Tag: asansol

asansol

  • Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে আসানসোলে (Asansol) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যোগদান কর্মসূচিতে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শত বাধার পরও বিজেপির যোগদান কর্মসূচিতে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যোগদান করেন।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Asansol)

    মঙ্গলবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ২৮ নং ওয়ার্ড জাহাঙ্গীর মহল্লায় বিজেপির পক্ষ থেকে যোগদানের অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আসানসোল রেল পাড়ে নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকশো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের যোগদান করার কথা ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাত থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপিতে যোগদান করলে তাদের সবরকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হবে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কিন্তু, এখানকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারা বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে  সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শত প্রতিকুলতার মধ্যে সভা করে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেছে। যা দেখে শাসক দলের নেতাকর্মীরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

    আরও বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি যোগ দেবেন!

    আসলাম নামে এক যোগদানকারী বলেন, সোমবার রাত থেকে আমাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অনুষ্ঠান যাতে না করা হয় ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয়ে কেউ মঞ্চ তৈরি করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু, আমরা পথসভার মাধ্যমেই যোগদান করেছি। শাসক দলের বাধা না থাকলে এই এলাকার বহু মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে, বাধা দেওয়া হলেও আগামীদিনে আরও বহু কর্মী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ‍্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে ঘিরে সেজে উঠেছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ৯৯ নং ওয়ার্ডের কুলটির ভরতচক গ্রাম। সেখানে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন রামের মন্দির। সেই মন্দিরে সোমবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এমনিতেই এই মন্দিরে বছরে একবার মূর্তি গড়ে পুজো করা হয়। তবে, এখন খড়ের কাঠামোতেই জাঁকজমকভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রাচীন মন্দিরে হয় রামের বিশেষ পুজো (Asansol)

    এদিন সকালে আসানসোলের (Asansol) ভরতচক গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, রাম মন্দিরে রাম-সীতা-ভরত-লক্ষণ-শত্রুঘ্ন -হনুমান-জাম্বুবানের খড়ের কাঠামো রয়েছে। এই গ্রামে ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে রামের পুজো হয়ে আসছে। মূলত মাঘী পূর্ণিমাতে প্রতি বছর মূর্তি গড়ে আট দিন ধরে রামের পুজোর আয়োজন করা হয়। সেই সময় হাজার হাজার ভক্ত প্রতি বছর সামিল হন। তবে, এদিন ৫৫০ বছরের লড়াইয়ের শেষে অযোধ‍্যায় রামলালা ফিরেছেন। বিশাল পুজোর মাধ্যমে এদিন সেখানে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। তাই, এই মুহূর্তকে স্মরণে রেখে পূণ্য তিথি অনুসারে ভরতচক গ্রামে প্রাচীন রাম মন্দিরেও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। আর এদিন এই পুজোয় প্রচুর ভক্ত সামিল হন।

    ভোগ বিতরণ করা হয়

    বিজেপি অমিত গড়াই বলেন, আমাদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সকাল থেকেই রাম মন্দির সাজানো হয়। নিয়ম মেনে মন্দিরে খড়ের কাঠামোতেই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে ভক্তদের এদিন ভোগপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মতো এদিন সকাল থেকে ভোগ রান্না করা হয়। আর এদিন রামের মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে।

    শোভাযাত্রায় সামিল বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল

    রাম মন্দির উদ্বোধনের সঙ্গে আসানসোলের (Asansol) বার্ণপুরে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তিনি নিজে খঞ্জনি বাজিয়ে নগর প্ররিক্রমা করেন। রামলালার ছবি মাথায় নিয়ে তিনি শোভাযাত্রায় পা মেলান। এদিন শোভাযাত্রায় বহু কর্মী-সমর্থক সামিল হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: বিজেপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল

    Asansol: বিজেপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিপাহাড়ি ও রানীগঞ্জের মাঝামাঝি কুমাডিতে হল্ট স্টেশন করার দাবি স্থানীয়দের অনেক দিনের। এলাকার মানুষের দাবি, কর্মক্ষেত্রে যেতে যোগাযোগের সুবিধা প্রয়োজন। এই এলাকায় আশেপাশে বহু গ্রাম রয়েছে যেমন – টিরাত, চাপুই, রতি বাটি, চেলোদ, কুমাডি, হাড়ভাঙ্গা, নিমচা। এই অঞ্চলের গরিব মানুষকে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের জন্য প্রত্যেকদিন যেতে হয় রানিগঞ্জ, নয় কালিপাহাড়ি অথবা আসানসোলে (Asansol)। এছাড়াও মহিলাদের ট্রেন ধরতে অনেক অসুবিধা হয়। এবার রেলের আধিকারিকরা পরিদর্শনে এলেন। বিজপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল। উল্লেখ্য, বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল দাবি করেন, “কুমাডিতে একটি হল্ট স্টেশন হলে এখানকার মানুষের অনেক সুবিধা হবে। সেই কথা অনুযায়ী আসানসোলের ডিআরএম–এর কাছে হল্ট স্টেশনের প্রস্তাব রেখেছি।”

    কী বলল রেল?

    আসানসোল (Asansol) রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, “এলাকার অনেক দিনের যাতায়াতের সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে হল্টের দাবি জানানো হয়েছিল। আমরা আজ এলাকা পরিদর্শন করেছি। এরপর আমরা ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের কাছে  রিপোর্ট জমা করবো।”

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক (Asansol)?

    প্রস্তাব অনুযায়ী শুক্রবার বিধায়ক ও রেল কর্তৃপক্ষ সরজমিনে পরিদর্শনে আসেন। সব কিছু দেখার পর উচ্চ কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Asansol) এই প্রসঙ্গে বলেন, “এই অঞ্চলের আশেপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা, এখানে একটি লোকাল ট্রেনের হল্ট স্টেশন হোক। আর তা হলে এখানকার সাধারণ মানুষ ভীষণ ভাবে উপকৃত হবেন। তাই তাঁদের অসুবিধার কথা শুনে আমরা রেলের উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষকে জানাই। এরপর সেই অনুযায়ী এখানকার রেলের কর্তৃপক্ষ সমস্ত বিষয় দেখেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রীর উপর আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। যদি কোনও বড় সমস্যা না হয় তাহলে হল্ট স্টেশন খুব দ্রুত সম্পাদন করা হবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে এই অঞ্চলের (Asansol) তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিনোদ নুনিয়া বলেন, “অনেকে এসেছেন আবার অনেকে চলেও গিয়েছেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এর আগেও বাবুল সুপ্রিয় যখন বিজেপিতে ছিলেন, তখন বলেছিলেন হল্ট স্টেশন এখানে হবে, কিন্তু তা হয়নি। এবার বিজেপির বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল এসেছেন। সামনে ভোট, এলাকা গরম করতে এসেছেন বিজেপির নেত্রী। এর আগে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে অনেক কাজ হয়েছে। বিজেপি শুধু যখন ভোট আসে তখন অনেক প্রতিশ্রুতি দেয় কাজের কাজ কিছু হয় না। যদি হয়, তা হলে ভালোই হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: পতাকা দেখেই বলে দেয় ৪৬টি দেশের নাম, একরত্তির নাম ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ

    Asansol: পতাকা দেখেই বলে দেয় ৪৬টি দেশের নাম, একরত্তির নাম ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের (Asansol) একরত্তি শিশুকন্যা ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ নাম তুলে বিরাট চমক দিল। এর বুদ্ধি দেখলে যে কেউ চমকে যেতে বাধ্য হবেন। সদ্য স্কুলে যেতে শুরু করেছে সে। কিন্তু এখন থেকেই শুধু পতাকার ছবি দেখে বলে দিতে পারে ৪৬টি দেশের নাম। তাছাড়াও একাধিক মহাপুরুষের ছবি দেখেও বলে দিতে পারে নাম। পরিবার অত্যন্ত খুশি মেয়ের এই সাফল্যে। এলাকায় আনন্দের আবহ।

    মাত্র তিন বছরের মেয়ে! (Asansol)

    আসানসোলে (Asansol) অনেকেই বলাবলি করছেন, সত্যিই অবাক করা কাণ্ড। মাত্র তিন বছর পাঁচ মাস বয়স। কিন্তু এই সামান্য বয়সেই সে রপ্ত করে ফেলেছে অনেক কিছু। মেয়ের নাম ঋদ্ধিতা মাজি, আসানসোল দক্ষিণ থানা এলাকার ভগত পাড়ায় বাড়ি। বাবা মিলন মাঝি বলছেন, ‘৯০টি জি কে’র উত্তর অবলীলায় বলে দিতে পারে ঋদ্ধিতা। পতাকা দেখে দেশের নাম বলা তার কাছে যেন জলের মতো সহজ। একই সঙ্গে সে কম বয়সে রপ্ত করে ফেলেছে আরও অনেক কিছুই।’ তিন বছর পাঁচ মাস বয়সেই ঋদ্ধিতা এত গুণের অধিকারী হয়েছে। মেয়ের এই প্রতিভা সকলের সামনে তুলে ধরতে ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ নাম পাঠিয়েছিলেন মিলনবাবু। গত অগাস্ট মাসে সেই নাম পাঠানো হয়েছিল। এরপর শংসাপত্র মিলেছে। 

    পেয়েছে অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার

    একরত্তির এই অসাধারণ বুদ্ধির খেলা দেখে, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তার বাড়িতে (Asansol) উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দিয়েছে শংসাপত্র বা অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার। তাছাড়াও এসেছে মেডেল সহ নানান উপহার। আর তাতেই খুশিতে মেতে উঠেছেন পরিবারের সকলে। 

    পরিবারের বক্তব্য

    মেয়ের সাফল্যে বাবা মিলন মাঝি (Asansol) বলেন, “আমার মেয়ে মূলত বেসিকে এই খেতাব অর্জন করেছে। ইংরেজি বর্ণমালা, মাসের নাম, দিন, বছরের বাংলা-ইংরেজি মাসের নাম অবলীলায় বলতে পারে। এছাড়াও ৪০টি পশুর নাম, ১০টি পাখির নাম, শাকসবজি, রং, ১২ জন মহাপুরুষের নাম, ৪৬টি দেশের জাতীয় পতাকা ইত্যদি অনর্গল বলতে পারে। নাম বালার সময় মেয়েকে কোনও সাহায্য করতে হয় না। এমনকী ৯০টি সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। আমরা ওর এই রেকর্ডে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির প্যারেডে যোগ দেবেন আসানসোলের সোনিয়া

    Asansol: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির প্যারেডে যোগ দেবেন আসানসোলের সোনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দিল্লির রাজপথে প্রতি বছর প্যারেড হয়। ২০২৪ সালের ২৬ জানুয়ারিও সেই রীতি মেনে প্যারেড হবে। এবার সেই প্যারেডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের (Asansol) সোনিয়া বাউরি। তিনি  রানিগঞ্জের টিডিবি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। তাঁর বাড়ি জামুড়িয়া থানার চাঁদা স্কুলপাড়া এলাকায়। ন্যাশনাল সোশ্যাল সার্ভিস (এনএসএস) করা কলেজ পড়ুয়া সোনিয়া বাউরি রাজ্যের যে আটজন প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে দিল্লিতে সুযোগ পেয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম।

    কী বললেন সোনিয়া? (Asansol)

    জানা গিয়েছে, সোনিয়া বাউরি এনএসএস কর্মী হিসেবে গত ১৪ নভেম্বর একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ওড়িশার ভুবনেশ্বরে যান। ১৫ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে তাঁর ১০ দিনের প্রশিক্ষণ হয়। মোট ৪৪ জন সেখানে ছিলেন। ২৫ নভেম্বর তিনি আসানসোলে (Asansol) ফিরে আসেন। দিনকয়েক আগে সোনিয়া জানতে পারেন দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্যারেডে এনএসএস কর্মী হিসেবে অংশ নেওয়ার তিনি সুযোগ পেয়েছেন। সোনিয়া বলেন, ‘এই কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার সময় জানতে পারি যে, এখানে এনএসএসের একটা ইউনিট রয়েছে। পড়াশুনার পাশাপাশি সামাজিক কাজ করার আগ্রহ থেকে ওই ইউনিটে ভর্তি হই। সেখানে প্রথমে কলেজ স্তরে সিলেকশন হয়। তারপর বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে সিলেকশন হওয়ার পরে ভুবনেশ্বরে যাই। খুব ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। যে কাজ দিয়েছে, সেই কাজ মন দিয়ে করেছি। এতবড় সুযোগের বিষয়টি আমি ওখানে কিছু জানতে পারিনি। দিন কয়েক আগে আমাকে মেল করে এই সিলেকশনের কথা জানানো হয়। এমন সুযোগ পেয়ে সত্যি খুব ভালো লাগছে। সবসময় টিভিতে দেখেছি। এবার তাতে অংশ নিতে চলেছি।’

    গর্বিত পরিবারের লোকজন

    সোনিয়ার ২৬ জানুয়ারি প্যারেডে অংশগ্রহণের খবরে তাঁর পরিবারের সদস্য, এলাকার বাসিন্দা থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সহপাঠী সবাই গর্বিত। তিনি পড়াশুনা করেন মামারবাড়ি থেকে। পরিবারের সদস্যদের বত্তব্য, মেয়ে নিজের যোগ্যতায় প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন রাজপথে হাঁটবে ভেবে গর্বে মন ভরে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে চারজনের মৃত্যু হয়। ৩৪ জন যাত্রী জখম হন। সেই ঘটনার পরই এবার নড়েচড়ে বসল রেল কর্তৃপক্ষ। নতুন করে এই ধরনের বিপর্যয় যাতে না হয়, তার জন্য রেলের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    রেলের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল?

    পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে একটি করে জলাধার আছে। এর মধ্যে একাধিক জলের ট্যাঙ্ক ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে হাওড়া ডিভিশনের তিনটি, আসানসোল ডিভিশনের আটটি এবং মালদা ডিভিশনের একটি জলের ট্যাঙ্ক। বিপদ এড়াতে এই সব ক’টি ট্যাঙ্ককেই ভেঙে ফেলা হবে। পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে সব মিলিয়ে মোট ৪৮টি জলাধার আছে। সেগুলির সব ক’টিকেই নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই তালিকায় আছে শিয়ালদা ডিভিশনের সাতটি, আসানসোল ডিভিশনের ২৩টি, হাওড়া ডিভিশনের ১৪টি এবং মালদা ডিভিশনে চারটি ট্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, হেরিটেজ তকমা পাওয়া বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা নাগাদ বিপর্যয় ঘটে। স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে থাকা ১৮৯০ সালে তৈরি ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ে। ভিড়ে ঠাসা প্ল্যাটফর্মের শেডের উপর আছড়ে পড়ে বিপুল পরিমাণ জল ও ভাঙা ট্যাঙ্কের ধাতব অংশ। ওই দুর্ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম ক্রান্তি বাহাদুর (১৪), সোনারাম টুডু (৩৫), মফিজা বেগম (৩৫) এবং সুধীর সূত্রধর। ক্রান্তি এবং সোনারাম দু’জনেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। বর্ধমান শহরের লাকুড্ডির বাসিন্দা ছিলেন মফিজা। এই ঘটনার পরই রেল কর্তৃপক্ষ বহু পুরানো জলাধার ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    পূর্ব রেলের আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের বিপর্যয়ের পর বিভিন্ন স্টেশনে আরও কিছু জলাধার চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপজ্জনক হিসেবে সেগুলিকেও পরে নষ্ট করে ফেলা হবে। আপাতত নষ্ট করার আগে সব চিহ্নিত জলাধারগুলিতে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক জল ভরা হবে। যদি মনে হয় কোনওটির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন, সেগুলির সংস্কার করা হবে। সে কাজেও হাত দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলা হবে বলে আশা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক ছিনিয়ে নিয়ে এল একসঙ্গে তিন যমজ বোন। তারা হল সুচেতা চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিতা চট্টোপাধ্যায় ও সুপ্রীতা চট্টোপাধ্যায়। আসানসোল (Asansol) কুলটির বাসিন্দা এই তিন বোন। ডিসেরগড় এসডি হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তারা। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন থেকে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে এই পুরস্কার জিতেছে বাংলার তিন কন্যা। এছাড়াও পৃথক ইভেন্টে এরা আলাদা করে একক ও যুগ্মভাবে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী হয়েছে। গত বছরও তিন বোন রাজস্থানের কোটা থেকে রাজ্যের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিল।

    কোথায় প্রশিক্ষণ (Asansol)?

    কুলটির (Asansol) ডিসেরগড়ের বাসিন্দা পেশায় গৃহশিক্ষক বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (রূপম ) ও তাঁর স্ত্রী সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের তিন কন্যাকে চার বছর আগেই আসানসোলে তাইকোন্ডো প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। প্রশিক্ষক ছিলেন শুভ গঙ্গোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় এই তিন বোন স্বর্ণপদক জয়লাভ করেছিল হাওড়া থেকে। তারপরে তাদের ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে পাঠানো হয়। গত ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেরাদুনে ছিল ষষ্ঠতম ন্যাশনাল কেডেট ইউরোজি এবং পুমাসে ছিল তাইকোন্ডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩-২৪ প্রতিযোগিতা। আয়োজক ছিল তাইকোন্ডো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, এই সংস্থা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় রয়েছে। ওই তিন ছাত্রীর বাবা-মা জানিয়েছেন, আগামী দিনে সুচেতা, রঞ্জিতা ও সুপ্রীতার লক্ষ্য ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া এবং পুরস্কার নিয়ে আসা।

    পরিবারের বক্তব্য

    মেয়েদের সাফল্যে বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (Asansol) বলেন, “এই সাফল্যের প্রধান কারণ হল মেয়েরা খুব অনুশাসনের মধ্যে থাকত। সকালে দুই ঘণ্টা এবং বিকেলে দুই ঘণ্টা করে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিত। নিজেরাই নিজেদের অভ্যাস চালিয়ে যেত। ওদের কোচ শুভ গাঙ্গুলি বিশেষভাবে সাহায্য করেছেন। অত্যন্ত নিয়মের মধ্যে দিয়ে তারা থাকত। এমনকী চকোলেট পর্যন্ত খেত না ওরা। খেলার সাফল্যের দিকে লক্ষ্য নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিল ওরা। ওদের অতিরিক্ত চাহিদার বিষয় তেমনভাবে চোখে পড়েনি।” একই ভাবে মা সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই জয় সকলের। আমি চাই আগামী দিনে ওরা দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির (Asansol) সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ রানার দাদাগিরির ভাইরাল ভিডিও এল প্রকাশ্যে। ব্লক সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁরই গাড়ির চালক অন্য এক গাড়ির চালককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত ওই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন পথচলতি মানুষ। ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এই সময় ওই নেতা নিজের গাড়ি থেকে নেমে রীতিমতো দাদাগিরি শুরু করে দেন এবং হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। আর ওই তৃণমূল নেতার হম্বিতম্বির ভিডিও রেকর্ডিং করে বিক্ষুব্ধ জনতা ছড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের জামুড়িয়ায় তপসি রেল ব্রিজের নিচে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। যদিও ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’।

    ঘটনার বিবরণ (Asansol)

    আসানসোল থেকে জামুড়িয়া ফিরছিলেন জামুড়িয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের দু’নম্বর ব্লকের সভাপতি তথা জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা। তপসি ব্রিজের কাছে রেলগেট পড়ে যায় এবং তা খোলার পরই যানজট লেগে যায়। অনেকেই রং সাইডে ঢুকে পড়েন। এরকমই এক গাড়ির চালককে গালিগালাজ করে বেধড়ক মারধর করেন সভাপতির গাড়ির চালক, এমনটাই অভিযোগ এবং ওই চালক হুমকি দিয়ে বলেন যে তাঁর মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। কেউ কিছু করতে পারবে না। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ পথচলতি মানুষ (Asansol)।

    কী বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি? (Asansol)

    সিদ্ধার্থ রানা বলেন, “আমি গাড়ি পাশে দাঁড় করিয়ে বাথরুম গিয়েছিলাম। এসে দেখি ঝামেলা হচ্ছে। এক ভদ্রলোকের মাথা ফাটা রয়েছে। আমি বলি, চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ ছাড়াও যদি সাত-দশ দিন চাকরিতে অনুপস্থিত থাকেন, তার যাবতীয় খরচও বহন করবো। তা সত্ত্বেও তারা মারমুখী হয়ে উঠেছিল। আমার গাড়ির চালক গাড়ি থেকে বাইরে বের হয়নি। তাহলে কে উনাকে মারল, তা উনি ভালো বলতে পারবেন।”

    সাধারণ মানুষ বিপদে, তোপ বিজেপির

    বিজেপির আসানসোল (Asansol) জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যেভাবে কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে এক প্রকার শেষ হয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে। কেউ তাদের নেতাকর্মীকে খুঁজে পাবে না। তাদের সম্বন্ধে কারও কাছে কোনও খবর থাকবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী থেকে নেতা সকলেই যে ভাবে গোটা রাজ্য জুড়ে অত্যাচার শুরু করেছে, তাতে সাধারণ মানুষ চরম বিপদে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে ২০ ঘণ্টা ধরে আয়কর দফতরের তাল্লশি, উদ্ধার ব্যাঙ্কের নথি

    Asansol: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে ২০ ঘণ্টা ধরে আয়কর দফতরের তাল্লশি, উদ্ধার ব্যাঙ্কের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বুধবার সারা রাত ধরে লোহা ব্যবসায়ী ইমতিয়াজের হিসাব রক্ষক পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। অন্য দিকে ব্যবসায়ী মহেন্দ্র শর্মার বাড়িতেও ইনকাম ট্যাক্স আধিকারিকদের হানা চলেছিল। উল্লেখ্য প্রত্যেকেই আসানসোলের তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ছিলেন।

    আবার বৃহস্পতিবার আসানসোলে (Asansol) বেশ কিছু জায়গায় সকাল থেকেই দ্বিতীয় দিনেও চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। বার্নপুরের পুরানহাটে পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়িত প্রায় ২৪ ঘন্টা ধরে আয়কর দপ্তরের ম্যারাথন তল্লাশি চলছে। ধরমপুরের লোহা ব্যবসায়ী সৈয়দ ইমতিয়াজের বাড়িতে ২৪ ঘন্টা ধরে আয়কর দপ্তর অভিযান চালিয়েছে। তবে গতকাল বুধবার রাত থেকে রানীগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে আয়কর দফতরের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আয়কর দফতর অত্যন্ত সক্রিয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের পাঁচ জায়গায় হানা

    আসানসোলে (Asansol) ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও আয়কর দফতরের ম্যারাথন অভিযান এখনও অব্যাহত। মোট ৫ জায়গায় অভিযান চলেছে। বর্তমানে ৩ তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়িতে অভিযান এখনও চলছে। তবে তৃণমূল প্রাক্তন বিধায়ক তথা লোহা ব্যবসায়ী সোহারাব আলির বাড়িতে যে অভিযান চলছিল তা রাত ১২ টাতেই শেষ হয়ে যায়। ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯ ঘন্টা অভিযান চলেছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ইমতিয়াজের ঘনিষ্ঠ সুজিত সিং-এর বাড়িতেও তল্লশি চলে। অবশেষে ভোর ৪ টে নাগাদ সুজিতের বাড়ি থেকে চলে যান আয়কর দফতরের অধিকারিকেরা।

    কী কী উদ্ধার হয়েছে?

    সূত্রের খবর, বেশ কিছু ব্যবসা সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের কাগজপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি নিয়ে যান আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। তবে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আহমেদ খান, হিসাবরক্ষক পঙ্কজ আগরওয়াল এবং শিল্পপতি মহেন্দ্র শর্মার বাড়িতে (Asansol) তল্লাশি এখনও চলছে।

    চলছে সিবিআই তল্লাশি

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর থানার অন্তর্গত পুরানাহাট এলাকায় ইসিসিএলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন কর্মী শ্যামল সিং ও আরেক ব্যবসায়ী স্নেহাশিস তালুকদারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি চালাচ্ছে। সকাল থেকেই সিবিআইয়ের দুটি টিম হিরাপুরের এই দুটি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। কয়লা পাচারকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তে সিবিআই-এর এই হানা বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই স্নেহাশিস তালুকদারকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে খবর কয়লা পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত লালা ঘনিষ্ঠ স্নেহাশিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় রাজ্য জুড়ে ফের সিবিআই হানা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যের নানা জায়গায় কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত লালা ওরফে অনুপ মাজি ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে-অফিসে অভিযান শুরু করেছে। এদিন সকাল থেকেই সক্রিয় সিবিআই। তদন্তকারী দলের অফিসাররা একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে ভবানীপুর, আসানসোল, মালদা এবং পুরুলিয়ায় তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী কয়লা পাচার (Coal Scam Case) কাণ্ডে অভিযুক্ত বলে সিবিআই-ইডি জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কয়লাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান ফের একবার রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    সিবিআই সূত্রে খবর (Coal Scam Case)

    রাজ্যের জেলা জুড়ে ১২ টি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের স্নেহাশিস তালুকদার নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। মালদার রতুয়ার শ্যামল সিং নামে আরও এক ব্যক্তির বাড়িতেও তদন্তকারী সংস্থা হানা দিয়েছে। উল্লেখ্য দু’জনই কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam Case) অভিযুক্ত লালার খুব ঘনিষ্ঠ। এই স্নেহাশিস লালার আর্থিক হিসেবের কাজ দেখাতেন। পাশপাশি বৃহস্পতিবার সকালে ভবানীপুরের এক আবাসনে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই।

    কয়লা পাচার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত লালা

    ২০২০ সালে কয়লা পাচারের (Coal Scam Case) তদন্ত শুরু করে সিবিআই। লালা ওরফে অনুপ মাজি হলেন এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। এই লালা আবার তৃণমূলের খুব ঘনিষ্ঠ। লালার সঙ্গে গুরুপদ মাজি নামক আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। লালা জামিন পেলেও বাকিরা তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য এই কয়লা পাচার মামলায় তৃণমূলের তৎকালীন যুব সহ সভাপতি বিনয় মিশ্রও প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারী অফিসারেরা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share