Tag: ariadaha

ariadaha

  • Kamarhati: সিঁথির মোড়ে তোলাবাজি! নাম জড়ালো জয়ন্তর গ্যাংয়ের, শোরগোল

    Kamarhati: সিঁথির মোড়ে তোলাবাজি! নাম জড়ালো জয়ন্তর গ্যাংয়ের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়িয়াদহের স্বঘোষিত ‘ডন’ জয়ন্ত সিং এখন জেলে। প্রায় প্রতিদিন নতুন নতুন ডিডিও প্রকাশ্যে আসছে। কখনও তালতলা স্পোটিং ক্লাবের ভিতরে নৃশংস অত্যাচার। কখনও আবার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢিল ছোড়ার ভিডিও সামনে এসেছে। এসব ভিডিও নিয়ে কামারহাটি (Kamarhati) জুড়ে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে নতুন একটি ভিডিও সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    তোলা না দেওয়ায় জয়ন্তর বাহিনীর হামলা! (Kamarhati)

    জানা গিয়েছে, আড়িয়াদহের (Kamarhati) পাশাপাশি জয়ন্তর বাহিনী আশপাশের এলাকায় প্রোমোটারদের কাছে তোলাবাজি করত বলে অভিযোগ। সিঁথি মোড়ের এক প্রোমোটারের কাছে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল জয়ন্তর বাহিনীর ছেলেরা। কিন্তু, প্রোমোটার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এরপরই প্রোমোটারের অফিসে চড়াও হয় জয়ন্তর বাহিনী। ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রোমোটারের দাবি, হামলাকারীরা কখনও জয়ন্ত সিংয়ের লোকজন বলছিল, কখনও আবার তৃণমূল নেতা অতীন ঘোষের লোকজন বলছিল। পুলিশকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    জয়ন্তর অট্টালিকা বেআইনি, ঘোষণা করল পুরসভা

    আড়িয়াদহে জয়ন্তর তিনতলা দুধ সাদা বাড়ি নিয়ে চর্চা চলছে। এরইমধ্যে শুক্রবার পুরসভার ইঞ্জিনিয়ররা জয়ন্তর বাড়িতে যান। পরে, ভূমি দফতরে জমির প্রকৃত মালিক কে, তা জানার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, জমির মালিক দিলীপ মুখোপাধ্যায়। জমির পরিমাণ, ১ কাটা ৪ ছটাক। একসময় টিনের চালা ছিল সেখানে। কিছুটা অংশ জুড়ে পুকুর ছিল। আর বাকি ফাঁকা জয়াগায় এলাকার ছেলেরা খেলাধূলা করত। জয়ন্তর নজর পড়তেই সব কিছু বন্ধ হয়ে যায়। সেই ফাঁকা জায়গা, পুকুরের কিছুটা অংশ বুজিয়ে তিনতলা অট্টালিকা তুলেছিলেন জয়ন্ত। কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, আমরা দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের খোঁজ করছি। জয়ন্ত ওই জমির মালিক নন। বাড়িটি বেআইনি। পুরসভার পক্ষ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিয়ে সারলেন পুলিশের খাতায় ফেরার জয়ন্ত সঙ্গী রাহুল!

    জয়ন্তর (Jayanta Singh) বাহিনীর অত্যাচার নিয়ে যখন তোলপাড় চলছে, পুলিশ একের পর এক জয়ন্তের গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে, ঠিক সেই সময়ে আড়িয়াদহকাণ্ডেরই মূল অভিযুক্ত রাহুল গুপ্তা বিয়ে করলেন। আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে পেটানোর অভিযোগ থেকে সূত্রপাত। সেই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে। পুলিশের চোখে জয়ন্ত সিং ফেরার ছিলেন। তারপর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু, কেন তাঁকে গ্রেফতারিতে দেরি, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশ। কিন্তু, তারপর থেকে জয়ন্ত সিংয়ের গ্যাংয়ের একের পর এক কুকীর্তির ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে থাকে। জয়ন্ত (Jayanta Singh), লাল্টু সহ ৮ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে এক কিশোরকে অমানবিক মারধরের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন রাহুল গুপ্তা। পুলিশের চোখে তিনি ফেরার। কিন্তু, শুক্রবারই সকালে কলকাতায় লুকিয়ে বিয়ে সারলেন তিনি। সন্ধ্যায় রিসেপশন হয় ঘটা করে। তাহলে পুলিশ কেন খুঁজে পাচ্ছে না, সেটাই প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    Kamarhati: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটিতে (Kamarhati) গণপিটুনিকাণ্ডে সামনে এল দাপুটে এক তৃণমূল নেতার নাম। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম জয়ন্ত সিং। তাঁর নেতৃত্বে কামারহাটির আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আর সেই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে তাঁর নাম সামনে আসার পরও এখনও  তিনি অধরা।

    কে এই জয়ন্ত সিং? (Kamarhati)

    হামলার ঘটনার পর জয়ন্ত সিংয়ের নাম প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর একের পর এক কীর্তির কথা বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চোপড়ার জেসিবি-র মতো কামারহাটির (Kamarhati) জয়ন্ত সিং-কে এলাকায় ‘জায়েন্ট সিং’ নামেই চেনেন সবাই। এলাকায় তিনি সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। একসময় মদন মিত্রের হাত ধরে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন। এরপর মদন মিত্রের সঙ্গে নাকি তৈরি হয় দূরত্ব। আড়িয়াদহ এলাকায় সাট্টা-জুয়ার ঠেক চালানো, তোলাবাজি, মধুচক্র চালানোর মতো অভিযোগ রয়েছে জয়ন্তের বিরুদ্ধে। আড়িয়াদহ তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবের তিনিই শেষ কথ। বছর দেড়েক আগে এলাকায় তাণ্ডব চালানো এবং বোমাবাজির ঘটনায় জেলও খেটেছিলেন। তারপর ছাড়া পেয়ে আবার স্বমহিমায় ময়দানে ফেরেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শাসক দলের নেতাদের হাত মাথায় থাকায় ভয়ে কেউ কিছু বলার সাহস পায় না তাঁকে।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    বিধায়ক (Trinamool Congress) মদন মিত্র বলেন, আমি কামারহাটির বিধায়ক। ফলে, এই বিধানসভার কোন মানুষ ভাল, আর কোন মানুষ খারাপ তা আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। আমার ঘনিষ্ঠ বলে কেউ নেই। এই বিধানসভার সবাই আমার ঘনিষ্ঠ। কেউ আমার সঙ্গে ছবি তুললে আমি তো আপত্তি করতে পারি না। কেউ অন্যায় করে থাকলে দল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অন্যায়কে আমরা সমর্থন করি না। কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন যে জয়ন্ত সিং তৃণমূলেরই কর্মী। তিনি বলেন, দল এই অন্যায় কাজ সমর্থন করে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে গণপিটুনির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার আড়িয়াদহ এলাকা। এক যুবক ও তাঁর বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ছেলেকে মারতে দেখে মা বাঁচাতে আসেন। তাঁকেও রক্তাক্ত করে হামলাকারীরা। হামলার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। যদিও পুলিশের দাবি, হামলার ঘটনায় ৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দুই যুবকের নাম সায়নদীপ পাঁজা এবং সূর্য দাস। আড়িয়াদহ এলাকায় সায়নদীপের বাড়ির (Kamarhati) সামনে রাস্তার ধারে বসে বন্ধু সূর্য দাসের সঙ্গে তিনি গল্প করেছিলেন। রাস্তা দিয়ে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবক যাচ্ছিল। তার সঙ্গে সায়নদীপের কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা হয়। এরপরই ওই যুবক দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। আক্রান্ত সূর্য দাস বলেন, রাত একটা নাগাদ আমি সায়নদীপের সঙ্গে গল্প করছিলাম। একজন মদ্যপ অবস্থায় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। আমাদের দেখে দাঁড়ায়। এরপর ও পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করে। আমরাও ওকে চলে যেতে বলি। ও চলে যাই। কিছুক্ষণ পর ও তালতলা স্পোটিং ক্লাব থেকে বেশ কয়েকটি ছেলেকে নিয়ে আসে। বাইকে করে তারা এসেছিল। তারা সায়নদীপকে এসে মারধর করতে থাকে। আমি বাধা দিতে গেলে ওরা আমাকেও বেধড়ক মারে। রাস্তায় চিৎকার শুনে সায়নদীপের মা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। চোখের সামনে ছেলেকে মারছে দেখে তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।  তাঁকেও রেহাই দেয়নি হামলকরারীরা। মারধর (Lynching) করে তাঁর মুখ ফাটিয়ে দেয়। এরপর আমাকে সামনে পেয়ে তারা ফের আমার ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায়, বুকে চোট লেগেছে। আর সায়নদীপের চোট গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জয়ন্ত সিংহের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত

    ঘটনার পর রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হামলা কারা চালিয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজে সব রয়েছে। মা ও তাঁর ছেলেকে নৃশংসভাবে মারধর (Lynching) করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার পরও হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা আতঙ্কিত। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: দক্ষিণেশ্বরে তৃণমূল যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলের অন্য গোষ্ঠী

    TMC: দক্ষিণেশ্বরে তৃণমূল যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলের অন্য গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে তৃণমূলের (TMC) যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। পরে, লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণেশ্বর থানার আড়িয়াদহ এলাকায়। আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতার নাম অরিত্র ঘোষ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, একটি গণ্ডগোল হয়েছে। গুলি চলার কোনও প্রমাণ নেই। সমস্ত ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বৃহস্পতিবার যুব তৃণমূল (TMC) নেতা অরিত্র ঘোষ বাইকে চেপে অফিসে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। কিন্তু, যুব তৃণমূল নেতার গায়ে লাগেনি। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর হামলাকারীরা তাঁকে ঘিরে ধরে রাস্তায় ফেলে মারধর করে। লোহর রড, বাঁশ দিয়ে যুব তৃণমূল নেতাকে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলার জেরে তাঁর হাত-পা ভেঙে গিয়েছে। হামলার অভিযোগ তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠী জয়ন্ত সিং ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC)?

    আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা অরিত্র ঘোষ বলেন, আমি বাইকে করে অফিসে যাচ্ছিলাম। বাড়ি থেকে বেরোনোর পরেই জয়ন্ত সিংহ এবং তাঁর দলের লোকেরা আমাকে গুলি করে। গুলিটা পায়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। আমি বাইক থেকে পড়ে যাই। তার পর ওরা আমাকে রড, লাঠি দিয়ে আধ ঘণ্টা ধরে মারে। আমি চাই প্রশাসন এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, ঘটনার কথা আমি শুনেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলব। দলগত কিছু হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, অরিত্র আমাদের দলের কর্মী। ওর নামে কোনও অভিযোগ নেই। প্রকাশ্যে দিবালোকে পর পর দুরাউন্ড গুলু চলেছে। পুলিশের ভুমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন করতে শুরু করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share