Tag: Ashwini vaishnaw

Ashwini vaishnaw

  • Vande Bharat Metro: বন্দে মেট্রোর ট্রায়াল রান শুরু জুলাইতে, জুড়বে ১২৪ শহরকে

    Vande Bharat Metro: বন্দে মেট্রোর ট্রায়াল রান শুরু জুলাইতে, জুড়বে ১২৪ শহরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে ভারতীয় রেল স্বল্প দূরত্বের বন্দে ভারত মেট্রো ট্রেনের (Vande Bharat Metro) ট্রায়াল রান শুরু করবে, এমনটাই জানা গিয়েছে। এছাড়াও রেল সূত্রের খবর, আগামী মাসেই অর্থাৎ ২০২৪ সালের মে মাস থেকেই বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেনেরও ট্রায়াল রান শুরু হবে। অর্থাৎ একযোগে ভারতীয় রেলের মুকুটে জুড়তে চলেছেন নয়া দুটি পালক। প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, রেলের আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ২০২২-২০২৩ বর্ষে। সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলনই ধরা পড়ল রেলের ঘোষণায়।

    জুড়বে ১২৪ শহরকে

    ভারতীয় রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বন্দে ভারত মেট্রো (Vande Bharat Metro) ট্রেনগুলি ১০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটারের রুটে চলবে। অন্যদিকে বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেনগুলি এক হাজার কিলোমিটারের বেশি রুটে ছুটবে। রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলি ১২৪টি শহরকে যুক্ত করবে। এর মধ্যে রয়েছেন লক্ষ্ণৌ-কানপুর, আগ্রা-মথুরা, দিল্লি-রেওয়ারি ভুবনেশ্বর-বালাসোর এবং তিরুপতি-চেন্নাই প্রভৃতি।

    কেমন হবে বন্দে ভারত মেট্রো

    নতুন বন্দে ভারত মেট্রো ট্রেনগুলির (Vande Bharat Metro) ডিজাইনও ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে। সমস্ত বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলিতে থাকবে এসি। চালু রেলপথেই এগুলি চলবে। তার জন্য আলাদা করে কোনও ট্রাক তৈরি হবে না। যেকোনও বড় শহরের আশেপাশের শহরগুলিকে যুক্ত করতে এই ট্রেনগুলি ছুটবে। এই সমস্ত ট্রেনে অনেক বেশি সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন বলে জানা যাচ্ছে। বন্দে মেট্রোর গতিও হবে খুব বেশি। পাশাপাশি বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলির সমস্ত ছোট স্টেশনেই থামবে। প্রতিটি ট্রেনে বারোটি করে কামরা থাকবে। অন্যান্য মেট্রো ট্রেনগুলির মতোই বন্দে মেট্রোর দরজা হবে অটোমেটিক। জানা গিয়েছে পরবর্তীকালে এই বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলিতে আরও চারটি করে বগি জোড়া হতে পারে। যার ফলে মোট কোচের সংখ্যা হবে ১৬। বন্দে মেট্রো (Vande Bharat Metro) ট্রেনগুলি পুরোটাই হবে অসংরক্ষিত কামড়ার। রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের ১০০ দিনের মধ্যেই ট্রাকে ছুটবে বন্দে ভারত মেট্রো।

    স্লিপার বন্দে ভারত ছুটবে ৫০টি

    জানা গিয়েছে, স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেনগুলিতে থাকবে দুটি ৬০০০ হর্সপাওয়ারের লোকোমোটিভ ইঞ্জিন। একটি থাকবে সামনে এবং অপরটি পিছনে। অর্থাৎ দুদিকেই ছুটতে পারবে এই বন্দে ভারত ট্রেনগুলি। এই ট্রেনগুলি দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণের সুবিধা দেবে। চলতি বছরে এমন ৫০টি নতুন ট্রেন ছুটবে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আগামীদিনে এমন ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে চারশোটি হবে বলে জানিয়েছে রেল মন্ত্রক। এই ট্রেনগুলির পুরো ডিজাইনটাই হবে বিদেশি ট্রেনের মত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) মঙ্গলবার ওড়িশার বাদামপাহাড় থেকে সবুজ পতাকা উত্তোলন করে তিনটি ট্রেনের যাত্রার সূচনা করলেন। এই ট্রেনগুলি বাদামপাহাড় থেকে তিনটি রুটে চলবে। ট্রেনগুলির গন্তব্যস্থল হবে শালিমার, রাউরকেল্লা এবং টাটানগর।

    ট্রেন চলবে সাপ্তাহিক (Droupadi Murmu)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির (Droupadi Murmu) হাতে উদ্বোধন হওয়া ট্রেনগুলির মধ্যে শালিমার থেকে বাদামপাহাড় এবং বাদামপাহাড় থেকে রাউরকেল্লা পর্যন্ত দুটি ট্রেন সাপ্তাহিক। উল্লেখ্য, কলকাতার সঙ্গে সরাসরি আদিবাসী অধ্যুষিত বাদামপাহাড় এলাকার রেল পরিষেবা এই প্রথম বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বাদামপাহাড় থেকে টাটানগর পর্যন্ত মেমু ট্রেন চলবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেন রবিবার বাদে সপ্তাহে মূলত ছয় দিন চলবে। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী এলাকার মানুষকে শহর অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেল যোগাযোগের মধ্যে দিয়ে এলাকার অর্থনীতি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আদিবাসী পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন ঘটবে এবং এভাবে জীবনযাত্রার মানকে আরও সমৃদ্ধ করাই লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে।

    অমৃত স্টেশন প্রকল্পে সাজবে বাদামপাহাড় স্টেশন

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার বাদামপাহাড় রেল স্টেশনকে অমৃত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে। এদিন তিনটি নতুন ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখানোর পাশাপাশি এই স্টেশনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য শিলান্যাসও করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)।

    রেলের দক্ষিণ পূর্ব শাখার বক্তব্য

    পরিষেবার বিষয়ে রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনগুলি শিল্পাঞ্চল এবং খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার ফলে এলাকার মানুষ যেমন কাজের সুবিধা পাবেন, ঠিক তেমনি শিল্পাঞ্চল পর্যটনের ব্যাপক সুবিধাও হবে। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। সেই সঙ্গে এলাকার ছাত্রদের উচ্চশিক্ষা, মানুষ চিকিৎসার জন্য দ্রুত কলকাতা বা টাটানগরে খুব কম সময়ের মধ্যেই পৌঁছাতে পারবেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India) প্রকল্পের সম্প্রসারণে অনুমোদন দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রকল্পের জন্য সরকার ১৪৯০৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে বলে জানান মন্ত্রী। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, আইটি এবং ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমের সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের সম্প্রসারণ।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের সম্প্রসারণ ( (Digital India))

    নাগরিকদের ডিজিটাল ( (Digital India)) পরিষেবা দিতে, ২০১৫ সালের ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। এরপর গত সাত বছর ধরে এই প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ভারতকে আরও ডিজিটাল এবং গতিশীল করতে এই প্রকল্প ব্যাপক সাফল্য পেয়ছে বলে মনে করছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই ডিজিটাল ভারতকে বিশ্বজনীন মাত্রা দিতে গত ১৬ই অগাস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নতুন করে বাজেটের অনুমোদন করেছে। এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা তিনি বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছেন।

    কী কী রয়েছে এই প্রকল্পে?

    এই প্রকল্পের ( (Digital India)) মধ্যে নানা জনমুখী সুবিধার কথা রয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নানা পরিষেবার বিষয়। ফিউচার স্কিলস প্রাইম প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তির জন্য ৬ লক্ষ ২৫ হাজার কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য ২ লক্ষ ৬৫ হাজার কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইউনিফায়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ফর নিউ-এজ গভর্ন্যান্স বা উমঙ্গ ( UMANG) অ্যাপে ১৭০০ টির বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও ৫৪০টি আরও পরিষেবা মিলবে বলে জানা গেছে।

    টিয়ার ২ এবং টিয়ার ৩ শহরে ১২০০ রকমের স্টার্ট আপ সংস্থাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে কেন্দ্র। স্বাস্থ্য, কৃষিভিত্তিক শহরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে এই প্রকল্পে। এছাড়াও ১২ কোটি কলেজ পড়ুয়াকে সাইবার-ইন্টারনেট সচেতনতার কোর্স করানো হবে। সেই সঙ্গে জাতীয় স্তরের সাইবার সংযোগ রক্ষাকারী ২০০০ টির বেশি ওয়েবসাইট যুক্ত করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আগে ১০ রকম ভাষা অনুবাদের অ্যাপ ছিল, এখন এই প্রকল্পে আরও নতুন  ৮ রকম ভাষা অনুবাদের জন্য অ্যাপ তৈরি করা হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vishwakarma: মোদির বিশ্বকর্মা প্রকল্পে ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ

    Vishwakarma: মোদির বিশ্বকর্মা প্রকল্পে ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকর্মা প্রকল্পে (Vishwakarma) ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করছে কেন্দ্র সরকার। সেই সঙ্গে এই ঋণের সুদ হবে ৫ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত এই প্রকল্পে প্রায় ৩০ লক্ষ কারিগর এবং শিল্পীর পরিবার উপকৃত হবেন। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই প্রকল্পের সুবিধার কথা জানিয়েছেন। তিনি বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রকল্পের সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে এই প্রকল্পের সুভিধা নেওয়ার কথা বলেন।

    লালকেল্লা থেকে মোদি কী ঘোষণা করেছিলেন (Vishwakarma)?

    মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের দিনে দিল্লির লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের মানুষের জন্য বেশ কিছু প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আগামী মাসেই বিশ্বকর্মা প্রকল্প চালু করবেন। আর তাতে প্রায় ৩০ লক্ষ কারিগর বিশেষ ভাবে উপকৃত হবেন। আজ নতুন দিল্লিতে কেন্দ্রের অর্থ দফতরের ক্যাবিনেট কমিটির এক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে এই বৈঠকের মধ্যেই বিশ্বকর্মা প্রকল্পকে কার্যকর করার কথা ঘোষণা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিশেষ লোনের ব্যবস্থা করবে এবং এই লোনের জন্য কোনও জামানত রাখতে হবে না। এই প্রকল্প ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আগামী পাঁচ বছরের জন্য মোটামুটি ১৩০০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র সরকার। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা ১৮ টিরও বেশি প্রথাগত শিল্পের কারিগর এবং শিল্পীরা পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এই প্রকল্পের আওতায় কারিগরদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্পের (Vishwakarma) বিশেষ সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে ১ লক্ষ টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২ লক্ষ টাকার লোন দেওয়া যাবে। এই প্রকল্পের মধ্যে যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনাকাটার ক্ষেত্রে ডিজিটাল আদানপ্রদানের বিশেষ সুবিধা থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পে প্রথমিক ভাবে যে কারিগররা সুবিধা পাবেন, তাঁদের মধ্যে হলেন মুচি, ছুতোর, নৌকা প্রস্তুতকারক, কামার, তালা প্রস্তুতকারক, স্বর্ণকার, কুমোর, রাজমিস্ত্রি সহ আরও নানান কারিগর এবং শিল্পীরা।

    পিএম ই-বাস প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ

    কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের অর্থ দফতরের বৈঠকে বিশ্বকর্মা প্রকল্পের (Vishwakarma) পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ই-বাস সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এককালীন ১০০০০ ই-বাসের পরিষেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বাস পরিষেবা দেশের ১৬৯ শহরে নামানো হবে। এই বাস পরিষেবা হবে প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপে। আগামী দশ বছরের জন্য এই পিএম ই-বাস প্রকল্পে ৫৭৬১৩ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। মন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রকল্পে  ৪৫০০০ থেকে ৫৫০০০ হাজার নতুন কর্ম সংস্থানের সুযোগ হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Telecom Bill 2022: অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন? এবার কলারের নাম জানাবে সংস্থাই, আসছে বিল

    Telecom Bill 2022: অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন? এবার কলারের নাম জানাবে সংস্থাই, আসছে বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হ্যালো, লোন চাই? লটারি জিতেছেন, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কিংবা ক্রেডিট কার্ড চাই? দিনে অন্তত চার থেকে পাঁচটি এই জাতীয় কল আমরা পাই ফোনে। তবে এই ফোন কলগুলির পেছনে কারা, তা আমরা জানতে পারি না। কে লটারির টিকিট বেচছেন, কেই বা ক্রেডিট কার্ড বিক্রি করছেন তাঁদের আমরা চিনি না। তাই ভুয়ো ফোনকলের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই জাতীয় কলের ফাঁদে পড়ে আপনি যাতে সর্বস্ব না খোয়ান, তাই টেলিকম বিল ২০২২ (Telecom Bill 2022) আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Govt.)। এই বিলের মূল লক্ষ্যই হল, উপভোক্তাদের ভুয়ো ফোন কলের হাত থেকে রক্ষা করা।

    শুক্রবার টেলিকম বিল ২০২২ এর খসড়া প্রকাশ্যে আনেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। যদিও বিলে অনেক কিছুই রয়েছে, তবে সব চেয়ে বড় বিষয়টি হল মোবাইল ব্যবহারকারীদের রক্ষাকবচ দান। এতদিন অপরিচিতি কোনও ব্যক্তি ফোন করলে, তাঁর পরিচয় জানতে ব্যবহার করতে হত ট্রু-কলার অ্যাপ। নয়া বিল আইনে পরিণত হলে, আর প্রয়োজন হবে না তার। টেলিকম মন্ত্রী জানান, নয়া বিল আইনে পরিণত হলে কে ফোন করছেন, তাঁর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানা যাবে। এভাবে রোখা যাবে প্রতারণা।

    আরও পড়ুন : বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, যখন আমি টেলিকম বিলটি প্রস্তুত করছিলাম, আমি মোবাইল ব্যবহারকারীদের সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। তিনি জানান, মোবাইল ব্যবহারকারীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চূড়ান্ত খসড়ায় সেগুলি যোগ করা হবে বলেও জানান তিনি। কেবল মোবাইল কিংবা ল্যান্ড লাইন ফোন ব্যবহারকারীরাই যে এই সুবিধা পাবেন, তা নয়। মন্ত্রী জানান, ফেস রিডিং, ফেসটাইম, জুম কল, হোয়াটসঅ্যাপ কল সব ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। মন্ত্রী বলেন, আমরা কার সঙ্গে কথা বলছি, তাঁর সম্পর্কে জানার অধিকার আমাদের আছে। নয়া টেলিকম বিলের খসড়ায় টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডারের কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করা হবে। মন্ত্রী বলেন, আলাপ আলোচনার পরে আমরা খসড়া চূড়ান্ত করব। পরে সেটি সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে যাবে। তার পর যাবে সংসদে। সব মিলিয়ে ছ থেকে ১০ মাসের সময়সীমা ধরে রেখেছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Bullet Train: ভারতেও ছুটবে বুলেট ট্রেন, কবে থেকে জানেন?

    Bullet Train: ভারতেও ছুটবে বুলেট ট্রেন, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত হতে চলেছে অতীত। এবার দেশের লাইফ লাইনে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) ছোটানোর ভাবনা মোদি সরকারের। ভাবনা রূপায়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বছর তিনেক আগেই। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন চলবে মুম্বই থেকে গুজরাটের আমেদাবাদ পর্যন্ত।

    ইকোনমিক করিডর (Bullet Train)

    ভারতভূমে কবে ছুটবে বুলেট ট্রেন, একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সে কথা জানিয়ে দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “বুলেট ট্রেন প্রকল্পকে দেখতে হবে ইন্টিগ্রেটিং ইকোনমির দৃষ্টিকোণ থেকে। বুলেট ট্রেনের প্রথম করিডর হবে মুম্বই, ঠানে, ভাবি, বরোদা, সুরাট, আনন্দ ও আমেদাবাদে। এই সব জায়গার অর্থনীতি মিশে পরিণত হবে একটি অর্থনীতিতে।” মন্ত্রী বলেন, “তাই আপনি সুরাটে প্রতরাশ সেরে মুম্বইয়ে আপনার সব কাজ সেরে রাতে ফের পরিবারের কাছে চলে আসতে পারবেন।”

    টাকার সংস্থান 

    জাপানে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চলে বহু আগে থেকেই। তার জেরে বদলে গিয়েছে সে দেশের অর্থনীতি। ভারতেও বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার আগেই অবশ্য বন্দে ভারত চালিয়ে রেলকে গতিশীল করা হয়েছে। বন্দে ভারতের সাফল্য থেকেই দ্রুত বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। বুলেট ট্রেন তৈরি করতে ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় রেল দেবে ১০ হাজার কোটি টাকা। মহারাষ্ট্র ও গুজরাট সরকার দেবে ৫ হাজার কোটি টাকা করে। বাকি টাকা ০.১ শতাংশ সুদে ধার দিচ্ছে জাপান।

    আরও পড়ুুন: “এটাই হল মোদি কা গ্যারান্টি”, কেন বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?

    বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। একুশের নভেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ। সেই কাজ চলছে দ্রুত লয়ে। কাজ শুরুর প্রথম ছ’মাসেই এক কিলোমিটার ভায়াডাক্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ৫০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে। মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডরে ৮টি নদীর ওপর ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। বুলেট ট্রেনের ভাড়া বিমানের ভাড়ার চেয়ে সস্তা হতে পারে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

    বুলেট ট্রেনের কাজে দেরি হওয়ার জন্য মহারাষ্ট্রের পূ্র্বতন মহারাষ্ট্র বিকাশ আগাড়ি সরকারকে নিশানা করেন রেলমন্ত্রী। এই সরকারের প্রধান ছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। মন্ত্রী বলেন, “বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়নি ঠাকরে সরকার। জমি অধিগ্রহণে সমস্যা হয়েছিল (Bullet Train)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bullet Train: দেশে কবে থেকে চলবে বুলেট ট্রেন? কী বললেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব?

    Bullet Train: দেশে কবে থেকে চলবে বুলেট ট্রেন? কী বললেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে শীঘ্রই। আর মাত্র দুই বছর। তারপর ভারতের রেল ট্র্যাকেই চলবে বুলেট ট্রেন (Bullet Train)। সরকারের তরফে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে বুলেট ট্রেন এমনটাই জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ‘রাইজিং ভারত’ নামে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে বুলেট ট্রেন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

    বুলেট ট্রেন সম্পর্কে তথ্য শেয়ার

    ‘রাইজিং ভারত’ নামে ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২ বছর পর দেশে বুলেট ট্রেনের পরিকল্পনা বাস্তবে পরিণত হতে চলেছে। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে বুলেট ট্রেন চালু হবে। রেলমন্ত্রী বলেন, ‘২৮৪ কিলোমিটার বুলেট ট্রেন ট্র্যাকের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি নিজে কাজ খতিয়ে দেখেছি। অন্য দেশে সাধারণত বুলেট ট্রেনের প্রকল্প শেষ করতে প্রায় ২০ বছর সময় লাগে, কিন্তু ভারতে দেখুন কত তাড়াতাড়ি শেষ হচ্ছে।’ রেলমন্ত্রী জানান, মোদি সরকারের প্রথম লক্ষ্য হল যাত্রীদের নিরাপত্তা। তাঁদের রেল সফর নিররাপদ রাখা। তারপরের লক্ষ্য হল যাত্রীদের জন্য সুবিধার সম্প্রসারণ করা।

    কোথায় কোথায় চলবে বুলেট ট্রেন

    রেলমন্ত্রী জানান, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনটি (Bullet Train) মুম্বই ও আমেদাবাদ রুটে চলবে। এই ট্রেনটি চালু হলে মুম্বই, থানে, ভাপি, সুরাট, ভাদোদরা, আনন্দ এবং আমেদাবাদ শহরের লোকেরা উপকৃত হবেন। এই সমস্ত শহরের অর্থনীতি বুলেট ট্রেন চালুর ফলে এক সুতোয় গাঁথা হবে বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞদের একাংশ। সরকারের তরফে আগেই বলা হয়েছিল, বুলেট ট্রেন চালু হলে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য যে শুধু বৃদ্ধি হবে, তা নয় উন্নতি হবে অর্থনীতিরও। ২০১৬ সালের পর ভারতীয় রেল ক্রমেই আধুনিক হয়ে উঠছে, বলে মনে করা হয়। কেন্দ্র সরকারে তরফে রেল সফরকে ১০০ শতাংশ নিরাপদ করার চেষ্টা চলছে অবিরত। নিয়মিত ভাবে প্রযুক্তির আপডেট করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজি, অটোমেশন ট্রেন সুরক্ষা, দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: একদিনেই বদল, লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যের নতুন ডিজি সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখবর শোনালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আগামী ছ’ মাসের মধ্যেই চলতে শুরু করবে বন্দে ভারত (Bande Bharat) স্লিপার ট্রেন। শনিবার এ খবর জানান তিনি। জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ট্রায়াল রান শুরু হবে। পরে বন্দে ভারতের সব ট্রেনেই এই সুবিধা মিলবে। বর্তমানে দেশের ৪১টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চলছে। চলছে দুটি অমৃত ভারত ট্রেনও।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে বিইএমএল ক্যাম্পাসে বন্দে ভারত স্লিপার কোচ উৎপাদন পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী। তার পরেই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানোর কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে আরও একশোটি অমৃত ভারত (নন এসি স্লিপার) ট্রেনের কোচের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, তিনটি ফরমেটে বন্দে ভারত চলাচল শুরু করবে। এগুলি হল, বন্দে ভারত ট্রেন, বন্দে স্লিপার এবং বন্দে মেট্রো। এই এসি ট্রেনগুলিতে ১৬টি করে কোচ থাকবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে ১১টি ৩ টিয়ার, ৪টি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস। ট্রেনগুলি ঘণ্টা প্রতি ১৬০ কিলোমিটার গতিতে দৌড়বে।

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “স্লিপার কোচগুলিতে কম্পন ও শব্দের মাত্রা শূন্যের কাছাকাছি হবে। ছাদ, গাড়ির বডি ও লোড ট্রেনের গতির সঙ্গে মানানসই করে ডিজাইন করা হয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে মোট ৬৭টি বার্থ থাকবে। স্লিপার বার্থের জন্য আরোহনের সিঁড়ি ব্যবহার করা সহজ হবে। এসি নিয়ন্ত্রিত হবে।” মোবাইল চার্জিং ও স্টোরেজ স্পেস আরও ভালোভাবে ডিজাইন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    তিনি বলেন, “যাত্রীদের ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার জন্য কাপলার, অ্যান্টি ক্লাইম্বার সহ অন্য বৈশিষ্ট্যগুলি ইনস্টল করা হয়েছে।” মন্ত্রী জানান, প্রথম স্লিপার কোচ সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি একটি নয়া ডিজাইন পেয়েছে। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি ট্রেন ট্রায়াল রানের জন্য সেট করা হবে। অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “বন্দে ভারত (Bande Bharat) ট্রেনটি ডিজাইনিং সহ পুরোটাই করা হয়েছে ভারতে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বন্দে ভারতের পর আসছে নয়া ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express)। এই ট্রেনের বর্ণ হবে গেরুয়া। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক এই ট্রেন বেশ আশাব্যঞ্জক এবং ফলপ্রসূ হবে। শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উল্লেখ্য অমৃত ভারত একপ্রেসের পরীক্ষামূলক যাত্রা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।

    শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এই ট্রেনের এর আগে নামকরণ করা হয়েছিল বন্দে সাধারণ। যা আদতে নন-এসি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পরে নাম বদল করে ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express) রাখা হয়। ট্রেনের রঙ ধূসর ও গেরুয়ার সংমিশ্রণ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যা থেকে উদ্বোধন করতে পারেন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। প্রথম ট্রেন যাবে অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা পর্যন্ত। দ্বিতীয় ট্রেনটি সম্ভবত চলবে মালদা থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত। যদিও, একনও রেলের তরফে সরকারি স্তরে কোনও ঘোষণা হয়নি।

    সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিমি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো এই ট্রেনেও পুশ-পুল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, ট্রেনের দুদিকের ইঞ্জিন সমানতালে কাজ করবে। সামনের ইঞ্জিন পুল করবে, শেষেরটি পুশ। ট্রেনের উভয় প্রান্তেই ডাব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন যুক্ত থাকছে।  এই ট্রেনের গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট। ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। অমৃত ভারত ট্রেনে (Amrit Bharat Express) মোট ২২টি কোচ থাকবে। ৮টি সাধারণ (জেনেরাল) কোচ, ১২টি দ্বিতীয় শ্রেণির থ্রি টিয়ার স্লিপার কোচ ছাড়া দু’টি কামরা হবে লাগেজ ভ্যান। এতে একসঙ্গে প্রায় ১৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ ও নিরাপত্তায় জোর

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ট্রেনের লোকো পাইলটদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে সিটগুলিকে আরামদায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল কামরার উপরে সিটে গদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক সিটের সঙ্গে থাকবে উন্নতমানের মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট। পাশাপাশি, রাখা হয়েছে এলইডি লাইট, বেসিন, পাখা, মেট্রোর মতো ঘোষণার সুবিধাও। ট্রেনে যাতে জলের অপচয় কম রাখা হয় তার জন্য সেন্সর ওয়াটার ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার দিকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। এই ট্রেনে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কবচ’ প্রযুক্তি। ট্রেনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই কম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি কোচে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। 

    ২ ঘণ্টা কম সময় লাগবে

    এই ট্রেনের ট্রায়াল ও অন্যান্য সুবিধাগুলিকে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব রুটে এই ট্রেনগুলি চলবে সেখানে যাত্রাপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।  প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিক কিংবা বিশেষ সক্ষমরা যাতে উঠতে পারেন তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। দরজা থাকবে বেশ চওড়া, জানালা থাকবে বেশ বড়বড়। দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। দিল্লি থেকে কলকাতায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেনে আসত ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এই ট্রেন হল অমৃত কালের অমৃত ভারত ট্রেন।”

    কেমন হবে ভাড়া?

    অনেকে বলছেন, এই ট্রেন বন্দে ভারতের ছোট ভাই। তবে এর ভাড়া বন্দে ভারতের মতো হবে না। তুলনায় অনেক কম হবে ভাড়া। রেল জানিয়েছে, সাধারণ মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্লিপার এবং দ্বিতীয় শ্রেণির তুলনায় মাত্র ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে এই ট্রেনে। অন্যান্য মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এক থেকে ৫০ কিলোমিটারের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রার ন্যূনতম টিকিটের দাম ৩০ টাকা (রিজার্ভেশন এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়া)। সেখানে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) এক থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ন্যূনতম খরচ ৩৫ টাকা। রিজার্ভেশন ফি এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের দিতে হবে এই অর্থ। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ছাড়ের টিকিট এবং বিনামূল্যে পাসের জন্য টিকিট এই ট্রেনগুলিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Telecommunication Bill 2023: লোকসভায় পেশ হল টেলিকমিউনিকেশন বিল, জানেন, কী আছে এতে?

    Telecommunication Bill 2023: লোকসভায় পেশ হল টেলিকমিউনিকেশন বিল, জানেন, কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে যে কোনও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের অস্থায়ী দখল নিতে পারবে কেন্দ্র। সোমবার লোকসভায় পেশ করা টেলিকমিউনিকেশন বিল ২০২৩-এর (Telecommunication Bill 2023) খসড়ায় একথাই বলা হয়েছে। এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় বিলটি পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    খসড়া আইন

    খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা জননিরাপত্তার স্বার্থে, কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার কর্তৃক এজন্য বিশেষভাবে অনুমোদিত কোনও কর্মকর্তা যদি সন্তুষ্ট হন যে এটা করা প্রয়োজন কিংবা সমীচিন, তাহলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কোনও অনুমোদিত সংস্থার কাছ থেকে কোনও টেলিযোগাযোগ পরিষেবা বা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সাময়িক দখল নিতে পারবে…।‘ খসড়া বিলে একথাও বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারের কাছে স্বীকৃত সংবাদ দাতাদের ভারতে প্রকাশিত প্রেস বার্তাগুলিকে আটকানো বা বন্ধ করা হবে না, যদি না তাদের ট্রান্সমিশন উপধারা (২) এর ধারা (ক) এর অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়।’

    মান্ধাতা আমলের আইন

    প্রসঙ্গত, খসড়া আইনটি (Telecommunication Bill 2023) মান্ধাতা আমলের ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট ১৮৮৫, ইন্ডিয়ান ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি অ্যাক্ট ১৯৩৩ এবং টেলিগ্রাফ ওয়্যারস অ্যাক্ট ১৯৫০-এর পরিবর্তে প্রয়োগ করা হবে। জননিরাপত্তার স্বার্থে মানুষের মধ্যে যে কোনও বার্তা চালচালিতে সরকার বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে বলেও বলা হয়েছে খসড়া বিলটিতে। এটি সরকারকে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থগিত করার ক্ষমতাও দেয়। বার্তাগুলির বেআইনি ইন্টারসেপশনের জন্য তিন বছর পর্যন্ত জেল এবং দু’ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়ই হতে পারে। 

    আরও পড়ুুন: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    চলতি বছরের অগাস্ট মাসে বিলটি পাশ হয় মন্ত্রিসভায়। এদিন পেশ হয় লোকসভায়। সরকারের এক আধিকারিক জানান, মন্ত্রিসভায় পাশের আগে ট্রাই এই বিলটিকে স্থগিত করে দিয়েছিল। কারণ বিলটি ট্রাইয়ের ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাবও দিয়েছিল। এদিন বিলটি পেশের আগে ব্যাপক হট্টগোল হচ্ছিল লোকসভায়। তার মধ্যেই বিলটি পেশ করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিলটিতে (Telecommunication Bill 2023) বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share