Tag: Assembly Session

Assembly Session

  • Suvendu Attacks Abhishek: ‘বাইরে থাকলে তবে তো হিসেব’, ২১ জুলাইয়ের মন্তব্যে অভিষেককে পাল্টা শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Abhishek: ‘বাইরে থাকলে তবে তো হিসেব’, ২১ জুলাইয়ের মন্তব্যে অভিষেককে পাল্টা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘২০৩১ সালে হিসেব মেটানোর’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার পাল্টা আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Abhishek)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, সাহস থাকলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার থেকেই লড়াই করুন অভিষেক। ২০৩১ সালে তিনি কোথায় থাকবেন, তা বিজেপিই ঠিক করবে বলেও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতির প্রশ্নে বিধানসভা থেকে বুধবার বাম-তৃণমূল দুই প্রাক্তন শাসক দলকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তবে তাঁর আক্রমণের ঝাঁঝ অনেক বেশি ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে।

    শুভেন্দুর আল্টিমেটাম

    স্বরাষ্ট্র দফতরের বাজেট আলোচনার জবাবি ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দুর হুমকি, ‘‘ভাইপোপন্থী তৃণমূলের নাম ও নিশান পশ্চিমবঙ্গে থাকবে না। এটা আমার দায়িত্ব।’’ তৃণমূলের শহিদ দিবস নিয়ে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালকে তো শহিদ দিবস হয়নি। কেউ বলছে, ভাইপো প্যারাশুটে নেমেছে। আর ভাইপো বলছে, নোট-খাতা খুলে রাখো, একত্রিশে হিসেব হবে। আরে তুমি বাইরে থাকলে তো হিসাব হবে।” রাজ্যে পালাবদলের পর ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেককে কেন আর তাঁর কেন্দ্রে দেখা যায় না, তা নিয়ে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “৪ মের পর ডায়মন্ড হারবার গিয়েছ? জোকা পেরিয়েছ? যাও না ডায়মন্ড হারবার। পান্নালাল হালদার নিয়ে যান চ্যাম্পিয়ন এমপি-কে।”

    ৩১-এ কোথায় থাকে দেখব

    বুধবার ক্যাথিড্রাল রোডের সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেছিলেন অভিষেক। কর্মীদের সাহস ও উপস্থিতির প্রশংসা করে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, “যাঁরা ভয় উপেক্ষা করে এসেছেন, তাঁদের দেখে মনে হচ্ছে আজ নতুন করে তৃণমূলের জন্ম হল। এই নতুন তৃণমূল আগামী ৪০ বছর বাংলার রাজনীতিতে লড়াই চালিয়ে যাবে এবং ৩১ সালে সব হিসেব বুঝে নেবে।” মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু বলেন, “গতকাল বড় বড় আওয়াজ দেওয়া হয়েছে। ও ৩১-এ কোথায় থাকে আমি দেখব।”

    ‘‘ফলতার মতো দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে’’

    অভিষেককে তীব্র আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ভোটে লড়ুন, তারপর কোথায় থাকবেন, তা দেখবেন। ফলতার মতো দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। নির্বাচনের আগে অনেক বড় বড় কথা বলা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারী, অমিত শাহ—সবাই বলেছিলেন, ডি-জে বাজাবেন। কিন্তু ৪ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের মানুষই ডি-জে বাজিয়ে দিয়েছেন।” এরপর আরও কড়া সুরে তিনি মন্তব্য করেন, “এই সরকার ভদ্রতা বজায় রেখেছে বলেই এখনও কেউ ২ হাজার লোকের সামনে নায়কোচিত ভঙ্গিতে পকেটে হাত ঢুকিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারছেন। প্রতিষ্ঠিত চোর ভিতরে থাকবেন না বাইরে থাকবেন, তা ভবিষ্যৎই বলবে।”

    ‘‘শওকত, পুষ্পার থেকেও অবস্থা খারাপ হবে’’

    ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ডায়মন্ড হারবারে লড়ুন। সেখানে ৪০ শতাংশ মুসলিম ভোট রয়েছে। তারপরও আপনি যে ব্যবধানে জিতেছেন, সেই ব্যবধানেই যদি আপনাকে হারাতে না পারি, তাহলে আমার কথাই ভুল প্রমাণিত হবে। আপনার অবস্থা শওকত বা পুষ্পার থেকেও খারাপ হবে।’’ বিধানসভায় একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আগের রাজ্য সরকারেরও সমালোচনা করেন। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘পুলিশকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন? এই ভাইপোপন্থী তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব পশ্চিমবঙ্গে থাকবে না, সেটাই আমার দায়িত্ব। ফলতা তো সবে শুরু, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম এখনও বাকি।’’

    ‘‘পাশের বাড়ির মানুষও আপনাকে ভোট দেন না’’

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘তিনি বলছেন, আবার ফিরে আসবেন। সবাই নাকি গদ্দার, সব চোর নাকি অন্য দলে চলে গিয়েছে। এত বড় নেত্রী হয়েও মিত্র ইন্সটিটিউশনের চারটি বুথেই আমার কাছে হেরেছেন। পাশের বাড়ির মানুষও আপনাকে ভোট দেন না, অথচ নিজেকে জননেত্রী বলেন। একসময় অটল বিহারী বাজপেয়ীর আশীর্বাদ পেয়েছিলেন।’’

    আমফান দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে তোপ

    তার আগেই বিধানসভায় সিএজি (ক্যাগ) রিপোর্ট পেশ করার সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই উঠে আসে আমফান নিয়ে দুর্নীতির প্রসঙ্গ। আমপানের পর কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে আসা বিপুল অর্থ নয়ছয় হয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। এমনকি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় পুনর্নির্বাচনে জয়ের পর সভা করার সময়ও আমফান দুর্নীতির প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই দুর্নীতি নিয়ে আগেও অভিষেককে নিশানা করেছেন তিনি। সেই আমফান দুর্নীতি নিয়ে সিএজি রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করে রাজ্যপালের কাছে এফআইআর করার অনুমতি চাওয়া হবে বলেও জানান শুভেন্দু।

    পুলিশের দুর্নীতি রুখতে দাওয়াই শুভেন্দুর

    পুলিশমন্ত্রী হিসেবে দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু এদিন বলেন, ‘‘ওটা (অভিষেক) বাঘ না, বেড়াল। যত চুরি করেছে সব গর্ত খুঁড়ে বার করব।’’ ‘আঞ্চলিক দলের’ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলে অভিষেককে কটাক্ষ করে আক্রমণ শানিয়েছেন মমতার দিকেও। তাঁর নাম না-করে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, ‘‘আপনি বেঁচে থাকতে থাকতে প্রমাণ করে দেব আপনি প্রতিষ্ঠিত চোর।’’পুলিশমন্ত্রী হিসেবে তাঁর অভিযোগ, বিগত সরকার পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে পুলিশের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কিছুই করেনি। রাজ্য পুলিশে অনুমোদিত পদের এক তৃতীয়াংশই (৪৩ হাজার ৭৩) শূন্য রয়েছে বলে বিধানসভায় জানান শুভেন্দু। তবে আশ্বাস দেন পুজোর আগেই ১৬ হাজার কনস্টেবল নিযুক্ত হবে। আরও ২০ হাজার পুলিশকর্মী অবিলম্বে নিয়োগ করা হবে বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। পুলিশের দুর্নীতি রুখতে তাঁর দাওয়াই, ‘‘হেল্পলাইন নম্বর চালু হয়েছে। কোথাও কাউকে রাস্তায় হাত পাততে দেখলেই জানান।’’

    ‘জিরো টলারেন্সের’ নির্দেশ

    ধানতলা, বানতলা থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামে গুলিচালনার ঘটনা বা সূচপুরের ঘটনা উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, যে ঘটনাগুলিকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, সেই সমস্ত ক্ষেত্রে মানুষকে বিচার পাইয়ে দিতে পারেননি তিনি। মহিলা এবং নারীদের উপর অপরাধের ক্ষেত্রে ফের ‘জিরো টলারেন্সের’ কথা বলে তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, ‘‘এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দেশের অপেক্ষা করবেন না। যা করার দরকার তাই করবেন। মনে রাখবেন আপনাদের সবচেয়ে বড় ঢাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।’’ বিগত সরকারের জমানায় ধর্ষণের ঘটনায় নিম্ন আদালত একের পর এক ফাঁসির সাজা দিলেও তা কার্যকর কেন হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে মূলত তাদের গাফিলতিকেই দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি বারুইপুরের শিশুকন্যা ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকাকে কার্যত মডেল হিসেবে ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ঘটনা ঘটলে তা কী ভাবে মোকাবিলা করতে হয় তা বারুইপুরের ঘটনায় প্রমাণ করে দিয়েছে আমাদের সরকার।’’

    দুর্নীতির প্রশ্নে নিশানা তৃণমূলকে

    এর পরেই দুর্নীতির প্রশ্নে নিশানা করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। গত পনেরো বছরে যাঁরা অবৈধ সম্পত্তি করেছেন, সেই সব বাজেয়াপ্ত করে নিলাম করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে বামেদেরও বিঁধেছেন শুভেন্দু। সিপিএমকে চিটফান্ডের ‘ক্যাম্পেইনার’ বলে অভিযোগ করে, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে এ রাজ্যের সিপিএম নেতাদের একাংশের ফাইল খোলার কথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে।

    ডায়মন্ড হারবারে লড়বেন!

    কালীঘাট তৃণমূলের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে ভিড় নিয়ে এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিড়লা তারামণ্ডলে ওইটুকু জায়গায় কত লোক হয়েছে? পুলিশ রিপোর্ট দিয়েছে। আড়াই হাজারের একটু বেশি হয়েছে।” মমতা অভিষেককে বাঘ বলে উল্লেখ করেছেন। এদিন তা নিয়েও কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওটা বাঘ না বিড়াল। ওকে আমি কাউন্টার করব না। ও অনেক বড়-বড় কথা বলে। তবে একটাই কথা বলব, সাহস থাকলে আগামী লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবারে লড়বে। যত ভোটে জিতেছে, তত ভোটে হারাব। আপনার অবস্থা পুষ্পার চেয়েও খারাপ হবে।”

  • Suvendu Adhikari: হেলে পড়া বাড়ি! মেয়রের গ্রেফতারির দাবিতে বিধানসভা উত্তালের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হেলে পড়া বাড়ি! মেয়রের গ্রেফতারির দাবিতে বিধানসভা উত্তালের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় একাধিক বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এনিয়ে চাঞ্চল্য দেখা গিয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। এবার এর প্রতিবাদে কলকাতা পুরসভার সামনে সভা করে বিধানসভা উত্তাল করার হুঁশিয়ারি দিতে দেখা দেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে পুর-প্রতিনিধিদের লুকিয়ে রাখা টাকা ‘পাতাল ফুঁড়ে বার’ করে আনার হুঙ্কারও দেন শুভেন্দু। একইসঙ্গে মেয়রের গ্রেফতারির দাবিও তুলেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) হুঁশিয়ারি, “আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে অধিবেশনে মেয়রের গ্রেফতারি এবং মুখ্যমন্ত্রীর জবাবদিহির দাবিতে বিধানসভা উত্তাল করে তুলব।’’

    হেলে পড়া বাড়ি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা এতদিন শুনে এসেছি প্রাচীন বাড়ি, ঐতিহ্যের বাড়ি, রাজবাড়ি, রবি ঠাকুরের বাড়ি… এই প্রথমবার কলকাতা মহানগরীর ছাপ্পা মেরে চেতলা থেকে জেতা মুখ্যমন্ত্রীর আলালের দুলাল জনাব ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) একটা নতুন সংযোজন করেছেন, হেলে পড়া বাড়ি। নতুন সংযোজিত বাড়ি।” গতকাল শুক্রবারই কলকাতা পুরসভার সামনে সভা করতে চেয়েছিল বিজেপির উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলা। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি এই সভার। এরপরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল গেরুয়া শিবির। পরে আদালতের সভার অনুমতি দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যার সভায় বিরোধী দলনেতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, বিজেপির দুই পুর-প্রতিনিধি ও দলের নেতা তাপস রায় প্রমুখ।

    শুভেন্দুর অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    সভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ তোলেন, বেআইনি নির্মাণে মদত দিয়ে তৃণমূল নেতারা কোটি কোটি টাকা তুলছেন। তাঁর আরও দাবি, “সব জায়গায় অবৈধ সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। নেতৃত্ব দিচ্ছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। আর রয়েছে নব্য প্রোমোটাররা। তাঁরাই ভোটের সময়ে ভোট লুট করে। পাঁচ হাজার জলাশয় বুজিয়ে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। যে পুর-প্রতিনিধিরা পয়সা খেয়েছেন, অর্পিতা (মুখোপাধ্যায়), হামিদদের চেয়েও বেশি পয়সা রয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাটি ফুঁড়ে হলেও সেই টাকা উদ্ধার হবে!” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও দাবি করেছেন, “যাঁদের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের পুনর্বাসন দিয়ে তার পরে যেন বাড়ি ভাঙা হয়।”

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিলকে আইনে রূপান্তর করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই’’, বিধানসভায় কৌশলী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিলকে আইনে রূপান্তর করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই’’, বিধানসভায় কৌশলী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিধানসভায় পাশ হল অপরাজিতা বিল, ২০২৪ (Aparajita bill 2024)। এদিন বক্তব্য পেশ করতে উঠে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিলকে পূর্ণ সমর্থন করা হচ্ছে। ভোটাভুটি চাই না।’’ এদিন সকালে বিল পেশ হওয়ার পর শুরু হয় আলোচনা। বিজেপির পক্ষে বক্তব্য পেশ করেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়, হুগলির বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শিখা ও অগ্নিমিত্রা- দুই বিধায়কই জানান, ধর্ষণ-বিরোধী এই বিল সমর্থন জানানো হচ্ছে।

    শুভেন্দুর প্রশ্ন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিলে নতুন কী আছে, সেই প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় সব আইন আছে। মৃত্যুদণ্ডের কথাও বলা হয়েছে। তৃণমূল আসলে আন্দোলন বন্ধ করতে এবং মূল ঘটনা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে সরকার। বিপুল জনরোষ, বিক্ষোভ থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে সরকার।’’ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা চাই এই বিল দ্রুত আইন হিসেবে কার্যকর করা হোক। তবে সেই দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে। আমরা চাই, যত দ্রুত সম্ভব এই বিল আইনে পরিণত হোক।”

    কাগজের কাটিং দেখালেন শুভেন্দু

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে কটাক্ষ করে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “পুলিশ সঙ্গে নিয়ে এসে পদত্যাগের ডিমান্ডটা অন্তত নিয়ে যান পুলিশ কমিশনার।” এদিন একের পর এক কাগজের কাটিং বিধানসভায় তুলে দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “স্পিকার এগুলো ক্রস চেক করবেন। এগুলো সব ফেক নিউজ। এগুলো যদি ভুল হয়, উস্কানিমূলক হয়, তাহলে স্পিকার ডিলিট করে দেবেন।”

    আরও পড়ুন: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    বিল নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শও দেন শুভেন্দু। এর মধ্যে অন্যতম হল, পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলে, তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি সাতটা সংশোধনী নিয়েছি। শেষে বলার চেষ্টা করব এ রকম বিল আনার ক্ষেত্রে যে রীতি রয়েছে, তা মানা হয়েছে কিনা, তার দায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। বিলটা রুলসে পরিণত হচ্ছে, এটা দেখার অপেক্ষায় থাকব।” তবে, শুভেন্দুর আনা সংশোধনীর প্রেক্ষিতে, রাজ্য সরকারের তরফে যে জবাব দেওয়া হয়, তাতে সন্তুষ্ট হননি বিজেপি বিধায়করা। তারপরই ‘আইওয়াশ’ বলে আক্রমণ করা হয়। ‘দফা এক, দাবি এক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ’ স্লোগন তোলা হতে থাকে।

    প্রসঙ্গত, বিধানসভায় পাশ হওয়ার পর বিলটি রাজ্যপালের সম্মতির জন্য পাঠানো হবে রাজভবনে। সেখান থেকে বিলটি যাবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তার পর বিলটি (Aparajita bill 2024) কবে আইনে পরিণত হবে, তা নির্ধারিত হবে সেখানেই (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share