Tag: Arrest

Arrest

  • Bankura: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    Bankura: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দপুর ব্লকের শালডিহা কলেজের অধ্যক্ষ তথা স্কুল সার্ভিস কমিশনের পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সেখ সিরাজউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হল। নিজের সরকারি পদ ব্যবহার করে স্ত্রীকে বেনিয়মে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি রাজ্য পুলিশের সিআইডির হাতে গ্রেফতার হন। শুক্রবার বাঁকুড়া তোলা হলে বিচারক ২৭ মার্চ পর্যন্ত সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    কী অভিযোগে গ্রেফতার? (Bankura)

    স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বাতিল হওয়া প্যানেলের ভিত্তিতে নিজের স্ত্রী জেসমিন খাতুনকে ২০১৯ সালে বেআইনিভাবে প্যানেলভুক্ত করে চাকরি পাইয়ে দেন তৎকালীন শিক্ষা দফতরের চেয়ারম্যান শেখ সিরাজউদ্দিন। পরে, শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বাঁকুড়া (Bankura) সদর থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডি-র হাতে। দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিআইডি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ২১ তারিখ নাগাদ বাঁকুড়ার ধরেই ইন্দপুর ব্লকের ভাতড়া শ্রীদুর্গা একটি বিদ্যায়তন হাইস্কুল থেকে সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষিকা জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করে। সূত্রের খবর, স্ত্রীর গ্রেফতারির আগে থেকেই শেখ সিরাজউদ্দিন নিজের আগাম জামিনের চেষ্টা চালান। তবে আদালতে তা মঞ্জুর না হওয়ায় তিনি আত্মগোপন করেন বলে খবর। অন্যদিকে, এ সবের মধ্যেই শালডিহা কলেজের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক শুরু হলে নড়েচড়ে বসে সিআইডি। অভিযুক্ত শেখ সিরাজউদ্দিনকে সিআইডি গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী?

    স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সরকার পক্ষের আইনজীবী রবীনকুমার দে বাঁকুড়া (Bankura) আদালত চত্বরে বলেন, ‘বেআইনিভাবে কে নিজের স্ত্রীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য স্কুল শিক্ষা দফতরের তৎকালীন পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের চেয়ারম্যান শেখ সিরাজউদ্দিনের নামে অভিযোগ ওঠে। এরপরেই তদন্তভার নেয় সিআইডি। এবার অভিযুক্তকে সিআইডি গ্রেফতার করে। শুক্রবার আদালতে তোলা হয়। আদালত পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমস্যা থেকে সমাধান পেতে সাধারণ মানুষ সবার আগে পুলিশের দরজায় কড়া নাড়েন। কিন্তু, পুলিশ কি সব সময় সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। প্রশ্নটা উঠেছে বর্তমানে রাজ্যের সব থেকে চর্চিত ঘটনা সন্দেশখালিতে। একই রকম অভিযোগ উঠছে ডায়মন্ড হারবারের চিকিৎসক কল্যাণাশিস ঘোষের রহস্যমৃত্যু নিয়ে। সেক্সটর্শন, অর্থিক প্রতারণা, ব্ল্যাকমেলের মত ঘটনায় কি জড়িয়ে পড়ছেন আইনের রক্ষকরাও? ডায়মন্ড হারবারের কল্যাণাশিস ঘোষ নামে এক চিকিৎসকের আত্মহত্যায় সেটাই মনে হচ্ছে।

    চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশ কর্মী

    চিকিৎসকের পরিবার যে এফআইআর দায়ের করেছে তাতে নাম আছে কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল বাকিবিল্লা বোরহানি ও এক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। গ্রেফতার করা হয়েছে বাকিবিল্লাকে। তদন্তে ডায়মন্ড হারবারের এক বারের মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে কল্যাণাশিসের সম্পর্ক নিয়েও উঠেছে আসছে নানা তথ্য। ইতিমধ্যেই বারের মালিক অভিজিৎ দাস ও তার প্রাক্তন স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিবিল্লা বোরহানি আবার রিয়ার প্রাক্তন স্বামী অভিজিতের বন্ধু। পাশাপাশি এলাকায় কান পাতলে শোনা যায়, এই পুলিশ কর্মীর সঙ্গেও নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রিয়ার। অভিযোগ, রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কল্যাণাশিস ঘোষকে ব্ল্যাকমেল করত বাকিবিল্লা। মৃত ডাক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত বাকিবিল্লা। জেরায় এই কথা জানিয়েছে, ধৃত বার মালিক অভিজিৎ। শুধু এই একজন পুলিশ কর্মী নয়, নাম উঠে আসছে আরেক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। তিনি নাকি রিয়ার বন্ধু। এই ঘটনায় জড়িয়ে গিয়েছে তার নাম। রিয়ার সঙ্গে এতটাই ঘনিষ্ঠতা ছিল সেই মহিলা পুলিশ কর্মীর যে অন্যত্র বদলি হলেও মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেত দু’জনকে। চলত আড্ডা। মাঝে মাঝে পুরুষ সঙ্গীদের নিয়ে নাকি লং ড্রাইভেও যেতেন দুই বান্ধবী। দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় ঘটনা অন্য মাত্রা পেয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।

    ডাক্তারকে ব্ল্যাকমেল!

    রিয়ার সঙ্গে চিকিৎসকের অনেক গভীরে সম্পর্ক ছিল। তাঁকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করা হত বলে অভিযোগ। একাধিক পুরুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে তাঁর স্বামী তাঁকে ডিভোর্স দিয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে স্বামীর সঙ্গে বোঝাপরা করেই চলত এই সব কারবার। আর ব্ল্যাকমেল করে আদায় করা হত মোটা টাকা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে ছাত্রীর গণধর্ষণ! গ্রেফতার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে

    Birbhum: স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে ছাত্রীর গণধর্ষণ! গ্রেফতার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। মূল অভিযুক্ত এলাকার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে এবং আরও দুই জন। এই তিনজনকেই গ্রেফতার করেছে বীরভূম পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) পাইকর থানার নতুনপুকুর গ্রামে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। যদিও তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Birbhum)?

    স্থানীয় (Birbhum) সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে গিয়ে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এলাকার এক তৃণমূল নেত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পাইকর থানার পুলিশ তিনজকে গ্রেফতার করেছে। বীরভূমের (Birbhum) ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, “মঙ্গলবার বিকেল ৪ টে নাগাদ স্কুল থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল আমাদের মেয়ে। মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। বাড়ি পৌছে দেওয়ার নাম করে তাঁকে তিন যুবক বাইকে করে নিয়ে যায়। এরপর ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। সেই সময় এলাকার কয়েকজন মানুষ পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ তাঁরা আড়ালে চিৎকার এবং কান্নার শব্দ শুনে তিন যুবককে ধরে ফেলে পুলিশে খবর দেন। এরপর অত্যাচারের শিকার হওয়া আমাদের মেয়েকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা ওই অভিযুক্তের ফাঁসি চাই।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ধৃতদের আজ রামপুরহাট (Birbhum) মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে অভিযুক্ত যুবকের মা তথা ব্লক সভাপতি তৃণমূল নেত্রী বলেন, “ছেলে সেই দিন আমার ঘরে ছিল না। বাইক নিয়ে বেরিয়েছিল। একটি মেয়ে ফোন করে বলে বিপদে পড়েছে এবং তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। আর ওকে বাঁচাতে গিয়ে লোকজন খুব মারধর করে আমার ছেলেকে। ওর বাইক আটকে রেখে দেয়। এই সবের মধ্যে আমার ছেলে ছিল না। বাইক ফেরত চাইলে আরও মারধর করে। ও নির্দোষ।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় পাত্রী, তার আগেই গ্রেফতার হবু বর

    Hooghly: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় পাত্রী, তার আগেই গ্রেফতার হবু বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় বসে রয়েছেন পাত্রী। অপর দিকে তার আগেই হবু বরের গ্রেফতারের খবর পেলেন পাত্রীপক্ষ। এরপর বাধে ব্যাপক গোলমাল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন’বছর ধরে এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ওই অভিযুক্ত হবু বরের। সেই সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে হুগলির (Hooghly) বৈদ্যবাটি পাড়ায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Hooghly)?

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পিঁড়িতে সাজানো থেকে শুরু করে রান্নাবান্না সব আয়োজন করা হয়ে গিয়েছিল মেয়ের বাড়ির পক্ষ থেকে। কিন্তু তখনও পর্যন্ত পাত্রের বাড়ি থেকে আসেনি গায়ে হলুদ। কিন্তু ক্রমেই দেরি হওয়ায় পাত্রের খোঁজ নিতে গিয়েই অবাক হয়ে গেলেন পাত্রীর বাবা-মা। অবশেষে জানতে পেলেন হবু জামাইকে আটক করেছে পুলিশ। হবু জামাই নিজে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত। শেষে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় পাত্রীর পরিবার কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকী বিয়েবাড়িতে আসা নিমন্ত্রিত অতিথিরা বাড়ি ফিরলেন মন খারাপ নিয়ে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    পাত্রীর পরিবারের বক্তব্য (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) বৈদ্যবাটির বাসিন্দা এক পাত্রীর সঙ্গে ত্রিবেণীর বাসিন্দা একজন পাত্রের বিবাহ ঠিক হয়েছিল। পাত্রীর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর নভেম্বর মাসে মেয়ের বিয়ের জন্য দেখাশোনা হয়েছিল। বিয়ের পাকা কথা হয় ত্রিবেণীর পাত্রের বাড়িতেই। সোমবার দুপুর ২ টা পর্যন্ত পাত্রের বাড়ির কোনও খোঁজ না মেলায়, ফোন করলে জানা যায় পুলিশ পাত্রকে গ্রেফতার করেছে। পাত্রীর মায়ের বক্তব্য, “এত আয়োজন আত্মীয়-স্বজন নিমন্ত্রিত। আমাদের অনেক টাকা খরচ হল। আমাদের সম্মান নষ্ট হল। আমরা শাস্তি চাই ওই যুবকের।” যদিও পাত্রপক্ষের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    পুলিশের বক্তব্য

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “নবছর ধরে এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অভিযুক্তের। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রবিবার রাতেই অভিযোগকারিণী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে সকালে পাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: কৃষ্ণনগরে বেআইনি অস্ত্রের কারখানার হদিশ, উদ্ধার এক নলা বন্দুক! গ্রেফতার ১

    Krishna Nagar: কৃষ্ণনগরে বেআইনি অস্ত্রের কারখানার হদিশ, উদ্ধার এক নলা বন্দুক! গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার করা হল বন্দুক সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে একজন। পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি নদিয়ার কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) থানাপাড়া এলাকার সাহেব পাড়ায় একটি বাড়িতে বেআইনি ভাবে অস্ত্র তৈরি করার কারখানার খবর পেয়ে হানা দেয় পুলিশ। ধৃতের নাম হল বজলু শেখ। গ্রেফতার করে তাকে আদালতে তোলা হয়েছে। বিচারক পুলিশে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার মানুষ।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Kriahna Nagar)

    নদিয়া পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) সাহেব পাড়ায় একটি বাড়িতে বেআইনি ভাবে অস্ত্র নির্মাণে কাজ চলছিল। এই খবর গোপন সূত্রে আসে পুলিশের কাছে। এরপর এখানে হানা দিয়ে একটি একনলা বন্দুক সহ আরও একাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয় ওই বাড়ি থেকে। বাড়িতেই ছিল অস্ত্র তৈরির কারখানা। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। বাড়িতে সেই সময়ে উপস্থিত ছিল বজলু। পুলিশ তাকে ওই বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করে।” কিন্তু কীভাবে এই অবৈধ অস্ত্র নির্মাণের কাজ চলছিল তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সীমান্তের ওপারের অস্ত্রকারবারিদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা নিয়েও রীতিমতো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশ আধিকারিক এসডিপিও-র বক্তব্য

    নদীয়া (Nadia) পুলিশের পক্ষ থেকে তেহট্ট এসডিপিও শুভতোষ সরকার বলেন, “অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করেছে। অভিযুক্তের সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।” তবে ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    আতঙ্কিত এলাকবাসী

    এলাকার (Krishna Nagar) মানুষের প্রশ্ন প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে কীভাবে এই বাড়িতে অস্ত্র রাখা হয়েছিল। বাড়িতে নির্মিত কারখানায় অস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল বলে অভিযোগ করেছেন এলাকার মানুষ। এমনিতেই নদিয়া জেলার একপাশে বাংলাদেশ সীমান্ত, ফলে এই অস্ত্র বাংলাদেশে পাচার হবে না তো? আবার সামনেই লোকসভার ভোট তাকে প্রভাবিত করার জন্য অস্ত্র মজুত করা হয়তেছিল কিনা, তাই নিয়েও এলাকার মানুষ দারুণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গতবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দেশী অস্ত্র এবং বোমার ব্যবহারে রাজনৈতিক হিংসার খবরে শিরোনাম হয়েছিল নদিয়া জেলা। তাই এলাকার মানুষ আতঙ্কিত।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি

    Sandeshkhali: দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই এবার আরও এক তৃণমূল নেতাকে সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত তৃণমূল নেতার নাম অজিত মাইতি। রবিবার দিনভর তাঁকে নিয়েই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) বেড়মজুর গ্রামে। তিনি গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়ে অন্য এক জনের বাড়িতে ঢুকে তালা মেরে দেন। সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। মূলত জনরোষ থেকে তৃণমূল নেতাকে বাঁচাতে পুলিশ এই উদ্যোগ নেয় বলে ক্ষুব্ধ জনতা মনে করছে। এলাকার মানুষের চাপে অবশেষে সোমবার সকালে অজিতকে গ্রেফতার করা হল। তবে, রবিবারই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক অজিত সম্পর্কে বলেছিলেন, “দল তাঁর পাশে নেই। তাঁর পদও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যায় করলে তো রাগের বহিঃপ্রকাশ হবেই।” আর দল হাত সরাতেই গ্রেফতার অজিতও।

    সাড়়ে চার ঘণ্টা আটকে ছিলেন তৃণমূল নেতা (Sandeshkhali)

    তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারের পর অজিতের ওপর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ ছিল। শাহজাহান বাহিনীর তিনি অন্যতম মুখ ছিলেন। গ্রামবাসীদের ওপর অত্যাচার করেছেন বলে অভিযোগ। জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দুদিন আগে তাঁর বাড়িতে উত্তেজিত জনতা ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অজিতকে মারধর করে। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের রবিবার জনতার রোষ আছড়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, শনিবারের পর রবিবারও সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং সুজিত বসু। তাঁরা বেড়মজুরের একটি হরিনাম সংকীর্তনের আসরে ছিলেন। ওই এলাকায় অজিতকে দেখে তাড়া করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন মহিলা। তাড়া খেয়ে নিকটবর্তী একটি বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন অজিত। ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। ওই বাড়ির মালিক সেই মুহূর্তে বাইরে ছিলেন। অজিত তাঁকেও বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ। বাইরে তাঁকে ধরতে জড়ো হয়েছিলেন মারমুখী গ্রামবাসীরা। বাড়ির মালিক দরজার সামনেই ছিলেন, ভিতরে ঢুকতে পারছিলেন না। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে অন্যের বাড়িতে আটকে থাকার পর অজিতকে অন্ধকারে ঘুপচি গলি দিয়ে বার করা হয়।

    তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে পুলিশ

    ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাঁকে রক্ষা করে পুলিশ। তাঁকে রবিবার মিনাখাঁ থানাতেই রাখা হয়েছিল। সোমবার গ্রেফতারির পর অজিতকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মিনাখাঁ হাসপাতালে। তার পর আবার থানায় আনা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। সোমবারই তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে হাজির করাবে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ফিরে যেতেই অ্যাকশন মুডে চলে যায় পুলিশ। শুরু হয় গ্রাম জুড়ে ধরপাকড়। বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ চেষ্টা করলে মুহূর্তের মধ্যে ছবি বদলে যায়। আগুনে ঘি ঢালার মতো পুলিশের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়ে। পুলিশের গাড়ির সামনেই গাছের গুঁড়ি ফেলে মহিলারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হাতে গাছের ডাল নিয়ে পথে নামেন মহিলারা। পুলিশ ভ্যানে সামনেই রাস্তায় শুয়ে পড়েন এক বৃদ্ধ মহিলা। সব মিলিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    এতদিন শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল। শুক্রবার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুজন তৃণমূল নেতার ওপর জনরোষ গিয়ে পড়ে। অজিত মাইতি নামে এক তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আর তৈয়ব মোল্লার ভেড়ির আলাঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নতুন করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অশান্ত হওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার আসেন। বিক্ষোভ দমাতে গ্রামবাসীদের আইন হাতে তুলে নিলে গ্রেফতারি করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সন্দেশখালি থেকে ডিজি ফিরে যাবার পরেই কার্যত অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। এলাকা জুড়ে একের পর এক ধর পাকড় শুরু হয়। বেড়মজুড় গ্রামের সাঁকোর এক প্রান্তে পুলিশ বাহিনী। অন্যপ্রান্তে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। এক মহিলা বলেন, আমার ছেলে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল। ভ্যান চালিয়ে খুব কষ্ট করে সে পড়াশোনা করছে। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে পুলিশ তাকে তুলে নিল। এটা পুলিশের কী আচরণ। এই পুলিশের গাড়ির সামনে মাটিতে শুয়ে এক গ্রামবাসী কাকুতি মিনতি করতে থাকেন। চ্যাংদোলা করে তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীকে না ধরে গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের বক্তব্য, ইডি-র ওপর হামলার পর থেকেই শাহজাহানের খোঁজ নেই। তাঁর অনুগামীরাও এলাকা ছাড়া। যারা এলাকায় এক সময় অত্যাচার করেছিল তাদের গ্রেফতার করার বিষয়ে পুলিশের কোন হেলদোল নেই। অত্যাচারীদের জন্যই সন্দেশখালির আজ এই চেহারা নিয়েছে। শাহজাহানকে না ধরে এখন গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ভুয়ো জিএসটি অফিসার পরিচয় দিয়ে ‘তোলাবাজি’! গ্রেফতার তিন যুব তৃণমূল নেতা

    Siliguri: ভুয়ো জিএসটি অফিসার পরিচয় দিয়ে ‘তোলাবাজি’! গ্রেফতার তিন যুব তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণত কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অনেক জায়গায় এই বিষয় নিয়ে এলাকাবাসী সরব হন। তবে, এবার জিএসটি অফিসার পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি করতে গিয়ে তিনজন যুব তৃণমূলের নেতা গ্রেফতার হলেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শিলিগুড়ি-সহ ফুলবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে জিএসটি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি এবং তোলা আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছিল তিনজন যুবক। জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির শহর সংলগ্ন ফুলবাড়ি বাইপাস টোলগেট এলাকায় একটি সাদা গাড়িতে জিএসটির বোর্ড লাগিয়ে তিন যুবক যানবাহন দাঁড় করিয়ে তল্লাশি করছিল। এমন সময় নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশের সাদা পোশাকের টিম ওই তিন যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তাঁরা যুব তৃণমূলের নেতা হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়িতে (Siliguri)। অভিযুক্ত তিন যুবকের বাড়ি বাগডোগরাতে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের নাম শুভজিৎ ঘোষ, রুপেশ তিরকি ও পার্থ ঘোষ। ধৃতদের নিয়ে আসা জিএসটি বোর্ড লাগানোর সাদা রংয়ের একটি চারচাকা গাড়িও আটক করা হয়েছে। ধৃতরা এর আগেও এমন কাজ করেছে বলে স্বীকারও করেছে। ধৃত তিনজনই দলের জেলা সভানেত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁরা বাগডোগরায় নেতৃত্ব দিতেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    জেলা তৃণমূলের মুখপত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, আমরা এই ধরনের কাজকে সমর্থন করি না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। যদি কেউ এসব কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে পুলিশ পদক্ষেপ করবে। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, চুরি, তোলাবাজি তৃণমূলের সংস্কৃতি। তাই লুটে খাচ্ছে। পুলিশ বুঝতে না পেরে ধরে ফেলেছে। এখন গ্রেফতার পর তাদের পরিচয় সামনে এসে বিড়ম্বনায় পড়েছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালির মিলননগর বাজারে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস বিশ্বাস নামে এক দুষ্কৃতীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যদিও পুলিশের দাবি, নাকা চেকিংয়ের সময় গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুষ্কৃতীদের ধরে ফেলে পুলিশ। পরিচয় জানার পরই হতবাক হয়ে যায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে দুজন আইনজীবী রয়েছেন। তাঁদের নাম প্রসেনজিৎ দেবশর্মা ও সুদীপ ব্রহ্ম। এছাড়াও একজন আইনের ছাত্র, একজন ল ক্লার্ক এবং একজন কুখ্যাত সমাজবিরোধী রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে মাদক মামলায় আশিস বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। স্বামীকে ছাড়ানোর জন্য তাঁর স্ত্রী নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট আদালতের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবশর্মার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। নিয়মিত আইনজীবীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখতেন। সেই সুবাদে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জেলে বসেই তার আঁচ পান আশিস। জেল থেকেই স্ত্রীকে খুন করার হমকি দিয়েছিলেন আশিস। তাঁর স্ত্রী বিষয়টি প্রেমিক আইনজীবীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, হুমকির বিষয়টি কথার কথা ভেবে সেভাবে তাঁরা গুরুত্ব দেননি। ফলে মেলামেশা বন্ধ হয়নি। ওদিকে জেল থেকে বেরিয়ে তাঁর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে স্ত্রীর ওপর। নৃশংসভাবে স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ফের জেলে যান আশিস। জেল থেকে বেরিয়ে স্ত্রীর মতো তাঁর প্রেমিক আইনজীবীকে খুন করার হুমকি দিয়ে যান। কয়েকদিন আগে আশিস জামিনে মুক্তি পান। পথের কাঁটা সরাতে এরপরই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গাড়ি করে আশিসের ওপর হামলা চালানোর ছক কষেন ওই আইনজীবী।

    ধৃতদের কাছে থেকে কী কী বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    জানা গিয়েছে, গাড়ির মধ্যে একটি সেভেন এমএম এবং একটি দেশি পিস্তল সহ ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে রানাঘাট আদালতে পাঠায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। বিচারক ৭দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেম দিবসের দিনে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুরবাসী। বুধবার সকাল থেকে বাড়িতে বাড়িতে যখন সরস্বতী পুজো নিয়ে সবাই আনন্দে আত্মহারা, কচিকাঁচারা নতুন জামা-প্যান্ট পরে পাড়ার মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেই সময় স্যান্ডো গেঞ্জি আর বারমুডা পরে এক যুবক হাতে কাটা মুণ্ডু নিয়ে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় হাঁটছেন। মুন্ডু বেঞ্চে রেখে পাশে বসলেনও। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। শিহরিত হয়ে ওঠেন রাজ্যবাসী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুর থানার চিস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা গৌতম গুছাইতের সঙ্গে স্ত্রী ফুলরানি গুছাইতের বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়। গৌতম হকারি করেন।  তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি চলছিল। তার জেরেই বুধবার স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। খুন করেন কাটারি দিয়ে। তার পর সেই কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ মুণ্ডু হাতে নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করার পর একটি বেঞ্চে গিয়ে বসেন তিনি। পাশে রেখে দেন স্ত্রীর কাটা মুণ্ডু। সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি এবং বারমুডা পরিহিত মারমুখী গৌতমকে দেখে শোরগোল শুরু হয়ে যায় ওই এলাকায়। হাতে রাখা ছিল কাটারি। স্থানীয় কয়েক জন চেষ্টা করেও ওই যুবকের কাছে ঘেঁষতে পারেননি ভয়ে। ওই ভাবে রক্তমাখা অস্ত্র হাতে নিয়ে ঠায় বসে থাকেন গৌতম। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর যায় পটাশপুর থানায়। এর পর পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গৌতমের মানসিক সমস্যা রয়েছে। এক বার তিনি আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন। এর আগেও স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তবে, এতবড় মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেবে, তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share