Tag: Assam

Assam

  • Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানায় (Telangana) গণেশ উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন আসামের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঘটনার জেরে শুক্রবার রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। জেড প্লাস সিকিউরিটি পান হিমন্ত। তার পরেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবের কাছে। এর আগে এই একই ইস্যুতে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছিল আসাম সরকার এবং সিআরপিএফ (CRPF)।

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানায় গণেশ উৎসবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হিমন্ত। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির এক নেতা মঞ্চে উঠে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কাধাক্কি করেন। কেড়ে নেন তাঁর মাইক্রোফোনও। যিনি এসব করেছেন, তিনি তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা নন্দু ব্যাস। নন্দুকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় আবিদ রোড থানায়। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন :মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    ছাড়া পেয়েই স্বমূর্তি ধারণ করেন তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির ওই নেতা। নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, যে উৎসব উপলক্ষে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ রাজ্যে এসেছেন, সেই উৎসব সম্পর্কিত কথাবার্তা না বলে তিনি ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও সম্পর্কে অযথা বাজে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা সহ্য করতে পারিনি। তাই মঞ্চে গিয়ে ওঁকে অনুরোধ করেছিলাম মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে। তাঁকে এও বলেছি, যদি ভবিষ্যতে আপনাদের কোনও নেতা কিংবা নেত্রী এসে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এসব বলেন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। তাঁকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

    তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মুখপাত্র কৃষাঙ্ক মান্নে বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দিনভর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে গালি দিয়ে গেলেন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে শুরু করল। কেসিআরের এক সমর্থক এটা মেনে নিতে পারেননি। তারই প্রতিক্রিয়ার জেরে ঘটেছে এই ঘটনা। তিনি বলেন, কেসিআরের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত হিমন্তর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Assam’s Bongaigaon : অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    Assam’s Bongaigaon : অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) বঙ্গাইগাঁও (Bongaigaon) এলাকায় একটি অবৈধ মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দিল অসম সরকার (Assam Government)। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ ওঠার পর পরই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলা হয় ওই মাদ্রাসা। একই সঙ্গে, প্রশাসনের তরফ থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে আগেই জানানো হয়েছিল, মাদ্রসা ভবনটি কাঠামোগত ভাবে দুর্বল এবং এখানে কারও বসবাস করা নিরাপদ নয়। এই ভবনগুলি নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

    মাদ্রাসাটির নাম মারকাজুল মা আরিফ করিয়ানা। এই মাদ্রাসায় মোট ২২৪ জন শিশু পড়াশুনা করত। মাদ্রাসাটি ছিল আবাসিক। ওখানে বসবাসকারী ছাত্রদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বঙ্গাইগাঁও-এর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানানো হয়, এই মাদ্রাসা সরকারি নিয়ম অনুসারে নির্মিত হয়নি। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে এই মাদ্রাসার যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। বঙ্গাইগাঁওয়ের এসপি স্বপ্ননীল ডেকা বলেন, ‘‘মঙ্গলবার আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত এক জন গ্রেফতার জঙ্গিকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার ভিতরে তল্লাশি অভিযান চালায় গোয়ালপাড়া জেলা পুলিশ। জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে, আমরা মাদ্রাসাটি ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’’

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    এটি অসমের তৃতীয় মাদ্রাসা, যা অবৈধভাবে নির্মাণের কারণে ভেঙে ফেলা হল। এর আগে মনিকা ও গোয়ালপাড়ায় দুটি মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গেও জিহাদিদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam: এবার অসমে লাভ জেহাদের শিকার হিন্দু নাবালিকা! কিশোরীকে গণধর্ষণ চার যুবকের

    Assam: এবার অসমে লাভ জেহাদের শিকার হিন্দু নাবালিকা! কিশোরীকে গণধর্ষণ চার যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমে সাড়া না দেওয়ায় এক হিন্দু নাবালিকাকে বন্ধুদের সঙ্গে মিলে ধর্ষণ করল চার মুসলিম যুবক। অভিযোগ, অসমের করিমগঞ্জ জেলার নীলমবাজার এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ রহিম উদ্দিন নামে এক যুবক ওই কিশোরীর সঙ্গে ভালবাসা  ও বন্ধুত্বের অভিনয় করছিল। ওই দিন তাকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দলগ্রামের কাছে একটি জায়গায় ওই কিশোরীকে দেখা করতে বলে রহিম।

    অভিযোগ, কিশোরী ওই জায়গায় গেলে রহিম ও তার তিন বন্ধু নাসির উদ্দিন, চাহির উদ্দিন এবং সুলেমন আলি তাকে অপহরণ করে এবং তার উপর শারীরীক নির্যাতন চালায়। অচেতন অবস্থায় ওই কিশোরীকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ফেলে পালিয়ে যায় তারা। স্থানীয়েরা মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং পুলিশে খবর দেয়। ওই কিশোরীর ভাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

    আরও পড়ুন: জীবন্ত পুড়িয়ে মারার আগেও অঙ্কিতার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল শাহরুখ?

    পুলিশ সূত্রে খবর, মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়। স্থানীয়েরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায়। ওই অঞ্চলে ক্রমশ বেড়ে ওঠা লাভ জেহাদের ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রশাসনকে সতর্ক হতে আবেদন করে স্থানীয় বাসিন্দারা।  

    প্রসঙ্গত, বন্ধুত্বের প্রস্তাব ফেরানোয় বছর ষোলোর এক কিশোরীকে (Teen) গায়ে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দুমকায় (Dumka)। এই ঘটনাটিও লাভ জেহাদের (Love Jihad)  অঙ্গ।  অভিযোগ, ২২ অগাস্ট রাতে দুমকার জারুয়াডি কসবার ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন বছর ষোলোর অঙ্কিতা সিং। অভিযোগ, বছর ২৩ শাহরুক হুসেন গভীর রাতে জানালা দিয়ে পেট্রোল ছুড়ে দেয় ওই কিশোরীর গায়ে। পরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ২৮ অগাস্ট মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর। তারপরেই প্রকাশ্যে এল অসমের এই ঘটনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam: কেজরিওয়ালকে সপাটে জবাব বিশ্বশর্মার, অসমে স্কুল উন্নয়নের জন্যে বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা 

    Assam: কেজরিওয়ালকে সপাটে জবাব বিশ্বশর্মার, অসমে স্কুল উন্নয়নের জন্যে বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) রাজ্য সরকারের অধীনস্থ স্কুলগুলির (School) পরিকাঠামোগত উন্নতির জন্যে ১০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তাহলে কি এবার কেজরিওয়াল-বিশ্বশর্মা (Arvind Kejriwal) ট্যুইট যুদ্ধে যবনিকা পতন? মুখ বন্ধ হবে কেজরিওয়ালের? 

    একটা নয় দেশে যদি আমরা ৫টি রাজধানী পেতাম…! এ কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    কিছুদিন আগেই ৩৪ টি সরকারি স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল বিজেপি পরিচালিত অসম সরকার। স্কুলগুলিতে শিক্ষার অবস্থা শোচনীয় হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার। জানা গিয়েছে, এই ৩৪টি স্কুল থেকে এ বছর দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় কোনও পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। তারপরেই সে রাজ্যের সরকার স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসার পরেই এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক তরজা। চাঁচাছোলা বাক্যবাণে আসাম সরকারের এই সিদ্ধন্তের তীব্র সমালোচনা করেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একটি ট্যুইটে লেখেন, “স্কুল বন্ধ করে দেওয়া কখনওই সমাধান হতে পারে না। আমাদের প্রয়োজন দেশজুড়ে আরও নতুন স্কুল তৈরি করা এবং স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার পরিবর্তে সেগুলিতে শিক্ষা ব্যবস্থার মান আরও উন্নত করা।” 

    এরপর শুরু হয় দুই মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ট্যুইট যুদ্ধ। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তারপর পাল্টা ট্যুইটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসমে শিক্ষা ব্যবস্থার কী উন্নতি হয়েছে তা দেখতে তিনি সেই রাজ্যে আসবেন। আর তারপরেই অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: অসমে ফের আলকায়দা জঙ্গির খোঁজ! যোগ মধ্যপ্রদেশ, বাংলার সঙ্গেও

    জনসভায় বক্তৃতা রাখার সময় বিশ্বশর্মা বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারের স্কুলগুলিকে উন্নত করতে ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ করব। এর ফলে বেসরকারি স্কুলগুলির থেকেও দেখতে ভালো হবে রাজ্য সরকারের স্কুলগুলি। আমরা স্কুলগুলির পরিকাঠামোগত মানও উন্নত করব। এভাবেই রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার আসবে।”

    এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়েই কি অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জবাব দিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা? এরপর কী প্রতিক্রিয়া আসবে কেজরিওয়ালের তরফ থেকে? এবার সেদিকেই অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে রয়েছে নেট মহল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

     
     

     

     

  • Himanta Biswa Sarma: একটা নয় দেশে যদি আমরা ৫টি রাজধানী পেতাম…! এ কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: একটা নয় দেশে যদি আমরা ৫টি রাজধানী পেতাম…! এ কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র দিল্লি (Delhi) নয়, দেশের প্রতি জোনে একটি করে পাঁচটি রাজধানী স্থাপন করার কথা বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Assam Chief Minister) হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ( Himanta Biswa Sarma)। তাঁর মতে, এর ফলে বিভিন্ন রাজ্যের অর্থনৈতিক অসাম্য দূর হবে। 

    গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের সঙ্গে ট্যুইট-বিতর্কে জড়িয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এরই মধ্যে সোমবার,ট্যুইট বর্তায় হিমন্ত জানান ‘দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অরবিন্দ কেজরীবাল এখন অন্য রাজ্যকে উপহাস করা অভ্যাসে পরিণত করেছেন। তাঁর সঙ্গে বাদানুবাদের পরে, আমার মনে হয়েছে, দরিদ্র রাজ্যগুলিকে উপহাস না করে, আমাদের অসাম্যের রোগ নিরাময়ের লক্ষ্যে কাজ করা উচিত। আমরা কি ভারতের ৫টি রাজধানী পেতে পারি না, প্রতি জোনে একটি করে?’

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী যোগ করেছেন, ‘এতে দিল্লির মতো সরকারগুলির হাতে উত্তর–পূর্ব এবং পূর্বের রাজ্যগুলির তুলনায় বিশাল সম্পদ না থাকাটা নিশ্চিত হবে আবার উল্টোটাও হবে। আর অবশ্যই আমাদের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির আশীর্বাদে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা যা করছি, তা গত ৭৫ বছরে অজানা ছিল। অবশেষে, সাত দশকের অস্বীকৃতি ও অবহেলার পর, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ২০১৪ সালে উত্তর–পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে মূলধারায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল এবং সেই অগ্রগতির গতি নিরবচ্ছিন্ন। উত্তর–পূর্বের সহানুভূতি এবং উপহাসের প্রয়োজন নেই, আমাদের প্রয়োজন আমরা যা পাইনি–সম্মান, সম্পদ এবং পুনর্জন্ম।’

    আরও পড়ুন: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সেন

    প্রসঙ্গত, এর আগে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে ভারতের চারটি পৃথক জ়োনে চারটি পৃথক রাজধানী স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও উত্তর পূর্ব – দেশের এই চার প্রান্তে চারটি রাজধানী স্থাপনের বিষয়ে সংসদীয় অধিবেশনে দলের সাংসদদের দাবি তোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এবার সেই একই রকম দাবি জানালেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam’s New Rules: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    Assam’s New Rules: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম এবং মাদ্রাসা ও মসজিদের শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন (Police Verification) ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হবে। জানিয়ে দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আল কায়দার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে অসম থেকে গত চারমাসে অন্তত ২৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছে।

    গত কয়েকদিনে অসমের একাধিক জায়গায় থেকে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। এদের অনেকেই সেখানের ইমাম এবং মাদ্রাসার শিক্ষক হিসাবে কাজ করছিলেন। তারা বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন  আনসারুল্লা বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team) সঙ্গে যুক্ত বলে সূত্রের খবর। একইসঙ্গে ধৃতরা জিহাদি কাজ এবং আল কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের (Al Qaida in Indian Subcontinent) সঙ্গেও যুক্ত বলে দাবি অসম পুলিশের। একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়ার জেরেই নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম প্রশাসন।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma)  আবেদন, গ্রামের লোকজন যদি তাঁদের এলাকায় অপরিচিত ইমামদের দেখেন তাহলে তাঁরা যেন সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানান।  তিনি বলেন, “রাজ্যে একের পর এক জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার পরে এখানে নতুন একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল (Standard Operating Protocol) চালু করা হচ্ছে। এরই অঙ্গ হিসাবে যারা রাজ্যের বাইরে থেকে মাদ্রাসায় আসছেন তাঁদের সম্পর্কে একটি ‘পোর্টাল’ করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: আল কায়দা যোগ, অসমে গ্রেফতার দুই ইমাম! কী মিলল তাদের কাছ থেকে?

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার জঙ্গি যোগের অভিযোগে গোয়ালপাড়া থেকে দুজন ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরই একেবারে তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে পোর্টাল খোলা হবে, তার  মাধ্যমে ইমাম ও বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক যারা অসমের বাইরে থেকে আসছেন তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে কবে থেকে এই পোর্টাল চালু হবে তা নিয়ে তিনি কিছু জানাননি।

    এদিকে গোয়ালপাড়ার পুলিশ সুপার ভিভি রাকেশ রেড্ডি জানিয়েছেন, ওই ইমামরা জেহাদি স্লিপার সেল তৈরির কাজ করত। তল্লাশি চালিয়ে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে বেশ কিছু বই, পোস্টার, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে অসম পুলিশ। এ ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড ও পরিচয় পত্র।

  • Al Qaeda terrorist in Assam: অসমে ফের আলকায়দা জঙ্গির খোঁজ! যোগ মধ্যপ্রদেশ, বাংলার সঙ্গেও

    Al Qaeda terrorist in Assam: অসমে ফের আলকায়দা জঙ্গির খোঁজ! যোগ মধ্যপ্রদেশ, বাংলার সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে অসমে আবার একজনকে গ্রেফতার করা হল। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করে অসম পুলিশ। গোয়ালপাড়ার পুলিশ সুপার ভি ভি রাকেশ রেড্ডি (VV Rakesh Reddy) জানান, ধৃতের নাম আব্দুস চোবাহান (Abdus Chowahan)। তাঁকে বঙ্গাইগাঁও জেলার জোগিঘোপা (Jogighopa) থানার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ব্যক্তি আল কায়দা ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (Al-Qaeda Indian Subcontinent) এবং আনসারুল্লা বাংলা টিম (Ansarullah Bangla Team) এর সঙ্গে যুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। কয়েকদিন আগেই ওই এলাকা থেকে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় দুই ইমামকে। আব্দুসের সঙ্গে ওই দুই ইমামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলেও জানিয়েছেন গোয়ালপাড়ার পুলিশ সুপার। 

    আরও পড়ুন: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জঙ্গিদের বিভিন্ন ডেরায় অভিযান চালায় অসম পুলিশ। এর ফলে তারা জানতে পারে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়  নাশকতার ছক কষছিল এই জঙ্গীরা। এই উদ্দেশে অসমে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পও স্থাপন করেছিল তারা। এদিন অভিযানের সময় জঙ্গিদের কার্যকলাপ ও পরিকল্পনা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে অসম পুলিশের হাতে। পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েক বছর আগে ৬জন বাংলাদেশী সন্ত্রাসবাদী অসমে প্রবেশ  করে। এদের মূল লক্ষ ছিল অসমের চর এলাকা এবং মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলি। 

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুর সেই ইদগাহ ময়দানে এবার গণেশ চতুর্থী পালনের অনুমতি হাইকোর্টের

    ডিজিপি অসম ভাস্কর জ্যোতি মহন্ত জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যেই আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত ৩৪ জনেরও বেশি লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অসম পুলিশ এই ধরনের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না। বাংলাদেশীরা কিছু সেনা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপন করেছে বলেও জানা যাচ্ছে।” ধৃত জঙ্গিদের সঙ্গে বাংলা ও মধ্যপ্রদেশের যোগ রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam: আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা! দাবি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    Assam: আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা! দাবি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম (Assam) জিহাদি কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। জঙ্গিরা নানা ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। নিজেদের মধ্যে সংগঠনের কাজ চালাতে নানান ধরনের আধুনিক অ্যাপ ব্যবহার করছে তারা। যাতে করে সহজে তাদের নাগাল পাওয়া যাচ্ছে না। অভিমত, খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma)। সাম্প্রতিককালের পাঁচটি ঘটনায় বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল ইসলামের (Ansarul Islam) যোগ মিলেছে বলে জানিয়েছেন হিমন্ত। গোটা বিষয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। প্রশাসন কাজ করছে, তবে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে, বলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সন্দেহভাজন মনে হল পুলিশকে খবর দিতে বলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভূস্বর্গে তিরঙ্গা মিছিল, জাতীয় সঙ্গীতও গাইল পড়ুয়ারা

    এদিন উদ্বেগের সঙ্গে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “আনসারুল ইসলামের সদস্য ৬ জন বাংলাদেশি অসমে ঢুকেছে। এরা রাজ্যে ঢুকে তরুণ প্রজন্মকে মৌলবাদী মগজধোলাই দিচ্ছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে বারপেতা (Barpeta) থেকে এদের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।” হিমন্ত অভিযোগ করেন, রাজ্যে বাইরের লোক ঢুকে মাদ্রাসায় ছাত্রদের মগজধোলাই করছে। যা রীতিমতো আতঙ্কের বিষয়। তিনি বলেন, “জঙ্গিরা নিজেদের মধ্যে ফোনে কথোপকথন করে না। ফোন ট্যাপ হওয়ার ভয়ে তারা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে। টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের অনুরূপ অ্যাপ তৈরি করে নিজেদের মধ্যে প্রচার চালায় তারা। এর ফলে সহজে তাদের ট্র্যাক করা যায় না।”

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসে কি গণতন্ত্র রয়েছে? পরিবারতন্ত্রই সম্বল, রাহুলকে তোপ বিজেপির

    অসমের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, “জঙ্গি কার্যকলাপ আর জিহাদি কাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে মগজধোলাই দেওয়া থেকে বিষয়টা শুরু হয়। এরপরে ইসলামী মৌলবাদের প্রচারে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সব শেষে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া।” অসম পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) হীরেন নাথ জানান, ধরা পড়া জঙ্গিদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে দেখা গিয়েছে, তারা বিশেষ বিশেষ গ্রুপ ব্যবহার করে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে কাজ চালায় তারা। তারা কীভাবে প্রচার চালায় তা অভিযানের সময় প্রাপ্ত বিভিন্ন নথি থেকে  জানা গিয়েছে। কিন্তু এখনই নিরাপত্তার খাতিরে তা বিশদে বলা সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

     

  • Al-Qaeda: অসমে আল-কায়দা প্রধানের ভিডিওবার্তা! সতর্ক করল পুলিশ

    Al-Qaeda: অসমে আল-কায়দা প্রধানের ভিডিওবার্তা! সতর্ক করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব ভারতেও জাল বুনছে আল কায়দা (Al-Qaeda)। নজরে ভারত ও তৎসংলগ্ন দেশগুলির যুব সমাজ। উত্তর পূর্বের রাজ্য অসমে আল কায়দা (Al-Qaeda) জঙ্গি গোষ্ঠীর শীর্ষনেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির একটি ভিডিওবার্তা সামনে আসার পর থেকেই এই জল্পনা আরও ঘণীভূত হচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক করে অসম পুলিশ জানিয়েছে, আল কায়দার ভারতীয় উপ মহাদেশীয় শাখা (Al-Qaeda in Indian Sub continent)  বা সংক্ষেপে ‘আকিস’ (AQIS) এখন অসমে ঘাঁটি গাড়তে চাইছে। এই গোষ্ঠী তাদের ম্যাগাজিনের সর্বেশেষ সংস্করণটি বাংলায় প্রকাশ করেছে।

    অসম পুলিশের DG ভাস্করজ্যোতি মহন্ত (Bhaskar Jyoti Mahanta) বলেন, “ম্যাগাজিনের সংস্করণ বাংলায় প্রকাশ করার অর্থই হল আল-কায়দা বাংলাদেশ ও অসমের বাংলাভাষী অঞ্চলে নিজেদের সংগঠন সম্প্রসারণ করতে চাইছে।” তাদের উদ্দেশ্য হল, আল-কায়দার ভাবধারা ছড়িয়ে দেওয়া। এর জন্য তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যে নেটনাগরিকদের মধ্যে আল-কায়দার প্রতি একই ধরনের আবেগ রয়েছে, তাদের মগজধোলাই করে জিহাদি কার্যকলাপের দিকে এগিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই অসমে সেই কাজ শুরু করে দিয়েছে তারা।

    আরও পড়ুন: আল-কায়দা যোগ! অসমে আটক ১১ জন

    গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য বলছে, মূলত টেকসেভি তরুণ সমাজকে দলে টানাই এই জিহাদিদের প্রধান লক্ষ্য। অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের ইসলামের নামে খুন করতেও উৎসাহ দেয় এই সংগঠন। তাদের নিশানায় থাকেন মূলত জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতারা। এর পাশাপাশি, আল-কায়দার প্রতি সহানুভূতিশীল ধনী ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা তুলে মোটা তহবিল তৈরি করাও এই জঙ্গি মডিউলের অন্যতম কাজ।

    অসমে এখন সক্রিয় রয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়দা (Al-Qaeda)! সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাক্রম থেকেই এই বিষয়টি সামনে এসেছে। মূলত, সাইবার দুনিয়ায় আল-কায়দার প্রোপাগান্ডা মেনে কাজ করছে এই সংগঠনের সদস্যরা। গত দুদিনে প্রায় ১১ জন জঙ্গি ধরা পড়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, গত কয়েকদিনে জঙ্গিযোগ রয়েছে সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। রাজ্যে জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না।

  • Al-Qaeda arrested: আল-কায়দা যোগ! বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার অসমের যুবক

    Al-Qaeda arrested: আল-কায়দা যোগ! বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার অসমের যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল কায়দার (Al-Qaeda) সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ২৪ বছর বয়সী অসমের এক যুবককে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করল সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের (Central Crime Branch) অফিসারেরা। রবিবার ভোর রাতে ৩০ সদস্যের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর (South Bengaluru) জয়নগরের কাছে তিলকনগরে ওই যুবকের বাড়িতে হানা দেয়। সোমবার তাকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে বেঙ্গালুরু আসে আখতার হুসেন নামে ওই যুবক। সেখানে খাবার ডেলিভারির কাজ করত। অসম থেকে আসা আরও তিনজন ছেলের সঙ্গে একটি মেসে থাকত সে। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার (Bengaluru police commissioner) সিএইচ প্রতাপ রেড্ডি জানান, হুসেনের তিন রুমমেটকেও জেরা করা হচ্ছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েই অভিযান চালানো হয়। হুসেনের সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়দার যোগাযোগ রয়েছে। দেশে ধর্মীয় হিংসা ছড়ানো এবং দেশে জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ারও প্রমাণ মিলেছে আখতারের বিরুদ্ধে। তবে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সামনে আসবে, বলে দাবি পুলিশের।

    আরও পড়ুন: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    হুসেনকে জেরা করে সোমবার তামিলনাড়ুর সালেম থেকে অসমের আর একজন যুবককে গ্রেফতার করে সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসারেরা। তার সঙ্গেও আল কায়দার যোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাকে সালেম থেকে বেঙ্গালুরু আনা হতে পারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

    সম্প্রতি বাংলাদেশের ধর্মীয় গোঁড়ামি বিরোধী মুক্তমনা ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসের খুনিকেও বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে কর্নাটক পুলিশের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্স। জাল নোটের কারবারের তদন্তে নেমে ফয়জল আহমেদ নামে আনসার উল বাংলার ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। বেঙ্গালুরুতে সাহেব মজুমদার নামে বসবাস করছিল সে। সঙ্গে সেখানে কাজও জুটিয়ে নিয়েছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গি। সেও বাড়ি ভাড়া নেওয়ার জন্য অসমের কাছার জেলার বাসিন্দা বলে নথি দেখিয়েছিল।

LinkedIn
Share