Tag: army

army

  • Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানে (Pakistan) সম্প্রতি যে পরিবর্তনগুলি আনা হয়েছে, বিশেষ করে তড়িঘড়ি করে করা সংবিধান সংশোধন, তা আসলে অপারেশন সিঁদুরে (Operatin Sindoor) তাদের ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি।” কথাগুলি বললেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তানে যে পরিবর্তনগুলি হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে তড়িঘড়ি করে সংবিধান সংশোধন। এসবই স্পষ্ট করে দেয় যে এই অভিযানে তাদের সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। তারা বহু ঘাটতি ও ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে।”

    কী বললেন সিডিএস? (Pakistan)

    সিডিএস আরও বলেন, “‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়নি, আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।” পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সে দেশের উচ্চস্তরের প্রতিরক্ষা কাঠামোয় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান জেনারেল চৌহান। তিনি বলেন, “এই পরিবর্তন ভারতের জন্য, বিশেষ করে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি পরিবর্তনগুলিকে সংক্ষেপে বলা যায়, তবে প্রথম এবং সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, ‘চেয়ারম্যান, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ পদটি তুলে দেওয়া হয়েছে।” এই পদটি মূলত তৈরি করা হয়েছিল তিনটি সেনা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে (Pakistan)। কিন্তু এখন (Operatin Sindoor) সেই পদটি বাতিল করে তার পরিবর্তে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (CDF)’ নামে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিডিএস বলেন, “এই পরিবর্তনগুলি আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।”

    অপারেশন সিঁদুর

    অপারেশন সিঁদুরের অভিজ্ঞতা থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সিডিএস। বিশেষ করে হায়ার ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি (Operatin Sindoor)। সম্প্রতি হওয়া একাধিক সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সিডিএস বলেন, “উরি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ডোকলাম ও গালওয়ান সংঘর্ষ, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং অপারেশন সিঁদুর, এই সব ক্ষেত্রেই ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন ও উদ্ভাবনী কমান্ড কাঠামোর মাধ্যমে কাজ করেছে।” সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডিএস বলেন, “এখন আমাদের লক্ষ্য হল এমন একটি মান্যতাপ্রাপ্ত ও মানসম্মত ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা সব ধরনের পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যাবে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক যে সংশোধনীগুলি আনা হয়েছে, তার মূল লক্ষ্য হল ফেডারেল কাস্টমস কোর্ট গঠন, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।

    আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড

    পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে সিডিএস বলেন, “এর আগেও তারা একটি আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠন করেছে। প্রচলিত ও কৌশলগত—দু’দিক থেকেই এটি তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে (Operatin Sindoor)। মূলত নতুন এই কাঠামোগুলির মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে পাকিস্তানে সেনাপ্রধান স্থলভিত্তিক অভিযান, নৌ ও বায়ুসেনার সঙ্গে যৌথ অভিযানের পাশাপাশি কৌশলগত ও পরমাণু সংক্রান্ত বিষয়গুলির দায়িত্বে থাকবেন। তার সঙ্গে রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠনের ফলে (Operatin Sindoor) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর যুক্ত হয়েছে। এটি অনেকাংশে স্থলভিত্তিক চিন্তাধারার প্রতিফলন (Pakistan)।”

  • Manipur: মণিপুরে ‘অপারেশন খানপি’, খতম ৪ কুকি জঙ্গি

    Manipur: মণিপুরে ‘অপারেশন খানপি’, খতম ৪ কুকি জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে খতম চার কুকি জঙ্গি। মণিপুরের (Manipur) চূড়াচাঁদপুর জেলার ঘটনা। সোমবার ভোরে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলস গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান শুরু করে। ‘অপারেশন খানপি’ নামের এই অভিযান চালানো হয় জেলা সদর থেকে পশ্চিমে প্রায় ৮০ কিমি দূরের খানপি গ্রামে। অভিযান শুরু হয় ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ। সেই সময় নিষিদ্ধ সংগঠন ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি (Kuki Terrorists)-র জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুটতে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি চালালে তীব্র সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মির চার জঙ্গি নিকেশ হয়। ওই দলের বাকি জঙ্গিরা গা ঢাকা দেয় পাশের জঙ্গলে। ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি একটি নন-সাসপেনশন অফ অপারেশনস গোষ্ঠী, যারা সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি হিংসার ঘটনায় জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে গ্রাম প্রধানকে হত্যা, সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়া এবং এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা। আধিকারিকরা জানান, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সংগঠনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা দমন করা এবং স্থানীয় জনগণের ওপর সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধ করা।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “৪ নভেম্বর ২০২৫ সালের সকালে গোয়েন্দা-তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানের সময় জঙ্গিরা বিনা উসকানিতে একটি সেনা কনভয়ের ওপর গুলি চালায়। পাল্টা অভিযানে চার সশস্ত্র জঙ্গিকে নির্মূল করা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, ওই গ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় চিরুনি ও ঘেরাও অভিযান চলছে। কোনও জঙ্গি যেন পালাতে না পারে, তাই এই তল্লাশি (Manipur)।

    প্রসঙ্গত, কুকি-জো গোষ্ঠীর বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অপারেশন স্থগিত (SOO) চুক্তির অংশ হলেও, ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি (Kuki Terrorists) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।  তাই তাদের কাজকর্মই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই অভিযান মণিপুরের সংঘাতে দীর্ণ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ (Manipur)।

  • Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গোল্ডেন বয়’ নীরজ চোপড়ার Neeraj Chopra) মুকুটে নয়া পালক। অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে টেরিটোরিয়াল আর্মিতে সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত করা হল। নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় আয়োজিত এই “পিপিং সেরিমনি” নীরজ চোপড়ার জীবনের আর একটি গৌরবময় মাইলফলক হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল। নীরজ হলেন সেই ক্রীড়াবিদ, যিনি বিশ্বমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন একাধিকবার। অনুষ্ঠান চলার সময়ই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) নীরজ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

    কী বললেন রাজনাথ? (Neeraj Chopra)

    এই জ্যাভলিন চ্যাম্পিয়নের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “নীরজ অধ্যবসায়, দেশপ্রেম এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের ভারতীয় চেতনার জীবন্ত প্রতীক।” রাজনাথ নীরজের প্রেরণাদায়ী যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন। হরিয়ানার একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে শুরু করে তিনি কীভাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষে পৌঁছলেন, তাঁর সেই অসামান্য সাফল্য এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সাম্মানিক) নীরজ চোপড়া শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা এবং জাতীয় গৌরবের সর্বোচ্চ আদর্শের প্রতীক। তিনি ক্রীড়া জগতের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন (Neeraj Chopra) সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, ভারতীয় সেনা ও টেরিটোরিয়াল আর্মির প্রবীণ আধিকারিকরা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    নীরজের পথ চলা

    ২০১৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নীরজ। সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রাচীন ও সর্বাধিক সম্মানিত পদাতিক রেজিমেন্ট রাজপুতানা রাইফেলসে যোগ দেন। নীরজ ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে তুলেছেন ২০২০ সালে, টোকিও অলিম্পিক্সে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী অ্যাথলিট হয়ে। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে রৌপ্যপদক জয় এবং ২০২৩ সালে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতে নীরজ প্রমাণ করেছেন, তিনি বিশ্বের অন্যতম ধারাবাহিক জ্যাভলিন থ্রোয়ার।

    এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং ডায়মন্ড লিগ প্রতিযোগিতায়ও একাধিক স্বর্ণপদক জয় করেছেন নীরজ। এভাবে বিশ্বমঞ্চে নীরজ উজ্জ্বল করেছেন ভারতের নাম (Rajnath Singh)। নীরজের ব্যক্তিগত সেরা থ্রো ৯০.২৩ মিটার (২০২৫) ভারতীয় ক্রীড়া ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি (Neeraj Chopra) শুধু শারীরিক দক্ষতার নয়, বরং জাতীয় গৌরব ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

  • Operation Namsai: অপারেশন নামসাইয়ে খতম উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সম

    Operation Namsai: অপারেশন নামসাইয়ে খতম উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারভিত্তিক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ২১ ও ২২ অক্টোবর মাঝ রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলস ইউনিটের যৌথ অভিযানে অরুণাচল প্রদেশের নামসাই (Operation Namsai) জেলার এমএস-৬ এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু (Army Drone Attack) হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে গুলির লড়াই। সেনা সূত্রে খবর, ভোরে পরিচালিত ওই তল্লাশি অভিযানে উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সমের দেহ, একটি রাইফেল, একটি আরপিজি রাউন্ড এবং তিনটি রুকস্যাক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান এখনও চলছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর দলগুলিকেও পুলিশ এবং সিআরপিএফের শামিল করা হয়েছে এই অভিযানে।

    আকাশপথে হামলা (Operation Namsai)

    ২১ অক্টোবর রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী মায়ানমারভিত্তিক উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একটি শিবিরে আকাশপথে হামলা চালায়। এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর ক্যাম্পে ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত ওই হামলায় শিবিরটি ধ্বংস হয় এবং বহু জঙ্গি নিহত হয়। এদের মধ্যে শীর্ষ কমান্ডাররাও ছিল। হামলাটি মূলত স্ব-ঘোষিত মেজর জেনারেল এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর পিয়ং কোনিয়াককে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। সূত্রের খবর, অন্তত পাঁচজন জঙ্গি ওই প্রাণঘাতী হামলায় নিহত হয়েছে এবং শীর্ষ কমান্ডার কোনিয়াক গুরুতর জখম হয়েছেন।

    জঙ্গি শিবিরে ড্রোন হামলা

    শিবিরটি ভারত-মায়ানমার সীমান্তের খাংমাই বাসতিতে অবস্থিত ছিল। কোন্যাক অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনা শিবিরে সাম্প্রতিক হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী। মায়ানমারে অবস্থিত জঙ্গি শিবিরে ড্রোন হামলা নিয়ে ভারতীয় সেনা কোনও বিবৃতি জারি (Operation Namsai) করেনি। এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে ভারতীয় সেনা উলফা (আই) এবং এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর শিবিরে অনুরূপ ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। পরে উলফা (আই) জানায়, ওই ড্রোন হামলায় দুই শীর্ষ কমান্ডার-সহ অন্তত ৫ জন ক্যাডার নিহত হয়।

    প্রসঙ্গত, অসমে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় আলফা (ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম) নামে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর (Army Drone Attack)। এই সংগঠনটিকে কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৯০ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই গোষ্ঠী মূলত আদিবাসী অসমিয়াদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে (Operation Namsai)।

LinkedIn
Share