Tag: Assembly Polls

Assembly Polls

  • RSS: দিল্লি বিজয় সম্পন্ন, এবার বিহারে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে উদ্যোগী আরএসএস

    RSS: দিল্লি বিজয় সম্পন্ন, এবার বিহারে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে উদ্যোগী আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) নিবিড় প্রচারের সুফল কুড়িয়েছে বিজেপি। দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র হয়েছে পদ্মময়। এবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের পাখির চোখ বিহার। চলতি বছর হওয়ার কথা বিহার বিধানসভার নির্বাচন (Bihar Assembly Polls)। সেখানে বিজেপিকে সাহায্য করতে তাই কোমর বেঁধে নামছেন সংঘের নেতারা।

    দিল্লি জয়ে আরএসএসের ভূমিকা (Bihar Assembly Polls)

    উল্লেখ্য যে, আরএসএসকে জেতাতে দিল্লির প্রতিটি প্রান্তে ৫০ হাজারেরও বেশি সভা করেছে আরএসএস। বিজেপিকে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে ভোটারদের। বিহারের পাশাপাশি আরএসএসের নজর পশ্চিমবঙ্গের দিকেও। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্য নিশ্চিত করতে মিশন ত্রিশূল হাতে নিয়েছে আরএসএস। এই মিশনে একটি কৌশল গঠিত হয়েছে তিনটি মূল বিষয়কে কেন্দ্র করে।

    বিহার বিধানসভা নির্বাচন

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র আট মাস বাকি। এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়েছে আরএসএস (RSS)। শুরু করে দিয়েছে বিজেপিকে জেতাতে যাবতীয় প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, আরএসএস তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে। এগুলি হল, গোপান সমীক্ষার মাধ্যমে অসন্তুষ্ট ভোটার ও প্রধান সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা, নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয় ঠিক করতে সব চেয়ে প্রভাবশালী ইস্যুগুলি নির্ধারণ করা এবং এই ইস্যুগুলির ভিত্তিতে বিজেপির জন্য নির্বাচনী সুবিধা ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা। আরএসএসের এই সমীক্ষা কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এজন্য আরএসএসের বিস্তৃত শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে বিহারজুড়ে শাখার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে, যাতে তৃণমূল পর্যায়ে সংযোগ আরও দৃঢ় করা যায়।

    বিহারে পদ্ম ফোটাতে চেষ্টার কসুর করছে না আরএসএস। ভালো ফলের জন্য বিহারকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে। মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে আরএসএসের সভা। সেখানে দুর্বল ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিকে শক্তিশালী করতে একটি ব্যাপক বুথ-স্তরের সমীক্ষা পর্যালোচনা করা হবে। বিহার এমন একটি রাজ্য যেখানে বিজেপি কখনও এককভাবে সরকার গঠন করেনি। সেই কারণেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে আরএসএস। আরএসএস সক্রিয়ভাবে কৌশলও তৈরি করছে। সেই কৌশল কাজে লাগিয়েই বিহারে (Bihar Assembly Polls) এবার বাজিমাত করতে চাইছে আরএসএস (RSS)।

  • Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘ধান্ধা’য় কোপ অমিত শাহের (Amit Shah)! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতিয়ে নিতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা।’

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    সোমবার ঝাড়খণ্ডের সেরাইকেলায় নির্বাচনী প্রচারসভায় (Jharkhand Assembly Polls) গিয়ে শাহ বলেন, “ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এমন একটি আইন প্রণয়ন করবে, যা উপজাতি মেয়েদের বিয়ে করে জমি হস্তান্তর করা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের রুখবে।” তিনি বলেন, “বিজেপি এভাবে অধিগৃহীত জমি পুনরুদ্ধার করবে। জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে মূল উপজাতি পরিবারের হাতে।”

    ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে!

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের মেয়েদের বিয়ে করে জমি দখল করছে। তারা আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করলে তাদের জমি স্থানান্তর রোধ করার জন্য আমরা একটি আইন প্রণয়ন করব।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে এবং তাদের উচ্ছেদ করে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধার করতে আমরা একটি কমিটি গঠন করব।”

    জেএমএম-কে আক্রমণ শাহের (Jharkhand Assembly Polls)

    এদিনের সমাবেশে শাহ মুণ্ডপাত করেন রাজ্যের হেমন্ত সোরেন সরকারের। বলেন, “ওরা (হেমন্ত সোরেনের দল) ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীণ নেতা চম্পাই সোরেনকে অপমান করেছে। তিনি এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনুপ্রবেশের সমস্যার কথা বলায় তাঁকে অপমান করেছে ওরা।” শাহের (Amit Shah) দাবি, “চম্পাই আদিবাসীদের অধিকার ও অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলায় তাঁকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর, সিআরপিএফ শিবিরে হামলা, গুলিতে হত ১১ কুকি জঙ্গি

    চম্পাইয়ের বহিষ্কারে আদিবাসীদের অপমান  

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “চম্পাই সোরেন এত বছর ধরে গুরুজি (শিবু সরেন) এবং হেমন্ত সোরেনের প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন। কিন্তু তাঁকে যেভাবে অপমান ও বহিষ্কার করা হয়েছে, তা কেবল তাঁর নয়, সমগ্র আদিবাসী সমাজের অপমান। চম্পাই সোরেন কেবল এই একটিই দাবি করেছিলেন যে এই অনুপ্রবেশ বন্ধ হওয়া উচিত। কিন্তু তারা (জেএমএম) তা করতে রাজি নয়।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “রাজ্যের শাসক জোট — ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দল শুধুমাত্র ব্যক্তিগত উন্নতি করছে। করছে দুর্নীতিও।” তিনি বলেন, “যদি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Assembly Polls) বিজেপি সরকার গঠন করে, তবে জেএমএম-নেতৃত্বাধীন জোটের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের জেলে পাঠানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: “কংগ্রেস ও জোটসঙ্গীরা ঝাড়খণ্ডকে গরিব করে রেখেছে”, তোপ মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস ও জোটসঙ্গীরা ঝাড়খণ্ডকে গরিব করে রেখেছে”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস ও তার জোটসঙ্গীরা উপজাতির মানুষদের দীর্ঘদিন ধরে গরিব করে রেখেছে। বিজেপি ঝাড়খণ্ডকে দারিদ্রমুক্ত করতে দায়বদ্ধ।” সোমবার ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী (Jharkand Assembly Polls) প্রচারে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কংগ্রেস-জেএমএমকে নিশানা মোদির (PM Modi)

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনকে যথাযথ মর্যাদা না দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসক দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে। ঝাড়খণ্ডের নিজস্ব সত্ত্বা রক্ষায় যে জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি বিপদস্বরূপ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আশির দশকে যখন বিহার ও দিল্লিতে কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল, সেই সময় ঝাড়খণ্ড বিহারের অংশ ছিল। তখন গয়া গোলি কাণ্ড ঘটেছিল – যেভাবে ব্রিটিশরা এখানে বর্বরতা করেছিল, কংগ্রেসও তেমনটাই করেছিল আদিবাসীদের রক্ত দিয়ে… আরজেডি নেতারা তখন বলতেন যে ঝাড়খণ্ড তাঁদের লাশের ওপর গড়ে উঠবে… আরজেডি ঝাড়খণ্ড গঠনের সমর্থকদের দমন করতে চেয়েছিল। আজ সেই আরজেডির কোলে কে বসে আছে? আজ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা আরজেডির কোলে বসে আছে।”

    ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, প্রত্যয়ী মোদি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই অঞ্চলের মানুষ রাজ্যে বিজেপিকে আবার ক্ষমতায় আনতে আগ্রহী। কোলহান আবারও জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডির অত্যাচারী সরকারকে উচ্ছেদ করতে প্রস্তুত। সবাই বলছে যে কোলহান ইতিহাস তৈরি করতে চলেছে… আমি নিশ্চিত, বিজেপি-এনডিএ আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশি আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে।” তিনি বলেন, “তারা (জেএমএম) কোলহানের গর্বিত সন্তান, চম্পাই সোরেনকে অসম্মান করেছে। যেভাবে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে অসম্মান করা হয়েছে, গোটা দেশ তা দেখেছে। এটা পুরো কোলহানের প্রতি অসম্মান।”

    আরও পড়ুন: নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    এদিনের সভায় কংগ্রেসকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমাদের বোন সীতা সোরেনের সঙ্গে তারা যা করেছে – আমরা সবাই তা দেখেছি। কংগ্রেসের এক নেতা সীতা সোরেন সম্পর্কে যে কথা বলেছেন – আমরা সবাই তা দেখেছি। এটি সমস্ত আদিবাসী মা-বোনদের প্রতি অসম্মান। মহারাষ্ট্রেও একজন বোন যিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁর জন্য কেমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে? কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এটাই হল জেএমএম-এর আসল চেহারা।” বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে ঝাড়খণ্ডকে দারিদ্রমুক্ত করা হবে, এদিন সেই প্রতিশ্রুতিও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে, ১০ নভেম্বর ফের ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী (Jharkand Assembly Polls) প্রচারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিজেপির তরফে ঝাড়খণ্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ খবর জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir Assembly Polls: ভূস্বর্গে একলা লড়ার সিদ্ধান্ত বিজেপির, প্রচারে মোদি, শাহ, নাড্ডা, সিংহ

    Jammu Kashmir Assembly Polls: ভূস্বর্গে একলা লড়ার সিদ্ধান্ত বিজেপির, প্রচারে মোদি, শাহ, নাড্ডা, সিংহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ভূস্বর্গে (Jammu Kashmir Assembly Polls)। জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন হবে তিন দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। তার পরের দু’দফার নির্বাচন হবে ২৫ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর। আগামী সপ্তাহেই উপত্যকায় নির্বাচনী প্রচার শুরু করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা নেতৃত্ব দেবেন প্রচারে।

    ৮০ শতাংশই ‘ফ্রেশ ফেস’ (Jammu Kashmir Assembly Polls)

    ভূস্বর্গের নির্বাচনে একলা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। অবশ্য নির্দল প্রার্থীদের সঙ্গে আসন রফা হতে পারে। আসন রফা হতে পারে উপত্যকার ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও। গৈরিক শিবিরে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও থাকছে চমক। সূত্রের খবর, প্রার্থীদের মধ্যে ৮০ শতাংশই হবেন ‘ফ্রেশ ফেস’। ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবিরে পুরো দমে শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। ১৮ অগাস্ট, রবিবার জম্মুতে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা জন্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের ইনচার্জ জি কিষান রেড্ডি। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ, বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ, বিজেপির জম্মু-কাশ্মীর সভাপতি রবীন্দর রায়না-সহ পদ্ম শিবিরের একঝাঁক নেতা।

    বিজেপিতে যোগ জুলফিকার আলির

    এদিকে, এদিন বিজেপিতে যোগ দেন ভূস্বর্গের বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা চৌধুরী জুলফিকার আলি। সকাল ১১টায় জম্মুতে (Jammu Kashmir Assembly Polls) গিয়ে বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নেন তিনি। পিডিপির টিকিটে দু’বার বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে পিডিপি-বিজেপি জোট সরকারের মন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালে পিডিপির সংস্রব ত্যাগ করেন জুলফিকার। যোগ দেন জম্মু-কাশ্মীর আপনি পার্টিতে। সে-ই তিনিই আজ নাম লেখালেন গেরুয়া খাতায়।

    আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডে চালু হল নয়া শিক্ষার আসর, পড়ানো হচ্ছে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ!

    অন্যদিকে, ভূস্বর্গে যে বিজেপি একলা লড়বে, তা নিশ্চিত করলেন দলের রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই প্রাক-নির্বাচনী জোট বাঁধবে না।” তিনি বলেন, “আমরা কাশ্মীর উপত্যকায় ৮-১০ জন নির্দল প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি। যদি আলোচনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে আমরা একটা কৌশল রচনা করব। যৌথভাবে নির্বাচনেও লড়ব।”

    প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার ৯০টি আসনে নির্বাচন হবে তিন দফায়। ভোটের ফল (PM Modi) গণনা হবে ৪ অক্টোবর (Jammu Kashmir Assembly Polls)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরই হওয়ার কথা ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন (Jharkhand Assembly Polls)। এই নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হতে পারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration)। এ রাজ্যের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকা, বিশেষ করে সাঁওতাল পরগনা বিভাগে ঢুকে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা ঢুকছে পড়ছে ভারতে। তারপর শাসক দলের নেতাদের একাংশের বদান্যতায় তারা তৈরি করে ফেলছে জাল নথিপত্র। সেইসব কাগজ নিয়েই অনুপ্রবেশকারীরা মিশে যাচ্ছে সাঁওতাল পরগনার জনারণ্যে।

    অনুপ্রবেশের বিপদ (Jharkhand Assembly Polls)

    সাঁওতাল পরগনা এলাকাটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া। তাই অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা অনায়াসেই চলে আসছে ঝাড়খণ্ডে। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এ রাজ্যে কাজও পেয়ে যাচ্ছে তারা। তাই পেটে টান পড়ছে জনজাতিদের। এমতাবস্থায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের বিষয়টিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক দলগুলি। এ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের তরফে রাজ্য সরকারকে সাঁওতাল পরগনার ভিড়ে মিশে যাওয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ নিয়েই দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে রাজ্যের শাসক দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে।

    মাথাব্যথা যখন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা

    কেন্দ্রীয় সরকারের হিসেব বলছে, এ দেশের (Jharkhand Assembly Polls) ভিড়ে মিশে রয়েছে কয়েক কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তারা। ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনায়ও রয়েছে এদেরই একটা বড় অংশ। গোড্ডা, দুমকা, দেওঘর এবং জামতাড়া এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে তারা (Bangladeshi Infiltration)। যার জেরে বদলে গিয়েছে এই সব এলাকার ডেমোগ্রাফি। পাকুড় এবং সাহেবগঞ্জে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন যথাক্রমে ২৬ ও ৪২ শতাংশ। মুসলমানদের হার যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৪ শতাংশ।

    দ্রুত বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি

    নিরন্তর অনুপ্রেবেশ চলতে থাকায় দ্রুত বদলে যাচ্ছে শতাংশের এই হিসেবও। কেবল তাই নয়, এদেশে ডেরা বেঁধে অনুপ্রবেশকারীরা বিয়ে করে নিচ্ছে উপজাতি সম্প্রদায়ের  মেয়েদের। তাঁদের নামে থাকা জমি অনুপ্রবেশকারীরা লিখিয়ে নিচ্ছে নিজেদের নামে। অবিরাম চলছে ধর্মান্তকরণের কাজও। স্বাভাবিকভাবেই এই সব অঞ্চলে অচিরেই রক্তাল্পতায় ভুগতে পারে হিন্দুধর্ম। এই অনুপ্রবেশকারী জামাইদের বাড়বাড়ন্তে সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গার নামই বদলে হয়েছে ‘জামাইটোলা’।

    মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ

    রাজ্যে মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডিও। গত সপ্তাহেই (Jharkhand Assembly Polls) তিনি বলেছিলেন, “উপজাতীয় জনসংখ্যার ক্রমাগত হ্রাস ও সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে মুসলমান জনসংখ্যার অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি সতর্কতার একটি সঙ্কেত।” এক্স হ্যান্ডেলে এ বিষয়ে বার্তাও দিয়েছেন তিনি। সাঁওতাল পরগনার পাকুড়ে যে ক্রমেই ক্ষইছে জনজাতির জনসংখ্যা, তা জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ২০০১ থেকে ২০১১ এই দশ বছরে এই এলাকায় জনজাতি সম্প্রদায়ের হার কমেছে ৪ শতাংশ। এলাকায় মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তের জন্য ঝাড়খণ্ডের জোট সরকারের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। মারান্ডির মতে, যে সময় পাকুড়ে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি কমেছে ৪ শতাংশ, সেই পর্বে এই এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩ শতাংশ। পাকুড়, সাহেবগঞ্জ-সহ ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমানা-সংলগ্ন এলাকায় ডেমোগ্রাফি দ্রুত বদলে যাচ্ছে বলেও জানান মারান্ডি।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন

    গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে দুমকায় এক লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেএমএমের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের লালনপালন করার (Jharkhand Assembly Polls) অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারীরা উপজাতির মহিলাদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এ রাজ্যের বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে এসটিদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২৮টি আসন। এর মধ্যে আবার ১৮টি আসন রয়েছে সাঁওতাল পরগনায়। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এর মধ্যে চারটি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি।

    আর পড়ুন: অস্ট্রিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? কী কী বিষয়ে আলোচনা?

    রোটি, বেটি এবং মাটি বাঁচাতে লড়াই

    কিছুদিন আগেই সমাজ কর্মী ড্যানিয়েল ড্যানিশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে দায়ের করেছিলেন জনস্বার্থ মামলা। তাতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে সাঁওতাল পরগনায় জনসংখ্যার ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। কীভাবে বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা, কীভাবেই বা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগতে শুরু করেছেন, তাও আদালতে জানিয়েছিলেন ড্যানিয়েলের আইনজীবী রাজীব কুমার।

    আদালতকে তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের (Jharkhand Assembly Polls) একটি নিষিদ্ধ সংগঠন সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গায় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে। তার জেরেই বদলে যাচ্ছে এলাকার ডেমোগ্রাফি। রাজ্যের বিজেপি নেতা অমর কুমার বাউড়ি বলেন, “সাঁওতাল পরগনা এলাকায় দ্রুত (Bangladeshi Infiltration) বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি। জামাইপাড়া তৈরি করে জনজাতিদের জমি দখল করে নিচ্ছে বাংলাদেশিরা।” তিনি বলেন, “হিন্দুরাই যদি সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে তাহলে না বাঁচবে সংবিধান, না টিকবে গণতন্ত্র।” পদ্ম-নেতা বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে (Jharkhand Assembly Polls) আমরা লড়ব রোটি, বেটি এবং মাটি (খাবার, কন্যা সন্তান এবং জমি) বাঁচাতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। দেশজুড়ে নির্বাচন হবে সাত দফায়। এই সময়ের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Polls 2024) হবে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্যে। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণচল প্রদেশ ও সিকিম। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবে ২ জুন। রবিবার এই খবর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে ঠিক ছিল, লোকসভা নির্বাচনের ফল যেদিন ঘোষণা হবে, সেই ৪ জুন ফল ঘোষণা হবে এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেরও। পরে ঠিক হয়, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের ফল প্রকাশ করা হবে দুদিন (Assembly Polls 2024) আগেই।

    এগিয়ে এল ফল প্রকাশের দিন (Assembly Polls 2024)

    কেন এই দুই রাজ্যের ফল প্রকাশের দিন এগিয়ে আনা হল? জানা গিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন। ৪ জুন ফল ঘোষণা হলে, পরিস্থিতি দাঁড়াবে এই যে দু’দিন রাজ্যে বিধানসভাই থাকবে না। এই পরিস্থিতি এড়াতেই ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। দু’তারিখই ফল ঘোষণা করা হলে রাজ্য বিধানসভাহীন হল, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। কারণ সেদিনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে যাবে।

    নির্বাচন কবে?

    তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে নিয়ে আসা হলেও, লোকসভা নির্বাচনের যে সূচি এ রাজ্যের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে, তার হেরফের হবে না। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে যাবে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে। অরুণাচল প্রদেশে লোকসভার আসন ২টি। আর সিকিমে রয়েছে একটি। এই তিন আসনেই ভোট হবে ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায়। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও হবে এই দিনই।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    ২০১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে অরুণাচল প্রদেশে সরকার গড়ে কংগ্রেস। পরে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সিংহভাগ বিধায়ককে নিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিজেপি। আর উনিশের নির্বাচনে সিকিমে পঁচিশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী পবনকুমার চামলিংয়ের দল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে গদিচ্যুত করে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার প্রধান প্রেম সিংহ তামাং (Assembly Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। হ্যাঁ, ছিল। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। এতে অবশ্য হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার ভোট গণনা হবে রাজস্থান সহ চার রাজ্যের। বাদ থাকবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম (Mizoram Assembly Polls)। এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে সোমবার। আজ, শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। রবিবারের পরিবর্তে সোমবার ফল ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিল মিজোরামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। তাদের সেই আর্জি মেনেই এ রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    মিজো নাগরিক সংগঠনের দাবি

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গির্জাগুলির যৌথমঞ্চ দাবি জানিয়েছিল, রবিবার যেন সেখানে ভোট গণনা না হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল মিজো নাগরিক সংগঠন। কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের (Mizoram Assembly Polls) পরিবর্তে অন্য দিন করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ রবিবার মিজোরামবাসীর কাছে বিশেষ দিন। এই অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মিজোরামে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের পরিবর্তে হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন

    চলতি মাসেই শেষ হয়েছে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল ৩ ডিসেম্বর। কিন্তু মিজো নাগরিক সংগঠনের আর্জি মেনেই বদল হয়েছে ফল ঘোষণার দিন। সংগঠনের দাবি, মিজোরামের ৮৮ শতাংশ মানুষই খ্রিস্টান। রবিবার গির্জায় প্রার্থনা করতে যান তাঁরা। তাই এদিন ভোট গণনা হলে, সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। মিজোরামের ১৫টি গির্জার যৌথ মঞ্চও এ ব্যাপারে আলাদা করে বার্তা দিয়েছিল কমিশনকে। কমিশনকে করা আবেদন যাতে মঞ্জুর হয়, সেজন্য গত রবিবার বিশেষ প্রার্থনাও হয়েছে মিজোরামের (Mizoram Assembly Polls) বিভিন্ন গির্জায়। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজস্থানে। সেদিন ওই রাজ্যে প্রচুর বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান থাকায় দিন পরিবর্তনের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহলে। তার জেরেই ২৩ তারিখের পরিবর্তে রাজস্থানে নির্বাচন হয় ২৫ নভেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share