Tag: Arpita Mukherjee

Arpita Mukherjee

  • Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই সকলের মুখে ঘোরাফেরা করছিল প্রশ্নটা। তা হল— কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের (Partha Chatterjee Pet Dogs) ফ্ল্যাট? এতদিনে তার খোঁজ মিলল।

    গত মে মাসে এই এসএসসি-কাণ্ডের (SSC Scam) শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) একটি মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে। মন্ত্রীর হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য ছিল, নাকতলায় পোষা কুকুরের জন্য ওনার একটা ফ্ল্যাট আছে জানেন তো? এত সম্পত্তির মালিক হলেন কী করে? ওনার সম্পত্তির হিসেব আদালতে পেশ করা হোক। এই সম্পত্তির পরিমাণ কত, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেই পর্যবেক্ষণ করেন বিচারপতি।

    এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (Teachers Recruitment Scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির তদন্ত করতে গিয়েই প্রথম সিবিআইয়ের হাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছিলেন, কুকুরের নামে ওই ফ্ল্যাটের কথা। যদিও, কোথায় সেই ফ্ল্যাট রয়েছে, তা তখন প্রকাশ্যে আসেনি। এখন এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডের আর্থিক দিক খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। গতকাল, সেই সূত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে ২০ কোটির বেশি নগদ ও বিপুল গয়না উদ্ধার হয়। ইডি সূত্রে দাবি, তল্লাশিতে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। কী সেই তথ্য?

    ইডি (ED) সূত্রে দাবি, শুক্রবার টালিগঞ্জের অভিজাত ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনের টাওয়ার ২ ফ্ল্যাট ১এ-তে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। এই ফ্ল্যাটেই থাকেন অর্পিতা। কিন্তু, তদন্তে উঠে এসেছে, ওই একই টাওয়ারে আরও তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে পার্থ-অর্পিতার। সেগুলি হল— ১৮ডি, ১৯ডি ও ২০ডি। সূত্রের দাবি, এর মধ্যে ১৮ডি ফ্ল্যাটটি পার্থ চট্টোপাধ্যয়ায়ের কুকুরের জন্য বরাদ্দ। জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাঝেমধ্যেই এই আবাসনে আসতেন। অর্পিতার সঙ্গে দেখা করতেন। 

  • Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক এক সপ্তাহ আগে, গত শুক্রবার, এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে প্রথম বড় সাফল্য পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। রাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Minister Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে পাহাড় প্রমাণ নগদ ও সোনা উদ্ধার করে। 

    টালিগঞ্জের হরিদেবপুর (Tollygunj Haridevpur) এলাকার ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনে টাওয়ার ২-এর ফ্ল্যাট নম্বর ১এ ফ্ল্যাটে থাকতেন অর্পিতা, যার বর্তমান ঠিকানা সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO complex) ইডি লক-আপ। ওই ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, ৭৯ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না এবং প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে ইডি। 

    আরও পড়ুন: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    তবে, ইডি (ED) সূত্রের খবর, ওই টাওয়ারের পার্কিং লটে অর্পিতার চারটি দামী গাড়ি (Arpita luxury cars) থাকত। তদন্তে উঠে এসেছে, গাড়িগুলোর মধ্যে ছিল একটি অডি এ৪ সিরিজের মডেল যার নম্বর WB02 AB- 9561। একটি হন্ডা সিটি যার নম্বর হল WB06-T-6000। আরও একটি হন্ডার গাড়ি যার নম্বর WB06-T-6001 এবং WB02- AE- 2232 নম্বরের চতুর্থ গাড়ি।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের মতে, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, দুসপ্তাহ আগেও দেখ যেত গাড়িগুলো। এও দাবি, ওই গাড়িতে অনেক হামেশাই দেখা যেত অর্পিতাকে। কিন্তু, এখন আচমকা উধাও হয়ে গেছে সেই গাড়িগুলো। কোথায় গেল গাড়িগুলো, তার খোঁজ চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চার-চারটে গাড়ি রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হলেও, কেন ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা সরাতে পারলেন না অর্পিতা-পার্থ? নাকি, ওই চারটে গাড়ি-ভর্তি করে আরও টাকা আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে? হতে পারে, যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো আর সরানোর সময় মেলেনি! সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

     

  • BJP Protest March: তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামল বিজেপি

    BJP Protest March: তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির জেরে শনিবার গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তৃণমূল সরকারের এই মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখার্জীর (Arpita Mukherjee) একাধিক বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এবার এই দুর্নীতির প্রতিবাদে পথে নামল বঙ্গ বিজেপি (BJP Bengal)। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অপসারণের দাবিতে কলকাতার রাজপথে পদযাত্রায় শামিল গেরুয়া শিবির। 

    দুপুর একটায় শুরু হয়েছে মিছিল। তার আগে হয়েছে বিজেপির জনসভা। কলেজ স্কোয়্যার থেকে শুরু হয়েছে বিজেপির এই মিছিল। চলবে ধর্মতলা রানি রাসমনি রোড অবধি। মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বহু পুলিশ। মিছিলে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না একথা আগেই জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত থাকছেন না বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই মুহূর্তে দিল্লিতে। বৃহস্পতিবারের এই মিছিলে উপস্থিত থাকছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহা- সহ বিজেপির প্রথম সারির নেতারা। 

    আরও পড়ুন: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    সূত্রের খবর, মিছিলের মূল দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি রাজ্যের দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে যে মন্ত্রীদের তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও অপসারণ দাবি করা হয়েছে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “এতদিন আমরা শুনেছি লোকেরা ভোটের ফলাফলের জন্য রাত জেগে থাকেন। তবে কালকে আমরা দেখলাম টাকার ফলাফল কী দেখার জন্য মানুষজন রাতভর অপেক্ষা করছে। একুশ পার হয় নাকি একুশের নিচে থাকে। এই অবস্থা বাংলায় কখনও ছিল না। যে ভেলকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখালেন এরপর কোন মুখে কথা বলেছেন? আমি পরিষ্কার বলছি। এই টাকা তৃণমূলের টাকা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় উপলক্ষ্য মাত্র। এই টাকার একটা অংশ বেরিয়েছে মাত্র। হাজার কোটি টাকাও বেরিয়ে যেতে পারে। এগুলো সব চুরির টাকা।” 

    বিজেপি যখন এই মিছিল করছে, ঠিক তখনই রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। দলে পার্থর কী ভবিষ্যত হবে, তা বৃহস্পতিবার তৃণমূলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বৈঠকে ঠিক করবে দল। তাহলে এবার পার্থর শেষ সম্বল দলের মহাসচিব পদও কী এবার ঝুলছে সরু সুতোর ওপর? প্রশ্ন অব্যহত। 

    আরও পড়ুন: মন্ত্রিত্ব খোয়ালেন পার্থ! কোন মন্ত্রক কার হাতে জল্পনা, একটু পরেই তৃণমূলের জরুরি বৈঠক

    প্রসঙ্গত, বুধবার বেলায় এসএসসি-কাণ্ডে (SSC scam) ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি (ED)। তালা ভেঙে শুরু হয় তল্লাশি। তারপরই সেখানেও লেগে যায় জ্যাকপট। টালিগঞ্জে হরিদেবপুরের পরে অর্পিতার বেলঘরিয়ায় রথতলার ফ্ল্যাটেও টাকার পাহাড়ের হদিশ। ইডি সূত্রে খবর, ১৮ ঘণ্টার অপারেশনে ক্লাবটাউন হাইটসের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২৮ কোটি নগদ। এছাড়াও, মিলেছে প্রায় ৬ কেজির বেশি সোনা। যার মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর রুপোর কয়েনও। অর্পিতার ফ্ল্যাটে শোওয়ার ঘর ও শৌচাগার থেকে এই বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে দাবি। এর আগে, অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২২ কোটি নগদ। আর এখন এই ইস্যুতেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। 
      

     

  • Arpita Mukherjee: মালিক-মালকিন ইডি জালে, সারমেয় বন্দি ‘চিলতে’ ফ্ল্যাটে!

    Arpita Mukherjee: মালিক-মালকিন ইডি জালে, সারমেয় বন্দি ‘চিলতে’ ফ্ল্যাটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬০০ বর্গফুট জায়গা। সেখানেই মিলেমিশে রয়েছে ভিন্ন প্রজাতির ন’টি সারমেয় (Dogs)। এদের মালিক ও মালকিন এখন ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার। তাই প্রশিক্ষকরাও (Trainer) আসেন না। বাইরে বেরনো হয় না। কেবল একজন এসে নিয়মিত খাবার দিয়ে যান। অগত্যা চিলতে ঘরেই আপাতত দিন কাটছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) সাধের কুকুরকুলের।

    টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি সাউথ আবাসনের ১৮ তলার একটি ঘরেই বাস অ-পার কুকুরগুলির। যে ন’টি কুকুর রয়েছে সেগুলির সবই উন্নত প্রজাতির। স্থানীয়দের বক্তব্য, কুকুরগুলির একটি রটওয়েলার, একটি ইংলিশ বুলডগ, একটি ফ্রেঞ্চ বুলডগ। রয়েছে একটি করে পাগ এবং বিগল প্রজাতির কুকুর। দুটি করে ল্যাব্রাডর ও গোল্ডেন রিট্রিভারও রয়েছে।উন্নত প্রজাতির এই কুকুরগুলির মূল্য চার লক্ষ টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন : টাকা আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়, তিন সত্যি পার্থর!

    স্থানীয়রাই জানাচ্ছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যখন ইডির হাতে গ্রেফতার হননি, যখন অর্পিতার ফ্ল্যাটে হদিশ মেলেনি সোনা-টাকার খনির, তখন সুদিন ছিল এই সারমেয়কুলের। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে আসতেন প্রশিক্ষকরা। বিভিন্ন কুকুরের আলাদা আলাদা প্রশিক্ষক। রাস্তায় বের হলে হাঁ করে দেখতেন স্থানীয়রা। কুকুর প্রেমীরা এগিয়ে আসতেন দামী কুকুর একবার ছুঁয়ে দেখতে। নানা রঙের ও দামের এই কুকুরগুলি লিফ্টে করে নামত ফি বিকেলে। ট্রেনিং শেষে ফিরত এসি ফ্ল্যাটে। তার পরেই একপ্রস্ত ভূরিভোজ। লেজ নাড়িয়ে মালিক-মালকিনের আদর খাওয়া।

    মালিক-মালকিন গ্রেফতার হওয়ার পরেই বেমালুম হাওয়া সেসব আদর যত্ন। বদলেছে সারমেয়কুলের দৈনন্দিন রুটিনও। এখন আর প্রশিক্ষকরা আসেন না। তবে খাবার আসে। কুকুরগুলি বর্জ্য কে পরিষ্কার করে, ফ্ল্যাটে এসি চলে কিনা, তা জানেন না স্থানীয়রাও। 

    পার্থ-অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার পরেই একটি এনজিও সংস্থার তরফে ইডিকে অনুরোধ করা হয়েছিল, আপাতত কুকুরগুলিকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হোক। এনজিওর এক কর্তা জানান, তারা আমাদের দেবে বলে আশ্বস্ত করেছিল। কিন্তু এখনও কিছুই করা হয়নি।

    আরও পড়ুন : বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    অতএব, ১৬০০ বর্গফুটের চিলতে ঘরেই মালিক-মালকিনের জন্য হা-পিত্যেশ করে বসে রয়েছে তাঁদের সাধের সারমেয়রা। মাঝে মধ্যে অবশ্য চিৎকার করে। হয়তো মালিক কিংবা মালকিনের খোঁজ করে। অবোলা পশুরা তো আর জানে না মালিক-মালকিন এখন ইডির জালে। যে জাল ছিঁড়ে বেরনো সহজ নয়, বাবা!

     

  • Arpita Mukherjee: পণ্ডিতিয়া রোডে ফোর্ট ওয়েসিস-এর বন্ধ ফ্ল্যাটে ফের হানা ইডি-র, তালা ভেঙে চলছে তল্লাশি

    Arpita Mukherjee: পণ্ডিতিয়া রোডে ফোর্ট ওয়েসিস-এর বন্ধ ফ্ল্যাটে ফের হানা ইডি-র, তালা ভেঙে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার চেষ্টা করেও হয়নি। বৃহস্পতিবার তালা ভেঙে পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road) অভিজাত ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis)-এর বন্ধ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ঢুকল ইডি (ED)। চলছে তল্লাশি।

    মঙ্গলবারও আবাসনের ৬ নম্বর টাওয়ারের ৫০৩ নম্বরের ওই ফ্ল্যাটে এসেছিলেন তদন্তাকারীরা। কিন্তু দরজা খুলতে পারা যায়নি। শেষে একটি নকল চাবি তৈরি করে, এমন একজনকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অনেক চেষ্টাতেও শেষে তিনি দরজা খুলতে পারেননি। ওই দিন বিষয়টি রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশকে জানিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে না পেরে তা ‘সিল’ করে এসেছিলেন ইডি আধিকারিকেরা। 

    বৃহস্পতিবার সকালে ফের স্থানীয় থানায় গিয়ে কথা বলে ইডি। তারপর পণ্ডিতিয়ার ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি। সঙ্গে ছিল স্থানীয় থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটে রয়েছে দুটি দরজা, একটি স্টিল ও একটি কাঠের। স্টিলের দরজাটি ‘মেড-ইন-চায়না’। শেষে দরজা ভেঙেই এই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছে ইডি। এখনও পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাটেই রয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ১৮ জোড়া সোনার দুল, ১১টি সোনার বালা…! অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া সোনার পুরো তালিকা

    সূত্রের খবর, প্রথমে ওই ফ্ল্যাটে সরাসরি প্রবেশ করতে পাচ্ছিলেন না ইডির আধিকারিকরা। কারণ ওই ফ্ল্যাটটি সরাসরি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে নেই। আগের যেকটি ফ্ল্যাটে ইডি হানা দিয়ে ছিল সেগুলি অর্পিতার নামে ছিল। এই ফ্ল্যাটটি অন্য এক মহিলার নামে রয়েছে। এই ফ্ল্যাটের মালিকের নাম স্মিতা ঝুনঝুনওয়ালা। তাঁর সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ইডি। কিন্তু যোগাযোগ করা যায়নি। 

    যদিও, এই ফ্ল্যাটের সঙ্গে অর্পিতার ভালো যোগসূত্র রয়েছে বলে তদন্তে জানতে পেরেছেন আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, ২০১৫ সালে ওই আবাসনের ডেভলপারের সঙ্গে কথা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)। এই আবাসনের একটি ফ্ল্যাট পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ের নামে বরাদ্দ করার কথা হয়। ৫০৩ নম্বর ওই ফ্ল্যাটটি অন্য একজনের নামে হলেও তার দেখাশুনো করতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)।

    আরও পড়ুন: ফের ইডি হেফাজত! ৫ অগাস্ট পর্যন্ত CGO কমপ্লেক্সের জেলেই থাকতে হবে পার্থ-অর্পিতাকে

    ইডি ফ্ল্যাটে ঢোকার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, টালিগঞ্জ, বেলঘরিয়ার মতো অর্পিতার ‘যোগ’ থাকা এই ফ্ল্যাটেও কি মিলবে নগদ টাকা! উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

  • Primary TET Scam:চাকরির বিনিময়ে সোনা! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় প্রকাশ্যে আরেক ‘রঞ্জন’

    Primary TET Scam:চাকরির বিনিময়ে সোনা! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় প্রকাশ্যে আরেক ‘রঞ্জন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশের নজর যেন কেন্দ্রীভূত হয়েছে বাংলার দিকে। না না কোনও ভালো কারণে নয়। সামনে আসছে তৃণমূল সরকারের একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখার্জী (Arpita Mukherjee)। তাঁদের একাধিক বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এখনও শেষ হয়নি সেই বিশাল গুপ্তধনের উদ্ধার কাজ। জায়গায় জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। আর এর মাঝেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Primary TET Scam) প্রকাশ্যে এল আরও এক ‘রঞ্জন’ (New Ranjan) – এর নাম। শুক্রবার এই রঞ্জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নদিয়ার বাসিন্দা এই ‘রঞ্জন’ – এর আসল নাম সুমন চট্টোপাধ্যায়। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলাকা থেকে তিনি তিন কোটি টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগ করেছেন খোদ চাকরি প্রার্থীরাই। 

    আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    এদিন আদালতে সুমন চট্টোপাধ্যায়ের নামে নদিয়ার সুপর্ণা দাস রায় নামের এক চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, জেলায় বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে বেকার ছেলে মেয়েদের থেকে টাকা তুলতেন তিনি। নিজেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুদীপ্ত আচার্য ও দিব্যেন্দু বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করে টাকা তুলতেন। প্রতিটি চাকরির জন্য নিতেন ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। এমনকি কেউ নগদ টাকা দিতে না পারলে তাঁর কাছ থেকে সোনার গয়নাও নিতেন ওই অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, সুমন চট্টোপাধ্যায় নিজেও পেশায় একজন শিক্ষক। 

    অভিযোগ পাওয়ার পরেই নদিয়ার এই নতুন ‘রঞ্জন’ – এর  বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

    এর আগে উপেন বিশ্বাস বাগদার নামের এক ব্যক্তি এক রঞ্জনের নাম করেছিলেন আদালতে। তিনিও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলার দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এএসসি কাণ্ডের পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে দুর্নীতি। একের পর এক কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির মামলার হাত ধরেই প্রকাশ্যে আসে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়টি। তারপরেই সামনে আসে গ্রুপ-ডি নিয়োগ দুর্নীতি। তাতেও শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়েছে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এসএসসির একাধিক মামলার সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। তারপরেই সেটা ইডির হাতে চলে যায়। আর ঝোলা থেকে বেরিয়ে পড়ে বেড়াল। থুরি টাকা।        
     

  • Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee)। সম্প্রতি তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছে তাঁর দল তৃণমূল (TMC)। পার্থের মাথার ওপর থেকে আশীর্বাদী হাত সরে গিয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। আক্ষরিক অর্থেই একা হয়ে গিয়ে পার্থের দাবি, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই দাবিকেই হাতিয়ার করেছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর প্রশ্নবাণ, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন?

    এসএসসি দুর্নীতিকান্ডে তদন্তে নেমে কেঁচো নয়, কেউটের সন্ধান পেয়েছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ ও তাঁর ঘনিষ্ঠ জনৈক অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রাশি রাশি টাকা। হাইকোর্টের নিয়ম মেনে এদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্থ অর্পিতাকে। সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অর্পিতা। আর পার্থ দাবি করেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’কেই অস্ত্র করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন? দিলীপ বলেন, উনি কোনও সাধারণ মানুষ নন। ওনার দায়িত্ব লোকের সামনে নিয়ে আসা। উনি মন্ত্রী, এত বড় নেতা, পুরানো রাজনীতিবিদ। তাই লোকে ওনাকে এত টাকা দিয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষের বিশ্বাসটাকে রেখে বাংলার রাজনীতি যাতে কলুষমুক্ত হয়, সেজন্যও অন্তত ওনার বলা উচিত কারা চক্রান্ত করছে। এখন ফেঁসে গিয়েছেন। সত্যি সত্যিই কেউ চক্রান্ত করে থাকলে বলা উচিত।

    আরও পড়ুন : বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এদিন অর্পিতাকেও নিশানা করেছেন দিলীপ। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, উনিও ঘর থেকে বেরনোর সময় বলেছিলেন বিজেপির চক্রান্ত। কান্নাকাটি করে তো আর বাঁচা যাবে না। তাহলে হয়তো লঘু হতে পারে সাজা। নইলে আরও কঠোর সাজা হবে। তিনি বলেন, উনি কান্নাকাটি না করে সত্য সামনে নিয়ে আসুন।

    এদিন তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন প্রদেশ কংগ্রস সভাপতি অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, তৃণমূলের ভোটার, সমর্থকরা সৎ। তাঁদের সততা, আন্তরিকতাকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতারা ধনকুবেরে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলার মানুষ নতুন চেহারা দেখছেন তৃণমূলের। সবে তো শুরু হয়েছে, এখনও অনেক বাকি রয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, কে ষড়যন্ত্র করেছে, সেই নামটা ওঁর নির্দিষ্ট করে বলা উচিত। কারণ বাংলার মানুষ গভীরতম ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলার মানসম্মান নষ্ট হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বলা উচিত কে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। না হলে একথা বলার কোনও মানে হয় না। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, চক্রান্ত হলে আইনের পথ খোলা রয়েছে।

     

LinkedIn
Share