Tag: asansol

asansol

  • Asansol: রেলের ওয়াগন চুরির অভিযোগে জেলও খেটেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলি!

    Asansol: রেলের ওয়াগন চুরির অভিযোগে জেলও খেটেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সোহরাবের স্ত্রী আবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের কাউন্সিলর। এর পাশাপাশি বার্নপুরের এক প্রোমোটার ইমতিয়াজ আলির বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। তবে, ঠিক কী কারণে তল্লাশি অভিযান চলছে, তল্লাশি চালিয়ে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা কী পেলেন তা জানা যায়নি।

    কে এই সোহরাব আলি? (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের (Asansol) হীরাপুরের শেখ আলির ছেলে সোহরাব আলি। শেখ আলি পেশায় গাড়ির চালক হলেও তাঁর মূল ব্যবসা ছিল লোহার। সেই সূত্র ধরেই সোহরাব আলি লোহার কারবারে নামেন। তবে, সেই ব্যবসার আড়ালে ধরমপুরে বেআইনি ব্যবসা-সহ বার্নপুরে রেল ওয়াগন ভাঙা, ইস্কো কারখানায় লোহার স্ক্র্যাপের বেআইনি ব্যবসা-সহ নানা অভিযোগ ছিল সোহরাবের বিরুদ্ধে। আবার রাজনীতিতেও সোহরাবের ‘উত্থান’ চমকপ্রদ। লোকসভা ভোটে কখনও নির্দল প্রার্থী হয়েছেন, কখনও লালুপ্রসাদের হাত ধরে আরজেডিতে নাম লিখিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এক সময় পুরভোটে নির্দল প্রার্থী হয়ে সিপিএমের তাহের হুসেনকে হারিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন। পরে আরএসপিতে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালে আরপিএফ একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় নাম জড়ায় তাঁর। কুড়ি বছর ধরে মামলা চলেছিল। ২০১১ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে রানিগঞ্জের বিধায়ক হন। অভিযোগ উঠেছিল, রেলের ওয়াগন চুরি করেছেন সোহরাব। সেই মামলায় ২০১৫ সালে সাজা পান তিনি। তবে বিধায়ক থাকার জন্য একদিনেই জামিনে মুক্তি মেলে তাঁর। এরপর আর টিকিট পাননি সোহরাব। পরবর্তীকালে প্রোমোটারি ব্যবসা শুরু করেন তিনি। তাঁর এই আর্থিক প্রতিপত্তির হিসাব নিকেশ দেখতেই গোয়েন্দাদের হানা বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার মেশিন নিয়ে ঢোকেন আধিকারিকরা

    লোহা ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আলমের হিসাব রক্ষক পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়ি এবং রেশন দোকানে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। এই মুহূর্তে প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে আধিকারিকরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার মেশিন নিয়ে ঢোকেন। তবে, কী কারণে এই সব নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আলমের ঘনিষ্ঠ সুজিত সিং-এর বাড়ি এবং আর এক ব্যবসায়ী মহেন্দ্র শর্মার অফিসে হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    ED: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে বুধবার সকালেই আয়কর দফতর হানা দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট নটি গাড়িতে করে বুধবার ভোর পাঁচটা নাগাদ আয়কর দফতরের আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পৌঁছান। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন। সূত্রের খবর, আয়কর সংক্রান্ত এই অভিযান চলছে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এখান থেকেও কি মিলবে টাকার পাহাড়, জানতে উৎসুক সাধারণ মানুষ।

    বিধায়কের দুটি বাড়িতে চলছে অভিযান

    স্থানীয় সূত্রের খবর, রানিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলির রাজনৈতিক জীবনের প্রথম দিকে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কিছুদিনের জন্য লালুপ্রসাদের আরজেডি’তে যোগ দেন। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে আসানসোল (Asansol) পুরসভার কাউন্সিলার ও পরে রানিগঞ্জ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হিসাবে জয়লাভ করেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী নার্গিস বানু আসানসোল পৌর নিগমের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার। রানিগঞ্জের প্রাক্তন এই বিধায়কের বার্নপুরের রহমতনগরে দুটি বাড়িতে অভিযান চলছে। ভোর ৫টা থেকে তাঁর বাড়ির বাইরে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রচুর মানুষের ভিড় জমে গিয়েছে সোহরাবের বাড়ির বাইরে। তবে ঠিক কোন কেন্দ্রীয় এজেন্সি এই অভিযান চালাচ্ছে, তা কিন্তু স্পষ্ট নয় স্থানীয়দের কাছে। সোহরাব ছাড়াও বার্নপুরের আর এক লোহা কারবারি এবং প্রোমোটার ইমতিয়াজ আহমেদ খানের অফিস এবং বাড়িতে, আসানসোলের এক লোহা এবং বালির কারবারির বাড়িতেও সকাল থেকে আয়কর হানা চলছে। 

    রাজ্যে ৩৫ জায়গায় আয়কর হানা চলছে!

    পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল (Asansol), রানিগঞ্জ থেকে কলকাতা-একাধিক জায়গায় আয়কর দফতরের অভিযান চলছে। এছাড়া বার্নপুরের ধরমপুরে একাধিক বাড়িতে আয়কর হানা চলছে। একটি সূত্রে জানা যাচ্ছে, মূলত বালি এবং লোহা কারবারিদের বাড়িতে এই অভিযান হচ্ছে। সব মিলিয়ে রাজে ৩৫ জায়গায় একই সঙ্গে আয়কর হানা চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ইসিএলের জমিতে বাড়ি তৈরি করতেও টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল কাউন্সিলার! সরব বিধায়ক

    Asansol: ইসিএলের জমিতে বাড়ি তৈরি করতেও টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল কাউন্সিলার! সরব বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের জামুরিয়া এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার বৈশাখী বাউড়ি-র বিরুদ্ধে বাড়ি তৈরির অনুমতি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ। এলাকার মানুষ ওই কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিংয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Asansol)

    আসানসোল (Asansol) পৌর নিগমের জামুরিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার বৈশাখী বাউড়ির বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ আনেন, এলাকায় ইসিএল এর জমিতে বাড়ি তৈরির জন্য অনুমতি দেওয়ার নাম করে টাকা দাবি করছেন স্থানীয় কাউন্সিলার। দলীয় একটি কর্মসূচিতে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিংকে সামনে পেয়ে এই অভিযোগ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধায়ক হরেরাম সিং স্থানীয়দের কাছে এই অভিযোগ শোনার পরে স্থানীয়দেরকে লিখিত অভিযোগ করার নিদান দেন বিধায়ক হরেরাম সিং। এই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হতে দেখা গেছে ( ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। তাতে বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন,  ইসিএলের জমিতে বাড়ি তৈরি করতে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না। কাউন্সিলার আপনাদের ভোটে জয়ী হয়েছেন। এখন এলাকায় গুন্ডাগিরি করে টাকা চাইছেন, কোনও টাকা দেবেন না। যারা কাউন্সিলারকে টাকা দিয়েছেন, তারা অভিযোগ জানান, আমি থানায় এফআইআর করব।

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার বৈশাখী বাউড়ি বলেন, আসানসোল (Asansol) পৌরসভা থেকে নির্দেশ রয়েছে যদি এলাকায় কোন অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণ হয় তার খবর পৌরসভায় পৌঁছে দিতে হবে। আমরা কাউন্সিলার হিসাবে সেই কাজ করেছি। কোনও টাকা পয়সা চাইনি। ওরা আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাপ্পাদিত্য চট্টোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল দলটি কাটমানি আর গোষ্ঠী কোন্দলে ভরে গিয়েছে। মানুষ ওদের ভোট দিয়ে এখন বুঝতে পারছে। মানুষের ক্ষোভ সামাল দিতে তৃণমূলের নেতারা এখন নাটক করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: কষ্টের পয়সায় বাড়ি করবেন, তাতেও লাগবে তৃণমূলের অনুমতি! না হলে খুনের হুমকি?

    Asansol: কষ্টের পয়সায় বাড়ি করবেন, তাতেও লাগবে তৃণমূলের অনুমতি! না হলে খুনের হুমকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা খরচ করে নিজের বাড়ি তৈরি করবেন। আর তার জন্য তৃণমূলের অনুমতি নিতে হবে। আসানসোলের (Asansol) ফতেপুরের এলাকাবাসীর একাংশের এমনই অভিযোগ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা! (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) ফতেপুর এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জমি মাফিয়ারা। অতিষ্ঠ হয়ে তৃণমূলের নেতার কাছে এলাকাবাসী দরবার করেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন এলাকাবাসী। ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সভাটির আয়োজন করেন। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তৃণমূলের স্থনীয় পুরপ্রতিনিধি সমিত মাজিকেও। সকাল ১১টা নাগাদ সমিত সভামঞ্চে আসেন। অভিযোগ, সভা শুরুর কিছুক্ষণ পরেই কয়েকজন সেই সভা বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সেই সভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা হয়। তবে, আয়োজকেরা সভার কাজ চালিয়ে যাওয়ার দাবিতে অনড় থাকেন। সভার জন্য পুলিশের থেকে আগাম অনুমতি নেওয়া ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই কমিশনারেটের এসিপি (সেন্ট্রাল) দেবরাজ দাসের নেতৃত্বে র‍্যাফের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। তার পরে, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভার কাজ শেষ হয়।

    প্রতিবাদ সভার আয়োজকদের কী বক্তব্য?

    সভার অন্যতম আয়োজক তথা বড়তোড়িয়ার বাসিন্দা দীনবন্ধু মণ্ডল বলেন, কয়েক মাস আগে নিজের জমিতে আমি বাড়ি করতে গিয়েছিলাম। জমি মাফিয়ারা বাধা দেয়। দেওয়া হয় খুনের হুমকিও। তাদের অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হয়। নির্মাণ সামগ্রীও তাদের থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়। এমনকী বাড়ি করার আগে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয় থেকে অনুমতি নেওয়ার কথাও বলা হয়। ফতেপুরের স্বরূপকুমার মাজির আবার অভিযোগ, নিজের জমি বিক্রি করতে গেলেও, এক দল লোক এসে জমি বিক্রিতে বাধা দিচ্ছে। পাশাপাশি, এলাকার পরিকাঠামোগত সমস্যা নিয়েও সরব হয়েছেন বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, বরাচকের হনুমান মন্দির থেকে বরাচক স্টেশন পর্যন্ত রাস্তাটি বেহাল। পথবাতি নেই। নিকাশি পরিস্থিতি বেহাল। বিষয়টি পুরপ্রতিনিধিকে জানানো হলেও লাভ হয়নি।

    পুর প্রতিনিধির কী বক্তব্য?

    পুরপ্রতিনিধি সমিত মাজি বলেন, কারও নাম উল্লেখ না করে জমি মাফিয়াদের বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। বিস্তারিত খোঁজখবর করব। বাসিন্দাদের নিজেদের জমি কেনাবেচার আগে বা বাড়ি তৈরি করার আগে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় না। কে বা কারা এই কাজ করছেন, তা-ও দেখা হবে। পাশাপাশি, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি আসানসোল (Asansol) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বাপ্পাদিত্য চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ওই এলাকায় জমি মাফিয়াদের বখরাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে দু’টি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। তা নিয়েই গোলমাল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: বন্ধ হোটেলে বহাল তবিয়তে চলছিল নামী কোম্পানির ভুয়ো লটারির টিকিট ছাপানো

    Asansol: বন্ধ হোটেলে বহাল তবিয়তে চলছিল নামী কোম্পানির ভুয়ো লটারির টিকিট ছাপানো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের রাজত্বে সবই সম্ভব, জাল হচ্ছে লটারির টিকিট। আসানসোলের (Asansol) কুলটি থানার অন্তর্গত জামতারার পুলিশ রূপনারায়ণপুরের মিহিজাম যাওয়ার প্রধান রোডের কাছে একটি বন্ধ হোটেলে অভিযান চালায়। যেখানে ভুয়ো অবৈধ ডিয়ার লটারির টিকিট ছাপানোর কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রচুর অবৈধ টিকিট সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে সাতজনকে গ্রেফতারও করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে লটারি আইনে মামলা করা হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য (Asansol)

    জামতারা (Asansol) পুলিশ সুপার অনিমেশ নাইথানি বুধবার মিহিজাম থানায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, “আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে কুলটি পুলিশের মাধ্যমে তথ্য পাওয়া গেছে মিহিজাম থানার অন্তর্গত আমোই রেলওয়ে আন্ডারপাসের কাছে বন্ধ হোটেলে নকল লটারি ছাপানো এবং বিক্রি করা হচ্ছে। টিকিট বিক্রেতারা রাজ্য সরকারকে ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা মুনাফার চক্র চালাচ্ছে। সেখানে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়।”

    গোপন সূত্রে অভিযান

    জামতারার (Asansol) পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসডিপিও আনন্দ জ্যোতি মিঞ্জ ও থানার ইনচার্জ ভাস্কর ঝা-এর নেতৃত্বে একটি দল গঠন করে অভিযান চালিয়েছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে বহু নকল লটারির টিকিট, লটারি তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, আটটি ল্যাপটপ, ১২টি ডিজিটাল প্রিন্টার, বিভিন্ন সাইজের তেরশো লটারির টিকিট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    আর কী কী উদ্ধার হয়েছে?

    হোটেলে ওই বন্ধ কারখানা থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু লটারির বান্ডিল, প্রিন্ট করা লটারির টিকিট সমেত সাতটি ব্যাগ, একটি ভারী কাগজের কাটিং মেশিন। তাছাড়া তিনটি ব্যবহৃত কার্তুজ, পাঁচটি বাইক ও দুটি প্রিন্টিং মেশিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযানে ওই বন্ধ হোটেল থেকে মোট সাতজনকে আটক করা হয়। ধৃতরা হল জামতারা নারায়ণপুর (Asansol) ভ্যালি সিমলার কুণাল মণ্ডল, বিশাল মণ্ডল, গোবিন্দপুর বেলাতন্ডের শিবু গোপ, হেমু মল্লিক, আদিত্য মল্লিক, অন্নত মল্লিক, আস্তিক অধিকারী। তবে এই হোটেলের মালিক চন্দন ঠাকুরকেও খোঁজ করেছে পুলিশ। এই ঘটনায়, পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা নং ৭৪/২৩, ৪ লটারি আইন ১৯৯৮ এবং ৭ (৩) লটারি নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯৮ এর অধীনে সাতজন এবং অন্যান্য আরও অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “এত অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী ৭ জনের মধ্যে ৪ জনের ডেথ সার্টিফিকেট দেননি” তোপ শুভেন্দুর

    Asansol: “এত অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী ৭ জনের মধ্যে ৪ জনের ডেথ সার্টিফিকেট দেননি” তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জের নারায়ণকুড়িতে খোলামুখ খনিতে অবৈদ্ধ কয়লা কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের সাথে দেখা করলেন রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার বিকালে নারায়ণকুড়ি এলাকায় এসে তিনি বলেন, “অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী, সেদিনের ঘটনায় ৭ জনের মধ্যে তিনজনকে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে, বাকি ৪ জনকে কোন ডেথ সার্টিফিকেট দেননি।” এক মাসের কিছু বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও পরিবারগুলির সাথে সরকারি কোনও আধিকারিক দেখা করতে আসেননি। তাই রাজ্য সরকারের মৃত্যু নিয়ে এই আচরণ বৈমাত্রেয় সুলভ বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায় সরব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Asansol)

    এই দিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী রানিগঞ্জে (Asansol) বলেন, “এই এলাকা একটা সময় শিল্পাঞ্চলের জন্য বিখ্যাত ছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারের নীতি না থাকায় বর্তমানে অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এখানে কেবলমাত্র কয়লা চুরির ঘটনায় কুখ্যাতি অর্জন করেছে। এই চুরির জন্য অনেকে জেলে গিয়েছেন আবার অনেকে জেলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু উল্লেখ্য এলাকায় সিবিআই এতো বড় দুর্নীতির তদন্ত করলেও এলাকার প্রশাসনের মদতে চলছে নতুন গেলাসে পুরাতন মদ। এলাকায় পুলিশের মদতে নতুন সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। স্থানীয় শাসক দলের নেতার পুলিশের সহযোগিতায় এই চুরির কারবারি চালাচ্ছেন। এলাকায় যাঁরা খনি অঞ্চলের কাজ করেন তাঁদেরকে কাজ দেওয়া হয়নি। বাইরে থেকে টাকার বিনিময়ে এলাকায় লোক ভাড়া করে কাজে লাগানো হচ্ছে। ফলে এলাকার মানুষের কর্ম সংস্থান নেই।”

    মৃতের সংখ্যা নিয়ে কারচুপি

    খোলামুখ খনি এলাকায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে কারচুপি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু আরও বলেন, “খনি অঞ্চলে (Asansol) ইএসএল কর্তৃপক্ষ এলাকার শাসক দলের চাপে সম্মিলিত ভাবে তৃণমূলের কাজকে সমর্থন করছেন। বিজেপি জেলা সভাপতির বাপ্পা এবং বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ আন্দোলন করা হয়। ধসের কারণে যাঁদেরে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের পরিবার পিছু ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। আজ যদি এলাকার মানুষেরা কাজের সুযোগ পেতেন তাহলে এই রকম বিপত্তি ঘটতো না। পশ্চিমবঙ্গে করোনা হোক, ডেঙ্গি হোক মৃতের সংখ্যা কম দেখানো এই মুখ্যমন্ত্রীর একটা রোগ। এতো মৃত্যু দেখালে সারা দেশে প্রচার হবে তাই মৃতের সংখ্যা নিয়ে রাজনীতি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই মারা গেছেন ৭ জন আর নাম পাঠানো হয়েছে ৩ জনের। তিনটে চেক এসেছে কিন্তু বাকি চারটে মৃত্যুর ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়নি পরিবারকে। আমরা আগামী ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রের কয়লা মন্ত্রীকে এই এলাকায় আসার জন্য অনুরোধ করব। এলাকার সমস্যা সমাধানে আমরা সকালের পাশে আছি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: নতুন বছরের শুরুতে পাঁচটি স্টেশনকে ঢেলে সংস্কারের উদ্যোগ, তালিকায় কাদের নাম রয়েছে জানেন?

    Asansol: নতুন বছরের শুরুতে পাঁচটি স্টেশনকে ঢেলে সংস্কারের উদ্যোগ, তালিকায় কাদের নাম রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতে আসানসোল (Asansol) ডিভিশনের পাঁচটি স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিল রেলমন্ত্রক। অমৃত ভারত প্রকল্পে এই উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। ইতিমধ্যে রেল মন্ত্রক অর্থ অনুমোদনও করেছে। আর সেই সব স্টেশনে কাজ শুরু হওয়ার পথে। নতুন করে পাঁচটি স্টেশনকে সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসীও খুশি।

    ঢেলে সংস্কার করা হচ্ছে কোন পাঁচটি স্টেশন? (Asansol)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব রেলের আসানসোল (Asansol) ডিভিশনের আসানসোল, রানিগঞ্জ, অন্ডাল, পাণ্ডবেশ্বর এবং ঝাড়খণ্ডের কুমারডুবি-এই পাঁচটি স্টেশনের আধুনিকীকরণের কাজ নতুন বছরের গোড়া থেকে শুরু হবে। এর জন্য রেল মন্ত্রক প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ইতিমধ্যেই আসানসোল স্টেশনে কাজ শুরু হয়েছে। শুরুতে অমৃত ভারত প্রকল্পে রানিগঞ্জ স্টেশনের নাম ছিল না। অথচ এই স্টেশন ১৮৫৫ সালে তৈরি হয়েছিল। হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল পর্যন্ত রেল চালু হওয়ার পর তা সম্প্রসারণের কাজ বর্ধমান হয়ে রানিগঞ্জ পর্যন্ত হয়েছিল। তাই, এলাকার মানুষ, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সরব হন। রেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। পরে এই স্টেশনের নাম নথিভুক্ত করা হয়।

    কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে?

    রেল সূত্রে খবর, রানিগঞ্জে চলমান সিঁড়ি, লিফ্‌ট, আধুনিক যাত্রী প্রতীক্ষালয়, পাণ্ডবেশ্বরে সৌন্দর্যায়ন, অন্ডালে লিফ্‌ট, চলমান সিঁড়ি, ফুট ওভারব্রিজ তৈরি হবে। পাশাপাশি, পাণ্ডবেশ্বর লাগোয়া ঝাঁঝরা, সোনপুর বাজারি খনি থেকে রেলের রেকে প্রচুর পরিমাণে কয়লা পরিবহণ করা হয়। তাই পাণ্ডবেশ্বর স্টেশনটির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেরও পরিকল্পনা রয়েছে রেলের। আর এই কাজের জন্য রানিগঞ্জের জন্য ৩৫ কোটি, পাণ্ডবেশ্বর স্টেশনের জন্য ২১ কোটি, অন্ডালের জন্য ২০ কোটি এবং কুমারডুবি স্টেশনের আধুনিকীকরণের জন্য ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, প্রথম ধাপে আসানসোলের (Asansol) সঙ্গে বাকি চারটি স্টেশনের কাজও চলবে। নতুন বছরেই কাজ শুরু হবে। আসানসোল রেল ডিভিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হল কুমারডুবি। সেখানে নতুন স্টেশন ভবন, অত্যাধুনিক যাত্রী প্রতীক্ষালয়, দু’টি চলমান সিঁড়ি, লিফট তৈরি করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল এই গান, বিকৃত করা হয়েছে” এ আর রহমানের প্রতি ক্ষোভ কবিতীর্থ চুরুলিয়ার

    Asansol: “স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল এই গান, বিকৃত করা হয়েছে” এ আর রহমানের প্রতি ক্ষোভ কবিতীর্থ চুরুলিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবি নজরুলের “কারার ওই লৌহ কপাট” গানটির নতুন করে সুরারোপন করেছেন এ আর রহমান। আর তা নিয়েই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। আর সেই প্রতিবাদের আঁচ ও নিন্দার ঝড় এসে পড়ল আসানসোলে (Asansol)। প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় কবি নজরুলের পরিবার থেকে বলা হয়, “কার ইন্ধনে রহমান সাহেব এই গানের বিকৃত করলেন জানি না। কিন্তু গানে স্বাধীনতার আবেগ রয়েছে। স্বাধীনতা মন্ত্রের কাজ করেছে এই গান, তাই তীব্র নিন্দা জানাই”। আসল গান গেয়ে এবং নিন্দা সূচক বার্তা দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কবি নজরুলের পরিবার। এই নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    চুরুলিয়ার নজরুল পরিবারের বক্তব্য (Asansol)

    কাজী নজরুল ইসলামের ভ্রাতুষ্পুত্র তথা নজরুল অ্যাকাডেমি চুরুলিয়ার (Asansol) সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “এই গান দেশমুক্তির আন্দোলনে বিপ্লবীদের প্রবলভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। গানের রচনা কাল ১৯২২ সাল। শুধুমাত্র ভারতবর্ষ নয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এই গান যোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করে। দুই দেশের স্বাধীনতার জন্য যে কয়টি দেশাত্মবোধক গান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এই গানটি।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এ আর রহমান অনেক বড় মাপের সঙ্গীত শিল্পী। কিন্তু তিনি এই গানটিকে বরবাদ করে দিয়েছেন। এই কাজ তিনি কি করলেন, নাকি কেউ কারালো? গানের সম্পূর্ণ ভাবধারা নস্যাৎ করে দিয়েছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।”

    আর কী বললেন?

    অন্যদিকে কবি নজরুল পরিবারের (Asansol) সদস্য বিশিষ্ট শিল্পী তথা সম্পর্কে কবির নাতনি সোনালী কাজী গানের বিষয়ে নিয়ে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা খুব মর্মাহত গানটি শুনে। এ আর রহমান একজন বড় মাপের শিল্পী। দেশের হয়ে তাঁর সঙ্গীত অস্কার পুরস্কার নিয়ে এসেছে। কিন্তু তিনি কার প্ররোচনায় এই রকম একটি কাজ করার সাহস পেলেন, সেটা আমরা জানতে চাইছি। গানের ঐতিহ্য এবং পরম্পরার তাৎপর্যকে মাথায় রাখা উচিত ছিল। অত্যন্ত অনভিপ্রেত ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলা ভাষায় কথা বলা গোটা বাঙালি সমাজ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তি পেয়ে কালীপুজোর দিনই মন্ত্র-তন্ত্রে বাঁধা পড়ে ভূতেরা! কোথায় জানেন?

    Asansol: ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তি পেয়ে কালীপুজোর দিনই মন্ত্র-তন্ত্রে বাঁধা পড়ে ভূতেরা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমাবস্যাতে অদ্ভূত এক ভূতের মুক্তির উপাখ্যান। আজও এক বটগাছকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে রয়েছে কত না কল্পকথা, কত বিশ্বাস, কত কাহিনী। এখানে মানুষের বিশ্বাস, মাত্র এক রাতের জন্য ভূতেরা মুক্তি পায় আসানসোলের (Asansol) পিয়ালবোড়োর শ্মশানঘাটে । বিগত ৭১ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই বিশ্বাস বহন করে চলেছেন এলাকাবাসীরা। ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তিলাভ, কিন্তু পরে কালীপুজোর দিনই ফের মন্ত্র-তন্ত্রে গাছে বাঁধা পড়ে ভূতেরা।

    গাছে ভূত বাঁধা রয়েছে (Asansol)!

    আসানসোলের (Asansol) মহিশীলা গ্রামের এক নম্বর কলোনির শ্মশানঘাটে ভূত চতুর্দশীর দিন থেকে সাজো সাজো রব। এই গাছেই ভূতেদের বেঁধে দিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপার প্রধান শিষ্য বনমালী ভট্টাচার্য। প্রায় ৭১ বছর আগের সে কাহিনী আজ মিথে পরিণত হয়েছে। মানুষের বিশ্বাস, গাছে বাঁধা পড়া অবস্থায় ভূতেরা আজও রয়ে গিয়েছে স্বমহিমায়।

    ভূতের উপদ্রব 

    আসানসোলের (Asansol) রায় পরিবাররের জমিদার তান্ত্রিক বনমালী ভট্টাচার্যকে জমি দান করেছিলেন আশ্রম গড়ে তোলার জন্য। মহিশীলার পিয়ালবোড়োর ওই শ্মশান সংলগ্ন নির্জন স্থানে তিনি নিজের সাধনার ক্ষেত্র গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু আশ্রম করতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। ওই স্থানে যে ভূতের উপদ্রব ছিল বিরাট! এমনই উপদ্রব যে গ্রামের কেউ মারা গেলে রাতে শ্মশানে নিয়ে যেতেও ভয় পেতেন গ্রামবাসীরা।

    কার্তিক অমাবস্যায় কালীপুজো হয়

    এখন আর আশ্রম স্থানে (Asansol) শ্মশান নেই। আছে আশ্রমের পঞ্চমুণ্ডির আসন। বনমালী ভট্টাচার্যের ছেড়ে যাওয়া আসনে পুজোর দায়িত্ব সামলাতেন শম্ভুনাথ ভট্টাচার্য। আর তার পরে দায়িত্ব নেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। তিনি পুজো করেন এবং সহযোগিতা করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কার্তিক অমাবস্যায় ভূত চতুর্দশীতে কালীপুজো করা হয় এখানে। এখন পুজো করেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। শিবা ভোগ ও ভৈরব ভোগ দান করা হয় মায়ের পুজোতে। ভোগের উপাচার মদ আর মাংস। কালীপুজোর পরে ভূতেদের বেঁধে দেওয়া হয়। এই রীতি আজও চলে আসছে পরম্পরা মেনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • School Teacher: ‘রাস্তার মাস্টার’ থেকে ‘গ্লোবাল টিচার’ জামুড়িয়ার দীপনারায়ণ! এলাকায় খুশির হাওয়া

    School Teacher: ‘রাস্তার মাস্টার’ থেকে ‘গ্লোবাল টিচার’ জামুড়িয়ার দীপনারায়ণ! এলাকায় খুশির হাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় পড়িয়ে ১৩০ টি দেশের মধ্যে শীর্ষ দশজনের চূড়ান্ত তালিকায় নাম নথিভূক্ত করে ফেলেছেন ‘রাস্তার মাস্টার’ বলে খ্যাত দীপনারায়ণ নায়ক (School Teacher)। তিনি গ্লোবাল টিচার প্রাইজ, ২০২৩ সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর বাড়ি আসানসোলের (Asansol) জামুড়িয়ার নন্ডি গ্রামে। বর্তমানে তিনি জামুড়িয়ার ১ নম্বর সার্কেলের তিলকা মাঝি আদিবাসী ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের পিছিয়ে থাকা মানুষদের শিক্ষিত করে তোলার স্বপ্নও ছিল তাঁর। তাই এলাকার ছেলে-মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার আলো পৌঁছানোর জন্য থ্রি জেনারেশন এডুকেশন শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা জেলা।

    কেন তিনি ‘রাস্তার মাস্টার’ (School Teacher)?

    বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা শিখিয়ে, পরিবারে মা-বাবা, দাদু-ঠাকুমাকে প্রাথমিক জ্ঞানের আলোতে শিক্ষিত করে তোলার ভাবনা ছিল দীপনারায়ণ নায়কের (School Teacher)। যখন বিশ্ব জুড়ে মহামারী করোনা আবহ, অফিস-আদালত থেকে স্কুল-কলেজ বন্ধ, সেই সময় তিনি রাস্তায় নেমে শিক্ষকতা শুরু করেন। তাঁর ইচ্ছাশক্তিকে কোনও বাধাই আটকে রাখতে পারেনি। করোনার সময় রীতিমতো সামজিক সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে, নিয়ম মেনে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকার (Asansol) ছেলে-মেয়েদের রাস্তার উপরেই পড়াতে শুরু করেন তিনি। আর এভাবেই তিনি ‘রাস্তার মাস্টার’ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।

    গ্লোবাল টিচার প্রাইজ সম্মানে ভূষিত রাস্তার মাস্টার

    এলাকায় (Asansol) ‘রাস্তার মাস্টার’ নামে পরিচিত দীপনারায়ণ নায়ক (School Teacher) পড়ানোর পাশাপাশি সামজসেবার কাজেও যুক্ত থাকতেন। দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পুষ্টিযুক্ত খাবারেরও ব্যবস্থা করতেন তিনি। আর এই সব কাজের জন্যই গ্লোবাল টিচার প্রাইজ ২০২৩ সম্মানে ভূষিত হন। মোট ১৩০ টি দেশের মধ্যে, শীর্ষ দশ শিক্ষকের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। আর তার মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকায় মনোনীত হন দীপনারায়ণ নায়ক। অভাবের সংসারে পড়াশুনা করে বড়ো হয়ে, এই বিশ্ব সম্মানের জন্য ভীষণভাবে আনন্দিত তাঁর স্ত্রী, মা-বাবা।

    মাস্টারের বক্তব্য

    আসানসোলের (Asansol) শিক্ষক দীপনারায়ণ (School Teacher) বলেন, “আমার এই মডেলে সাফল্য পেয়েছি। আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পরে বেশ আনন্দিত। এখানে যেমন ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষিত হচ্ছে, তেমনি তাঁদের পরিবারের বাবা, মা, দাদু, ঠাকুমারাও শিক্ষা লাভ করছেন। সমাজে বংশ পরম্পরায় বাহিত জ্ঞান, দর্শন, শিল্পকলা ইত্যাদিকে পরবর্তী সমাজের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার বিষয়েও পড়ানো হয়। সেই সঙ্গে আদিবাসী সামজের পুরাতন ঐতিহ্য সম্পর্কে, বিশেষভাবে পরিচয়ের প্রচেষ্টা রাখা হয়েছে। শিক্ষায় পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান বিষয় সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share