Tag: Assam government

Assam government

  • Assam Government: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটান, কর্মীদের দু’দিনের বিশেষ ছুটি দিল অসম সরকার

    Assam Government: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটান, কর্মীদের দু’দিনের বিশেষ ছুটি দিল অসম সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে বয়স্করা অনেক সময় একাকিত্বে ভোগেন। বাড়ির ছলে-বৌমা দুজনেই কর্মরত। নাতি-নাতনি ব্যস্ত পড়াশোনায়। বৃদ্ধ মানুষটির সঙ্গী হয় টিভি নইলে মোবাইল। তাই অনেক সময় বয়স্করা একাকিত্বে বোগেন। মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বাবা-মা, শ্বশুড় শাশুড়ি বাড়ির বৃদ্ধ সদস্যের সঙ্গে সময় কাটাতে দুই দিনের বিশেষ ছুটি (Special Leave) দিল অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার (Assam Government)।

    কবে কবে ছুটি (Assam Government)

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Assam Government) দফতর থেকে বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বিশেষ ছুটির (Special Leave) ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের ৬ এবং ৮ তারিখ ওই ছুটি পাওয়া যাবে। ছুটির উদ্দেশ্যের কথা মাথায় রেখে সরকার এ-ও জানিয়েছে, যে সমস্ত কর্মীর বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ি নেই, তাঁরা ওই ছুটি পাবেন না। অসম সরকারের অধীনে যে কর্মীরা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা আলাদা। তাঁরা পর্যায়ক্রমে এই ছুটি নিতে পারবেন। কারণ, সকলে একসঙ্গে ছুটি নিলে জরুরি পরিষেবা থমকে যেতে পারে। উল্লেখ্য, সরকার দু’দিন ছুটি দিলেও হিসাব বলছে, ওই সময়ে পর পর পাঁচ দিন ছুটি পাবেন কর্মীরা। কারণ ৬ এবং ৮ নভেম্বরের মাঝে ৭ তারিখ রয়েছে ছট পুজো উপলক্ষে ছুটি। এ ছাড়া, ৯ তারিখ মাসের দ্বিতীয় শনিবার এবং তার পর রবিবারের ছুটি রয়েছে। টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    সরকারি বিবৃতি (Assam Government)

    ২০২১ সালে অসমে ক্ষমতায় এসেছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Assam Government)। সে সময়েই এই বিশেষ ছুটির (Special Leave) ঘোষণা করা হয়েছিল। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এই বিশেষ ছুটি শুধুমাত্র বয়স্ক বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গেই কাটাতে হবে। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে, তাঁদের যত্ন করতে সময় দিতে হবে কর্মীদের। কেউ এই ছুটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam ends VIP culture: মন্ত্রী-আমলাদেরই চোকাতে হবে নিজ বিদ্যুৎ বিল! অসমে ভাঙল ভিআইপি-সংস্কৃতি

    Assam ends VIP culture: মন্ত্রী-আমলাদেরই চোকাতে হবে নিজ বিদ্যুৎ বিল! অসমে ভাঙল ভিআইপি-সংস্কৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদনি ধরে রাজ্যের বহু সরকারি কর্মীর আবাসনের বিদ্যুতের বিল মেটাত সরকার। তবে এবার থেকে সেই সুবিধা বন্ধ করা হচ্ছে বলে সম্প্রতি ঘোষণা করলেন অসমের (Assam Government) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রবিবার তিনি ঘোষণা করেছেন যে তিনি এবং মুখ্যসচিব আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের বিদ্যুতের বিল দেওয়া শুরু করবেন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এতদিন ওই রাজ্যের যে সকল মন্ত্রী-আমলা এই সুবিধা পেতেন, আগামী মাস থেকে তাঁরাও আর এই সুবিধা পাবেন না।  

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্য (Assam Government) 

    রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এখন সরকার কোনও সরকারি কর্মচারী বা রাজনীতিবিদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে না। এবার থেকে তাঁকে নিজেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তা পোস্ট করে তিনি বলেছেন, “আমাদের মন্ত্রী ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন বা সচিবালয়ের বিদ্যুৎ বিল এতদিন ধরে সরকার পরিশোধ করে আসছিল। এটি ৭৫ বছর ধরে চলে আসছে, কোনও নতুন ব্যবস্থা নয়। কিন্তু এবার আমরা ভিআইপি সংস্কৃতি (Assam ends VIP culture) ভাঙছি। করদাতাদের টাকা দিয়ে আমরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারি না। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে এখন থেকে গোটা রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও রাজনীতিবিদদের নিজেদেরই বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে হবে।”
    অর্থাৎ করদাতাদের টাকা দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ‘ভিআইপি কালচার’ খতমের কথা ঘোষণা করলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আগামী মাস থেকেই এই জরুরি পরিষেবা পাওয়ার জন্য অসমের সরকারি কর্মীদের খসাতে হবে নিজের পকেটের টাকা। 

    আরও পড়ুন: ইডির ডাকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    ৩০ লক্ষ টাকা মাসিক সাশ্রয়

    উল্লেখ্য, এদিন মুখ্যমন্ত্রী  আসাম (Assam Government) সচিবালয় কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনতা ভবন সৌর প্রকল্প, ২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, গ্রিড-সংযুক্ত ছাদ এবং গ্রাউন্ড-মাউন্টেড সোলার পিভি সিস্টেমের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটি মাসে গড়ে ৩ লক্ষ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ ১২.৫৬ কোটি টাকা ৪ বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধার করা হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মাসিক সাশ্রয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Meghalaya Border: অসম-মেঘালয় সীমান্তে মাফিয়া-পুলিশ সংঘর্ষ, নিহত ৬, বন্ধ ইন্টারনেট

    Assam Meghalaya Border: অসম-মেঘালয় সীমান্তে মাফিয়া-পুলিশ সংঘর্ষ, নিহত ৬, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি কাঠ পাচারকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত অসম-মেঘালয় সীমান্ত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোর রাতে পশ্চিম জয়ন্তীয়া পাহাড়ের অসম-মেঘালয় সীমান্তে অসম পুলিশের গুলিতে যে ছয়জন মারা গিয়েছেন, তাদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন মেঘালয়ের বাসিন্দা ও একজন অসমের বনরক্ষী। সেখানে গতকাল থেকে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে সতর্কতা হিসেবে মেঘালয়ের ৭ জেলায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। যে গ্রামে ওই গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছে সেই মুকরো গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    এরপরে এই ঘটনা এখানেই সীমিত থাকে না। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ অসমের নম্বর প্লেট লাগানো এক এসইউভি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় কিছু দুষ্কৃতি। এই ঘটনার পরেই সেখানে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। গাড়িটি পুরোপুরি ভাবে পুড়ে গিয়েছে। তবে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা নিয়েও তদন্ত চালানো হচ্ছে।

    গতকাল ঠিক কী ঘটেছিল?

    অসমের পশ্চিম কার্বি আংলং জেলার পুলিশ সুপার ইমদাদ আলি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে বন দফতরের আধিকারিকরা অবৈধ কাঠ পরিবহনকারী একটি ট্রাককে আটক করে। মুকরো গ্রামে থেকে ওই ট্রাকে চাপিয়ে কাঠ চোরাচালান করা হচ্ছিল। তখন ওই ট্রাকটিকে বনকর্মীরা আটকানোর চেষ্টা করলে প্রবল গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। ট্রাকটিকে থামাতে পুলিশ বনকর্মীরা গুলি চালায়। টায়ার ফেটে গিয়ে সেটি থেমে য়ায়। তারপরই আটক করা হয় ৩ জনকে। কিন্তু ট্রাকে থাকা অন্যরা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়। এরপর বনকর্মীরা নিকটবর্তী জিরিকেনডিং থানায় খবর দেন। পুলিশ সেখানে পৌঁছনো মাত্র, ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আটক ৩ জনকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি তুলে সেই এলাকার বাসিন্দারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় পুলিশের উপর। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতেই পুলিশ গুলি চালায়। আর এতেই এক বনকর্মী সহ এলাকার ৬ জনের মৃত্যু হয়। ওই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করেছে আশেপাশের জেলাগুলিতেও।

    সিট গঠন মেঘালয় সরকারের

    মুকরো গ্রামে এমন ভয়াবহ ঘটনার তদন্ত করার জন্য মেঘালয় সরকারের তরফে ডিআইজি-এর নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেছেন, “যদিও আমরা কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন করছি, ততদিনে সিট তদন্ত শুরু করবে। এরপর ভারত সরকার যখন আবেদনটি অনুমোদন করবে, তখন তদন্ত তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, মেঘালয়ের ক্যাবিনেট টিম খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে এই ঘটনার বিষয়ে জানাবেন ও এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআই বা এনআইএ-এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বলবে।

    অসম সরকারের তদন্ত কমিশন গঠন

    মুকরোর ওই ঘটনার কথা মাথায় রেখে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে অসম সরকার। কমিটির প্রধান হাইকোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। কোন পরিস্থিতিতে গুলিচালনা তা তদন্ত করে ৩ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট কেন্দ্র সরকারের কাছে জমা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মৃতদের ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে অসম সরকার।

  • Minorities Certificate In Assam: দেশে প্রথম! আসামে সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র পেতে চলেছে এই ৬ সম্প্রদায়?

    Minorities Certificate In Assam: দেশে প্রথম! আসামে সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র পেতে চলেছে এই ৬ সম্প্রদায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের পরিচয়পত্র (Minorities Certificate) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আসাম ক্যাবিনেট। মুসলিম, খ্রিস্টান, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ ও পার্সিদের সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আসাম সরকার (Assam government)। রবিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma) উপস্থিতিতে গৃহীত মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত। আসাম মন্ত্রিসভার দাবি, সংখ্যালঘুরা (minorities) যাতে সরকারি সুবিধাগুলি আরও বেশি করে পান সেকারণেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    আসামের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত (Keshab Mahanta) জানিয়েছেন, ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে এই ছাড়পত্র দেওয়া হবে। তবে কীভাবে এই শংসাপত্র দেওয়া হবে তা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে তা স্থির করা হবে। তিনি বলেন, এবারই প্রথম এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতদিন আমরা তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিকে শংসাপত্র দিতাম। তিনি জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন ও তাদের বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণের জন্য আমাদের পৃথক বোর্ড রয়েছে। কিন্তু কারা সংখ্যালঘু সেটা বোঝা যায় না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে যাঁদের শংসাপত্র থাকবে তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার পর জেগে উঠছে কাশী, মথুরা, বিন্ধ্যবাসিনী ধাম দাবি যোগীর

    ২০১১-র জনগণনা অনুসারে, আসামের ৬১.৪৭ শতাংশ হল হিন্দু। মুসলিম ৩৪.২২ শতাংশ, খ্রিস্টান ৩.৭৪ শতাংশ। আসাম মাইনরিটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান হাবিব মহম্মদ চৌধুরী জানিয়েছেন, হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। তবে আসাম কংগ্রেসের সভাপতি ভূপেন কুমার বোরাহের অভিযোগ, এটা বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির নজির। বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় বিভাজনের পথ তৈরি করবে এই শংসাপত্র। যদিও আসাম সরকারের তরফে মন্ত্রী কেশব মহন্ত জানান, এমন শংসাপত্র ইস্যু করতে অসম সংখ্যালঘু উন্নয়ন পর্ষদ সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। সেই প্রস্তাবই সরকার কার্যকর করতে চলেছে। সংখ্যালঘুদের জন্য সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে বারবারই সমস্যা দেখা দিয়েছে। রাজ্যে কারা ধর্মীয় সংখ্যালঘু সেই প্রশ্ন সব সময় ওঠে। ফলে পরিষেবা প্রদান থমকে যায়। তাই  সংখ্যালঘুদের পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এর সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। বিরোধীরা অযথা বিতর্ক তৈরি করছেন।

LinkedIn
Share