Tag: Arunachal Pradesh

Arunachal Pradesh

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে খ্রিষ্টীয় আগ্রাসনে চিন্তিত মূলনিবাসী ও সনাতনীরা

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে খ্রিষ্টীয় আগ্রাসনে চিন্তিত মূলনিবাসী ও সনাতনীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ খ্রিস্টান (Arunachal Pradesh) ফোরামের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে অরুনাচল প্রদেশকে খ্রিস্টান রাজ্য হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এই ভিডিও সামনে আসতেই ওই রাজ্যে অন্যান্য ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভিডিওতে এক ধর্মযাজককে বলতে দেখা যাচ্ছে, “অরুণাচল থেকে আসাম আমাদের পূর্বপুরুষদের ভূমি। তাওয়াং থেকে লংডিং, মেসোকা থেকে ইটানগর আজ আমরা প্রভু যীশুর নামে ঘোষণা করছি যে সম্পূর্ণ অরুনাচল “যীশুর”।

    ব্যাপক ধর্মান্তকরণ (Arunachal Pradesh)

    অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে এই ঘটনার পর থেকেই গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে এই অঞ্চলে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য আরও আক্রমণাত্মক চাপ আসতে চলেছে। প্রসঙ্গত ধর্ম পরিবর্তনের জেরে অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, আসাম সহ অন্যান্য পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে আদিবাসী মূলনিবাসী, বৌদ্ধ এবং হিন্দুদের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে। গত কয়েক দশক ধরে অরুণাচল প্রদেশ এবং আসামে খ্রিস্ট ধর্মের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে। তারই মাঝে এই ভিডিওটি বেশ কয়েকটি সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনা অরুণাচল প্রদেশের ‘ধর্ম স্বাধীনতা আইন ১৯৭৮’এর কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ ধর্ম স্বাধীনতা আইন থাকলেও তা কার্যকরি নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। বল প্রয়োগ এবং প্রলোভনের মাধ্যমে ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তন চলছে। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ধর্ম স্বাধীনতা আইনের উদ্দেশ্য ছিল বলপ্রয়োগ এবং প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্ম পরিবর্তন রোধ করা। কিন্তু এই আইনের ফাঁকগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তন চলছে ওই রাজ্যে।

    কী বলছে আদমশুমারি

    অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) শেষ কয়েক দশকে খ্রিস্টান জনসংখ্যার অভূতপূর্ব বৃদ্ধি হয়েছে। এই জনসংখ্যার বৃদ্ধি বাসিন্দাদের অতিরিক্ত সন্তান উৎপাদনের মাধ্যমে হয়নি, বরং ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তনের ফলে হয়েছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ১৯৭১ সালের আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা ০.৭৯ শতাংশ খ্রিস্টাধর্মালম্বী ছিলেন। ১৯৮১ তে এই সংখ্যা ৪.৩২ শতাংশ হয়ে যায়। ১৯৯১ সালে তা বেড়ে হয় ১০.৩০ শতাংশ। ২০০১ সালে ৮ শতাংশ বেড়ে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হয় ১৮.৭২ এবং ২০১১ আদমশুমারিতে শেষ আদমশুমারিতে দেখা যায় খ্রিস্টান জনসংখ্যা ৩০.২৬ শতাংশ। ২০২১ সালে কোভিডের জন্য আদমশুমারি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মনে করা হচ্ছে আদমশুমারি হলে এই জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ বেশি হয়ে পড়বে। যার নেপথ্যে রয়েছে আক্রমণাত্মক ধর্ম প্রচার এবং গণ ধর্মান্তকরণ।

    ৬ মার্চ ইটানগরকে বিক্ষোভ (Arunachal Pradesh)

    এরই মাঝে ৬ মার্চ খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক গোষ্ঠীগুলি অরুণাচলের ধর্ম স্বাধীনতা আইন বাতিলের দাবিতে ইটানগরে (Arunachal Pradesh) একটি বিশাল বিক্ষোভের আয়োজন করে। অল ক্রিশ্চিয়ান ফোরামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ম স্বাধীনতা আইন বাতিলের দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। প্রসঙ্গত অরুণাচল প্রদেশের ধর্ম স্বাধীনতা আইন বলপূর্বক এবং প্রতারণামূলক ধর্ম পরিবর্তন রোধ করার জন্য লাগু হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও বলপূর্বক এবং প্রতারণামূলক ধর্ম পরিবর্তন এই রাজ্যে রোধ করা যায়নি এবং পরিস্থিতি যে ব্যাপক উদ্বেগজনক ওই ভাইরাল ভিডিও প্রমাণ করে। স্থানীয় সংগঠনগুলির মতে জনবিন্যাসের এই ব্যাপক পরিবর্তন অরুণাচল প্রদেশ এবং আসামে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

  • India China Relation: চিনা মদতেই ইউটিএ-র হুমকি! উপেক্ষা করা উচিত নয়, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা

    India China Relation: চিনা মদতেই ইউটিএ-র হুমকি! উপেক্ষা করা উচিত নয়, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা

    মুখে মিষ্টতা। আর আস্তিনে লুকনো বাঘনখ! এভাবেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে চিন! অন্তত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা তেমনই। এভাবেই তারা ক্রমশ কবজা করতে চাইছে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ অরুণাচলপ্রদেশকে। আজ তৃতীয় তথা শেষ কিস্তি…

     

                                                                                      অরুণাচলপ্রদেশে ড্রাগনের থাবা-৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিএ (UTA) যে হুমকি দিচ্ছে, তাকে উপেক্ষা করা (India China Relation) উচিত নয়। বলছেন দ্য অরুণাচল টাইমসের প্রবীণ সাংবাদিক তথা বিশ্লেষক বেঙ্গিয়া আজুম। তিনি বলেন, “ইউটিএ জনগণের মধ্যে সিএপিএফ এবং রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের বিরুদ্ধে অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষুব্ধ যুবকদের নিজেদের দলে টানার চেষ্টা করবে।” আজুম বলেন, “ইউটিএ গঠনের (Arunachal Pradesh) ঘোষণা হয়েছিল এমন একটা সময়ে যখন এনএইচপিসি (NHPC)-র কর্তাদের জন্য নিরাপত্তা দিতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এনএইচপিসি সিউম্প (SUMP)-এর জন্য প্রি-ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনা করছে। ওপরের সিয়াং, সিয়াং এবং পূর্ব সিয়াং জেলাগুলির জনগণ, যারা এই প্রকল্প দ্বারা প্রভাবিত হবে, তারা অসন্তুষ্ট। ইউটিএ তাদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে দলে টানতে পারে। লাভ করতে পারে স্থানীয় সমর্থনও।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (India China Relation)

    ইউটিএ রাজ্যে মেগা ড্যাম নির্মাণের বিরোধিতা করার পাশাপাশি আর একটা আবেগজনিত ইস্যু সমর্থন করেছে, যা রাজ্যের অনেক মানুষকে উত্তেজিত করেছে। যেসব আদিবাসী মহিলা অ-আদিবাসী পুরুষদের বিয়ে করেছেন, তাঁদের সন্তানদের তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়া। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী চৌনা মেইন বলেন, “যদিও এনএলসিটি (NLCT) কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি, তবুও এদের হুমকি উপেক্ষা করা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে মানুষ সহজেই বিভ্রান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে ইউটিএ গুরুতর হুমকি তৈরি করতে পারে। তবে সরকার এ বিষয়ে সচেতন এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে (Arunachal Pradesh)।”

     এই সিরিজের প্রথম দুই কিস্তি…

    ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন! (প্রথম কিস্তি)

    ভারতের বাড়া ভাতে ছাই দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন! (দ্বিতীয় কিস্তি)

    টিক টিক টাইম বোমা

    এদিকে, নামচা বারওয়ায় চিনের প্রস্তাবিত মেগা ড্যাম ভারতের জন্য একটি টিক টিক টাইম বোমার মতো। মানোহর পার্রিকর ইনস্টিটিউট অফ ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, চিন যে ইয়ারলুং সাংপো নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ করছে, সেগুলি এত বড় যে স্টোরেজ ড্যাম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। চিন এই বাঁধগুলি সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করতে পারে। এতে বিপাকে পড়বে ভারত। গরমের সময় জলের জন্য হা-পিত্যেশ করতে হবে। আর বর্ষায় বানের জলে ভেসে যাবে অরুণাচল প্রদেশ এবং অসম।

    বড় স্টোরেজ ড্যাম

    সিউম্প-এর পরিকল্পনায় সিয়াং নদীর ওপর একটি বড় স্টোরেজ ড্যাম নির্মাণের কথা রয়েছে। এটি চিনের (India China Relation) পক্ষ থেকে ইয়ারলুং সাংপো নদীর জল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে ভারতের বীমা হিসেবে কাজ করবে। যদি চীন ইয়ারলুং সাংপো নদীর জলের প্রবাহ কমিয়ে দেয়, তবে সিউম্প জলাধার থেকে জল ছেড়ে সিয়াং এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে। একইভাবে, চিন যদি অতিরিক্ত জল ছেড়ে দেয়, তবে সিউম্প জলাধার অতিরিক্ত জল ধরে রাখতে পারবে এবং অরুণাচল প্রদেশ ও নামনি অসমে বন্যা প্রতিরোধ করতে পারবে (Arunachal Pradesh)। নামচা বারওয়ার প্রস্তাবিত মেগা ড্যাম ছাড়াও, চিন ইতিমধ্যে ইয়ারলুং সাংপোর উঁচু জায়গায় ২০১০ সালে ঝাংমু ড্যাম নির্মাণ করেছে। জিয়েক্সু, জিয়াচা এবং দাগু নামে আরও তিনটি বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। যদিও চিনের দাবি, এগুলি সবই ‘রান অফ দ্য রিভার’ প্রকল্প এবং এগুলি ইয়ারলুং সাংপো নদীর জলের প্রবাহে কোনও প্রভাব ফেলবে না, তবে বেজিংয়ের দাবিকে অবিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

    জলযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কতা নিতে হবে

    প্রবীণ রাজনীতিবিদ নিনং এরিং, যিনি ইউপিএ -২ সরকারের সময় সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে পূর্ব সিয়াং জেলার পাসিঘাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক, বলেন, চিনকে কখনওই বিশ্বাস করা যায় না। আপনি কখনওই জানবেন না তারা (চিন) ভারতের ক্ষতি করার জন্য কী করবে। আমাদের অবশ্যই চিনের সম্ভাব্য জলযুদ্ধের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সতর্কতা নিতে হবে। এটা ঠিক যে এই সুরক্ষাগুলোকেই, যেমন সিউম্প, চিন বিপথে চালিত করতে চায়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির বিশ্বাস, চিন ইউটিএ সৃষ্টি করেছে যাতে সিউম্প এবং অন্যান্য বড় বাঁধের বিরুদ্ধে বিরোধিতা উসকে দেওয়া যায়। এই বাঁধগুলি সেই রাজ্যে নির্মাণ করা হচ্ছে, যে রাজ্য চিন অধিকৃত তিব্বত এবং মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত শেয়ার করে (Arunachal Pradesh)।

    বিরোধিতার জিগির 

    চিন গোপনে অরুণাচলপ্রদেশ ও অসমের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে অরুণাচলপ্রদেশে বড় বাঁধগুলির বিরুদ্ধে বিরোধিতার জিগির জাগিয়ে রেখেছে। যেসব পরিবেশবিদ ও নাগরিক গোষ্ঠী যারা অরুণাচলপ্রদেশে (India China Relation) এই বৃহৎ বাঁধগুলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করছে, তাঁরা চিনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা থেকে সমর্থন মায় আর্থিক সহায়তা পেয়েছে বলেও অনুমান।

    ড্রাগনের লক্ষ্য

    চিনের উদ্দেশ্য হল, তিব্বতি মালভূমি থেকে ভারতের দিকে প্রবাহিত হওয়া ইয়ারলুং ত্সাংপো নদীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা। কিন্তু অরুণাচলপ্রদেশে প্রস্তাবিত বৃহৎ বাঁধগুলো সেই অস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করে বেজিংয়ের কুটিল উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। তাই চিন নাগরিক গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশে বৃহৎ বাঁধগুলির বিরুদ্ধে (Arunachal Pradesh) বিরোধিতা উসকে দিচ্ছে (India China Relation)।

    শেষ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: ভারতের বাড়া ভাতে ছাই দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন!

    India China Relation: ভারতের বাড়া ভাতে ছাই দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন!

    মুখে মিষ্টতা। আর আস্তিনে লুকনো বাঘনখ! এভাবেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে চিন! অন্তত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা তেমনই। এভাবেই তারা ক্রমশ কবজা করতে চাইছে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ অরুণাচলপ্রদেশকে। আজ দ্বিতীয় কিস্তি…

     

    অরুণাচলপ্রদেশে ড্রাগনের থাবা-২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোক যখন রেস্তোরাঁ চালিয়ে সমাজের মূলস্রোতে ফেরার চেষ্টা করছেন এবং পুলিশও যথন তাঁর ওপর নজরদারি চালানো বন্ধ করে দিয়েছে, তখন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে নাগা গোষ্ঠীকে দায়িত্ব দিল চিন (India China Relation)। ঠিক এক বছর আগে এনএসসিএন-এর দুজন প্রবীণ কর্তা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে অনুমান (Arunachal Pradesh)। এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) দক্ষিণ-পূর্ব অরুণাচলপ্রদেশের তিরাপ, চাংলাং এবং লংডিং জেলাগুলোতে সক্রিয়। এই জেলাগুলি নাগাল্যান্ড লাগোয়া। আইবির এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ডোকের সঙ্গে যোগাযোগকারী এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর দুই কর্তা ছিলেন সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের দূত। তাঁদের দায়িত্ব ছিল ডোক নতুন একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী গঠন করতে আগ্রহী কিনা তা জেনে নেওয়া।

    চিনের জঙ্গি-যোগ! (India China Relation)

    এনএসসিএন-এর দুটি গোষ্ঠী— এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) এবং এনএসসিএন (ইসাক-মুইভাহ)। দুই গোষ্ঠীই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে চিনের সঙ্গে। অতীতে চিন নাগা গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয়, প্রশিক্ষণ এবং এমনকি অস্ত্র দিয়েও সাহায্য করেছিল। এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর প্রায় পুরো নেতৃত্ব এবং বেশিরভাগ সদস্য মায়ানমারের উত্তরের সাগাইং এবং পশ্চিমের কাচিন রাজ্যের শিবিরগুলোয় রয়েছে (India China Relation)। এসব এলাকা এখন কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স অর্গানাইজেশন (কেআইও)-এর নিয়ন্ত্রণে, যার সশস্ত্র শাখা কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি (কেআইএ) মায়ানমারের শাসক সেনাবাহিনীর কাছ থেকে কাচিনের বড় অংশ দখল করেছে। কেআইও-এর সঙ্গে চিনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। চিন তাদের অর্থায়ন করছে এবং কৌশলগত পরামর্শ দিচ্ছে। কেআইও চেয়ারম্যান জেনারেল এন’বান লা গত (Arunachal Pradesh) ডিসেম্বরের শুরুতে চিনে গিয়ে মায়ানমারের জাতিগত সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেছেন বলেও খবর।

    নয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী

    আইবির ধারণা, বেজিংয়ের ইঙ্গিতেই কেআইও এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর নেতৃত্বকে ডোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি নয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী গঠন করতে বলা হয়েছিল। ডোক প্রথমে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। কারণ তাঁর আগের গোষ্ঠী এনএলসিটিতে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তিনি জানতেন যে পর্যাপ্ত সম্পদ, অস্ত্র, এবং বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া একটি গোষ্ঠী টিকিয়ে রাখা শুধু মুশকিলই নয়, তাকে কার্যকর করাও অসম্ভব।

    ডোককে আশ্বাস চিনের

    ডোককে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে এবার অর্থ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব হবে না। এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর কর্তারা তাঁকে এও বলেছিলেন যে, তাঁর কাজ হবে কেবল লোকজন নিয়োগ করা। অর্থ, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয় সরবরাহ করবে তারা (India China Relation)। ডোককে সাহায্য করার জন্য এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর আরও দুই সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

    ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন! (প্রথম পর্ব)

    চিনের লোভনীয় প্রস্তাবে সাড়া

    চিনের এই লোভনীয় প্রস্তাব পেয়ে আর না করতে পারেননি ডোক। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন করে উদ্যোগী হন তিনি। এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) তাকে প্রাথমিকভাবে সাহায্য করে। ডোক কীভাবে সম্ভাব্য নিয়োগপ্রাপ্তদের চিহ্নিত করা, গোপনে যোগাযোগ করা এবং তাদের মনোভাব পরিবর্তন করে নিয়োগ করতে হয়, তা শিখে নেন।

    হাওয়ালা চ্যানেলের মাধ্যমে ফান্ডিং!

    গোয়েন্দারা জেনেছেন, নাগা গোষ্ঠীর সদস্যরা হাওয়ালা চ্যানেলের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ ডোকের কাছে পাঠায়। চার মাস পর ডোক ইটানগর ও আশপাশ এলাকার প্রায় আটজন যুবককে সংগঠনে নিয়োগ করতে সক্ষম হন। দরিদ্র পরিবারের এই আধা-শিক্ষিত বা স্কুলছুট যুবকদের ইটানগরের (Arunachal Pradesh) শহরতলির দুটি বাড়িতে রাখা হয় এবং তাদের মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

    ডোকের নয়া দল

    ওই বছরেরই অক্টোবরের গোড়ার দিকে, ডোক ২০ জন সদস্যের একটি দল গড়ে তোলেন। তাঁরা সকলেই লংডিং জেলায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা ভারত-মায়ানমারের অরক্ষিত সীমানা পেরিয়ে কাচিনে ঢোকে। কাচিনের একটি শিবিরে ডোক দেখা করেন এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর নেতৃত্বের সঙ্গে। কাচিনের এই শিবিরটি, যা চাংরাং হি এলাকায় অবস্থিত বলে মনে করা হচ্ছে, ইউটিএর অস্থায়ী সদর দফতর হয়ে উঠেছে। এই গোষ্ঠী ডোককে নেতা করে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছে (India China Relation)।

    চলছে প্রশিক্ষণ

    এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর সদস্যরা বর্তমানে ইউটিএ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। চিন কেআইএ এবং এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ)-এর মাধ্যমে ইউটিএ-কে অ্যাসল্ট রাইফেল, গ্রেনেড লঞ্চার এবং অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কয়েকদিন আগে ইউটিএ প্রধান ডোক একটি ছোট ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। তাতে তিনি দাবি করেছিলেন, যে এটি একটি ইউটিএ ক্যাম্প। ভিডিওতে একটি মাঝারি আকারের মিলিট্যান্ট ক্যাম্প দেখা যাচ্ছে, যা একটি পাতলা জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, প্রায় দু’ডজন রাইফেল, যেগুলো সবই চিনে তৈরি। ক্যাম্পে কিছু কর্মীকে ছদ্মবেশী পোশাক পরে থাকতেও দেখা গিয়েছে। রয়েছে কয়েকটি অস্থায়ী কাঠামোও। তবে সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা কর্তারা, যাঁরা ভিডিওটি দেখেছেন, তাঁরা জানান, ভিডিওতে দেখানো ক্যাম্পটি (Arunachal Pradesh) আসলে এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) এর, যেখানে ইউটিএ-র কর্মীরা সাময়িকভাবে থাকতে পারে (India China Relation)।

    কী বলছে সেনাবাহিনী?

    সেনাবাহিনীর ২ মাউন্টেন ডিভিশনের এক প্রবীণ কর্তা বলেন, “সর্বোচ্চ, ক্যাম্পের একটি-দুটি অস্থায়ী কাঠামো ইউটিএ কর্মীদের থাকার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ক্যাম্প, যা অন্তত কয়েক বছর আগে নির্মিত। ভিডিওয় যেসব উন্নতমানের অস্ত্রশস্ত্র দেখা যাচ্ছে, ইউটিএর কাছে তা নেই।” তাঁর মতে, ক্যাম্পটি অসমের ডিব্রুগড়ে অবস্থিত। আইবির এক কর্তা বলেন, “ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে ইউটিএ-কে প্রচারের আলোয় আনতে এবং নিজেদের একটি শক্তিশালী ও উন্নত অস্ত্রে সজ্জিত সশস্ত্র দল হিসেবে তুলে (Arunachal Pradesh) ধরতে। এর উদ্দেশ্য নতুন সদস্যদের আকর্ষণ করা এবং চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা (India China Relation)।

    চলবে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন!

    India China Relation: ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন!

    মুখে মিষ্টতা। আর আস্তিনে লুকনো বাঘনখ! এভাবেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে চিন! অন্তত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা তেমনই। জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরি করে জিইয়ে রাখতে চাইছে অশান্তি। এভাবেই তারা ক্রমশ কবজা করতে চাইছে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ অরুণাচলপ্রদেশকে। আজ  প্রথম কিস্তি…

                                                                                             অরুণাচলপ্রদেশে ড্রাগনের থাবা ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখে মিষ্টতা। আর আস্তিনে লুকনো বাঘনখ! এভাবেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে চিন (India China Relation)! অন্তত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা তেমনই। দুই দেশে শীর্ষ নেতৃত্ব যখন একের পর এক বৈঠক করে ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই অরুণাচলপ্রদেশে (Arunachal Pradesh) থাবা বসাচ্ছে ড্রাগনের দেশ! এক সময় চিন তাদের দেশের মানচিত্রে ঢুকিয়ে নিয়েছিল অরুণাচল প্রদেশের বেশ কিছু গ্রামকে।

    অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে চিন! (India China Relation)

    এবার উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে স্থায়ী অশান্তি জিইয়ে রাখতে নয়া উগ্রপন্থী সংগঠন সৃষ্টি করেছে বেজিং। নাম দেওয়া হয়েছে, ইউনাইটেড টানি আর্মি, সংক্ষেপে ইউটিএ। এই জঙ্গি সংগঠনের প্রধান উদ্দ্যেশ্যই হল হিমালয়ের কোলের রাজ্যে বিশেষত সিয়াং নদীতে নির্মীয়মান বৃহৎ বাঁধ প্রকল্পগুলিকে বাধা দেওয়া। এই সিয়াং নদী উৎপন্ন হয়েছে চিনের অধিকৃত তিব্বত  থেকে। বেজিংয়ের অভিপ্রায় শুধু ভারতের পরিকল্পিত ৫৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি পরিচ্ছন্ন শক্তি উৎপাদনের উদ্যোগ ব্যাহত করা নয়, বরং ভারতের সেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলিকেও নস্যাৎ করা যা চিনের সম্ভাব্য ‘জল যুদ্ধের’ বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য নেওয়া হচ্ছে।

    ইউটিএর জন্ম

    প্রথমে লুকিয়ে চুরিয়ে সংগঠন গড়েছে ইউটিএ। ২০২৪ সালের বড়দিনের প্রাক্কালে বিবৃতি জারি করে নিজেদের উপস্থিতি ঘোষণা করে এই জঙ্গি সংগঠন। ওই বিবৃতিতে সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রকল্প (এসইউএমপি)-সহ বৃহৎ বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতা করা হয়েছে। এসইউএমপি প্রকল্পটি ভারতের (India China Relation) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি চিনের যারলুং জ্যাংবো নদীতে নির্মীয়মান বৃহৎ জলবিদ্যুৎ এবং জল সংরক্ষণ প্রকল্পগুলির বিপদ রোধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ব্রহ্মপুত্র

    এই নদী মাউন্ট কৈলাসের কাছে চিন অধিকৃত তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বতী মালভূমি জুড়ে হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে। পরে নামচা বারোয়ার কাছে একটি গভীর বাঁক নিয়ে অরুণাচলপ্রদেশে (Arunachal Pradesh)  প্রবেশ করেছে। সেখানে এর নাম হয়েছে সিয়াং। সিয়াং নদী তারপর দিবাং এবং লোহিত নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে অসমে ব্রহ্মপুত্র নাম নিয়েছে। চিন যারলুং জ্যাংবো নদীতে যে বৃহৎ বাঁধ নির্মাণ করছে, (বিশেষত নদীর ঘুরন্ত অংশ নামচা বারোয়ার ঘোড়ার নালের বাঁক-এ বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণের সাম্প্রতিক ঘোষণা), তা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বিঘ্নিত করবে।

    চিনের ব্যয়

    চিনের এই মেগা প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুখা মরসুমে ভারতে জল সরবরাহ বন্ধ করে খরা সৃষ্টি করতে পারে চিন। আর ঠিক উল্টোটা হবে বর্ষাকালে। বিশাল পরিমাণে জল ছেড়ে বন্যা সৃষ্টি করতে পারে ভারতে। এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে এসইউএমপি, যা চিনের (India China Relation) সঙ্গে এমন ‘জল যুদ্ধ’ প্রতিরোধ করবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার পাশাপাশি সিয়াং নদীতে নির্মীয়মান বৃহৎ বাঁধ প্রকল্পগুলিকে বাধা দিতেই চিন জন্ম দিয়েছে ইউটিএর। অরুণাচল প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মামা নাটুং বলেন, “ইউটিএ (UTA) হল ন্যাশনাল লিবারেশন কাউন্সিল অব তানিল্যান্ড (NLCT)-এর নয়া রূপ। ২০১০ সালের শেষের দিকে অরুণাচল প্রদেশ পুলিশ নিষ্ক্রিয় করেছিল এনএলসিটিকে।”

    এনএলসিটি

    এনএলসিটি একটি (Arunachal Pradesh) ছোটো উগ্রপন্থী দল, যার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল খাপলাং-ইউং আউং গোষ্ঠীভুক্ত ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড (NSCN-KYA)-এর। তাদের অস্ত্রাগারে ছিল কিছু দেশীয় রাইফেল এবং কয়েকটি (India China Relation) পুরানো পিস্তল। ২০০৫ সালে গঠিত এনএলসিটিতে, এক ডজনের কিছু বেশি সদস্য ছিল। তানি জনগণের জন্য একটি পৃথক জাতি গড়ে তোলার যে দাবি তুলেছিল, তাকে সমর্থন করেনি স্থানীয় জনগণই। তানি জনগণ হলেন আদি, নিয়িশি, গালো, আপাতানি এবং তাগিন সম্প্রদায়ের মানুষ, যাঁরা অরুণাচল প্রদেশের কেন্দ্রীয় ও উত্তরাঞ্চলে বসবাস করেন। রাজ্যের জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশই হলেন এঁরা।

    আরও পড়ুন: ফের একবার ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    তোলা আদায়

    এই এনএলসিটি সাধারণত ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের কাছ থেকে তোলা আদায় করত। কয়েকটি অপহরণের ক্ষেত্রেও নাম জড়িয়েছিল এদের। তবে লাগাতার পুলিশি অভিযানের জেরে ২০১০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে দুরমুশ হয়ে যায় সংগঠনের কোমর। এনএলসিটি-র চেয়ারম্যান, অ্যান্থনি ডোক এবং বেশিরভাগ সদস্য হয় গ্রেফতার হয়েছিলেন, নয়তো নিজেরাই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। জেল খেটে বেরিয়ে ডোক অরুণাচলপ্রদেশের (Arunachal Pradesh) রাজধানী ইটানগরে একটি রেস্তোরাঁ খোলেন। পুলিশ কয়েক মাস ধরে তাঁর ওপর নজরদারি করেছিল। পরে যখন দেখা গেল ডোক সাধারণ জীবনযাপন করতে শুরু করেছেন, এবং সমাজের মূল স্রোতে ফিরতে প্রাণপণ চেষ্টা করছেন, তখন তাঁর ওপর নজরদারি বন্ধ করে দেয় পুলিশ (India China Relation)।

    চলবে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Strategic Infrastructures: চিনকে চাপে রাখতে তাওয়াংয়ে একাধিক কৌশলগত পরিকাঠামো নির্মাণ করছে ভারত

    Strategic Infrastructures: চিনকে চাপে রাখতে তাওয়াংয়ে একাধিক কৌশলগত পরিকাঠামো নির্মাণ করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে চোখ রাঙাচ্ছে চিন। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিভিন্ন অংশ নিজেদের বলে দাবিও করেছে বেজিং। এ সংক্রান্ত মানচিত্রও প্রকাশ করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। এবার চিনকে চাপে রাখতে কৌশলগত পরিকাঠামো (Strategic Infrastructures) নির্মাণ করছে ভারত। প্রোজেক্ট ভরতক-এর আওতায় চলছে সড়ক নির্মাণের কাজ। গুয়াহাটি, তাওয়াং এবং পশ্চিম কামেং এলাকায় হচ্ছে (India) সড়ক নির্মাণ। এই প্রকল্পের কাজ ঘুরে দেখলেন বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (BRO) ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রঘু শ্রীনিবাসন। ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই এলাকায় ঘুরে দেখেন কাজের অগ্রগতি।

    আপডেট দিলেন মহানির্দেশক (Strategic Infrastructures)

    গুয়াহাটিতে তাঁকে সম্পূর্ণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে আপডেট দেন বর্ডার রোডসের (পূর্ব) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (এডিজি) হরেন্দ্র কুমার। তাওয়াংয়ে এরিয়াল সমীক্ষার মাধ্যমে নেলিয়া, ধৌলা এবং হাতোঙ্গা এলাকার জিমিথাং সেক্টরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন ডিজি। লুংরো, দমটেং এবং ইয়াংসের সামনের এলাকাগুলিও পরিদর্শন করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা

    পরিদর্শনের পর অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রীনিবাসন। এলাকার ভবিষ্যৎ সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্প সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তাওয়াং অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। কথা বলেন স্থানীয় বিধায়ক এবং তাওয়াং জেলার ডেপুটি কমিশনারের সঙ্গেও। শ্রীনিবাসন সেলা টানেলের কাজকর্মও খতিয়ে দেখেন। সেখানে তাঁকে সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অ্যাকুইজিশন (SCADA) সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এটি রিয়েল-টাইম ডেটা মনিটরিংয়ের জন্য একটি কম্পিউটার-ভিত্তিক সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    তিনি সুরক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলির কার্যকারিতা এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রযুক্তিগত দিকগুলির বাস্তবায়ন নিয়েও পর্যালোচনা করেন (Strategic Infrastructures)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সেলা টানেলটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ বাই-লেন টানেল, যা গুয়াহাটি এবং তাওয়াংয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। টানেলের কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন শ্রীনিবাসন। প্রোজেক্ট ভরতক-এর সঙ্গে জড়িত দলের প্রশংসাও করেন তিনি। এঁরাই বছরভর তাওয়াং এবং অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করে।

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত সরকার ইন্দো-চিন সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন অরুণাচলপ্রদেশ (India) সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক নির্মাণ করছে। সেলা টানেলও এরই অংশ ((Strategic Infrastructures))।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Artillery Firing Range: চিনের নাকের ডগায় হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ গড়ল ভারত  

    Artillery Firing Range: চিনের নাকের ডগায় হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ গড়ল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের চোখরাঙানি উপেক্ষা করতে অরুণাচলপ্রদেশের (Arunachal Pradesh) দুর্গম পাহাড় ঘেরা অঞ্চলে তৈরি করা হল হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ (Artillery Firing Range)। সেনার আর্টিলারি রেজিমেন্টগুলো অনুশীলন করবে এখানে।

    সম্ভাব্য চিনা হামলা ঠেকানোর উদ্যোগ (Artillery Firing Range)

    অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সম্ভাব্য চিনা হামলা ঠেকাতে গত কয়েক বছর ধরেই সক্রিয় সেনা। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে একদিকে যেমন পার্বত্যযুদ্ধে পদাতিক ব্যাটেলিয়নগুলিকে নিয়ে কয়েক বছর আগেই গড়া হয়েছে মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর, তেমনি অন্যদিকে এই কোরের সেনারা যাতে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলেই অনুশীলন করতে পারে, তাই তাওয়াংয়ে নির্মাণ করা হল হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ।

    কী বলছেন সেনা কর্তা

    সেনার আর্টিলারি কোরের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আধোশ কুমার বলেন, “সেনাদের যুদ্ধের প্রকৃত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিতেই আমরা ওই ফায়ারিং রেঞ্জটি তৈরি করেছি। পরবর্তী সময়ে হিমালয়ের উচ্চ পার্বত্যক্ষেত্রে আরও দুটি নির্মাণ (Artillery Firing Range) করা হবে।” তিনি বলেন, “উত্তর সীমান্তে এই রেঞ্জ বাহিনীকে প্রকৃত অভিযানের অনুভূতি দেবে। সেনা সদস্য, বিশেষ করে অগ্নিবীরদের বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আর্টিলারি বাহিনী বড় আকারের সিমুলেটরের ব্যবস্থাও করেছে।”

    আধোশ কুমার বলেন, “ড্রাইভিং, অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও রেডিও টেলিফোনির মতো বিভিন্ন কাজের জন্য সিমুলেটর আনা হয়েছে।” তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমরা আর্টিলারি স্কুলে একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অবজারভেশন পোস্ট সিমুলেটরও চালু করেছি।” তিনি জানান, পিনাকা রকেটগুলোর পাল্লা প্রায় চারগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর কাজ চলছে। পাহাড়ি এলাকায় এর কার্যকারিতা পরীক্ষা চলছে। সেনাবাহিনীর হাই এক্সপ্লোসিভ প্রি-ফ্র্যাগমেন্টেড শেলগুলির পাল্লাও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    সোয়ার্ম ড্রোনের পাশাপাশি রানওয়ে ইনডিপেন্ডেন্ট রিমোট পাইলটেড এয়ারক্র্যাফ্ট সিস্টেমও সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কে-৯ বজ্র কামান, ধনুশ কামান, শারাং কামানগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গত দু বছরে অরুণাচল প্রদেশে দুটি ফায়ারিং রেঞ্জ চিহ্নিত করেছে সেনাবাহিনী। তাওয়াংয়ে একটি ফায়ারিং রেঞ্জ চালু হয়ে গিয়েছে। অন্যটির জন্য শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করা (Arunachal Pradesh) হবে। উত্তর সীমান্তে আরও দুটো রেঞ্জ (Artillery Firing Range) চিহ্নিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি ঝড়। দেশে তৃতীয়বার জয়ের পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশেও (Arunachal Pradesh CM) অটুট রইল বিজেপির ঘাটি। বৃহস্পতিবার দর্জি খান্ডু কনভেনশন হলে টানা তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন পেমা খান্ডু (Pema Khandu)। তাঁর সঙ্গেই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছে চওনা মেইন। পেমা এবং মেইনের পাশাপাশি এদিন রাজ্যপাল কেটি পরনায়েকের কাছে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির আরও ১০ জন বিধায়ক। শপথ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা সহ দলের সর্বভারতীয় নেতারা। 

    অরুণাচলে বিজেপি ঝড় (Arunachal Pradesh CM) 

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এ বার অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। ৬০ সদস্যের বিধানসভায় ৪৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। উল্লেখ্য, ভোটের আগেই পেমা সহ বিধানসভার ১০ জন বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিলেন। বাকি যে ৫০টি আসনে ভোট হয়েছিল তার মধ্যে ৩৬টিতে জিতে ৪৬-এ পৌঁছে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী পেমার (Pema Khandu) নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন বিজেপি। 

    আরও পড়ুন: চিঠিতে হাতের লেখা কার? রহস্য উন্মোচনে বালুর হস্তাক্ষরের নমুনা চায় ইডি

    পেমা খান্ডুর মন্তব্য (Pema Khandu)

    বুধবার এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পেমা খান্ডুকে বিজেপির আইনসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি বলেন, “আমার প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য আমি আমাদের সহ বিজেপি বিধায়কদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আমাদের সাংসদ, দলের নেতা এবং কর্মীদেরও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছি, দিনরাত কাজ করে ভোটে জয়লাভ নিশ্চিত করার জন্য।” এছাড়াও পেমা এদিন আরও বলেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নমুখী শাসনের আরেকটি মেয়াদে বিজেপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 
    প্রসঙ্গত, ২০১৪-র বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচলে কংগ্রেস সরকার (Arunachal Pradesh CM) গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পেমা (Pema Khandu) অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯-এর ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছিল পদ্মশিবির। সেই সফলতাকে সঙ্গে নিয়েই এবারও জয়ী হল বিজেপি।  কংগ্রেস, এনপিপির মতো বিরোধী দলগুলি থাকলেও অরুণাচলে বিজেপি নিজের ঘাটি ধরে রেখেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: চিনকে ‘শিক্ষা’ দিতে তিব্বতের ৩০ জায়গার নাম বদল করছে মোদি সরকার!

    PM Modi: চিনকে ‘শিক্ষা’ দিতে তিব্বতের ৩০ জায়গার নাম বদল করছে মোদি সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচলপ্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং থাকবেও। বিশ্ব দরবারে বারংবার একথা বলে এসেছে ভারত। তার পরেও ভারতের এই অঙ্গরাজ্যের বেশ কিছু জায়গার নাম পরিবর্তন করে দিয়েছে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার। কেবল তা-ই নয়, সে দেশের মানচিত্রেও দেখানো হয়েছে অরুণাচলপ্রদেশের ওই অঞ্চলগুলিকে। চিনের এই ‘আগ্রাসনে’র প্রতিবাদ করেছে ভারত। তার পরেও অব্যাহত লালফৌজের আগ্রাসন।

    ‘মধুর’ প্রতিশোধ (PM Modi)

    এবার তাই ‘মধুর’ প্রতিশোধ নিতে চাইছে তৃতীয় মোদি সরকার (PM Modi)। জানা গিয়েছে, চিনের তিব্বতের স্বশাসিত কয়েকটি জায়গার নাম বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। যে অঞ্চলটির নাম বদলাতে চাইছে নয়াদিল্লি, সেই অঞ্চলটিকে চিন চেনে জাংনান বা দক্ষিণ তিব্বত নামে। এই অঞ্চলেরই বেশ কয়েকটি জায়গার নাম বদল করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে টিম-মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে, নাম বদলের এই বিষয়টি দেখছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘তথ্য যুদ্ধ বিভাগ’। এর পাশাপাশি অরুণাচলপ্রদেশের যে জায়গাগুলির নাম বদলে দিয়েছে চিন, তা যে অবৈধ, ওই অঞ্চলগুলি যে ভারতেরই, তার সমর্থনে এশিয়াটিক সোস্যাইটির মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক প্রমাণ জোগাড় করছে তারা।

    নামকরণ হবে ভারতীয় নামে

    তিব্বতের তিরিশটিরও বেশি জায়গার একটি তালিকা তৈরি করেছে সেনাবাহিনীর তথ্য যুদ্ধ বিভাগ। প্রাচীনকালে এই জায়গাগুলির ভারতীয় ভাষায় যে নাম ছিল, ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে তা খুঁজে বের করা হয়েছে। সেই নামেই নামকরণ হবে তিব্বতের এই জায়গাগুলির। পরিবর্তিত সেই জায়গাগুলির নামের তালিকাও প্রকাশ করবে ভারত। বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক প্রচার মঞ্চেও তুলে ধরার উদ্যোগ নিচ্ছে মোদি সরকার। প্রাক্তন ইনটেলিজেন্স ব্যুরো অফিসার বেণু ঘোষ বলেন, “তাঁর স্ট্রংম্যান ইমেজের শক্তিতেই এবারের নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই তাঁর ওই স্ট্রংম্যান ইমেজ ধরে রাখতে তিনি যে তিব্বতের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলে দেবেন, সেটা খুব স্বাভাবিক।”

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চিন জোর করে তিব্বত দখলের পর বেজিংয়ের ওপর ব্যাপক ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। প্রতিবাদস্বরূপ, দলাই লামাকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছে কেন্দ্র। কূটনৈতিক মহলের মতে, এবার চিনের দখল করা তিব্বতের বিভিন্ন অংশের নাম বদলে ড্রাগনের দেশকে জোর ধাক্কা দিতে চাইছে মোদির ভারত (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pema Khandu: “মোদির ওপরই ভরসা রেখেছেন অরুণাচলবাসী”, বিপুল জয়ের পর বলছেন খাণ্ডু

    Pema Khandu: “মোদির ওপরই ভরসা রেখেছেন অরুণাচলবাসী”, বিপুল জয়ের পর বলছেন খাণ্ডু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই সীমান্ত রাজ্যের বাসিন্দারা যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপরই আস্থা রেখেছেন, এই নির্বাচনের ফলই তার প্রমাণ।” ফের একবার সিকিম-বিজয় শেষে কথাগুলি বললেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডু (Pema Khandu)। অরুণাচল বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬০। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১০টি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। এই দশজন বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ছিলেন প্রেমা স্বয়ংও। এদিন গণনা শেষে দেখা যায় গেরুয়া ঝুলিতে এসেছে আরও ৩৪টি আসন। সব মিলিয়ে এ রাজ্যের বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা দাঁড়াল ৪৪টি।

    কী বললেন খাণ্ডু?(Pema Khandu)

    ঘটনাচক্রে প্রেমার (Pema Khandu) বয়সও ৪৪। তিনিই দেশের কনিষ্ঠতম মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেসকে ‘ক্ষয়প্রাপ্ত শক্তি’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। খাণ্ডু বলেন, “অরুণাচল প্রদেশে কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে সরকার চালিয়েছে। সরকারকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়ে ফেলেছিল ওরা।” তিনি বলেন, “কংগ্রেসের তৎকালীন নেতারা ধাক্কা না খেলে কোনও কাজ করতেন না। রাজ্যকে সুশাসন দিয়েছে বিজেপি।” অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভার ভোট। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই হয়েছে এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও। সেই নির্বাচনের ফলই ঘোষণা হল এদিন।

    সুশাসন দিয়েছে বিজেপি

    তিনি বলেন, “উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলই বলে দিচ্ছে ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল কী হবে। অনেক এক্সিট পোলের সমীক্ষা বলছে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি পরিকাঠামো, রাস্তা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে কংগ্রেস জিতেছিল চারটি আসনে। এবার তাদের দখলে এসেছে একটি আসন।”

    আর পড়ুন: কুর্সিতে ফিরছে বিজেপি-ই, রবিবার টানা সাতটি বৈঠকে যোগ প্রধানমন্ত্রীর

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন হয়েছে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার ভোট হয়েছে পয়লা জুন। ফল বের হবে ৪ জুন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই যে ফের বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, তার ইঙ্গিত মিলেছে বিভিন্ন এক্সিট পোলের সমীক্ষায়। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার দাবি বিজেপি পেতে পারে ৩৬১-৪০১টি আসন। নিউজ ২৪-টুডেজ চানক্যের দাবি বিজেপি পেতে পারে ৪০০ আসন। এবিপি নিউজ-সি ভোটারের সমীক্ষায় দাবি ৩৫৩-৩৮৩ আসন। রিপাবলিক ভারত-পি মার্গের সমীক্ষায় প্রকাশ, গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ৩৫৯টি আসন। ইন্ডিয়া নিউজ-ডি-ডাইনামিক্সের সমীক্ষাও জানিয়েছে ৩৭১টি আসন পেতে পারে কেন্দ্রের শাসক দল (Pema Khandu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election Results 2024: অরুণাচলে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিজেপির, রাজ্যের মানুষকে ধন্যবাদ মোদির

    Assembly Election Results 2024: অরুণাচলে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিজেপির, রাজ্যের মানুষকে ধন্যবাদ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Assembly Election Results 2024) নিয়ে ফের একবার সরকার গড়তে চলেছে প্রেমা খান্ডুর নেতৃত্বাধীন বিজেপি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৬টি আসনে ইতিমধ্যে জিতে গিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেখানকার এনপিপি নামের আঞ্চলিক দলটি পেতে চলেছে পাঁচটি আসন। উত্তরপূর্ব ভারতে দলের এমন ফলাফলে সেখানকার রাজ্যের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সিকিমের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সেখানকার বিধানসভায় ৩২টি আসনের মধ্যে ৩১টি দখল করেছে শাসকদল এসকেএম। অভাবনীয় এই ফলাফল বিগত পাঁচ বছরে তাঁদের কাজের জয় বলে জানিয়েছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং।

    মোদির ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়েছেন অরুণাচলের জনগণকে। তিনি লেখেন, উন্নয়নের রাজনীতির পক্ষেই রায় দিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ।

    সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী জয়ী, ক্ষমতায় এসকেএম

    সিকিমের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election Results 2024) মুখ্যমন্ত্রীর আসনের ফলাফল প্রকাশিত হয় আজকেই দুপুর ১২টা নাগাদ। তখনই প্রেম সিং তামাংকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রসঙ্গত প্রেম সিং তামাং রেনকা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন এবং ৭০৪৪ ভোটে জিতেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share