টা করছিলেন। সেটা এলাকার মানুষ বুঝতে পেরে প্রকাশ্যে প্রতিরোধ করেছে। সাধারণ মানুষ সরব হয়েছে। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সংযোগ নেই। ওরা আমাদের নামে এসব অভিযোগ করে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share