Tag: Artificial Intelligence

Artificial Intelligence

  • India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (India AI Deepfake Rules) ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এআই দ্বারা তৈরি বা পরিবর্তিত সব ধরনের কনটেন্টে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে এবং সেই কনটেন্টে এমবেডেড পরিচয়-চিহ্ন রাখতে হবে। কোনও কনটেন্ট সরকার চিহ্নিত করলে বা আদালতের নির্দেশ এলে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই ডিপফেক বা এআই-তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন

    মোদি সরকার ২০২১ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন করেছে। সেই সংশোধন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে আইনটি। নয়া আইন অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র মাধ্যমে তৈরি ‘কনটেন্টে’ অবশ্যই তার উল্লেখ রাখতে হবে।কোনও কনটেন্টকে আদালত বা পুলিশ বা সরকার ডিপফেক বা বেআইনি চিহ্নিত করে সরাতে বললে তা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে সমাজমাধ্যম সংস্থাগুলিকে (Social Media Regulation)। আগে এর জন্য ৩৬ ঘণ্টা সময় পেত মেটা, ইউটিউব, এক্সের মতো সংস্থাগুলি। এখন সেই সময় কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে পারে সংস্থাগুলি। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি সাত দিনের মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে এর জন্য ১৫ দিন সময় পেত সংস্থাগুলি। জরুরি বিষয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগের নিষ্পত্তি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হত। কিছু ক্ষেত্রে কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (India AI Deepfake Rules) খারাপ প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য নতুন আইন না এনে বর্তমান আইন সংশোধনের পথে হেঁটেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সংশোধিত এই আইনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক ভিডিয়ো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতারণা, শিশু নিগ্রহ, হেনস্থা, ভুয়ো তথ্য দিয়ে বা অপরাধে প্ররোচনা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা বর্তমান আইনের অধীনে বেআইনি অনলাইন কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। আইন মেনে না চললে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হবে।

    কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

    সিনথেটিক কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী ও প্রশাসন সহজে বিকৃত বা কৃত্রিম কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেন। একবার এআই লেবেল বা সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা যুক্ত হলে তা মুছে ফেলা, বদলানো বা আড়াল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেআইনি, যৌন শোষণমূলক বা বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত ও রোধ করতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে “যৌক্তিক ও উপযুক্ত” প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় আইন—যেমন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, পকসো আইন, ২০১২ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮—সহ প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতি তিন মাস অন্তত একবার ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে যে এআই-এর অপব্যবহার করলে কী পরিণতি হতে পারে। প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি, গোপনীয়তা নীতি বা ব্যবহারকারী চুক্তির মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে

    কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি এআই-নির্ভর ভুয়ো বা বিকৃত তথ্য তৈরি, প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়, তবে দ্রুত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে। ডিপফেকের ভাইরাল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্র। খসড়া নিয়মে ব্যবহারকারীদের ওপরও দায়িত্ব চাপানো হয়েছে। কেউ এআই-তৈরি বা এআই-পরিবর্তিত কনটেন্ট পোস্ট করলে তা প্রকাশ্যে জানাতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলিকে সেই ঘোষণা যাচাই করার প্রযুক্তিও চালু করতে হবে, যাতে অপব্যবহার রোখা যায়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নতুন নির্দেশিকা সেই স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করেছে এবং কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো, প্রতারণা, হয়রানি ও সম্মতি ছাড়া অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির ঘটনা বেড়ে চলায় সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন নিয়মে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জবাবদিহি আরও বাড়বে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

    বেআইনি কাজে এআই কনটেন্টও সমানভাবে দায়ী

    নতুন সংশোধনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এআই-তৈরি কনটেন্ট যদি বেআইনি কাজে ব্যবহার হয়, তবে তা অন্য বেআইনি কনটেন্টের মতোই বিবেচিত হবে। শিশুপর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি, অস্ত্র বা বিস্ফোরক-সংক্রান্ত বেআইনি কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার (India AI Deepfake Rules) রুখতে প্ল্যাটফর্মকে সক্রিয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনে কনটেন্ট সরানো বা সীমিত করলে আইটি আইনের ৭৯ ধারার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মগুলি পাবে। অর্থাৎ, নিয়ম মেনে কাজ করলে দায়মুক্তির সুরক্ষা থাকবে।

     

     

     

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

  • Google in India: আমেরিকার পর ভারতে সর্ববৃহৎ এআই হাব! এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ গুগলের

    Google in India: আমেরিকার পর ভারতে সর্ববৃহৎ এআই হাব! এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ গুগলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার বাইরে বৃহত্তম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) হাব খুলতে চলেছে গুগল। ভারতের প্রথম এআই হাব তৈরি হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে। গুগলের (Google in India) সিইও সুন্দর পিচাই মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। এনিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে তাঁদের মধ্যে। সেই অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে ভারতের বাজারে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

    ভারতে গুগলের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ

    ভারতে এই হাব তৈরির পরিকল্পনাকে ‘একটি যুগান্তকারী উন্নয়ন’ বলে অভিহিত করেছেন পিচাই। গুগলের (Google in India) ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও জানিয়েছেন যে, এই হাবটি গিগাওয়াট-স্কেল কম্পিউট ক্ষমতা, একটি নতুন আন্তর্জাতিক সাব-সি গেটওয়ে এবং বৃহৎ আকারের শক্তি পরিকাঠামোর সমন্বয় হিসেবে গড় উঠবে। গুগল এবং অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই পিচাই এক্স-এ পোস্ট করে লিখেছেন, “এর মাধ্যমে আমরা ভারতের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যবহারকারীদের কাছে আমাদের সেরা প্রযুক্তি পৌঁছে দেব, দেশজুড়ে এআই উদ্ভাবন এবং বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করব।” গুগল আদানি গ্রুপের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এআই ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাসটি তৈরি করবে। এটি ভারতে গুগলের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ।

    ভারতে এক যুগান্তকারী উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে গুগল এআই হাব চালু হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স-এ শেয়ার করা একটি পোস্টে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাণবন্ত শহর বিশাখাপত্তনমে গুগল এআই হাব চালু হওয়ায় আমি আনন্দিত। এই বহুমুখী বিনিয়োগ, যার মধ্যে গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার পরিকাঠামো অন্তর্ভুক্ত, আমাদের বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন যে নতুন এআই হাব প্রযুক্তিকে গণতান্ত্রিক করতে এবং সরকারের ‘সবার জন্য এআই’ লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। “এটি প্রযুক্তিকে গণতান্ত্রিক করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী শক্তি হবে। এটি ‘সবার জন্য এআই’ নিশ্চিত করবে, আমাদের নাগরিকদের কাছে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম পৌঁছে দেবে, আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে এবং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি নেতা হিসেবে ভারতের স্থান সুরক্ষিত করবে।”

    আদানিকনেক্সের সঙ্গেই চুক্তি গুগলের

    আদানি এন্টারপ্রাইস-এর অধীনে থাকা আদানিকনেক্সের সঙ্গেই চুক্তি হয়েছে গুগলের (Google in India)। আগামী পাঁচ বছরে দুই সংস্থার উদ্যোগে এআই ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস ও নতুন সবুজ শক্তি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী চুক্তি। তেমনই বলছে আদানিদের সংস্থা। আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি বলেন, “এই ঐতিহাসিক প্রকল্পে গুগলের সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে আদানি গ্রুপ গর্বিত যা ভারতের ডিজিটাল ভূদৃশ্যের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে পদক্ষেপ

    গুগলের (Google in India) তরফ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এটি ভারত সরকারের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যাতে এআই-চালিত পরিষেবার সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা যায়। এই উদ্যোগ ভারত এবং আমেরিকা উভয়ের জন্যই যথেষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ তৈরি করবে- একই সঙ্গে এআই সক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রজন্মগত পরিবর্তনের পথিকৃৎ হয়ে উঠবে।” গুগলের এই হাব ভারতে ডিজিটাল যুগের যাত্রার একটি নতুন অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “এই ডিজিটাল পরিকাঠামো ভারতের এআই ভিশনের লক্ষ্য পূরণে আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “ভারতে ডিজিটাল অর্থনীতিতে এআই পরিষেবা একটি নতুন দিক হিসেবে সামনে উঠে এসেছে। আমরা আমাদের যুব সমাজের বিকাশে এই নতুন পরিষেবা ব্যবহার করতে মুখিয়ে আছি।”

    ভারতের প্রথম গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার

    দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গুগল (Google in India) ক্লাউডের সিইও থমাস কুরিয়ান বলেন, বিশাখাপত্তনমে এআই হাব ‘ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতে একটি যুগান্তকারী বিনিয়োগ’। তিনি বলেন, “শিল্পে শীর্ষস্থানীয় এআই পরিকাঠামো সরবরাহ করে, আমরা ব্যবসাগুলিকে দ্রুত উদ্ভাবন করতে সক্ষম করছি এবং বৃদ্ধির জন্য সুযোগ তৈরি করছি। এই অংশীদারিত্ব ভারত ও মার্কিন সরকারের প্রতি আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে যে এআইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগানো এবং সমাজের কল্যাণে একে কাজে লাগানো।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এবং অশ্বিনী বৈষ্ণব, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশ। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু বলেন, “আমরা ভারতের প্রথম সত্যিকারের গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার এবং ভারতে গুগলের প্রথম এআই হাবের আয়োজন করতে পেরে গর্বিত, যা রাজ্যের ব্যবসা এবং স্টার্টআপগুলির জন্য উদ্ভাবন, এআই গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার প্রতি আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।”

     

     

     

  • India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ঘোষণা করেছেন যে, বর্তমামনে ভারত (India Energy) দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশ এখন আসছে অজীবাশ্ম জ্বালানির উৎস (non-fossil fuel) থেকে। প্রসঙ্গত, এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৩০ সাল। তবে পাঁচ বছর আগেই, ২০২৫ সালেই ভারত এই লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

    এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রী

    এই উপলক্ষে নিজের এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দেন এবং এর কৃতিত্ব দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত, ভারতে মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৪৮৪.৮ গিগাওয়াট, যার মধ্যে ২৪২.৮ গিগাওয়াট অজীবাশ্ম জ্বালানি উৎস (non-fossil fuel) থেকে আসে। এর মধ্যে ১৮৪.৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস (সৌর, বায়ু, জৈব শক্তি প্রভৃতি) থেকে। ৪৯.২ গিগাওয়াট বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে, এবং ৮.৭ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি থেকে আসে।

    প্রধানমন্ত্রী কুসুম এবং পিএম সূর্য ঘর

    মন্ত্রী জানান, ভারতের বিদ্যুৎ (India Energy) খাতে অজীবাশ্ম জ্বালানির অংশ বৃদ্ধির পেছনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ‘প্রধানমন্ত্রী কুসুম’ (PM-KUSUM) এবং ‘পিএম সূর্য ঘর’ (PM Surya Ghar) প্রকল্পগুলির মাধ্যমে দেশের লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার এবং কৃষকদের জন্য সৌরশক্তি সহজলভ্য হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে। কৃষকদের ক্ষেত্রেও সৌর পাম্পের ব্যবহার যেমন সেচ খরচ কমিয়েছে, তেমনই নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ তাদের উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়ন—উভয়ই সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এর পাশাপাশি সৌর পার্ক, জৈব শক্তি এবং ভবিষ্যতে কৃত্রিম মেধা (AI)-র প্রয়োগ জ্বালানির পরিকাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি মার্কেটপ্লেস, স্মার্ট মিটার, এবং ডিমান্ড সাইড ম্যানেজমেন্ট সম্ভব হচ্ছে। তবে, প্রহ্লাদ জোশি সতর্ক করে দিয়েছেন, এ সব কিছুর মধ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে (India Energy) সাইবার নিরাপত্তাকে। কারণ ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থার ডিজিটাল নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়বে।

  • Ayurveda: কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ আয়ুর্বেদে! স্বাস্থ্য পরিষেবায় ভারত নেতৃত্ব দেবে বিশ্বকে, বলল ‘হু’

    Ayurveda: কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ আয়ুর্বেদে! স্বাস্থ্য পরিষেবায় ভারত নেতৃত্ব দেবে বিশ্বকে, বলল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থা আয়ুর্বেদ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে গঠিত একাধিক উদ্যোগ এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ স্বীকৃতি পেল (Ayurveda)। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে যার শিরোনাম ছিল “ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের মানচিত্র”। সেখানে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে ভারতের আয়ুষ ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এবং তা থেকে উদ্ভূত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা।

    ভারতের প্রশংসা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (Ayurveda)।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই ঘোষণা প্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের (Artificial Intelligence) প্রথম দিক নির্দেশিকা হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওই প্রতিবেদনে বিশেষভাবে প্রশংসা করা হয়েছে ভারতের প্রাচীন জ্ঞানভাণ্ডারকে ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগকে। যেমন “প্রচলিত জ্ঞান ডিজিটাল গ্রন্থাগার” – এইভাবে প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির জ্ঞানকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভারতই প্রথম দেশ, যেটি ডিজিটাল গ্রন্থাগারের এমন উদ্যোগ নিয়ে দেশের ঐতিহ্যকে ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

    কৃত্রিম মেধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গি

    এ বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে দৃষ্টিভঙ্গি, অর্থাৎ “সবার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা” – সমস্ত ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, সেটিকেও প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং তা তাদের বিবৃতিতে উল্লিখিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৩ সালেই জানিয়েছিলেন যে, তার সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (Artificial Intelligence) জনকল্যাণে ব্যবহারের লক্ষ্যে কাজ করছে। সমাজের সকল স্তরের মানুষের উন্নতির জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক শক্তিশালী হাতিয়ার বলেও তিনি সে সময় উল্লেখ করেছিলেন (Ayurveda)।।

    এই স্বীকৃতি ভারতের ঐতিহ্য এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ের প্রতিফলন

    এই প্রেক্ষাপটে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এমন ঘোষণাকে ঘিরে আয়ুষ এবং স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী প্রতাপরাও যাদব জানিয়েছেন, এই স্বীকৃতি ভারতের ঐতিহ্য এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ের প্রতিফলন। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় সরকার “নমস্তে”, “আয়ুষ গবেষণা” প্রভৃতি পোর্টালের মাধ্যমে শুধু চিকিৎসার আধুনিকীকরণ করেনি, বরং প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানভাণ্ডারকে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য যে “আয়ুষ গ্রিড” শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। এর মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে একটি তথ্যভাণ্ডার।

    ভারতের এই ধরনের উদ্যোগ যথেষ্ট উদ্ভাবনী এবং ভবিষ্যতমুখী

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বিশেষজ্ঞ দলের মতে, ভারতের এই ধরনের উদ্যোগ যথেষ্ট উদ্ভাবনী এবং ভবিষ্যতমুখী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে আয়ুর্বেদের (Ayurveda) নাড়ি নির্ণয়, জিভ পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আরও উন্নত ও নির্ভুল করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে শুধু চিকিৎসার নির্ভুলতা বেড়েছে তা নয়, রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাও অনেক বেশি কার্যকর হয়েছে।

    রোগ নির্ণয়, ওষুধের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ সহজ হয়েছে

    ওই প্রতিবেদনে ভারতীয় গবেষকদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রাসায়নিক সংবেদকের সাহায্যে আয়ুর্বেদের গুণাগুণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য বিচার করা এখন সম্ভব হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক চিকিৎসার মধ্যে একটি কার্যকর সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে রোগ নির্ণয়, ওষুধের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ, ওষুধ উদ্ভাবন এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

    আগামী দিনের চিকিৎসা ব্যবস্থার পথপ্রদর্শক

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কেন্দ্রের মোদি সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে আগামী দিনের চিকিৎসা ব্যবস্থার পথপ্রদর্শক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের স্বীকৃতি বলেই মনে করছেন অনেকেই। এটি শুধু ভারতের ঐতিহ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেনি, বরং দেখিয়েছে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে প্রাচীন জ্ঞানকে আধুনিক বিজ্ঞান ও মানবকল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই স্বীকৃতি শুধুমাত্র ভারতের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির জন্য এক গর্বের মুহূর্ত নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে ভারত তার প্রাচীন জ্ঞানকে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় বৈশ্বিক মঞ্চে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এই পথ ধরেই আগামী দিনে ভারত আরও দৃঢ়ভাবে বিশ্বস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নেতৃত্ব দিতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আয়ুর্বেদের ভূমিকা আরও গভীর, কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে – এমনটাই মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই স্বীকৃতি ভারতের ঐতিহ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

  • Artificial Intelligence: কৃত্রিম মেধার প্রয়োগে পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে এগিয়ে চলেছে দেশ, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Artificial Intelligence: কৃত্রিম মেধার প্রয়োগে পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে এগিয়ে চলেছে দেশ, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) যুগ চলছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে আমাদের দেশ ভারতবর্ষ দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যাতে কৃত্রিম মেধার বিষয়ে পরবর্তী প্রজন্ম শুধুমাত্র সচেতনই নয়, তারা এটিকে প্রয়োগ করার ব্যাপারেও প্রস্তুত হতে পারে।

    ১৫ জুলাই থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর একটি নতুন কোর্স চালু হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাদানের পদ্ধতি আমাদের পরিবর্তন করতে হবে। পড়ুয়াদের কেবল প্রযুক্তি সম্পর্কে নয় বরং চারপাশের সামাজিক রীতিনীতি ও মূল্যবোধ সম্পর্কেও সচেতন করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ফলাফল কী হতে পারে, তাও তাদের জানাতে হবে, সেটা চ্যাটজিপিটি হোক বা ভারতীয় মডেল ‘সর্বম’ হোক। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী ১৫ জুলাই থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর একটি নতুন কোর্স (Artificial Intelligence) চালু হচ্ছে, এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের এই বিষয়ে শিক্ষাদান করা হবে। এই কোর্সের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে AI for Everyone – AI for All.

    শিক্ষকদেরও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Minister Jayant Chaudhary) আরও জানিয়েছেন, এই কোর্সটি প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সহায়তায় তৈরি করা হচ্ছে এবং ভারতবর্ষের ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ভোকেশনাল ট্রেনিং এই কোর্সটির বিভিন্ন দিক দেখভাল করছে। শিক্ষকদেরও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ৩০ হাজারেরও বেশি স্কুল ইতিমধ্যেই স্কিল হাব তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স প্রভৃতি বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা চালাতে পারবে (Artificial Intelligence)।

    সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা

    জানা গিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ওপর চালু হয়েছে AI Readiness Program। এই প্রোগ্রাম শুরু হবে জওহর নবোদয় বিদ্যালয় থেকে। প্রসঙ্গত, জওহর নবোদয় বিদ্যালয় হল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি আবাসিক স্কুল যা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পড়ুয়াদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। স্কুল পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্তর্ভুক্তির জন্য সরকারের পরিকল্পনার বিশদ ব্যাখ্যা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকারের এই প্রচেষ্টা কেবল শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়। সরকার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে এনসিআইআরটি-র সঙ্গে কাজ করছে। একইসঙ্গে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ১০ হাজার ল্যাবরেটরির সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। পাশাপাশি, ৫০,০০০ স্কুলে এই ধরনের পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। তিনি (Union Minister Jayant Chaudhary) আরও বলেন, Skill India Digital Hub, FutureSkills-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বিভিন্ন পড়ুয়াদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোর্স অফার করছে।

  • Rajnath Singh: “সামরিক অভিযানে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রাখে এআই”, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সামরিক অভিযানে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রাখে এআই”, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সামরিক অভিযানে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রাখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)।” এমনই মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। শনিবার তিনি যোগ দেন ৬২তম ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈপ্লবিক ক্ষমতার দিকটির কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    রাজনাথের এআই-স্তুতি (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিশ্লেষণ থেকে স্বায়ত্তশাসিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সামরিক কার্যক্রমে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।” মন্ত্রী বলেন, “আপনারা হবেন সেই নেতা, যাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোথায় এবং কীভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “আজকের আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে ভূ-রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা জোটগুলির জটিলতা সম্পর্কে দৃঢ় ধরণা সামরিক নেতাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “সামরিক নেতাদের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলি যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও কূটনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই ক্ষেত্রগুলিতে কৌশলগত শিক্ষাগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

    অভূতপূর্ব হুমকি

    হিজবুল্লাকে আক্রমণ করতে তাদের পেজার হ্যাক করেছে ইজরায়েল। এদিন সে প্রসঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন এক সময়ে পৌঁছেছি, যেখানে হুমকির মাত্রা অভূতপূর্ব। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিগুলি বৃহৎ পরিসরে অস্ত্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি মনে করি, আপনারা সবাই অনুমান করতে পারবেন, আমি সাম্প্রতিক কোন ঘটনার কথা বলছি।” রাজনাথ বলেন, “আমাদের প্রতিরক্ষা এই ক্ষমতাগুলি কাজে লাগাতে পারে। এই চিন্তাটাই আমাদের সেই সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।”

    আরও পড়ুন: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত পড়াশোনার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ ভারতের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফি বছর ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার পদমর্যাদার ও সমমানের ১০০ জন আধিকারিক এবং অসামিরক, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবাগুলির যুগ্মসচিব পর্যায়ের আধিকারিকরা এনডিসি কোর্সে ভর্তি হন। প্রায় ২৫টি মিত্র দেশের সশস্ত্র (Artificial Intelligence) বাহিনীর অফিসাররাও এই কোর্সে অংশ নেন (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meta AI on WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংযোজন মেটা এআই! জানেন এর কাজ কী?

    Meta AI on WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংযোজন মেটা এআই! জানেন এর কাজ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি হোয়াট্‌সঅ্যাপের চ্যাট বক্সে নতুন একটি গোলাকার চিহ্নের সংযোজন হয়েছে। নীলচে-বেগুনি রঙের এই চিহ্নটির নাম ‘মেটা এআই’ (Meta AI on WhatsApp)। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে ভারতীয় ইউজারদের জন্য ইতিমধ্যেই মেটা এআই লঞ্চ হয়েছে। হাতের মুঠোয় এই সুপারপাওয়ার এসে যাওয়ায় সুবিধা বহু ক্ষেত্রে, এমনই দাবি নির্মাতাদের। অর্থাৎ ‘চ্যাটজিপিটি’, ‘বিংএআই’ এবং ‘গুগ্‌ল বার্ড’-এর মতো মেটা সংস্থার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপের হয়ে কাজ করবে মেটা এআই। অর্থাৎ স্মার্টফোন আরও ‘স্মার্ট’ হয়ে উঠবে।  

    কী এই ‘মেটা এআই’? (Meta AI on WhatsApp)

    বর্তমান প্রযুক্তির যুগে গোটা একটি মানুষের বিকল্প হয়ে উঠেছে ‘চ্যাটবট’ প্রযুক্তি। মনের মতো সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অভাব পূরণেও এগিয়ে এসেছে ‘এআই’। নিজের পছন্দ-অপছন্দের তালিকা ‘চ্যাটবট’কে জানিয়ে দিলে প্রায় কুমোরটুলি থেকে অর্ডার দেওয়ার মতো পছন্দসই সঙ্গী বা সঙ্গিনী হাজির করবে। ‘এআই’ প্রযুক্তির সাহায্যে সে একেবারে রক্ত-মাংসের মানুষের মতোই কথা বলবে। কোনও অজানা বিষয় মাথায় এলে ‘গুগ্‌ল সার্চ’-এ গিয়ে খুঁজতে যতটা সময় ব্যয় হয়, তার চেয়ে অনেক কম সময়ে, নির্ভুল তথ্য ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরবে এই ‘চ্যাটবট’। ‘এআই’ জেনারেটেড ছবি তৈরি করতেও সাহায্য করবে এই প্রযুক্তি।

    আরও পড়ুন: বর্ষার মরসুমে দেশজুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক! প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু প্রশাসন

    কীভাবে ব্যবহার করবেন মেটা এআই? (How to use Meta AI) 

    প্রথমত আপনার হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করা থাকলেই তবে এই সুবিধা পাবেন। এরপর আপনার অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে পার্পেল-ব্লু রিং দেখা যাবে। এটি ক্যামেরা আইকনের একেবারে কাছেই থাকছে। এই আইকনে ক্লিক করেই মেটা এআইয়ের (Meta AI on WhatsApp) জগত খুলে যাবে আপনার সামনে। সেখানে যা প্রয়োজন সবই লিখে জিজ্ঞাসা করা যাবে। গ্রুপ চ্যাটেও মেটা এআই ব্যবহার করা সমান মজাদার।
    এছাড়াও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান হলে, কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ হতে পারে কিংবা যেখানে ঘুরতে যাবেন, সেখানকার আবহাওয়া কেমন, সেই সম্পর্কিত নানা ধরনের তথ্য জানাবে মেটা এআই। কিংবা শহরে নতুন কোনও রেস্তরাঁ চালু হলে সেই খোঁজও বাড়ি বসেই পেয়ে যেতে পারেন এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনারা কি আয়েশার কথা শুনেছেন? তাকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়েছে। তার কাজ আলোড়ন ফেলেছে মধ্যপ্রাচ্যে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এই প্রথম ভার্চুয়াল কর্মচারী, যাকে দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial intelligence) মাধ্যমে কাজ করানোর কথা ভাবা হয়েছে। আইনি বিষয়ে নানান তথ্য দিয়ে পরিষেবা প্রদান করবে আয়েশা। 

    বিচার ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ (Artificial intelligence)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিচার বিভাগকে অত্যাধুনিক মাত্রা দেবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দ্বারা পরিচালিত ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে উপভোক্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালতে মক্কেলদের সহায়তা করার জন্য শীঘ্রই আয়শাকে মোতায়েন করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এক বছর আগে চালু করা হয়েছিল একটি অ্যাপ্লিকেশন। এবার তাকে সফল ভাবে প্রয়োগ করা হবে। এই এআই প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেমন কাজ করছে, ঠিক তেমনি এবার বিচার ব্যবস্থায় আইনি সাহায্যেও প্রয়োগের কথা ভাবা হয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে আয়েশা?

    জানা গিয়েছে, আয়েশা (Artificial intelligence) ভার্চুয়ালি আদালতের প্রবেশদ্বারে অবস্থান করবে এবং মক্কলদেরকে তাদের লেনদেন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবে। মামলার ভিত্তি, লেনদেন পরিচালনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় খসড়া এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা সম্পর্কে তথ্য জ্ঞাপন করবে। বিচার ব্যবস্থার এই উদ্যোগটি এআইকে বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। আয়েশা, নতুন এআই সহকারী হিসেবে বিচারক, আইনজীবী এবং উপভোক্তার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে। আয়েশা বিচারকদের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করতে পুরাতন মামলার রায় দৃষ্টান্ত হিসাবে উপস্থাপন করবে। অতীতের মামলার বিস্তৃত তথ্যকে বিশ্লেষণ করে বিচারকের দেওয়া রায়গুলিকে আয়েশা সেকেন্ডের মধ্যেই সনাক্ত করতে পারবে। মামলায় বিচারকের সিদ্ধান্ত জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরেও সহযোগিতা করবে।

    আরও পড়ুনঃ গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করবে

    আইনজীবীরা আয়েশাকে (Artificial intelligence) একটি অমূল্য সম্পদ বলে মনে করেছেন। কারণ তার বিস্তৃত ডাটাবেস, একজন সাধারণ আইনজীবীর অভিজ্ঞতার তুলনায় অনেক বেশী কার্যকরী হবে। একই ভাবে মামলার অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদানের কাজও করতে পারবে। আইনি গবেষণা প্রক্রিয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে সুগম করবে এই আয়েশা। তবে আইন এবং বিচার বিষয়ে মানুষকে প্রতিস্থাপন করা আয়েশার মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং একে কাজকে দ্রুত ও কম সময়ে করার একটি হাতিয়ার বলা যায়। এআইকে গ্রহণ করে কাজের কার্যকারিতা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় এবং জটিলতা কমিয়ে আরও সহজ-সরল করা যায়, সেই বিষয়ের দিকেই মূলত লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hanooman Chat Bot: চ্যাট জিপিটি ও জেমিনি এআই-কে টক্কর দিতে ওয়েব দুনিয়ায় হনুমানের আত্মপ্রকাশ

    Hanooman Chat Bot: চ্যাট জিপিটি ও জেমিনি এআই-কে টক্কর দিতে ওয়েব দুনিয়ায় হনুমানের আত্মপ্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাসীকে ভারতের উপহার হনুমান চ্যাটবট (Hanooman Chat Bot) । তেলেঙ্গানা ভিত্তিক এসএমএল ইন্ডিয়া (SML India) এবং আবুধাবিভিত্তিক সংস্থা থ্রি এআই (3AI) যৌথ উদ্যোগে তৈরি করেছে হনুমান। এটি একটি জেনারেল এআই চ্যাটবট যা ইংরেজি, হিন্দি, ছাড়াও বাংলা, মারাঠি, গুজরাতি, কন্নড় সহ ৯৮ টি ভাষায় ব্যবহার করা যাবে।

    চ্যাট জিপিটি-র বিকল্প কি হতে পারবে (Hanooman Chat Bot)

    চলতি মাসেই গুগল প্লে স্টোরে (Play Store) আত্মপ্রকাশ করেছে হনুমান  চ্যাট বট (Hanooman Chat Bot) । নির্মাতা সংস্থার তরফে দাবী করা হয়েছে এই চ্যাটবট লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডিউল (LLM) সহ এআই ভিত্তিক চাটবট ইন্টিগ্রেশন সিনথেসিস ম্যাট্রিক্স এর সঙ্গে তৈরি। যার ফলে যে কোনও পরামর্শ প্রদান, কোডিং টিউটরিং সহ আরও কাজ করতে পারবে এই চাটবট (Hanooman Chat Bot)। বর্তমানে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও বছরের শেষের দিকে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। সময়ের সঙ্গে আপডেট করা হবে এই চ্যাটবট। যাতে তথ্যের প্রবাহ সঠিক থাকে। ঠিক যেভাবে প্রথমে চ্যাট জিপিটি ফ্রি থাকলেও পরে প্রিমিয়াম সার্ভিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়। চ্যাট জিপিটির থেকে হনুমান চ্যাটবটের (Hanooman Chat Bot) ইন্টারফেস একটু আলাদা। চ্যাট জিপিটি এবং জেমিনি এআইকের টক্কর দেওয়ার মত বিকল্প হিসেবে সংস্থা এটিকে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। বর্তমানের ওয়েব ভার্সন এবং অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে হনুমান ব্যবহার করা গেলেও শীঘ্রই আইওএস অর্থাৎ অ্যাপেলের মোবাইলেও এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।

    আরো পড়ুন: নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    চ্যাটবট নির্মাতাদের বক্তব্য (Hanooman Chat Bot)

    এস এম এল সংস্থার সিইও বিষ্ণু বর্ধন জানিয়েছেন সংস্থার পরিকল্পনা রয়েছে দুই কোটি মানুষকে সাহায্য করা। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে তাঁর বর্তমান অ্যাপ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামীর ভবিষ্যৎ। সেই লক্ষ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অ্যাপ (Hanooman Chat Bot) তৈরি করা হয়েছে। থ্রি এআই সংস্থার প্রধান অর্জুন প্রসাদ জানিয়েছেন, “হনুমানের সমস্ত তথ্য ভারতেই থাকবে। এমনকি ভারত থেকে এই অ্যাপকে ডিজাইন করা হয়েছে এবং ভারত থেকে একে পরিচালনা করা হবে। জানা গিয়েছে এইচপি (HP) ন্যাসকম (NASSCOM) এবং আরও বেশ কয়েকটি সংস্থার বৃহৎ সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share