Tag: Arrested

Arrested

  • CS Srinivasan: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    CS Srinivasan: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ জালিয়াতির তদন্তে এবার কেপিসিসি সেক্রেটারি সিএস শ্রীনিবাসনকে (CS Srinivasan) গ্রেফতার করল কেরল পুলিশ। আগেই এই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় নাম জড়িয়েছিল কেরলের কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসনের। আর এবার ১৩ অগাস্ট মঙ্গলবার কালাডি থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন তিনি। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, শ্রীনিবাসন আগাম জামিনের আবেদন দাখিল করার পরে আত্মগোপন করে ছিলেন, কিন্তু কালাডি থেকে জেলা কাইম ব্রাঞ্চ তাঁকে গ্রেফতার (Kerala Congress leader arrested) করে।   

    ঠিক কী জানা গিয়েছে? (Kerala Congress leader arrested) 

    শ্রীনিবাসন (CS Srinivasan) ত্রিশুর কর্পোরেশনের স্থায়ী কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান। এছাড়াও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন, যে প্রতিষ্ঠানেই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ত্রিশুরের পুনকুনমের সদর দফতরে আর্থিক সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তবে অভিযোগে বিনিয়োগকারীরা বলেছেন যে হেওয়ান নিধি লিমিটেড এবং হিওয়ান ফাইন্যান্সে তাদের মোটা অঙ্কের টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঁচ বছরে টাকা দ্বিগুণ হওয়ার প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। তাদের মতে, কোম্পানি তাদের টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রায় ১৭ কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে।  
    তাদের আরও অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন (CS Srinivasan) এবং সুন্দর মেননের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততার উপর আস্থা রেখেই হিওয়ান ফাইন্যান্স এবং হিওয়ান নিধি কোম্পানিতে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন তাঁরা। তবে এখন কোম্পানি মূল অর্থ বা প্রতিশ্রুত সুদ ফেরত দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। শুধু ব্যর্থই নয়, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দিতেও অস্বীকার করেছে ওই প্রতিষ্ঠান। পুলিশের মতে, সংস্থাটি আরবিআই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে সমস্ত বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। 

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের (CS Srinivasan) 

    এই মাসের শুরুতে, ৪ অগাস্ট, ত্রিশুর ক্রাইম ব্রাঞ্চ এই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় হিওয়ানের চেয়ারম্যান সুন্দর মেননকে গ্রেপ্তার করে। এই সংক্রান্ত মোট ১৮টি মামলা ইতিমধ্যেই নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। প্রায় ৩০০ জন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পুলিশ হিওয়ান কোম্পানি এবং এর মালিকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ নেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! সম্প্রতি এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) তিন জনকে গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে চলছিল সিকিউরিটি চেকিং। সেই সময় সংসদ ভবনের ফ্ল্যাপ গেট এন্ট্রিতে সিআইএসএফ কর্মীরা এই তিনজনকে আটক করে। তারপর এদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ওই তিন জন সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (3 arrested In Parliament)

    মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের গণনা চলছিল সারা দেশে। আর সে দিনই ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন পেশায় শ্রমিক এবং উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)  বাসিন্দা কাসিম, মোনিস এবং শোয়েব। সংসদের একটি প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢোকার সময় তাঁদের দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানদের। পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া হলে তিন জনেই আধার কার্ড দেখান। কিন্তু সেই আধার কার্ড দেখে জওয়ানদের সন্দেহ আরও বাড়ে। খতিয়ে দেখার পর জানা যায়, তিনটি আধার কার্ডই ভুয়ো। 

    আরও পড়ুন: দুই মন্ত্রীকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণে আসছেন মুইজ্জু?

    অভিযুক্তদের নামে এফআইআর দায়ের 

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জন (3 arrested In Parliament) সংসদ চত্বরে একটি নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মূলত নির্মাণশ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তাঁরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই তিনজনকে কাজে ঢুকিয়েছিল ডি ভি প্রজেক্টস লিমিটেড। সংসদ কমপ্লেক্সের ভিতরে এমপির লাউঞ্জ নির্মাণে নিযুক্ত ছিল তারা। ঘটনার পরেই তিন অভিযুক্তকে সিআইএসএফ কর্মীরাই দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কারন বর্তমানে সিআরপিএফ এবং দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বদলে সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সিআইএসএফ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির  ৪৬৫ ধারা (জালিয়াতি),৪১৯ ধারা (প্রতারণা), ১২০ বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) সহ বিভিন্ন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। ধৃত তিন শ্রমিকের সঙ্গে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী বা শত্রুদেশের যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ জাল আধার কার্ড ছাড়াও ধৃত তিন ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল পাসপোর্টও। 
    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে বৈঠক রয়েছে এনডিএ-র। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে জোটের তাবড় সব নেতারা। এর পরই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথেরও প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ঠিক তার আগে সংসদ ভবন চত্বর থেকে এই তিন সন্দেহভাজনের গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Hostess Arrested: পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার তাল তাল সোনা! কেরল থেকে গ্রেফতার কলকাতার বিমানসেবিকা

    Air Hostess Arrested: পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার তাল তাল সোনা! কেরল থেকে গ্রেফতার কলকাতার বিমানসেবিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানসেবিকার পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার হল তাল তাল সোনা। দুই-পাঁচগ্রাম সোনা নয় উদ্ধার হল প্রায় এক কেজি সোনা। অভিযোগ, পায়ুদ্বারের মধ্যে লুকিয়ে সোনা পাচারের চেষ্টা করছিলেন কলকাতার বিমানসেবিকা (Air Hostess Arrested) সুরভি খাতুন। এর আগে যাত্রীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার সোনা পাচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এবার সোনা পাচারের অভিযোগ উঠল বিমানসেবিকার বিরুদ্ধে। কেরল (Kerala) থেকে গ্রেফতারির পর বিমানসেবিকাকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়েছে। আপাতত ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে কান্নুরের মহিলা জেলে রয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Air Hostess Arrested)

    ভেবেছিলেন কেউ কিচ্ছুটি ঘুণাক্ষরেও টের পাবেন না। বিমান সংস্থার পোশাকে গটগট হেঁটে যাচ্ছিলেন। পেশায় বিমানসেবিকা হওয়ায় যাত্রীদের চেকিং হলেও তাঁকে কখনও এক মুহূর্তের জন্যও লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। ভেবেছিলেন এটাই তো সুযোগ। তবে কপাল সঙ্গ দিলনা। দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় না থাকলেও বিমানবন্দর আধিকারিক ও নিরাপত্তা কর্মীদের চোখ এড়িয়ে যেতে পারলেন না সুরভি। তল্লাশি চলল আলাদা ঘরে ডেকে। আর তাতে যা বেরিয়ে এল তা দেখে চোখ কপালে উঠল পুলিশ থেকে শুরু করে উপস্থিত সকলের। বিমানসেবিকার পায়ুদ্বার থেকে উদ্ধার হল ৯৬০ গ্রাম সোনা। 

    এ যেন সিনেমারই মতো

    এ ঘটনা যেন সিনেমারই মতো। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছিল বলিউডের ছবি ‘ক্রু’। করিনা কাপুর খান, তব্বু এবং কৃতী শ্যানন অভিনীত এই ছবিতে সোনা পাচারের ঘটনাকে তুলে ধরা হয়েছিল। ছবিতে করিনা, তব্বু, এবং কৃতী বিমানসেবিকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে দেখানো হয়েছে, যে বিমান সংস্থায় তাঁরা কাজ করছেন, সেটি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। সেই বিমান সংস্থার মালিক সোনা পাচারে যুক্ত। রুজিরুটি চালাতে ওই তিন চরিত্র শেষে সোনা পাচারে যুক্ত হয়। তবে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান সেবিকা যেভাবে সোনা পাচার করেছেন, তার সঙ্গে ছবির সেভাবে কোনও মিল নেই। মিল একটাই যে, ছবিতে বিমানসেবিকারা সোনা পাচার করেছিলেন, আর এক্ষেত্রেও সোনা পাচারে নাম জড়াল বিমানসেবিকার।  

    আরও পড়ুন: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    মাসকট থেকে কন্নুরে সোনা পাচারের চেষ্টা 

    জানা গিয়েছে, মাসকট থেকে কন্নুরে সোনা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। গত ২৮ মে কোচি বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ভিড়ে ছদ্মবেশে ছিলেন ডিআরআই আধিকারিকরা। তাঁদের কাছে খবর ছিল, সোনা পাচারের উদ্দেশ্য নিয়ে এক বিমানসেবিকা সেই বিমানবন্দরে নামবেন। এরপর সুরভিকে দেখেই সন্দেহ হয় তাঁদের। সোনা উদ্ধারের পর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার (Air Hostess Arrested) করে পাঠানো হয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। 

    তদন্ত শুরু পুলিশের 

    ডিআরআই আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, এটাই প্রথমবার নয় এর আগেও একাধিকবার এই বিমানসেবিকা সোনা পাচার (Air Hostess Arrested) করেছেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুরভি কেরলের (Kerala) একটি সোনা পাচার গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পরেই পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই এবার ইডির জালে ঝাড়খণ্ডের গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী (Jharkhand minister arrested) তথা কংগ্রেস নেতা আলমগির আলম (Alamgir Alam)৷ ইডি সূত্রে খবর, গ্রামোন্নয়ন দফতরে কিছু অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সোমবার সকাল থেকে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার, ইডি তাঁকে প্রায় নয় ঘণ্টা জেরা করে ৷ বুধবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি মিলতেই গ্রেফতার করা হয় ঝাড়খণ্ডের এই মন্ত্রীকে৷ 

    আগে কী ঘটেছিল? (Jharkhand minister arrested)

    সোমবার ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হতেই তদন্তকারী সংস্থার সাতটি দল বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। এর মধ্যে রয়েছে আলমগিরের আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লাল ও তাঁর পরিচারক জাহাঙ্গির আলমের ঠিকানা। এদিন ইডির তল্লাশিতে জাহাঙ্গিরের রাঁচীর বাড়ি থেকেই সব মিলিয়ে ৩৫.২৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। ঘটনায় গ্রেফতার হয় মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক ও তাঁর পরিচারক। ফলে আর্থিক তছরূপের তদন্তে নেমে রাজ্য গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরে অনিয়ম এবং ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে৷ এর পরেই বুধবার রাঁচির আঞ্চলিক অফিসে তলব করা হয় আলমগিরকে (Alamgir Alam)। তাঁর বয়ান সংগ্রহ করার জন্যই তাঁকে ডেকেছিল ইডি। কিন্তু তাঁর বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ইডির বক্তব্য, এই মামলায় আরও কয়েক জন আমলা ও রাজনীতিকের নামও উঠে এসেছে। বর্তমানে সেই সব কিছুর তদন্ত হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    ইডি হেফাজতে আলমগির 

    বুধবার আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ (PMLA) আইনের অধীনে ৭০ বছর বয়সি এই মন্ত্রীকে নিজেদের হেফাজতে নেয় ইডি৷ গ্রেফতার হওয়ার পর আলমগির (Jharkhand minister arrested) বলেন, ‘‘ভোট চলছে। ইডি তদন্ত করছে। গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী বলে তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে। আমি এখনই এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে চাইছি না। মানুষ সব বুঝছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে নজির গড়ল হরিয়ানার নুহ পুলিশ। পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে ৪২ জন সাইবার অপরাধী। দেশব্যাপী সাইবার প্রতারণার মামলার বিষয়ে দু’ দিনে নুহ ও মেওয়াতের (mewat) বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম দীন মোহাম্মদ, আসিফ, আরিফ, সরফরাজ, সাকিব, ইজাজ, মুনাজির পবলে সহ আরও অনেক। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার থেকে এই অভিযান চলে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। অভিযান শেষে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০টি মোবাইল, জাল আধার কার্ড (fake adhar card), প্রচুর জাল নথি, ৯০ টিরও বেশি সিম কার্ড, নগদ টাকা এবং বেশ কয়েকটি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে (arrested) আইপিসি ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ এবং ৪৭১ ধারা প্রয়োগ করে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টালের মাধ্যমে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ বছরের এপ্রিল মাসের পর সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে পুলিশ একটি অভিযানে ১৪ টি গ্রাম থেকে ৬৬ জন সাইবার প্রতারণায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। সেই অভিযানের সময় ৫০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশ একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে জানিয়েছে, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টিগ্রেটেড সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের (i4C) বিশেষ প্রতিবিম্ব পোর্টালের (protibimb portal) সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের। পোর্টালটি এই বছর চালু হয়েছে। এটি মূলত প্রতারকদের সিম এবং আইএমইআই নম্বর রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে চিহ্নিত করে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।”

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, “প্রতিবিম্ব পোর্টাল পুলিশকে রাজ্য জুড়ে ৫৯৪ টি সাইবার জালিয়াতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। এই প্রতারকদের মধ্যে ১০১ জন নুহ এবং পার্শ্ববর্তী শহর আলওয়ার এলাকায় ছিল। সন্দেহভাজনদের রিয়েল-টাইম অবস্থানের ডেটা ও তাদের ফোন নম্বরগুলি স্থানীয় পুলিশ এবং পঞ্চকুলায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছিল।” এই প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ কাপুর আরও জানিয়েছেন, “ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক সিম কার্ড এবং জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কতগুলি মামলায় জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সাইবার ক্রাইম থানার এসএইচও, ইন্সপেক্টর বিমল রাই বলেছেন, “পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সাইবার প্রতারকদের ধরা হয়েছে। পুলিশ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত আরও অপরাধীদের ধরতে এই অভিযান চলবে।” একই ভাবে নুহ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, নরেন্দ্র বিজার্নিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    কীভাবে চলত সাইবার প্রতারণা?

    সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ভুয়ো বিজ্ঞাপন (fake advertisement), চাকরির (fake job) ভূয়ো প্রস্তাব সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করত। নুহ পুলিশের মুখপাত্র কিশান কুমার বলেছেন, “প্রতারকেরা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের টার্গেট খুঁজত। এরপর চাকরি খুঁজতে আসা তরুণীদের ভিডিয়ো কল করে তাদের ছবি অপপ্রয়োগ করে হুমকি ও যৌন নির্যাতন করত। আর যুবকদের লোভনীয় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shankar Adhya: ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! বালুর ঘনিষ্ঠ হতেই শঙ্করের উত্থান তৃণমূলে

    Shankar Adhya: ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! বালুর ঘনিষ্ঠ হতেই শঙ্করের উত্থান তৃণমূলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির মামলায় বালু ঘনিষ্ঠ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান  শঙ্কর আঢ্যকে (Shankar Adhya) ইডি গ্রেফতার করেছে। তাঁর বাড়ি থেকে প্রচুর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই শঙ্কর? দাপুটে তৃণমূল নেতা হলেও আগে তিনি কী করতেন? কীভাবে হয়ে উঠলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা।

    ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! (Shankar Adhya)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শঙ্কর আঢ্যর (Shankar Adhya) বাবা হারাধন আঢ্য একসময় ফুটপাতে কাটাকাপড়ের ব্যবসা করতেন। কোনও রকমে সংসার চলত। ফুটপাতের ওই দোকানে বাবাকে সাহায্য করতেন শঙ্কর। পরে,বনগাঁ পেট্রাপোলে একটি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় দোকানে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে নিজের নামে লাইসেন্স করে নিজেই বিদেশি মুদ্রা বিনিময় করতেন। ধীরে ধীরে ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকেন শঙ্কর। এরপর বনগাঁ-শিমুলতলা চত্বরে বিদেশি মদের দোকান খোলেন। কোটি টাকার মালিক হয়ে ওঠেন।

    কাউন্সিলর খুনে অভিযুক্ত ছিলেন শঙ্কর

    ২০০৫ সালের প্রথম দিকে জালটাকা কারবারের অভিযোগে ডিআরআই তাঁর অফিসে হানা দেয়। উদ্ধার হয় প্রচুর জাল টাকা। সেই অভিযোগে বেশ কয়েকমাস জেলেও ছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে বনগাঁর প্রয়াত বিধায়ক ভূপেন্দ্রনাথ শেঠের উদ্যোগে শঙ্কর প্রথম পুরসভার ভোটে কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। ২০০৬ সালে বনগাঁ-চাকদা রোড সংস্কারের কাজ শুরু হয়। সেই সময় চাকদা রোডের পাশে প্রচুর প্রাচীন গাছ বেনামে বিক্রি হয়। সেই গাছের টাকা ও বনগাঁ পুরসভার টাকা লেনদেন নিয়ে শঙ্করের (Shankar Adhya) সঙ্গে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের বিবাদ শুরু হয়। ২০০৬ সালে ২১ জুন বনগাঁ পুরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর-সহ তাঁদের পরিবার পুরীতে বেড়াতে যান। ২২ জুন সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে খুন হয় বনগাঁর কাউন্সিলর তাপস মিত্র। সেই খুনের দুই অভিযুক্ত ছিলেন শঙ্কর আঢ্য আর বনগাঁর বর্তমান তৃণমূল কাউন্সিলর নারায়ণ ঘোষ ওরফে নান্ত। সেই সময় প্রায় তিন বছর পুরীর জেলে ছিলেন দুই অভিযুক্ত।

    জ্যোতিপ্রিয় মাথায় হাত রাখতেই পুরপ্রধান হন শঙ্কর!

    ২০১০ সালে নিজের ওয়ার্ডটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হয়ে যাওয়ায় তিনি ভোটে না দাঁড়িয়ে প্রার্থী করেছিলেন স্ত্রী জ্যোৎস্নাকে। ভোটে জিতে জ্যোৎস্না পুরপ্রধান হন। রাজনৈতিক পদোন্নতি ও সামাজিক প্রভাব বাড়তে শুরু করেছিল ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। সেসময় থেকেই জ্যোতিপ্রিয়বাবুর সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে। ২০১৫ সালে পুর নির্বাচনে বনগাঁর ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতে তৃণমূল জয়লাভ করে। ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হন শঙ্কর। জ্যোতিপ্রিয়র কথায়, বনগাঁর চেয়ারম্যান হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তাঁকে বনগাঁ শহর তৃণমূলের সভাপতি করা হয়, বাগদায় দলের পর্যবেক্ষকও করা হয়েছিল। এছাড়াও দলের একাধিক পদ সামলেছেন শঙ্কর (Shankar Adhya)।

    শঙ্করের বিরুদ্ধে দলেই বিদ্রোহ শুরু হয়ছিল

    ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ পুরসভা এলাকায় বিজেপির থেকে ভোটের নিরিখে প্রায় ১৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় তৃণমূল। এরপরেই বনগাঁ পুরসভার ১৪ জন কাউন্সিলর শঙ্করের (Shankar Adhya) বিরুদ্ধে স্বৈরাচার ও স্বজনপোষণের অভিযোগ এনে অনাস্থা এনেছিল। বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূল জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে শঙ্করকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরে, কয়েকজন কাউন্সিলর তৃণমূলে ফিরে আসায় ধ্বনিভোটে জয়লাভ করেন শঙ্কর। সম্প্রতি শঙ্কর জানিয়েছিলেন, জ্যোতিপ্রিয়র কথায় অনেক অনৈতিক কাজ করে বনগাঁর মানুষের মন থেকে দূরে সরে গিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে বনগাঁয় তৃণমূলের পরাজয়ের পরে শঙ্করকে সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দলে কিছুটা কোণঠাসা ছিলেন!

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে এবার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতরে। সেখানেই পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী ও তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভের ফেটে পড়েন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। প্রকাশ্য মঞ্চে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগার ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন বারাকপুরবাসী (Barrackpore)। গত নভেম্বর মাসেই তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বেশ  কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। দুদিন আগেই ভিকি যাদবের মা সহ ভাটপাড়া পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু সদস্য মিছিল করে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে হাজির হন। মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। এই প্রতিবাদ মিছিলের পিছনেও সোমনাথের হাত রয়েছে বলে তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের মত। জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে রাজেন পান্ডে নামে একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই মামলায় অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুর নাম জড়ায়। গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার তলব করেন পাপ্পুকে। আইনজীবী রাকেশ সিং সহ বেশ কয়েকজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে পাপ্পু গোয়েন্দা বিভাগে আসেন। পুরানো মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেই তাঁকে ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। এরপর এই গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পাণ্ডের সঙ্গে পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবির রাকেশ সিংয়ের রীতিমতো বচসা হয়। পাপ্পুর অনুগামীরা  রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে  বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় জগদ্দলে। সেখানে পাপ্পু সিং অনুগামীরা ও রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে আসে।

    সোমনাথ শ্যাম পাপ্পুকে গ্রেফতার করিয়েছেন, সরব আইনজীবী

    পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাপ্পুকে অন্য একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অথচ তাঁকে খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল। সোমনাথ শ্যাম পুলিশকে দিয়ে এসব করিয়েছে। পাপ্পু এলাকায় জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা। সেটা কখনও মেনে নিতে পারছেন না সোমনাথ। তাই তাঁকে হেনস্তা করতেই তাঁর নামে এভাবে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অর্জুন সিং বলেন, ষড়যন্ত্র করে পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন?

    বারাকপুরের (Barrackpore) সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, দিন কুড়ি আগে থেকে সোমনাথ শ্যাম বলছে ভিকি যাদবকে খুন করিয়েছে আমার ভাইপো পাপ্পু। এদিকে, এই খুনের ঘটনায় ধৃত পঙ্কজ, যাকে পুলিশ মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে জানিয়েছে তার জন্মদিন সোমনাথ শ্যাম পালন করছে, বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়ে পঙ্কজ কেক কাটছে। সেই কেক সোমনাথ শ্যামকে খাওয়াচ্ছে। সেই ভিডিও, ছবি দেখে সবাই বুঝতে পেরেছে দুজনের কতটা গভীর সম্পর্ক। এই পঙ্কজ সোমনাথ শ্যামের লোক না হয়ে পাপ্পু সিংয়ের লোক হয়ে গেল? আসলে চক্রান্ত করে পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    খুনের পিছনে অর্জুন যোগ, প্রশ্ন সোমনাথের?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, “ভিকি যাদবকে খুন করার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী ছিল পাপ্পু। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে। এই পাপ্পু প্রকাশ্যেই বলতো, কাকা অর্জুন সিংয়ের কথা ছাড়া কোনও কাজ করিনা। তাহলে কোথাও না কোথাও কি এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংও জড়িত আছে? এটাই আমার প্রশ্ন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রেশন ডাকাত সংকটজনক নয়’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘রেশন ডাকাত সংকটজনক নয়’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়েছে। শুভেন্দু তাঁর পোস্টে একটি শীররিক পরীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরেছেন। দাবি করেছেন সেটি “বাংলার মোস্ট ওয়ান্টেড ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট”। রিপোর্টটি ‘রেশন ডাকাত’-এর, যার ডাক নাম ‘বালু ব্যক্তি’। শুভেন্দুর পেশ করা রিপোর্টে বেশ কয়েকটি পরীক্ষার ফলও উল্লেখ করা হয়েছে। শেষে রিপোর্ট কার্ডটিতে লেখা রয়েছে, ‘সংকটজনক নয়’। এই পোস্ট ঘিরে আলোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল সাইটে।

    কেমন আছেন বালু

    রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি শুক্রবারই গ্রেফতার করেছে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তাঁকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশ শোনার পরই এজলাসের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু। আদালত কক্ষেই চেয়ার থেকে পড়ে যান তিনি। বমিও করে ফেলেন। এরপরই তাঁকে আদালতের নির্দেশে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। হাতপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত মন্ত্রীর শীররিক অবস্থা স্থিতিশীল। সোমবারের পর তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হতে পারে।

    আরও পড়ুুন: মুছে গেল ‘ইন্ডিয়া’, রেলের ‘ভারত’ নামের প্রস্তাবে সিলমোহর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    চর্চায় মেরুন ডায়েরি

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Distribution Scam Cae) চর্চায় রয়েছে ‘মেরুন ডায়েরি’। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক-ঘনিষ্ঠ (Jyotipriyo Mallick) হাওড়ার অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে মিলেছে ‘মেরুন ডায়েরি’, এমনই দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। ডায়েরির উপরে লেখা ‘বালুদা’। ডায়েরির ভিতরে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসেব লেখা আছে বলে দাবি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই ডায়েরি নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুদার (Sukanta Majumdar)। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘রেশন কেলেঙ্কারি বিচার পাক, মেরুন ডায়েরি পথ দেখাক। কে নিয়েছে ? কত নিয়েছে ? কবে নিয়েছে ? তৃণমূলের দুর্নীতির রাজত্বের রাজসাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে কি ‘বালু দা’ লেখা মেরুন ডায়েরি ?’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • CBI: সিবিআই আধিকারিক সেজে দেড় কোটি টাকার প্রতারণা করল দম্পতি, তাজ্জব পুলিশ কর্তারা

    CBI: সিবিআই আধিকারিক সেজে দেড় কোটি টাকার প্রতারণা করল দম্পতি, তাজ্জব পুলিশ কর্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম সৌমেন মুখোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রীর নাম জয়শ্রী কর। তাদের বাড়ি বারাসত থানা এলাকায়। তাদের প্রতারণা কৌশল দেখে হতবাক বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা। কার্যত তারা পুলিশের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? এই দম্পতির বিরুদ্ধে সিবিআই (CBI) আধিকারিক সেজে এক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারিত ব্যবসায়ী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে থানার দ্বারস্থ হন। অবশেষে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (CBI)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দম্পতি মূলত ব্যবসায়ীদের টার্গেট করত। যে সব ব্যবসায়ী কিছুটা হলেও বেআইনি কারাবারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাদেরকে তারা টার্গেট করত। এই তথ্য দেওয়ার জন্য তাদের এই চক্রে আর কেউ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সোদপুরের তারক রায় নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে অভিযুক্ত দম্পতি যায়। সেখানে গিয়ে সিবিআই (CBI) অফিসার পরিচয় দিয়ে তাঁর ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চায়। স্বাভাবিকভাবে সিবিআই হানা দিয়েছে ভেবে তারকবাবু কিছুটা হলেও ঘাবড়ে যান। দম্পতির চালচলন দেখে ব্যবসায়ী ধরতেও পারেননি। ভুয়ো সিবিআই আধিকারিকদের কথা মেনে ব্যবসার কাগজপত্র তুলে দেন তারকবাবু। বেশ কিছুক্ষণ ধরে কাগজপত্র খতিয়ে দেখে ত্রুটি রয়েছে বলে আইনকানুনের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই তারকবাবু বুঝতে পারেন তিনি প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছেন। সেই সময় তিনি বারাসত দত্তপুকুর থানার দ্বারস্থ হন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ চরকডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে অভিযুক্ত সৌমেন মুখোপাধ্যায় ও তার স্ত্রী জয়শ্রী কর নামে দু’ই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের বাকি সদস্যদের নাগাল পেতে চাইছে সাইবার ক্রাইম আধিকারিক।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, এক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। পরে, তাদের গ্রেফতার করা হয়। আর কোন কোন ব্যবসায়ীকে তারা এভাবে প্রতারিত করেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের আগে ফের পিস্তল সহ গ্রেফতার যুবক, উদ্ধার সকেট বোমা, তীব্র উত্তেজনা

    Murshidabad: ভোটের আগে ফের পিস্তল সহ গ্রেফতার যুবক, উদ্ধার সকেট বোমা, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের প্রচারে সরগরম রাজ্য। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে বিরোধীরা প্রত্যেক দিন আক্রান্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট প্রদানের আগেই উত্তাল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা। এই জেলার সামশেরগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি সহ এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। পাশাপাশি আবারও তাজা সকেট বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় সাগরপাড়ায়। জেলা জুড়ে ভোটের আবহে আতঙ্কের ছায়া।

    সামসেরগঞ্জে (Murshidabad) কী হয়েছে?

    গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) থানার চশকাপুর মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এলাকায় একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল এবং সাত রাউন্ড গুলি সহ গ্রেফতার করা হয়েছে এক যুবককে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম অরিজিৎ সিংহ (২৬)। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানা এলাকায়। শুক্রবার ধৃতকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মোটর বাইকটিকেও। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে আগ্নেয়াস্ত্র ঠিক কাকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ছিল, কোন কাজে ব্যবহার করা হবে? এই সব প্রশ্ন সামশেরগঞ্জে উঠেছে। ধৃত যুবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    সাগরপাড়ায় (Murshidabad) উদ্ধার হল সকেট বোমা

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়া থানার রওশান নগর এলাকায় পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আজ সকালে একটি আম বাগানে তল্লাশি চালিয়ে ছটি তাজা সকেট বোমা উদ্ধার করে। আর তারপরেই ওই এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বোমার আতঙ্কে বহরমপুর থেকে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে বিশেষ টিম এসে পৌঁছেছে। আপাতত বোমগুলিকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। তবে কে বা কারা পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বোমা এলাকায় রেখেছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে সাগরপাড়া থানার পুলিশ।

    নির্বাচন কেমন হবে

    মনোনয়ন জমা, মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং প্রচারের মধ্যে দিয়ে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) বোমা, বন্দুক ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। আমবাগান, পাটক্ষেত থেকে আগেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। বিরোধী দলের প্রার্থী, কর্মীরা ঘরছাড়া হয়ে প্রশাসনের কাছে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ করতে হাইকোর্ট বারংবার নির্বাচন কমিশনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে। এখন ৮ই জুলাই নির্বাচন কেমন কাটে, সেটাই দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share