Tag: asansol

asansol

  • Asansol: চারটি বন্দে ভারতের ইঞ্জিন তৈরির বরাত পেল চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ

    Asansol: চারটি বন্দে ভারতের ইঞ্জিন তৈরির বরাত পেল চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) এবার বন্দে ভারতের ইঞ্জিন তৈরি করবে চিত্তঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানা। ইতিমধ্যে চারটি বন্দে ভারতের ইঞ্জিন নির্মাণের বরাত তারা পেয়েছে। শুক্রবার এমনটাই দাবি করলেন আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। এই ইঞ্জিন তৈরির বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র উচ্ছ্বাসের আবহ জেলায়।

    চিত্তরঞ্জনে তৈরি হবে বন্দে ভারত (Asansol)

    সূত্রে জানা গেছে, চিত্তঞ্জন লোকোমোটিভ কারখানার (Asansol) জেনারেল ম্যানেজার দেবীপ্রসাদ দাসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে এসেছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। সেখানেই বন্দে ভারতের ইঞ্জিন তৈরি নিয়ে ইতিবাচক কথা হয়েছে। ফলে বন্দে ভারতের ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনায় এবার বাংলার নাম যুক্ত হয়ে গেল।

    অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্য

    বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, বন্দে ভারত দেশের গর্ব। সেই জায়গায় আসানসোলের (Asansol) চিত্তঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানায় বন্দে ভারত নির্মাণের বরাত পাওয়ার দিকটি আরও বেশি গর্বের। তিনি বলেন, শতাব্দীপ্রাচীন এই কারখানায় মোট চারটি ইঞ্জিন তৈরির বরাত এসেছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে এই কারখানায় ইঞ্জিন তৈরি হবে বলে। এমনকি ইঞ্জিনের বিশেষ ডিজাইনিং এখানেই করা হবে। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ভবিষ্যতে কীভাবে ট্রেন তৈরি হয়, সেই বিষয়টি দেখার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। তিনি সুযোগ পেলে কারখানায় ইঞ্জিন তৈরির দিকটাও নিজে এসে দেখে যাবেন।

    বাংলায় বন্দে ভারত

    পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বন্দে ভারত ট্রেন চলছে। হাওড়া-জলপাইগুড়ি, হাওড়া-পুরী, নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত। যাত্রীদের মধ্যেও দেখা গেছে এই ট্রেন নিয়ে বেশ উদ্দীপনা। সূত্রের খবর, পুজোর আগেই হাওড়া-পাটনা, হাওড়া-রাঁচি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস খুব তাড়াতাড়ি চালু হবে। আসানসোলে (Asansol) রেলের ইঞ্জিন তৈরি শুরু হওয়ায় বাংলার যোগদান আরও বৃদ্ধি পেল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সেই কারণেই অনেকে মনে করছেন, এটা শুধু ওই জেলার নয়, গোটা বাংলার পক্ষেই গর্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Asansol: কুলটি বোরোতে ৮৭ লাখ টাকা উধাও, এফআইআর নিয়ে টালবাহানা মেয়রের, সরব বিজেপি

    Asansol: কুলটি বোরোতে ৮৭ লাখ টাকা উধাও, এফআইআর নিয়ে টালবাহানা মেয়রের, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের কুলটি বোরো অফিস থেকে ৮৭ লাখ টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার কথা ওঠে, পুরনিগমের গত মাসের বোর্ড সভায়। এই বিশাল অঙ্কের টাকা উধাও হয়ে যাওয়ায় এবার বিরোধীদের নিশানায় শাসকদল তৃণমূল। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের বাঁচাতে মেয়র থানায় এফআইআর করছেন না।

    কী ভাবে ঘটল ঘটনা (Asansol)?

    পুরনিগমের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেসের কাউন্সিলর গুলাম সরোবর বোর্ড মিটিং এ এই টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার কথা তোলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কুলটি বোরো অফিসের অর্থ বিভাগের প্রায় ৮৭ লাখ টাকা পুরনিগমে জমা দেয়নি। বিভাগের কর্মীরা এই টাকা খেয়ছে। এই বিষয়ে ৩ জানুয়ারি ২০২১ সালে স্থানীয় কুলটি (Asansol) থানায় জেনারেল ডায়েরি হয়েছিল। এখনও কোনও এফআইআর হয়নি কেন? জানতে চান গুলাম সরোবর। তাঁর আরও দাবি, পুরনিগমের অর্থ বিভাগের দায়িত্ব নিয়মিত পরীক্ষা করা। কিন্তু সেই দপ্তরের আধিকারিক বা কর্মীরা কেন তার উপর নজর দেয়নি! একই ভাবে সরব হয়ে প্রতিবাদী হয়েছে বেজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই অভিযোগে সরব হয়ে বিজেপির কাউন্সিলার চৈতালি তিওয়ারি জানিয়েছেন, ২০২১ সালে কুলটি বোরোতে (Asansol) ৮০-৯০ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু এই অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত সরকারি আধিকারিকরা কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না! প্রশ্ন করেন। মেয়র সব দুর্নীতির কথা শুনে কেন সক্রিয় হননি! কেন দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হল না। তাহলে কী এই টাকা চুরির মধ্যে কোনও তৃণমূলের নেতারা জড়িয়ে রয়েছেন। ঠিক এইভাবেই অভিযোগ করে বিজেপি নেত্রী কাউন্সিলার চৈতালি তিওয়ারি।

    আসানসোল মেয়রের বক্তব্য

    আসানসোল (Asansol) মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, বোর্ড মিটিংয়ে এই অভিযোগ ওঠে, তাঁর মেয়র হওয়ার বহু পূর্বে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানান। বোর্ড মিটিংয়ে টাকা লোপাটের কথা ওঠায় সেই বিষয়ে তিনি জানতে পারেন। তিনি আরও বলেন, বোর্ড মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে এই টাকা লোপাটের ঘটনার জন্য আসানসোল পুরনিগম থানায় এফআইআর করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Asansol: তৃণমূল প্রধানের পদ বিক্রি হচ্ছে ৩০ লাখে! জিতেন্দ্র তেওয়ারির অভিযোগে শোরগোল

    Asansol: তৃণমূল প্রধানের পদ বিক্রি হচ্ছে ৩০ লাখে! জিতেন্দ্র তেওয়ারির অভিযোগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন, ভোট, গণনা ও ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী ও কর্মীরা। জামুরিয়ায় ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি। ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি।

    ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে জিতেন্দ্র তেওয়ারি (Asansol)

    রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়ি-ঘরছাড়া, লুটপাট, আক্রমণ, বাড়িঘর ভাঙচুর, খুন, হত্যা, মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় বারবার বিজেপি সরব হয়েছে। এই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা কেমন আছেন, তা দেখতেই বৃহস্পতিবার জামুরিয়া (Asansol) বিধানসভা অন্তর্গত তপসি বাহাদুরপুর লালগোলা সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীদের সাথে দেখা করলেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি। বিজেপি কর্মী ও এলাকাবাসীদের বাড়ি গিয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, যেভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চলেছে এবং ভোট লুট হয়েছে রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ করা উচিত। তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই! সমস্তটাই চলে গেছে কয়লা চোর, বালি চোর, লোহা মাফিয়াদের হাতে। সারা রাজ্য জুড়ে এক অগণতান্ত্রিক এবং হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে কী বললেন?

    এদিন জিতেন্দ্র তেওয়ারি তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস গ্রাম পঞ্চায়েতে হিংসার আশ্রয় করে জয়লাভ করেছে। এই নির্বাচনে টাকা দিয়ে টিকিট বিক্রি করেছে তৃণমূল। প্রার্থীর পদ বিক্রির দর উঠেছে পঞ্চায়েত প্রধানের পদের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা। এই টাকা দেবে কয়লা চোর, বালি চোরেরা। তাদের হাতেই পঞ্চায়েত চালানোর দায়িত্ব থাকবে। সাধারণ মানুষ যেমন আগেও বঞ্চিত হয়েছে, এবারও বঞ্চিত হবে বলে তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, বিজেপি একটি বড় পরিবার। ভোটের পর সকল সদস্যরা কেমন আছেন, তা জানতেই জামুরিয়াতে এসেছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়া থেকে ভোট পরবর্তী হিংসা সকল স্তরেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। তাই তাঁদের সাথে দেখা করাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান ও সমিতির সদস্যদের পদ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় (Asansol) তৃণমূল নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ফের ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত স্কুলের কর্মী! তীব্র শোরগোল আসানসোলে

    Asansol: ফের ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত স্কুলের কর্মী! তীব্র শোরগোল আসানসোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) এক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল স্কুলের এক কর্মীর বিরুদ্ধেই। সামজিক গণমাধ্যমে এই ঘটনা ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্কুলের অভিভাবকরা। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে স্কুলে তীব্র উত্তেজনা। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানা গেছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Asansol)?

    আসানসোল উমারানি গরাই মহিলা কল্যাণ স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ওই স্কুলের এক কর্মী। শ্লীতাহানির কথা সামজিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। এরপর শুরু হয় স্কুলের সামনে প্রতিবাদ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। এরপর অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে অভিভাবকদের ধস্তাধস্তি হয়। এর পাশাপাশি আসানসোলের জিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় অভিভাবকরা। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনায় জড়িতের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে। শেষে পুলিশের আশ্বাসে পথ অবরোধ উঠে যায়। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

    অভিভাবকদের বক্তব্য

    এক অভিভাবক (Asansol) দেবযানী চন্দ বলেন, ঘটনা অনেকদিন আগেই ঘটেছে। আমাদের একটি গ্রুপে বিশেষ মেসেজ এসেছে, স্কুলের এক বাচ্চার সঙ্গে অভব্য আচরণ করছে প্রদীপ দাস নামক এক স্কুলের কর্মী। তাই অভিযুক্তের শাস্তি হওয়াটা ভীষণ দরকার। স্কুল থেকে আমাদের আজ সকল অভিভাবকদের ডাকা হয়। আর তাই আমরা স্কুলে এসেছি। আমরা চাই দোষীর অবিলম্বে শাস্তি হোক।

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    স্কুলের (Asansol) শিক্ষিকা পাপড়ি ব্যানার্জি বলেন, আমি এখনও পরিষ্কার করে কোনও অভিযোগ পাইনি। কে, কার বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ করছেন, সেই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। স্কুলের অভিভাবকদের ডেকেছি বিষয়টি জানবার জন্য। কিন্তু এতো উত্তেজিত পরিস্থিতিকে সামলাতে এবং স্কুলের পরিবেশকে ঠিক রাখতে পুলিশ ডেকেছি। কেউ অভিযুক্ত থাকলে অবশ্যই গ্রেফতার হবেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    উত্তেজিত জনতাকে সামাল দিতে পুলিশের এক আধিকারিক (Asansol) বলেন, আপনারা কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। অভিযুক্ত স্কুলের কর্মীকে আজই গ্রেফতার করা হবে। প্রদীপ দাস নামক এক ব্যাক্তির নাম পাওয়া গেছে, যাকে আজই আমরা ধরব। আপনারা শান্ত থাকুন! পুলিশের উপর ভরসা রাখুন। পুলিশকে কাজ করতে দিন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর ধারা প্রয়োগ করা হবে। তবে কোনও অভিযোগ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, এখনও কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে তৃণমূল কাউন্সিলার এবং বিধায়কের কোন্দল প্রকাশ্যে! তীব্র শোরগোল

    Asansol: আসানসোলে তৃণমূল কাউন্সিলার এবং বিধায়কের কোন্দল প্রকাশ্যে! তীব্র শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন আসানসোলের (Asansol) ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার অশোক রুদ্র। তিনি সরাসরি রানিগঞ্জের তৃণমূলের বিধায়ক তাপস ব্যানার্জির নাম নিয়ে অভিযোগ করেন। এই বিষয়ে অশোক রুদ্র বলেন, তাপস ব্যানার্জি আমার ওয়ার্ডে যে কোনও পোগ্রামে আসেন, কিন্তু সব প্রোগ্রামেই আমায় বাদ দিয়ে আসেন, আমায় কিছুই জানান না। এই বিষয়ে আমি উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছি। অন্য দিকে পাল্টা তাপস ব্যানার্জি বলেন, শিশুসুলভ আচরণ এটা! এই বিষয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না। যদি কোনও সংস্থা আমায় ডাকে, তা হলে কি আমি যাব না? এলাকায় দুই তৃণমূল নেতার দ্বন্দ্বে শোরগোল তৈরি হয়েছে। আসানসোলে শাসক দল চাপের মুখে।

    তৃণমূল কাউন্সিলারের বক্তব্য (Asansol)

    আসানসোলে (Asansol) তৃণমূলের কাউন্সিলার অশোক রুদ্র তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে বলেন, এডিডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন তাপস ব্যানার্জি। কিন্তু নিজে এই এলাকার জনপ্রতিনিধি নন। এলাকার জনপ্রতিনিধি হলাম আমরা। আমাদের কিছু না জানিয়ে কীভাবে উনি এলাকায় এসে কাজ করতে পারেন! এলাকায় যে কোনও কাজ করতে গেলে আমাদের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। বার্নপুর উৎসবের নামে এলাকায় এসে কাজ করার চেষ্টা করছেন তিনি, এটা অন্যায়। আমাদের উপেক্ষা করলে আমরাও ছেড়ে কথা বলব না। এই বার্নপুর উৎসব কমিটির মধ্যে এলাকার কোনও জনপ্রতিনিধি নেই। তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত বয়স্ক মানুষ বলে এতদিন কিছু বলিনি তাঁকে। এলাকায় কোনও কাজ করতে এসে যদি আমাদের না জানান, তাহলে যদি কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, তার জন্য তিনিই দায়ী থাকবেন।

    বিধায়কের বক্তব্য

    রানিগঞ্জের বিধায়ক (Asansol) তাপস ব্যানার্জি বলেন, আমি অনেক সিনিয়র কর্মী। অত্যন্ত নিম্নরুচির মানুষের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কাউন্সিলার অশোক রুদ্রের আচরণ অত্যন্ত শিশুসুলভ। মানুষের কত অসুবিধা- জল নেই, রাস্তা নেই এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমার কাজ নয়। আমি ৬ বারের কাউন্সিলার এবং ৪ বারের বিধায়ক। তাই কী করব কী বলব, সেই সম্পর্কে আমি খুব সচেতন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনও গোষ্ঠী নেই, তাই কোন্দলের কোনও প্রশ্ন নেই। দল ডাকলে আমি সব জায়গায় যাব। বার্নপুরের মানুষ আমাকে খুব ভালবাসেন, আর তাই যাই। আশোক রুদ্রের আচরণ অত্যন্ত অপরিণত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: কয়লা কারবারি রাজু ঝা খুনের মামলায় চার্জশিট পেশ করল সিট

    Asansol: কয়লা কারবারি রাজু ঝা খুনের মামলায় চার্জশিট পেশ করল সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা কারবারি রাজেশ ঝা ওরফে রাজুকে খুনের মামলায় (Asansol) ১০৬ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট পেশ করল সিট। ঘটনায় ধৃত অভিজিৎ মণ্ডল, ইন্দ্রজিৎ গিরি, লালবাবু কুমার, মুকেশ কুমার ও পবন কুমার ওরফে ভক্তের বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক খুন, খুনের চেষ্টা, মারাত্মকভাবে জখম করা ও অস্ত্র আইনে শনিবার চার্জশিট পেশ করেছেন সিটের তদন্তকারী অফিসার। তবে, পরবর্তীকালে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশের কথাও আদালতে জানিয়েছে সিট।

    কীভাবে চার্জশিট গঠন হল (Asansol)?

    অভিযোগ প্রমাণে কেসের তদন্তকারী অফিসার সহ ৮০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তদন্ত যে মূলত প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল তা চার্জশিট (Asansol) থেকে পরিষ্কার। বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স সরঞ্জাম ও মোবাইল টাওয়ার লোকেশনের উপর ভিত্তি করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করেছে সিট। ঘটনাস্থলে মুকেশ ও পবনের উপস্থিতির কথা পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে। গরু পাচারে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফের গাড়ির চালক শেখ নূর হোসেন ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। রাজুর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। তিনিও গুলিতে জখম হন। বর্ধমান সংশোধনাগারে টিআই প্যারেডে মুকেশ ও পবনকে শনাক্ত করেন ব্রতীন ও নূর। স্বাভাবিকভাবেই রাজুকে খুনের সময় মুকেশ ও পবন যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, তা দুই প্রত্যক্ষদর্শীর শনাক্তকরণ থেকে পরিষ্কার হয়েছে। চার্জশিট সিজেএম চন্দা হাসমত গ্রহণ করেছেন।

    তদন্তকারী অফিসার কী বললেন?

    চার্জশিটে (Asansol) সিটের তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল দুর্গাপুর থেকে একটি ফরচুনা গাড়িতে রাজু, ব্রতীন, আব্দুল লতিফ কলকাতা যাচ্ছিলেন। নূর গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার থেকে গাড়িতে ওঠেন রাজু। শক্তিগড়ে ল্যাংচা হাবের কাছে তাঁদের গাড়িটি দাঁড়ায়। গাড়িটিকে পিছন থেকে অনুসরণ করছিল একটি নীল রঙের বালেনো গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে লতিফ, ব্রতীন ও নূর কিছু কিনতে যায়। রাজু একাই গাড়িতে ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রতীন গাড়ির কাছে আসেন। সেই সময় বালেনো গাড়িতে আসা তিন দুষ্কৃতী রাজুর গাড়ির কাছে এসে দাঁড়ায়। দুষ্কৃতীরা গাড়ি থেকে নেমে রাজুকে গুলি করে। রাজুকে বাঁচাতে গিয়ে ব্রতীনের বাঁ হাতে গুলি লাগে। দুষ্কৃতীরা দ্রুত অপারেশন সেরে চম্পট দেয়। বালেনো গাড়িটি শক্তিগড় থানার কাছে রেখে অন্য একটি গাড়িতে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। তদন্তে জানা যায় দুটি গাড়িই দিল্লি থেকে চুরি করে আনা হয়েছিল।

    কোন কোন অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে

    তদন্তে নেমে পুলিশ দুর্গাপুর (Asansol) থেকে অভিজিৎকে গ্রেফতার করে। বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটিতে তার বাড়ি। সে পেশায় গাড়ি চালক। বর্তমানে সে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসায় থাকে। এরপর ইন্দ্রজিৎ গিরি ও লালবাবু কুমারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিহারের বৈশালী থেকে মুকেশ ও পবনকে গ্রেফতার করা হয়। জাতীয় সড়কের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পরিষ্কার হয়, সিটি সেন্টার থেকে রাজুর গাড়িকে খুনিদের গাড়িটি অনুসরণ করেছিল। সামান্য দূরত্ব বজায় রেখে তারা রাজুর গাড়িটিকে অনুসরণ করেছিল। অপারেশন সেরে কাটোয়ায় জাজিগ্রাম হয়ে দুষ্কৃতীরা পালায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও অভিজিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন থেকে সেই তথ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে চার্জশিটে দাবি করেছে সিট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল প্রার্থীর জেতার আনন্দে জল ঢেলে দিল ভাইপো! ছাগল চুরি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল

    Asansol: তৃণমূল প্রার্থীর জেতার আনন্দে জল ঢেলে দিল ভাইপো! ছাগল চুরি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা পরিষদে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জিতেছেন তিনি। এখন কোথায় আনন্দ করার কথা। কিন্তু এখানেও সেই ঘুরে ফিরে চলে এল “ভাইপো”। ভোটের পর এমন বিষয় পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উল্লসিত বিরোধীরা। তারা এমন একটা হাতে গরম ইস্যু পেয়ে লুফে নিয়েছে। স্বভাবতই বিব্রত তৃণমূল। এটা এমন কিছুই নয়, বা এসব কিছুই ঘটেনি বলে দায় এড়ানোর পর্ব শুরু হয়েছে। যদিও এলাকার মানুষ বলছেন, তৃণমূলে যেখানে কয়লা চুরি, গরু পাচারের মতো ঘটনায় দলের শীর্ষ নেতারা জেরবার, সেখানে আসানসোলের (Asansol) ‘ভাইপো’ ধরা পড়েছে সামান্য ছাগল চুরির ঘটনায়। এর মধ্যে নতুন কী আর চমক আছে? তৃণমূলের মতো দলে এসব স্বাভাবিক ঘটনা।

    কী ঘটেছে (Asansol)?

    আসানসোলের জামুড়িয়া জেলা পরিষদের (Asansol) তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হলেন পুতুল ব্যানার্জি। তাঁরই ভাইপো ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় গ্রামবাসীদের কাছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত কেন্দা ফাঁড়ি এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি চার চাকা গাড়িতে করে ৩-৪ জন ছেলে এসে এলাকাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একটা ছাগলকে তারা গাড়ির মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। দেখেই ছুটে আসেন পাড়ার লোকজন। হাতেনাতে ধরা পড়ে তৃণমূল জেলা পরিষদের জয়ী প্রার্থীর ভাইপো। খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাদের ধরে নিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চার চাকা গাড়িটি পড়ে থাকে। গ্রামের মহিলারা বলছেন, এরকম ঘটনা হামেশাই ঘটে। একের পর এক ছাগল পাচার হয়ে যাচ্ছে গ্রাম থেকে।

    কী বললেন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী (Asansol)?

    আপনার এক ভাইপো নাকি ছাগল চুরিতে ধরা পড়েছে। ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। কী বলবেন? এই প্রশ্নে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী (Asansol) পুতুল ব্যানার্জি বলেন, ওটা ভুল কথা, সাজানো, গল্প। ঘটনা সেরকম কিছুই নয়। এই ঘটনাকে বিরোধীরাই বড় করে দেখাচ্ছে। বিরোধীরা বলছে বলেই ঘটনা সত্যি হয়ে যাবে? পরে অবশ্য তিনি বলেন, হয়তো হাল্কা কিছু হয়েছে। বিরোধীরা সেটাকে বিশাল আকার করে বলছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি বলেন, তৃণমূলে এখন ভাই-ভাইপোর যুগ চলছে। কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরি, গরু চুরি, এবার ছাগল চুরি। ছাগল চুরি (Asansol) করতে গিয়ে গণ পিটুনি খাচ্ছে। এ আর নতুন কী! সবই তো সমার্থক হয়ে গেছে। আর কিছু হবে না। রাজ্যটাকে ভাই-ভাইপো মিলে শেষ করে দিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, এল পুলিশ

    Panchayat Election: জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, এল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আসন বণ্টন নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটল তৃণমূলের আসানসোল জেলা কার্যালয়ে। খোদ জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা হয়। পরে, দুপক্ষই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। আর এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশি হস্তক্ষেপে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীকে সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর জেলা কার্যালয়ের বাইরে রাস্তার মধ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানীগঞ্জ ব্লকের জিমারি গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আসন বণ্টন নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। শনিবার রাতে দলীয় প্রতীক দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু, আসন বণ্টন নিয়ে রানীগঞ্জ গ্রামীণ এলাকার তৃণমূল ব্লক সভাপতি দেবনারায়ণ দাসের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রানীগঞ্জ গ্রামীণ অঞ্চলের আরেক তৃণমূল নেতা অর্জুন সিং। অর্জুন সিং এবং তাঁর অনুগামীরা যে আসন পেয়েছেন, তা তাঁদের ইচ্ছামতো হয়নি বলেই তাঁরা জেলা সভাপতির কাছে নালিশ জানাতে আসেন। আর তখনই দেবনারায়ণ দাসের সঙ্গে তাঁর প্রথমে বচসা হয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। উত্তেজনা এতটাই ছড়ায় যে দলীয় অফিস থেকে বাইরে এসে রাহালেন মোড়ের মাথাতে দু পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি বাধে। খবর পেয়ে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে থাকা আসানসোল দক্ষিণ থানা থেকে পুলিশ ছুটে এসে দুপক্ষকে সরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় আসানসোলের সংখ্যালঘু তৃণমূল সেলের নেতা শাহিদ পারভেজ আক্রান্ত হন।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বহু দলীয় কর্মী টিকিট চান। কিন্তু, আসন সংখ্যা সীমাবদ্ধ। তাই সবাইকে টিকিট দেওয়া যায় না। ফলে কেউ অবস্থান করছেন, কেউ কান্নাকাটি করছেন। আমরা আমাদের দলের মধ্যে থেকে সবাইকে বোঝাবো। আমাদের বিশ্বাস, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আবার সবাই দলের হয়েই লড়াই করবে। দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই এই লড়াই থেমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মনোনয়ন দাখিল বিজেপি দম্পতির

    Asansol: সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মনোনয়ন দাখিল বিজেপি দম্পতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে যখন মনোনয়নপর্ব ঘিরে বিরোধীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে চলেছে, ঠিক তখনই অন্য চিত্র দেখা গেল আসানসোলের (Asansol) রানীগঞ্জে। সমস্ত ভয় কাটিয়ে এবার বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন রানীগঞ্জের এক দম্পতি।

    আসানসোলের (Asansol) কোথায় মনোনয়ন হল?

    সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করলেন দম্পতি। জানা গিয়েছে, রানীগঞ্জ (Asansol) ব্লকের বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন বিকাশ ঢাং ও তাঁর স্ত্রী চন্দ্রমুখী ঢাং। জানা যায়, মা চন্দ্রমুখী তাঁর সাত মাসের কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়েই রানীগঞ্জ বিডিও অফিসে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এই দম্পতি জানিয়েছেন, বিজেপির হয়ে তাঁরা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। আগামী দিনে বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রচার করবেন বলে জানিয়েছেন দম্পতি।

    দম্পতি আর কী বললেন?

    মনোনয়ন জমা করে বিকাশ ঢাং বলেন, আমরা ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে প্রার্থী হয়েছি। আমি ২৭৯ নম্বর বুথের (Asansol) এবং আমার স্ত্রী ২৭৮ নম্বর বুথের প্রার্থী হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিরোধীরা মনোনয়ন করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে। রাজ্যের সর্বত্র আতঙ্কের পরিস্থিতি চলছে। শাসক দলের হাতে লাঠি, বাঁশ, রড, বন্দুক, বোমা। কিন্তু তারপরেও আমরা মাঠে নেমে বিরোধী রাজনীতি করব বলে মনোনয়ন করেছি। হিংস্র শাসকের অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে কাউকে না কাউকে তো লড়াই করতেই হবে। আর তাই এই লড়াইতে আমি এবং আমর স্ত্রী ভোটের ময়দানে নেমেছি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই রাজ্যে বিরোধী রাজনীতি করা এবং গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু তার পরেও আমরা ঘরে (Asansol) ঘরে গিয়ে তৃণমূল শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের বক্তব্য প্রচার করব।

    স্ত্রী চন্দ্রমুখী ঢাং বলেন, সাত মাসের বাচ্চা কোলে নিয়ে অন্য কাজ করাটা খুব কঠিন। কিন্তু প্রচার না করলে সাধারণ মানুষ কেনই বা ভোট দেবেন! আর তাই আমরা আমাদের শত বাধা অতিক্রম করে, তৃণমূল শাসক কীভাবে পঞ্চায়েত স্তরে সাধারণ মানুষের অধিকারের সঙ্গে বঞ্চনা করছে, সেই কথাই সর্বত্র প্রচার করব। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয়টা বড় কথা নয়, নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করাটাই একটা বড় প্রচেষ্টা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Asansol: রানিগঞ্জের অঞ্জলি বর্মন, এমাচ্যাট তৈরি করে পাড়ি দিচ্ছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

    Asansol: রানিগঞ্জের অঞ্জলি বর্মন, এমাচ্যাট তৈরি করে পাড়ি দিচ্ছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানিগঞ্জের (Asansol) বাংলা মাধ্যমের সরকারি স্কুল, গান্ধী স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন করা ছাত্রী অঞ্জলি বর্মন এবার অনবদ্য অ্যাপ তৈরি করে করল বাজিমাত। সে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের তৃতীয় নম্বর স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর পড়াশুনার সুযোগ পেয়েছে। এলাকায় উচ্ছ্বাসের আবহ। 

    কী সাফল্য অঞ্জলির (Asansol)?

    এমাচ্যাট নামের একটি বিশেষ অ্যাপ তৈরি করেছে অঞ্জলি। বিশেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ব্রাজিল সহ কয়েকটি দেশের মানুষজনের নানান উপযোগিতার ক্ষেত্রে এই অ্যাপ সুনাম অর্জন করেছে। এই বিষয়কে লক্ষ্য করেই এবার বিশ্বের অন্যতম স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ তাকে তিন বছরের জন্য এক্সিকিউটিভ এডুকেশন নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ করে দিল। জানা গেছে, এই তিন বছরের পঠন-পাঠনের জন্য তার প্রায় তিন কোটি টাকার মত খরচ হবে। আর খরচের সম্পূর্ণটাই বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    কীভাবে এই বিষয়ে উৎসাহ পেলেন?

    অঞ্জলির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানা যায়, রানিগঞ্জের (Asansol) গান্ধী মেমোরিয়াল গার্লস হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করত সে। সেই স্কুলে একাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময়ই অস্থি সমস্যা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অঞ্জলি। আর সেই সময়ে বাড়িতে থেকেই নিজের চিরাচরিত পঠন-পাঠনের সাথেই পড়তে থাকে, বিভিন্ন উদ্যোগপতি, যেমন জ্যাকমা, রবার্ট কিওসাকি এবং ভারতে অল্প সময়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করা ভারতীয় রিতেশ আগরওয়াল ও তাঁর সাথেই মার্ক জুকেরবার্গ সহ বিভিন্ন উদ্যোগপতির জীবন বৃত্তান্ত। যেখানে সে খুঁজে পায় নিজের লাইফ স্টাইল বা জীবনে চলার অন্য এক গতিপথ। সেই দিশাতেই নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা চিন্তা-ভাবনা করে সে। এরপর এই চিরাচরিত পঠন-পাঠনের সাথেই অ্যাপ মেকিং এর সিদ্ধান্ত নেয়। তার অংকের শিক্ষক বাসুদেব গোস্বামী সেইসব বিষয় নিয়ে পড়ার জন্য ও গবেষণা করার বিশেষ ভাবে অনুপ্রাণিত করেন তাকে। এরপরই ২০১৮ সালে অঞ্জলি বর্মন তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেই, এই বিষয়ে বিশেষ পঠন-পাঠনের জন্য বেঙ্গালুরুতে গিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। আর তা করতে গিয়ে দীর্ঘ একটা সময় ধরে ব্যাঙ্গালুরুতে একটি টিম তৈরি করে সে। একবছর ধরে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে এবং তারপর এমাচ্যাট নামের একটি অ্যাপ তৈরি করে ফেলে। বিশেষ করে প্রেমিক যুগল ও দম্পতিদের যে দূরত্ব কর্ম ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে, সেই দূরত্বকে এই অ্যাপের মাধ্যমে কাটিয়ে তোলার জন্য বেশ কিছু সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ করে সে হয়ে উঠেছে অনেকের কাছেই বিশেষ গ্রহণযোগ্য।

    সাফল্য কেমন

    ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ লক্ষ উপভোক্তার কাছে এই বিশেষ পরিষেবা পৌঁছে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে সে। আগামীদিনে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে, তার অ্যাপকে আরও বেশি উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে আরও বেশি মানুষজনকে সংযুক্ত করে আরও উন্নত করে তুলবে বলেই সে আশাবাদী। শনিবারই অঞ্জলির কাছে ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য ভিসা পাঠিয়ে দিয়েছে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। আগামী ২৭ শে জুন, সে রওনা দিচ্ছে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায়। ছাত্রীর (Asansol) আশা, আগামীতে সে এই অ্যাপের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনের এক অনন্য নজির গড়ে তুলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share