Tag: asansol

asansol

  • Durga Puja: মহালয়ার দিন একদিনের দুর্গাপুজোয় মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    Durga Puja: মহালয়ার দিন একদিনের দুর্গাপুজোয় মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশফুলের মাথা দোলানো, শরতের আকাশ -পুজোর আমেজ আরও বাড়িয়ে দেয়। মহামায়ার আরাধনায় মেতে থাকে আপামর বাঙালি। কিন্তু, দুর্গাপুজোর (Durga Puja) স্থায়ীত্ব যদি একদিন হয়? ভাবলেই মনটা বিষাদে ভরে ওঠে, শুনতে অবাক মনে হলেও এটা সত্যি। এই বংলাতেই হয়। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল হিরাপুরের ধেনুয়া গ্রামে বোধনের দিনেই বেজে ওঠে নবমীর নিষ্ঠুর সুর। পিতৃপক্ষের অন্তিমক্ষণে একদিনের জন্য বাড়ি আসেন উমা। পুজো নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাড়ি দেন কৈলাসের পথে।

    কীভাবে শুরু হয়েছিল এই পুজো? (Durga Puja)

    পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল হিরাপুর ধেনুয়া গ্রামে কালীকৃষ্ণ যোগাশ্রমে সত্তোরের দশকে আসাম থেকে তেজানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক মহারাজ আসেন। তিনি মহালয়ার দিন স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজোর (Durga Puja) সূচনা করেন। শুরু হয় একদিনের দুর্গাপুজো। মহালয়ার দিনেই পুজো নেন দেবী মহামায়া। কুমারীরূপে পুজো করা হয় দেবীকে। একদিনের পুজো শেষে হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। এখানে দেবী অসুরবিনাশিনি রূপে দেখা দেন না। দুই সখা, জয়া-বিজয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ি আসেন পার্বতী। জয়া-বিজয়ার সঙ্গে দেবী দুর্গার মূর্তি সচরাচর দেখা মেলে না এই বাংলায়। তবে এই ধরণের মূর্তির পুজো, বিশেষভাবে প্রচলিত রয়েছে বাংলাদেশে। অনেকের ধারণা, আসামের বাসিন্দা তেজানন্দ ব্রহ্মচারীর সঙ্গে নিবিড় যোগযোগ ছিল বাংলাদেশের। সেই কারণে বাংলার গ্রামে অসুর মর্দিনী রূপে দুর্গা পুজো না করে, কুমারী মহামায়ার মূর্তি আরাধনার জন্য বেছে নিয়েছিলেন তিনি।তেজানন্দ মহারাজের চালু করা নিময় মেনে এখনও ধেনুয়া গ্রামে হচ্ছে একদিনের দুর্গাপুজো। তবে এখন পুজো পরিচালনার সব দায়িত্ব রয়েছে গৌরী কেদারনাথ মন্দির কমিটির হাতে। ২০০৩ সাল থেকে এই পুজো পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে তাঁরা। ধেনুয়া গ্রামে কুমারী মহামায়ার পুজো হয় বৈষ্ণব মতে। যুগলমন্ত্র জানা কোনও পুরোহিত এই পুজো করেন। এই মন্দিরে পশুবলি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

    পুজোয় মেতে ওঠেন গোটা গ্রামবাসী

    কুমারী দুর্গা পুজোর (Durga Puja) জন্য আগে বিশেষ নিয়ম চালু ছিল ধেনুয়া গ্রামে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ২১ জন কুমারী মেয়েকে নিয়ে এসে পুজোর আয়োজন করত। তবে, সেই নিয়মে কিছুটা ভাটা পড়েছে এখন। যদিও পূর্বনির্ধারিত সব রীতি রেওয়াজ মেনে হয় ধেনুয়া গ্রামের একদিনের দুর্গাপুজো। স্থানীয় বাসিন্দাদের এই পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসাহ থাকে তুঙ্গে। পাশাপাশি, দূরদূরান্ত থেকে এই পুজো দেখতে ছুটে আসেন অনেকে। বাইরের মানুষের কাছে মহালয়ার এই দুর্গাপুজো বোনাস হলেও, স্থানীয়দের কাছে দেবীর দ্রুত গমন কিছুট মনখারাপের সাক্ষী হয়েই থাকে। দেবীর একদিন পরেই কৈলাস প্রস্থানের জন্য, মনঃকষ্টে ভোগেন গ্রামের মানুষ। পুজোর দিনে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন সকলে। তবে, দেবীপক্ষের সূচনার দিনে দেবীর প্রস্থান কাঁদিয়ে যায় ধেনুয়া গ্রামের মানুষকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “পুর নিগমে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি খুলে ফেলে মোদিজির ছবি লাগান” কেন বললেন সুকান্ত?

    Asansol: “পুর নিগমে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি খুলে ফেলে মোদিজির ছবি লাগান” কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বিজেপির পক্ষ থেকে আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কড়া ভাষায় আসানসোল কর্পোরেশনের পুরবোর্ডের সমালোচনা করেন তিনি। পুর নিগম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি খুলে ফেলার কথা বললেন। আসানসোল পুর নিগমের উন্নয়ন খাতে কেন্দ্র সরকার টাকা দিচ্ছে, তাই সেখানে মোদিজির ছবি লাগানোর কথা বলেন। সেই সঙ্গে বলেন, পুর নিগমে হবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি। 

    ইডি ও সিবিআইয়ের হানা নিয়ে কী বললেন (Asansol)?

    ইডি ও সিবিআই হানার প্রসঙ্গ তুলে এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কলকাতায় নেতাদের বাড়িতে ইডি ও সিবিআইয়ের রেড হচ্ছে। এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আসানসোলেও (Asansol) অভিযান হবে।” কয়েকদিন আগে রানীগঞ্জের নারায়ণকুড়িতে ধসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “সেখানে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন বলছে তিনজন মারা গেছে। কার্যত রাজ্য সরকার মৃত্যুর হিসাব নিয়ে মিথ্যাচার করছে।” তিনি বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পুরসভা দাবি না মানলে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারির দেন।

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত এদিন বলেন, “রাজ্য সরকার গত আড়াই বছরে এক টাকাও খরচ করেনি আসানসোল পুর নিগমের জন্য। দিল্লি থেকে মোদিজি আসানসোলবাসীর ঘরে ঘরে জল পৌঁছনোর জন্য ৫০০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। অথচ রাজ্য সরকার ঘরে ঘরে পানীয় জলের ব্যবস্থা করছে না। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে কোনও কর্মী নেই। কেবলমাত্র আসানসোল (Asansol) হাসপাতালে ডেঙ্গি পরীক্ষা হচ্ছে। রাজ্যে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি সংক্রমণের শিকার হয়েছে, তবুও রাজ্য সরকারের ঘুম ভাঙছে না। আমরা খাওয়া এবং চুরিতে বিশ্বাস করি না। তবে যে খাবে, তাকে ঠিক জায়গায় পাঠানোর কাজ বিজেপি করবে। মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বাহানা দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছেন না।”

    এদিনের এই বিক্ষোভ সমাবেশে সুকান্ত মজুমদার সহ জেলা সভাপতি বাপ্পা চ্যাটার্জি, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই, বিজেপি নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি ও আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি সহ উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনা প্রসঙ্গে আসানসোলের (Asansol) মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “কোনও অনুদানে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের একটা ভাগ থাকে। পুরো টাকাটাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে ট্যাক্স হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র। তারপর সেই টাকার একটা অংশ ফেরত দিচ্ছে রাজ্যে। তাহলে এটা কার দেওয়া হল?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: আসানসোলের গ্রামে সুপ্রাচীন ‘আদি দুর্গাপুজো’ চলে টানা ১৫ দিন ধরে!

    Durga Puja 2023: আসানসোলের গ্রামে সুপ্রাচীন ‘আদি দুর্গাপুজো’ চলে টানা ১৫ দিন ধরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশে বাতাসে পুজোর ছোঁয়া। দেবীপক্ষ শুরুর অপেক্ষায় মানুষ। তার মধ্যে শুরু গেল দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)। আসানসোলের গাড়ুই গ্রামে শুরু হয়ে গেল আদি দুর্গাপুজো। টানা ১৫ দিন ধরে চলবে এই পুজো। এমনই রীতি চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কৃষ্ণ পক্ষের নবমী থেকে গাড়ুই গ্রামে এই পুজো শুরু হয়। পুজো চলে মহা নবমী পর্যন্ত।

    গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন পুজো (Durga Puja 2023)

    কয়েক শতাব্দী ধরে এই পুজো চলে আসছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা অনিমেষ মুখার্জি বলেন, এটি গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন পুজো (Durga Puja 2023)। তাঁদের জন্মের আগে থেকে এই পুজো চলে আসছে। পূর্ব পুরুষরা এই পুজো করে আসছেন। এই পুজোর ইতিহাস সঠিকভাবে বলতে না পারলেও, তিনি জানিয়েছেন, কৃষ্ণপক্ষের নবমী থেকে এই পুজো শুরু হয়ে যায়। চলে ১৫ দিন ধরে। ১৫ দিন ধরে হয় পুজোপাঠ, চণ্ডীপাঠ। গ্রামের সকলেই এই পুজোর প্রতি ভক্তিশীল বলেও তিনি জানিয়েছেন। পুজোর যাবতীয় রীতিনীতি যতটা সম্ভব মেনে চলা হয়।

    আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন (Durga Puja 2023)

    এই পুজোর পুরোহিত বিপত্তারণ চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, পুজোটি (Durga Puja 2023) প্রায় পাঁচশো বছরের পুরনো। এটি একটি সাবেকি পুজো। সর্বজনীন যে সব পুজো হয়, এটা কিন্তু সেরকম নয়। এই পুজোর অনেকজন সেবাইত আছে, তারাই এই পুজোটা করে। এই পুজোর বেশ কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। নিষ্ঠা ভরে এই পুজো করতে হয়। এটি তাঁদের কাছে কোন উৎসব নয়। এটি শুধু তাঁদের কাছে পুজো। এই পুজোয় নবম্যাদি কল্পারম্ভ হয়। অর্থাৎ কৃষ্ণপক্ষের নবমী থেকে মহা নবমী পর্যন্ত এই পুজো চলে। প্রতিদিনই ভোগ হয়, আরতি হয়। দেবীপক্ষ শুরু হওয়ার আগে থেকেই গাড়ুই গ্রামের এই আদি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন। তবে আগে এই মন্দির পুরনো ছিল। পরে সবাই মিলে এর সংস্কার করেছে। ছোঁয়া লেগেছে আধুনিকতার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে কয়লা খনিতে ধস! চাপা পড়ে রয়েছেন কয়েকজন, আতঙ্ক

    Asansol: আসানসোলে কয়লা খনিতে ধস! চাপা পড়ে রয়েছেন কয়েকজন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ কয়লাখনিতে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েক জনের চাপা পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমনই খবর ছড়িয়ে পড়তে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক ঘটনা প্রসঙ্গে ইসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন। কিন্তু, আসলে ঘটনাটি কী এবং ঠিক কত জন এখনও পর্যন্ত চাপা পড়ে আছেন বা আদৌ চাপা পড়েছেন কি না তা নিয়ে সঠিক তথ্য ইসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। ঘটনার পর রাতেই এলাকাবাসী জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Asansol)

    বুধবার বিকেলে আসানসোলের (Asansol) রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ কয়লাখনিতে কয়লা সংগ্রহ করতে যায় বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। সেখানেই ধস নামে বলে স্থানীয়দের দাবি। আর তাতে চার থেকে পাঁচ জন চাপা পড়ে যান বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বংশগোপাল চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, আরও চার জন নিখোঁজ রয়েছে বলে তাঁর কাছে খবর এসেছে। রানিগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করছেন, তাঁদের পরিবারের লোকেরা চাপা পড়ে আছেন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপির আসানসোলের (Asansol) বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ধসে নিখোঁজ হওয়া পরিবারের পাশে যান। তাঁর সামনে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের লোকেদের কান্নাকাটিও করতে দেখা গিয়েছে। বিজেপি বিধায়ক বলেন, পেটের জ্বালায় গ্রামের মানুষজন দু’-চার বস্তা কয়লা বের করে বিক্রি করে সংসার চালান, রাজ্য সরকার তো কাজের ব্যবস্থা করেনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা এই কাজ করে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। প্রশাসন দেখি কী ব্যবস্থা নেয় দেখার পর আরও বড় আন্দোলন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে এখনও সংরক্ষিত গান্ধীজির চিঠি! কী লিখেছিলেন তিনি?

    Asansol: ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে এখনও সংরক্ষিত গান্ধীজির চিঠি! কী লিখেছিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ অক্টোবর গান্ধী জন্মজয়ন্তী। গান্ধীজির সঙ্গে বঙ্গের আসানসোল (Asansol) বা রানীগঞ্জের যে সংযোগ ছিল, তার উল্লেখ অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে খুবই ভালোভাবে অবগত। সেই গান্ধীজির যুগের স্পর্শ রয়েছে আসানসোলের একটি স্কুলেও। তার আগে জানতে হবে আরও একটি বিষয়। জানেন কি আসানসোলে প্রথম তৈরি হয়েছিল সেপটিক ট্যাঙ্কের ফরমুলা, যা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন স্বয়ং গান্ধীজি! সেটি পাওয়ার পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আবার একটি চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। গান্ধীজির পাঠানো এই চিঠি আজও শোভা পাচ্ছে আসানসোলের ওই স্কুলগাত্রে।

    গান্ধীজি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কোন স্কুলে (Asansol)?

    গান্ধীজির পাঠানো চিঠি রাখা হয়েছে আসানসোলের (Asansol) ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে। এক সময় এই বিদ্যালয়টি ছিল খ্রিস্টান পরিচালিত, যা স্বাধীনতার পূর্বের সময়ের ইতিহাস বহন করেছে। জেলার অন্যতম পুরনো বিদ্যালয়, যেখানে পড়ুয়াদের জন্য প্রথম তৈরি হয়েছিল শৌচালয়ের সেপটিক ট্যাঙ্ক ফরমুলা, যা বর্তমানে বহুলভাবে প্রচলিত। সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষয়টি জানতে পেরে গান্ধীজি সেই ফরমুলা চেয়ে পাঠান। গুজরাটের সবরমতীতে গান্ধীজির আশ্রমের শৌচালয়ের জন্য এই ফরমুলা তিনি চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। তখন উষাগ্রাম বয়েজ হাইস্কুলের দায়িত্বে ছিলেন হিলিয়াম বায়ার্স। তাঁকেই প্রথম চিঠি পাঠিয়েছিলেন গান্ধীজি। এরপর যে ইঞ্জিনিয়ার ওই সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরি করেছিলেন, তিনি ফরমুলা পাঠিয়েছিলেন গান্ধীজিকে। পরিবর্তে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে একটি চিঠি গান্ধীজি পাঠিয়েছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে। এই চিঠি আজও সংরক্ষিত স্কুলে।

    বর্তমানে এই চিঠি সংরক্ষিত স্কুলে

    সঠিকভাবে সাল না জানা গেলেও, আনুমানিক স্বাধীনতার বেশ কয়েক বছর আগের এই ঘটনা বলে দাবি করা হয়। গান্ধীজির পাঠানো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা এই চিঠিটি ছিল হিলিয়াম বায়ার্স-এর পরিবারের কাছে। ২০১১ সালে হিলিয়াম বায়ার্সের নাতি এই চিঠিটি বিদ্যালয় (Asansol) কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করেন। আর তারপর থেকে গান্ধীজির পাঠানো এই চিঠি সাজিয়ে রাখা আছে বিদ্যালয়ে। গান্ধীজীর পাঠানো এই চিঠি বিদ্যালয়ের সঙ্গে গান্ধীজির যোগের প্রত্যক্ষ প্রমাণ বলেই দাবি করা হয়।

    স্কুলের প্রতিক্রিয়া

    ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলের (Asansol) কমিটির সম্পাদিকা সুশীলা মল্লিক বলেন, “হিলিয়াম বায়ার্সের নাতি ২০১১ সালে একটি বই আকারে গান্ধীজির চিঠিটি পাঠান। এরপর স্কুলের প্রেস থেকে ফেস্টের সময় ছাপিয়ে স্কুলের দেওয়ালে সেটি লাগানো হয়। ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত জায়গা হল এই স্কুল।” স্কুলের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক সঞ্জীব নস্কর বলেন, “আমাদের স্কুলেই প্রথম স্যানিটারি বিষয়টি এসেছিল। গান্ধীজি লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাঁর আশ্রমে প্রয়োগ করেন। সমাজে স্বচ্ছতা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সেই সময় থেকে গান্ধীজি সচেতন ছিলেন। বাপুর এই চিঠি, স্কুলের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে ফের সক্রিয় গরু পাচার চক্র! ধরলেন এলাকাবাসী, পুলিশ কী করছিল?

    Asansol: আসানসোলে ফের সক্রিয় গরু পাচার চক্র! ধরলেন এলাকাবাসী, পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহারে। সিবিআইয়ে কড়া নজরদারিতে গরু পাচার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া এতদিন আসানসোল সিবিআই গরু পাচার মামলা চলছিল। এবার সেই মামলা আসানসোল (Asansol) সিবিআই আদালত থেকে মামলা দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এবার ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গরু পাচার চক্র। তবে, পুলিশ প্রশাসন গরু পাচার রুখতে কতটা সক্রিয় তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও সাধারণ মানুষ এই বেআইনী কারবারের বিরুদ্ধে এককাট্টা। বুধবার রাতেই আসানসোলের জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকা থেকে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় গরু বোঝাই ট্রাক আটক হওয়ার ঘটনা সেকথা প্রমাণ করেছে। পুলিশ নয়, স্থানীয় বাসিন্দারা গরু পাচার হওয়া গাড়ি আটক করেন। ফলে, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Asansol)

    বুধবার রাতেই আসানসোলের (Asansol) জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকা থেকে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় গরু বোঝাই একটি ট্রাক যাচ্ছিল। গাড়িটিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। অভিযোগ, বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই গরু নিয়ে যাওয়ার জন্য বুধবার রাতে জাতীয় সড়কের উপর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। উদ্ধার করা হয় ৩১টি গরু। এরমধ্যে ট্রাকে ১৮টি গরু এবং ১৩টি বাছুর ছিল। আপাতত স্থানীয় একটি গোশালায় গরুগুলিকে রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ট্রাকটির নম্বর পশ্চিমবাংলার। তাই ঝাড়খণ্ড থেকে লরিটি ঢুকে কোথায় যাচ্ছিল তা স্পষ্ট নয়। ওই লরিতে যে ভাবে গাদাগাদি করে গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাতে দু’টি বাছুর অচেতন হয়ে যায়। আরও বেশ কয়েকটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা গরু পাচারের অভিযোগে ট্রাকটি আটক করেন। পরে, সেই গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। গরুগুলিকে নিরাপদ জায়গায় রাখা হয়েছে। কোথায় থেকে এই গরুগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ট্রাকের চালক এবং খালাসি পালিয়ে যাওয়ায় কাগজপত্র হাতে আসেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: মমতার স্পেন সফরকে যেন বিদ্রুপ করছে ১৩ বছর বন্ধ থাকা আসানসোলের ব্লু ফ্যাক্টরি!

    Asansol: মমতার স্পেন সফরকে যেন বিদ্রুপ করছে ১৩ বছর বন্ধ থাকা আসানসোলের ব্লু ফ্যাক্টরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্লু ফ্যাক্টরি নিয়ে এখনও স্বপ্ন দেখছেন অবশিষ্ট কয়েকজন শ্রমিক। আসানসোলের (Asansol) ধাদকা এলাকায় অবস্থিত এই ব্লু ফ্যাক্টরিতে একটা সময় কাজ করতেন শত শত শ্রমিক। আর সেই সময় বিশ্বকর্মা পুজো মানেই তিন দিন ধরে অনুষ্ঠান চলত এই কারখানায়। কত লোকের যাওয়া-আসা, লাইট, প্যান্ডেল, ধুমধাম করে জাঁকজমকপূর্ণ পুজো হত এই কারখানায়। চলত দেদার প্রসাদ বিতরণ এবং খাওয়াদাওয়া। এখন বন্ধ কারখানা কবে খুলবে, সেই আশায় প্রহর গুনছেন শ্রমিকরা।

    কারখানা বন্ধ বলে কি আড়ম্বরবিহীন বিশ্বকর্মা পুজো (Asansol)?

    আজ থেকে এক দশকের বেশি সময় আগেই ঘুচে গেছে সেই সব স্বর্ণ-উজ্জ্বল বিশ্বকর্মা পুজোর দিনগুলি। এখন শুধুই বন্ধ কারখানা (Asansol)। তাই নিরাপত্তা রক্ষীদের পাহারা দেওয়া ছাড়া আর কোনও কাজ নেই কারখানায়। অবশিষ্ট কয়েকজন শ্রমিক ছাড়া এই কারাখানায় আর কেউ নেই। বিশ্বকর্মা পূজোতেও নেই কোনও জাঁকজমক এবং আড়ম্বর। নিয়ম রক্ষা করতেই কেবল পুজো করা, ঠিক এমনটা জানাচ্ছে নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। সময়ের কালে জরাজীর্ণ ভগ্নদশায় আচ্ছন্ন এই কারখানা। ব্লু ফ্যাক্টরির শ্রমিক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা কারখানাকে কেন্দ্র করে নতুন কিছুর আশায় বুক বাঁধছেন। কারাখনা বন্ধ হওয়ায় এলাকার অনেক মানুষের কাজ চলে গেছে। মানুষকে বিকল্প কাজের সন্ধান করতে হয়েছে। সবটা মিলিয়ে অনাড়ম্বর বিশ্বকর্মা পুজো কার্যত বন্ধ কারখানায় কর্মহীনতার প্রতীক।

    কারখানার শ্রমিকের বক্তব্য

    কারখানার এক শ্রমিক নিমাই বাউরি বলেন, “আজ ১৩ বছর ধরে কারখানা বন্ধ। মাত্র কয়েকজন শ্রমিক এই কারখানায় কাজ করেন। আমরা কেবল কয়েকজন মিলে কারখানাকে পাহারা দিচ্ছি। কর্তৃপক্ষ আজ, কাল, পরশু বলে বন্ধ কারখানা খোলার কথা বললেও এখনও পর্যন্ত কোনও সদর্থক ভূমিকা চোখে পড়েনি।” কারখানার নামে আদালতে কেস চলেছে বলে জানা গেছে। তবে মালিক পক্ষ কেসের পরিণতি নিয়ে কিছুই বলছেন না। কেসের সমাধান কবে হবে, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে জানা যাচ্ছে না। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “কারখানার পারিকাঠামো দিন দিন ভেঙে পড়ছে। কারখানায় কোনও বিদ্যুতের পরিষেবা নেই। জরাজীর্ণ এই কারখানা কবে প্রাণ ফিরে পাবে, সেই আশায় আমরা দিন গুনছি। আপাতত আমরা ছোট্ট করেই বিশ্বকর্মা পুজো করছি। মালিক পক্ষ এই পুজোর জন্য কোনও সহযোগিতা করেছেন না। আগে বিরাট ধুমধাম করে পুজো হত। এই বন্ধ কারখানার  তালা কবে খুলবে, সেই আশায় দিন গুনছি আমরা”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: জিতেন্দ্রর আসানসোলে ঢুকতে বাধা নেই, হাইকোর্ট কী শর্ত দিল জানেন?

    Asansol: জিতেন্দ্রর আসানসোলে ঢুকতে বাধা নেই, হাইকোর্ট কী শর্ত দিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র| তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারির আর আসানসোলে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা রইল না। আদালতের নির্দেশে তিনি এই শহরে ঢুকতে পারতেন না। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে আসানসোলে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে। তাঁকে হাইকোর্টের তরফে এই ছাড় দেওয়ার যদিও ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যা তাঁকে মেনে চলতে হবে।

    বিজেপি নেতাকে কী কী শর্ত দিল হাইকোর্ট?(Asansol)

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলের (Asansol) রেলপারের রামকৃষ্ণ ডাঙালে কম্বল বিতরণ করার সময় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় মৃত এক মহিলার ছেলের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থেকে আসানসোল পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি, তাঁর স্ত্রী আসানসোল পুরনিগমের বিজেপি কাউন্সিলার চৈতালি তেওয়ারি,একাধিক কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। কয়েক মাস পরে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি হয়ে আনা হয়েছিল আসানসোলে। তারপর তাঁকে পরে কলকাতা  হাইকোর্ট জামিন দিলেও আসানসোলের ঢোকার অনুমতি দেয়নি। তাঁকে শুনানির দিনে আসানসোল জেলা আদালতে মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এসে হাজিরা দিতে হত। পরে আসানসোলে আসা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জিতেন্দ্র তেওয়ারি আবেদন জানিয়েছিলেন।

    কী বললেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি?

    এই প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন,  এদিন কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আমার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন আসানসোলে (Asansol) আমার আসার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকল না। এখানেই আমার আবাসনও  আছে। কোনও কর্মসূচি করার ক্ষেত্রেও আর অসুবিধা নেই। তবে, প্রতি ১৫ দিন পর পর একবার করে আমাকে এই মামলার তদন্তকারী জ অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আদালতের সব নির্দেশ আমি মেনে চলব। উল্লেখ্য, এই মামলাতেই তাঁর স্ত্রী এবং একাধিক কাউন্সিলররা যুক্ত থাকলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন ধরে ঝিরঝিরে বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন আসানসোলের (Asansol) কুমোরটুলির পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো, তার আগে রয়েছে গণেশ পুজো ও বিশ্বকর্মা পুজো। তাই বাজারের চাহিদা মেনে আসানসোলের মহিশিলা কলোনিতে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন চরমে। যদিও তাঁদের প্রতিমা তৈরি ও তুলির টানে প্রতিবন্ধকতা শুরু করেছে নিদারুণ আবহাওয়া।

    মৃৎশিল্পীদের প্রতিবন্ধকতা কেমন (Asansol)?

    স্থানীয় (Asansol) সূত্রে জানা গেছে, একদিকে মূর্তি তৈরির কাঁচামালের ক্রমশ মূল্যবৃদ্ধি, অপরদিকে টানা দু-তিনদিনের মেঘলা আবহাওয়া ও বৃষ্টির জেরে, প্রতিমার কিছু অর্ডার বাতিল করতে হয়েছে। মহিশিলা কুমারটুলির মৃৎশিল্পী হরিরঞ্জন পাল বলেন, বর্তমানে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠাকুর গড়ার ক্ষেত্রে বাইরে থেকে চড়া দামে মাটি নিয়ে আসতে হচ্ছে। তার উপর বর্ষার কারণে বাইরে প্রতিমা রাখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে ভীষণ ভাবে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। একদিকে রয়েছে ঠিক সময়ে প্রতিমা গুলি তৈরি করে দেওয়ার চাপ। আবার অন্যদিকে বর্ষণের জেরে কাজে বিড়ম্বনা। সবটা মিলে এক প্রকার সমস্যার মধ্যেই পড়েছেন এই মৃৎশিল্পীরা।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Asansol) এক মৃৎশিল্পী গীতা রুদ্র পাল জানিয়েছেন, এই বছর খারাপ আবহাওয়ায় অনেক সমস্যায় পড়েছি আমরা। বৃষ্টির জন্য ঠাকুর বাইরে বের করে রৌদ্রে দিতে পারছি না। তাছাড়া ঠাকুরের নতুন বায়না নিতে ভয় লাগছে। কারণ বৃষ্টিতে মাটি ভেজা থাকলে, ঠিক করে মাটি শুকনো না হলে, সময়ে তৈরি করা সম্ভব হবে না মূর্তি। তাছাড়া আগের থেকে ঠাকুরের দাম ঠিক ভাবে মিলছে না এই বছরে। মাটির তৈরি মূর্তির দাম কম দিতে চায় সকলে। তিনি আরও বলেন, বাঁশের দাম অনেক বেশি। ডায়মন্ড হারবার, কালনা থেকে গাড়িতে করে মাটি আনাতে হচ্ছে। এক গাড়ি মাটির দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ প্রতিমার দাম সেই ভাবে মেলে না। তাই তিনি বলেন, সবটা মিলিয়ে সমস্যার মধ্যেই রয়েছি। সরকারের কাছে কিছু সাহায্যের জন্য আবেদন করব ভাবছি।

    সমস্যার মধ্যেও রোজগারের আশা

    আসানসোল (Asansol) শহরের বাজারগুলিতে বিভিন্ন পুজোর সময় চাহিদা অনুযায়ী ঠাকুরের জোগান দিয়ে থাকেন আসানসোল কুমারটুলির এই মৃৎশিল্পীরা। এবারের এই বর্ষণের জেরে প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে আবহাওয়ার প্রতিকূলতা অনেকটাই সমস্যা তৈরি করেছে। তবে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েও উৎসবকে সামনে রেখে, রোজগারের পথ দেখছেন আসানসোলের মহিশিলা কলোনির কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আশা কর্মীদের জুতো মারার নিদান বিএমওএইচ-এর! বিক্ষোভে উত্তাল ব্লক হাসপাতাল

    Asansol: আশা কর্মীদের জুতো মারার নিদান বিএমওএইচ-এর! বিক্ষোভে উত্তাল ব্লক হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশা কর্মীদের জুতো মারা এবং চটি পেটার নিদান ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের (Asansol)। এই অভিযোগে উত্তাল সালানপুরপুর ব্লক হাসপাতাল। সালানপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে আশা কর্মীরা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন। আশা কর্মীদের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটরের কাছে দিলেন স্মারকলিপি। বিএমওএইচ-এর এই মন্তব্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন আশা কর্মীরা। যদিও এদিন সালানপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অভিযুক্ত বিএমওএইচ সুব্রত সিট হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। আশা কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর যতক্ষণ না বিএমওএইচ তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছেন, ততক্ষণ তাঁরা নিজেদের কাজে যোগ দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    কী অভিযোগ জানালেন আশাকর্মীরা (Asansol)? 

    অন্যদিকে ডিস্ট্রিক্ট (Asansol) আশা কো-অর্ডিনেটর অমিত গুহ জানিয়েছেন, আশা কর্মীদের দেওয়া এই স্মারকলিপির বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানাবেন। আশা কর্মী চুমকি চ্যাটার্জি ও রেখা নন্দীরা জানিয়েছেন, ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। পর্বতপুর এলাকার একজন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। সেই টিকা দেওয়ার পর জ্বরে আক্রান্ত হয় ওই শিশুটি। পরে ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে স্বাস্থ্য কর্মীদের গাফিলতির অভিযোগ জানানো হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম দফায় স্বাস্থ্যকর্মীরা শিশুটির পরিবারের লোকেদের কাছে মার্জনাও চেয়ে নেন। এরপর ফের ওই স্বাস্থ্য কর্মীদের ব্লক হাসপাতালে ডেকে অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন বিএমওএইচ। পরিবারের সদস্যদের নিদান দেন, স্বাস্থ্য কর্মীদের জুতো মারা ও চটি পেটার। এমনই অভিযোগ বিক্ষোভকারী আশা কর্মীদের।

    মদ্যপ ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক (Asansol)?

    গোটা ঘটনাটি মদ্যপ অবস্থায় সালানপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক (Asansol) সুব্রত সিট ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ আশা কর্মীদের। যদিও শেষ পর্যন্ত উত্তেজনার খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসে সালানপুর থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ পর আশা কর্মীরা তাঁদের বিক্ষোভ তুলে নেন। তবে বিএমওএইচ ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত কাজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আশা কর্মীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share