Tag: Assam

Assam

  • Fund scam:   অসমে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! অর্থ সাহায্য বিদেশি চার্চের

    Fund scam: অসমে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! অর্থ সাহায্য বিদেশি চার্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির অন্যান্য অংশে উপজাতি ও চা বাগান এলাকায় খ্রিস্টান মিশনারিদের (Christian missionaries in tribal and tea garden) দ্বারা বড় আকারে ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি প্রমাণ মিলেছে যে, জার্মানির চার্চ এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলি আসামে ধর্মান্তরের জন্য প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করছে।

    অসমের তেজপুরের ডায়োসিস দ্বারা জার্মানির এক চার্চের যাজককে পাঠানো একটি চিঠি দেখে এই কথা জানা যায়। এই চিঠি থেকে বোঝা যায়, বিদেশী দেশগুলি থেকে পাঠানো অর্থে আসামে ধর্ম পরিবর্তনে ব্যবহার করা হয়৷ লিগ্যাল রাইটস অবজারভেটরি (LRO)এর প্রাপ্ত ওই চিঠিতে দেখা যায়, ৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ওই চার্চ থেকে দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে ওই টাকা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    অনুদানের জন্য ওই যাজককে ধন্যবাদ জানিয়ে, তেজপুরের ডায়োসিস, তার চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে অর্থটি ধর্ম প্রচার (খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তর) এবং বিশ্বাস গঠনের জন্য ব্যবহার করা হবে। তেজপুরের ডায়োসিস আরও উল্লেখ করেছে যে মহামারী বিধিনিষেধের সময়, তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সামাজিক কাজের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করবে।

    আরও পড়ুন: এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ

    উল্লেখ্য, অসমে মুসলিম, খ্রিস্টান, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ ও পার্সিদের সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার। অসমই প্রথম রাজ্য যারা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংশাপত্র দেওয়ার পথে এগতে চলেছে। সেখানেই ধর্মান্তকরণের এই প্রয়াস সামনে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন একে ধর্মীয় আগ্রাসন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ব্যাপটিস্ট এবং ক্যাথলিকরা আসাম এবং উত্তর পূর্বে সমানভাবে ধর্মান্তরিতকরণে জড়িত। তিনি রাজ্য সরকারকে ধর্মীয় কথোপকথনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঠিকভাবে তদন্ত করা উচিত বলেও দাবি তোলে সংগঠনটি।

     

  • Assam Flood: আসামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ, জলে ডুবে মৃত আরও পাঁচ

    Assam Flood: আসামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ, জলে ডুবে মৃত আরও পাঁচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও, রবিবার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে আরও পাঁচ জনের। এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ১৮.৩৫ লক্ষ মানুষ। এই বছর এই অবধি আসামে বন্যার কারণে জলে ডুবে এবং ভূমি ধ্বসে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ জনের। 

    রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলার বুলেটিনে এদিন বলা হয়, নওগাঁ জেলার ২ জন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর এবং শিবসাগর জেলার  একজন করে জলে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন। ২৩ জেলার ১৮,৩৫,৫০০ জন মানুষ এখনও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ। বরপেটা, কাছার, দারাং, ডিব্রুগড়, হোজাই, কামরূপ মেট্রপলিটন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর, মরিগাঁও, নওগাঁ, নলবাড়ি, শিবসাগর, এই জেলাগুলি এখনও জলের তলায়।

    আরও পড়ুন: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে কাছার জেলা।  সেখানে এখনও ১০.২ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। তারপরেই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ নওগাঁ (৩.৭৬ লক্ষ), মরিগাঁও (১.৭৬ লক্ষ)। শনিবার অবধি ২৪ জেলায় ২২.১৭ লক্ষ মানুষ বন্যার কারণে আটকে ছিলেন।

    আরও পড়ুন: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ? 

    এখনও ১,৬১৮টি গ্রাম, ৪৭,১৯৮.৮৭ হেক্টর জমি জলের তলায়। রাজ্যজুড়ে ৪১৩টি ত্রাণকেন্দ্রে ২০ জেলার ৬৫,৭৫৭ জন শিশুসহ মোট ২,৭৮,০৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। 

    বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলিতে রাজ্য প্রশাসন ৬৮৫.২৬ কুইন্টাল চাল, ডাল, নুন এবং ২,৬৩৪ লিটার সরষের তেল এবং ৪৭৯২.৯২ কুইন্টাল গবাদি পশুর খাদ্য বিতরণ করেছে।

    ১২ জেলায় ৫,৯০,৯৪৯ গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্থ। ব্রহ্মপুত্র এবং তিনটি উপনদী কপিলি, ডিসাং এবং বুড়িদিহিং বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে রাজ্য প্রশাসন। ব্রহ্মপুত্র এবং অন্যান্য নদীর জল বাড়ায় প্লাবিত হয়েছে ২৬৭৫টি গ্রাম। সেখানের এখনও প্রায় ৯১ হেক্টর জমি জলের তলায়। 

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় সাধ্যমত ত্রাণ এবং পানীয় জল বিলির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মুকেশ আম্বানি, আমির খানরা। কেন্দ্রের তরফেও সব ধরণের সাহায্যের কথা বলা হয়েছে।   

     

  • Maharashtra political crisis: গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    Maharashtra political crisis: গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের তীর ছেড়ে তাপী নদীর ধার। সেখান থেকে সটান ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন মহারাষ্ট্রের শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়করা! পশ্চিমের বিজেপি (BJP) শাসিত গুজরাট (Gujrat) ছেড়ে কেনই বা তাঁরা উড়ে গেলেন উত্তর-পূর্বের আসামে (Assam)?  বিশেষত রাজ্যটি যখন বন্যা কবলিত। আসুন, জেনে নেওয়া যাক, মহারাষ্ট্রের বিদ্রোহী শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে কেন দলবল নিয়ে হাজির হলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজ্যে।

    আরও পড়ুন : দল বিরোধী আইন এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করে ফেলেছেন শিন্ডে?

    ‘নরম হিন্দুত্ব’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরেছিল তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde)। তাঁর দাবি, কংগ্রেস ও এনসিপি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে গড়া হোক সরকার। মুখ্যমন্ত্রী তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগামী ৩৬ জন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান একনাথ। সেখান থেকে চলে যান আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানকার এক রাজকীয় হোটেলে রয়েছেন শিন্ডে সহ শিবসেনার অন্য বিধায়করা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায়ও বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করতে দেখা গিয়েছিল আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে। বুধবার সকালে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়করা পৌঁছানোর আগেই তাঁর গাড়ি পৌঁছে যায় পূর্ব নির্ধারিত হোটেলে। প্রশ্ন হল, কেন গুজরাট ছেড়ে আসামে আশ্রয় নিলেন শিন্ডে ও তাঁর অনুগামী বিধায়করা? বিশেষ করে, দুটি রাজ্য যখন দেশের দুপ্রান্তে অবস্থিত?

    আরও পড়ুন : সরকারি বাসভবন ছেড়ে ফিরলেন ‘মাতোশ্রী’তে, মুখ্যমন্ত্রিত্ব কি ছাড়বেন উদ্ধব?

    রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, এর অনেকগুলি কারণ রয়েছে। প্রথমত, মহারাষ্ট্রের সঙ্গে গুজরাটের দূরত্ব আসামের চেয়ে ঢের কম। তাই বিদ্রোহী বিধায়করা যখন গুজরাটে ছিলেন, তখন শিবসেনার তরফে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছিল তাঁদের সঙ্গে। এই বিদ্রোহীদের টোপ দিয়ে দলের মূল স্রোতে ফেরাতে পারলেই শিন্ডের বিদ্রোহে জল ঢালা হয়ে যেত। তা এড়াতেই মধ্যরাতের বিমানে গুজরাট ছাড়েন শিন্ডে ও তাঁর অনুগামীরা। 

    দ্বিতীয়ত, হিমন্ত বিশ্বশর্মা দক্ষ রাজনীতিবিদ। কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের কোমর ভেঙে দিয়েছেন এই রাজনীতিবিদ। তাই তাঁর ওপরই ভরসা করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। হিমন্তের চালে শিবসেনা-বিরোধীদের মাত দেওয়া সহজ হবে বলেই মনে করছেন পদ্ম নেতারা। সেই কারণেই হিমন্তের রাজ্যের হোটেলে ‘বন্দি’ করে রাখা হয়েছে বিদ্রোহী বিধায়কদের। কড়া নিরাপত্তার বলয় ভেঙে যে হোটেলে ঢুকতে পারবে না কাকপক্ষীও। 

    সর্বোপরি, রয়েছে হিমন্তের ওপর বিজেপির অশেষ আস্থা। কংগ্রেস ভেঙে আসা হিমন্ত আসামের একের পর এক নির্বাচনে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কার্বি আংলং নির্বাচনেও বিরোধীদের দুরমুশ করে দিয়েছেন তিনি। যার জেরে বিজেপি নেতৃত্বের বিশেষ ভরসাস্থল হয়ে উঠছেন উত্তর-পূর্বের এই নেতা। তাই মধ্যরাতের বিমানে হিমন্তের ডেরায় পাঠানো হয়েছে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের।

  • Assam Flood: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪

    Assam Flood: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের তলায় আসাম (Assam), মেঘালয় (Meghalaya)। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য দুটিতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্যের জনজীবন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪। আসামের ২৮টি জেলায় বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রায় ২৯৩০টি গ্রাম জলমগ্ন। জল ঢুকতে শুরু করেছে অন্যান্য জেলাতেও। ব্রহ্মপুত্র নদের জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তিন দিনের প্রবল বৃষ্টিপাতে ১৮ জন মারা গিয়েছেন আসামে।  

    আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, আসাম ও মেঘালয় ছাড়াও আগামী পাঁচ দিন পশ্চিমবঙ্গ, সিকিমে প্রবল বৃষ্টিপাত হবে। আসামে শুক্রবার ৭ জন মারা যান। এ নিয়ে গত তিন দিনে রাজ্যটিতে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮-তে। গুয়াহাটিতে ভূমিধসে আরও তিনজন আহত হন।

    আরও পড়ুন: বন্যা বিধ্বস্ত আসাম, মৃত বেড়ে ৫৫, ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ লক্ষের বেশি  

    ব্রহ্মপুত্র ও বরাক নদীর জল অনেক জায়গাতেই বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বন্যায় প্রায় ৭০ হাজার লোক গৃহহীন হয়েছেন। ১৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছে আসাম প্রশাসন। মেঘালয়ে শুক্রবার বন্যার কারনে ৪ জনের প্রাণ গিয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন মারা গিয়েছেন বাঘমারায় এবং একজন সিজুতে।

    আরও পড়ুন: বন্যার কবলে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি, মৃত ৯

    আসামের বিজলী, বক্সা, বরাপেটা, বিশ্বনাথ, বঙ্গাইগাঁও, চিরাঙ্গ, ধেমাজি, ধুবড়ি, ডিব্রুগড়, ডিমা-হাসো, গোয়ালপাড়া, হোডাই, কামরূপ,কার্বি আংলং পশ্চিম, কোকড়াঝাড়, লখিমপুর, মাজুলি, মোরিগাঁও, নগাঁও, নলবাড়ি, শিবসাগর, সোনিতপুর, দক্ষিণ সালমারা, তমুলপুর, তিনসুকিয়া, উডালগুড়ি জেলা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

    আসামের ২৮টি জেলার ১৯ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বন্যায়। অসংখ্য মানুষ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। এখনও বন্যা দুর্গত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। নলবাড়ি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। কয়েক হাজার বাড়ি ভেঙেছে। ৩৭৩টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) আজ সকালে ফোন করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে (Himant Bishwasharma)। রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

  • Ambubachi Mela: দু’বছর পর আবার কামাখ্যা মন্দিরে অম্বুবাচী মেলা

    Ambubachi Mela: দু’বছর পর আবার কামাখ্যা মন্দিরে অম্বুবাচী মেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেজে উঠছে নীলাচল পাহাড়। দীর্ঘ দুই বছর পর কোভিড (covid) পরবর্তী সময়ে আবার কামাখ্যা মন্দির চত্বরে বসতে চলেছে অম্বুবাচী মেলা (Ambubachi Mela)। জুন মাসের ২২ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে অম্বুবাচী। চলবে ২৬ জুন পর্যন্ত। চারদিন ব্যাপী আসামর গুয়াহাটির কাছে নীলাচল পাহাড়ে কামাখ্যা মন্দির চত্বরে এই মেলার আয়োজন করা হবে। এর জন্য চলছে শেষ পর্বের প্রস্তুতি। 

    হিন্দু ধর্মের একটি বিশেষ উৎসব হল এই অম্বুবাচী। লোককথা অনুসারে আষাঢ় মাসের মৃগশিরা নক্ষত্রের তৃতীয় চরণ শেষ হলে সেই সময় মা বসুন্ধরা ঋতুমতী হয় আর এই সময়েই পালন করা হয় অম্বুবাচী। এইসময় মাটিকাটা লাঙ্গল চালানো নিষেধ থাকে। এই সময় সমস্ত মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে। 

    কামাখ্যায় এই সময় বিশেষভাবে অম্বুবাচীর উৎসব পালিত হয়। অম্বুবচীর প্রথম দিন থেকে কামাখ্যা দেবীর মন্দিরের দ্বার বন্ধ থাকে। চতুর্থদিনের স্নান ও পূজা সম্পন্ন হওয়ার পর কামাখ্যা মায়ের দর্শন করার অনুমতি দেওয়া হয়। এই সময় ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয় কামাখ্যায়। গত দুই বছর করোনার জন্য এই মেলা ও উৎসব বন্ধ ছিল। করোনা পরবর্তী সময়ে চলতি বছরে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে আসাম সরকার। তাই এবছর মেলা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা তুঙ্গে।

    আরও পড়ুন: এবছর অম্বুবাচী শুরু কবে? জেনে নিন এই বিশেষ উৎসবের মাহাত্ম্য

    মন্দির কর্তৃপক্ষের অনুমান, দীর্ঘ দু’বছর পর এই মেলা বসছে। এবছর প্রচুর ভক্তসমাগম হবে। যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে ভিড় সামলানো দায় হয়ে যাবে বলে ভয় মন্দির কর্তৃপক্ষের। যে কোনও দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে তাই সদা সতর্ক কর্তৃপক্ষ। 

    শেষবার ২০১৯ সালে কামরূপ-কামখ্যায় এই মেলায় ২৫ লক্ষ ভক্তের সমাগম ঘটে। দূর-দূরান্ত থেকে সাধু-সন্নাসীরা যোগ দেন এখানে। এবছরও ভিড় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। করোনা এখনও সম্পূর্ণরূপে চলে যায়নি। এর মধ্যে এই বিশাল জনসমাগম নিয়ে চিন্তায় রয়েছে প্রশাসনও। চলতি সপ্তাহে দফায় দফায় মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকেও বসেছে তারা। এ সময় বিভিন্ন সংগঠন মন্দির চত্বরে পাহাড়ের পাদদেশে দরিদ্রসেবায় খাবার-বস্ত্র দান করেন। এ নিয়েও সতর্ক প্রশাসন।

  • Assam-Meghalaya Rainfall: ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি অসম-মেঘালয়ে! আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন, জানুন…

    Assam-Meghalaya Rainfall: ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি অসম-মেঘালয়ে! আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর প্রবল বৃষ্টি হয়েছে অসম, মেঘালয় সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু এই বছর সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। আবহাওয়া দফতর এবং মেঘালয় প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘ ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। ১৯৬৬ সালে ৭৮৯.৫ মিমি বৃষ্টি হয়েছিল এরপরেই ২০২২-এ ৮৫৮.১ মিমি বৃষ্টি হয়ে এক রেকর্ড গড়ে তুলেছে। এই বছরেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে আসাম ও মেঘালয়ে, এমনটাই জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

    আরও পড়ুন: বন্যায় বিধ্বস্ত গুজরাট – মহারাষ্ট্র, মৃতের সংখ্যা ১০০-এর বেশি

    রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, বর্ষাকালের প্রথম মাসে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে মোট ৩১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন, ৭২ জন আহত হয়েছেন ও ৫০ জন নিখোঁজ। এছাড়াও অনেকই বাড়ি ছাড়া হয়েছেন। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যেমন- অসম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুরে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে ও এই রাজ্যেই হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে বজ্রপাতের ফলে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। প্রবল বর্ষণের ফলে অসম ও মেঘালয়ার বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধসও হয়েছে, এর ফলে জুন মাসে ১৫০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

    আবহওয়াবিদ রক্সি ম্যাথিউ কোল (Roxy Mathew Koll) জানিয়েছেন, অসম, মেঘালয়, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ইত্যাদি জায়গায় ১৯৫০ সাল থেকেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বলেছন গ্লোবাল ওয়ার্মিং (Global Warming)। অর্থাৎ আবহাওয়ায় বর্তমানে অনেক পরিবর্তন আসতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভারত মহাসাগর  বিশেষ করে আরব সাগরের জল বেশি গরম হতে শুরু করেছে। ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে।

    এছাড়াও আধুনিকীকরণ (Modernization), মাটির ব্যবহারে পরিবর্তন এসবও বন্যা, ভূমিধসের (Landslide) ওপর প্রভাব ফেলে থাকে। তাপমাত্রাতেও বিপুল পরিমাণে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। ১৯৮১- ২০১০ সাল পর্যন্ত যেখানে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তেমনি ২০২২-এ তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ৩৪.১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও আরব সাগরের (Arabian Sea) ওপর নিম্নচাপের (Depression) সৃষ্টি হওয়ায় জুন মাসে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অন্যদিকে সমুদ্রের জলস্তরও (sea level) বাড়তে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন? 

  • Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের (Assam) গুয়াহাটির একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঘাঁটি গেড়েছেন মহারাষ্ট্রের (Maharastra) বিদ্রোহী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তাঁর সঙ্গে ওই হোটেলে ঠাঁই নিয়েছেন আরও প্রায় চল্লিশ জন বিধায়ক। আসাম সরকার তাঁদের থাকার খরচ দিচ্ছে বলে অভিযোগ। শনিবার সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন বিজেপি শাসিত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁরই সতীর্থ শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে চলে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে উড়ে যান আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানেই অনুগতদের নিয়ে একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। শনিবার মধ্যরাতের বিশেষ বিমানে গুজরাটের ভাদোদরায় ফিরে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে দেখা করেন শিন্ডে। রাতেই ফিরে যান আসামের ওই হোটেলে।

    আরও পড়ুন : আধা-সামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে নিয়োগে অগ্রাধিকার ‘অগ্নিবীর’দের

    বিলাসবহুল হোটেলে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের থাকা খাওয়ার খরচ দিচ্ছে আসাম সরকার। বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয় এমনই। প্রবল বন্যায় যখন রাজ্য ভাসছে, তখন সরকারের বিরুদ্ধে ‘বদান্যতা’র অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধীরা।  

    বিরোধীদের সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেন, শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেলের থাকার খরচ দিচ্ছে না আসাম সরকার। অসমে বর্তমানে ভয়াল আকার নিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির সঙ্গে মহারাষ্ট্রের বিধায়কদের হোটেলে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেল খরচ আসাম সরকার দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের ডেপুটি স্পিকার ডিসকোয়ালিফিকেশন নোটিশ ধরিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী ১৬ বিধায়ককে। আগামিকাল সোমবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁদের জবাব দিতেও বলা হয়েছে। এই ১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন বিদ্রোহীদের নেতা শিন্ডে স্বয়ংও। রাজনৈতিক মহলের হিসেব, এভাবেই বিদ্রোহীদের দমন করার খেলায় নেমেছে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার।

     

  • Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ২২,৯৫৮ যুবক-যুবতীকে চাকরির নিয়োগপত্র দিল বিজেপি (BJP) শাসিত আসাম (Assam) সরকার। গুয়াহাটির খানা পাড়ায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগোপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন। 

    আসাম বিধানসভা ভোটের (Assam Assembly election) আগে বিজেপি ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই লক্ষ্যেই ১১টি সরকারি দফতরে ২২,৯৫৮টি পদে নিয়োগ করা হল। খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    [tw]


    [/tw]

    ৮,৮৬৭ জন চাকরি পেলেন আসাম পুলিশে, ১১,০৬৩ জন শিক্ষা দফতরে, ২,৪১৯ স্বাস্থ্য দফতরে, ৩৩০ জন জনস্বাস্থ্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরে। ১০৫ জন চাকরি পেলেন জলসম্পদ বিভাগে, ৬৯ জন জনকল্যাণ বিভাগে, ৫৫ জন কৃষি দফতর, ২৩ জন বন দফতর, ১৭ জন শ্রমিক কল্যাণ দফতরে বিমা স্বাস্থ্য আধিকারিক পদে, ৮ জন জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরে এবং ২ জন চাকরি পেলেন খনি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে।

    এর ফলে ভোটের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ২৫%- পূরণেই সক্ষম হল আসাম সরকার। এই সপ্তাহেই ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্ণ করেছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।  এর আগেও ১২০০ চাকরি দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি আরও প্রায় ২৩,০০০ চাকরি দেওয়া হল। 

    [tw]


    [/tw]

    মার্চ মাসেই আরও ২৬,৪৪১ শূন্য পদের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। ১৩,১৪১ গ্রেড ৩ পদে এবং ১৩,৩০০ গ্রেড ৪ পদের জন্যে আবেদনপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের। আবেদন করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    মার্চে অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সরকার ইতিমধ্যেই ১,১৫৭ জনকে নিয়োগ করেছে। আরও ৮৪,২৪৪ শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। 

    নিয়োগে কেন দেরি হল? সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “করোনা পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে সরকারের প্রায় ৫ মাস নষ্ট হয়েছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৭০০০-৮০০০ পদে নিয়োগ করা হবে। জুলাইয়ের শেষে মোট ২৬,০০০ শূন্য পদে চাকরি দেওয়া হবে।”   

    চাকরি পেয়ে খুশি সবাই। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, চাকরি পেতে তাঁদের এক টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি। স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিয়োগের প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারের আমলে চাকরি পেতে বহু টাকা ঘুষ দিতে হত বলে অভিযোগ ছিল।

    গ্রেড ৩ এবং ৪ পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুটি পৃথক কমিশন গঠন করেছে আসাম সরকার। আগে বিভিন্ন দফতরের এই পদগুলিতে পৃথক পৃথকভাবে নিয়োগ করা হত। কিন্তু এখন সবটাই হবে কমিশনের নজরদারিতে।  

     

  • Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে আসামে (Assam)বন্যা (Flood)পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার নিয়েছে। টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি (Heavy Rain) চলছে। আসামে ৬ মে থেকে ৫৪৫.৬৬ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জাতীয়সড়ক এবং পাঁচটি রাজ্যসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও মোবাইল সংযোগ নেই। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামের পর গ্রাম। আসামের ২০টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত লাখ দুয়েক বাসিন্দা। প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ বাড়ি-ঘর ছেড়ে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরগুলিতে (Relief Camps) আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিটি এলাকা এক-একটা দ্বীপের চেহারা নিয়েছে। জেলাসদর হাফলঙের সঙ্গে মাইবাঙের যোগাযোগ নেই। কারণ ধসের পর ধস নেমেছে আসামের ওই পাহাড়ি জেলায়। এমনকি শহরতলি জাটিঙ্গায়ও যাওয়া-আসা বন্ধ। বহু জায়গায় রেল ট্র্যাক মাটির তলায়,সড়কের ওপর দিয়ে বইছে জলস্রোত।

    জেলার প্রতিটি রেলস্টেশনের চেহারা বদলে গিয়েছে। হাফলঙ স্টেশনে হাঁটুসমান কাদা। একটি ফাঁকা ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। পাহাড় ভেঙে জল-কাদা গড়িয়ে যাওয়ার সময় এর পাঁচ-ছয়টি কামরাকে সরিয়ে দিয়েছে। সেগুলি কাত হয়ে দূরে পড়ে আছে। সেখানে অনেকটা জায়গা জুড়ে ট্র্যাক নিশ্চিহ্ন। আরও বহু জায়গায় ট্র্যাকের নীচে থেকে মাটি সরে গিয়েছে। দাওতুহাজা ও ফাইডিংয়ের মধ্যবর্তী তিনশো মিটার এলাকা রেললাইন ঝুলন্ত সেতুর চেহারা নিয়েছে। নিউ হাফলঙে টানা বর্ষণের রেললাইনে ধসের জেরে ট্রেনের মধ্যেই আটকে পড়েছিলেন প্রায় ২৮০০ যাত্রী। কোনওরকমে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। বায়ুসেনার কপ্টারে করে অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিমা হাসাও জেলায় লুমডিং শাখায় দুটি ট্রেন আটকে পড়েছিল। ওই দুটি ট্রেনের মধ্যে ছিলেন বেশ কয়েকজন যাত্রী। বন্যা পরিস্থিতি ও ধসের জেরে প্রাণ হাতে নিয়ে কার্যত আতঙ্কের প্রহর গুনছিলেন তাঁরা। শেষমেশ তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     এই পরিস্থিতিতে ২৫ জোড়া ট্রেন বাতিল করল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। আসামের Dima Hasao এলাকায় ভূমিধসের কারণে ত্রিপুরা, মিজোরাম ও দক্ষিণ অসমের এলাকায় চলাচলকারী ওই ট্রেনগুলিকে বাতিল করেছে Northeast Frontier Railway। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে রেললাইন মেরামতির কাজ। যে সমস্ত ট্রেন বাতিল ও আংশিক বাতিল করা হয়েছে সেগুলির মধ্যে আছে Agartala–Anand Vihar Tejas Rajdhani এক্সপ্রেস, Bangalore Cant –Agartala এক্সপ্রেস, Agartala – Secunderabad এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। 

    [tw]


    damaged because of the heavy-rain induced flash flood and landslide.#AssamFloods #AssamFloodUpdates #AssamNews #haflongflood @RailNf @RailMinIndia pic.twitter.com/PatgR9U0eC— Farhan Ahmed (@farhan_assam) May 16, 2022

    [/tw]

    আসামের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (Assam Disaster Management Department) তরফে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে কাছাড় (Kachar) এলাকা। ওই জেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ। কাছাড়ের সাড়ে ছ’শোরও বেশি গ্রাম বন্যার কবলে। বাড়ছে বন্যার জলে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা। করিমগঞ্জ জেলায়ও নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।  বন্যা পরিস্থিতিতে অসমে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। কয়েকজন নিখোঁজ বলেও জানা গিয়েছে। প্রায় ৬৬ হাজার ৬৭১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ১৬ হাজার হেক্টর জমি জলে ডুবে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। জলের তোড়ে তমালপুর জেলায় বোরোলিয়া নদীতে ভেসে গিয়েছে বাঁশের সেতু। অসমের জোরহাট (Jorhat), নওগাঁ (Naugaon ) জেলার পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগের। নগাঁও জেলায় কপিলি নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ব্রহ্মপুত্রের জলও বিপদসীমার উপরে। এর মধ্যে জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ নেই। বিঘ্নিত হচ্ছে জল সরবরাহ। মিলছে না ইন্টারনেট পরিষেবাও।

    আরও পড়ুন : সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকল আন্দামানে, রাজ্যেও বৃষ্টির পূর্বাভাস

  • Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম, সাত জেলার ৫৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম, সাত জেলার ৫৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  অসমে (Assam ) বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। গত তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টির জেরে মে মাসেই অসমে বন্যা (Flood Situation) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভেসে গিয়েছে একাধিক গ্রাম। অসমের কাছাড়, কামরূপ, কার্বি আংলং, হোজাই, লখিমপুর, নয়গাঁও সহ প্রায় সাতটি জেলা বন্যায় বিপর্যস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত ৫৭ হাজার মানুষ। ২২২টি গ্রাম জলের তলায়। দশ হাজার ৩২১ হেক্টর কৃষিক্ষেত্র জলমগ্ন। এখনও পর্যন্ত একজন শিশু-সহ ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সঙ্গে হাত লাগিয়েছে বায়ুসেনাও। বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং সেখান থেকে দুর্গতদের উদ্ধার করার কাজ করছে বায়ুসেনা।

    [tw]


    [/tw]

     বিভিন্ন রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে জল বইছে। যার জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে একাধিক গ্রাম। রেল লাইনও জলের তলায়। তার জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল করতে হয়েছে। শিলচর-গুয়াহাটি গামী একাধিক ট্রেন কাছাড় জেলায় আটকে রয়েছে। ১৪০০ যাত্রী-সহ দুটি ট্রেন আটকে রয়েছে দাইতোকেচরা স্টেশনের কাছে। বায়ুসেনার সাহায্যে ১১৯ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যার কারণে একাধিক রেল লাইনে ধস নেমেছে। বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে রেল ট্র্যাকগুলি। সেকারণে ট্রেন চালানোর সাহস দেখাতে পারছে না রেলওয়ে। মাহুর-ফাইডিং এলাকায় রেললাইনে ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাস্তা। ইতিমধ্যেই একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

     রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বায়ুসেনাও। একাধিক জায়গায় সড়কপথে যাওয়া যাচ্ছে না। হেলিকপ্টারের সাহায্যে দুর্গতদের সরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এমনকি  হেলিকপ্টার করেই ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। অসমের কুঞ্জুং, ফিয়াংপুই, মৌলহি, নামজুরাং, সাউথ বাগেটর, মাধব টিলা, কালীবাড়ি, নর্থ বাগেটর, জিওন, লোধি পাগমোল সহ একাধিক জায়গায় ভূমি ধসের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৮০টি বাড়ি ভূমি ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    অসমে ১৮ তারিখ পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন (IMD)। আগামী কয়েকদিন অসম,মেঘালায়,মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে বৃষ্টি  না ধরলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

LinkedIn
Share