Tag: assembly elections 2024

assembly elections 2024

  • Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্রই ছ’মাসের। এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে যে রাজ্যে পদ্মের হাল (Mahayuti) মলিন হয়ে গিয়েছিল, মাত্র ছ’মাস পরেই সেই রাজ্যই পদ্মময়। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোটকে ধরাশায়ী করে জয়ডঙ্কা বাজাচ্ছে বিজেপি। এ রাজ্যে গেরুয়া শিবির বলে বলে গোল দিয়েছে বিরোধীদের। লোকসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের কুর্সি দখলের যে স্বপ্ন বিরোধীরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বিধানসভা নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেল আরব সাগরের জলে। প্রশ্ন হল, কোন মন্ত্রবলে বিজেপির এই ঘুরে দাঁড়ানো আর বিরোধীদের অধঃপতন? আসছি সেই আলোচনায়ই।

    নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল (Maharashtra Assembly Elections)

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর হাতে যে ছ’মাস ছিল, সেই সময় নিজেকে গড়েপিটে নিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। শত্রুর ঘরে (পড়ুন বিরোধী শিবিরে) যখন নিত্য বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরাস্রোত, তখন বিজেপি নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল। যারই সুফল গেরুয়া শিবির কুড়িয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। গত ছ’মাসে একের পর এক সাহসী এবং জনকল্যাণকর পদক্ষেপ নিয়েছেন গৈরিক নেতারা।

    জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ

    নীতিগত সংশোধনের পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষক, নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহরাষ্ট্র সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহাযুতি সরকারের এসব পদক্ষেপই ফলপ্রসূ হয়েছে। মহাযুতি সরকারের তিন শরিক— বিজেপি, শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরে পরিস্থিতি পাল্টাতে সক্ষম হয়েছে এই জোট। মহারাষ্ট্রে লোকসভা আসন রয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে (Maharashtra Assembly Elections) বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৭টি আসন (Mahayuti)। বাকি কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী (MVA) জোটের ঝুলিতে। শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়া শুরু হতেই চওড়া হতে থাকে বিজেপি নেতাদের মুখের হাসি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাযুতি সরকারের জোট শরিকরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা

    মহারাষ্ট্রবাসীর দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুফল যেমন বিজেপি কুড়িয়েছে, তেমনি আরএসএসের প্রচারও গৈরিক শিবিরের ঘরে তুলে দিয়েছে লাভের কড়ি। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছিল আরএসএস। বিজেপি এবং রাজ্যের শাসক জোটের হয়ে ব্যাপক প্রচারও করেছে তারা। যার জেরে হতাশা কাটিয়ে উঠে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটারদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও তাদের কঠোর হিন্দুত্ববাদী অবস্থান জোরালো করে তোলে। বিজেপির স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘এক হো তো সেফ হো’, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ (ভাগ হলেই পতন)-এর মতো ঝাঁঝালো স্লোগান। এগুলোও ভোটারদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এসবই জুগিয়েছে বিজেপির পালে হাওয়া। বিজেপি এবং আরএসএসের যুগলবন্দির মোকাবিলা করতে পারেনি মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। যার জেরে মহারাষ্ট্রে পানি পায়নি এই মহাজোট।

    ওবিসি সম্প্রদায়

    মারাঠা আন্দোলন (Maharashtra Assembly Elections) ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে মেরুকরণ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিজেপি তার জনসংযোগ পরিকল্পনার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ৩৫৩টি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নেমেছিল। মহারাষ্ট্র নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলভিত্তিকভাবে ওবিসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিজেপির সংযোগ স্থাপনের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিলেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় সাতটি জাতি বা উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রেখেছিল ওবিসি কমিশনের কাছে। ওবিসি সম্প্রদায়ের এই সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা মহাযুতির পক্ষে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। এর মধ্যে ১৭৫টি আসনে নির্ণায়ক শক্তি ওবিসি সম্প্রদায়। তার একটা বড় অংশই এবার গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। যার জেরে আরব সাগরের তীরের লোনা মাটিতেও ফুটেছে পদ্ম।

    ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি’

    মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর কৃষকদের ভোট পদ্ম-ঝুলিতে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করে মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকার। এর মধ্যে ছিল রাজ্য বাজেটে সরকার ৭.৫ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত কৃষি পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা। নির্বাচনী ইশতেহারে, মহাযুতি ফসল ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। ‘ভাবান্তর যোজনা’র মাধ্যমে এমএসপি এবং প্রকৃত ক্রয়মূল্যের পার্থক্য পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। এছাড়াও গুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে এসবই ডিভিডেন্ট দিয়েছে বিজেপিকে। তার জেরেই আরব সাগরের তীর হয়েছে (Mahayuti) পদ্মময়। মহারাষ্ট্রের কুর্সির রং হয়েছে গেরুয়া (Maharashtra Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘ধান্ধা’য় কোপ অমিত শাহের (Amit Shah)! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতিয়ে নিতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা।’

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    সোমবার ঝাড়খণ্ডের সেরাইকেলায় নির্বাচনী প্রচারসভায় (Jharkhand Assembly Polls) গিয়ে শাহ বলেন, “ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এমন একটি আইন প্রণয়ন করবে, যা উপজাতি মেয়েদের বিয়ে করে জমি হস্তান্তর করা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের রুখবে।” তিনি বলেন, “বিজেপি এভাবে অধিগৃহীত জমি পুনরুদ্ধার করবে। জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে মূল উপজাতি পরিবারের হাতে।”

    ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে!

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের মেয়েদের বিয়ে করে জমি দখল করছে। তারা আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করলে তাদের জমি স্থানান্তর রোধ করার জন্য আমরা একটি আইন প্রণয়ন করব।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে এবং তাদের উচ্ছেদ করে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধার করতে আমরা একটি কমিটি গঠন করব।”

    জেএমএম-কে আক্রমণ শাহের (Jharkhand Assembly Polls)

    এদিনের সমাবেশে শাহ মুণ্ডপাত করেন রাজ্যের হেমন্ত সোরেন সরকারের। বলেন, “ওরা (হেমন্ত সোরেনের দল) ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীণ নেতা চম্পাই সোরেনকে অপমান করেছে। তিনি এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনুপ্রবেশের সমস্যার কথা বলায় তাঁকে অপমান করেছে ওরা।” শাহের (Amit Shah) দাবি, “চম্পাই আদিবাসীদের অধিকার ও অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলায় তাঁকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর, সিআরপিএফ শিবিরে হামলা, গুলিতে হত ১১ কুকি জঙ্গি

    চম্পাইয়ের বহিষ্কারে আদিবাসীদের অপমান  

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “চম্পাই সোরেন এত বছর ধরে গুরুজি (শিবু সরেন) এবং হেমন্ত সোরেনের প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন। কিন্তু তাঁকে যেভাবে অপমান ও বহিষ্কার করা হয়েছে, তা কেবল তাঁর নয়, সমগ্র আদিবাসী সমাজের অপমান। চম্পাই সোরেন কেবল এই একটিই দাবি করেছিলেন যে এই অনুপ্রবেশ বন্ধ হওয়া উচিত। কিন্তু তারা (জেএমএম) তা করতে রাজি নয়।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “রাজ্যের শাসক জোট — ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দল শুধুমাত্র ব্যক্তিগত উন্নতি করছে। করছে দুর্নীতিও।” তিনি বলেন, “যদি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Assembly Polls) বিজেপি সরকার গঠন করে, তবে জেএমএম-নেতৃত্বাধীন জোটের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের জেলে পাঠানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Maharashtra Assembly Elections 2024: মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রভাব ফেলছে অনুপ্রবেশকারী মুসলমানরা! বলছে সমীক্ষা

    Maharashtra Assembly Elections 2024: মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রভাব ফেলছে অনুপ্রবেশকারী মুসলমানরা! বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের তীরেও মাথাব্যথার কারণ সেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। প্রতিনিয়ত যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে ঝাড়খণ্ড, ধামাচাপা দিয়ে কেন্দ্রের আইওয়াশ করছে পশ্চিমবঙ্গ (অন্তত এমনই অভিযোগ বিরোধীদের), সেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরাই ‘এক্স ফ্যাক্টর’ মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভা নির্বাচনে (Maharashtra Assembly Elections 2024)।

    কী বলছে গবেষণাপত্র (Maharashtra Assembly Elections 2024)

    সম্প্রতি টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের (টিস) একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে আগত মুসলমানদের সংখ্যা মুম্বইতে বাড়ছে হুহু করে। কিছু রাজনৈতিক দল তাদের ব্যবহার করছে ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে। এই গবেষণায় এও বলা হয়েছে, অনুপ্রবেশকারীরা শহরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করছে। তারা অদক্ষ শ্রমিকের কাজ করছে। শ্রমিক সহজলভ্য হওযায় মজুরি কমছে স্থানীয়দের। প্রসঙ্গত, গবেষণাপত্রটির শিরোনাম ছিল ‘মুম্বইতে অবৈধ অভিবাসী: সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিণতি বিশ্লেষণ’।

    মুসলমানদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার

    যুগের পর যুগ ধরে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলির একটা অংশ মুসলমানদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই ব্যবহার করে আসছে। এই দলগুলিই অনুপ্রবেশকারীদের ব্যবহার করছে নানা কাজে। কখনও জাল নথি বানিয়ে, কখনও আবার অন্য কোনওভাবে ওই রাজনৈতিক দলগুলি অনুপ্রবেশকারীদের মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে এ দেশের মূলস্রোতে। টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের গবেষণাপত্রেও প্রায় একই কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘কিছু রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করতে গিয়ে ব্যবহার করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে। ভোটার নিবন্ধন কারসাজির অভিযোগও উঠেছে। অনথিভুক্ত অনুপ্রবেশকারীরা জাল ভোটার আইডি সংগ্রহ করে অংশগ্রহণ করে নির্বাচনে। ফলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অখণ্ডতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (Maharashtra Assembly Elections 2024)।’

    ধর্মীয় জনসংখ্যার ভারসাম্যেও পরিবর্তন

    গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, কিছু রাজনীতিবিদ ভোটের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আইডি বা রেশন কার্ড তৈরি করে দেওয়ার পক্ষে। তবে এতে সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। কারণ রাজনীতি-চালিত অনুপ্রবেশের জেরে বাড়ছে মেরুকরণ। এটি প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনী ফলে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক ইস্যুগুলি থেকে মনোযোগ সরে যেতে পারে।গবেষণায় আরও দাবি করা হয়েছে, মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের উল্লেখযোগ্য প্রবাহ ধর্মীয় জনসংখ্যার ভারসাম্যেও পরিবর্তন এনেছে। যার জেরে বিশেষ করে মুম্বইয়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে শহরে অপরাধ বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে ওই গবেষণাপত্রে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকায় ট্রাম্প জয়ী হওয়ায় লাভবান হবে ভারত, বলছে রেটিং সংস্থা মুডিজ

    প্রভাব পড়ছে জনবিন্যাসেও

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) কিছু এনজিও এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলিও এই অনুপ্রবেশকারীদের নিরন্তর সাহায্য করে চলেছে। তার জেরে ঘটছে এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন। যার প্রভাব পড়ছে আরবসাগরের তীরের রাজ্যটির অর্থনীতি এবং রাজনীতিতে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, কঠোর নিয়মের কারণে রেজিস্টার্ড এনজিওগুলি প্রায়ই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তা করা থেকে বিরত থাকে। সেই ফাঁক পূরণ করে অবৈধ এনজিওগুলি। তার জেরেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে শহরের জনবিন্যাস। গবেষকরা প্রায় ৩০০০ জন অনুপ্রবেশকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন। এর মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৩০০ জনের সঙ্গে কথা বলে প্রকাশ করেছেন রিপোর্টটি (Maharashtra Assembly Elections 2024)। এই তিনশোজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ধারাভি, গোভান্ডি, মানখুর্দ, মাহিম পশ্চিম এবং আম্বেদকর নগরে।

    লোকসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশকারীদের প্রভাব

    চলতি বছর মে-জুন মাসে হয় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তারা জানিয়েছিল, মুসলমানরা মহারাষ্ট্রে বিশেষত বিজেপিকে পরাজিত করতে সংঘটিত হয়েছিল। এ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ফল খুবই চমকপ্রদ। এখানে বিজেপি ছাড়া অন্য দলগুলোকে সমর্থন করেছিল মুসলমানরা। ওই নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা জেতে ৭টি আসনে। পদ্ম ফোটে ৯টি কেন্দ্রে। অন্যদিকে, এনসিপি (শরদ পাওয়ার), ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং শিবসেনা (ইউবিটি), যারা মুসলমান এবং কমিউনিস্টদের সমর্থন পেয়েছিল, তারা যথাক্রমে জয়লাভ করে ৮, ১৩ এবং ৯টি আসনে। এ থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার, মহারাষ্ট্রের মুসলমানরা বিজেপি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থাকা রাজনৈতিক দলগুলিকেই ভোট দিয়েছিল (Maharashtra Assembly Elections 2024)। শিবসেনা নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী দীপক কেসারকার, যিনি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের ঘনিষ্ঠ, পরে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে মুসলিমদের ‘ফতোয়া’ জারি হওয়ার কারণেই শিবসেনা (ইউবিটি), ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস, এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) মুম্বই ও রাজ্যের আরও বেশ কিছু অঞ্চলে বেশিরভাগ আসন জিততে পেরেছে।

    বিজেপির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি

    জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রেরই পুণে অঞ্চলে ইসলামপন্থীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছিল। মুসলমান ভোটারদের পুণে, শিরুর, বারামতি এবং মাওয়াল কেন্দ্রের জন্য যথাক্রমে কংগ্রেস, এনসিপি (শরদ পওয়ার) এবং শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। ইসলামি নেতারা এই ঘোষণা করেছিল ২ মে, কন্ডওয়া অঞ্চলে কুল জামাতি তানজিম পুণে কর্তৃক আয়োজিত ‘তাকরির বাই হযরত মাওলানা সাজ্জাদ নোমানি’ অনুষ্ঠানে। বক্তৃতা দিতে গিয়ে, নোমানি বলেছিলেন যে আজকের প্রত্যেক মুসলিম ভোটারের উচিত তার সম্প্রদায়ের স্বার্থে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করা। তিনি মুসলমানদের মনে ভীতি সঞ্চার করতে গিয়ে বলেন, “যদি মোদি ক্ষমতায় আসেন, তবে সমস্ত মাজার ও মাদ্রাসা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।” শিবসেনা (ইউবিটি) দ্বারা মুম্বইয়ে আয়োজিত ওই সমাবেশে ইসলামিক পতাকাও উত্তোলন করা হয়েছিল।

    মুসলমানদের মধ্যে প্রচার

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচন হবে ২০ নভেম্বর। জানা গিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনের প্রচারে ১৮০টির মতো এনজিও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ফিল্ডে কাজ করছে ‘সচেতনতা’ বাড়াতে। মুসলমানরা যাতে বেশি করে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, সেই প্রচারও চালাচ্ছে। এই কৌশলটি লোকসভা নির্বাচনের সময় মহা বিকাশ আগাড়িকে সাহায্য করেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিবাজিনগর, মুম্বাদেবী, বাইকুল্লা এবং মালেগাঁও সেন্ট্রালের মতো মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায়, লোকসভা নির্বাচনের সময় ভোটারদের উপস্থিতি পার্শ্ববর্তী বিধানসভা অঞ্চলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিভিন্ন সংস্থা মুসলিম ভোটারদের উদ্বেগ এবং গত এক বছর ধরে এই সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতা (Maharashtra Assembly Elections 2024) বৃদ্ধির প্রচেষ্টার উল্লেখ করেছে।

    মহারাষ্ট্র মুসলিম সেবা সঙ্ঘ

    মহারাষ্ট্র মুসলিম সেবা সঙ্ঘ ১৮০টিরও বেশি এনজিওর সঙ্গে সহযোগিতা করেছে এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলি মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভোটার নিবন্ধন ও সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করছে। সংগঠনটি রাজ্যজুড়ে মুসলিম ভোটারদের সঙ্গে বৈঠক ও তথ্য জানানো সেশনের আয়োজন করেছে। সংগঠনের নেতা ফকির মাহমুদ ঠাকুর বলেন, “এর ফলে লোকসভা নির্বাচনে ভোটের হার ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা আগের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। আমরা মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যাতে তাঁরা ধর্মনিরপেক্ষ প্রার্থীদের সমর্থন করেন এবং সংবিধানের প্রতি সম্মান রেখে ভোট দেন। অন্যান্য সংগঠন ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার ফলে একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া এসেছে। রাজ্যজুড়ে (Maharashtra) ২০০টিরও বেশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ভোটারদের উপস্থিতি বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে (Maharashtra Assembly Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Maharashtra Assembly Elections 2024: “প্রকাশিত ‘সঙ্কল্পপত্র’ মহারাষ্ট্রের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন”, বললেন শাহ

    Maharashtra Assembly Elections 2024: “প্রকাশিত ‘সঙ্কল্পপত্র’ মহারাষ্ট্রের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহাজোট সরকার কৃষকদের সম্মান, দরিদ্রদের সহায়তা এবং নারীদের আত্মসম্মান রক্ষার জন্য কাজ করেছে এবং কথা বলেছে। আজ এখানে প্রকাশিত ‘সঙ্কল্পপত্র’ মহারাষ্ট্রের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।” ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে (Maharashtra Assembly Elections 2024) বিজেপির ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    শাহি প্রতিশ্রুতি (Maharashtra Assembly Elections 2024)

    রবিবার তিনি এই ইশতেহার প্রকাশ করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস, রাজ্য বিজেপি সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে, মুম্বই বিজেপি সভাপতি আশিস শেলার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মহারাষ্ট্রের একঝাঁক নেতাও। বিজেপি একনাথ শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং অজিত পাওয়ার-নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-র সঙ্গে মহাজোট গড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ শাসক জোটের কৃষক, নারী এবং দরিদ্রদের কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন।

    নেতৃত্ব দিয়েছে মহারাষ্ট্র

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Maharashtra Assembly Elections 2024) বলেন, “এক অর্থে, বহু যুগ ধরে মহারাষ্ট্র প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। এক সময়, যখন প্রয়োজন হয়েছিল, তখন ভক্তি আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল মহারাষ্ট্র থেকেই। শিবাজি মহারাজ এখান থেকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। সমাজবিপ্লবও এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে আমাদের সংকল্পপত্রে।” তিনি বলেন, “বিজেপির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতকে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”

    আরও পড়ুন: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবেও”, রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাফ জানাল ভারত

    শাহ বলেন, “ভারত বর্তমানে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ২০২৭ সালের মধ্যে আমরা তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠব। আমরা দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছি — ৭ কোটি টয়লেট, বাড়ি, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, খাদ্যশস্য, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা আমরা জনগণকে দিতে পেরেছি।” প্রতিপক্ষ মহা বিকাশ আগাড়ি জোটের সমালোচনা করে শাহ (Maharashtra Assembly Elections 2024) বলেন, “লড়াইয়ের ময়দানে আগাড়ি রয়েছে। এমনকি কংগ্রেস নেতারাও বলছেন যে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। কারণ তারা প্রতিশ্রুতি দেয়, পূরণ করতে না পারায় পরে জবাবদিহি করতে (Amit Shah) হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানায় ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। উনিশের বিধানসভা  নির্বাচনে (Haryana Assembly Elections) বিজেপি জিতেছিল ৪০টি আসনে। হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজন ৪৬টি আসন। সেবার কংগ্রেস জিতেছিল ৩১টি আসনে, জেপিপি জয়ী হয়েছিল ১০টি আসনে। সরকার গড়েছিল বিজেপি।

    হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে (Haryana Assembly Elections)

    বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, হরিয়ানার রাশ এবার যাবে কংগ্রেসের হাতেই। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, ৯০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই পেতে পারে ৫৫টি আসন। ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে প্রায় ৯টি বেশি আসন। ধ্রুব রিসার্চের সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় কংগ্রেস জিততে পারে ৫৭ থেকে ৬৪টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ২৭ থেকে ৩২টি আসন। একটি আসন পেয়ে এ রাজ্যে খাতা খুলতে পারে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি।

    কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    দৈনিক ভাস্করের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় (Haryana Assembly Elections) ৪৪ থেকে ৫৪টি আসনে জয়ী হতে পারে কংগ্রেস। পদ্ম ফুটতে পারে ১৯ থেকে ২৯টি আসনে। জিস্ট-টিআইএফ রিসার্চ সমীক্ষার ফল বলছে, জাঠদের রাজ্যে কংগ্রেস পেতে পারে ৫৩টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চে ৩৭টি আসন। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কেজরির দল এখানে দাঁত ফোটাতে পারবে না।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে হরিয়ানায় ৫৫ থেকে ৬২টি আসনে জয়ী হবে সোনিয়া গান্ধীর দল। গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১৮ থেকে ২৪টি আসন। প্রসঙ্গত, আজ, শনিবারই এক দফায় নির্বাচন হয়েছে হরিয়ানার ৯০টি আসনেই। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। ৮ অক্টোবর হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। এদিনই ফল ঘোষণা হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনেরও। এই দুই রাজ্যের রাশ কোন পার্টির হাতে যায়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত (Haryana Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

     

  • Jammu Kashmir Assembly Elections: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    Jammu Kashmir Assembly Elections: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে (Jammu Kashmir Assembly Elections) ন্যাশনাল কংগ্রেস-কংগ্রেস জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে পারে বিজেপি। অন্ততঃ বুথফেরত সমীক্ষায় (Exit Polls) এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। ১০ বছর পরে এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ভূস্বর্গে। ৩৭০ ধারা এবং ৩৫ অনুচ্ছেদ রদের পরেও এই প্রথম নির্বাচন হয়েছে সেখানে। প্রত্যাশিতভাবেই এই নির্বাচনের ফল নিয়ে উদ্বেগে শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষই। এমতাবস্থায় শুরু হয়ে গিয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ।

    পিপলস পালসের সমীক্ষা (Jammu Kashmir Assembly Elections)

    পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, জম্মু-কাশ্মীরে একক বৃহত্তম দল হতে পারে ন্যাশনাল কনফারেন্স। ফারুক আবদুল্লার দল জিততে পারে ৩৩ থেকে ৩৫টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১৩-১৫টি আসন। করুণ অবস্থা মেহবুবা মুফতির পিডিপির। তারা পেতে পারে ৭ থেকে ১১টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে এবং সি ভোটারের সমীক্ষা (Jammu Kashmir Assembly Elections) বলছে শুধুই কাশ্মীরের ফল, জম্মুর নয়। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কাশ্মীরে বিজেপি বিরোধী ইন্ডি জোট পেতে পারে ২৯-৩৩টি আসন। বিজেপি জিততে পারে একটি আসন। ৬ থেকে ১০টি আসনে জিততে পারে পিডিপি। অন্যদের ঝুলিতে যেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন।

    জম্মু হতে পারে পদ্মময়

    জম্মু-কাশ্মীরের ৯০টি আসনে নির্বাচন হয়েছে তিন দফায়। এর মধ্যে জম্মুতে রয়েছে ৪৩টি আসন। এর মধ্যে ২৭ থেকে ৩১টি কেন্দ্রে ফুটতে পারে পদ্ম। ইন্ডিয়া জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ১১ থেকে ১৫টি আসন। উপত্যকার আর একটি দল পিডিপি পেতে পারে সর্বাধিক ২টি আসন।

    আজতক এবং সি ভোটারের সমীক্ষার পূর্বাভাস বলছে, এনসি-কংগ্রেস জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ৪০ থেকে ৪৮টি আসন। গেরুয়া ঝুলিতে পড়তে পারে ২৭ থেকে ৩২টি আসন। মেহবুবা মুফতির দল পিডিপি পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন। নির্দল প্রার্থীরা পেতে পারেন ৬ থেকে ১১টি আসন। এই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, কেবল কাশ্মীরে ৪৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ২টি আসন। ২৯ থেকে ৩৩টি আসন পেতে পারে কংগ্রেস, এনসি এবং নির্দলরা। পিডিপি পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন।

    আরও পড়ুন: অজুহাত নিরাপত্তা! বাংলাদেশে বহু পুজোর অনুমতি দিল না ইউনূস সরকার, উদ্বিগ্ন ভারত

    ভাস্কর রিপোর্টার্স পোলের সমীক্ষা বলছে, এনসি-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। পদ্ম ফুটতে পারে ২০ থেকে ২৫টি আসনে। বাকি আসন পেতে পারে পিডিপি এবং নির্দলরা। এক্সিট পোলের সমীক্ষা বেশিরভাগে ক্ষেত্রেই মেলে না। তাই ভূস্বর্গের রাশ কার হাতে যাবে (Exit Polls), তা জানা যাবে ৮ অক্টোবর (Jammu Kashmir Assembly Elections)।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

  • Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে ভাল ফল করবে বিজেপি, বিশ্বাস রাম মাধবের

    Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে ভাল ফল করবে বিজেপি, বিশ্বাস রাম মাধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্ম-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিই সবথেকে বেশি আসন পাবে বলে জানালেন উপত্যকায় বিজেপির নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত নেতা রাম মাধব। বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণ মানুষের মধ্য যে পরিমাণ উৎসাহ চোখে পড়েছে, তা অভূতপূর্ব। নওশেরা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রবিন্দর রায়নার সঙ্গে ছিলেন রাম মাধব।

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    জম্মু কাশ্মীরের জন্য বিজেপির ইস্তাহারে যে ২৫টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার সঙ্গে বিভিন্ন মন্দিরের পুনর্গঠন এবং কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপত্যকায় ফিরিয়ে আনার মতো ঘোষণা রয়েছে৷ রাম মাধব জানান, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে খুব ভালো ফল করবে বিজেপি। জম্মুতে তো বটেই কাশ্মীর উপত্যকাতেও ঠেকানো যাবে না বিজেপিকে।

    আরও পড়ুন: “অনুচ্ছেদ ৩৭০ ইতিহাস, আর কখনও ফিরবে না”, স্পষ্ট করলেন শাহ

    ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তার পর থেকে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা দেওয়া হয়। প্রায় ১০ বছর পরে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে। পুনর্বিন্যাসের পরে মোট ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্র আছে। তফসিলি উপজাতিভুক্ত কেন্দ্রের সংখ্যা নয়। আর তফসিলি জাতিভুক্ত কেন্দ্রের সংখ্যা সাত। মোট ভোটারের সংখ্যা হল ৮৭.০৯ লাখ। পুরুষ এবং মহিলা ভোটারের সংখ্যা মোটামুটি সমান। প্রথমবারের ভোটদাতা হলেন ৩.৭১ লাখ। আর যুব সম্প্রদায়ের ভোটার ২০ লাখের মতো নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। তিনটি দফায় জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় ১৮ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। আসনের সংখ্যা ২৪। দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২৬টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ৪০টি আসনে। গণনা হবে আগামী ৪ অক্টোবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2024: আস্তিন গুটিয়ে তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, ঘোষণা ইনচার্জদের নাম

    Assembly Elections 2024: আস্তিন গুটিয়ে তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, ঘোষণা ইনচার্জদের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর এবার তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2024) প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। সোমবার গেরুয়া পার্টির তরফে ঘোষণা করা হয় মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনের ইনচার্জদের নাম। তিন রাজ্যে তিন প্রবীণকেই দেওয়া হয়েছে এই দায়িত্ব। যে তিনজনের ওপর এই দায়িত্ব বর্তেছে তাঁরা হলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

    তিন ইনচার্জ (Assembly Elections 2024)

    ভূপেন্দরকে দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রের দায়িত্ব, হরিয়ানার দায়িত্ব বর্তেছে ধর্মেন্দ্রর ওপর এবং ঝাড়খণ্ডের দায়িত্ব সামলাবেন শিবরাজ (Assembly Elections 2024)। সেপ্টেম্বরের তিরিশ তারিখের মধ্যেই নির্বাচন হবে জম্মু-কাশ্মীরে। সেখানকার ইনচার্জ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডিকে। 

    রয়েছেন কো-ইনচার্জও

    ইনচার্জদের পাশাপাশি কো-ইনচার্জও করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের কো-ইনচার্জ অশ্বিনী বৈষ্ণব, হরিয়ানার কো-ইনচার্জ বিপ্লব কুমার দেব এবং ঝাড়খণ্ডের কো-ইনচার্জ হিমন্ত বিশ্বশর্মা। চলতি বছরই বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা এবং ঝাড়খণ্ডে।

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভালো ফল করেনি বিজেপি। মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস জিতেছে ১৩টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৯টি। রাজ্যের মোট ৪৮টি আসনের মধ্যে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ১৭টি আসন। মহারাষ্ট্র বিজেপির সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বলেন, “এমভিএ (মহা বিকাশ আগাড়ি) এবং এনডিএ-র প্রাপ্ত ভোটের হারের পার্থক্য মাত্র ০.৩ শতাংশ। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এবং তার জোটসঙ্গীকেই ভোট দেবেন মহারাষ্ট্রবাসী।”

    আর পড়ুন: “মমতা ও তাঁর দলের জন্মগত স্বভাব হল ভোটপরবর্তী হিংসা”, মন্তব্য বিজেপি কেন্দ্রীয় টিমের

    হরিয়ানায় লোকসভা আসন রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে পাঁচটিতে জিততে পেরেছিল বিজেপি। অথচ উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যের সবকটি আসনেই পদ্ম ফুটেছিল। গেরুয়া পার্টির হাত থেকে হরিয়ানার রাশ কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ী কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা ভূপিন্দর সিং হুডা বলেন, “এটা কেবল শুরু। আসল লড়াই অদূরেই। আমাদের থেমে যাওয়া উচিত নয়, আমরা মাথা নতও করব না। যতক্ষণ না লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, ততক্ষণ আমাদের যাত্রা চালিয়ে যাওয়া উচিত।” গত দশ বছরে বিজেপি সরকারের ত্রুটির দিকগুলিও জনগণের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি (Assembly Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশের লোকসভা এবং কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। এই সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। চার রাজ্যেের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়, ওড়িশা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে ৪ দফায়। একই ভাবে অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিমের বিধানসভা নির্বাচন হবে ১ দফায়। তবে এই রাজ্যগুলিতে একইসঙ্গে হবে লোকসভার নির্বাচনও। সেই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভার ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।

    ওড়িশা রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    ওড়িশা রাজ্যের মোট বিধানসভার (Assembly Elections 2024) আসন সংখ্যা হল ১৪৭। এখানে ম্যাজিক ফিগার হল ৭৪। এই রাজ্যের মোট ৪ দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় হবে ১৩ মে, দ্বিতীয় দফায় হবে ২০ মে, তৃতীয় দফায় হবে ২৫ মে এবং চতুর্থ দফায় হবে ১ জুন। ২০১৯ সালের বিধানসভায় ১১২ টি আসনে জয়ী হয়ে ছিল বিজেডি। ২৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। বিপুল সংখ্যা নিয়ে ক্ষমতায় বসেন নবীন পট্টনায়ক। এই সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন।

    সিকিম বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    সিকিম বিধানসভার (Assembly Elections 2024) মোট আসন ৩২। ম্যাজিক ফিগার হল ১৭। এক দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট হবে এই রাজ্যে। আপাতত সিকিমের কুর্সিতে আছে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা (এসকেএম)। মুখ্যমন্ত্রী হলেন প্রেম সিং তামাং। তাঁর কাছে রয়েছে মোট ১৭ জন বিধায়ক।

    অন্ধ্রপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অন্ধ্রপ্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ১৭৫। কমিশনের সূত্রে বলা হয়েছে, এই রাজ্যে একটি দফায় ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ১৩ মে ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে এই রাজ্যের মোট আসনের ১৫১টিতে জয় হয়েছিল ওয়াইএসআরসিপি। তেলেগু দেশম পার্টি পেয়েছিল ২৩ টি। উল্লখ্য কংগ্রেস এবং বিজেপি কোনও আসন পায়নি। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছেন ওয়াইএস জগনমোহন রেড্ডি। ২০২৪ সালে বিজেপির সঙ্গে জোটসঙ্গী হয়েছে টিডিপি এবং পবন কল্যাণের জনসেনা পার্টি।

    অরুণাচল বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অরুণাচল প্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ৬০। এই রাজ্যে একটি দফায় ১৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে বিধানসভার নির্বাচনে ৪১ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। জনতা দল পেয়েছিল ৭ টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি পেয়েছিল ৫ টি, আর কংগ্রেস ৪ টি। পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল একটি আসনে এবং নির্দলরা দুটি আসনে জিতেছিল। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন পেমা খান্ডু। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৩টি তে জয়ী হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব”, ‘অক্সিজেন’ পেয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব”, ‘অক্সিজেন’ পেয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব। ২৪-এর নির্বাচনে দারুণ ফল হবে।” সোমবার কথাগুলি বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার ফল ঘোষণা হয়েছে চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের। এর মধ্যে কেবল তেলঙ্গানা ছাড়া বাকি তিন রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তাতেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সোমবার বিধানসভায় গেরুয়া টুপি ও পাগড়ি পরে এসেছিলেন পদ্ম বিধায়করা। বিলি করা হয়েছে গেরুয়া লাড্ডুও।

    কী বললেন সুকান্ত? 

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “তিন রাজ্যের ফল আমাদের বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৯ তারিখ অমিত শাহজি প্রথম ডোজ দিয়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ পেলাম কালকে। কোভিডের ডোজ কমপ্লিট। এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব। ২৪-এর নির্বাচনে দারুণ ফল হবে।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “যদি আমরা সিটের পার্সেন্টেজ দেখি যে ক’টা সিট কংগ্রেস জিতেছে লোকসভায়, বিধানসভার নিরিখে তার চেয়ে বেশি সিট আমরা জিতব।”

    তৃণমূলকে জবাব সুকান্তর 

    তৃণমূলের অভিযোগ, রাজ্যের জনহিতকর প্রকল্পগুলি নকল করে ভিন রাজ্যে জয়ের ভিত গড়েছে বিজেপি। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ খণ্ডন করে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম দিয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। তার ঢের আগে থেকেই মধ্যপ্রদেশে চলছে লাডলি বেহেনা। তার টাকার পরিমাণও বেশি। ১২০০-র ওপরে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “এরকম জনহিতকর প্রকল্পে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে অন্য রাজ্যগুলো। ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে এলে আমরাও এই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিয়ে যাব। জনদরদি প্রকল্প করবেন বলে শিল্পায়ন করবেন না, তা তো নয়।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। রাজস্থান সহ তিন রাজ্যে ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস। ভোটের ফল বিশ্লেষণ করতে ৬ ডিসেম্বর বৈঠকে বসছেন ওই জোটের (‘ইন্ডি’ জোট) নেতারা। সে প্রসঙ্গে সুকান্তর (Sukanta Majumdar) কটাক্ষ, “যাবে, খাবে-দাবে, একটু আনন্দ করবে। সব পার্টিগুলো তো পারিবারিক পার্টি। নিজের পরিবারের মুখ দেখতে দেখতে বোর হয়ে যায়। তখন একটু পার্টি ডাকে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share