Tag: archaeological news

archaeological news

  • Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটি থেকে আবারও উদ্ধার ঐতিহাসিক সম্পদ। সম্প্রতি রাজস্থানের (Rajasthan) দৌসা জেলার ভেঝা গ্রামের একটি ঢিবির উপর খননের সময় ২,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো প্রত্নবস্তু আবিষ্কার (Archaeological Marvels Discovered) হয়েছে। জানা গেছে এই বস্তু গুলি মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ। স্বাভাবিকভাবেই হটাৎ করে এই প্রত্নতাত্ত্বিক বুস্তুগুলির আবিষ্কারে হইচই পড়ে গিয়েছে এলাকায়। 

    কী কী পাওয়া গিয়েছে? (Archaeological Marvels Discovered) 

    আবিষ্কৃত হওয়া বুস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে ব্রোঞ্জের হাতিয়ার, মুদ্রা, মৌর্য যুগের একটি মূর্তির মাথা, শুঙ্গ যুগের অশ্বিনী কুমারদের ভাস্কর্য এবং হাড় দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি। এছাড়াও মহাভারতের সময়কার মৃৎশিল্পের টুকরো এবং অন্যান্য প্রত্নবস্তুও খনন প্রক্রিয়ার সময় আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হল শুঙ্গ যুগের হাড়ের সরঞ্জাম। এছাড়াও একটি মাটির সীল উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে দেবতাদের হাতির উপর চড়ার চিত্র আঁকা রয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া বস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে সিন্ধু সভ্যতার (১১০০ এবং ৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) সময়কার একটি ধূসর মাটির পাত্র, মৌর্য যুগের একটি বিরল পোড়ামাটির পাইপ এবং মাতৃদেবীর একটি পোড়ামাটির মূর্তি। পাশাপাশি প্রাচীরের ৪৫-ডিগ্রি কোণে পাওয়া পোড়া ইটগুলি, সম্ভবত মৌর্য যুগের বলে জানিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্ববিদরা।     
    জানা গিয়েছে রাজস্থানের ওই এলাকার ঢিবি খননের সময় দুটি ৩০ ফুট গভীর কুয়োর সন্ধান পাওয়ার পরেই সেখান থেকে প্রাচীন ইটের দেয়াল এবং মৃৎপাত্রের টুকরো আবিষ্কৃত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরূপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মন্দিরের অস্তিত্ব 

    অন্যদিকে খনন কার্যের ফলে মধ্যপ্রদেশের ধারে আবিষ্কৃত  ভোজশালাটিরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। জানা গিয়েছে প্রাচীনকালে এখানে সরস্বতী মন্দির ছিল। যা রাজা ভোজের সময় নির্মিত হয়েছিল। খনন কার্যের (Archaeological Marvels Discovered) পর বহু বছর ধরে গবেষণার পরে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছে প্রত্নতত্ত্ববিদরা। বর্তমানে প্রফেসর অলোক ত্রিপাঠির নির্দেশনায় এবং প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি দল, ভোজশালার প্রকৃত প্রাচীনত্ব এবং পরিচয় উন্মোচনের জন্য শিলালিপি এবং বৈজ্ঞানিক খননগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা চালাচ্ছে৷  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ujjain mosque: উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    Ujjain mosque: উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদ বদলে গেল মন্দিরে! মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে (Ujjain) একটি মসজিদের  শিব (Lord Shiva) ও গণেশের (Lord Ganesha) মূর্তি রয়েছে বলে দাবি উঠেছিল দিনকয়েক আগে। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। এবার প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (archaeological department) নিশ্চিত করে জানাল, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, এক সময় সেখানেই ছিল হিন্দু দেবতা শিবের মন্দির (Shiva temple)। প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের এই ঘোষণায় খুশি একাধিক হিন্দু সংগঠন।

    কিছুদিন আগে মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অতুলেশানন্দ জি মহারাজ দাবি করেছিলেন, উজ্জয়িনীর একটি মসজিদে (Ujjain mosque) শিব ও গণেশের মূর্তি রয়েছে। মসজিদটি দানি গেটে অবস্থিত। প্রতিদিন এখানে পাঁচবার নমাজ পাঠ করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। অতুলেশানন্দ মহারাজের দাবি ছিল, ২০০৭ সালে তিনি একবার ওই মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন। তখনই দেখেছিলেন, মন্দিরে রয়েছে শিব ও গণেশের ছবি। মূর্তিগুলি রাজা ভোজের সময়কার বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি যে নিছক দাবি নয়, প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের শিলমোহরেই মিলল তার প্রমাণ।

    ঐতিহাসিকদের একাংশের মতে, মুঘল আমলের এদেশের অনেক মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বহু মন্দিরের বিগ্রহ সরিয়ে রূপদান করা হয় মসজিদের। মুসলমান শাসকের আমলে এসব নিয়ে খুব বেশি হইচই হয়নি। হইচই হয়নি স্বাধীনতা-উত্তর কালেও। সম্প্রতি একের পর এক মসজিদ এক সময় হিন্দুদের মন্দির ছিল বলে দাবি হিন্দুদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর। যেমন, আগরার তাজমহল নাকি এক সময় তেজো মহালয়া নামের শিব মন্দির ছিল। ওই স্মৃতিসৌধের বন্ধ থাকা ২০টি কক্ষ খুলে দেওয়ার দাবিও জানায় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

    বিবাদ বেঁধেছে বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়েও। কাশী বিশ্বনাথের মূল মন্দিরটি দু’হাজার বছরেরও বেশি আগে নির্মিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন হিন্দুদের একাধিক সংগঠন। তাদের দাবি, ১৬৬৯ সালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব মন্দিরটি ভেঙে ফেলেন। তার পরেই তৈরি হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque)। এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে এক সময় সেখানেই ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। মন্দির ফেরানোর দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কাশীর একটি হিন্দু সংগঠন।

     

     

LinkedIn
Share