মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বা মহাজাগতিক বিষয়ে আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, কিন্তু এই খবর আপনাকে জানতেই হবে।
সম্প্রতি, এক ভীষণই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মহাকাশ-বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, এক দৈত্যকায় গ্রহাণু (Asteroid) পৃথিবীর দিকে সরাসরি ধেয়ে আসছে। আয়তনে যা তাজমহলের প্রায় দ্বিগুণ। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, গ্রহাণুটির সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হতে পারে। তবে, পৃথিবীর কোন স্থানে এই গ্রহাণুটি আছড়ে পড়তে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা কোন সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। আবার বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এই গ্রহাণুর প্রবেশের সম্ভাবনা খুবই কম। তা সত্ত্বেও বিজ্ঞানীরা সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।
আরও পড়ুন: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের
বিজ্ঞানীরা এই গ্রহাণুর নাম দিয়েছে ‘২০০৮ আরডব্লিউ’ (2008 RW)। বিশাল এই গ্রহাণুটি তিন-চার বছর অন্তর পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। গ্রহাণুটি এইবার পূর্বের চেয়ে পৃথিবীর কক্ষপথের অনেক কাছাকাছি আসতে চলেছে। যে কারণে, এই গ্রহাণুকে ‘নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ১৩ সেপ্টেম্বর প্রবেশ করবে এবং এর গতিবেগ থাকবে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ কিলোমিটার।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) জানিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৭ লক্ষ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে আসছে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষীয় টানের মাধ্যমে টেনে নেওয়ার জন্য এই দূরত্ব যথেষ্ট কাছাকাছি। এটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসায় নাসার গবেষকেরা এর গতিবিধির উপর সবসময় নজর রাখছেন। তবে এটি কোথায় আছড়ে পড়তে পারে সেই ব্যাপারে কিছু জানাননি তাঁরা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গ্রহাণুটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর। মহাকাশীয় এই বস্তুটি অ্যাপোলো গ্রুপের অন্তর্গত। সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে এটি সময় নেয় প্রায় ১০২৩ দিন।
আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।