Tag: Army General

Army General

  • India China War: সেনাপ্রধান পদে থাপারের নিয়োগ, নেহরুর সিদ্ধান্তে চিনের কাছে ভারত খুইয়েছে ভূখণ্ড!

    India China War: সেনাপ্রধান পদে থাপারের নিয়োগ, নেহরুর সিদ্ধান্তে চিনের কাছে ভারত খুইয়েছে ভূখণ্ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬১ সাল। দেশের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। চিফ আর্মি স্টাফ পদে নিয়োগ করলেন প্রাণনাথ থাপারকে (India China War)। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত আজও ইতিহাসের আতশ কাচের তলায়। এখনও তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ওঠে বিতর্কের ঝড়। ঐতিহাসিক রোমিলা থাপারের কাকা এই প্রাণনাথ। তাঁর ছেলে করণ থাপার নাম করা জার্নালিস্ট। সেনা প্রধান পদে প্রাণনাথকে নিয়োগ করেছিলেন জওহরলাল। নেহরুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খাতিরেও ওই পদে বসানো হয় তাঁকে।

    প্রাণনাথ থাপার (India China War)

    প্রাণনাথের জন্ম ঝিলামে। বর্তমানে এটি পাকিস্তানে। নাম করা ডালি কলেজের পাঠ চুকিয়ে প্রাণনাথ চলে যান ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি (India China War)। বর্মায়(অধুনা মায়ানমার) ফোর্থ ইন্ডিয়ান ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন তিনি। ভারতীয় সেনার পরিকাঠামোকে আধুনিক করে তুলতে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। পুণের খাদাখাওসলায় তিনি স্থাপন করেন ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি। এই প্রতিষ্ঠানে আজও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ভবিষ্যতের সেনানায়কদের।

    সেনা প্রধান পদে নিয়োগ

    এহেন প্রাণনাথের সেনা প্রধান পদে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ছিল। লেজেন্ডারি জেনারেল কেএম কেরিয়াপ্পা অবশ্য সেনাপ্রধান পদে চেয়েছিলেন জেনারেল থোরাটকে। তাঁর যুক্তি ছিল, চিন সীমান্ত নিয়ে থোরাটের অভিজ্ঞতা বিস্তর। সেনাবাহিনীকে ফরওয়ার্ড পজিশনে মোতায়েন করার কথা বলায় তখন তিনি প্রাণনাথের চেয়ে ঢের বেশি যোগ্য বলেই দাবি করেছিলেন কেরিয়াপ্পা। কিন্তু পারিবারিক যোগাযোগ থাকায় কেরিয়াপ্পার কথা কানে তোলেননি নেহরু। সেনা প্রধান পদে বসিয়ে দেন থাপারকে।

    আর পড়ুন: “ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করতে বাজেট সংস্কার করা হয়েছে”, বললেন নির্মলা

    সাইনো-ইন্ডিয়ান যুদ্ধ

    ১৯৬২ সালে হয় সাইনো-ইন্ডিয়ান যুদ্ধ। এই সময় সেনা প্রধান পদে ছিলেন থাপার। তখনই ধরা পড়ে যুদ্ধের জন্য আগাম কোনও প্রস্তুতিই ছিল না ভারতীয় সেনার। ভারতীয় সেনার দুর্বলতাও প্রকাশ্যে চলে আসে। চিন সীমান্ত সম্পর্কে থাপারের জ্ঞান ছিল খুবই কম। সেই কারণেই ওই যুদ্ধের মোকাবিলা করতে গিয়ে সমলোচনার তিরে বিদ্ধ হন তিনি। থাপারের নির্দেশের জেরেই চিনের কাছে ভারতকে খোয়াতে হয় ৪০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা। হাজার হাজার ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ভারতীয় সেনার ইতিহাসে আজও লেগে রয়েছে যে রক্তের দাগ। দেশ হারতেই থাপার সেনা প্রধান পদে ইস্তফা দিতে চান। অনেকের মতে, এটা ছিল লোক দেখানো। জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে এই সময় নেহরু তাঁকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করেন। ভিন দেশে সেই পদেই অবসর নেন তিনি (India China War)।

    আগুনে ঘি পড়ে

    তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে যেন আগুনে ঘি পড়ে। সেনাপ্রধান পদে ব্যর্থতার কারণে যাঁর মূল্য চোকানোর প্রয়োজন ছিল, তাঁকেই কিনা রাষ্ট্রদূতের পদ উপহার! যদিও চিনের কাছে দেশ যে ভূখণ্ড খুইয়েছে, সংসদে সে দাবি অস্বীকার করেছিলেন নেহরু। তার জেরে আরও খেপে যান বিরোধীরা। অনেকের মতে, থাপারের বদলে ওই সময় জেনারেল থোরাটকে সেনা প্রধান পদে নিয়োগ করা হলে চিনের কাছে হারতে হত না ভারতকে, খোয়াতে হত না ভূখণ্ডও। থোরাটকে টপকে থাপারকে সেনা প্রধান পদে বসানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, ভারতীয় সেনার ইতিহাসে আজও তা একটি বিতর্কিত অধ্যায়। সেনা প্রধান পদে রাজনৈতিক প্রভাবের পরিণাম কী হতে পারে, তা নিয়ে আজও আলোচনা হয় সেনার অন্দরে।

    সেনাবাহিনীর ইতিহাসে থাপারের অবদান যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি তাঁকে নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিতর্কও। এখনও তাঁর নিয়োগ নিয়ে চর্চা হলে তুফান ওঠে চায়ের কাপে। থাপারের নিয়োগ প্রমাণ করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এক, আর মিলিটারি স্ট্র্যাটেজি আর এক। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যেমন খুশি হলে তার খেসারত দিতে হয় দেশকে। আর সেনার ক্ষেত্রে স্ট্র্যাটেজিই শেষ কথা। যে দেশের যুদ্ধ কৌশল যত প্রাসঙ্গিক হবে, সেই দেশের জয় ততই নিশ্চিত হবে। রক্তও ঝরবে কম। প্রাণবলির আশঙ্কাও থাকে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, চিন সীমান্ত সম্পর্কে খুব কম ধারণা থাকায় থাপার ঠিক মতো ঘুঁটি সাজাতে পারেননি। যার জেরে ভারতের একটি বিরাট অংশ দখল করে ফেলেছিল চিন। সেদিন থাপারকে ওই পদে বসানোর সিদ্ধান্ত যদি নেহরু না নিতেন, তাহলে ভারতকে জমি খুইয়ে চোকাতে হত না মূল্য (India China War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Indian Army: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    Indian Army: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের সবুজ সংকেত পেলেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার পুঞ্ছে সেনার এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন নর্দান কম্যান্ডের জেনারেল অফিসার কম্যান্ডিং-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ পেলেই তা কার্যকর করা হবে।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গ

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, পাকিস্তান পিছনে ছুরি মেরেছে। জোর করে কাশ্মীর দখল করেছে। আর সেখানকার বাসিন্দাদের উপর অত্যাচার করছে। ভারত প্রয়োজন বোধ করলে পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করতে দ্বিধা করবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করাই ভারতের লক্ষ্য। ১৯৯৪ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদেও সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়। জম্মু-কাশ্মীরে মঙ্গলবার রুটিন সাংবাদিক সম্মেলনে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী কেন্দ্র থেকে নির্দেশ পেলেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে। আমরা কেন্দ্রের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি।” একই সঙ্গে  তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান অস্ত্র-বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করলে ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্র যেন কোনওভাবেই ভারতকে দুর্বল না ভাবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা রীতিমতো সমস্যায় রয়েছে, বলে জানান জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে অর্ধেকের বয়স ২৫ বছর। সেনাবাহিনীতে তাদের নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দিয়ে পাকিস্তান পাঠালে পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

    আরও পড়ুন: ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা এক পাকিস্তানির! গুলি করে মারল বিএসএফ, ধৃত আরও ১

    সক্রিয় জঙ্গিরা

    জম্মু-কাশ্মীরে এই মুহূর্তে প্রায় ৩০০ জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করেন লেফট্যানেন্ট উপেন্দ্র দ্বিবেদী। সীমান্ত এলাকায় জঙ্গি লঞ্চ প্যাড রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সুযোগ পেলেই জঙ্গিরা ভারতে প্রবেশ করে হামলা চালাতে পারে বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, সব দিক বিবেচনা করে সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর তরফে। জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহলদারি ও তল্লাশি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share