Tag: Assembly Election 2026

  • West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ঢাকে কাঠি পড়ার পরেই শুরু হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনে রদবদল। আগেই সরানো হয়েছিল মুখ্যসচিব, ডিজি এবং সিপিকে। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সরিয়ে দিল ১১ জেলাশাসক, এক পুক-কমিশনার, পাঁচ জায়গার ডিআইজিকে। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। নয়া নির্দেশিকায় সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির ডিআইজিকে। বুধবার কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে এই রদবদলের কথা। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ হয়, সেই জন্যই এই পদক্ষেপ জরুরি।

    প্রশাসনে রদবদল (West Bengal Election 2026)

    রায়গঞ্জের ডিআইজি পদে বসানো হয়েছে রথোদ অমিতকুমার ভারতকে। মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অজিত সিং যাদবকে। বর্ধমানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্রীহরি পাণ্ডেকে। প্রেসিডেন্সি অঞ্চলে বসানো হয়েছে কঙ্কর প্রসাদ বারুইকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অঞ্জলি সিংকে। কমিশনের নির্দেশ, এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের রিপোর্টও জমা দিতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যাঁদের এই বদলির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের কোনওভাবেই ভোট সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োগ করা যাবে না।

    সরানো হল একঝাঁক জেলাশাসককেও

    এদিকে, এদিনই একঝাঁক জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এই নির্দেশিকা জারির ঘণ্টাখানেক আগেই একটি নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যের পাঁচ ডিআইজিকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। নয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের ১১ জেলায় নয়া জেলাশাসক নিয়োগ করার বিষয়। এই তালিকায় রয়েছেন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এঁরা সবাই সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্বে ছিলেন। কমিশনের নির্দেশের প্রেক্ষিতে কোচবিহারের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন জিতেন যাদব। জলপাইগুড়িতে এই পদে বসানো হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে।

    প্রশাসনে বদল উত্তরেও

    উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক হয়েছেন বিবেক কুমার (West Bengal Election 2026)। মালদায় ওই পদে বসানো হয়েছে রাজনবীর সিং কপূরকে। মুর্শিদাবাদের নয়া জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে আর অর্জুনকে। নদিয়ার নয়া জেলাশাসক হয়েছেন শ্রীকান্ত পাল্লি, পূর্ব বর্ধমানে ওই পদে বসানো হয়েছে শ্বেতা আগরওয়ালকে, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক হয়েছেন শিল্পা গৌরিসারিয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে অভিষেক কুমার তিওয়ারিকে, দার্জিলিংয়ের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন হরিচন্দ্র পানিকর, আলিপুরদুয়ারে ওই পদে বসানো হয়েছে টি বালাসুব্রহ্মণ্যমকে (Election Commission)।

    সরানো হল কলকাতার দুই ডিইওকে

    বদলে দেওয়া হয়েছে কলকাতার দুই নির্বাচনী আধিকারিককেও। দিন কয়েক আগেই উত্তর কলকাতার ডিইও পদে বসানো হয়েছিল পুরসভার কমিশনারকে। নয়া নির্দেশিকায় ডিইও পদে বসানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসককে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, কলকাতার ক্ষেত্রে নিয়মটা অবশ্য আলাদা। কলকাতায় জেলাশাসক না থাকায় কোনও দফতরের আইএএস পদমর্যাদার আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, এবার থেকে উত্তর কলকাতার ডিইও হবেন তিনিই, যিনি পুরসভার কমিশনার থাকবেন। বুধবার পুর কমিশনার সুমিত গুপ্তের জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্মিতা পাণ্ডেকে। আর দক্ষিণ কলকাতার নয়া ডিইও হয়েছেন রণধীর কুমার।

    কমিশনের বক্তব্য

    কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, অবিলম্বে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টের মধ্যে এই আধিকারিকদের কাজে যোগদানের সম্মতিসূচক রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যেসব আধিকারিককে পদ থেকে সরানো হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ করা যাবে না ভোট সংক্রান্ত কোনও পদে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের নয়া মুখ্যসচিব পদে বসানো হয়েছে দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে। ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে। তিনি ছিলেন হোম ও হিল অ্যাফেয়ার্সের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস তিনি। আগে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে ছিলেন জগদীশ প্রসাদ মিনা। তাঁকে সরিয়েই বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রাকে।

    জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

    উল্লেখ্য যে, সোমবার রাতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো চিঠিতে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, এক তরফা রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক অফিসার ও পুলিশ কর্তাদের না বদলাতে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন যে জ্ঞানেশ কানে তোলেননি, তার প্রমাণ মিলল ওই চিঠি পাওয়ার পরপরই নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দেয় (Election Commission) পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে (West Bengal Election 2026)।

  • WB Assembly Election 2026: বঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল, দাঁড়াল ৪০ লাখের কাছাকাছি

    WB Assembly Election 2026: বঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল, দাঁড়াল ৪০ লাখের কাছাকাছি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল (WB Assembly Election 2026)। এই সংখ্যাটা ছিল ৬০ লাখের কাছাকাছি। সোমবার পর্যন্ত কতজনের তথ্য নিষ্পত্তি হয়ে যাচ্ছে (CEO), তা জানিয়ে দিল রাজ্যের সিইও-র দফতর। জানা গিয়েছে, এই সংখ্যাটা কমবেশি ২০ লাখ। অর্থাৎ, বাকি প্রায় ৪০ লক্ষের মতো। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিষ্পত্তির কাজ করছেন ৭০৫ জন বিচারপতি। কমিশন জানিয়েছে, তারাও চায়, বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা বাকি ভোটারদের তথ্যের নিষ্পত্তি হোক দ্রুত। এক সপ্তাহের মধ্যেই বিবেচনাধীন প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এসআইআর ছাঁকনিতে আটকে যাঁরা (WB Assembly Election 2026)

    এ রাজ্যে এসআইআর নামক ছাঁকনিতে আটকে গিয়েছিল ৬৩ লাখ ভোটারের নাম। এঁদের অনেকে মৃত, কেউ অন্যত্র চলে গিয়েছেন, কেউ আবার গরহাজির, কারও আবার অন্য জায়গায় নাম রয়েছে। এছাড়াও বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এঁদের নথি খতিয়ে দেখছেন ওই বিচারকরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ লাখ ভোটারের তথ্যের নিষ্পত্তি হয়েছে।

    বিবেচনাধীন ভোটার

    এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল, রাজ্যে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক বিবেচনাধীন ভোটার রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং মালদায়। প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, মালদায় ভোটার সংখ্যা ২৯ লাখ ৮৬ হাজার ২০৩। বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছেন ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮০ জন। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক তালিকা নিয়ে ভোটারদের কোনও অভাব-অভিযোগ থাকলে বিচার করবে ট্রাইব্যুনাল (WB Assembly Election 2026)। এই ট্রাইব্যুনালে থাকবেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও কয়েকজন বিচারক। তালিকা নিষ্পত্তির জন্য কলকাতা হাইকোর্ট যেসব বিচারককে দায়িত্ব দিয়েছে, তাতে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    রবিবারই বঙ্গে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ৬০ লাখের কিছু বেশি ভোটারের তথ্য যাচাই করে নিষ্পত্তি করতে আর কতদিন সময় পাবেন বিচারকরা। কমিশন সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা (CEO) দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম উঠবে, তাঁরাই পারবেন ভোট দিতে (WB Assembly Election 2026)।

     

  • Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল। এবার নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026) এক ধাক্কায় বদল করে দিল রাজ্যের ১২ জন পুলিশ সুপারকে (Election Commission)। সরানো হয়েছে কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কেও। সরানো হয়েছে চার পুলিশ কমশনারেটের কমিশনার, এডিজি পদমর্যাদার দু’জনকেও। ইন্দিরার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইয়েলওয়াড় শ্রীকান্ত জগন্নাথ রাওকে। বদলে দেওয়া হল রাজ্যের ১২ পুলিশ জেলার সুপারকেও।

    এসপি বদল (Assembly Election 2026)

    বীরভূমের পুলিশ সুপার করা হয়েছে সূর্যপ্রতাপ যাদবকে। তিনি ২০১১ ব্যাচের আইপিএস। এই জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন আমনদীপ। কোচবিহারের এসপি সন্দীপ কাররাকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস জসপ্রীত সিংকে। বারাসত পুলিশ জেলার নয়া এসপি হলেন ২০১২ ব্যাচের আইপিএস মিস পুষ্পা। এখানে ছিলেন প্রিয়ব্রত রায়। এক সময় কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) ছিলেন প্রিয়ব্রত। সরানো হয়েছে ডয়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার সুপারকেও। বিশপ সরকারকে সরিয়ে এই পদে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (সদর) ঈশানী পালকে। ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপার জোবি থমাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১৪ ব্যাচের আইপিএস রাকেশ সিংকে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি ধৃতিমান সরকারকে সরিয়ে বসানো হয়েছে ২০১৩ ব্যাচের আইপিএস সচিনকে।

    কাকে, কোথায় সরানো হল

    বেলডাঙায় অশান্তির পর সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সানি রাজকে। পাঠানো হয়েছিল এসবিতে। মঙ্গলবার কমিশন তাঁকে পাঠিয়ে দিলেন হুগলি (গ্রামীণ)-এর পুলিশ সুপার করে। বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার আরিশ বিলালকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের আইপিএস অলকানন্দা ভাওয়ালকে। মালদার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুপম সিংকে। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পারিজাত বিশ্বাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১২ ব্যাচের আইপিএস অংশুমান সাহাকে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পলাশ ঢালিকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৫ ব্যাচের আইপিএস পাপিয়া সুলতানাকে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমানকে সরিয়ে বসানো হল ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস সুরিন্দর সিংকে। পুলিশ সুপার ছাড়াও বদল করা হয়েছে দু’জায়গার এডিজিকেও। দক্ষিণবঙ্গের নয়া এডিজি হয়েছেন ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস রাজেশকুমার সিং (Election Commission)। আগে এই পদে ছিলেন রাজীব মিশ্র। উত্তরবঙ্গের এডিজি করা হয়েছে ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস কে জয়রামনকে (Assembly Election 2026)। ওই পদে ছিলেন সুকেশ জৈন।

    পুলিশ কমিশনারও বদল

    চার কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনারও বদল করা হয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন প্রণব কুমার। সুনীল কুমার চৌধুরীকে সরিয়ে বসানো হয়েছে তাঁকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন অখিলেশ চতুর্বেদী। এই পদে ছিলেন আকাশ মাঘারিয়া। ব্যারাকপুরের নয়া সিপি হয়েছেন অমিতকুমার সিং। আগে ছিলেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সুশীলকুমার যাদবকে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি পদে। আগে এই পদে ছিলেন কোটেশ্বর রাও।প্রসঙ্গত, সোমবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    মমতার চিঠির পাল্টা বদলির নির্দেশ

    এদিকে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই বা রাজ্যের মতামত না নিয়েই পুলিশ-প্রশাসনে রদবদলে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য তিনি সোমবার রাতে চিঠি দেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। চিঠিতে তিনি লেখেন, আগে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের তরফে রাজ্যের কাছে তিনজনের একটি প্যানেল চেয়ে পাঠানো হত। সেই তালিকা থেকেই কমিশন একজনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এবার সেই প্রচলিত রীতি মেনে চলা হয়নি। কমিশনের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, ভবিষ্যতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হোক এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক রীতি অনুসরণ করা হোক (Assembly Election 2026)। মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠি লেখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নবান্নে চলে এল কমিশনের তরফে নতুন বদলির নির্দেশ (Election Commission)।

     

  • Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ। কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে একথাই বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া যাবে না। এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি জানান, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি (Gyanesh Kumar)

    এসআইআরের লক্ষ্য হল, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করা। তিনি জানান, কিছু ভোটার রয়েছেন, যাঁদের রাজনৈতিক দলগুলি বোঝাতে পারেনি যে যাঁদের নাম নেই, তাঁরা ফর্ম ৬ পূরণ করতে পারেন এবং ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন। তাঁর দাবি, সেই কারণেই এই সংঘাত। তিনি জানান, কোনও ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেবে। কমিশন জানিয়েছে, দু’ঘণ্টা অন্তর প্রিসাইডিং অফিসাররা জানাবেন ভোটদানের (Assembly Election 2026) হার। এটি আপলোড করা হবে ইসিআইনেট অ্যাপ এবং কমিশনের সাইটে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ইভিএমে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেওয়া থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    প্রতিটি বুথে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থাও। কোনও বুথে ১২০০-এর বেশি ভোটার থাকবে না। বুথের বাইরে করা হবে মোবাইল রাখার জায়গা। সেখানে মোবাইল রেখে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। জ্ঞানেশ কুমার জানান, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। বয়স্ক ভোটারদের কথা মাথায় রেখে সব ভোটকেন্দ্র হবে একতলায়। ব্যবস্থা থাকবে হুইল চেয়ার এবং র‌্যাম্পেরও। বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। ৮৫ বছরের বেশি যাঁদের বয়স, তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বাড়ি থেকে (Gyanesh Kumar)।

    পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান (Assembly Election 2026), সব অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করুন। কোনও সরকারি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি জানান, কত দফায় ভোট হবে, তা জানানো হবে আলোচনার পর। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যুব সম্প্রদায়কে ভোটদানে উৎসাহিত করতে কমিশন প্রচার করবে রাজ্যের কলেজগুলিতে। তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় ক্যাম্পেন করবেন বিশেষ অফিসাররা (Gyanesh Kumar)। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক্-স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।”

    প্রসঙ্গত, এদিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিংহ সান্ধু। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী (Assembly Election 2026) আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও। সূত্রের খবর, কমিশন এ রাজ্যে ভোটের ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই জানানো হবে ভোটের নির্ঘণ্ট (Gyanesh Kumar)।

     

  • SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভায় মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। ২০২১ সালের উপনির্বাচনে ওই কেন্দ্র থেকে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপি-র প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। এই আবহে কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সংখ্যাটা সামনে এল।

    মোট কত ভোটার বাদ পড়ল ভবানীপুরে

    এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর সময় কমিশন জানিয়েছিল, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোটা ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আরও ২ হাজার ৩২৪ জনের নাম বাদ পড়ল। সবমিলিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রে বাদ পড়েছে ৪৭ হাজার ৯৪ জনের নাম। শুধু ৪৭ হাজার নাম বাদ নয়, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে আরও ১৪ হাজার ১৫৪ জনের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। নথি যাচাইয়ের পর বাদ পড়লে ভবানীপুরে নাম বাদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ভবানীপুর কেন্দ্রে বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৫৯,২০১ জন।

    ভবানীপুরে দাঁড়াবেন মমতা!

    এই নাম বাদের কোনও প্রভাব কি বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) পড়বে? উঠছে প্রশ্ন। এদিন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “২ জায়গার ভোটার কিংবা যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে। আবার এই তালিকা প্রকাশের পরও নাম তোলার সুযোগ রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভবানীপুরে দাঁড়াতে সাহস পাবেন বলে মনে হয় না।” ছাব্বিশের নির্বাচনের প্রাক্কালে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা একাধিকবার ভবানীপুরে এসে দাবি করেছেন, এবার বিজেপি এই আসনে জিতবে। শুক্রবার শুভেন্দু বলেছিলেন, “উনি জানেন কাদের ভোটে জিতেছিলেন। ওটা বিজেপির জায়গা। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনি দাঁড়ান। পালাবেন না। বাকিটা বুঝে নেব।”

    রাজ্যে কত ভোটারের নাম বাদ পড়ল

    কমিশন সূত্রে খবর, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই ৫৮ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর নতুন করে আরও ৭ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ (Deleted) বা মুছে ফেলা হয়েছে এমন মন্তব্য লেখা হয়েছে। অর্থাৎ, সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর বাইরে, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকলেও তার পাশে ‘বিচারাধীন’ লেখা রয়েছে। এই নামগুলি চূড়ান্ত কি না, তা নিয়ে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা সমস্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তার আগে ফের সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। এ যেন এসআইআর ঠেকানোর মরিয়া প্রয়াস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন সুপ্রিম কোর্টে। এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। তবে রাজ্যের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত।

    রাজ্যের দাবি

    শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের। তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

    আদালতের জবাব

    রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” তখনই আদালত জানিয়ে দেয়, এসআইআর-এর কাজে কোনও রকম বাধা সহ্য করা হবে না।

  • SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই,অর্থাৎ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি, প্রকাশিত হতে চলেছে এসএইআরের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত তালিকা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই তালিকায় নাম থাকছে ৭ কোটি ৮ লক্ষের। প্রথমে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটার ছিল। সেখান থেকে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত তালিকায় সকলের নাম থাকবে, তবে তিনটি বিভাগে— অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার, বাদ পড়া ভোটার।

    কীভাবে প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা

    কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় (SIR Final List) ৭ কোটি ৮ লক্ষকে একাধিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকবে। দেখা যাবে ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটার ক্যাটাগরি, থাকবে ‘নিস্পত্তি হয়নি’ অমীমাংসিত ভোটার ক্যাটেগরি। এছাড়াও থাকবে ‘অ্যাপ্রুভড’ ক্যাটেগরি বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের নাম থাকবে তাঁদের নামের পাশে ‘অ্যাপ্রুভড’ লেখা থাকবে। নাম বাদ গেলে থাকবে ‘ডিলিটেড’ লেখা। এছাড়া যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে তাঁদের নামের পাশে থাকবে ‘অ্যাডজুডিকেশন’। যাঁদের এখনও তথ্য বাছাইয়ের কাজ চলছে। শনিবার, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র আওতায় অনেক নাম। নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও বাকি। এরাজ্যের বর্তমান এবং প্রাক্তন বিচারকরা ইতিমধ্যেই নথি যাচাইয়ের কাজ করছেন। কিন্তু এসআইআরের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবার ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের।

    কতদিন পর্যন্ত তালিকায় সংশোধন

    কমিশন বলছে, যাদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা যুক্তিগত অসঙ্গতি রয়েছে কিন্তু এখনও (২৮ তারিখের আগে পর্যন্ত) যাচাই হয়নি কিংবা পরবর্তীতে যাচাই হয়েছে তাও পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এককথায়, যে সকল ভোটারদের এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, তাঁদেরও চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা দেবে কমিশন। কিন্তু অমীমাংসিত হিসেবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেদিন ভোট ঘোষণা হবে, যত দফায় ভোট হবে ও দফা অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ দিন অবধি একটি করে সাপ্লিমেন্ট ভোটার তালিকা বের করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, ডিএম অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনের মতো কমিশন নির্ধারিত বিভিন্ন সরকারি অফিসে এই তালিকা টাঙানো থাকবে। এছাড়াও রয়েছে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট, সেখান থেকেও তালিকা দেখতে পাওয়া যাবে।

  • Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ নিয়ে আরও একবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পড়শি রাজ্য বিহারে এসে তিনি দাবি করলেন, অনুপ্রবেশের জন্য বাংলার জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্যে তৃণমূল সরকারের তোষণ নীতি। আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Assembly Election 2026) ভোটে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করেই সব অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে, বলে দাবি করেন শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘সশস্ত্র সীমা বল’ (এসএসবি)-র নতুন পরিকাঠামো উদ্বোধন করতে গিয়ে শাহ (Amit Shah)বলেন, ‘‘বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হল দেশ থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বার করে দেওয়া। তাঁরা শুধু জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনকই নয়, ভারতীয় জনগণের জন্য কল্যাণমূলক সুবিধাগুলিরও অবৈধ গ্রাহক। এর ফলে সরকার পরিচালিত প্রকল্পগুলির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হয়ে পড়ে।’’ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বড় আকারে অনুপ্রবেশের ফলেও দখলদারির ঘটনা বাড়ে বলেও অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, “বিহারের জনতাকে কথা দিয়েছিলাম যে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে ভারত থেকে বের করব। ভারতীয় জনতা পার্টির এটাই সঙ্কল্প। দেশের সুরক্ষার জন্য এই অনুপ্রবেশ বড় চ্যালেঞ্জ। এবার সময় এসেছে ভারতকে অনুপ্রবেশ মুক্ত করতে হবে। গোটা সীমান্ত অঞ্চলে খুব তাড়াতাড়িই তা শুরু হবে।”

    জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা

    অনুপ্রবেশকারীদের ডেরাগুলি চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘এগুলি ধ্বংস করতে আমরা বদ্ধপরিকর। অনুপ্রবেশ জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করে, যা একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি এবং এমনকি ভূগোলকেও ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘জনবিন্যাস বদলের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য থেকে আমরা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে তাড়াব।’’ অনুপ্রবেশকারী বিতাড়নের উদ্যোগ নীতীশ কুমারের রাজ্য থেকে শুরু হবে বলেও বৃহস্পতিবার সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সূচনা হবে বিহারের এই সীমাঞ্চল অঞ্চল থেকে।

    অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ

    হাতে বড়জোড় আর একমাস। তারপরেই বঙ্গে ভোট। সূত্রের খবর, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, ভোট আবহে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুড় চড়িয়েছে বিজেপি। এর আগেও বাংলায় অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভোটব্যাঙ্কের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। সেকারণেই বারবার এসআইআর করতে বাধা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকার কাটিহার, পূর্ণিয়া, কিসনগঞ্জ, অরারিয়ার মতো জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে গত কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এদিন শাহ বলেন, ‘‘শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, নির্বাচনে বিজেপি জিতবে। আর অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দেওয়া বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’’ সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে প্রবেশ করা বাংলাদেশিরা কী ভাবে জনবিন্যাস বদলে দিচ্ছে, নানা ‘তথ্যপ্রমাণ’ দিয়ে সেই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    বাংলায় জিতবে বিজেপি

    বৃহস্পতিবার বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার গড়বে। নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে।” বিধানসভা ভোট ঘোষণার ঠিক আগে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকায় অনুপ্রবেশ, তার কারণে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ও অবৈধ ধর্মস্থানের কাঠামো নির্মাণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনাসভার আয়োজন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই উদ্দেশ্যেই বৃহস্পতিবার তিন দিনের জন্য বিহারে পৌঁছেছেন শাহ। তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিতি থাকায় ওই সম্মেলনটি আলাদা মাত্রা পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এ বার বিজেপির প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার হতে চলেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, তা ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন শাহ।

  • PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করবে বিজেপি। এরপর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা থেকে বিধানসভা ভোটের ভেরি বাজাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করতে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, রাজনাথ সিং, দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, শিবরাজ সিং চৌহান, নিতিন গড়করি, স্মৃতি ইরানির মতো হেভিওয়েটরা রাজ্যে আসবেন (Assembly Polls)। এহেন আবহেই বঙ্গবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই চিঠিতে রাজ্যের উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পের বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। হিন্দি এবং বাংলা ভাষায় লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ‘সোনার বাংলার’ স্বপ্ন দেখেন এমন প্রত্যেকেই কষ্ট পাচ্ছেন।

    রাজ্যের ভবিষ্যৎ (PM Modi)

    চিঠিতে তিনি বলেছেন, আগামী মাসগুলিতে রাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে এবং এই সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর নির্ভর করে। রাজ্যকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে তাঁর সংকল্পের কথা ফের একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যবাসীকে উন্নয়ন যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর চিঠিটি মা কালীর প্রশংসা দিয়ে শুরু করেছেন। তিনি লিখেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের ভূমি দেশকে অনেক মহান ব্যক্তিত্ব দিয়েছে। ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ১১ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার জনকল্যাণ ও সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষক, যুবক, মহিলা এবং দরিদ্রদের জন্য চালু করা প্রকল্পগুলি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্পের সুবিধা পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। জন-ধন-যোজনার আওতায় লাখ লাখ মানুষ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন (Assembly Polls)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং শিল্পকে ঋণের সুবিধা দিয়েছে, সুযোগ বৃদ্ধি করেছে কর্মসংস্থানের (PM Modi)।”

    উন্নত বাংলার প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। বাংলার মা ও বোনেরা নিরাপদ নন। অবৈধ অভিবাসন এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসা রাজ্যকে কলঙ্কিত করেছে। সংকীর্ণ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, হিংসা এবং অরাজকতার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে রাজ্য। ভুয়ো ভোটাররা আস্তানা গেড়েছে। এই অবৈধ অভিবাসন থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে আমাদের, অনুসরণ করতে হবে সুশাসন। ওই চিঠিতেই প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়নে শীর্ষস্থান দখল করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক হিংসা, দুর্নীতি এবং তোষণমূলক রাজনীতি রাজ্যের অগ্রগতির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুবসমাজের অভিবাসন এবং বিনিয়োগের অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    মহান ব্যক্তিত্বদের প্রসঙ্গ

    ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মহান ব্যক্তিত্বদের আশীর্বাদপ্রাপ্ত বাংলার ভূমির একটি নতুন দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। তিনি রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারতের মতো কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্রদের জন্য আবাসন এবং মহিলাদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের মাধ্যমে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন (Assembly Polls)।

    ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’

    চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।” প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার স্বপ্নের সোনার বাংলার নারী, পুরুষ ও শিশুরা চরম বঞ্চনার শিকার। তাঁদের কষ্ট, যন্ত্রণা, বঞ্চনা আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করছে।” তিনি জানান, অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে সমৃদ্ধ ও উন্নত রাজ্যে রূপান্তরিত করার শপথ নিয়েছেন। তাঁর বার্তা, “উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে (PM Modi)।”

    বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকার

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকারও করেন। বলেন, রাজ্যে নতুন কর্মসংস্থান ও জনজীবন উন্নয়নে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আসন্ন নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজ্যের মানুষের সিদ্ধান্তের ওপরেই। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশের সমস্যা গুরুতর আকার নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সমস্যা রাজ্যের নিরাপত্তা ও জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “নারী-সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি (Assembly Polls)। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে মানুষের বিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের ওপর (PM Modi)।”

     

  • Assembly Election 2026: সংবিধান মেনেই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ, আদালতে জানাতে চলেছে সিইও দফতর

    Assembly Election 2026: সংবিধান মেনেই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ, আদালতে জানাতে চলেছে সিইও দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের জেরে ঘোর বিপাকে পড়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Assembly Election 2026)। সেদিক থেকে বঙ্গবাসীর দৃষ্টি ঘোরাতে কালো গাউন পরে সটান সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে একপ্রস্ত ‘নাটক’ করেন (অন্তত বিরোধীদের দাবি এমনই) তৃণমূল সুপ্রিমো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দেশের শীর্ষ আদালতে মমতার এই সওয়াল রাজ্যের শাসকদলের কাছে (Micro Observer) এখন সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন।

    মাথাব্যথার কারণ (Assembly Election 2026)

    আর লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সির পাশাপাশি মূল মাথাব্যথার কারণ ভিনরাজ্যের রোল অবজার্ভার ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারি মাইক্রো অবজার্ভাররা। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় রোল অবজার্ভার থেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের নিযুক্তি নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী ও অসাংবিধানিক বলে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেছেন মমতা ও তাঁর দল। যদিও পরিস্থিতির বিচারে সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে রোল অবজার্ভার,  মাইক্রো অবজার্ভার নিযুক্তির সিদ্ধান্ত বলে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন এবং  সিইও দফতর। রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, “সাংবিধানিক ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালতে যথাযথ উত্তর দেওয়া হবে।”

    মাইক্রো অবজার্ভারদের উল্লেখ

    বস্তুত, ১৯৫১ সালের ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচনী মাইক্রো অবজার্ভারদের উল্লেখ থাকলেও ১৯৫০ এবং ১৯৫১ ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোথাও ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে মাইক্রো অবজার্ভার এবং রোল অবজার্ভারের উল্লেখ নেই। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র বঙ্গের এসআইআরে মাইক্রো অবজার্ভারদের নিযুক্ত করল কেন? ভোটার তালিকা তৈরিতে ইআরও সর্বোচ্চ ক্ষমতার আধিকারি হলেও তাঁদের কাজ যাচাইয়ের নামে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ কেন?  কমিশনের ব্যাখ্যা, ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ ও ১৯৫১ কোথাও ভোটার তালিকার কাজে মাইক্রো অবজার্ভারদের (Micro Observer) কথা উল্লেখ না থাকলেও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৪ (৬) অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরির জন্য যে কোনও ধরণের ব্যক্তিকে নিযুক্ত করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে (Assembly Election 2026) নির্বাচন কমিশন তথা সিইও-কে। সেই ক্ষমতা কজে লাগিয়েই ইআরও-এইআরওরা যে শুনানি তথ্য বা নথি আপলোড করছেন সেগুলির বিশেষ নিরীক্ষার জন্য রোল অবজার্ভার ও মাইক্রো অবজার্ভাদের নিযুক্ত করা হয়েছে।

    এসআইআরের কাজ

    এসআইআরের কাজে রাজ্য সরকার যদি প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত কর্মী দিত তাহলে তামিলনাড়ু বা অন্য রাজ্যের মতো এরাজ্যেও মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন পড়ত না বলেও জানিয়েছে কমিশন। এমনকি ডেটা এন্ট্রি অপারেটর দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্য সরকার অসহযোগিতা করায় ডেটা রেকর্ড ও আপলোড করার জন্য বাড়তি চাপ পড়েছে বিএলওদের বলেও যুক্তি আধিকারিকদের (Micro Observer)। উল্লেখ্য যে, এসআইআর শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে ডেপুটেশনে ২৯৪ জন ইআরও এবং প্রথম দফায় ৩,০৬৮ জন এবং তারও পরে আরও দুই দফায় প্রায় ৫ হাজার এইআরও পদমর্যাদার রাজ্য সরকারি কর্মীর অনুমোদন দেয়। এছাড়াও প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অন্যান্য মিলিয়ে ৮০ হাজারের বেশি বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজার কমিশনকে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। তাছাড়া পদাধিকারবলে জেলশাসকরা তো জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ভুমিকা পালন করছেন। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইআরও হিসেবে (Assembly Election 2026) এসডিও এবং এইআরও হিসেবে রাজ্য সরকারের ক্লাস ওয়ান অফিসার পদমর্যাদার কর্মী চাওয়া হলেও রাজ্য বহুক্ষেত্রে গ্রুপ বি আধিকারিক অথবা জুনিয়রদের দেওয়ায় বিপত্তি বেড়েছে। যদিও রাজ্যের বক্তব্য, প্রশাসনিক কাজ চালানোর স্বার্থে সব ক্ষেত্রে এসডিওদের না দেওয়া গেলেও সমতুল পদমর্যাদার অফিসারদের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সিইওর বক্তব্য

    যদিও সিইওর বক্তব্য, একনাগাড়ে ২৭-২৮ বছর কাজ করার পর একজন রাজ্য ক্যাডারের সিভিল সার্ভিস আধিকারিক তাঁর কাজের বিচারে আইএএস ক্যাডারে উন্নীত হতে পারেন। নির্বাচনের কাজে তো প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাও দরকার। সেক্ষেত্রে রাজ্যের কর্মী তালিকায় পর্যাপ্ত উপযুক্ত কর্মীই মেলেনি। তাই নথি যাচাইয়ের জন্য কমিশনের কাছে অতিরিক্ত কর্মীর আবেদন জানায় সিইও দফতর (Micro Observer)। কমিশনের অনুমতিতেই কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর বা সংস্থা থেকে উপযুক্ত কর্মী নেওয়া হয় যাদের পোশাকি নাম মাইক্রো অবজার্ভার অথবা রোল অবজার্ভার (Assembly Election 2026)। যদিও এদের প্রশিক্ষণ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে রাজ্য প্রশাসনের। ইআরওদের ওপর আস্থা না রেখে মাথার উপর মাইক্রো অবজার্ভারদের যুক্ত করার যুক্তি কি? উঠেছে পাল্টা প্রশ্ন। সিইও’র যুক্তি, “যখন ইআরও সংবিধানিক দায়দায়িত্ব লঙ্ঘন করে লগ ইন আইডি অন্যকে শেয়ার করেন, যখন অস্তিত্বহীন ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম ঢোকানো হয়, ইআরও-এইআরও যখন নিজের ক্ষমতার উর্ধ্বে উঠে বেআইনিভাবে আরও একাধিক ব্যক্তিকে এইআরও বানিয়ে দেন তখন আস্থার মর্যাদা কোথায় থাকে? ”  সব মিলিয়ে আস্থা-অনাস্থার দোলাচলে রাজ্যের সাধারণ ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কমিশন-রাজ্য এই ধর্মযুদ্ধ কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে চিন্তায় নির্বাচনী আধিকারিকরাই (Assembly Election 2026)।

     

LinkedIn
Share