Tag: Asian Acrobatic Gymnastics Championship

Asian Acrobatic Gymnastics Championship

  • Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিক চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া নিয়ে সংশয়ে নবদ্বীপের (Nadia) দুই স্কুলছাত্র। পারিবারের অভাবের কাছে কি হার মানবে মেধাবী খেলাপ্রিয় ছাত্ররা? বাধ্য হয়ে তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর। কারণ, আর্থিক সাহায্য পেলে তবেই তারা যেতে পারবে তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে।

    বাইরে যেতে কত টাকার প্রযোজন (Nadia)?

    আগামী ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিকের আসর বসতে চলেছে। তাতে ডাক পেয়েছে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র অঙ্কুশ কর্মকার এবং নবদ্বীপ তারাসুন্দরী বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রাইনা মজুমদার। রাইনার বাবা পেশায় নিরাপত্তারক্ষী, অঙ্কুশের বাবা মেশিন মেকানিক, সেলাইয়ের কাজ করেন। তাসখন্দে যেতে হলে ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ বাবদ একেক জনের যেতে-আসতে দেড় লক্ষ করে, মোট তিন লক্ষ টাকা করে প্রয়োজন। পরিবারের পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা কোনও মতেই সম্ভব নয়। আর তাই তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। আফগানিস্তানের তাসখন্দে আয়োজিত জুনিয়র ও সিনিয়র অ্যাক্রোবেটিক জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের হয়ে তারা মিক্সড পেয়ার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা, সেটাই এখন সংশয়ের।

    খেলোয়াড়দের বক্তব্য

    সাংবাদিকদের সামনে নদিয়ার (Nadia) এই দুই পারদর্শী মেধাবী ছাত্র বলে, আমাদের পারিবারের আর্থিক অভাবের কারণে আমরা তাসখন্দে যেতে পারব কি না, এই নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এই জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজনই সুযোগ পেয়েছি। আমরা রাজ্যের মন্ত্রীকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেছি। ইতিমধ্যে নবদ্বীপ পৌরসভা থেকে তারা ৫০ হাজার করে আর্থিক সাহায্য পেয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর বিষয়ে আমরা ভীষণ আশাবাদী। কারণ সরকার পাশে দাঁড়ালে তবেই দেশের হয়ে খেলতে যেতে পারবে তারা।

    পরিবারের বক্তব্য

    অবিভাবক অঞ্জনা মজুমদার (Nadia) বলেন, আমাদের আর্থিক সামর্থ তেমন নেই যে আমরা আমাদের ছেলেকে খেলতে যেতে পাঠাতে পারবো। তিনি আরও বলেন, অঙ্কুশের বাবা নিজে সেলাইয়ের কাজ করেন। কোনও রকমে সংসার চলে আমাদের। তাই সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছি। সরকারের কাছেও আমরা সাহায্যের কথা জানিয়েছি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share