Tag: arms factory

arms factory

  • South 24 Parganas: ফের অস্ত্র কারখানার হদিশ! উদ্ধার অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, জেলাজুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: ফের অস্ত্র কারখানার হদিশ! উদ্ধার অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তী থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, বাসন্তীর তিতকুমার বটতলা এলাকায় একটি বাড়িতে অস্ত্রের কারখানা ছিল। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ইস্তাহার গায়েন ও হাসানুর গায়েন সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মূলত তাদের বাড়িতেই অস্ত্র তৈরির কারবার চলছিল। সেখানেই হানা দেয় এসটিএফ। বেআইনি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়।

    অস্ত্র কারখানা থেকে কী কী উদ্ধার হল?  (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই এলাকায় গোপনে অস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল। আর সেই খবর পাওয়ার পর বাসন্তী থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সেখানে হানা দেয়। ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি একনলা বন্দুক তৈরির উপকরণ মেলে। লোহার পাইপ কাটার মেশিন-সহ অন্যান্য সরঞ্জামও মিলেছে ওই কারখানা থেকে। অন্যদিকে, ক্যানিং থানার তালদি থেকে এক যুবককে বন্দুক-সহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তী, ভাঙড় এবং ক্যানিং বরাবরই অপরাধপ্রবণ এবং বেআইনি অস্ত্র ও বোমা তৈরির জায়গা বলে পরিচিত। পঞ্চায়েত ভোটের মুখে ভাঙড় ও বাসন্তীতে দিনের পর দিন মুড়িমুড়কির মতো বোমা পড়ার ঘটনা ঘটে। বহু মানুষের মৃত্যুর খবর মেলে। বেশ কিছু গ্রামে প্রায় ঘরে ঘরে বোমা ও বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ পাওয়া যায়। একই অবস্থা দেখা যায় ক্যানিংয়েও। মাস খানেক আগে জয়নগর এলাকায় হদিশ পাওয়া গিয়েছিল অস্ত্রের কারখানার। ক্রেতা সেজে অস্ত্র কারবারিদের ধরা হয়েছিল। সেই জের কাটতে না কাটতেই ফের অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলল।

    প্রসঙ্গত, বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) অপারেশনাল হেড কোয়ার্টার্স ছিল। তখন থেকেই সুন্দরবন এলাকায় সমুদ্র ও নদীপথে সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) সপরিবারে কট্টরপন্থী মুসলিম সন্ত্রাসবাদীদের ব্যাপক অনুপ্রবেশ শুরু হয়। রাজনৈতিক মদতে তারা রাতারাতি এদেশের নাগরিক হয়ে যায়। মূলত এদের হাত ধরেই ক্যানিং আর বাসন্তীর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চোরাকারবারের নেটওয়ার্ক ও বেআইনি অস্ত্র কারখানা ছড়িয়ে পড়ে। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এখন বাসন্তী আর ক্যানিংয়ে নিষিদ্ধ মুসলিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার (পিএফআই) অনুগামীদের আনাগোনা বেড়েছে। সেইসঙ্গে মুসলিম ধর্মচর্চার নামে আর এক নিষিদ্ধ কট্টরপন্থী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিজবুত তাহরির-ও (এইচটি) তাদের নেটওয়ার্ক বাড়াচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arms Factory: দুই কামরার বাড়ির পুরোটাই অস্ত্র কারখানা! চক্ষু চড়কগাছ পুলিশেরই!

    Arms Factory: দুই কামরার বাড়ির পুরোটাই অস্ত্র কারখানা! চক্ষু চড়কগাছ পুলিশেরই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করতে এসে শিকার ধরা পড়ল জালে। পুলিশের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করতে এসে ধরা পড়ল দুষ্কৃতী। এরপর সূত্র ধরে, জয়নগরে দুই কামরার ঘরে মিলেছে অবৈধ বিশাল অস্ত্রের কারখানার (Arms Factory) হদিশ। পুকুরের মধ্যে লুকানো ছিল বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করতে এসে পুলিশ নিজেই হতবাক। এতো অস্ত্র! তদন্তকারী অফিসারের চক্ষু চড়কগাছ। বাড়ির মালিকের নাম রহমতুল্লা শেখ। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা (Arms Factory)

    গোপন সূত্রে পুলিশ আগেই খবর পেয়েছিল এই অস্ত্র কারখানার (Arms Factory) সম্পর্কে। সময় বুঝে বারুইপুর থানার পুলিশের এসওজি, জয়নগর থানা এবং বকুলতলা থানার পুলিশ একত্রিত হয়ে অভিযান চালায়। পুলিশ নিজের পরিচয় আত্মগোপন করে প্রথমে অস্ত্র কেনার জন্য ক্রেতা হিসাবে কারখানার মালিকের কাছে যায়। এরপর টাকা নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে যেতে বলে অস্ত্র কারবারীকে। ঠিক সন্ধ্যা ৬ টার সময় মাল দেওয়ার কথা হয়। এরপর পুলিশ এলাকায় অনেক সময় অপেক্ষা করে তাকে গ্রেফতার করে।

    কী কী উদ্ধার হল?

    ধৃত কারখানার (Arms Factory) মালিক রহমতুল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র কারখানা থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮ টি ওয়ান শটার বন্দুক, দুটো লং পাইপ। অস্ত্র তৈরির পালিশ মেশিন, ড্রিল মেশিন, ডাইস, ফাইল, করাত, হ্যাক্সো, বাটালি, হাতুড়ি, লোহার পাইপ ইত্যাদি উদ্ধার হয়। এই সব সরঞ্জাম দিয়ে অস্ত্র তৈরি করা হত বলে জানা গেছে। এই প্রসঙ্গে আরও জানা গেছে, ধৃত ব্যাক্তি নিজের সন্তান এবং স্ত্রীকে নিয়ে এই বাড়িতেই বসবাস করতেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    বারুইপুর থানার পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অপারেশন করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র কারখানা থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অনেক দিন ধরেই আমরা এই অভিযুক্তকে নজরে রেখেছিলাম। তবে এই ধৃত ব্যক্তির পিছনে কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র রয়েছে কিনা, এই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। তদন্ত আরও এগোলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arms Factory: পঞ্চায়েত ভোটের আগে হদিশ মিলল অস্ত্র কারখানার, বাজেয়াপ্ত প্রচুর অস্ত্র, গ্রেফতার ২

    Arms Factory: পঞ্চায়েত ভোটের আগে হদিশ মিলল অস্ত্র কারখানার, বাজেয়াপ্ত প্রচুর অস্ত্র, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে অস্ত্র কারখানার (Arms Factory) হদিশ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার রামচন্দ্রখালি পঞ্চায়েতের ছোটকলাহাজরা তেঁতুলতলা এলাকায়। পুরানো অস্ত্র মেরামতি করার পাশাপাশি নতুন অস্ত্র তৈরি করা হত সেখানে। একটি বাড়ির মধ্যেই চলত অস্ত্র কারখানা (Arms Factory)। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে। একইসঙ্গে এই অস্ত্র কারবার (Arms Factory) চালানোর অভিযোগে মূল অভিযুক্তসহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে যেভাবে একের পর এক অস্ত্র কারখানা আর অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হচ্ছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জেলাবাসী।

    জরির কাজের আড়ালেই চলত অস্ত্রের কারখানা (Arms Factory)

    বাসন্তীর রামচন্দ্রখালির তেঁতুলতলা এলাকায়|পুকুরের পাড়ে খড়ের ছাউনির ঘরেই এই অস্ত্র তৈরির কারখানা (Arms Factory) ছিল। মহিলারা বাড়ির মধ্যে জরির কাজ করতেন। আর তার আড়ালেই চলত অস্ত্রের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের ওসি লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস ও বাসন্তী থানার এস আই সোমনাথ দাসের নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বাইকে করে পুলিশের বিশেষ টিম মোতালেবের ডেরায় যায়।  তারপর ক্রেতা সেজে তারা ওই বাড়িতে যায়। অস্ত্র নিয়ে দামদর করতেই একদল পুলিশ তার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে সাতটি ইম্প্রোভাইজ লং আর্মস, ড্রিল মেশিনসহ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। আর এই কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে মোতালেব পুরকাইত এবং জয়নাল মোল্লাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বাসন্তী, ক্যানিং, গোসাবায়  মোটা টাকায় অস্ত্র বিক্রি করা হত বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ওয়ান শাটারের দাম ১২ হাজার টাকা এবং  একনলা সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপগান ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হত।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার মিস পুষ্পা বলেন, সকলের চোখে ধূলো দিতে ওই বাড়িতে মহিলারা জরির কাজ করত। এই কারবারের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মোতালেব পুরকাইতকে ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ অস্ত্র কারখানা (Arms Factory) চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় উদ্ধার হয়েছিল ৬ টি আর্মস। এবারও সেই একই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share