Tag: Assam Madrasa

Assam Madrasa

  • Assam Madrasa: অসমের মাদ্রাসায় জিহাদি শিক্ষা! গ্রেফতার ২ শিক্ষক

    Assam Madrasa: অসমের মাদ্রাসায় জিহাদি শিক্ষা! গ্রেফতার ২ শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি শিক্ষক (Teacher)। ছাত্রছাত্রীদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁর ব্রত। অথচ তিনি শিক্ষা দিতেন হিন্দুদের (Hindu) ধ্বংস করতে! পড়ুয়াদের শেখাতেন, যারা হিন্দুদের ধ্বংস করতে পারবে, তারা আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ আশীর্বাদ পাবে। অন্ততঃ আসামের এক মাদ্রাসার (Assam Madrasa) এক পড়ুয়ার অভিযোগ এমনই। শুধু তাই নয়, ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষক জিহাদির শিক্ষাও দিতেন বলে অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষককে।

    আসামের কাছাড় জেলায় রয়েছে স্বাধীন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা। এই মাদ্রাসারই (Assam Madrasa) দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁদের দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে সোনাই টাউন থেকে। ওই মাদ্রাসার বছর চোদ্দর এক পড়ুয়ার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে দায়ের হয় এফআইআর। তার ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেফতার করে সোনাই থানার পুলিশ। সোনাই থানার পুলিশ আধিকারিক জোসেফ কেইভম বলেন, যে দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁরা হলেন, বছর একান্নর আবদুর হুসেন লস্কর এবং বছর আঠাশের দিলওয়ার হুসেন মজুমদার।

    ছাত্রের অভিযোগ…

    সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসাম মাদ্রাসার (Assam Madrasa) ওই ছাত্র বলে, ওই দুই শিক্ষক প্রায়ই আমাদের বলতেন, যদি হিন্দুদের ধ্বংস করতে পার, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ আশীর্বাদ পাবে। রাত্রি ১১টার স্পেশাল ক্লাসে যারা উপস্থিত থাকবে না, তাদের হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। মাদ্রাসার ওই পড়ুয়া বলে, শারীরিক সমস্যার জন্য স্পেশাল ক্লাসে যেতে পারব না বলায় তাঁরা আমাকেও হত্যার হুমকি দেন। সে বলে, তাঁরা আমার রুমে ঢুকে ওষুধপত্র পুড়িয়ে দেন। নির্দয়ভাবে মারতে থাকেন। আমাকে একটি ঘরে বন্দিও করে রাখেন। পরে মাদ্রাসা থেকে ওই ছাত্রকে বাড়ি নিয়ে যান তার বাবা।

    আরও পড়ুন: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ওই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। স্বাধীন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানার তরফে ফকরুল ইসলাম লস্কর বলেন, ছেলেটি অপরাধমূলক নানা কাজকর্ম করত। শিক্ষকরা তাকে সৎপথে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা ছড়ি ব্যবহার করতেন। তিনি বলেন, এটা একজন শিক্ষক করতেই পারেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share