Tag: Arms

Arms

  • Wine Shop: দোকানে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

    Wine Shop: দোকানে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোকানে ঢুকে কর্মীকে আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে মেরে অবাধে লুটপাট চালালো দুষ্কৃতীরা। শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে আসানসোল দক্ষিণ থানার এসবি গড়াই রোডের একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানে (Wine Shop)। ক্যাশবাক্স থেকে ৪ লক্ষ টাকা তারা ছিনিয়ে নেয় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দোকানের কর্মীদের কাছে থেকে মোবাইলও কেড়ে নিয়ে যায় তারা। ঘটনার পর পরই দোকানের (Wine Shop) কর্মীরা দুষ্কৃতীদের পিছু ধাওয়া করেন। কিন্তু, ততক্ষণে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    শনিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ শাটার বন্ধ করে ভিতরে হিসেব মেলানোর কাজ করছিলেন দোকানের (Wine Shop) কর্মী শ্যামল দত্ত ও তাঁর সহযোগী সন্দীপ পাল। ঠিক সেই সময় শাটার তুলে তিনজন দুষ্কৃতী ভিতরে ঢোকে। দুজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। ঢোকার পরই আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সব টাকা বের করে দিতে বলে। কিন্তু, দোকানের কর্মীরা আপত্তি করলেই আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। ক্যাশবাক্স থেকে সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। সিসিটিভিতে দুষ্কৃতীদের ছবি ধরা পড়েছে। ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। সিসিটিভি-র ফুটেজ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    কী বললেন দোকানের কর্মীরা?

    দোকানের (Wine Shop)  কর্মী সন্দীপ পাল বলেন, আচমকা শাটার তুলতেই আমরা ভেবেছিলাম কোনও ক্রেতা এসেছে। তিনজনই কোনও কথা না বলে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। আমরা তখন সারাদিনের বিক্রি হিসেব করছিলাম। ওরা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে টাকা দিতে বলে। আমরা আপত্তি করলে ওরা চড়াও হয়। এরপরই ক্যাশবাক্স থেকে সব টাকা নিয়ে নেয়। একজনের মুখে কাপড় বাঁধা ছিল। হিন্দিতে কথা বলছিল। আমাদের মোবাইল সব কেড়ে নেয়। আমরা বাইরে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। সমস্ত টাকা হাতিয়ে নিয়ে ওরা পালায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast:  বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    Bomb Blast: বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল তৃণমূল নেতার বাড়ি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাঁড়ুই থানার ভেড়ামারি গ্রামে। তৃণমূল নেতার নাম হাফিজুল শেখ। তিনি তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দলের নেতার বাড়িতে এরকম বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ শেখ রিন্টু এবং শেখ গোলাম নামে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। গত চারদিন ধরে এই জেলায় এত পরিমাণ বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতার বাড়িতে কী করে বোমা বিস্ফোরণ হল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতার বাড়ির গোয়াল ঘরে চারটি  ড্রামের মধ্যে বোমা (Bomb Blast) রাখা ছিল। শুক্রবার রাতে সেই বোমা ভরতি ড্রাম কোনওভাবে নীচে পড়ে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। গোয়াল ঘরে থাকা বেশ কয়েকটি ছাগলও মারা যায়। বিস্ফোরণে (Bomb Blast) তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তৃণমূল নেতার কংক্রিটের বাড়ি একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে আচমকাই বিকট শব্দে গোটা গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কী হয়েছে তা বুঝতে পারিনি। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, হাফিজুলের বাড়়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগে থেকে বোমা মজুত ছিল, না বিরোধীরা বোমা রেখে ছিল তা তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে, পুলিশি তদন্তে ওই তৃণমূল কর্মী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলায় পাল্লা দিয়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১ মার্চ নানুর থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। ২ মার্চও নানুর থানা এলাকা থেকে ৩ ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে ৩ মার্চ সাঁইথিয়ার বাতাসপুর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আর ৩ মার্চ রাতে সাঁইথিয়ার পর পাঁড়ুই থানা এলাকায় তৃণমূল নেতার আস্ত একটি বাড়িই কার্যত উড়ে গেল। বিরোধীদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বোমা বারুদের ভর কেন্দ্র হয়ে উঠছে এই জেলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: নাকা চেকিংয়ের আওতায় পড়ুক মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ও! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নাকা চেকিংয়ের আওতায় পড়ুক মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ও! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভিআইপি-দের গাড়িতে করে চলছে অস্ত্র পাচার। লেনদেন হচ্ছে টাকার। প্রশাসনিক বৈঠকে সতর্কবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। পুলিশকে নাকা চেকিং বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সমর্থন করেই পাল্টা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বলেলন, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ও যেন নজরদারির আওতায় থাকে। জনগণের নিরাপত্তার জন্য সেই কনভয়ও যেন বাদ না পড়ে।

    ভিডিওগ্রাফি করে চেকিংয়ের দাবি শুভেন্দুর

    নন্দীগ্রামে, নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে এক  কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “একবার নয়, ১০০ বার চেকিং করতে পারে। শুধু চেকিং করাই নয়, ভিডিওগ্রাফি করে চেকিং করতে হবে। আর অবশ্যই এই নজরদারি প্রক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকেও রাখতে হবে। নাকা চেকিং চালু হলে নিয়ম সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। কারণ উনিও (মুখ্যমন্ত্রী) তো ভিআইপি।” উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নদিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বলেন, “ভিআইপি’দের গাড়িতে যেন অস্ত্র আমদানি না হয়। ভিআইপি’দের স্পেশাল প্রটোকশনের নাম করে অনেকে অস্ত্র ও নোট ক্যারি করে। তাই নাকা চেকিং বাড়াতে হবে। ” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘‘একবার নয়, পুলিশ একশো বার বিরোধী দলনেতার গাড়িতে তল্লাশি করতে পারে। তবে ভিডিয়োগ্রাফির মাধ্যমে আইপিসি এবং সিআরপিসি মেনেই তল্লাশি করতে হবে। আর পুলিশকে তৃণমূল বেতন দেয় না। তারা সরকারের টাকায় বেতন পান। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার দাবি-পাল্টা দাবি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক মহলে চাপান-উতোর শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    মমতার দাবি, সুকান্তের অভিযোগ

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর দিকেও অভিযোগের আঙুল তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়,“একটা চক্রান্ত চলছে। স্পর্শকাতর জায়গাগুলো দেখে রাখুন। বিহার থেকে হাজার টাকায় অস্ত্র আসছে। ও-পার থেকে চলে আসছে। এখান-সেখান থেকে চলে আসছে। এগুলো সামলাতে হবে।” অশান্তির আশঙ্কা সম্পর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্তের মন্তব্য, ‘‘উনি ভয় পেয়েছেন দেখে ভাল লাগছে। আমরা তো শুধু বলেছি ডিসেম্বরে ঠান্ডা পড়বে, ওঁর সরকার কাঁপবে। আর তো কিছু বলিনি। বাকি কথা তো উনিই বলছেন। বাংলার মানুষ ২ মে ২০২১ থেকে শান্তি দেখেছে। উনি কি সেই শান্তির কথা বলছেন? শ্মশানের শান্তি?’’ 

    আরও পড়ুন : নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Police: ডিউটি শেষে অস্ত্র জমা রাখার নির্দেশ কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে, কেন?

    Kolkata Police: ডিউটি শেষে অস্ত্র জমা রাখার নির্দেশ কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন ডিউটির শেষে আগ্নেয়াস্ত্র ফিরিয়ে দিতে হবে নিকটবর্তী কোনও থানায়। সম্প্রতি এমনই নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। ইন্টেলিজেন্স বিভাগের যুগ্ম কমিশনার এই নির্দেশ দিয়ে বলেন, “অস্ত্র নেওয়া এবং জমা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ম মাফিক করা হচ্ছে না। বার বার নিয়ম ভাঙা হচ্ছে।” সূত্রমতে, স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চেই সম্প্রতি প্রায় ২০টি আইন ভাঙার খবর সামনে এসেছে। 

    এক পুলিশ কর্তা বলেন, “যেসব পুলিশকর্মীদের ডিউটির জন্যে অস্ত্র দেওয়া হয়, তাদের ডিউটি শেষে দৈনিক সেই অস্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু অনেক পুলিশ কর্তাই সেই নিয়ম পালন করেন না।”

    একাধিক পুলিশ কনস্টেবল, অপহরণ, ডাকাতি, চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পরেই এই বিষয়ে কড়াকড়ি শুরু করে কলকাতা পুলিশ।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে?

    গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।

    আরও পড়ুন: কাটল আইনি বাধা, এবার ভারতে প্রত্যর্পণ নিশ্চিত নীরব মোদির?  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন।

    আর এই  ঘটনাগুলি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বিভাগ। ডিউটিতে পাওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে অপরাধের সংখ্যা কমাতেই এই সক্রিয়তা। 

    এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “অনেক সময়ই দেখা যায় অনেক কর্মী ডিউটি ছাড়াও নিজের কাছে অস্ত্র রাখেন। এই প্রবণতা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যেকোনও অনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হতে পারে সেই অস্ত্র।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     
  • Jammu and Kashmir: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    Jammu and Kashmir: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরকে অশান্ত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে জম্মুর তোফ গ্রামে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, তোফ থেকে মিলেছে একটি গোলাবারুদ ও অস্ত্র বোঝাই প্যাকেট। উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়ানোর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টালিজেন্স বা আইএসআই (Inter-Services Intelligence)। 

    জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি তল্লাশি অভিযান চালায় ন্যাশনাল ইনভেসটিগেশন এজেন্সি (NIA)। কাঠুয়া, সাম্বা, দোদাতে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা। গত মাসে ফইজল মুনির নামে একজনকে আটক করে এনআইএ। পাকিস্তানি ড্রোন থেকে অস্ত্র সংগ্রহের ঘটনায় জড়িত মুনিরকে জেরা করে বেশ কয়েকটি গোপন ঘাঁটির কথা জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। পুলিশ ও সেনার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হয় সীমান্তের ওপার থেকে আসা প্রচুর অস্ত্র। উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রের খোঁজ চলছে।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    নয়াদিল্লির রিপোর্ট বলছে কাশ্মীরে অশান্তি বাড়াতে সক্রিয় হয়েছে পাকিস্তানের সেনা বাহিনীও। নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে জঙ্গিদের ভারতে ঢোকাতে চেষ্টা চালাচ্ছে তাঁরা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কাশ্মীরে জঙ্গি তৎপরতা বাড়াতে বেশ কয়েক দফা পরিকল্পনা করেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে তিনটি এলাকায় ISI-এর মদতে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মূলত লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba), জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammad )-এর পাশাপাশি ISI-এর মদতে চলা আল বদর (Al-Badar) জঙ্গিগোষ্ঠীর নজরদারিতে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানসেরা (Manshera), মুজফ্ফরাবাদ (Muzzafarabad) এবং কোটলিতে (Kotli) জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলছে। নিয়ন্ত্রণ রেখা বারবার একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাডও সক্রিয় হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ড্রোনে পাকিস্তান থেকে এই জঙ্গিদের হাতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে আইএসআই। গত কয়েক দিনে পরপর জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে কাশ্মীর। সাধারণ মানুষ, কাশ্মীরি পণ্ডিত থেকে শুরু করে পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষী, সেনা সকলকেই নিশানা করছে জঙ্গিরা।

LinkedIn
Share