Tag: Arpita Mukherjee judicial custody

Arpita Mukherjee judicial custody

  • Partha Chatterjee: ১৪ দিন শ্রীঘরে! পার্থ-অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের

    Partha Chatterjee: ১৪ দিন শ্রীঘরে! পার্থ-অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডে (SSC Scam) এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট (Bankshall court)। খারিজ করা হল তাঁর জামিনের আবেদন। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় জামিনের আবেদন জানাননি। তাঁকেও ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে (Partha Arpita 14 day judicial custody) পাঠানো হল। 

    আজই ২ দিনের ইডি (ED) হেফাজত  শেষ হয়েছিল। যে কারণে, এসএসসি কাণ্ডে ইডি-র হাতে ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে পেশ করা হয় বিশেষ আদালতে। সেখানে ধৃতদের জেল হেফাজতের জন্য আবেদন করা হয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে।

    শুনানিতে তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, জেরায় অর্পিতা সহযোগিতা করলেও, একেবারেই তা করছেন না পার্থ। ইডি সূত্রে দাবি, তথ্যপ্রমাণের সঙ্গে মিলছে না পার্থর বয়ান। জেরায় তথ্য গোপনের চেষ্টা করছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। আদালতে এই বিষয়টি জানানো হয়, দাবি ইডি সূত্রে।

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল পার্থ-অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছিল। জেরায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেন পার্থ। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাঁকে ভালোভাবে চেনেন না বলে দাবি করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি অর্পিতাকে চেনেন কিনা। জবাবে পার্থ জানান, না, তেমনভাবে নয়, অনেকেই তাঁর কাছে আসতেন। অর্পিতাকেও সেভাবে মাঝেমাঝে দেখেছেন। মুখোমুখি জেরায় পার্থকে প্রশ্ন করা হয়, অর্পিতা কি আপনার ঘনিষ্ঠ? সরাসরি অস্বীকার করে পার্থ জানান, নাকতলার পুজোয় দেখেছেন। 

    ইডি-র তদন্তকারীরা প্রশ্ন করেন, অর্পিতার বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের কথা পার্থ জানেন কিনা। জবাবে পার্থ জানান, তিনি শুনেছেন। প্রশ্ন করা হয়, ওই টাকা কি আপনার? জবাবে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জানান, একদমই না। তাহলে কার টাকা, প্রশ্ন করেন ইডি-র তদন্তকারীরা। জবাবে পার্থ জানান, কার টাকা, সেটা তাঁর জানা নেই।

    আরও পড়ুন: ১৮ জোড়া দুল, ১১টি বালা…! অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া সোনার পুরো তালিকা

    সব বিচার করে, বিচারক পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়ে দেন। পার্থ থাকবেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। অর্পিতা আলিপুরে। ১৮ তারিখ  দু’জনকে ফের আদালতে তোলা হবে।

  • Arpita Mukherjee: প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে অর্পিতার! কী বিশেষ নির্দেশ দিলেন বিচারক?

    Arpita Mukherjee: প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে অর্পিতার! কী বিশেষ নির্দেশ দিলেন বিচারক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা রয়েছে। তাই তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশ দিল আদালত। 

    শুক্রবার এসএসসি কাণ্ডে (SSC Scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Chatterjee) উভয়কেই ইডির বিশেষ আদালেত পেশ করা হয়। আদালত তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আদালতে তোলার পর সওয়াল করতে গিয়েই অর্পিতার প্রাণের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেন তাঁর আইনজীবী৷ জেল হেফাজতে থাকাকালীন পরীক্ষা করেই যাতে অর্পিতাকে খাবার দেওয়া হয়, সেই আর্জিও জানান তিনি৷ 

    প্রায় একই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় ইডি-র (ED) তরফেও। ইডি-র আইনজীবীও সওয়াল করতে গিয়ে অর্পিতার প্রাণের ঝুঁকির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন৷ গোয়েন্দা সূত্রেই তাঁদের কাছে এই তথ্য রয়েছে বলে দাবি করেন ইডি-র আইনজীবী৷ অর্পিতার প্রাণের ঝুঁকির আশঙ্কা থাকায় ইডি হেফাজতে থাকাকালীন তাঁকে সব খাবারই পরীক্ষা করে দেওয়া হত বলেও দাবি করেন তিনি৷ 

    আরও পড়ুন: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    পাশাপাশি, গত ২৪ জুলাই, ব্যাঙ্কশাল কোর্ট থেকে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল ইডি-র কনভয়। তারপরই পার্থ-অর্পিতার যাত্রাপথে, ইডির কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ইডি’র এই মন্তব্য অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ কারণ, আদালতে তোলার আগে ইএসআই জোকা হাসপাতালে অর্পিতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, যা বলার তিনি ইডিকে বলে দিয়েছেন।

    নিরাপত্তার পাশাপাশি, অর্পিতার যেহেতু একটি সামাজিক পরিচয় রয়েছে, তাই প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দিয়ে তাঁকে আলাদা সেলে রাখার আর্জিও জানান তাঁর আইনজীবী। যদিও, অর্পিতাকে প্রথম শ্রেণির বন্দির সুবিধা দেননি বিচারক৷ তবে অর্পিতার জীবন সংশয়ের আশঙ্কাকে গুরুত্ব দিয়ে জেলের সুপারকে দু’টি নির্দেশ দেন বিচারক৷ প্রথমত, জেলে থাকাকালীন অর্পিতার নিরাপত্তায় যাতে কোনও ঘাটতি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে৷ পাশাপাশি, অর্পিতার শারীরিক অবস্থা কেমন থাকে, তিনি কী খাচ্ছেন, এই সমস্ত তথ্য রিপোর্ট আকারে আদালতকে জানানোরও নির্দেশ দেন বিচারক৷ তারপরই অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে মহিলা জেলে নিয়ে যাওয়া হয়৷

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

  • Partha Chatterjee: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    Partha Chatterjee: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলাসবহুল জীবন এখন অতীত! এসি তো ইতিহাস! মাথার উপর ধীরে ঘুরতে থাকা পাখার হাওয়াই সম্বল। এমনকী বিছানাটাও নেই। কম্বল পেতে মেঝেয় শুয়ে রাত কাটাতে হল বর্তমানে সাসপেন্ড হওয়া একসময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) নেতা তথা প্রাক্তন হেভিওয়েট মন্ত্রীকে।

    এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) শুক্রবারই পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট (Bankshall court)। এরপরই, দুজনকে স্থানান্তর করা হয় জেলে। একদিকে পার্থকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেসিডেন্সি জেলে (Presidency Jail)। অন্যদিকে, আলিপুর জেলে (Alipore Jail) নিয়ে যাওয়া হয় অর্পিতা।

    জেলের প্রথম রাত কেমন কাটাল দুজনের? এই প্রশ্ন এখন সকলের মুখে ঘোরাফেরা করছে। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্সি জেলের বাইশ নম্বর ওয়ার্ডে দুই নম্বর সেলে রয়েছেন পার্থ। ওষুধও খেয়েছেন সময়মতো। প্রাক্তন মন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছিল ২টো কম্বল। সেগুলো পেতে মেঝেয় শুয়েছেন। শনিবার সকালে চা-বিস্কুট দেওয়া হয় পার্থকে। রাতে একবার জেল হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয় মন্ত্রীকে। ইডি-র (ED) তরফে দেওয়া হয়েছে পোশাক ও বই।

    আরও পড়ুন: ১৪ দিন শ্রীঘরে! পার্থ-অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের 

    অন্যদিকে, আলিপুর জেলের (Alipore Jail)  ২ নম্বর ঘরে রয়েছে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশে তাঁকে বাড়তি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তদারকি করছেন জেলের সুপার। ভালো আচরণ করার জন্য বন্দিদের যে ঘরে রাখা হয়, তারই একটি ঘর অর্পিতার জন্য বরাদ্দ হয়েছে। সূত্রের খবর, জেলে আসার পর কান্নাকাটি করেন অর্পিতা। রাতে খাবার দেওয়া হলেও খাননি। সকালে তাঁকেও চা-বিস্কুট দেওয়া হয়। খবর সূত্রের।

    গতকাল আদালতে শুনানিতে ইডির আইনজীবী দাবি করেন, অর্পিতাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হলে তাঁর প্রাণসংশয় রয়েছে। তাই তাঁকে জল ও খাবার দেওয়ার আগে, যেন পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া হয়। এর পর, আদালতের নির্দেশে অর্পিতার জন্য ২৪-ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁকে খাবার, জল দেওয়ার আগে, ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

    এদিকে, গতকাল সকালে, আদালতে পেশ করার আগে, পার্থ-অর্পিতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল জোকার ইএসআই (Joka ESI) হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা পার্থকে পরীক্ষা করে দেখেন, গত ১২ দিন ইডি হেফাজতে থাকার ফলে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ওজন ১১১ কেজি থেকে তিন কেজি কমে ১০৮ হয়েছে। যদিও, দ্রুত এতটা ওজন কমার পিছনে কোনও অসুখ নয়, জানিয়েছে জোকার ইএসআই হাসপাতাল। গুরুতর কোনও শারীরিক সমস্যা নেই বলেই জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফে।  

LinkedIn
Share