Tag: Arunachal Pradesh

Arunachal Pradesh

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বাঁধবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে তাণ্ডব, আগুনে পুড়ল জলবিদ্যুৎ সংস্থার দফতর-থানা

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বাঁধবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে তাণ্ডব, আগুনে পুড়ল জলবিদ্যুৎ সংস্থার দফতর-থানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাপক হিংসা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জেরে উত্তপ্ত অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) পূর্ব সিয়াং জেলার পাসিঘাট এলাকা। প্রস্তাবিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে। উত্তেজিত জনতার হামলায় জাতীয় জলবিদ্যুৎ নিগমের একটি দফতর, স্থানীয় থানার ভবন এবং পুলিশের সাতটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে একাধিক পুলিশকর্মী জখম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে হয় পুলিশকে (Mob Attacks)।

    প্রস্তাবিত সিয়াং উচ্চ বহুমুখী প্রকল্পের বিরোধিতায় ১২ ঘণ্টার বন্‌ধকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত। সিয়াং, পূর্ব সিয়াং ও উচ্চ সিয়াং—এই তিন জেলায় বন্‌ধের প্রভাব পড়ে। একাধিক এলাকায় দোকানপাট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জনজীবন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশকে বাড়ির ভিতরেই থাকতে হয়।

    প্রশাসনের দাবি, বন্‌ধের নামে বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করে। পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় এবং নিরাপত্তারক্ষীদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। তার পরেও অশান্তি থামেনি। রণগড় মোড়ে পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পাসিঘাটের থানা ও জলবিদ্যুৎ নিগমের দফতরেও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

    রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতেও হামলা (Arunachal Pradesh)

    হিংসার সময় একাধিক রাজনৈতিক নেতার বাড়ি এবং আবাসনেও হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি বিধায়ক নিনং এরিং, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির বিধায়ক ওনি প্যানিয়াং এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি কলিং মোয়ং।

    সিয়াং জেলার পুলিশ সুপার কামদাম শিখোমের বক্তব্য, উচ্চ সিয়াং জেলার গেকু ও কোমকার এলাকা থেকে ১৫০ থেকে ২০০ জনের একটি দল ডিতে-ডিমে এলাকায় জড়ো হয়েছিল। তারা সিয়াং জেলায় ঢোকার চেষ্টা করে। ওই দলের সদস্যদের হাতে ছিল দা, লাঠি, গুলতি-সহ বিভিন্ন সামগ্রী। তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙা, নিরাপত্তাকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং জেলাশাসকের জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার পূর্ব সিয়াংয়ের জেলাশাসক জয়ন্তী পার্টিন বন্‌ধ অবৈধ ঘোষণা করেন। শুক্রবার বন্‌ধ শেষ হওয়ার পরেও পাসিঘাটের বিভিন্ন এলাকায় একদল লোক জোর করে বন্‌ধ কার্যকর করার চেষ্টা করেন। তার জেরেই পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    কেন প্রকল্পের বিরোধিতা?

    সিয়াং উচ্চ বহুমুখী প্রকল্পের বিরোধিতায় স্থানীয় কয়েকটি সংগঠন ও বিক্ষোভকারী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালাচ্ছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, প্রকল্পের বিরোধিতায় আগের আন্দোলনের সময় গ্রেফতার হওয়া ১০ জনকে মুক্তি দিতে হবে, সিয়াং অঞ্চল থেকে নিরাপত্তাবাহিনী প্রত্যাহার করতে হবে এবং প্রকল্পের প্রাক্‌সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

    এই দাবিগুলিকে সামনে রেখে তিন জেলায় বন্‌ধের ডাক দেওয়া হয়। গেকু যুব সংগঠন এবং জন অধিকার সংগঠনের সিয়াং শাখা এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে বলে খবর।

    বিক্ষোভের কয়েকটি কর্মসূচিতে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পরিচয় সামনে আনা হয়। পাসিঘাট-রানাঘাট সড়কে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ থেকে ‘আজাদি’ স্লোগান-সহ একাধিক আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে স্লোগানগুলির প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

    চিনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতির আবহে প্রকল্পের গুরুত্ব

    অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) প্রস্তাবিত এই প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্ক এমন সময়ে বাড়ল, যখন ভারত-চিন সীমান্তে নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় চিনের পরিকাঠামো নির্মাণের মোকাবিলায় ভারতও সড়ক, যোগাযোগ ও অন্যান্য কৌশলগত পরিকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।

    সিয়াং উচ্চ বহুমুখী প্রকল্পকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। চিনের দিক থেকে ইয়ারলুং সাংপো নদীর উজানে জল নিয়ন্ত্রণ ও পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় ভারতের জলনিরাপত্তা জোরদার করাও এই প্রকল্পের অন্যতম কৌশলগত উদ্দেশ্য।

    সিয়াং উচ্চ বহুমুখী প্রকল্প

    সিয়াং উচ্চ বহুমুখী প্রকল্প অরুণাচল প্রদেশের উচ্চ সিয়াং জেলায় সিয়াং নদীর উপর প্রস্তাবিত ১১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৃহৎ জলবিদ্যুৎ ও পরিকাঠামো প্রকল্প। জাতীয় জলবিদ্যুৎ নিগমের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির অন্যতম হয়ে উঠতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ জল সংরক্ষণের ক্ষমতা বর্ষাকালে নদীর জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে অরুণাচল প্রদেশ ও অসমের ভাটির এলাকায় বন্যার ঝুঁকি কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া, উজানে চিনের বাঁধ থেকে হঠাৎ জল ছাড়া বা আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হলে জলাধারটি জলপ্রবাহের প্রভাব সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে প্রকল্পের পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Mob Attacks)।

    প্রকল্পটির সমর্থকদের মতে, এটি অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান এবং স্বনিযুক্তির সুযোগ বাড়াতে পারে। তবে প্রকল্পের বিরোধীদের দাবি, তাঁদের উদ্বেগ ও দাবিগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সমীক্ষা ও উন্নয়নের কাজ বন্ধ রাখা উচিত।

    বিক্ষোভ ঘিরে হিংসা, সরকারি সম্পত্তিতে (Arunachal Pradesh) অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়েছে। প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশাসন, স্থানীয় বাসিন্দা ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনার পথ কতটা প্রশস্ত হয়, এখন সেটাই দেখার।

     

  • ITBP: ড্রোন প্রযুক্তিতে চিনের মোকাবিলা করা সম্ভব, জানালেন আইটিবিপি প্রধান

    ITBP: ড্রোন প্রযুক্তিতে চিনের মোকাবিলা করা সম্ভব, জানালেন আইটিবিপি প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের সঙ্গে প্রচলিত পদ্ধতিতে যুদ্ধে লড়াই করা ভারতের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হলেও, আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং চালকবিহীন ড্রোনের সাহায্যে সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলাও করা সম্ভব। এমনই মন্তব্য করলেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (ITBP) ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর। অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal) ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের পরিস্থিতিতে আইটিবিপির শৌর্য প্লাটুনের ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর দাবি, চিনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ রুখতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এই বিশেষ বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির ৬৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাহিনীর জওয়ানদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন মহাপরিচালক। ২৪ অক্টোবর বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস।

    শৌর্য প্লাটুনের কমান্ডোদের অসাধারণ দক্ষতা (ITBP)

    অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে অরুণাচল প্রদেশে সাম্প্রতিক মুখোমুখি সংঘাতের সময় শৌর্য প্লাটুনের কমান্ডোরা অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। চিনের মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি জোরদার করার কথা জানিয়ে শত্রুজিৎ বলেন, আইটিবিপির সমস্ত সদস্যকে বিশেষ আঘাত হানা ও প্রতিরোধমূলক অভিযানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের শেষের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গালওয়ানের মতো পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য সীমান্তের সামনের সারির সমস্ত চৌকিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। ডিজি আরও জানান, উচ্চ পার্বত্য সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের সীমান্ত রক্ষার জন্য আইটিবিপি ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে। প্রচলিত গেরিলা যুদ্ধকৌশলে আইটিবিপির বিশেষ দক্ষতার উল্লেখ করে তিনি বাহিনীকে দেশের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    ড্রোন প্রযুক্তিতে বড় শক্তিকেও চ্যালেঞ্জ

    চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ জানান, অরুণাচল প্রদেশে ভারত-চিন সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত। তাঁর বক্তব্য, সামরিক শক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কারণে চিনের বিরুদ্ধে প্রচলিত যুদ্ধপদ্ধতিতে লড়াই করা কঠিন। তবে আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, বিশেষত চালকবিহীন ড্রোনের ব্যবহার এই সমীকরণ বদলে দিতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের যুদ্ধের উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্যে ইউক্রেনের মতো দেশও রাশিয়ার মতো সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্রকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পেরেছে। কাপুরের কথায়, “প্রচলিত পদ্ধতিতে চিনের মোকাবিলা করা এখন কঠিন হবে। চিন তার সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণে বিপুল বিনিয়োগ করেছে এবং অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু ড্রোনের সাহায্যে ছোট দেশও বড় দেশকে লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইরান-আমেরিকার সংঘাতেও আমরা তার উদাহরণ দেখেছি।” ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়লেও, একই সঙ্গে জওয়ান ও সামরিক পরিকাঠামোকে ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে জানান আইটিবিপি প্রধান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় সীমান্তের সামনের সারির কয়েকটি চৌকিতে মাটির নীচে সুরক্ষিত আশ্রয়স্থল তৈরি করেছে বাহিনী। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বাহিনীর প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ। নতুন ধরনের হুমকির মোকাবিলায় সরঞ্জাম, পরিকাঠামো এবং অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও উন্নত করা হচ্ছে (ITBP)।

    ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা

    ২০৩০ সালের মধ্যে বাহিনীর জন্য আরও বেশি আর্থিক বরাদ্দের প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন শত্রুজিৎ কাপুর। তাঁর বক্তব্য, ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আইটিবিপি নির্দিষ্টভাবে ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে (Arunachal)। আধুনিকীকরণ পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাহিনীর চলাচলের সক্ষমতা এবং উন্নত সরঞ্জাম সংগ্রহের উপর। এর মধ্যে রয়েছে দুর্গম ভূখণ্ডে চলাচলে সক্ষম যান, স্বয়ংক্রিয় স্থলযান, দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল যান এবং আধুনিক গোলাবারুদ সংগ্রহ। সীমান্তে পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাহিনীর সামরিক প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোই এই পরিকল্পনার মূল (ITBP) লক্ষ্য।

     

  • Ajit Doval: সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে দিল্লির বার্তা পৌঁছে দিতে বেজিং গেলেন অজিত ডোভাল

    Ajit Doval: সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে দিল্লির বার্তা পৌঁছে দিতে বেজিং গেলেন অজিত ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) সম্ভাব্য ভারত সফরের আগেই সোমবার বেজিং গিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চলা ভারত-চিন সীমান্ত বিরোধের অবসানে ২০০৩ সালে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থার অধীনে এটি হবে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের ২৫তম বৈঠক। ভারত ও চিনের মধ্যে ৩,৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ।

    জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ভারত সফরের ঠিক আগে ডোভালের বেজিং সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ভারত বা চিন—কোনও পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শি-র সফরের কথা ঘোষণা করেনি, সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্টের। সে ক্ষেত্রে সাত বছর পর প্রথম বার ভারতে আসবেন শি। গত বছর তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল তাঁর।

    অরুণাচলে ভারত-চিন সেনার মুখোমুখি অবস্থান (Ajit Doval)

    চিনের বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে সীমান্ত বৈঠকের জন্য ডোভালের এই সফরের মধ্যেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অরুণাচল প্রদেশে ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে সাম্প্রতিক মুখোমুখি অবস্থানের খবর সামনে এসেছে। চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির তথাকথিত অনুপ্রবেশের মাত্রা নিয়ে এখনও প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ফের একবার স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, সীমান্তের পরিস্থিতিই সামগ্রিক ভারত-চিন সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ করবে।

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমার মনে হয়, ২০২০ সালের গ্রীষ্ম থেকে ২০২৪ সালের শরৎ কাল পর্যন্ত আমরা অত্যন্ত খারাপ একটি সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। এর প্রধান কারণ ছিল সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি।” লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক অচলাবস্থার প্রসঙ্গেই এই মন্তব্য করেন তিনি। ওই সংঘাতের জেরে গত ছ’দশকের মধ্যে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

    সীমান্তে কি মিলবে সমাধানের পথ?

    ২০২৪ সালের অক্টোবরে লাদাখে সামরিক মুখোমুখি অবস্থানের অবসান ঘটাতে দুই দেশ সম্মত হওয়ার পর রাশিয়ায় জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই বৈঠকে দুই নেতা স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ মেটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ করার বিষয়ে একমত হন।

    এর পর ভারত ও চিনের মধ্যে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা ফের চালু করা, চিনা নাগরিকদের জন্য ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা এবং সরাসরি বিমান পরিষেবা পুনরায় চালুর মতো একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে এখনও চোখে পড়ার মতো কোনও অগ্রগতি হয়নি।

    ডোভালের বেজিং সফরে যদি সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়, তা হলে আগামী মাসে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পথ আরও মসৃণ হতে পারে।

    বৈঠকের আলোচনায় কী থাকবে?

    বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকে মূলত দু’টি বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। প্রথমত, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পূর্ব লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা। দ্বিতীয়ত, সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা খুঁজে বের করা (Ajit Doval)।

    গত ৬ অগাস্ট নয়াদিল্লিতে ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক কর্মব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ ও সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ভারতের বিবৃতি অনুযায়ী, বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের আগের বৈঠকের পর দুই দেশ সীমান্তের সীমানা নির্ধারণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সীমান্ত-পারাপার সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে।

    ডোভালের আসন্ন বেজিং সফরে সেই আলোচনাই আরও (Xi Jinping) এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা, উত্তেজনা কমানো এবং ভারত-চিন সম্পর্ককে স্বাভাবিক পথে ফেরানোর বিষয়ে দু’দেশের অবস্থান কতটা কাছাকাছি আসে, সেটাই দেখার (Ajit Doval)।

  • Arunachal Pradesh Map Update: অরুণাচল নিয়ে বড় পদক্ষেপ ভারতের! ২৭টি জায়গাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্রে জুড়ল মোদি সরকার

    Arunachal Pradesh Map Update: অরুণাচল নিয়ে বড় পদক্ষেপ ভারতের! ২৭টি জায়গাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্রে জুড়ল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh Map Update) বিভিন্ন এলাকার নাম বারবার বদলে দেওয়ার চিনা (India China) প্রচেষ্টার পাল্টা জবাব দিল ভারত। গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও মানচিত্র-সংক্রান্ত পদক্ষেপ হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকার অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানকে ভারতের মানচিত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছে। শুক্রবার অরুণাচল সরকারের সঙ্গে সরাসরি পরামর্শ করে, সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার মানচিত্রগুলিতে এই ২৭টি স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করে মানচিত্রে যোগ করা হয়েছে। এই পদ্ধতিগত নামকরণ প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হল, ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত বরাবর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলগুলোর সঠিক ভৌগোলিক স্বীকৃতিকে উৎসাহিত করা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে জোরদার করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই ২৭টি স্থানের মধ্যে ২১টি স্থলভাগ, ৪টি গিরিপথ, ১টি হ্রদ এবং ১টি স্মৃতিসৌধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অরুণাচল প্রদেশের মানচিত্রে স্থানগুলিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্য হল সেগুলিকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।”

    চিনকে জবাব ভারতের

    অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন করে দেওয়ার চিনা পদক্ষেপকে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাখ্যান করে আসছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের নামকরণ “অর্থহীন ও হাস্যকর” এবং এর মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশের ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ার বাস্তবতা বদলানো সম্ভব নয়। ভারতের অবস্থান স্পষ্ট—অরুণাচল প্রদেশ “ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ থাকবে।” অরুণাচল প্রদেশের ভারতীয় ভূখণ্ডের জন্য চিনের দেওয়া নামকে বরাবরই “কাল্পনিক” ও “ভিত্তিহীন” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের বক্তব্য, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বয়ান তৈরি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি বদলানো যাবে না। বরং এই ধরনের পদক্ষেপ ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। চিন ২০১৭ সালে অরুণাচল প্রদেশের ছয়টি স্থানের জন্য তথাকথিত ‘মানক’ নামের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছিল। এরপর ২০২১ সালে আরও ১৫টি স্থানের নাম প্রকাশ করা হয়। ২০২৩ সালে আরও ১১টি স্থানের নামের তালিকা প্রকাশ করে বেজিং। চিন অরুণাচল প্রদেশকে ‘জাংনান’ (Zangnan) নামে অভিহিত করে। তবে ভারত বারবার স্পষ্ট করেছে, নাম পরিবর্তন করে কোনওভাবেই অরুণাচল প্রদেশের ভারতের অংশ হওয়ার ঐতিহাসিক ও বাস্তব সত্যকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

    সার্বভৌম মানচিত্রকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা

    সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সরকারি মানচিত্রে এই স্থানগুলির আনুষ্ঠানিক নামকরণ, বহুদিন ধরে ঘটে চলা আঞ্চলিক নামকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের কড়া জবাব। জাতীয় মানচিত্রের মধ্যে আদিবাসী, ঐতিহাসিক এবং কৌশলগত নামগুলিকে আইনি স্বীকৃতির মাধ্যমে নয়াদিল্লি তার সার্বভৌম মানচিত্রকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করল। এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষামূলক উপকরণ, সরকারি নথি, জনযোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্র সংক্রান্ত তথ্যে সরকারি ভারতীয় নামকরণই উল্লেখিত হবে।

    কোন কোন জায়গা চিহ্নিত

    সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত ২৭টি স্থানের মধ্যে রয়েছে লং জু (Long Ju)। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC)-এর কাছে অবস্থিত এই এলাকা ১৯৫৯ সালে ভারত-চিন উত্তেজনার অন্যতম প্রাথমিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। ওই সময় চিনা বাহিনী সেখানে প্রবেশ করেছিল। উপরের সুবনসিরি জেলার লং জু-এর কাছে অবস্থিত মাজা (Maja) গ্রামকেও সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিসা (Bisa) গ্রাম এবং বেশ কয়েকটি উচ্চ পার্বত্য গিরিপথ—জো লা (Dzo La), রিজা লা (Riza La) এবং পুকুর লা (Pukur La)। সরকারি মানচিত্রে স্থান পেয়েছে উচ্চ পার্বত্য হ্রদ সাম্ভো সরোবর (Sambho Sarovar), পূর্ব অরুণাচল প্রদেশের বড়া কুন্ডুন ও ছোট কুন্ডুন, পাশাপাশি ধানবাড়ি, প্রীতনগর, তেরিতনগর, রামনগর এবং জশবন্ত গড়।

    ১৯৬২ সালে ভারত-চিনের সংঘাতের জায়গার নামও ম্যাপে

    একইভাবে তাওয়াং জেলার নামকা চু উপত্যকার টেগ লা’ও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মানচিত্রে। ১৯৬২ সালে ভারত এবং চিনের যুদ্ধের শুরুটা প্রথম যে জায়গাগুলিতে শুরু হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল থাগ লা (Thag La)। আবার পূর্ব সীমান্তের গেটওয়ে হিসেবে পরিচিত জয়রামপুর, বৈশাখী, যশবন্ত গড়ের (১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধে শহিদ জওয়ান যশবন্ত সিং রাওয়াতের মেমোরিয়াল) মতো জায়গাকে মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে জয়রামপুর (Jairampur)-ও। চাংলাং জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস কেন্দ্রটি পূর্ব অরুণাচল এবং মায়ানমার সীমান্তের দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পূর্ব সীমান্ত অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবেও এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

    কৌশলগত ও ভৌগোলিক গুরুত্ব

    জশবন্ত গড়ে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে শহিদ ভারতীয় সেনা জওয়ান জশবন্ত সিং রাওয়াতের স্মৃতিসৌধ রয়েছে। তাওয়াং যাওয়ার পথে অবস্থিত এই স্মৃতিসৌধটি ভারতীয় সেনার বীরত্বের অন্যতম প্রতীক। ২৭টি স্থানের তালিকায় আরও রয়েছে সাগর, পদ্মা, জ্যোতিনগর ও বৈশাখী গ্রামের নাম। পাশাপাশি ১৯৬২ সালের যুদ্ধের বীর ত্রিলোক সিং থাপা-র স্মৃতিতে নির্মিত শের-এ-থাপা মেমোরিয়াল-কেও সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ছোট রোপুক, বড়া রোপুক, শিবাজি নগর, সুনপুরা, কামলাং নগর এবং বুদ্ধমন্দির-ও। কামলাং অভয়ারণ্যের কাছে অবস্থিত কামলাং নগরেরও কৌশলগত ও ভৌগোলিক গুরুত্ব রয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের তিনটি দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। উত্তরে ও উত্তর-পূর্বে তিব্বতের মধ্য দিয়ে চীন, পশ্চিমে ভুটান এবং পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমার। তাই এই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গার নামকরণ করে আন্তর্জাতিক স্তরেও বার্তা দিল ভারত।

  • Assam Floods: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮, বানের জলে ভাসল হাজার হাজার পশু, জলমগ্ন ৫৫১ গ্রাম

    Assam Floods: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮, বানের জলে ভাসল হাজার হাজার পশু, জলমগ্ন ৫৫১ গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮-এ পৌঁছল।  বুধবার শিবসাগর ও গোলাঘাট জেলায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে রাজ্যের সাতটি জেলায় এখনও পর্যন্ত বন্যায় (Assam Floods) ক্ষতিগ্রস্ত তিন লাখেরও বেশি মানুষ। সর্বশেষ সরকারি বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে (Rain Alert)। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নতুন করে মৃতদের মধ্যে দু’জন শিবসাগরের এবং একজন গোলাঘাটের বাসিন্দা। এর ফলে চলতি বছরে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, শিবসাগর, চরাইদেও, গোলাঘাট, যোরহাট, নগাঁও, বিশ্বনাথ এবং কামরূপ মহানগর—এই সাত জেলায় মোট ৩,০০,০৩১ জন এখনও বন্যার কবলে রয়েছেন।

    বন্যার কবলে (Assam Floods)

    বন্যার জলে এখনও ২১টি রাজস্ব চক্র এবং ৫৫১টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। ২১,৫২৩.০৮ হেক্টর কৃষিজমি জলের তলায়। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ চরাইদেও জেলায়—১,৩৭,৫৬১ জন। এরপর রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৮৪,৬০০, এবং যোরহাটে ৪৯,৯১১ জন। মঙ্গলবার ছ’টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৩.৩২ লাখ। ফলে বুধবার আরও একটি জেলা বন্যার কবলে এলেও, সামগ্রিক পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ঘরছাড়া ১৬,৫০০-রও বেশি মানুষ ৭১টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। আরও ৭২,০০০-এরও বেশি মানুষকে ৩০টি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চিকিৎসা ও পশুচিকিৎসা দল এবং একাধিক উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বন্যায় বাঁধ, রাস্তা, বাড়িঘর, স্কুল-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো এবং সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ১১,০০০-এরও বেশি পশু বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে, আরও প্রায় ১৭,০০০ গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর জল উপচে পড়ার পাশাপাশি কামরূপ মহানগর জেলায়ও বন্যা অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বুলেটিন অনুযায়ী, কামরূপ মহানগরের তিনটি রাজস্ব চক্র এবং ১০টি এলাকা বা ওয়ার্ড এখনও ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে পদুমবাড়ি, বোরাগাঁও, এক্সেলকেয়ার হাসপাতাল এলাকা, লাচিত নগর, চিড়িয়াখানা রোড, রুক্মিণীগাঁও, অনিল নগর, নবীন নগর, সাতগাঁও, বেহারবাড়ি, হাতিগাঁও, ওয়্যারলেস, জোরাবাট এবং জুবিন ক্ষেত্রের কাছে কামারকুচি। তবে সরকারি বুলেটিনে বলা হয়েছে, বন্যার কারণে শহরে কোনও জনসংখ্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, তার পরিসংখ্যান মেলেনি।

    হিমন্ত-অমিত কথা

    বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে কথা বলে বন্যা (Assam Floods) পরিস্থিতি এবং ত্রাণকার্যের বিষয়ে আলোচনা করেন। সাত দিনের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার দু’জনের মধ্যে কথা হল। এর আগে ২৩ জুলাই শাহ অসমের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছিলেন। কথোপকথনের পরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন এবং ত্রাণ, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্রের সব সংস্থা ও সম্পদ অসমের প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান। বিজেপি কর্মীদের সংগ্রহ করা ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর কর্মসূচির সূচনা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২১ জুলাইয়ের পর ভারী বৃষ্টি হয়নি এবং বন্যার জলও কমেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এখনও অত্যন্ত গুরুতর। তিনি বলেন, “বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি এতটাই ব্যাপক যে বহু মানুষ এখনও নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। কারও বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার বাড়ি কাদা ও পলিতে ভরে গিয়েছে। নাগাল্যান্ডের পাহাড় থেকে নেমে আসা কাদার কারণে কয়েকটি জায়গায় রাস্তা এখনও বন্ধ রয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে বন্যাকবলিত পরিবারগুলির দুর্ভোগ কমানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা নাকচ করে বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার—উভয়েই এই সঙ্কট মোকাবিলায় সক্ষম। সারা দেশ থেকে অসমের জন্য অনুদান আসছে বলেও জানান তিনি। অনুদান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বন্যাকবলিতদের ঋণে বিশেষ সাহায্য

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের নির্দেশে বৃহস্পতিবার অসমে কাজ করা (Rain Alert) সমস্ত ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাকবলিত নাগরিকদের নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হবে। ২৮ ও ২৯ জুলাই পূর্বাঞ্চলে দু’দিনের সফরের সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠও অসমের বন্যায় ত্রাণকার্য পর্যালোচনা করেন (Assam Floods)। সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সেনাপ্রধান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সামরিক প্রস্তুতি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে চলা কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করেন। দাও ডিভিশন ও স্পিয়ারহেড ডিভিশন-সহ বিভিন্ন সেনা গঠনের প্রস্তুতি পর্যালোচনার সময় তাঁকে বন্যা ত্রাণকাজের বিষয়েও অবহিত করা হয়। সঙ্কটের সময়ে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সেনাদের প্রশংসাও করেন তিনি। ওই সফরে জেনারেল শেঠ অসম রাইফেলসের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে মণিপুরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও পর্যালোচনা করেন। তিনি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ইম্ফলে ১৩৫তম ইন্ডিয়ান অয়েল ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন।

    ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিকে, বন্যার জল কমতে শুরু করলেও, অসম-সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ফের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর। ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত অসম, অরুণাচল প্রদেশ ও নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তিনসুকিয়া জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নাগাল্যান্ডের মন, মোককচুং এবং ওখা জেলায়ও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর প্রভাব অসমের পার্শ্ববর্তী চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট এবং গোলাঘাট জেলায় পড়তে পারে (Rain Alert)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হলে জল জমে থাকা ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। পাশাপাশি হড়পা বান, যান চলাচলে ধীরগতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থানীয়ভাবে ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে (Assam Floods)। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সব জেলার প্রশাসন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যবস্থা সতর্ক রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

  • Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম ও ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা ইসলামপন্থী-সহ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এবং অরুণাচল প্রদেশের স্থানীয় জনগণের তৈরি মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন এখন চরমে। রাজ্যের একাধিক আদিবাসী সংগঠন অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের (Arunachal Pradesh) বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করার লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টার অরুণাচল বনধের ডাক দিয়েছে।

    অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলন (Arunachal Pradesh)

    লোয়ার সুবনসিরি জেলার প্রশাসন ২০ জানুয়ারি, অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলনের ডাকা ২৪ ঘণ্টার বনধ চলাকালীন পারিয়ামি মসজিদ খালি করে দেয়। এর ফলে জিরোতে কথিত দুটি অবৈধ মসজিদকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন চলছে, তা আরও তীব্র হয়। এই বনধের মূল লক্ষ্য ছিল সুলুয়া ও পারিয়ামিতে নির্মিত অনুমোদনহীন পরিকাঠামো। সংগঠনটি ওই কাঠামোগুলি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছে।  পাশাপাশি পারিয়ামি মসজিদের ভেতরে থাকা একটি ইসলামি স্তম্ভ অপসারণের দাবিও তোলেন স্থানীয়রা। এ জন্য ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

    এসটি বাঁচাও আন্দোলন

    এর প্রেক্ষিতে অরুণাচল প্রদেশ সরকার সুলুয়া মসজিদ, যেটি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে এসটি বাঁচাও আন্দোলনের অভিযোগের পর সিল করা হয়েছিল, তা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যাতে জমির মালিক রুবু তাপা নিজের খরচে সেটি ভেঙে ফেলতে পারেন। এই নির্দেশ আসে ১৯ জানুয়ারি ওল্ড জিরো মার্কেট ওয়েলফেয়ার কমিটির এক আবেদনের পর। ইনচার্জ ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী (Illegal Mosques) এসডিও হাগে তারুং অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সার্কেল অফিসার মিস মিডে বাগেকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের অনুলিপি পুলিশ সুপার, টাউন ম্যাজিস্ট্রেট, জিরো পুলিশ স্টেশন, এসটি বাঁচাও আন্দোলন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়।

    নিরাপত্তা ইস্যু

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার আর একটি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যপাল কেটি পার্নাইক শুক্রবার সদ্যনিযুক্ত ডিজিপি শিব দর্শন সিং জামওয়ালকে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পার্নাইক বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশ সামাজিক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে মারাত্মক হুমকি, যা লোয়ার সুবনসিরির মতো জেলাগুলিতে অননুমোদিত ধর্মীয় কাঠামো ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় উদ্বেগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Arunachal Pradesh)।” এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট দেখাচ্ছে যে জেলাটিতে অবৈধ ধর্মীয় কাঠামোকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

    এর আগে, ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যের রাজধানী ইটানগরে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে একাধিক সংগঠন রাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি ‘মিঞা-মুসলিম’ বসতিস্থাপনকারীদের উচ্ছেদ এবং তাদের ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) বাতিলের দাবি তোলে। অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ ফোর্স (IYFA) এবং অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের (APIYO) উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন (Illegal Mosques)। সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিবাসীদের রাজ্যে কোনও জায়গা নেই এবং অরুণাচল প্রদেশ ও সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত কখনওই বাংলাদেশের অংশ হতে পারে না (Arunachal Pradesh)।”

     

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়,  প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়, প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির জয় জয়কার। রবিবারই প্রকাশিত হয়েছে এই নির্বাচনের ফল। সেখানে জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসনই জিতেছে বিজেপি। আর এই নির্বাচনে কার্যত পাত্তা পায়নি কংগ্রেস। মোট আসনের ৯৭ শতাংশেরও বেশি জিতে রাজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এই ফলাফল রাজ্যের উন্নয়নে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ওপর জনগণের আস্থারই প্রতিফলন বলে দাবি বিজেপির। নির্বাচনী জয়কে সুশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিজেপির জয়-জয়কার

    অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) নির্বাচন কমিশনের অফিস সূত্রে খবর, সেখানকার জেলা পরিষদের ২৪৫টি আসনের মধ্যে ১৭০টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। এর মধ্যে ৫৯টি আসনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে, জেলা পরিষদের ২৮টি আসনে জিতেছে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল। সেখানে জেলা পরিষদের মাত্র ৭টি আসন এসেছে কংগ্রেসের দখলে। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৫টি আসনে এবং নির্দল ও অন্যান্যরা জিতেছে ২৩টি আসনে। একই ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮২০৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬০৮৫টি আসনে। এর মধ্যে ৫২১১ আসনেই বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ২১৬টি আসনে। এর মধ্যে ১১১টি আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির এই সাফল্যে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশের মানুষ সুশাসনের রাজনীতির প্রতি অটল সমর্থন দেখিয়েছেন। বিজেপির প্রতি যে ভালোবাসা তাঁরা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এতে রাজ্যের রূপান্তরের লক্ষ্যে আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হলো। তৃণমূল স্তরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা বিজেপি কার্যকর্তাদেরও সাধুবাদ জানাই।” মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুও রাজ্যের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ও বিশ্বাসের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” তিনি দলের কর্মী ও নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব ও দিশানির্দেশে অরুণাচলকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট

    আর এক দিকে, ইটানগর পুরসভার ২০টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে বিজেপি। পাসিঘাট পুরসভার নির্বাচনে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল জিতেছে ৫টি আসনে। সেখানে বিজেপি দু’টি আসনে এবং নির্দল জিতেছে একটি আসনে। এই দু’টি পুরসভাতে খাতাই খুলতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই রায় উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট। দলের কথা, “জেলা পরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত—সব স্তরেই বার্তা পরিষ্কার: শান্তি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার পক্ষে অরুণাচল; নেতৃত্বে এনডিএ।”

  • Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং চিন একে বারবার অস্বীকার করলেও কখনও এই সত্য বদলাতে পারবে না। মঙ্গলবার চিনের সাংহাই বিমানবন্দরে হয়রানি করা হয় এক ভারতীয় মহিলাকে। তিনি আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা হলেও, কর্মসূত্রে থাকেন ব্রিটেনে। সেখান (Randhir Jaiswal) থেকে জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই বিমানবন্দরে (Shanghai Airport) তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেজিং। যদিও ফের একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে তাদের অবস্থান। জানিয়ে দিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের দ্বারা বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজ্য।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য (Randhir Jaiswal)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা চিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতি দেখেছি, যা একজন ভারতীয় নাগরিককে অযৌক্তিকভাবে আটক করার বিষয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই মহিলা অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পাসপোর্ট ছিল এবং তিনি জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ট্রানজিট করছিলেন।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ – এটি একটি স্বয়ংস্পষ্ট সত্য। চিনের পক্ষ থেকে যতই অস্বীকার করা হোক না কেন, এই অখণ্ড বাস্তবতা পরিবর্তিত হবে না।”

    ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি

    তিনি জানান,  ভারত ওই মহিলাকে আটক করার বিষয়ে চিনের কাছে (Randhir Jaiswal) জোরালোভাবে বিষয়টি উত্থাপন করেছে। জয়সওয়ালের মতে, চিন এখনও পর্যন্ত তাদের এই পদক্ষেপের কোনও কারণ জানায়নি। এটি আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রা সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মের বিরোধী। তিনি মনে করিয়ে দেন, চিনের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সব দেশের যাত্রীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি দেওয়া হয়, এবং এ ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম মানা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংহাই বিমান বন্দরে ট্রানজিট করার সময় পেমা ওয়াংজম থংডক নামের অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলাকে আটকে দেওয়া হয়। তাঁর কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও (Randhir Jaiswal), আটকানো হয় তাঁকে। বিমানবন্দরে যেসব চিনা আধিকারিক ছিলেন, তাঁরা পেমাকে বলেছিলেন, তাঁর কাছে রয়েছে ভারতের পাসপোর্ট, চিনের নয়। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। এর (Shanghai Airport) পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। সাফ জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লির অবস্থান।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) চিনের অংশ। এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে ড্রাগনের দেশ। তবে শি জিনপিংয়ের দেশের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই ছিল, আছে এবং থাকবেও (Shanghai Airport)। তবে ভারত এবং চিনের এই দোটানার মধ্যে পড়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হল অরুণাচল প্রদেশের এই মহিলাকে।

    ১৮ ঘণ্টা আটকে, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Arunachal Pradesh)

    আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা ওই মহিলা বর্তমানে থাকেন ব্রিটেনে। ২১ নভেম্বর সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার নাম প্রেমা ওয়াংজম থংডক। বিমানবন্দরে থাকা কয়েকজন চিনা আধিকারিক দাবি করেন, তাঁর পাসপোর্টটি ভারতীয়। জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের। ওই আধিকারিকরা জানান, এটি অবৈধ। কারণ ওই প্রদেশ চিনের অংশ। খবরটি দ্রুত পৌঁছে যায় ভারতীয় কর্তাদের কানে। সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাঁরা। তীব্র প্রতিবাদ জানান চিনা কর্তৃপক্ষের কাছে। সাংহাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি উত্থাপন করে এবং প্রেমাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেয়।

    অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা

    প্রেমা অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলার রূপা এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ বছর ধরে কর্মসূত্রে ব্রিটেনে বসবাস করছেন তিনি। ঘটনার দিন লন্ডন থেকে জাপানে যাচ্ছিলেন তিনি (Arunachal Pradesh)। এর মধ্যে সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তিন ঘণ্টার ট্রানজিট ছিল। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মহিলা জানান, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় চিনা ইমিগ্রেশনের এক আধিকারিক তাঁকে (Shanghai Airport) আলাদা করে ডেকে নেন। তিনি যখন তাঁকে আটকে রাখার কারণ জানতে চান, তখন ওই আধিকারিক জানান যে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ‘অবৈধ’। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। প্রেমা বলেন, “আমি যখন তাঁদের প্রশ্ন করতে চেষ্টা করলাম এবং জানতে চাইলাম সমস্যাটা কী, তাঁরা বললেন, ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অংশ নয়’। তাঁরা আমায় উপহাস করতে শুরু করল। তাঁরা বলতে লাগল, ‘তোমার চিনা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত। তুমি চিনা, ভারতীয় নও’”। তিনি বলেন, “এর আগে আমি কোনও সমস্যা ছাড়াই সাংহাই হয়ে ট্রানজিট করেছি। আমি অনেকক্ষণ আমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, পারিনি।” ভারতীয় ওই মহিলা বলেন, “লন্ডন থেকে ১২ ঘণ্টা ভ্রমণ করার পর আমায় ১৮ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয় (Arunachal Pradesh)। তারা আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় এবং আমায় বের হতে দেয়নি। আমি খাবারও পাইনি। চিনে গুগল নেই, তাই কোনও তথ্যও পেতে পারছিলাম না। তারা আমায় জাপানে যেতে দিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও আমার বৈধ জাপানি ভিসা ছিল। তারা জোর করে বলে যে আমায় হয় ব্রিটেনে ফিরে যেতে হবে, নয়তো ভারতে যেতে হবে।”

    ওঁদের আচরণ অত্যন্ত অপমানজনক

    প্রেমা বলেন, “ওঁদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক এবং সন্দেহজনক, ইমিগ্রেশন স্টাফদের যেমন, তেমনই আচরণ করেছেন এয়ারলাইন স্টাফরাও। আমি সাংহাই এবং বেজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে ফোন করি। এক ঘণ্টার মধ্যেই (Shanghai Airport) ভারতীয় কর্তারা বিমানবন্দরে এসে আমায় কিছু খাবার দেন। তাঁদের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেন এবং আমায় দেশ থেকে বের হতে সাহায্য করেন। এটি ছিল দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার একটা লড়াই। কিন্তু আমি এখন খুশি যে এখন আমি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি (Arunachal Pradesh)।”

    ত্রাতার ভূমিকায় ভারতীয় কর্তারা

    জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকার পর প্রেমা একটি ফোন এবং তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্রিটেনে থাকা তাঁর বন্ধুদের ফোন করেন। তাঁরা তাঁকে সাংহাইয়ের ভারতীয় কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করাতে সাহায্য করেন। ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্তারা এক ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছন এবং তাঁকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সাহায্য করেন। অরুণাচল প্রদেশের ওই মহিলা বলেন, “আমি কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে, সেখান থেকে ছ’জন কর্তা এক ঘণ্টার মধ্যেই বিমানবন্দরে এসে আমায় খাবার দেন। তাঁরা চেষ্টা করেছিলেন যেন আমায় জাপানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু চিনা আধিকারিকরা তা কোনওভাবেই মানেনি। তাঁরা জোর করেছিলেন যে আমি যেন শুধু চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই দেশ ছাড়ার টিকিট বুক করি। শেষ পর্যন্ত আমি তাইল্যান্ডে ট্রানজিট-সহ ভারতের ফ্লাইট বুক করি, এবং এখন তাইল্যান্ডেই থেকে কাজ করছি।” প্রেমা বলেন, “অনেক বছর ব্রিটেনে থাকার পরেও আমি আমার ভারতীয় পাসপোর্ট (Shanghai Airport) ছাড়িনি। কারণ আমি আমার দেশকে ভালোবাসি এবং নিজের দেশেই বিদেশি হতে চাই না (Arunachal Pradesh)।”

LinkedIn
Share