Tag: Arrest

Arrest

  • Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে শ’দুয়েক লোকের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত প্রতারকের নাম বলরাম দাস। বাড়ি নদিয়ার রানাঘাটের (Nadia) আনুলিয়ায়। আজ মঙ্গলবার তাকে রানাঘাট আদালতে তোলা হয় এরপর ধৃত প্রতারককে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হাঁসখালি (Nadia) থানার পাখিউড়া গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎ বিশ্বাস থানায় এসে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছাড়াও এলাকায় আরও অনেক মানুষ এইমসে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অভিজিৎ দাস এবং রাজু গুপ্ত নামক দুই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার কথা বলেন। এই দুই ব্যক্তির নম্বর থানায় জানানো হয়েছে। তাদের জেরা করলে বলরাম সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। রামনগর বড়চুপরিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল নেতা যামিনী মুন্ডারি সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।”

    পুলিশের বক্তব্য

    নদিয়া পুলিশ (Nadia) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে এইমসে সরকারি পদে করণিক নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর বলা হয় অনলাইনে আবেদন এবং পরীক্ষা হবে। তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান নিজে সকলকে চাকরির সুযোগের কথা জানান। এরপর ৪৫২ টাকা দিয়ে লোকজন ফর্ম ফিলাপ করে। এরপর তন্ময় দাস নামক এক এইমসে কর্মরত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে পাশের খবর দেয়। এরপর নানা ডাক্তারি পরীক্ষার কথা বলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় ২৮ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এরপর অনলাইনে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে যে গেট পাস এবং আইডি পাঠানো হয়েছিল তা এইমসে নিয়ে কাজে যোগদান করতে গেলে কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সন্দেহ শুরু হয় এবং পরে বোঝা যায় সকলেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এই ঘটনায় বলরাম একজন মিডলম্যন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় পঞ্চায়েত (Nadia) প্রধান যামিনী মুন্ডারি বলেন, “আমি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু টাকা দিতে বারণ করেছিলাম। ওরা নিজেরাই লোভে পড়ে টাকা দিয়েছে। টাকা দেওয়ার কথা শুনে আমি এইমসে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি।” পাশপাশি এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও দুজনের খোঁজ করা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান ফেরার। তাঁর অন্যতম দুই সাগরেদ শিবু হাজরা আর উত্তম সর্দারের নেতৃত্বে চলত তাণ্ডব। আর তার জেরেই গত তিনদিন ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। আর এই সব ঘটনার জন্য আদতেই মুখ পুড়ছিল তৃণমূলের। তাই, তড়িঘড়ি শনিবার সকালে সাসপেন্ড করা হল উত্তমকে। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। গত তিনদিন ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তৃণমূল নেতা উত্তমকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পাশাপাশি সন্দেশখালিতে অশান্তির ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিকাশ সিংহ নামের এক বিজেপি নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকাশ বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার অন্যতম পর্যবেক্ষক পদে ছিলেন।

    সাসপেন্ডের পরই গ্রেফতার উত্তম (Sandeshkhali)

    শনিবার দুপুরে রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ছ’বছরের জন্য তৃণমূল থেকে উত্তমকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই এবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হল। আর দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হন উত্তম। তবে, সবটাই লোক দেখানো বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ৭ জানুয়ারি জনরোষ আছড়ে পড়েছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। উত্তমকে ধরে ফেলেছিলেন উত্তেজিত জনতা। পুলিশই তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ছেড়ে দেয়। তারপর থেকে রহস্যজনকভাবে তিনি ফেরার ছিলেন। কেউ তাঁর আর হদিশ পাচ্ছিলেন না। অনেকের মতে, পুলিশের নিরাপত্তায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন উত্তম। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই উত্তম গ্রেফতার হয়ে যায়।

    গ্রামবাসীদের জমি দখল করে উত্তমের ভেড়ি!

    শাহজাহান শেখ এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ নেতা শিবু হাজরা আর উত্তমের বিরুদ্ধেও এলাকায় ‘অত্যাচার’-এর অভিযোগ রয়েছে। পার্টি অফিসে সুন্দরী মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে রাতভর নির্যাতন চালানো হত। প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেতাদের এই অত্যাচারের বিষয়ে মহিলারা গর্জে ওঠেন। উত্তম-শিবুর গ্রেফতারের দাবি নিয়ে রাস্তায় নামেন তাঁরা, ঘেরাও করা হয় থানা। বিক্ষোভে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মহিলারা। বাঁশ, কাটারি, দা, হাতা, খুন্তি, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অলিগলিতে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একের পর এক পোলট্রি ফার্ম, বাগানবাড়িতে। অভিযোগ, গ্রামবাসীদের জমি জোর করে দখল করে ওই ফার্ম তৈরি করেছিলেন উত্তমেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯০ শতাংশ ভেড়ি গ্রামবাসীদের জমি দখল করে তৈরি করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

    Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক ঝামেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভাঙড়ের এই দাপুটে নেতা। বোমাবাজি, তোলাবাজি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। লোকসভা ভোটের আগে আরাবুলের গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু।

    কেন গ্রেফতার আরাবুল? (Arabul Islam)

    সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটে ঝামেলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনাতেও আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দু’টি ঘটনাতেই আরাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার সময় ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে যে ঝামেলা হয়েছিল তাতেই এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈদিক ভিলেজে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বামনঘাটায় রেজ্জাক মোল্লাকে মাথা ফাটানোর অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে খুন হয়। তাতেও নাম জড়ায় তাঁর। গত বছর ১৫ জুন বিজয়গঞ্জ বাজারে গন্ডগোলের ঘটনায় খুন, অস্ত্র আইন, খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়। সেই সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর কাশীপুর থানায় তাঁকে ডাকা হয়। আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আসেন উত্তর কাশীপুর থানায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষ। মূলত, ১৫ জুন সেই পুরানো মামলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় আরাবুলকে। গ্রেফতারের পর লালবাজারে আনা হয় তাঁকে। পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। শুক্রবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

    নিছক লোক দেখানো গ্রেফতারি, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আরাবুল (Arabul Islam) প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। বরং, তিনি বলেন, “এই গ্রেফতারিকে নিছক লোক দেখানো। পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একটু বিরিয়ানি দেবে, ভাল কম্বল দেবে। ও ওখানে ভালভাবেই থাকবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: দুশোটির বেশি চুরি! এমএ পাশ চোরের কীর্তি দেখে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের

    Midnapore: দুশোটির বেশি চুরি! এমএ পাশ চোরের কীর্তি দেখে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের বিধাননগর এলাকায় একটি বাড়িতে লক্ষাধিক টাকার চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ঘটনায় তদন্তে নামে পুলিশ। বিভিন্ন সূত্র মারফৎ চোরের হদিশ পায় মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। চুরির মাস্টার মাইন্ডকে বাঁকুড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সৌমাল্য চৌধুরী। তাঁর যোগ্যতা আর চুরি করার সংখ্যা জেনে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের।

    এমএ পাশ চোর (Midnapore)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমাল্য এমএ পাশ করে আর পাঁচজনের মতো সরকারি চাকরি বা ব্যবসা করার দিকে ঝোঁকেননি। এমনকী কোনও কাজ না পেয়ে টিউশন করে সৎ পথে রোজগার করার পথে হাঁটেননি। বরং, সহজেই বড়লোক হওয়ার নেশায় তিনি চুরিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। যদিও সেটা তিনি পুলিশের কাছে খোলসা করে বলেননি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, মূলত ফাঁকা বাড়িকেই টার্গেট করতেন তিনি। আর সেই মতো ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে বা়ড়ির জিনিসপত্র সাফ করে দিতেন। মেদিনীপুরের (Midnapore) পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলায় তিনি চুরি করেছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

    দুশোটিরও বেশি চুরির অভিযোগ

    জানা গিয়েছে, মাস খানেক আগে মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের বিধান নগর এলাকায় একটি বাড়িতে চুরি হয়। সোনা-রূপোর গয়না, নগদ টাকা-সহ লক্ষাধিক টাকার চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই বাড়ি ফাঁকা ছিল। ফাঁকা বাড়িতে আলমারি ভেঙে গয়না, টাকা লুট যায়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। হদিশ মেলে বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি এই চুরির মাস্টার মাইন্ড। পুলিশ সোজা বাঁকুড়া থেকে তাঁকে গ্রেফতারও করে। এরপরই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত দুশোটিরও বেশি চুরির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি যে সেই চুরির মাস্টারমাইন্ড, তা পুলিশের কাছে একবাক্যে স্বীকার করেছেন সৌমাল্য। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া অনেক সোনার গয়না। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও সে বিভিন্ন জেলায় একাধিক চুরি করেছে। তবে, চাকরি, টিউশন বা ব্যবসা করা ছেড়ে চুরিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিল তা নিয়ে স্পষ্ট করে তিনি কিছু বলতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: রেলে চাকরির নামে ফের প্রতারণা, এবার ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন ধনেখালির এক ব্যক্তি

    Hooghly: রেলে চাকরির নামে ফের প্রতারণা, এবার ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন ধনেখালির এক ব্যক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন এক ব্যক্তি। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে হুগলির (Hooghly) ধনেখালিতে। উল্লেখ্য ৬ মাস আগে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। গতকাল রাতে ওই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Hooghly)

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন প্রতারিত ব্যক্তি। এরপর থেকেই ওই প্রতারক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। অনেক দিন নিখোঁজ ছিল এলাকায়। গতকাল রাতে মোবাইলের সূত্র ধরে প্রতারক নিশিকান্ত জানাকে হাওড়ার নিশ্চিন্দা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে হুগলির চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয় আজ।

    সরকারি দফতরে চাকরির নামে টাকা 

    সরকারি দফতরে চাকরি করে দিতেন প্রতারক নিশিকান্ত জানা। অন্যদিকে ধনেখালি (Hooghly) থানার দশঘড়ার বাসিন্দা শেখ জাকির। তাঁর ছেলের রেলের চাকরির জন্য ধাপে ধাপে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে টাকা দিয়েছিলেন আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও মেলেনি চাকরি। জাকিরের দশঘড়া বাজারে বাসনের দোকান রয়েছে। এই দোকানেই আলাপ হয় নিশিকান্ত এবং তার স্ত্রীর সঙ্গে। এই দম্পতি চাকরি করে দিত বলে জানা গিয়েছে। চাকরি না মেলায় টাকা ফেরত চাইলে বার বার এড়িয়ে যেত প্রতারক নিশি। এরপর একটা সময় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান জাকির। আর এরপর থেকেই এলাকা থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায় প্রতারক নিশি।

    ভুক্তভোগীর বক্তব্য

    হুগলির (Hooghly) ভুক্তভোগী এবং প্রতারণার শিকার জাকির বলেন, “স্নাতক ছেলের চাকরির জন্য নিশিকান্তকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেম। আমরা এভাবে প্রতারিত হব বুঝতে পারিনি। বর্ধমানে গিয়ে এক ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখে টাকাটা দিয়েছিলাম। এখন মনে হচ্ছে ওভাবে টাকার বিনিময়ে চাকরির চেষ্টা করাটা অত্যন্ত ভুল হয়েছে।”

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়ায় এক দম্পতি কন্যাসন্তান হওয়ার খুশিতে মাতৃযানটিকে বেলুন দিয়ে সাজিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মিষ্টি মুখ করিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান। কয়েকদিন আগে এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়ার বাসিন্দারা। এবার সেই মুর্শিদাবাদের ডোমকলে পর পর তিনটি কন্যাসন্তান হওয়ায় মেনে নিতে পারেনি গুণধর বাবা। তাই, তিনমাসের শিশুকে আছাড় মেরে খুন করেছে সে। মর্মান্তিক এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ডোমকলের ভাতশালার রিন্টু শেখের বিয়ে হয়েছিল ডোমকলের কামুড়দিয়াড়ের বাসিন্দা বেলুয়ারার সঙ্গে। চার বছর আগে তাঁদের প্রথম সন্তান জন্মায় মেয়ে। পরের সন্তানটিও মেয়েই। রিন্টু কেরলে কাজ করেন। মাস তিনেক আগে তৃতীয় কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সেই খবর পাওয়ার পর সপ্তাহখানেক আগে গ্রামে ফিরেছিলেন রিন্টু। রবিবার দুপুরে তিনমাসের শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে, বাড়ির লোকজন দেখেন, ঘরে লেপের তলায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সে। সন্তানের মাকে চেপে ধরা হলে তিনি বলতে থাকেন, “মেয়েকে খাটে শুইয়ে আমি দাওয়ায় রান্না করছিলাম। কী হয়েছে, জানি না।” জানা গিয়েছে, রিন্টু তার তিনমাসের সন্তানকে তুলে আছাড় মেরে খুন করেছে। রিন্টুর বাবা সে কথাই বার বার দাবি করেন। তিনি বলেন “তৃতীয়বার মেয়ে হওয়ার পর থেকে ছেলে-বউমার ঝামেলা লেগেই থাকত। ছেলে নিয়মিত নেশা করে। ছেলেই ছোট নাতনিকে খুন করেছে। পুত্রবধূ সব জেনেও ওকে আড়াল করছে।” এর পরেই রিন্টু ও বেলুয়ারা বিবিকে পুলিশ প্রথমে আটক করে। পরে, রিন্টুর বাবা বাবা দবির শেখ নিজের ছেলে ও বউমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরে দম্পতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    রিন্টু আগেও এই কাণ্ড করেছিল!

    তিনমাসের কন্যাসন্তানকে আছাড় মেরে ‘খুন’ করাই প্রথম নয়। এর আগে দ্বিতীয় মেয়েকেও খুন করার চেষ্টা করেছিল ডোমকলের ধৃত দম্পতি। বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল বড় মেয়েকেও! দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয়দের বয়ান সংগ্রহ করে এমনটাই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পড়শিদের একাংশের দাবি, রিন্টু মাদকের নেশায় আসক্ত। তার খরচ জোগাতে একবার নিজের বড় মেয়েকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল এক মহিলার কাছে। পরিযায়ী শ্রমিক কলোনির লোকেরা তা জেনে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় মেয়েকেও এক বার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল রিন্টু ও বেলুয়ারার বিরুদ্ধে। সেই কারণে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ীও ছিল মেজ মেয়ে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, “রিন্টু নিয়মিত মাদক নিত। চুরির অভিযোগে সে আগে গ্রেফতারও হয়েছে। শুধু কি সংসারে টানাটানি, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক প্রতুল মৈত্র। শনিবার রাতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। তিনি আবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবীও। শনিবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত চত্বর থেকেই তৃণমূলের এই জেলা পদাধিকারী তথা আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, বংশীহারি থানায় দায়ের হওয়া একটি পকসো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে, তদন্তের স্বার্থে সবটা এখনই বলা সম্ভব নয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পকসো মামলায় ধৃত প্রতুল মৈত্র গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর। সরকারি আইনজীবীর পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছেন। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি মামলায় শনিবার রাতে বংশীহারী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সরকারি আইনজীবীকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বুনিয়াদপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত থেকেই বংশীহারী থানার পুলিশ সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্রকে থানায় নিয়ে যায়। রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বেশি রাতে তাকে বংশীহারী থেকে হরিরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বংশীহারী থানার পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো, চাইল্ড প্রোটেকশন অ্যাক্ট সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করে। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জামিন বাতিল করে দুদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার সত্যতা কতটা রয়েছে তা কোর্টে বিচার্য বিষয়। এমনকী অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইন আইনের পথেই চলবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলার সহ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের নেতা আবার আইনজীবী হয়ে এই ধরনের ঘটনায় জড়িত। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অবশেষে টনক নড়ল পুলিশের! নরেন্দ্রপুরকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    South 24 Parganas: অবশেষে টনক নড়ল পুলিশের! নরেন্দ্রপুরকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুর কাণ্ডে এবার গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সহ দুজন। মূলত স্কুলে তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় থানায় এফআইআর করা হয়েছিল। সেই এফআইআরে তাঁর নাম ছিল। ধৃতদের নাম অলোক নাড়ু ও স্কুল পরিচালন কমিটির সদস্য মানিজুর রহমান। অলোকবাবু পঞ্চায়েতের সদস্য। বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল নেতা প্রবীর সর্দার ওরফে ছোটন, যাঁকে ওই হামলার ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের দিন চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনায় সব মিলিয়ে মোট আটজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন আক্রান্ত শিক্ষকরা (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুরের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। আক্রান্ত শিক্ষকরা অভিযোগ করেছিলেন, প্রধান শিক্ষক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তাই, বহিরাগতদের দিয়ে স্কুলে তাণ্ডব চালানো হয়। এরপরই নড়েচ়ড়ে বসে শিক্ষা পর্ষদ। কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়। এমনকী রাজ্যপালও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছিলেন, নিয়ম মেনে গ্রেফতার হবে। তবে, কয়েকদিন দেখার পর প্রয়োজনে আমি এই বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করব। যদিও তারপরই পুলিশও নড়েচড়ে বসে। গ্রেফতার করা হয় একের পর এক অভিযুক্তকে। যদিও এখনও অধরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ ও এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা যুব সভাপতি আকবর আলি খান। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে অপরাধীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ২৮ জানুয়ারি এবং ৩০ জানুয়ারি মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুর ও নরেন্দ্রপুর এলাকার দুই পৃথক জায়গা থেকে শিক্ষক নিগ্রহে গ্রেফতার হন প্রবীর সর্দার ও অসীম ইশ্বর। আর ভোর রাতে পুলিশের জালে আরও দুজন।

    মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্টে

    ২৭ জানুয়ারি নরেন্দ্রপুর স্কুলে হামলা চালানোর ঘটনার পরপরই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। মাধ্যমিক পরীক্ষায় কে সুপারভাইজার হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। স্কুলের শিক্ষক শিবনাথ চাটুইকে সুপারভাইজার হিসেবে নিযুক্ত করার কথা আদালতে জানিয়ে দেয় পর্ষদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: স্কুলের ভিতরেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ! রাজ্যে পড়ুয়াদের সুরক্ষা কোথায়?

    North 24 Parganas: স্কুলের ভিতরেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ! রাজ্যে পড়ুয়াদের সুরক্ষা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলের ভিতরেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুলেরই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁয়। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। স্কুলের শিক্ষকের হাতেই যদি ছাত্রী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে পড়ুয়াদের সুরক্ষা কোথায়? এইরকম মন্তব্য শোনা গেল অভিভাবকদের মুখে।

    পুলিশ সূত্রে খবর (North 24 Parganas)

    বনগাঁ (North 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার রাতে বনগাঁ থানায় একটি অভিযোগ জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয় যে স্কুলের মধ্যে স্কুলেরই এক শিক্ষক ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে। ছাত্রীর বাড়ি বনগাঁ স্টেশনের কাছেই। আর অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি বনগাঁ শহরে। শিক্ষককে গ্রেফতার করে আজ বুধবার আদালতে তোলা হয়েছে। বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    নির্যাতিতা তরুণীর পরিবার সূত্রে বলা হয়, “ওই কিশোরী সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশুনা করছে। গত মঙ্গলবার স্কুলের ভিতরেই এক ক্লাসরুমে তাকে নির্যাতন করা হয়। আমরা অত্যন্ত অসুরক্ষিত বোধ করছি। যে স্কুলে আমাদের ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনার জন্য পাঠাই, সেখানেই আমাদের ছেলে-মেয়েরা সুরক্ষিত নয়। দোষী অপরাধী শিক্ষকের কঠোর শাস্তি চাই। ঘটনার দিন রাতেই স্থানীয় বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। তারপরে আজ বুধবার আবার অভিযুক্ত শিক্ষককে বনগাঁ (North 24 Parganas) কোর্টে তোলা হয়।” যদিও ঘটনায় স্কুলের তরফ থেকে এখনও কিছু মন্তব্য পাওয়া যায়নি। স্কুলের প্রধান শিক্ষকও ঘটনায় কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    আগেও ঘটেছে ঘটনা

    উল্লেখ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একই রকম ভাবে কিছুদিন আগে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাথরুমের ভিতরে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল। নির্যাতনের পরও ছাত্রীকে বাইরে বের হতে দেয়নি। বাথরুমেই আটকে রেখে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখানেও অভিযুক্ত ছিলেন স্কুলের এক শিক্ষক। আবার এই জেলার ঢোলাহাট থানার এক স্কুলের শিক্ষক ফয়জুদ্দিন মোল্লাকে স্কুলের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা করা হয়। ঠিক একই রকম ভাবে উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) ফের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটল। স্কুলে ছাত্রীদের নিরপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share