Tag: ASI

ASI

  • Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির আর্জি খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টে। আজ, বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি প্রীতিনকর দিবাকরের বেঞ্চ মসজিদে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে সমীক্ষার অনুমতি দিল। তবে বিতর্কিত ওজুখানায় পাওয়া তথাকথিত শিবলিঙ্গ ও সন্নিহিত এলাকায় এখনই কোনও সমীক্ষা হবে না বলে বারাণসী জেলা আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা বহাল রেখেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ 

    গত ২৪ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ ৪৮ ঘণ্টার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ২৬ জুলাই মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির তরফে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, সমীক্ষার অনুমতি দিলে প্রাচীন ওই সৌধের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সময় এএসআইয়ের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল, গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের সাহায্যে খননের কাজ ছাড়াই সমীক্ষার কাজ চালানো যেতে পারে। তাতে ওই প্রাচীন কাঠামোর ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। এদিন রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, সমীক্ষার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশ বৈধ। ন্যায় বিচারের স্বার্থে মসজিদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার প্রয়োজন।

    সমীক্ষার নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে গত জুলাই মাসে বারাণসীর জেলা আদালত ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে দিয়ে মসজিদে (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। ওজুখানা এলাকা বাদ দিয়ে এই সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ২৪ জুলাই এএসআইয়ের ৩০ সদস্যের একটি দল রাডার ম্যাপিং সহ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সমীক্ষা করতে জ্ঞানবাপী মসজিদে যায়। তার পরেই আসে সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশের নির্দেশ। বন্ধ হয়ে যায় সমীক্ষার কাজ। এদিন এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের পর আর বাধা রইল না সমীক্ষার কাজে।

    আরও পড়ুুন: “কোনও সংবিধান পরিষদ চিরকালীন নয়”, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্টে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের অন্দরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করে পূজার্চনার অনুমতি চান। দ্বারস্থ হন আদালতের। তার প্রেক্ষিতেই মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। তার পরেই জানানো হয় কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন সোয়া ১১টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় এই মামলার শুনানি। তার আগেই ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের পাঠানো সমীক্ষক দলকে কাজ করতে বারণ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    সমীক্ষায় স্থগিতাদেশ

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপাতত সেখানে স্থিতাবস্থা থাকুক। ততক্ষণ যেন কোনও খনন করা না হয়। এমন কোনও পদ্ধতিতেও যেন সমীক্ষা চালানো না হয়, যাতে সেই কাঠামোর ক্ষতি হয়। এর পাশাপাশি মুসলমান পক্ষকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ জুলাই পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বারাণসী আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এএসআই

    প্রসঙ্গত, বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশে আজ, সোমবার থেকে শুরু হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ২৪ জনের একটি দল শুরু করেছিল সমীক্ষার কাজ। সমীক্ষকদের সঙ্গে মসজিদে গিয়েছিলেন চার মহিলা আবেদনকারী এবং তাঁদের আইনজীবীরা। ভোর থেকেই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল বলে জানান বারাণসীর জেলাশাসক। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মসজিদ চত্বরে আঁটসাঁট করা হয়েছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। বারাণসী জেলা আদালতের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির তরফে আবেদন করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় কাজ।

    প্রসঙ্গত, একুশের অগাস্ট মাসে জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) মা শৃঙ্গার গৌরী (বর্তমানে যা ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত) এবং মসজিদের ভিতরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্ব দাবি করে প্রার্থনার অনুমতি চেয়ে মামলা দায়ের করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এর পরেই মসজিদের ভিতরের ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেন বারাণসীর নিম্ন আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর। পরে প্রাপ্ত নমুনাগুলির কার্বন ডেটিংয়ের পরীক্ষার আবেদন জানায় হিন্দু সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, মসজিদ চত্বরের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে। তার বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়। অজয় কুমার বিশ্বেশ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছিলেন, শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য জ্ঞানবাপী চত্বরে কোনওরকম বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজ করা যাবে না। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জানানো হয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। গত মে মাসে হিন্দু মহিলা ভক্তদের তরফে সিল করা ওজুখানা (Gyanvapi Mosque) এলাকার বাইরে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Tungnath Temple: ক্রমশই হেলে পড়ছে রুদ্রপ্রয়াগের তুঙ্গনাথ শিবমন্দির! জানাল ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ 

    Tungnath Temple: ক্রমশই হেলে পড়ছে রুদ্রপ্রয়াগের তুঙ্গনাথ শিবমন্দির! জানাল ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেলতে শুরু করেছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু শিব মন্দির তুঙ্গনাথ (Tungnath Temple)। উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার এই স্থাপত্য বিশ্বের সর্বোচ্চ শিবমন্দির হিসেবে পরিচিত। ১২,৮০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই মন্দির ইতিমধ্যে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি হেলে পড়েছে বলে জানিয়েছেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার আধিকারিকরা। অন্যদিকে, মন্দিরের ছোট কাঠামোগুলি হেলেছে প্রায় ১০ ডিগ্রি। গাড়োয়াল হিমালয়ের এই স্থাপত্য নিয়ে সমীক্ষা চালায় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সেখানেই এই তথ্য উঠে আসে। এই অবস্থা চলতে থাকলে যেকোনও মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে মন্দির, একথা ইতিমধ্যে কেন্দ্রকে জানিয়েছে পুরাতত্ত্ব বিভাগ। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নরেন্দ্র মোদি সরকারও।

    আরও পড়ুন: ‘‘বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এবার…’’! অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    কী বলছেন ভারতের পুরাতত্ত্ব গবেষকরা (Tungnath Temple)

    দেরাদুন পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের এক আধিকারিকের মতে, ‘‘কেন তুঙ্গনাথ মন্দির (Tungnath Temple) হেলে গিয়েছে, এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি এটাও দেখতে হবে যে এই ক্ষতি দ্রুত মেরামত করা যায় কিনা। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ পুরাতত্ত্ব বিভাগের অপর এক আধিকারিক বলেন, ‘‘সরকার এটিকে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ বিষয়ে কারও কোন আপত্তি আছে কিনা জানতে চেয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।’’ জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকারকে মন্দিরের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দিরটিকে যাতে সুরক্ষিত সৌধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় সেই আবেদনও করা হয়েছে।  

    তুঙ্গনাথ মন্দিরের (Tungnath Temple) বর্তমান স্থিতি….

    জানা গেছে ওই মন্দিরে আপাতত একটি স্কেল বসানো হয়েছে। পুরাতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে এই স্কেল প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হবে। দেখা হবে যে ওই মন্দির বসে যাচ্ছে নাকি হেলে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, তুঙ্গনাথ মন্দিরের দেখাশোনা করে বদ্রি কেদার টেম্পল কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) মন্দিরের (temple) জায়গায়ই গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ (mosque)!

    কুতুবমিনার (Qutub minar) চত্বরে হিন্দু মন্দিরের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি প্রাক্তন এএসআই (ASI) কর্তার। প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর ডঃ অমরেন্দ্র নাথ এএসআইয়ের রিপোর্টের তথ্যগুলি সত্য বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্যগুলি সম্পূর্ণ সত্য।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্ক এখনও চলছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির (Kashi Viswanath temple) ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে। তাঁরই নির্দেশে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন। ১৮০০ খিষ্টাব্দে নেপালের রানা মন্দির চত্বরে থাকা নন্দীমূর্তিটি মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দেন। মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেকেই অবশ্য এই দাবি সমর্থন করেন না।

    আরও পড়ুন : অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    দেশজুড়ে যখন কার্যত চায়ের ঠেকে চলছে জ্ঞানবাপী চর্চা, ঠিক তখনই বিতর্ক দানা বেঁধেছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, কুতুবউদ্দিন আইবক তৈরি করেছিলেন পেল্লাই মিনার। তাঁর নাম অনুসারে মিনারের নাম হয় কুতুব মিনার।

    এএসআইয়ের প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক ধরমবীর শর্মার দাবি, কুতুবউদ্দিন আইবক নন, কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন হিন্দু রাজা বিক্রমাদিত্য। সূর্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্যই তৈরি হয়েছিল মিনার। সেজন্য মিনারটি হেলে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি।

    প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর অমরেন্দ্র নাথ বলেন, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান স্যার আলেকজান্ডার কানিংহামের তত্ত্বাবধানে ১৮৭১-৭২ সালে জেডি বেগলার এবং এসিএল কার্লেইল এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মন্দিরের জায়গায় একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ মসজিদের ভিত্তি অনেক পুরনো। তারও আগে এখানে একটি মন্দির ছিল।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    খননকার্যের সময় পাওয়া কাঠামোর বিন্যাসের বিশদ বিবরণ দিয়ে নাথ বলেন, তিনটি প্রধান স্তর দৃশ্যমান, যার মধ্যে মসজিদটি সবচেয়ে ওপরের স্তরে রয়েছে। তিনি বলেন, এটি (মসজিদ) ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত হয়েছিল। নাথের দাবি, স্মৃতিস্তম্ভের প্রাচীন লোহার স্তম্ভটি ‘গরুড় স্তম্ভ’ নামে পরিচিত ছিল। স্তম্ভটি পঞ্চম শতাব্দীর বলে মনে হয়। এই স্তম্ভে অনেক শিলালিপি আছে। সেখানে নিশ্চয়ই গরুড়ের মূর্তিও ছিল। তিনি বলেন, কালো পাথরের তৈরি বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর মতো হিন্দু দেবতাদের মূর্তিও মেহরাউলিতে পাওয়া গেছে। সেগুলি রাখা হয়েছে জাতীয় যাদুঘরে।

     

  • Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের জামুই (Jamui) জেলার করমটিয়া গ্রাম। অনুর্বর জমি, ধু ধু প্রান্তর। চাষ-আবাদ হয় না বলে বিশেষ লোকজনও থাকে না এই এলাকায়। কিন্তু এই অনুর্বর জমিই হয়ে যেতে পারে কুবেরের ধন। বদলে দিতে পারে গোটা দেশের অর্থনীতি। সম্ভবত, এই মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনি (Gold mine)। জামুই জেলার কর্মটিয়া (Karmatia) গ্রামে যে দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনি (India’s largest gold reserve) আছে, সেই জল্পনা বহুদিনের। কিন্তু এবার সরকারও সেই জল্পনাকে আমল দিয়ে জামুইয়ে সোনার খনি খোঁড়ার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দিয়েছে।    

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, জামুইয়ে এই সোনার খনিতে (Jamui gold mines) প্রায় ২৩ কোটি টন সোনার আকরিক আছে। এছাড়া রয়েছে ৩৭.৬ টন উৎকৃষ্ট খনিজ। এই বিপুল পরিমাণ আকরিক সোনা থেকে প্রচুর ধাতব সোনা তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়াও এর সঙ্গে বহু ধরনের পণ্যদ্রব্য তৈরি হবে।

    ভারতে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    এই বিপুল পরিমাণ সোনার হদিশ যদি সত্যিই পাওয়া যায়, আর সেটা যদি বাজারে আসে, তাহলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটা কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলা সদর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কর্মটিয়া গ্রাম৷ এর আগে ১৯৮২ সালেও এই কর্মটিয়া গ্রাম শিরোনামে এসেছিল৷ সেই সময়ও এই অঞ্চলে সোনার খনির খবর সামনে এসেছিল৷ যদিও তখন প্রশাসন তাতে গুরুত্ব দেয়নি।         
     
    ২০১১ সালেও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) তরফে ওই এলাকায় খননের কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু খরচ অত্যাধিক হওয়ায় বিষয়টি তখন স্থগিত হয়ে যায়৷ এর প্রায় দশ বছর পরে ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় খনন মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Prahlad Joshi) নতুন করে ওই এলাকায় খননের তোড়জোড় করেন। সংসদে তিনিই জানান, বিহারেই দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনিটি আছে। লিখিত প্রশ্নের জবাবে খনি মন্ত্রী জানান, বিহারে ২২২.৮৮৫ মিলিয়ন টন ধাতব সোনা আছে। যা কিনা গোটা দেশের ৪৪ শতাংশ সোনার সমান। তবে, কেন্দ্রের তরফে শেষপর্যন্ত আর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার উদ্যোগী হয়েছে বিহার সরকার।  

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    বিহারের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হরজ্যোত কৌর বামরাহ জানিয়েছেন, “বিহার সরকার এই খনির প্রাথমিক অন্বেষণের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করব। প্রাথমিকভাবে আমরা তৃতীয় স্তরের অন্বেষণ করব। যেটা একেবারেই প্রাথমিক অন্বেষণ। সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে মাসখানেকের মধ্যেই। তারপর দ্বিতীয় স্তরের অন্বেষণ শুরু হবে।” কৌর আরও জানিয়েছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI) এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) দেওয়া তথ্য মেনেই কর্মটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় অন্বেষণ চালানো হবে। 

    জানা গিয়েছে করমাটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় খনির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় যে সোনার খনি থাকতে পারে এই ধারণা কারোরই ছিল না। ৪০ বছর লেগেছে এই এলাকায় সোনার খনির সন্ধান পেতে। তাও মূলত ‘পিঁপড়ে’-এর সৌজন্য। অনেকে বলে থাকেন, এই এলাকায় আগে একটা বড় বট গাছ ছিল। পিঁপড়ের দল রোদের দাবদাহ থেকে বাঁচতে ওই গাছে নীচে বাসা তৈরি করতে খুঁড়তে শুরু করে। তখনই স্থানীয়রা মাটির সঙ্গে হলুদ রঙের ছোট ছোট কিছু বস্তু দেখতে পান। তখন থেকেই এই সোনার খনির বিষয়টি নজরে আসে।  

    এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে কর্নাটকেই (Karnataka) সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সোনা পাওয়া যায়। এর আগে ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রতে (Sonbhadra) সোনার খনির সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়া যায়। যদিও অনেকেই বলেন ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়ার কথা নিতান্তই গুজব। আদতে ১৬০ কিলোগ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছিল।

     

     

     

     

  • Taj Mahal: কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই 

    Taj Mahal: কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহল নিয়ে গোটা বিশ্বের কৌতূহলের শেষ নেই। তাহমহলের খানিকটা অংশ জনসাধারণের দর্শনের জন্যে খোলা থাকলেও, বেশ খানিকটা অংশ এখনও রয়েছে সাধারণের চোখের আড়ালে। শোনা যায়, তাজমহলের (Taj Mahal) ২২টি ঘর নাকি আজও তালাবন্ধ। কী আছে দরজার (Closed Rooms) ওপারে? এনিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। বার বার সেই ঘরগুলি খোলার দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে রাজি হয়নি। সম্প্রতি ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তাজমহলের বন্ধ ঘরের বিতর্ক। এলাহাবাদ হাইকোর্টে ওই বন্ধ ঘর খোলার দাবিতে পিটিশনও দেন এক বিজেপি নেতা। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। 

    এবার তাজমহলের মধ্যে থাকা কয়েকটি বন্ধ ঘরের ছবিই প্রকাশ করল খোদ আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (Archaeological Survey of India)। বেসমেন্টে থাকা কয়েকটি ঘরের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে এএসআই-এর ওয়েবসাইটে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যে জায়গাগুলি ক্ষয়ে গিয়েছে, সেখানে আবার নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। মেরামতির আগে এবং পরের দুই ছবিই প্রকাশ করেছে এএসআই (ASI) কর্তৃপক্ষ। 

    এএসআই-এর দাবি, এই মেরামতির কাজ শুরু করা হয়েছিল ২০২১-এর ডিসেম্বরে এবং শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এক এএসআই আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে এবিষয়ে বলেন, “ছবিগুলি ২০২২ সালের জানুয়ারির নিউজলেটারের অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। যে কেউ ওয়েবসাইটে গিয়ে তা দেখতে পারেন।”

    [tw]


    [/tw]

    অর্থাৎ এলাহাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন দেওয়ার বেশ খানিকটা আগেই তাজমহল নিয়ে মানুষের কৌতূহল প্রশমন করার চেষ্টা করেছে ভারত সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ। 

    এএসআই দাবি করে, ২০০৬-০৭ সালেও ঘরগুলির মেরামত করা হয়েছিল। এএসআই-এর ওয়েবসাইটে সেই ছবিও আপলোড করা হয়। এবারও যে বন্ধ ঘরগুলি মেরামতের জন্য খোলা হয়েছিল, সেই ছবিও আপলোড করা হয়েছে ওয়েবসাইটে।   

    কিছুদিন আগেই ২২টি বন্ধ ঘর খোলার দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টে করা পিটিশনে বলা হয়েছিল, তাজমহলের যে ২২টি ঘর বছরের পর বছর ধরে বন্ধ রয়েছে, তা খোলা হোক এবং সেখানে কী রয়েছে, তা নিয়ে এএসআইকে তদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হোক। যদিও আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। আর তারপরেই এএসআই- এর এই ছবি প্রকাশ। এএসআই- এর তরফে বলা হয়েছে, ওই বন্ধ ঘরগুলি নিয়ে কোনও গোপনীয়তা নেই। এগুলো শুধুই কাঠামোর অংশ। 

     

  • Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন স্মৃতি সৌধগুলি নিয়ে বিতর্ক দিন দিন বাড়ছে। অনেকেরই দাবি ভারতের ইতিহাসে সব সত্যি কথা বলা নেই। তাজমহল (Taj Mahal) বিতর্ক তো ছিলই এবার কুতুব মিনারকে (Qutub Minar) নিয়েও নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হল। কুতুবুদ্দিন আইবক নন, সূর্যের দিক নির্ণয়ের জন্য রাজা বিক্রমাদিত্য বানিয়েছিলেন কুতুব মিনার। কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নয়, এমন দাবি করলেন খোদ ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের (ASI) প্রাক্তন আধিকারিক ধর্মবীর শর্মা। তাঁর কথায়, “এটি আদেও কুতুবমিনার নয়, বরং সূর্যের স্তম্ভ। পঞ্চম শতাব্দীতে রাজা বিক্রমাদিত্য এটি নির্মাণ করেছিলেন। কুতুবুদ্দিন আইবক করেননি। আমার কাছে এই সংক্রান্ত অনেক প্রমাণ আছে।’ প্রসঙ্গত, এই প্রাক্তন আধিকারিক বেশ কয়েকবার কুতুব মিনার নিয়ে কাজও করেছেন। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দিল্লি শাখার আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন ধর্মবীর শর্মা। ফলে তাঁর যুক্তিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হবে তা বলাই বাহুল্য।    

    আরও পড়ুনঃ জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত
     
    এবিষয়ে ধর্মবীর শর্মা বলেন, “কুতুব মিনারের মাথাটি ২৫ ইঞ্চি হেলে রয়েছে। কারণ এটি সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তাই, ২১ জুন অয়নকালের সময় সূর্যের অবস্থানে বিশেষ পরিবর্তন হয়। আধ ঘণ্টা সেখানে ছায়া পড়ে না। পুরো বিষয়টিই বিজ্ঞান ও প্রত্নতাত্ত্বের ওপর নির্ভরশীল।” 

    প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক আরও বলেন “তাই এখন যাকে কুতুব মিনার বলা হয় সেটি একটি স্বাধীন পরিকাঠামো। এর সঙ্গে মসজিদের কোনও সম্পর্ক নেই। রাতে ধ্রুবতারা যাতে দেখা যায় সেজন্যে কুতুব মিনারের দরজাও উত্তরমুখী।”

    সম্প্রতি হিন্দু সংগঠন মহাকাল মানব সেবার বেশ কয়েকজন সদস্য কুতুব মিনারের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন৷ তাঁদের দাবি কুতুব মিনারের  নাম পরিবর্তন করে ‘বিষ্ণু স্তম্ভ’ রাখতে হবে। তাঁদের যুক্তি, এটি হিন্দু রাজাদের হাতেই নির্মিত! ধর্মবীর শর্মার দাবিতে সেই যুক্তি আরও জোড়ালো হল।   

    এই বিতর্কের মাঝেই এক নয়া তথ্য সামনে এসেছে। পুরোনো হিন্দু মূর্তি পাওয়া গিয়েছে কুতুব মিনার চত্বরে। ধর্মবীর শর্মা মূর্তিটিকে সনাক্ত করেন এবং জানান মূর্তিটি নরসিংহ দেবের। কুয়াত-উল-ইসলাম মসজিতে পাওয়া গিয়েছে মূর্তিটি। এই মসজিতটি কুতুব মিনার চত্বরে অবস্থিত। তথ্যটি সামনে আসতেই প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিকের দাবিটি আরও জোড়ালো হয়।    

    দাবি করা হচ্ছে মূর্তিটি ১২০০ বছরের পুরোনো এবং প্রতিহারার রাজা অনঙ্গপালের সময়ের।  ধর্মবীর শর্মা জানান, মূর্তিটি অষ্টম বা নবম শতাব্দীতে তৈরি। ওই সময়কালেই রাজত্ব করতেন অনঙ্গপাল। মূর্তিটির ছবি এই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিকদের পাঠানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    সম্প্রতি বেনারসের জ্ঞানবাপী মসজিতে শিবলিঙ্গ পাওয়ার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। তাহমহলের বিষয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নাম পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে। এরই মাঝে বিতর্কে জড়িয়ে গেল কুতুব মিনারের নাম।  

  • Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহল (Taj Mahal) নাকি হিন্দুদের মন্দির, এমনই দাবি নিয়ে তদন্তের জন্যে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। তাজমহলের অন্দরে থাকা ২০টি ঘর খুলে পরীক্ষার দাবি করলেন তিনি। কী ছিল আগ্রায় (Agra)? ফের মাথাচারা দিল সেই বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ওই বিজেপি নেতার দাবি, তাজমহলের অন্দরে হিন্দু দেবদেবীর (Hindu idols) বহু মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের একাধিক নির্দশন (Hindu inscriptions) রয়েছে। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আনতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) লখনউ বেঞ্চে পিটিশন দায়ের করেছেন বিজেপির অযোধ্যা (Ayodhya) জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রজনীশ সিং (Rajneesh Singh)। তাঁর দাবি, তাজমহলের অন্দরে ২০টি তালাবন্ধ ঘর রয়েছে। সেখানে প্রচুর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের নিদর্শন লুকিয়ে রাখা আছে। তাই তাঁর আর্জি, প্রত্নতত্ব বিভাগকে (ASI) ওই ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দিক আদালত। তাহলেই সত্যিটা সামনে আসবে বলেও দাবি করেছেন ওই বিজেপি নেতা।

    আবেদনকারী রজনীশ সিং জানিয়েছেন, তাজমহল নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ভিতরে ২০টি ঘর তালাবন্ধ। কাউকে সেখানে ঢুকতেও দেওয়া হয় না। মনে করা হয়, সেই ঘরগুলিতে হিন্দু দেবদেবীদের মূর্তি রয়েছে। লুকিয়ে রয়েছে সনাতন ধর্মের বহু নির্দশন। তিনি বলেন, “আমি আদালতের কাছে আবেদন করেছি যাতে তারা আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দেয়। ওই ঘরগুলি খোলা হলে কোনও সমস্যা নেই। যদি সেখানে কিছু না থাকে, তাহলে সমস্ত বিতর্কের অবসান হবে।”

    পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, রাজ্য সরকারকে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিক আদালত, যারা ওই ঘরগুলি পরীক্ষা করে দেখবে যে সেখানে কোনও হিন্দু ধর্মের নিদর্শন রয়েছে কিনা। বিজেপি সাংসদ বিনয় কাটিহার বলেন, তাজমহল নয়, আগ্রায় যমুনার তীরে একমাত্র তেজোমহলের অস্তিত্ব থাকা উচিত। প্রসঙ্গত, বিজেপির এই সাংসদ একসময়ে দাবি করেছিলেন, আগ্রায় যেখানে আজ তাজমহল দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তেজোমহল বলে একটি হিন্দু মন্দির ছিল।

     

  • Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর সংস্কার করতে গিয়ে ইতিহাসের সন্ধান মিলল পাটনায়। একটি পুকুরের সংস্কার করার সময় ইটের দেওয়ালের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পাটনা (ASI Patna) শাখা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দাবি দেওয়ালটি ২০০০ বছরের পুরোনো। সময়ের হিসেব করলে দেওয়ালটি কুষান যুগের (Kushan Age) নিদর্শন হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা। 

    পাটনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৬ কিলোমিটার পূর্বে, এর আগে যেখানে মৌর্য সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে কুমরাহারে খনন কাজ চালানোর সময় দেওয়ালের অবশিষ্টাংশটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এএসআই পাটনা সার্কেলের গৌতমী ভট্টাচার্য জানান, “দেওয়ালের ইটগুলি ২০০০ বছরের পুরোনো। সেই হিসেবে এই স্থাপত্য কুষান যুগের হওয়া উচিৎ।  

    আরও পড়ুন: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে এএসআই সুরক্ষিত পুকুরটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেউ পাটনা প্রশাসন। তখনই খুনন কার্য চালানোর সময় দেওয়ালটি উদ্ধার হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, পুকুরের গভীরে ইটের দেওয়াল একটি বিরল আবিষ্কার। এএসআই বিশেষজ্ঞদের একটি দল দেওয়ালের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার কাজে লেগে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই ইটগুলি কুষান যুগের নিদর্শন। কুষানরা উত্তর ভারত, বর্তমান আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার কিছু অংশে আনুমানিক ৩০ সাল থেকে ৩৭৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল। তবে এখনই নিশ্চিত হতে পারছেন না প্রত্নতত্ত্ববিদরা।  

    দিল্লিতে এএসআই সদর দফতরে এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানানো হয়েছে বলে জানান গৌতমী ভট্টাচার্য। গৌতমী এএসআই-পাটনা কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অন্তর্গত বিহারের ১১ টি সুরক্ষিত জলাশয় সংস্কারের কাজের অংশ ছিলেন। গৌতমী ভট্টাচার্য (Goutami Bhattacharya) জানান, “আমরা দিল্লিতে আমাদের সিনিয়রদের পুরো বিষয়টা জানিয়েছি। আরও পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষা শেষ হলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে।” 

     

LinkedIn
Share