Tag: asansol

asansol

  • Asansol: চুরুলিয়ার কবিতীর্থকে ধ্বংস করছে রাজ্য সরকার, অভিযোগ অগ্নিমিত্রা পলের

    Asansol: চুরুলিয়ার কবিতীর্থকে ধ্বংস করছে রাজ্য সরকার, অভিযোগ অগ্নিমিত্রা পলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে আসানসোলের (Asansol) জামুড়িয়াতে তাঁর জন্মভিটা পরিদর্শন করে, কবির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন বিজেপির বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। কবির স্মৃতি বিজড়িত স্থান ঘুরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুললেন তিনি। সেই সঙ্গে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কবিতীর্থের বিষয়টি তুলে ধরবেন।

    আসানসোলে (Asansol) বিদ্রোহী কবির জন্মস্থানে বিজেপির বিধায়িকা

    আজকের দিনেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম জামুড়িয়ার চুরুলিয়া (Asansol) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই উপলক্ষে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় এসে কবি এবং কবিপত্নী প্রমীলা দেবীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরই সঙ্গে অ্যাকাডেমি ঘুরে দেখেন। কবির লেখা কবিতা, কবির পোশাক, বাদ্যযন্ত্র, কবির ব্যবহৃত বিছানা দেখে একদিকে যেমন মুদ্ধ হন, তেমনি অন্যদিকে অবহেলা আর বেহাল দশা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এই বিধায়িকা।

    বিধায়িকার ঠিক কী অভিযোগ ?

    বিধায়িকা বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকারের জন্য আজ এই কবিতীর্থ (Asansol) ধ্বংস হতে চলেছে। আজ কবির জন্মদিন, অথচ রাজ্য সরকারের তরফে কবির প্রতি বিশেষ স্মরণে কোনও পদক্ষেপ নেই। তিনি বলেন, শান্তিনিকেতনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত কত সুন্দর পরিবেশ। অথচ কবিতীর্থ চুরুলিয়া আজ ধ্বংসের মুখে। রাজ্য সরকার এদিকে কোনও নজর দিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে রাজ্যপালকে জানাব এবং সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাথেও কথা বলব।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    অপরদিকে বিজেপি নেতৃত্বের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের মেয়র পারিষদ গুরুদাস চ্যাটার্জি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন বলেছেন, তখন নিশ্চয়ই এটি হেরিটেজ হিসেবে যাতে স্বীকৃতি পায়, তার কাজ করা হবে। তিনি আরও বলেন, কিছু পদ্ধতি থাকে। সেগুলো মেনে মন্ত্রী মলয় ঘটকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিশ্চয়ই করা হবে। যদিও নজরুল ইসলামের জন্মভিটা চুরুলিয়া এখন নজরুল মেলা উপলক্ষে সেজে উঠতে শুরু করেছে। এলাকায় উৎসবের আমেজ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Accident Death: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ বিজেপি নেতার, স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ নেতৃত্ব

    Accident Death: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ বিজেপি নেতার, স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় (Accident Death) মর্মান্তিক মৃত্যু হল দুই বিজেপি নেতার। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আসানসোলের বারাবনি এলাকায়। জানা গিয়েছে, মৃত দুই বিজেপি নেতা মন্ডল সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে বারাবনি থানার গৌরান্ডী থেকে আসানসোল যাওয়ার রাস্তার আমডিহা মোড় এলাকায়।

    কী বলছে আসানসোল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ?

    তবে দুই বিজেপি নেতার পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে (Accident Death) নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আসানসোল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা জানিয়েছেন, দুই বিজেপি নেতার মৃত্যু রহস্যজনক দুর্ঘটনা বলে তাঁরা মনে করছেন। আদতে কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আসানসোল জেলা বিজেপি সভাপতি দিলীপ দে ও রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জিরা। তাদের বক্তব্য, ওই দুই নেতা খুবই লড়াকু ছিলেন। কিন্তু তারা গ্রামে থাকতে পারতেন না। আসানসোলে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যার পর আসানসোল ফিরে পড়তেন। এদিনও তাই করেছিলেন। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে বলেই তারা মনে করছেন। 

    কীভাবে হল এই দুর্ঘটনা ?

    মৃত দুই বিজেপি নেতার নাম বাবলু সিংহ ও মহেন্দ্র সিংহ। এঁরা দাসকেয়ারির বাসিন্দা। এঁরা দুজনেই একটি মোটর বাইকে করে গৌরান্ডী থেকে আসানসোলের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই বারাবনি থানার আমডিহা মোড়ে এক পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরে বের হওয়ার সময় কোনও বড় লরি এসে তাঁদের ধাক্কা মারে (Accident Death)। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় বাবলু সিংহের। আহত অবস্থায় পুলিশ মহেন্দ্র সিংহকে নিয়ে যায় আসানসোলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পর তিনিও মারা যান। এই ঘটনার জেরে শোকের ছায়া নেমে আসে বারাবনি ব্লক জুড়ে। তবে দুর্ঘটনার পর শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘাতক কোনও লরি ধরা পড়েনি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব ? 

    অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপির হাতে কিছু কাজ নেই। তাই তৃণমূলের নামে সব জায়গায় বদনাম করার চেষ্টা করছে। পথ দুর্ঘটনার (Accident Death) তদন্ত করছে পুলিশ। আর এই দুর্ঘটনাকে বিজেপি রাজনৈতিক রং দিচ্ছে! সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলার জন্য ইস্যুর দরকার। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি বারাবনিতে প্রার্থী দিতে পারবে না। তাই তারা তৃণমূলের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pawan Singh: ‘মা-কে দেওয়া কথা রাখব’, ভোটে লড়বেন ভোজপুরী গায়ক পবন সিং

    Pawan Singh: ‘মা-কে দেওয়া কথা রাখব’, ভোটে লড়বেন ভোজপুরী গায়ক পবন সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহের মধ্যেই বদলে ফেললেন সিদ্ধান্ত। লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Vote) দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন ভোজপুরি তারকা শিল্পী পবন সিং (Pawan Singh)। বাংলার আসানসোল কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ তিনি প্রথমে ভোটে দাঁড়াতে চাননি। দেখা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। কয়েক দিন ভাবনা চিন্তার পর ফের বুধবার তিনি সমাজ মাধ্যমে জানান, ভোটে লড়তে আগ্রহের কথা।

    কী বললেন পবন

    বুধবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে পবন (Pawan Singh) লেখেন, ‘জনগণ ও আমার মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে নির্বাচনে লড়ব। আপনাদের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করছি। জয় মাতা দি।’ তবে তিনি আসানসোল থেকে লড়বেন, নাকি নয়া প্রার্থী তালিকায় বিহারের কোনও আসন থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, বিজেপি-র প্রার্থীতালিকা প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যায় বাংলার আসানসোল আসনটি থেকে পবন সিংকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে পদ্ম শিবির। ভোজপুরী এই গায়ককে প্রার্থী করা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে বাংলার শাসকদল। এরপর ভোটে না লড়ার কথা জানান পবন। তারপর তিনি দেখা করেন জেপি নাড্ডার সঙ্গে।  সেই বৈঠকের পর পবন বলেন, ‘নাড্ডাজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার পরে যা হবে সেটা ভালই হবে। ভোটে লড়ার বিষয়টি সময় বলবে।’ আর আজ তিনি জানিয়ে দিলেন, তিনি ভোটে লড়বেন।

    কোথা থেকে দাঁড়াবেন পবন

    বিজেপি সূত্রে খবর, পবন (Pawan Singh) আসানসোল নয়, লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Vote) অন্য কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন। বাংলা নয়, বিহারের কোনও কেন্দ্র থেকে বিজেপি তাঁকে টিকিট দিতে পারে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, পবন নিজে আরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চান। কারণ তিনি ওই এলাকার ছেলে। কিন্তু ওই আসনের বিজেপি সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিং। তাই পবনকে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে আরার পাশাপাশি বিহারের সসারাম এবং বক্সার কেন্দ্র নিয়েও ভাবনা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা”, মহিলাদের ক্ষোভের মুখে মেয়র

    Asansol: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা”, মহিলাদের ক্ষোভের মুখে মেয়র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা” ঠিক এইভাবেই এলাকার মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের তৃণমূল মেয়রকে। জানা গিয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা, মেয়র বিধান উপাধ্যায়কে পেয়ে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন। এলাকায় দীর্ঘ দিনের একটা প্রধান সমস্যা হল জলের সমস্যা। যদিও মেয়র আস্বস্ত করেছেন জলের সঙ্কট মিটে যাবে।

    রক্তদান শিবিরে ক্ষোভের মুখে মেয়র (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রবিবার আসানসোলের (Asansol) সার্থকপুর এলাকায় একটি রক্তদানব শিবিরে যোগদান করেছিলেন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। কিন্তু এলাকার মানুষ পানীয় জলের সমস্যার মধ্যে অনেকদিন ছিলেন আর তাই তৃণমূল মেয়রকে কাছে পেয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু মেয়র, এলাকার মানুষকে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের কথা বললেও মানুষের রাগকে প্রশমিত করা যায়নি। এলাকার মানুষ তীব্র স্বরে চেঁচামেচি শুরু করেন এবং বিক্ষোভ দেখান। এরপর মহিলারা বলেন, “লাল কালিতে কাগজে লিখে দিন। তারিখ লিখে দিলে তবেই বিশ্বাস করব।” একই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও এক বাসিন্দা বলেন, “এলাকায় অনেক দিন ধরে জলের সমস্যা। অনেক অভিযোগ জানিয়েও লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না। আমরা দ্রুত এলাকার সমস্যার সমাধান চাই।”

    তৃণমূল মেয়রের বক্তব্য

    মেয়র (Asansol) মানুষের ক্ষোভের মুখে নিজের মেজাজ হারিয়ে বিক্ষোভকারীদের বলেন, “সিপিএমের আমলে এই ভাষায় এভাবে মেয়র বিধায়কদের সরাসরি বলতে পারতেন? আমরা মানুষের সঙ্গে মাটির সঙ্গে মিশে থাকি তাই এই ভাবে বলতে পারছেন। তাছাড়া জামুড়িয়া এলাকায় জলের সমস্যা আজকের নতুন নয়। বহু পুরাতন। বর্তমানে জলের ট্যাঙ্কারে করে জল এনে মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জলের প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজ দ্রুত শেষ হলেই এলাকার সমস্যা মিটে যাবে।” এই প্রসঙ্গে মেয়র আরও বলেন, “আমিও এলাকার মানুষ, গ্রামীণ এলাকার বিধায়ক। ফলে গ্রামের সমস্যা আমি খুব ভালো ভাবে জানি। তবে এটা কোনও ক্ষোভ নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: এবার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম! সরব বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা

    Asansol: এবার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম! সরব বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির বিষয়ে তীব্র শোরগোল। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ একাধিক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। এবার ফের স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে করা হয়েছে অনিয়ম। এই নিয়োগের অভিযোগের কথা বলে কটাক্ষ করলেন আসানসোল (Asansol) দক্ষিণের বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। অবশ্য পশ্চিম বর্ধমানের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে বহুদিন ধরেই প্রধান শিক্ষকের পদগুলি শূন্য রয়েছে। অপর দিকে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সদস্যরা।

    কী বলেন অগ্নিমিত্রা পল (Asansol)?

    আসানসোল (Asansol) দক্ষিণের বিজেপি নেত্রী বলেছেন, “সরকারের নিয়ম মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হচ্ছে না। শিক্ষকদের কাউন্সিলিংয়ের সময় তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থাকছেন। শিক্ষকদের পছন্দের মতো স্কুল বেছে নিতে দেওয়া হচ্ছে না। শিক্ষক নেতারাই জোর করে তাঁদের পছন্দ করা স্কুলে নিয়োগ করাচ্ছেন।”

    কীভাবে অনিয়ম হচ্ছে?

    আসানসোলের (Asansol) বিজেপির শিক্ষক সংগঠনের নেতা পার্থ পাল জানিয়েছেন, “নিয়োগের নিয়ম অনুযায়ী নিয়ম হল শিক্ষকদের সিনিয়রিটি উপর ভিত্তি করে একটা প্রথমে তালিকা করা হয়। এরপর সেই তালিকা অনুযায়ী একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়। তারপরে তালিকায় অনুযায়ী শিক্ষকদের লিখিত চিঠি পাঠিয়ে ডাকার কথা থাকে। কিন্তু তা না করে, জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের কর্তারা নিজেদের পছন্দের লোককেই ডেকে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শেষ করার কাজ করার চেষ্টা করছেন।”

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বক্তব্য

    জেলা (Asansol) প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান রথীন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, “সরকার নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগের কাজ চলছে। না জেনে অনিয়মের অভিযোগ করা হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অফিসে হচ্ছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা (Asansol) সভাপতি হিমাদ্রি সরকার বলেন, “বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে। আসলে বিজেপির কোনও কাজ নেই তাই এইরকম অনিয়ম বেনিয়মের কথা বলে মিডিয়ার কাছে জনপ্রিয়তা চাইছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন আসানসোলের করসেবক অভয়

    Asansol: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন আসানসোলের করসেবক অভয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন আসানসোলের (Asansol) অভয় বাড়ানোওয়াল। এবার অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেয়ছেন তিনি। তাঁর বাড়িতে এসেছে বিশেষ নিমন্ত্রণপত্র। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান হবে। ওই দিন বেলা ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত সময়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করা হবে রাম লালার মূর্তি। ওই মূর্তিতেই করা হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা। উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অযোধ্যায় অভয়বাবু আমন্ত্রণ পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত।

    পায়ে গুলি লেগেছিল (Asansol)

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনে যোগ দিয়ে ছিলেন আসানসোলের বাসিন্দা অভয়বাবু। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  ১৯৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাম মন্দির আন্দোলনে করসেবক হিসেবে যোগদান করে ছিলেন তিনি। আন্দোলনে যোগদান করার ফলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ৩০ অক্টোবর তাঁর পায়ে গুলি লাগে। এরপর তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ফৈজাবাদ সদর হাসপাতালে। সেখানে তারপর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। বর্তমানে আগামী ২২ জানুয়ারিত রাম লালার মন্দির আর সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে জানিয়েছেন অভয়।

    অভয়বাবুর বক্তব্য

    আসানসোলের (Asansol) বাসিন্দা অভয়বাবু বলেন, “আমন্ত্রণ পেয়ে অত্যন্ত অভিভূত। শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারব না। জীবনের সব থেকে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে। ১৯৯০ সালে করসেবক হিসাবে গিয়েছিলাম। গত ৫০০ বছর ধরে এই দেশের মধ্যে সনাতনী হিন্দু সমাজের অনেক মানুষ রাম জন্মভূমি পুনরুদ্ধার এবং মন্দির নির্মাণের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছেন। আমিও একজন রাম ভক্ত এবং মন্দির নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার অন্যতম বানর সেনা। আমি ২১ অক্টোবর আমরা আসানসোল থেকে যাত্রা শুরু করি। পরের দিন বারাণসীতে পৌঁছাই। স্টেশন চত্বরে প্রচুর পুলিশ ছিল। উত্তরপ্রদেশের সরকার ছিল মুলায়ম সিং যাদবের। প্রচুর মানুষকে গ্রেফতার করে তাঁর সমাজবাদী সরকারের পুলিশ। এরপর পায়ে হেঁটে ৩৫০ কিমি অতিক্রম করে অবশেষে ২৮ অক্টোবর অযোধ্যায় পৌঁছাই। ৩০ অক্টোবর পুলিশ ব্যাপক গুলি করেছিল ঘটনাস্থলে। এরপর ঘটনাস্থলেই অনেক রামভক্তের মৃত্যু হয়েছিল। আমার পায়ে গুলি লেগেছিল। তারপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম। পরে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৭২ ঘণ্টা পর আমার জ্ঞান ফেরে। আমি গর্বিত আমার দেশের জন্য আমার ধর্মের জন্য।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক, চাঞ্চল্য অন্ডালে

    Asansol: তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক, চাঞ্চল্য অন্ডালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট। এরই মাঝে তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে চঞ্চল্যকর দাবী করে কিছু পোস্টার দেখা গেল। এরপর থেকে পোস্টারকে ঘিরে খনি অঞ্চলের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগল শুরু হয়েছে। ঘটনাটি রানীগঞ্জ বিধানসভার (Asansol) অন্ডাল ব্লকে ঘটেছে। 

    কার বিরুদ্ধে পোস্টার (Asansol)?

    শুক্রবার অন্ডালের (Asansol) দিগনালা ও অন্ডাল বাজার এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় অন্ডাল ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা এবারের পঞ্চায়েত ভোটে এলাকার জেলা পরিষদ প্রার্থী কালবরণ মন্ডলের নামে বেশ কিছু পোস্টার নজরে আসে। পোস্টারে লেখা ‘তৃণমূল ব্লক সভাপতি কালবরণ মন্ডল নানান অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত, এলাকায় জমি-কয়লা-বালির অবৈধ কার্যকলাপ করেন।” দীর্ঘদিন তিনি শাসকদলের পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক সভাপতির পদে ছিলেন। কিন্তু এতদিনেও সাধারণ মানুষের চেয়ে নিজের স্বার্থসিদ্ধির কথাই বেশি ভেবেছেন বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    পোস্টার প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি (Asansol) কালবরণ মণ্ডল বলেন, ভোটের ঠিক একদিন আগেই এই ধরনের পোস্টার তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের চক্রান্ত। পাশাপাশি কালবরণ মণ্ডল নাম না করে দলের অভ্যন্তরে তাঁর বিরোধীদের দিকেও পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত করেন। যদিও কালবরণ মণ্ডল এই ধরনের পোস্টারকে কোনও রকম আমল দিতে নারাজ। তিনি বলেন, এলাকার মানুষ জানেন তাঁর ব্যক্তিত্ব কেমন, আর তার প্রতিফলন আগামী ৮ই জুলাই মানুষ ভোট বাক্সে দেখিয়ে দেবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে অন্ডালের (Asansol) বিজেপির ব্লক সভাপতি সোহন রাবনী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত অন্ডালে। এই ধরনের পোস্টার তারই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। বিজেপি নেতা আরও দাবি করেন, পোস্টারে যে সকল জিনিস কালবরণের বিরুদ্ধে লেখা আছে, তা সবই সত্য। পোস্টারটিতে একেবারে নিচে লেখা, অন্ডাল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম। এই পোস্টারে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করা আছে যে, এই ধরনের ব্যক্তিত্বকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেন ভোট না দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: গরু পাচার রুখে ৭ টি গরু উদ্ধার করলেন অগ্নিমিত্রা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

    Asansol: গরু পাচার রুখে ৭ টি গরু উদ্ধার করলেন অগ্নিমিত্রা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ট্রাকে লোড করে ৭টি গরু পাচার করা হচ্ছে, এই অভিযোগে একটি গরু বোঝাই গাড়ি আটকে দিল আসানসোল (Asansol) দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। গাড়ি আটক করায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়।

    কীভাবে উদ্ধার হল?

    শুক্রবার বিকালে আসানসোলের (Asansol) ভগৎ সিং মোড়ে গরু সমেত একটি গাড়িটিকে আটকে দেন বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। গাড়িতে উপযুক্ত কাগজপত্র ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিকরা। গাড়িটি পুরুলিয়ার দিক থেকে আসানসোলে আসছিল বলে জানিয়েছেন গাড়ির চালক। আসানসোল  দক্ষিণ থানার পুলিশ গাড়িটি আটক করে নিয়ে যায়। ভগৎ সিং মোড় এলাকায় গরু বোঝাই গাড়ি আটকে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে জমায়েত হয় অনেক পথ চলতি মানুষও।

    কী বললেন বিধায়কিয়া (Asansol)?

    বিজেপি বিধায়িকা (Asansol) অগ্নিমিত্রা পল বিষয় সম্পর্কে বলেন, আমি খবর পেয়েছি এই রাস্তা দিয়ে অবৈধ ভাবে গরু পাচার চলছে! তারপর রাস্তায় এসে গরু সমেত একটি গাড়ি উদ্ধার করি। গাড়ির চালকের কাছে শীলমোহর সমেত কোনও বৈধ কাগজ ছিল না। একটা কাগজে ২টি গরুর কথা বললেও গাড়িতে মোট সাতটি গরু দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বেজেপি নেত্রী। কাশীপুর থেকে অবৈধ ভাবে এই গরু আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। বিধায়িকা আরও দাবি করেন, এই রাস্তায় প্রত্যেকদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ট্রাকে করে গরু পাচার হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি একা কত গরু আটকাবো! সরকার এই গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রত্যেক থানায় পুলিশদের কাটমানি দিয়ে অবৈধ ভাবে গরু পাচার করা হচ্ছে। পুলিশের কাছে সব খবর আছে। এমন নয় যে পুলিশের চোখের আড়ালে সব ঘটছে। এরপর আরও বলেন, বলা হয় যে অসুস্থ বা বিকলাঙ্গ গরুদের কাটা যেতে পারে, কিন্তু এই ট্রাকে থাকা সবকটা গরু অপূর্ণ বয়সের গরু! উল্লেখ্য গাড়িতে কোনও নম্বর প্লেট নেই বলে জানান তিনি। পুলিশের সম্পর্কে আরও বলেন তিনি, পুলিশ শুধু বিজেপির কর্মীদের আটকাতে বেশী তৎপর। অবৈধ চোরাচালান আটকাতে ব্যর্থ পুলিশ। সরকার এই গরু পাচারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে গরু পাচার আটকানো সম্ভব নয়। 

    প্রশাসনের ঘুম কবে ভাঙে, সেটাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: হিন্দু শাস্ত্রমতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ অশ্বত্থ ও বটবৃক্ষ, গাছ কাটা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ

    Asansol: হিন্দু শাস্ত্রমতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ অশ্বত্থ ও বটবৃক্ষ, গাছ কাটা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাধে বৃক্ষ নিধন রুখতে বাড়ির অশ্বত্থ ও বট গাছের বিয়ে দিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আসানসোল (Asansol) পৌরনিগমের ৮৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নারায়ণ দাস (বলাই)। গাছের সঙ্গে গাছের বিয়ে! না, কোনও সংস্কার বা কুসংস্কারের বশে নয়। এমন কর্মকাণ্ড অত্যন্ত সাধুবাদযোগ্য হয়েছে বৃক্ষপ্রেমীদের কাছে।

    বিয়ে কেন?

    ঘরবাড়ি তৈরির ফলে অনেক গাছ কাটা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অনাবৃষ্টিতে আরও শুকনো, খটখটে হয়ে যাচ্ছে রুখাশুখা পরিবেশ। তারপরেও গাছ কেটে জঙ্গল সাফ করার কাজে বিরাম নেই। তাতে সংকট বাড়ছে ধরিত্রীর, বিপদ ক্রমশ বাড়ছে সাধারণ মানুষজনের। সেই কথা উপলব্ধি করেই গাছকাটা ঠেকাতে দুই গাছের বিয়ে দিলেন গাছপ্রেমী বলাই দাস (Asansol)।

    বিবাহ অনুষ্ঠানের ধরন

    দুই গাছের বিবাহে একটি গাছ পুরুষ বটবৃক্ষ, যা ভগবান নারায়ণের প্রতীক। আরেকটি গাছ হল নারী অশ্বত্থ বটগাছ, যা মা লক্ষ্মীর প্রতীক। গাছের বর-বধূর সাজে পরনে ছিল যথাক্রমে সাদা ধুতি এবং লালপাড়ের শাড়ি। উভয় গাছের মাথায় বরকনের মুকুট এবং গলায় মালা। কলাগাছ দিয়ে বিবাহ মণ্ডপ, ছাদনাতলা সাজানো হয়েছিল। নানা ফুল দিয়ে মণ্ডপ সুসজ্জিত ছিল। গাছে-গাছের বিবাহে জগতের মঙ্গল সাধন হবে, এমনটাই বিবাহের উদ্দেশ্য বলে উদ্যোক্তরা জানান। গাছ আমাদের ছায়াদান করবে। অক্সিজেন আমাদের পৃথিবীকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সাহায্য করবে বলে মনে করেন গাছপ্রেমীরা। দুই গাছের বিবাহেই সনাতনী হিন্দু প্রথা রীতিনীতির মতোই, বিদ্ধি, নান্দীমুখ, অধিবাস এবং লগ্ন ধরে সব নিয়ম মানা হয়। বাজনা বাজিয়ে উলুধ্বনি, মালাবদল, মন্ত্রোচ্চারণ-সহ হিন্দু শাস্ত্রমতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হল অশ্বত্থ ও বটবৃক্ষ। শুধু এটুকুই নয়, দুই বৃক্ষের এমন শুভ পরিণয়ে পাত পড়ল পাড়াতে। চলল বালক ভোজনও। আসানসোলবাসী (Asansol) বলাই দাসের এমন উদ্যোগের তারিফ করেছেন উদ্ভিদপ্রেমী মানুষ ও পরিবেশবিদরা।

    উদ্যোক্তাদের প্রতিক্রিয়া

    নারায়ণ দাস (বলাই) বলেন, গাছের প্রতি আমাদের অত্যন্ত মানবিক আচরণ করা উচিত। গাছ একটি মানুষ, এই সমবেদনা আমার মতো সকলের মধ্যে জাগ্রত হোক। আর তাই গাছে গাছে বিবাহ। পুরোহিত সীতাংশু ভট্টাচার্য বলেন, এই বিবাহ আমাদের সনাতনী হিন্দু মতে বিবাহ। দুটি গাছের মধ্যে বিবাহ দিয়ে জায়গা দেখে মাটিতে গাছ লাগানো হবে। তিনি আরও বলেন গাছ আমাদের রক্ষা করে। পাড়ার সাধারণ মানুষ বলেন, বলাইবাবু বরাবরই পাড়াতে গাছ প্রেমী মানুষ হিসাবে পরিচিত। তাঁর এই অভিনব কর্ম রীতিমতো এলাকায় (Asansol) সাড়া ফেলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chaitali Tiwari: সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি! কম্বলকাণ্ডে রক্ষাকবচ জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালিকে

    Chaitali Tiwari: সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি! কম্বলকাণ্ডে রক্ষাকবচ জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সাময়িক স্বস্তি পেলেন কম্বলকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারি (Chaitali Tiwari)। আসানসোলের বিজেপি কাউন্সিলর চৈতালিকে আপাতত গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ। শুক্রবার তাঁর গ্রেফতারিতে সাময়িক ভাবে স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) কাউন্সিলর চৈতালি তিওয়ারির (Chaitali Tiwari) উদ্যোগে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি–সহ বিজেপির একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী বেরিয়ে যেতেই কম্বল নিতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তখনই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তিন জনের। তার মধ্যে একজন শিশু ছিল। এই ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি।  ওই ঘটনায় অভিযুক্ত জিতেন্দ্রকে গত শনিবার নয়ডা থেকে গ্রেফতার করে এনেছিল আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ। এর পর আসানসোলের আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। জিতেন্দ্রকে রবিবার ৮ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছিল আসানসোল আদালত।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির উদ্যোগে রমজান মাসেই বেরোবে মোদির ‘মন কি বাত’-এর উর্দু সংকলন

     সুপ্রিম কোর্টে সুরক্ষাকবচের আবেদন

    শীর্ষ আদালত সূত্রে খবর, আসানসোলে কম্বল বিতরণী কর্মসূচিতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে সুরক্ষাকবচের আবেদন করেন চৈতালি (Chaitali Tiwari)। সেই আবেদনের সাড়া দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছেন, আগামী ৭ মে পর্যন্ত চৈতালিকে গ্রেফতার করা যাবে না। ৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানির হওয়ার কথা। ওই দিন জিতেন-সহ এই মামলায় আরও দুই অভিযুক্ত আসানসোলের বিজেপি কাউন্সিলর গৌরব গুপ্ত এবং দলের যুবনেতা তেজপ্রতাপ সিংয়েরও শুনানি রয়েছে। আগেই সাময়িক ভাবে সুরক্ষাবচ পেয়েছেন গৌরব ও তেজপ্রতাপ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share