Tag: Assam flood

Assam flood

  • Assam Flood: ভাসছে অসম, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা! প্রধানমন্ত্রীর ফোন, উদ্ধারে বায়ুসেনা 

    Assam Flood: ভাসছে অসম, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা! প্রধানমন্ত্রীর ফোন, উদ্ধারে বায়ুসেনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় ভাসছে গোটা অসম (Assam Flood)। লখিমপুর, ডিব্রুগড়ের অবস্থা ভয়ঙ্কর। সব বড় রাস্তাই সেখানে জলের তলায়। বন্ধ যান চলাচল। একমাত্র উপায় নৌকা। একসময় যেখানে সরগরম থাকতো বাজার চত্বর, এখন সেখানেই বন্ধ দোকানের পর দোকান। অসমে বন্যার জেরে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা ক্ষগ্রতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিপর্যস্ত অবস্থা ২০টি জেলার। ভেসে গেছে জমির পর জমি। ধস নেমে প্রাণ কেড়েছে বহু মানুষের। গত কয়েকদিনে ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। কাজিরাঙা (Kaziranga) অভয়ারণ্য জলের তলায়।

    অরুণাচলে বৃষ্টিই বন্যার কারণ (Assam Flood)

    অরুণাচল প্রদেশে লাগাতার বর্ষণের জেরে অসমে (Assam Flood) বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর গ্রাসে চলে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ফুঁসছে একাধিক নদী। বিপদ বাড়াচ্ছে লাগাতার বৃষ্টি। অসমের ২০ জেলায় ৭টি রেভেনিউ সার্কেলে প্রায় ৬ লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।  ১২৭৫ গ্রাম জলের তলায়। ১১টি জেলায় ৭২টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন মোট ৮ হাজার ১৪২ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসমের বরাক ভ্যালি। করিমগঞ্জ জেলা এবং আপার অসমের তিনসুকিয়া, লখিমপুর, ডিব্রুগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শুধু ব্রহ্মপুত্র নয় অন্যান্য নদী যেমন ডিসাং, সুবনসারি, দেখাহো, বুড়িদেহিং, বেকি এবং বরাক নদীর জলও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এদিকে বৃষ্টি থামার নাম নেই। উল্টে বর্ষণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ভাসছে কাজিরাঙা (Assam Flood)

    ব্রহ্মপুত্র নদের সংলগ্ন এলাকাতেই রয়েছে অসমের সবচেয়ে বড় অভয়ারণ্য কাজিরাঙা (Kaziranga)। একশৃঙ্গ গণ্ডারের জন্য কাজিরাঙা অভয়ারণ্য বিখ্যাত। ব্রহ্মপুত্রের জলে জঙ্গলের ২৬ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্য প্রাণিরা প্রাণ বাঁচাতে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে বলে জানা গিয়েছে। বন্যায় বন্য প্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কাও করা হচ্ছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে ২৩৩টি শিবিরের ৯৮টি ফরেস্ট ক্যাম্প বর্তমানে জলের তলায়। প্রচুর বন্যপ্রাণী ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী কার্বি আংলং পাহাড়ের দিকে চলে গিয়েছে, বলে খবর।

    প্রধানমন্ত্রীর ফোন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস (Assam Flood)

    ইতিমধ্যেই অসমের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মাকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। অসমের (Assam Flood) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় আকাশ পথে খাবার বিলি হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন ভারতীয় সেনাবাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে এগোচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে জানিয়েছেন, প্রয়োজনে উদ্ধারকাজে রাজ্য প্রশাসনকে সাহায্য করবে ভারতীয় সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ভারতীয় বায়ু সেনার তরফে ১৩ জন মৎস্যজীবীকে ডিব্রুগড় জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বানের জলে ভাসল কেরলও, মৃত্যু

    Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বানের জলে ভাসল কেরলও, মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমাল-উত্তর পরিস্থিতিতে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে অসমে (Assam Flood)। ক্রমেই অবনতি হচ্ছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। শনিবার আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এঁরা কাছাড়, করিমগঞ্জ এবং হাইলাকান্দি জেলার বাসিন্দা ছিলেন। রাজধানী গুয়াহাটির একটা অংশও জলমগ্ন।

    জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ (Assam Flood)

    বানভাসি গ্রামগুলি থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে বিপন্নদের। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। শনিবার বেশ কিছু মানুষের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ৮৯টি পশুকেও। এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে বরাক, ব্রহ্মপুত্র-সহ এ রাজ্যের তিন গুরুত্বপূর্ণ নদীর জল (Assam Flood)। শনিবার পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছ’লাখেরও বেশি। কেবল নওগাঁ জেলায়ই বন্যা কবলিত হয়েছেন আড়াই লাখের বেশি মানুষ। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের অন্তত ১০টি জেলা। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে রাস্তাঘাট, চাষের জমি। বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন জায়গার সঙ্গে যোগাযোগ। বানের প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও।

    আর পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে ঢের এগিয়ে বিজেপি, সিকিমে সামনের সারিতে শাসক দল

    বরাকের শাখানদী কোশিয়ারা এবং ব্রহ্মপুত্রের উপনদী কোপিলির জলও বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। এসব নদীর জলস্তর না কমলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, রেমালের প্রভাবে গত মঙ্গলবার থেকে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয় অসমে। তার জেরেই বানভাসি হয়েছে রাজ্যের একাংশ। উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে বলেও হাওয়া অফিস সূত্রে খবর।

    বানভাসি কেরলও

    বানের জলে ভেসেছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলও। ১৯২৪ সালের পর এই প্রথম এত বৃষ্টি হয়েছে সেখানে। ইতিমধ্যেই বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৮৬। রাজ্যে গত পাঁচ দিন ধরে চলছে বন্যা পরিস্থিতি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী আরও দু’দিন বৃষ্টি হবে কেরলে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, গত পাঁচ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। এই মরশুমে বর্ষায় মারা গিয়েছে ১৮৬ জন। বন্যা ও ধস সংক্রান্ত বিপর্যয়ের জেরেই এই মৃত্যু। ভেঙে গিয়েছে ২০ হাজার বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কিলোমিটার রাজ্য সড়ক। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রের তরফে কেরলকে একশো কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে (Assam Flood)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম! জীবন বাঁচাতে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম! জীবন বাঁচাতে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় অসম (Assam Flood) সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। সরকারি হিসেব বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কমপক্ষে এক লক্ষ মানুষ। এখানেই শেষ নয়, প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংখ্যা। ত্রাণ শিবিরে সংকুলান হচ্ছে না জায়গা। কিন্তু শুধুমাত্র মানুষ নয়। বন্যায় একই ভাবে দুর্গত হয়ে পড়েছে বন্য প্রাণীও। সড়ক পথে প্রাণ ভয়ে আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে, সাপ, হরিণ ইত্যাদিকে। বিপদসীমা তো কবেই পার হয়েছে, আপাতত ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্রের দাপটে জলোচ্ছ্বাস (Assam Flood) দেখা গিয়েছে কাজিরাঙার অভয়ারণ্যের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সেখানকার বন্য জীবন। অরণ্যের বাইরে লোকালয়ে তাদের দেখা মিলছে। বন্যা কবলিত অসমে কাজিরাঙার অন্যতম বড় আকর্ষণ আগোরাতলি রেঞ্জও জলের তলায়। ফি বছর এখানে উপচে পড়ে পর্যটকদের ভিড়। কয়েক জায়গায় তো জলস্তরের উচ্চতা সাত ফুট ছুঁয়েছে। ফলে সেই এলাকায় যে বন্য জন্তু-জানোয়ারের বসবাস, তাদের প্রাণ বাঁচাতে জায়গা ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু যাওয়ার তো জায়গা নেই, তাই ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে।

    লোকালয়ে বন্য প্রাণী, আতঙ্কে বাসিন্দারা

    লোকালয়ে বন্য প্রাণী ঢুকলে তা নিশ্চিতভাবেই আতঙ্কের কারণ। বিভিন্ন উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দারা বলছেন, ‘‘আমরা সঙ্গে নিয়ে এসেছি গোরু, মহিষ এবং গবাদি পশুগুলিকেও। কারণ এইগুলিই আমাদের আয়ের উৎস। ভয় লাগছে এই গবাদি পশুগুলিকেও আক্রমণ করতে পারে বন্য প্রাণীরা। কারণ চিতা, বন্য শূকর এবং অন্যান্য প্রাণী আমাদের ক্যাম্পের কাছে চলে আসছে। তাই স্বেচ্ছাসেবকরা এখন রাতে মশাল জ্বালিয়ে ওই প্রাণীগুলিকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে।’’

    চোরা শিকারিদের উৎপাত বাড়তে পারে এইসময়

    সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ৬৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গল ক্যাম্প আপাতত জলের তলায় (Assam Flood)। অরণ্যে বসবাসকারী পশুরা প্রাণ বাঁচাতে জঙ্গল ছেড়ে উঠে পড়েছে অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায়। আবার কিছু পশুকে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতেও দেখা যাচ্ছে। বিগত বছরগুলিতে চোরাশিকারিদের উৎপাত বন্ধ করা গেছে সরকারি কড়া পদক্ষেপে। বন্য জন্তুদের প্রাণ বাঁচাতে বিজেপি সরকারের এমন উদ্যোগ দেশ বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। তবে বন্যার (Assam Flood) এমন পরিস্থিতিতে তাদের উৎপাত ফের বাড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পর্যবেক্ষকরা বলছেন,  এই সময়েরই অপেক্ষায় থাকে চোরাশিকারিরা। কারণ, এই সময় পশুরা বিভ্রান্ত থাকে। ফলে তাদের ফাঁদে ফেলে মেরে দেওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ। বন দফতরের কর্মীদের সে দিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। এছাড়া ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনাতেও প্রাণ যাচ্ছে বন্য জন্তুদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ! ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ

    Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ! ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ব্রহ্মপুত্র-সহ অসম দিয়ে প্রবাহিত প্রায় সমস্ত নদীর জলস্তর ক্রমাগত বাড়ছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় নদীবাঁধ ভেঙে পড়ারও খবর মিলেছে। কয়েকটি অঞ্চলে ভেসে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। অসমের সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বন্যার জেরে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অসমের ১০ জেলার অন্তত ৩৮ হাজার মানুষ। এই মরসুমের ফসলও নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা।

    আরও পড়ুন: ‘বিপর্যয়’-ধ্বস্ত গুজরাট ঘুরে দেখলেন শাহ, দুর্গতদের দিলেন সাহায্যের আশ্বাস

    কী বলছে কেন্দ্রীয় জল আয়োগ?

    কেন্দ্রীয় জল আয়োগ (সিডব্লুসি) সূত্রে খবর, কয়েকটি জেলায় জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। যেমন, জোরহাট জেলার নেমাতিঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদ বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কামপুরে কোপিলি এবং কামরূপে পুটিমারি নদী বিপদসীমা পেরিয়েছে। অসমের অন্যান্য নদীও দু’কুল ছাপিয়ে গিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে অসমে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। তার ফলেই বেশির ভাগ নদী ফুলেফেঁপে উঠেছে। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার। অসমের বিভিন্ন জেলায় একাধিক রাস্তা ভেঙে পড়েছে জলের তোড়ে। ভেঙেছে নদীর উপরের সেতু। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু স্কুলও।

    কী বলছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর?

    অসমের (Assam Flood) বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ১০ জেলার ৩৭,৫৩৫ জন মানুষ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গুয়াহাটিতে জমি ধসে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। তবে বন্যার জেরে এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর আসেনি।’’ জানা গিয়েছে, অসমের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি হল বিশ্বনাথ, দারাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, লখিমপুর, তামুলপুর এবং উদালগিরি। অসম সরকারের তরফে রাজ্যে মোট ১১টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। তার মধ্যে ৮টি ত্রাণশিবির চলছে লখিমপুরে এবং উদালগিরিতে দু’টি।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বাড়ি ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র, জলের তলায় একাধিক জেলা, অসমের বন্যায় এখনও পর্যন্ত মৃত ১৫ 

    Assam Flood: ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র, জলের তলায় একাধিক জেলা, অসমের বন্যায় এখনও পর্যন্ত মৃত ১৫ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাসছে অসম। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে প্রতি বছরই বন্যা হয়ে থাকে। চলতি বছরে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে আবার বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অসমে (Assam Flood)। প্রায় দুই লক্ষ মানুষ এই বন্যায় বিপর্যস্ত। এখনও পর্যন্ত চলতি বছরে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বন্যার কারণে। অসমে অবিরাম বৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ নদীই বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। তাদের জলস্তর অনেক বেড়েছে। জলস্তর বৃদ্ধির কারণে, গুয়াহাটি এবং জোড়হাটের নিমতি ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেরি পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

    ত্রাণশিবিরে বহু মানুষ

    সোমবার অসম (Assam Flood) সরকারের তরফে যে বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, বন্যায় রাজ্যে এক লক্ষ ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এক জনের মৃত্যু হয়েছে সোমবার। ব্রহ্মপুত্র-সহ রাজ্যের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ওই নদী তীরবর্তী গ্রামগুলি। বহু মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে সরকারি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর জল কোথাও কোথাও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। 

    ১৭টি জেলা বন্যার কবলে

    রাজ্যের নানা প্রান্তে কাজ করছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তারাই জানিয়েছে, এই মুহূর্তে অসমের (Assam Flood) মোট ১৭টি জেলা বন্যার কবলে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লখিমপুর। তার পরেই তালিকায় আছে ধেমাজী। এই দুই জেলায় ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ডিব্রুগড়, ধুবরি, তেজপুর এবং জোড়হাটের নিমতি ঘাটে ব্রহ্মপুত্র বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওয়াহুন, বেকি, জিয়া-ভারালি, ডিসাং, দিখাউ এবং সুবানসিরি নদীও লাল দাগ অতিক্রম করেছে। একই সময়ে, ব্রহ্মপুত্র নদের জলস্তর বৃদ্ধির কারণে গুয়াহাটিতে ফেরি পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্যের নানা প্রান্তে ত্রাণশিবির খুলেছে অসম সরকার। এখনও পর্যন্ত ৪৫টি ত্রাণ প্রায় ৫০০ জন সেই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    চাষের জমি জলের তলায়

    বিপর্যয় মোকাবিলা দল জানিয়েছে, বন্যায় রাজ্যে আট হাজার হেক্টরের বেশি চাষের জমি জলের তলায়। ৮০৮৬.৪০ হেক্টর ফসলি জমি বন্যার জলে তলিয়ে গেছে এবং ৮১৩৪০টি বড় প্রাণী এবং ১১৮৮৬টি হাঁস-মুরগি সহ ১৩০৫১৪টি প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে অসমে অনবরত বৃষ্টির কারণে উঁচু এলাকাগুলি থেকে বৃষ্টির জল গড়িয়ে নামছে নীচের দিকে। তাতেই ফুলেফেঁপে উঠছে একাধিক নদী। বৃষ্টি না থামলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। উদলগুড়ির দুটি এলাকা এবং বিশ্বনাথ ও দাররাং-এর একটি করে এলাকা থেকে বন্যার জলে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে (Assam) বন্যা (Flood) পরিস্থিতির আরও অবনতি। শনিবার পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রাজ্যের ১৫টি জেলার ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন। রাজ্যের প্রতিটি নদীর জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। বন্যায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নলবাড়ি জেলা। এদিন এই জেলায় একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে।

    ব্রহ্মপুত্রের রুদ্ররূপ

    জোরহাট জেলায় তেজপুর এবং নেমাটিঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। সব মিলিয়ে বন্যার কবলে পড়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৭১ জন মানুষ। এর মধ্যে মহিলার সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৩৮। ৫৩ হাজার ১১৯ জন শিশুও রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি হল বাকসা, বারপেটা, বাজালি, চিরাং, দারাং, ধুবড়ি, ডিব্রুগড়, গোয়ালপাড়া, গোলাঘাট, জোরহাট, কামরূপ, লখিমপুর, নাগাওঁ, নলবাড়ি এবং তামুলপুর। করুণ অবস্থা বাজালি জেলার। এই জেলায় বানভাসি হয়েছেন ২২ হাজার ১৫৮ জন, নলবাড়িতে দুর্গতের সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৮ জন। আর লখিমপুরে বন্যার (Flood) কবলে পড়েছেন ২২ হাজার ৬০ জন।

    জলের তলায় 

    দুর্গতদের জন্য ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে ২২০টি। সেখানে ঠাঁই হয়েছে ৮১ হাজার ৩৫২ জনের। ত্রাণ বিলির জন্য প্রশাসনের তরফে বাজালিতে খোলা হয়েছে ৫৭টি কেন্দ্র, নলবাড়িতে ৩৪টি। বানভাসি হয়েছে রাজ্যের ১ হাজার ১১৮টি জেলা। জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে ৮৪৬৯.৫৬ হেক্টর জমির ফসল। কেবল শনিবারই বানের জলে ভেসে গিয়েছে ৯৬৪টি গবাদি পশু। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে ১৫৭টি রাস্তা। ধুবড়িতে ভেসে গিয়েছে একটি সেতু। প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমেছে করিমগঞ্জ জেলার কয়েকটি জায়গায়।

    আরও পড়ুুন: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    দারাং জেলায় বাঁধ ভেঙেছে চারটি। নলবাড়ি, গোটাঘাট, কামরূপ এবং বিশ্বনাথ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫টি বাঁধ। আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাই জল (Flood) বাড়তে পারে রাজ্যের একাধিক নদনদীর। প্রত্যাশিতভাবেই প্লাবিত হতে পারে রাজ্যের নতুন নতুন অঞ্চল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: অসমে ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি! ২২ জেলায় ঘরছাড়া প্রায় ৫ লাখ

    Assam Flood: অসমে ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি! ২২ জেলায় ঘরছাড়া প্রায় ৫ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়ঙ্কর আকার ধারন করেছে বন্যা পরিস্থিতি (Assam Flood)। একটানা বৃষ্টিতে বিপদ সীমা পেরিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার একাধিক শাখানদী। আবহবিদদের পূর্বাভাসে শোনা যাচ্ছে আশঙ্কার কথা। এখনই বৃষ্টি কমছে না অসমে। অসমের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। নদীগুলি প্লাবিত হতেই থাকবে। জলের নীচে বিস্তীর্ণ এলাকার বসত বাড়ি ও চাষের জমি। গবাদি পশু ও মানুষের সহাবস্থানও দেখা যাচ্ছে একাধিক জায়গায়। ত্রাণ শিবিরগুলিতে নজরে পড়ছে শুধুই উদ্বেগ। জানা গিয়েছে, ২২ জেলা জুড়ে ঘরছাড়া প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। সব থেকে খারাপ অবস্থা বাজালির। সেখানে ঘরছাড়া প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ।

    কোন কোন জেলা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত?

    অসমের (Assam Flood) বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে বাকসা, বাজালি, বরাপেটা, দারাং, ধেমাজি, ধুবড়ি, কোকরাঝার, লখিমপুর, শোনিতপুর, উদালগিরি এবং নলবাড়ি। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্ষতির নিরিখে বাজালির পরেই রয়েছে নলবাড়ি। সেখানে ৭৭ হাজার ৭০২ জন মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। বরপেটায় বিপাকে ৬৫ হাজার ২২১ জনের জীবন। লখিমপুরে ২৫ হাজার ৬১৩, বক্সায় ১৪ হাজার ২৩, তামুলপুরে ১৯ হাজার ২০৮, দারাঙে ১৩ হাজার ৭০৪, কোকরাঝাড়ে ৬ হাজার ৫৩৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বন্যায়।

    ৮৩টি ত্রাণ কেন্দ্র তৈরি করেছে অসম সরকার

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফি বছর কম বেশি এমন বন্যা পরিস্থিতির শিকার হয় অসম (Assam Flood)। তবে প্রথমবার সেখানে বন্যা দুর্গতদের সংখ্যা ১ লাখ পার করল। ইতিমধ্যে সেখানকার বিজেপি সরকার গড়ে তুলেছে ৮৩টি ত্রাণ কেন্দ্র। উদ্ধারকাজে নেমেছে সেনা, আধাসেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও আপৎকালীন বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন সহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

    আরও পড়ুন: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, বিপন্ন লক্ষাধিক, আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, বিপন্ন লক্ষাধিক, আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির (Rain) বিরাম নেই। তাই ক্রমেই অবনতি হচ্ছে অসমের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতির। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা চলে যাচ্ছে জলের তলায়। উচ্চ অসমের লাখিমপুর থেকে নিম্ন অসম, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন। সব চেয়ে করুণ অবস্থা নলবাড়ি জেলার। সেখানকার ১০৮টি গ্রামের প্রায় ৪৫ হাজার বাসিন্দা গৃহহীন। সব মিলিয়ে অসমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজারের কাছাকাছি। এমতাবস্থায় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, রাজ্যে বৃষ্টি চলবে আরও কয়েকদিন।

    ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র

    প্রবল বর্ষণের জেরে ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র নদ। দুকূল ছাপিয়ে বইছে তার বিভিন্ন শাখানদী। বন্যায় (Assam Flood) সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাকসা, দারাং, ধেমাজি, বরাপেটা, ধুবড়ি, কোকরাঝাড়, লাখিমপুর, শোনিতপুর, উদলাগিরি এবং নলবাড়ি। বন্যা দুর্গতদের অনেকেরই ঠাঁই হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। তবে সেখানে যাঁদের জায়গা হয়নি, তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু বাঁধের ওপর। নলবাড়ির অবস্থা সব চেয়ে খারাপ হওয়ার কারণ হল ভুটান থেকে বয়ে আসা নদী পাগলাদিয়া।

    জল বাড়ছে পাগলাদিয়ায়ও

    গত ২৪ ঘণ্টায় এই নদীর জলস্তর একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। পাহাড়ে আরও বৃষ্টি হলে ফের দুঃখের কারণ হবে পাগলাদিয়া। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো ভুটানের জলাধার থেকে ছাড়া হচ্ছে জল। তাই সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। অসমের বিভিন্ন নদী ফুঁসতে থাকায় অনেক জায়গায় নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেরি সার্ভিস। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রাজ্যের ১০ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৮০০ জন।

    বন্যা (Assam Flood) দুর্গতদের উদ্ধারে নামানো হয়েছে সেনা, আধাসেনা, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের কর্মীদের। কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন প্রশাসনের কর্মী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরাও। প্রবল বর্ষণ এবং বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।

    তাই কয়েকটি জায়গায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্থলপথে যোগাযোগও। এদিকে, প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমেছে অসমের ডিমা হাসাও এবং কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলায়। গোয়ালপাড়া, লাখিমপুর, বরপেটা, মাজুলি, ধেমাজি, বঙ্গাইগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, সেতু এবং নদী বাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের গুঁতো! কেন্দ্রের কাছে আরও ৮০০ কোম্পানি বাহিনীর দাবি কমিশনের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: আসামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ, জলে ডুবে মৃত আরও পাঁচ

    Assam Flood: আসামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ, জলে ডুবে মৃত আরও পাঁচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও, রবিবার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে আরও পাঁচ জনের। এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ। এই বছর এই অবধি আসামে বন্যার কারণে জলে ডুবে এবং ভূমি ধ্বসে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ জনের। 

    রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলার বুলেটিনে এদিন বলা হয়, নওগাঁ জেলার ২ জন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর এবং শিবসাগর জেলার  একজন করে জলে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন। ২৩ জেলার ১৮,৩৫,৫০০ জন মানুষ এখনও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ। বরপেটা, কাছার, দারাং, ডিব্রুগড়, হোজাই, কামরূপ মেট্রপলিটন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর, মরিগাঁও, নওগাঁ, নলবাড়ি, শিবসাগর, এই জেলাগুলি এখনও জলের তলায়।

    আরও পড়ুন: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে কাছার জেলা।  সেখানে এখনও ১০.২ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। তারপরেই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ নওগাঁ (৩.৭৬ লক্ষ), মরিগাঁও (১.৭৬ লক্ষ)। শনিবার অবধি ২৪ জেলায় ২২.১৭ লক্ষ মানুষ বন্যার কারণে আটকে ছিলেন।

    আরও পড়ুন: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ? 

    এখনও ১,৬১৮টি গ্রাম, ৪৭,১৯৮.৮৭ হেক্টর জমি জলের তলায়। রাজ্যজুড়ে ৪১৩টি ত্রাণকেন্দ্রে ২০ জেলার ৬৫,৭৫৭ জন শিশুসহ মোট ২,৭৮,০৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। 

    বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলিতে রাজ্য প্রশাসন ৬৮৫.২৬ কুইন্টাল চাল, ডাল, নুন এবং ২,৬৩৪ লিটার সরষের তেল এবং ৪৭৯২.৯২ কুইন্টাল গবাদি পশুর খাদ্য বিতরণ করেছে।

    ১২ জেলায় ৫,৯০,৯৪৯ গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্থ। ব্রহ্মপুত্র এবং তিনটি উপনদী কপিলি, ডিসাং এবং বুড়িদিহিং বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে রাজ্য প্রশাসন। ব্রহ্মপুত্র এবং অন্যান্য নদীর জল বাড়ায় প্লাবিত হয়েছে ২৬৭৫টি গ্রাম। সেখানের এখনও প্রায় ৯১ হেক্টর জমি জলের তলায়। 

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় সাধ্যমত ত্রাণ এবং পানীয় জল বিলির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মুকেশ আম্বানি, আমির খানরা। কেন্দ্রের তরফেও সব ধরণের সাহায্যের কথা বলা হয়েছে।   

     

  • Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাসের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আসাম (Assam Flood)। বন্যার জল সামান্য নামলেও, এখনও ২২ জেলার ২২৫৪ গ্রামে ২১ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। এবারের বন্যায় এ পর্যন্ত ১৩৪ জন মানুষ জলে ডুবে বা ভূমি ধ্বসের কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে দুই শিশুসহ মোট আট জনের। যে জেলাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেগুলি হল, বাজালি, বকসা, বরপেটা, কাছার, চিরাং, দারাং, ধেমাজি, ডিমা হাসাও, গোয়াল পাড়া, গোলাঘাট, হাইলা কান্ডি, কামরূপ, কামরূপ মেট্রোপলিটন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর, মাজুলি, মরিগাও, নওগাঁ, নলবাড়ি, শোণিতপুর, তামুলপুর এবং উদালগুড়ি। 

    রাজ্যজুড়ে এখনও ১,৯১,১৯৪ লক্ষ মানুষ ৫৩৮টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন। ১৮ জেলায় ৭৪,৬৫৫ হেক্টর ফসলের জমি এখনও জলের তলায়। শতাধিক বাড়ি, রাস্তা, ব্রিজ, খাল, বাঁধ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ। 

    বরপেটা জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। ৬,১৪,৯৫০ জন ক্ষতিগ্রস্থ। এরপরেই রয়েছে নওগাঁ, ৫,১৩,০৬১ জন ক্ষতিগ্রস্থ। কাছার জেলায় ৪,৭৭,১৬৫ জন ক্ষতিগ্রস্থ।  

    আরও পড়ুন: আসামে বন্যায় মৃত ৮২, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭ লক্ষ! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের

    পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে শিলচর জেলায়। শিলচরে ভারতীয় বিমান বাহিনী আকাশ পথে ত্রাণ বিতরণ করছে। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী হাত লাগিয়েছে।

    আনম্যানড এরিয়াল ভেইকেল (UAV) শিলচরে বন্যা কবলিত এলাকার ম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: অসমের চিরাংয়ে দুর্গতদের উদ্ধারে দমকল, যে কোনও মুহূর্তে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা

    [tw]


    [/tw]

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) শনিবার আকাশপথে শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এই নিয়ে তিনি দুই বার শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান। তিনি বন্যাকবলিত মানুষকে সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে আসাম প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হয়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি কমায় জোড় কদমে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, গত কয়েকদিন বৃষ্টি কমায় রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার আসামের চার জেলায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে।    
     

     

LinkedIn
Share