Tag: Arambagh

Arambagh

  • Arambagh: আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ দুর্নীতি, দিনভর অবস্থানে কোভিড যোদ্ধারা

    Arambagh: আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ দুর্নীতি, দিনভর অবস্থানে কোভিড যোদ্ধারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরেই  অবস্থান বিক্ষোভ কোভিড কর্মীদের। হাসপাতাল চত্বরে দিনভর তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। নিয়োগের দাবিতে তাঁরা সরব হন।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    আরামবাগে (Arambagh) নতুন যে মেডিক্যাল কলেজ হয়েছে তাতে ৩৫০ জন কর্মী নেওয়া হবে ধাপে ধাপে। সেই কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ই টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদারি সংস্থা। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, করোনার সময় হাসপাতালে হয়ে কাজ করেছি। আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, মেডিক্যাল কলেজে কর্মী নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কিন্তু, আমাদের না জানিয়েই কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই নিয়োগে দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের আন্দোলন করা ছাড়া কোনও উপায় নেই। আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে অস্থায়ীভাবে কর্মী নিয়োগ চলছে। কিন্তু, আমাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে না। অথচ কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল  আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হলে কোভিড যোদ্ধাদের নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। কিন্তু,কেউ কথা রাখেনি। তাই বাধ্য হয়ে এদিন আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কাজের দাবিতে মিছিল ও অবস্থানে বসে কোভিড যোদ্ধারা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক মধুসূদন বাগ বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। এবার স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও নিয়োগ দুর্নীতি শুরু হয়েছে। যারা টাকা দিয়েছে তারা আরামবাগের (Arambagh) ওই হাসপাতালে কাজ পাচ্ছেন, আর যারা টাকা দিতে পারছেন না, তারা কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবে কোভিড যোদ্ধারা টাকা দিতে পারেননি বলে তাদের কাজ দেওয়া হচ্ছে না।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ রায় বলেন, এই বিষয়টির সঙ্গে কলেজের কোনও সম্পর্ক নেই। ই টেন্ডারের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করবে ঠিকাদার সংস্থা। ই টেন্ডারের মাধ্যমে বরাত পেয়েছে তারা। এসডিও, বিডিও  থেকে শুরু করে  প্রশাসনের সকলকে জানিয়ে ই টেন্ডার দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরামবাগে বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তায় পড়েনি পিচ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: আরামবাগে বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তায় পড়েনি পিচ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডের রাস্তা কোথাও ঢালাই, কোথাও আবার পিচ দিয়ে মোড়া রয়েছে। একই চিত্র পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের অলিগলি রাস্তা কংক্রিটের। কিন্তু, এই ওয়ার্ডের বিশেষ এলাকায় অবহেলায় পড়ে রয়েছে রাস্তা। রাস্তায় পিচ দেওয়া তো দূরে থাক ইট পাতার প্রয়োজন মনে করেনি পুর কর্তৃপক্ষ। অপরাধ ওই এলাকায় বিজেপি (BJP) বিধায়ক মধুসূদন বাগ থাকেন। তাই, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার কর্মকর্তারা রাস্তা তৈরি করার বিষয়ে সময় নষ্ট করার প্রয়োজন মনে করেনি বলে বিজেপির অভিযোগ। যার জেরে রাস্তার বেহাল দশা। কাদায় ভরে গিয়েছে রাস্তা। রাস্তার হাল দেখলে মনে হবে পঞ্চায়েত এলাকার প্রত্যন্ত কোনও গ্রামের রাস্তা।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি(BJP) বিধায়কের বক্তব্য, তৃণমূল বরাবরই নোংরা রাজনীতি করে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে গোটা রাজ্যজুড়ে ওরা কী করেছে তা রাজ্যবাসী দেখেছেন। কিন্তু, ওদের মানসিকতা এতটাই নীচ যে আমি বিজেপি দলের বিধায়ক বলে আমার এলাকায় ওরা পরিকল্পিতভাবে কোনও উন্নয়ন করবে। অথচ অন্যান্য রাস্তার কাজ হয়েছে, শুধু মাত্র বিজেপি বিধায়ক হওয়ার জন্যই আমার বাড়ির সামনে প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল বোর্ডের নজর পড়েনি। তাই, সেখানে কোনও কাজ করা হয়নি। যার জেরে ওই রাস্তায় খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। আমি ও আমার এলাকার লোকজনকে কাদা মেখে যাতায়াত করতে হয়। রাজনৈতিক কারণে দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা। এই ওয়ার্ডে এবারে জয়ী হয় বিজেপি। সেক্ষেত্রেও বিজেপির কাউন্সিলারকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    যদিও বিজেপির (BJP) এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি। তিনি বলেন, সব ওয়ার্ডে রাস্তার কাজ হয়েছে। তবে, ওখানেও কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে পুরসভাকে। তাই রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। যদি এবিষয়ে বিধায়ক পুরসভাকে আবেদন করেন তাহলে ফের বিষয়টি দেখা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: জলের তোড়ে ভাঙল একাধিক সেতু, আরামবাগে বহু এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগ

    Arambagh: জলের তোড়ে ভাঙল একাধিক সেতু, আরামবাগে বহু এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের তোড়ে ভেসে গেল আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার একাধিক অস্থায়ী সেতু। যার জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এই মহকুমার একাধিক গ্রামের। কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টি এবং বাঁকুড়া জেলার জল ঢুকে ফুঁসছে দ্বারকেশ্বর ও রুপনারায়ণ। যার জেরেই একাধিক সেতু ভেঙে বিপত্তি তৈরি হয়েছে। বুধবার বিকালের পর নদী গুলোতে জলস্তর বাড়তে শুরু করে। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সেই জল বেড়ে দ্বারকেশ্বর নদীতে আরামবাগের ডোঙ্গল এলাকায় বাঁশের সেতু ভেঙে ভেসে যায়। অন্যদিকে, রুপনারায়ণের জলের তোড়ে মারোখানা, জগৎপুর সহ সাতটি জায়গায় বাঁশ ও কাঠের সেতু ভেঙে ভেসে গিয়েছে। নদীতে জল বাড়ছে দেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়া হয়। সেতুগুলো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষদের।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    আরামবাগ (Arambagh), খানাকুল সহ একাধিক এলাকায় সেতু ভেঙে যাওয়ায় এবার সেই গ্রাম গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়়েছে।  আচমকাই নদীতে জল বাড়তে শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গত বন্যায় ভেঙে যাওয়া নদী বাঁধগুলি এখনও সম্পূর্ণভাবে মেরামতি করা হয়নি। এরমধ্যেই বেশ কয়েকটি সেতু ভেঙে জলে তলিয়ে গিয়েছে। নদীতে এভাবে দ্রুত জল বাড়ে তাহলে আরও সমস্যায় বাড়বে। এমনিতেই বহু এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আগামীদিনে ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কী বললেন মহকুমা শাসক?

    আরামবাগের (Arambagh) মহকুমা শাসক সুভাষিণী ই বলেন, জলের তোড়ে এই মহকুমার ৭টি জায়গায় সেতু ভেঙে গিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে নৌকার ব্যবস্থা করেছি। আর এই পারাপারের জন্য এলাকাবাসীকে কোনও পয়সা দিতে হবে না। আর পারাপারে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তারজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। আর এলাকার মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগ জুড়ে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য, নদী থেকে দেদার উঠছে বালি

    Arambagh: আরামবাগ জুড়ে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য, নদী থেকে দেদার উঠছে বালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারবার অভিযোগ উঠলেও কিছুতেই কমছে না বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য। আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা জুড়ে বিভিন্ন নদী থেকে রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে চুরি হয়ে যাচ্ছে ট্রাক্টরের পর ট্রাক্টর বালি। আবার কোথাও গরুর গাড়িতে করে চুরি হচ্ছে বালি। আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় এমনই বেআইনি বালি চুরিতে ক্ষতি হচ্ছে নদী বাঁধের। ফাঁকি যাচ্ছে রাজস্ব কর। তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের তুষ্ট করেই চলছে এই কারবার। ইতিমধ্যে দুদিন আগেই অভিযান চালিয়ে দুই ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। এখানেই প্রশ্ন, কেন আগে থেকে প্রশাসন কোনও ব্যাবস্থা গ্রহণ করেনি? যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব বালি মাফিয়াদের মদত দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    কীভাবে রাতের অন্ধকারে রমরমিয়ে বালি চুরি করে মাফিয়াদের একাংশ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোঘাট ও আরামবাগের (Arambagh) দ্বারকেশ্বর নদীতে যে সমস্ত বৈধ্য বালি খাদান ছিল তা সবই সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। অভিযোগ, তার পরেও বেশ কয়েকটি বালি খাদান থেকে বালি চুরি হচ্ছে অবাধে। রাতের অন্ধকারে নদীতে ট্রাক্টর ও গরুর গাড়িতে করে বালি চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর এই সমস্ত বালি চুরি চলছে মাফিয়াদের একাংশের মদতে। এলাকায় তৃণমূলের দাদাদের তুষ্ট করেই বালি মাফিয়ারা এই কারবার চালাচ্ছে। প্রথমে মাফিয়াদের কাছে ট্রাক্টর পিছু ১০০০ টাকা করে তাদের তোলা দিতে হচ্ছে। তবেই ছাড় মিলছে খাদানে নামার। পরে অবশ্য বালি নিয়ে যাওয়ার আগে আরও পৃথক ভাবে তাদের শ্রমিক ও রাস্তা মেরামতি বাবদ দিতে হচ্ছে ৪০০ টাকা। এই ভাবেই প্রায় রাতের পর রাত বালি চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরামবাগে ট্রাক্টরে করে যেমন চুরির অভিযোগ উঠেছে, ঠিক তেমনি গোঘাটে গরুর গাড়িতে করে নদী থেকে বালি চুরি করে অন্য জায়গায় মজুত করা হচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    সাধারণ মানুষের অভিযোগ, যেভাবে বালি কেটে পাচার হচ্ছে তাতে করে আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা এলাকায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। নদী বাঁধে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। কিন্তু কেন প্রশাসন এতদিন কোনো নজরদারি চালায়নি? প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির নেতাদের বত্তব্য, শাসক দল ও পুলিশের মদতে চলছে এই বালি চুরির ঘটনা। তৃণমূলের মদতেই বালি মাফিয়াদের রমরমা শুরু হয়েছে। অবিলম্বে বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে নদী বাঁধের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির কেন্দ্রীয় দল হুগলির সন্ত্রাস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করল রবিবার

    BJP: বিজেপির কেন্দ্রীয় দল হুগলির সন্ত্রাস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করল রবিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। ভোট পরবর্তী ‘হিংসা’র ঘটনায় এখনও ঘরছাড়া বহু বিজেপি (BJP) কর্মী। পরিস্থিতির খোঁজ নিতে এবং সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বাংলায় এসেছে বিজেপির আরও একটি প্রতিনিধি দল। এই দলটি তফশিলি সম্প্রদায়ের পাঁচ সাংসদ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

    হুগলির তারকেশ্বর ও আরামবাগের সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন

    দলটি রবিবার হুগলির তারকেশ্বর ও আরামবাগের সন্ত্রাস কবলিত কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের দিন থেকে সেই জায়গাগুলিতে ‘সন্ত্রাস’ চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, শাসকদলের হুমকির রোষে বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া। ভোটের দিন যে সব দলীয় কর্মী তৃণমূলের হাতে মার খেয়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করে বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার সংবিধান মেনে কাজ না করলে এবং বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’

    কী বলছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা 

    রবিবার বিকেল নাগাদ তারকেশ্বরের পিয়াসাড়া নাইটা মালপাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালপাহাড়পুর ও রামচন্দ্রপুর গ্রামে যায় বিজেপির তফশিলি সম্প্রদায়ের ওই দল। দলে ছিলেন বিনোদ সোনকর, সুরেশ কশ্যপ, এস মুনিস্বামী, মনোজ রাজোরিয়া এবং বিনোদ চাবড়া। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছেন, ‘‘ভোটের দিন মালপাহাড়পুরের ১৪৮ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী নীলকান্ত বাগ-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মীর উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই রাস্তায় তাঁদের বাঁশ, লাঠি, রড দিয়ে মারধর করা হয়। সেই ঘটনায় নীলকান্ত, তাঁর বুথ এজেন্ট সঞ্জিত মাজি এবং বিজেপি কর্মী সাগর রুইদাস গুরুতর জখম হন। তাঁদের তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তাঁদের স্থানান্তরিত করা হয় আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে।’’ এই দলটি সঞ্জিতের বাড়িতে যায়। সেখানে তাঁর পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলে তারা। রবিবার সন্ধ্যায় আরামবাগের পার্টি অফিসেও যায় কেন্দ্রীয় দলটি। দলের সদস্য বিনোদ সোনকর বলেন, ‘‘তৃণমূলের অত্যাচারে আমাদের দলের কর্মীরা ঘরছাড়া। পুলিশের মদতে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির কর্মীদের হামলা করেছে। এর দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিতে হবে। কারণ, তিনিই পুলিশমন্ত্রী। সংবিধান মেনে কাজ হোক। সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। না হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’ বিনোদ সোনকরের আরও সংযোজন, ‘‘এখানে পুলিশ-প্রশাসনকে জানিয়ে রাখছি, তারা একটা রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করছে। সেটা বন্ধ করতে হবে। তারা যদি এ রকম কাজ করতে থাকে, তা হলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যে রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও একই রকম পদক্ষেপ করা হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: ফ্রিজ থেকে মিষ্টি খাওয়ার ‘অপরাধ’, খুন্তি পুড়িয়ে অনাথ ভাইঝিকে ছ্যাঁকা

    Arambagh: ফ্রিজ থেকে মিষ্টি খাওয়ার ‘অপরাধ’, খুন্তি পুড়িয়ে অনাথ ভাইঝিকে ছ্যাঁকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চরম অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট। সম্পত্তির লোভে মা, বাবাহারা নাবালিকার পিঠে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কাকু-কাকিমার বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার কাকিমা। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। বেশ কয়েক বছর আগে মা ও বাবাকে হারিয়েছে সে। তারপর থেকে কাকু ও কাকিমার কাছেই সে থাকত।

    কাকু-কাকিমার বিরুদ্ধে আর কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকু-কাকিমার কাছে থাকার কয়েক বছর পর থেকেই তার উপর লাগাতার অত্যাচার শুরু হয়। সময়ে তাকে খেতে দিত না বলে অভিযোগ। প্রায়শই মারধর ও শরীরে ছ্যাঁকা দিত বলে অভিযোগ। বুধবার তাঁদের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার সারাদিন কিছু খেতে দেয়নি। তার অপরাধ বুধবার ফ্রিজ থেকে একটি মিষ্টি বের করে খায় সে। সেই অপরাধেই খুন্তি আগুনে গরম করে ওই নাবালিকার পিঠে ছ্যাঁকা দেয় কাকিমা। পিঠের পিছনে দগদগে ঘা হয়ে যায়। যন্ত্রণায় সে ছটফট করতে থাকে। পরে, যাতে কেউ ঘটনা বুঝতে না পারে তার জন্য টাইট পোশাক পরিয়ে তাকে স্কুলে পাঠায় তারা। কিন্তু, স্কুলের দিদিমণিরা যন্ত্রণার কথা বুঝতে পেরে তার সমস্যার কথা জানতে চান। জামা খুলেই দেখেন, শরীরে খুন্তির ছ্যাঁকায় দগদগে ঘা হয়ে রয়েছে। এরপরই ওই স্কুল ছাত্রী তার উপর হওয়া শারীরীক নির্যাতনের কথা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানায়। এরপরই উঠে আসে পুরো ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গেই অভিযোগ জানানো হয়, বিডিও ও গোঘাট থানায়। গোটা ঘটনায় আরামবাগ (Arambagh)  মহকুমা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন জখম স্কুলছাত্রীর দাদু?

    নাবালিকার মামা-দাদুর বক্তব্য, সম্পত্তির জন্যই ওরা এসব করছে। এর আগেও ওরা নির্যাতন করত বলে শুনেছিলাম। কিন্তু, সামান্য মিষ্টি খাওয়ার জন্য এভাবে খুন্তি পুড়িয়ে কাউকে ছ্যাঁকা দেওয়া যায় তা এখন দেখলাম। থানায় অভিযুক্ত কাকু-কাকিমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। ইতিমধ্যেই দাদুর অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে নাবালিকার কাকিমা সারদামণি চ্যাটার্জিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় কাকিমা গ্রেফতার হলেও অভিযুক্ত কাকু চিন্ময় চ্যাটার্জি পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soil Smuggling: আরামবাগে অবৈধ মাটি পাচার! সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ স্থানীয়দের

    Soil Smuggling: আরামবাগে অবৈধ মাটি পাচার! সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ স্থানীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাটি মাফিয়াদের (Soil Smuggling) দৌরাত্ম আরামবাগে। কখনও রাতের অন্ধকারে আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকে জেসিবি মেশিন দিয়ে পুকুর থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। আর সেই মাটি পাচার হয়ে যাচ্ছে অন্যত্র।
    এমনকি মাফিয়াদের (Soil Smuggling) দৌরাত্ম্যর কারণে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন এলাকার মানুষ। ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরাও। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখা ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন আরামবাগ এসডিও। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সব কিছু জানা সত্ত্বেও পুলিশ কেন চুপ রয়েছে? 

    সব জানা সত্ত্বেও কেন চুপ প্রশাসন? প্রশ্ন স্থানীয়দের

    আরামবাগের মাধবপুর পঞ্চায়েতের পাশেই একটি বিশালাকার পুকুর। সেই পুকুর থেকেই দিনের পর দিন মাটি (Soil Smuggling) কেটে পাচার করার অভিযোগ গ্রামবাসীদের। সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই চলছে অবৈধ পাচার কাজ। শনিবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা যেতেই মাটি মাফিয়ারা হুমকি দিতে শুরু করে। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে শুরু করলে, প্রথমে দূর থেকেই ছবি না তোলার হুমকি আসতে থাকে। তাও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। ছবি তোলা শুরু হতেই এলাকা থেকে ট্রাক্টর ও জেসিবি মেশিন নিয়ে পালাতে শুরু করে মাফিয়ারা। যদিও এক মাটি পাচারকারী, অভিযোগ স্বীকার করে নেয়। মাটি কাটার কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও সব দফতরই নাকি এই অবৈধ মাটি পাচারের কথা জানে বলে জানান তিনি। বিরোধীরা এখানেই প্রশ্ন তুলছে, সব জেনেও কেন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না ভূমি সংস্কার দপ্তর?

    কী বলছে বিজেপি-তৃণমূল?

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, ‘‘তৃণমূলের ঝুড়িতে অনেক শিরোপা দেখেছেন এটাও একটা শিরোপা! এর আগে দেখেছেন গরু চুরি, কয়লা চুরি, বালি চুরি, পাথর চুরি এবার মাটি চুরি (Soil Smuggling)। মাধবপুর থেকে তৃণমূলের নেতাদের মদতে মাটি চুরি চলছে আর এই চুরির টাকায় বিরোধী বিজেপি নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এলাকার সন্ত্রাস করছে।’’ তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি পিসি সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘বিষয়টি আপনাদের মুখ থেকে শুনছি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।’’ এবিষয়ে আরামবাগ এসডিও শুভাষিনী ই বলেন, ‘‘এই অভিযোগটা আগেও এসেছিল আমি ভূমি দফতরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার একমাত্র বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার। তাই, বোর্ড মিটিংয়ে না ডাকার প্রয়োজন মনে করেনি তৃণমূল। তৃণমূলের এই অপমান মুখ বুজে সহ্য করেননি আরামবাগ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানান। যা নিয়ে আরামবাগ শহর জুড়ে ব্যাপত চর্চা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি (BJP)  কাউন্সিলার?

    পুরসভার বোর্ড মিটিং এ ডাকা হয়নি তাঁকে বলে দাবি বিজেপির (BJP) এই কাউন্সিলারের। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে পুরসভা চত্বরে ঘুরে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন তিনি। পুরসভায় বোর্ড মিটিং চলাকালীন গলায় প্ল্যাকার্ড পড়ে সারা পুরসভার বিভিন্ন দফতর ঘুরে ঘুরে তাঁর ক্ষোভের কথা সকলের কাছে তিনি পৌঁছে দেন তিনি। প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘বিরোধী দলের কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে আরামবাগ পুরসভার বোর্ড মিটিং-এ ডাকা হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব দাও।’

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার?

    এবারের পুর নির্বাচনে ১৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১৮ টি এবং বিজেপি পেয়েছে ১ টি ওয়ার্ড। বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, পুর বোর্ড যেদিন থেকে গঠন করা হয়েছে, তারপর থেকে যত বোর্ড মিটিং হয়েছে কোনওটাতেই আমাকে ডাকা হয়নি। পাশাপাশি পুরসভার সভাকক্ষে  শুক্রবার বোর্ড মিটিং হয়েছে। সেখানে ১৮ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা থাকলেও আমাকে ডাকা হয়নি।  তারই প্রতিবাদে এদিন অভিনব প্রতিবাদ জানালাম।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই প্রসঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ডাকা হয়নি নয়, তিনি আসেন না বোর্ড মিটিংয়ে। না এসে আপনাদের কাছে যাচ্ছে, গিয়ে এইসব বলছে। প্রসঙ্গত, পুরবোর্ড গঠনের পর অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কাজ থেকে বিরোধী কাউন্সিলারদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে আসে বিভিন্ন জেলা থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কোনও জনহিতকর না গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধী কাউন্সিলরের মতামত নেওয়া হয় না, বিরোধীদের বোর্ড মিটিংয়ে ডাকা হয়না বলে অভিযোগ করা হয়। সেরকমই এক অভিযোগ এবার দেখা গেল আরামবাগ পুরসভাতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল, প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল, প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিকল্পনা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে ফের তৃণমূল পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করবে। সেই মতো দলীয় নেতা কর্মীরা পঞ্চায়েত ভোটের প্রচুর পরিশ্রম করলেন। ভোটের ফল বের হওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনও পেল তৃণমূল। সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়েছে বিজেপি (BJP)। কিন্তু, প্রধান কে হবে তা নিয়ে আরামবাগের সালেপুর ১ নং পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতাদের এখন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

    কেন এমন পরিস্থিতি?

    বেশি আসন পেয়েও আপাতত প্রধানের আসন দখল নিতে পারল না তৃণমূল। সংরক্ষিত আসনের গেড়োয় পড়ে চরম বিপাকে এখন শাসক দল। কম আসন পেয়েও প্রধানের আসনে বসার সম্ভাবনা বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীর। আরামবাগের সালেপুর ১ নং পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৬ টি। তারমধ্যে ১০টি আসনে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। আর বাকি ৬ টি আসন দখল করে নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির থেকে শাসক দলের প্রার্থীরা বেশি আসনে  জয়ী হলেও প্রধানের আসন দখল নিতে পারছে না শাসক দল। সংরক্ষিত আসনের কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ওই পঞ্চায়েতের প্রধানের আসনটি এসটি মহিলা সংরক্ষিত। আর তৃণমূলের এসটি মহিলা যে প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন তিনি পরাজিত হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, বিজেপির জয়ী প্রার্থী পূর্ণিমা মাণ্ডি প্রধান হওয়ার সমস্ত যোগ্যতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী তিনি প্রধান পদের একমাত্র দাবিদার। যাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল নেতা স্বপন নন্দী বলেন, এটা একেবারে আইনের বিষয়। দলীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এই বিষয়ে যে নির্দেশ দেবে সেই মতো পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে, বিজেপির জয়ী প্রার্থীকে প্রধান করে বোর্ড গঠন করা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে থাকা সদ্য জয়ী বিজেপি (BJP) সদস্যা?

    বিজেপি (BJP) সদস্যা পূর্ণিমাদেবী বলেন, এই পঞ্চায়েতে নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছি। প্রধান হলে এই এলাকায় যে সব সমস্যার কথা আমরা জানি, সেই সমস্যা সমাধান এবং পঞ্চায়েত এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: পঞ্চায়েতের ফলাফল ঘোষণা হতেই হিংসা আরামবাগে, অনেক বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া

    Hooghly: পঞ্চায়েতের ফলাফল ঘোষণা হতেই হিংসা আরামবাগে, অনেক বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই তৃণমূলের সন্ত্রাস আরামবাগের (Hooghly) মলয়পুরের পূর্বপাড়া এলাকায়। মারধর, গাড়ি ভাঙচুর ও গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে ঘরছাড়া বহু বিজেপি কর্মী। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুরো ঘটনায় এলাকায় (Hooghly) দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আরামবাগ থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনার জেরে এখনও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। এলাকার লোকজন বলছেন, সিপিএমের আমলে যে ঘটনা ঘটত, তৃণমূলের জমানায় তার কোনও পরিবর্তন হল না!

    আরামবাগের (Hooghly) ফলাফল কেমন?

    আরামবাগের (Hooghly) মলয়পুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৭টি। এর মধ্যে বিজেপির দখলে ৮টি আসন এবং বাকি ৯টি দখল করেছে তৃণমূল। তবে মলয়পুরের পূর্বপাড়া বুথে এবারে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, ফলাফল ঘোষণার পর অনেক বিজেপি কর্মীকে ঘরছাড়া করেছে তৃণমূল। শাসক দলের সন্ত্রাসে ভীত এলাকাবাসী।

    বিজেপির বক্তব্য

    আরামবাগের (Hooghly) বিজেপির বিধায়ক মধুসূদন বাগ বলেন, তৃণমূলের লোকজন বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকায় অশান্তি করতে এসেছিল। আর তাই গ্রামের মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে! ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির বিধায়ক বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসে আমাদের অনেক বিজেপি কর্মীরা ঘরছাড়া হয়ে আছেন। শাসক দল যেখানে যেখানে জয়ী হয়েছে, সেখানে সেখানে তীব্র সন্ত্রাস চলছে। 

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের পাল্টা দাবি, বিজেপিই হামলা চালিয়েছে। দুষ্কৃতীদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা, বন্দুক ছিল। এমনকী জেলার সহ সভাপতির গাড়ির উপর হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি। অন্যান্য তৃণমূল কর্মীদের পিছনে ছুটে ধাওয়া করে দুষ্কৃতীরা। কোনও রকমে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় সকলে। তৃণমূল প্রার্থী (Hooghly) শ্যামসুন্দর কোয়ালের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। বেধড়ক মারধর করা হয় তৃণমূল প্রার্থীর বাবা নিমাই কোয়ালকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share