Tag: Ashwini vaishnaw

Ashwini vaishnaw

  • Indian Railway: ভারতে প্রথম অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি পণ্যবাহী ট্রেনের বগি উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব

    Indian Railway: ভারতে প্রথম অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি পণ্যবাহী ট্রেনের বগি উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলকে (Indian Railway) আরও বেশি উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মত ট্রেন চালু করার পর এবার পণ্যবাহী ট্রেনের জন্যও বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। পণ্যবাহী ট্রেনের জন্য প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বগি। খোদ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব গতকাল অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি পণ্যবাহী ট্রেনের বগি উদ্বোধন করলেন। গতকাল তিনি ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে সবুজ পতাকা দেখিয়ে এর উদ্বোধন করলেন।

    এই অ্যালুমিনিয়াম বগিগুলো তৈরি হয়েছে হিন্দালকো সংস্থা। জানা গিয়েছে, রেলের এই পদক্ষেপের ফলে এবার থেকে প্রতি মালগাড়ির ট্রেনের ১০০ কেজি পর্যন্ত ওজন কমে যাবে। আর সেই কারণে কমবে কার্বন নির্গমনের পরিমাণ। অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি বগিগুলো স্টিলের তৈরি বগির চেয়ে ১৮০ টন হালকা। এবং এই বগিগুলোতে আগের থেকে ৫-১০ শতাংশ বেশি পণ্য বোঝাই করা যাবে। এছাড়াও ট্রেনের গতিও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগেই খুশির খবর! ১ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে ৫জি পরিষেবার সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    উদ্বোধনের দিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “এটি আমাদের দেশের (Indian Railway) জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। স্বদেশী প্রযুক্তিতে এই হালকা ওজনের অ্যালুমিনিয়ামের মালগাড়ি ট্রেন নির্মাণ ভারতীয় রেলের (Indian Railway) জন্য একটি বড় উদ্ভাবন। এই ট্রেনগুলো থেকে ১৪,৫০০ টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড কম বেরোবে এবং এর পাশাপাশি এগুলোর মালবহন ক্ষমতাও বেশি। কম শক্তি খরচ করেও যেতে পারে।“ তিনি আরও জানিয়েছেন, এই বগিগুলো ৩০ বছর পরেও ১০০ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য। এছাড়াও এগুলো পরিবেশের পক্ষেও ক্ষতিকারক না। গতকাল তিনি মোট ৬১ টি অ্যালুমিনিয়াম-এর তৈরি মালগাড়ি ট্রেনের বগি উদ্বোধন করেছেন। আর এই ট্রেন ওড়িশার লাপাঙ্গায় হিন্দালকোর আদিত্য স্মেল্টারের জন্য কয়লা বহন করবে।

    রেলওয়ে (Indian Railway) থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বছরগুলিতে এক লক্ষেরও বেশি এরকম পণ্যবাহী ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেলের এই পদক্ষেপের ফলে ২৫ লক্ষ টনেরও বেশি কার্বন নির্গমন কমে যাবে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, এই মালবাহী ট্রেনের বগিগুলো আরডিএসও-অনুমোদিত ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে নতুন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তৈরি করা হয়েছে। মালগাড়ি ট্রেনের পর এবার উচ্চ গতির যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য অ্যালুমিনিয়াম বগি তৈরি করার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ ভারতীয় রেলকে (Indian Railway) আরও উন্নত করতে এবং আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এই অ্যালুমিনিয়াম পণ্যবাহী বগিগুলো বড় অবদান রাখবে।

  • Vande Bharat Express: ট্রায়ালেই বাজিমাৎ, ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ছুঁল বন্দে ভারতের গতি 

    Vande Bharat Express: ট্রায়ালেই বাজিমাৎ, ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ছুঁল বন্দে ভারতের গতি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি ভারতের দ্রুততম ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express)।  রাজস্থানে ট্রায়াল রানে (Trial Run) ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার সর্বোচ্চ গতিবেগ স্পর্শ করেছে এই ট্রেন। ট্যুইটারে একটি ভিডিও  শেয়ার করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বৈষ্ণব। সেখানে দেখা যাচ্ছে স্পিড মাপার যন্ত্রের কাঁটা ১৮০ ছাড়িয়ে যাচ্ছে ৷ পাশে রাখা একটি কাচের গ্লাসে জল ভর্তি ৷ তীব্র গতিতে ছুটছে ট্রেন ৷ কিন্তু গ্লাসের জল কোনওভাবে পড়ছে না ৷ এ নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব ট্যুইটে লেখেন, “এই ভ্রমণের মান যথেষ্ট উন্নত ৷ গ্লাসের দিকে দেখুন ৷ ১৮০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতেও স্থিতিশীল ৷”  \

    আরও পড়ুন: বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের 

    কোটা থেকে নাগদা সেকশনের মধ্যে ১২০, ১৩০, ১৫০ এবং ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে বন্দেভারত-২ স্পিড ট্রায়াল শুরু হয়। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। ট্র্যাক ও সিগন্যাল পারমিট থাকলেই একমাত্র এই গতিবেগে পৌঁছনো সম্ভব। ট্রেনটিতে ১৬টি কামরা রয়েছে। শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতোই আসন ক্ষমতা রয়েছে এই ট্রেনের। বন্দে ভারতে উভয় প্রান্তে অ্যারোডাইনামিক্যালি ডিজাইন করা ড্রাইভার কেবিন রয়েছে।  ১১০ কিলোমিটার সফল ট্রায়াল রানের পরে, এই নতুন ট্রেনের দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল রান কোটা-নাগদা সেকশনে শুরু হয়েছে।

    প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তার দিক থেকে ট্রেনটিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। চেন্নাইয়ের ইনটিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) তৈরি হয়েছে এই ট্রেন। এই ট্রেনের ব্রেকিং সিস্টেমে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। পাওয়ার কনসামশন কমিয়ে যাতে এর ব্যবহার সম্ভব হয় সেদিকেই নজর দিয়েছে আইসিএফ। শুধু অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারই নয়, বন্দে ভারতে যাত্রী নিরাপত্তা ও যাত্রী স্বচ্ছন্দ্যকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিএসএনএলের হাল ফেরাতে ১.৬৪ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা কেন্দ্রের

    রেলমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ট্রায়াল রান শেষ হওয়ার পরে সেই রিপোর্ট রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। নিরাপত্তা কমিশনারের সবুজ সংকেত দিলে তবেই, ট্রেনটি নতুন রুটে চলবে। তবে কোন রুটে চলবে এই বিষয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, আহমেদাবাদ থেকে মুম্বইয়ের মধ্যে চালানো হতে পারে এই নতুন ট্রেন।   

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Data Protection Bill: বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Data Protection Bill: বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) মধ্যেই ডেটা প্রোটেকশন বিল (Data Protection Bill ) বা তথ্য সুরক্ষা বিল পাশ হবে। এমনই আশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এদিন লোকসভায় মন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল ২০১৯ আপাতত প্রত্যাহৃত হল। সরকার আগামী দিনে একটি সংশোধিত নয়া বিল আনবে যা আইন সম্মত এবং যৌথ সংসদীয় কমিটির সুপারিশ সম্মত। মন্ত্রী বলেন, যৌথ সংসদীয় কমিটির তরফে বিলটি খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। বিলটিতে ৮১টি সংশোধনী ও ১২টি সুপারিশের কথা বলা হয়েছে। তার পরেই বিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। 

    ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল নিয়ে ৫৪২ পাতার এখটি রিপোর্ট জমা দেয় সংসদের যৌথ কমিটি। সেখানে সব মিলিয়ে ৯৩টি সুপারিশ ও ৮১টি সংশোধনের কথা বলা হয়েছিল। নয়া প্যানেলের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, প্রস্তাবিত তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি সাংবিধানিক বৈধতা পাবে কিনা এবং রাজ্যগুলির নিজেদের তথ্য সুরক্ষার অধিকার থাকবে কিনা।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করল ইডি

    প্রসঙ্গত, এই বিলের বিষয়টি সামনে আসার পর শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। এই বিল মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপের শামিল বলেও দাবি করা হয় কোনও কোনও মহল থেকে। অনেকের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত মতামতের ওপর নেমে আসবে সরকারি হস্তক্ষেপ। সরকার যাকে খুশি এই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে। সরকারের সমালোচনা করা হলে, তাকেও রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।

    এদিন লোকসভায় মন্ত্রী বলেন, আমরা নয়া বিলের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছি। এদিনই পার্লামেন্টের পদ্ধতি শেষ হয়েছে। খুব শীঘ্রই অ্যাপ্রুভাল পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে আমরা নয়া খসড়া নিয়ে আসছি। তিনি বলেন, আশাকরি, বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই আমরা নয়া বিলটিকে পাশ করিয়ে নিতে পারব।

    আরও পড়ুন : অক্টোবর থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসছে জিএসটি নিয়মে, জেনে নিন

  • BSNL: বিএসএনএলের হাল ফেরাতে ১.৬৪ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা কেন্দ্রের

    BSNL: বিএসএনএলের হাল ফেরাতে ১.৬৪ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডের (Bharat Sanchar Nigam Limited) হাল ফেরাতে ১.৬৪ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি জানিয়েছেন টেলি কমিউনিকেশন মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি জানান, ফাইবার নেটওয়ার্ক বাড়ানোই এবার বিএসএনএলের (BSNL) মূল লক্ষ্য। 

    আরও পড়ুন: ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলনে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান ভারতকে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৩৩ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে বিএসএনএলের মাথায়। সেই চাপ কমাতেও এই আর্থিক প্যাকেজ ব্যবহার করা হবে। এছাড়া বিএসএনএলের বন্ড বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই বন্ড বিক্রি করে যে টাকা আসবে, সেই টাকা থেকে ঋণের কিছু টাকা মেটানোরও পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ফোরজি এবং ফাইভজি পরিষেবার জন্য স্পেকট্রামও বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেই সঙ্গে বিএসএনএল এবং ভারত ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক লিমিটেডের সংযুক্তিকরণের বিষয়েও অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “এই আর্থিক প্যাকেজের তিনটি লক্ষ্য রয়েছে। বিএসএনএলের পরিষেবার মান উন্নত করা, ঋণের বোঝা কমানো এবং ফাইবার নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করা। প্যাকেজটিতে মোট ৪৩,৯৬৪ কোটি টাকার নগদ সহায়তা এবং ১.২০ লক্ষ কোটি টাকার অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হবে।”  

    মন্ত্রী এদিন আরও জানান, “এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতের ২৪,৬৮০টি গ্রামে এখনও কোনও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ নেই। ভারত জুড়ে মোট ২৫,০০০টি প্রত্যন্ত গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ পৌঁছে দিতে ২৬,৩১৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।” 

    প্রসঙ্গত, সংস্থাটির হাল ফেরানোর জন্যে চার বছরের সময় বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্র। ২০২৭ অর্থবর্ষের আগেই সংস্থাটিকে তার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যদিও যাবতীয় পরিকল্পনা প্রথম দুবছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। 

    মন্ত্রী আরও বলেন, “বিএসএনএল এবং বিবিএনএলের (BBNL) সংযুক্তিকরণের পরে মোট ফাইবার নেটওয়ার্ক হবে ১৪ লক্ষ কিলোমিটার। আগামী দুবছরেই বিএসএনএলের আয় অনেকটা বাড়বে বলে আশা করছে কেন্দ্র।” 

     

  • Viva Tech 2022: ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলনে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান ভারতকে

    Viva Tech 2022: ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলনে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান ভারতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের সেরা দেশের স্বীকৃতি পেল ভারত (India)। সম্প্রতি হয়ে গেল ইউরোপের (Europe) বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলন ভিভাটেক ২০২২ (Viva Tech 2022)। সেখানেই মিলেছে এই স্বীকৃতি।

    সেরা দেশের খোঁজ পেতে ইউরোপে হয় স্টার্টআপ কনফারেন্স ভিভাটেক ২০২২। এটি ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলন। ফ্রান্সের (France) প্যারিসে আয়োজিত ওই সম্মেলনে ভারতের তরফে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, সেরা দেশের স্বীকৃতি হিসেবে ভিভাটেক ২০২২-তে অংশ নিতে পারাটা ভারতের কাছে সম্মানের। এটার কারণ হল, সারা বিশ্বে ভারতের স্টার্টআপগুলির অবদান।এই সম্মান ভারতীয় স্টার্টআপগুলির স্বীকৃতি। আমরা এক রোমাঞ্চকর যাত্রায় শামিল হয়েছি।

    আরও পড়ুন : পাসওয়ার্ডহীন সাইন ইন স্ট্যান্ডার্ড আনার পরিকল্পনা তিন প্রযুক্তি জায়ান্টের

    তিনি বলেন, এটা এমন এক যাত্রা যেখানে কয়েক কোটি স্মার্টফোন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্রকে এই যাত্রায় শামিল করা গিয়েছে।ভারতীয় তরুণদের মধ্যে যে উদ্যম রয়েছে, বিশ্বের আর কোনও দেশে তা পাবেন না বলেও মন্তব্য করেন ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রী।

    ভিভাটেক নামের এই প্রদর্শনীতে গিয়ে এদিন অশ্বিনী উদ্বোধন করেন ভারতীয় প্যাভেলিয়নের। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি, ডিজিটাল পরিচয়পত্র এবং স্মার্টফোন তৈরিতে ভারতে ইউনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, এ দেশ (ফ্রান্স) থেকে একটা জিনিস আমাদের নিয়ে যাওয়া উচিত, সেটা হল চিন্তাভাবনার নয়া পথ। ব্যর্থতার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, তা শিখতে  হবে ফরাসিদের কাছ থেকে। কী ব্যর্থ হতে পারে? কী কী ব্যর্থ হতে পারে? আপনি যদি তা জানতে পারেন, তখনই আপনার প্রোডাক্ট কখনওই ব্যর্থতার মুখ দেখবে না।

    আরও পড়ুন : আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন অশ্বিনী। বলেন, আপনি যদি নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলো দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন সেগুলো কীভাবে ডিজিটালি হয়। এর সব চেয়ে বড় উদাহরণ ইউপিআই। এর পরেই আসতে চলেছে আমাদের হেল্থ মিশন।

     

LinkedIn
Share