Tag: arjun singh

arjun singh

  • Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার সাধারণ মানুষকে যাদের রক্ষা করার কথা, ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূলের সেই ডাকাবুকো জনপ্রতিনিধিরা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। প্রকাশ্যে পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। মূলত দলেরই অন্য গোষ্ঠীর (সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামী) দিকে তাঁরা আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ শুনেছি। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।

    নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের (Barrackpore)

    পাশাপাশি জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে নতুন করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে মৌন প্রতিবাদ জানালেন জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানে জগদ্দলের তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে মাস্টারমাইন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। ওই দলে ছিলেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের মা নীলম দেবীও। গত কয়েক মাসে জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে খুন এবং আক্রান্তদের ছবি সহযোগে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তোলেন, এবার টার্গেট কি আমি? বিক্ষোভকারীদের তরফে ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, সেখানে শাসক দলেরই লোকজন অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশ কমিশনারের অফিসে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিক্ষোভকারী জনপ্রতিনিধি কী বললেন?

    বিক্ষোভকারীদের দলে ছিলেন জগদ্দল বিধানসভার অধীন ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ জন কাউন্সিলার, চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৮ জন সদস্য, দুজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং সাত জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ ওই এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার বিপ্লব মালো বলেন, ২০১৯ সাল পরবর্তী সময়ে যেভাবে বিজেপির বাহিনী (সেই সময় অর্জুন সিং বিজেপিতে ছিলেন) ভাটপাড়া, জগদ্দল জুড়ে অশান্তি পাকিয়েছিল, একই ভাবে গত ছয়-আট মাস ধরে নতুন করে অশান্তি পাকিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু জায়গার নাম আমরা পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছি, যেখান থেকে দুস্কৃতীরা বেরিয়ে অশান্তি পাকাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যারা জড়িত তাদের সকলকেই ধরা হবে’।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘দলের কর্মীরা আতঙ্কিত। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আমি এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। আশা করি মেঘনা জুটমিল লাইন সহ যে যে এলাকা থেকে অশান্তি পাকানো হচ্ছে, পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: “পুলিশ ৪০ কেজি ভুঁড়ি নিয়ে হাঁটতেই পারে না, অপরাধীদের কী ধরবে”! তোপ অর্জুন সিংয়ের

    Barrackpore: “পুলিশ ৪০ কেজি ভুঁড়ি নিয়ে হাঁটতেই পারে না, অপরাধীদের কী ধরবে”! তোপ অর্জুন সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ভরসন্ধ্যায় বারাকপুরের (Barrackpore) আনন্দপুরীতে সোনার দোকানে ঢুকে মালিকের ছেলেকে খুন করার ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সাংসদ অর্জুন সিং স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। এই ঘটনার জন্য পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তিনি বলেন, “আগে পুলিশের নাম শুনলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যেত। এখন পুলিশ ৪০ কেজি ভুঁড়ি নিয়ে হাঁটতেই পারে না, সে অপরাধীদের ধরবে কী করে? একমাসের মধ্যে টিটাগড় থানা এলাকায় দুটি খুন হয়ে গেল। টিটাগড় থানার ভূমিকা ঠিক নেই। বারাকপুরের সাংসদ হিসাবে আমি খুবই দুঃখিত”।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনার?

    সোনার দোকানে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজন স্থানীয়। বাকি সকলেই বহিরাগত। বারাকপুরের (Barrackpore)  পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, “ডিসি (সেন্ট্রাল), ডিসি ( ডিডি)-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। ফরেন্সিক টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে”। গত বছর ১৭ই মে ডি বাপি বিরিয়ানির দোকানে শ্যুট আউট হয়েছিল। আর এক বছরের মাথায় বাইরের দুষ্কৃতীরা সোনার দোকানে ডাকাতি করতে এসে খুন করল স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলেকে। দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    শনিবার ব্যবসা বনধ ডাকল স্বর্ণ শিল্পীরা

    খুনের ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বারাকপুরে (Barrackpore) ব্যবসা বনধ ডাকলেন স্বর্ণ শিল্পীরা। এই খুনের ঘটনার পিছনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করলেন দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত নীলাদ্রির বাবা নীলরতন সিংহ। গত ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখে নীলাদ্রির বিয়ে হয়েছিল ঐন্দ্রিলার সঙ্গে। প্রথম জামাইষষ্ঠীতে বারাকপুরের বড়পুল এলাকায় তাঁর আর শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হল না। গোটা এলাকা থমথমে। বাড়ির মালিকের সঙ্গে সোনার দোকানের মালিকের ভাড়া নিয়ে সমস্যা চলছিল। জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। তাতে মাসে ৩০০ টাকা ভাড়া ছিল দোকানের। ভাড়া বাড়ানোর কথা বললেও তারা রাজি হয়নি। তা নিয়ে নাকি গণ্ডগোল চলছিল। এই ঘটনার সঙ্গে ভাড়াটিয়া-মালিকের গণ্ডগোলের বিষয়টির কোনও সম্পর্ক আছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এছা়ড়া ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই ওয়াশিম নামে এক কর্মী দোকানে ঢুকেছিলেন। তিনি হলমার্কের কাজ করেন। তিনি বেরিয়ে যাওয়ার পর দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢোকে। ফলে, তাঁর ভূমিকাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    Arjun Singh: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের ল্যাংচা হাবের সামনে শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা–কে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে। আর এই খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা। দীর্ঘদিন ধরে চক্রান্ত করে এই খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ (বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফেরা) অর্জুন সিং (Arjun Singh)।  

    রাজু বিজেপি করেনি

    কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা (Raju Jha) খুন হয়েছিলেন ১ এপ্রিল সন্ধ্যায়। সেই খুনের ঘটনায় সিট গঠন হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত রাজু খুনের কিনারা করে উঠতে পারেনি বিশেষ তদন্তকারী দল। এরমধ্যেই শুক্রবার রাজুর দুর্গাপুরের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অর্জুন। রাজুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অর্জুন বলেন, ‘‘আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ওর (রাজুর) সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল না আমার। আসলে ওর গ্রামের বাড়ি (বিহারে) এবং আমার বাড়ি একই জায়গায় ছিল। সেই সূত্রে পরিচয়।’’ পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ এবং তাঁর উপস্থিতিতে রাজু বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সে কথা উল্লেখ করে সাংসদ বলেন, ‘‘ও পার্টি (বিজেপি) করেনি। পরে আমরা ওকে তৃণমূলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলাম। তার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে গেল।’’

    আরও পড়ুন: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    লতিফেরও প্রাণহানির শঙ্কা

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেও পরে সে ভাবে পশ্চিম বর্ধমানের কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝাকে আর রাজনীতির ময়দানে দেখা যায়নি। রাজু যেদিন খুন হন সেদিন ওই গাড়িতেই ছিলেন গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত তথা সিবিআইয়ের খাতায় ফেরার আবদুল লতিফ। অর্জুনের দাবি, ‘এটা পাকা মাথার কাজ। বাইরের রাজ্য থেকে শার্প শ্যুটার এসেছিল। রহস্য ভেদ করতে একটু তো সময় লাগবেই!’ রাজুর খুনের দিন তাঁর সঙ্গে এক গাড়িতেই ছিলেন লতিফ। আর এই ঘটনার পর থেকে গা–ঢাকা দিয়েছেন তিনি। অর্জুনের কথায়, ‘আমার মনে হয় লতিফ এই মার্ডার কেসে একটা লিঙ্ক!’ আবদুল লতিফের নাম এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়েছে তারও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। ওকে পুলিশ না ধরতে পারলে হয়তো লতিফকেও সরিয়ে দেওয়া হবে। গরু-পাচার মামলায় কিং-পিন লতিফ। ইতিমধ্যেই তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই আবহে অর্জুনের এরকম দাবি চাঞ্চল্য ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার (Arrest) করেছে সিবিআই (CBI)। সহযোগী সায়গল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গরুপাচার এবং বালিপাচার মামলায় উঠে এসেছে এই তৃণমূল নেতার নাম। এরপরে একাধিকবার সিবিআই তাঁকে তলব করলেও, হাজিরা দেননি অনুব্রত। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছেন না, এই অভিযোগেই অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। 

    প্রথমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), এ বার অনুব্রত মণ্ডল, একের পর এক হেভি ওয়েট নেতার গ্রেফতারিতে বেশ অস্বস্থিতে রাজ্যের শাসক দল। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ছোট থেকে বড় সব তৃণমূল নেতাই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে অস্বীকার করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো এ ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে, “বিষয়টির ওপর নজর রাখছে দল৷ সঠিক সময়েই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    আরও পড়ুন: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর

    এর মাঝেই মুখ খুললেন তৃণমূলের প্রথম সারির কিছু নেতা। আর বিপদ বুঝে তৃণমূল যে অনুব্রতকে ইতিমধ্যেই ঝেড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে, নেতাদের প্রতিক্রিয়াতে তা স্পষ্ট। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় (Sovandeb Chatterjee) অনুব্রত প্রসঙ্গে বলেন, “অন্যায় করলে গ্রেফতার করা হবে। যদি বলেন অন্যায় করেননি, তাহলে তাঁকেই তা প্রমাণ করতে হবে।”      

    তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy) বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিষয়ে যেমন আমরা লজ্জিত। অনুব্রতর বিষয়ে আমরা সেটা এখনই কিছু বলতে রাজি নই। এই বিষয়ে আরও তথ্য সামনে এলে বোঝা যাবে।” 

    এ দিকে, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপি ত্যাগী ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh) জানিয়েছেন, একটা জায়গা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস আগেই তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কোনও দুর্নীতি বা অস্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত কোনও নেতার পাশে দাঁড়াবে না দল। অনুব্রত মণ্ডল যদি দোষী হন আইন আইনের পথে চলবে। দল তাতে হস্তক্ষেপ করবে না।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু  

    এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ শান্তনু সেন (Santanu Sen) বলেন, “কোনও ধরনের দুর্নীতি, কোনও ধরনের অন্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল আপোষ করে না। দল সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।”  

    প্রসঙ্গত সম্প্রতি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কারের পর নতুন করে জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গরুপাচার মামলায় নাম জড়ানোর পরেও জেলা সভাপতিদের তালিকা থেকে সরানো হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। তাই অনুব্রতর গ্রেফতারিতে যে যথেষ্ট অস্বস্থিতে দল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অনুব্রতর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য। 

  • Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা,  এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা, এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র (NIA) হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের(Arjun singh) বাড়ির সামনে বোমা রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ব্যারাকপুরের বিজেপি (BJP) সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে থেকে ৪৫টি বোমা উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় তৃণমূল নেতা সুনীল সিংয়ের (Sunil singh) ছেলেকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন অর্জুন সিং। তার পর থেকে তাঁকে নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকবার তাঁর ওপর হামলাও করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মতান্তরের জেরে দল ছাড়েন অর্জুন। তাঁর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দল তৃণমূল সঙ্গ ত্যাগ করেন সুনীলও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ৭৭টি আসন পায় বিজেপি। রাজ্যের ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এর পরেই বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে ফের তৃণমূলে যোগ দেন সুনীল। পুরভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে কাউন্সিলরও হন তিনি।   

    বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে অর্জুনকে শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লাগে রাজ্যের শাসক দল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে চরমে ওঠে রাজ্যের শাসক দলের অত্যাচার। অর্জুনের বাড়ির সামনে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করেও একবার বোমা ছোড়া হয়। তার পরেও তৃণমূলে ফেরানো যায়নি অর্জুনকে।

    সম্প্রতি অর্জুনের বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার হয় ৪৫টি বোমা। এক সঙ্গে এতগুলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জঙ্গি যোগের গন্ধ পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত শুরু হতেই উঠে আসে সুনীলের ছেলের নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ছেড়ে শাসক দলে যোগ দিতেই সুনীলকে শায়েস্তা করতে লেগেছে কেন্দ্র। তাই গ্রেফতার করা হয়েছে সুনীলের ছেলেকে। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির পাল্টা দাবি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউই নন।

    আরও পড়ুন : মুম্বইজুড়ে দাউদ-সঙ্গীদের খোঁজে হানা এনআইএ-র, গ্রেফতার ছোটা শাকিলের ভগ্নিপতি

     

     

     

LinkedIn
Share