Tag: ASTRA Mk III

ASTRA Mk III

  • ASTRA MK-III: চিন-আমেরিকাকে টেক্কা! ভারত তৈরি করছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল ‘গাণ্ডীব’

    ASTRA MK-III: চিন-আমেরিকাকে টেক্কা! ভারত তৈরি করছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল ‘গাণ্ডীব’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আনছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ভারতের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে উন্নত এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল, অস্ত্র মার্ক-থ্রি-র (ASTRA MK-III) নতুন নামকরণ করা হল ‘গাণ্ডীব’। মহাভারতের অর্জুনের ধনুকের নাম ছিল গাণ্ডীব। শত্রুকে নিশানা এর লক্ষ্য ছিল নির্ভুল। ঠিক সেই রকম ভাবেই অস্ত্র মার্ক-থ্রি আধুনিক আকাশ যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে আশা ডিআরডিও-র। এই মিসাইলটি আকাশ-যুদ্ধের দৃশ্যপটকে নতুন সংজ্ঞা দিতে সক্ষম হবে, বিশেষত “বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ” (BVR) যুদ্ধে নতুন দিশা দেখাবে। ডিআরডিও-র নজরদারিতে এখনও এই ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকীকরণ চলছে।

    ভারতের জন্য গেম-চেঞ্জার

    বর্তমানে, ভারতীয় বায়ুসেনার রাফাল যুদ্ধবিমানগুলি ফরাসি এমবিডিএ নির্মিত মিটিওর বিভিআর মিসাইল দ্বারা সজ্জিত। যার বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ পরিসীমা ২০০ কিলোমিটার। তবে, গাণ্ডীব মিসাইলটি তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে আরও দীর্ঘ পরিসীমা প্রদান করবে। এর সর্বোচ্চ পরিসীমা ৩৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মিসাইলটি ২০ কিলোমিটার উচ্চতায় ৩৪০ কিলোমিটার এবং ৮ কিলোমিটার উচ্চতায় ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত শত্রু বিমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। যা এই মিসাইলটিকে ভারতের সামরিক শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তনকারী এক বিপ্লবী অস্ত্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

    চিন-আমেরিকাকে টেক্কা

    বলে রাখা ভালো, বর্তমানে বিশ্বে আর কোনও বিভিআর এয়ার টু এয়ার মিসাইলের পাল্লা এত বেশি নয়। গাণ্ডীব ক্ষেপণাস্ত্রের (Gandiva Missile) চূড়ান্ত অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে, ভারত বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ-পরিসীমার বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের অধিকারী হবে। এর ফলে, ভারত চিনের পিএল-১৫ (PL-15) ক্ষেপণাস্ত্রকে অতিক্রম করবে, যার পরিসীমা ৩০০ কিলোমিটার। যুক্তরাষ্ট্রের এআইএম-১৭৪ ও বিভিআরএএএম (AIM-174 BVRAAM) মিসাইলকেও টেক্কা দেবে যার পরিসীমা ২৪০ কিলোমিটার। গাণ্ডীব ভারতীয় বিমান বাহিনীর (IAF) সুখোই-৩০এমকেআই (Su-30MKI) এবং লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট তেজস যুদ্ধবিমানে স্থাপন করা হবে। গাণ্ডীব একটি ডুয়াল-ফুয়েল ডাকটেড র‌্যামজেট ইঞ্জিন দ্বারা চালিত। এটিকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অথবা ২০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে উৎক্ষেপণ করা যাবে। এটি বিভিন্ন ধরনের শত্রু বিমান যেমন ফাইটার, বম্বার, সামরিক পরিবহণ বিমান, রিফুয়েলিং প্লেন, এবং এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম বিমানকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

  • ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবটা মালুম হয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakote airstrike) সময়। ভালমানের এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের (Air-to-Air Missile) অভাবে কিছুটা পিছিয়ে আসতে হয়েছিল ভারতকে (India)। সেই ঘাটতি ঢাকতে বদ্ধপরিকর ছিল মোদি (Modi) সরকার। লক্ষ্য ছিল, দেশীয় উন্নতমানের দেশীয় আকাশ-থেকে-আকাশ নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্প্রতি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত মিলেছে। অবশেষে, এবার ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) ও নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত যুদ্ধবিমানের মারণ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে “অস্ত্র”।

    মোদি সরকারের অষ্টম বর্ষপূর্তিতে (Modi@8) ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। ভারতীয় সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (Bharat Dynamics Ltd) এর সঙ্গে ২ হাজার ৯৭১ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার জন্য ‘অস্ত্র মার্ক ১’ (ASTRA Mk I) বিয়ন্ড ভিজ়্যুয়াল রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল বা সংক্ষেপে (BVRAAM) উৎপাদন করবে ভারত ডায়নামিক্স (BDL)।

    আরও পড়ুন: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য দৃষ্টিসীমার বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম  “অস্ত্র” আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রর পাল্লা ১১০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গবেষণা থেকে শুরু করে নির্মাণ ও পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিলক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এখন ক্ষেপণাস্ত্র এবং সম্পর্কিত সিস্টেমগুলির উৎপাদনের জন্য সমস্ত প্রযুক্তি বিডিএল-এর কাছে হস্তান্তর করেছে ডিআরডিও। 

    বর্তমানে ব্রহ্মোস (BrahMos) ছাড়া, ভারতের সবকটি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বিদেশ থেকে আমদানি করা। ফলে, সেগুলি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দেশীয় অস্ত্র নির্মাণ ও উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই নিরিখে, এর নতুন দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের  ফলে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগলো ভারত।

    “অস্ত্র” হল ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ভরসা রুশ-নির্মিত সুখোই সু-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30 MKI) যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, বায়ুসেনার দেশীয় ‘তেজস’ (Tejas) এবং নৌসেনার প্রধান যুদ্ধবিমান ‘মিগ-২৯কে’ (MiG 29K) সজ্জিত হবে এই ক্ষেপণাস্ত্রে।

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় এবার মার্কিন অস্ত্র?

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের সময় পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত মার্কিন নির্মিত ‘এফ-১৬’ (F-16) যুদ্ধবিমানে সঙ্গে আসা ‘এআইএম-১২০’ (AIM-120) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের জন্য সরাসরি আক্রমণে যেতে পারেনি ভারত। কারণ, পাক বায়ুসেনার বিভিআর মিসাইলের নিশানায় চলে আসত ভারতীয় সুখোই বিমানগুলি। ভারত সেই সময় সিদ্ধান্ত নেয়, দ্রুত এই মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে। 

    বর্তমানে ভারতের অস্ত্রাগারে রয়েছে ‘মিটিয়র’ (Meteor)-এর মতো যা এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা BVRAAM। ফরাসি যুদ্ধবিমান ‘রাফাল’- এর সঙ্গে এসেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। কিন্তু, এগুলির প্রতিটির দাম অনেক বেশি। তুলনায় ভারতে তৈরি ‘অস্ত্র’ মিসাইল অনেকটাই সস্তা। ডিআরডিও-র দাবি, পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত ‘এআইএম-১২০’ মিসাইলের সমতুল্য হচ্ছে ‘ASTRA Mk I’। 

    অন্যদিকে, গবেষণা চলা ‘ASTRA Mk II’ ও ‘অস্ত্র মার্ক III’ ভেরিয়েন্টগুলির পাকিস্তানের ব্যবহৃত মিসাইলের থেকে ঢের ভালো হবে এবং চিনা মিসাইলকে সমানে সমানে টক্কর দেবে। জানা গিয়েছে, এই দুই মিসাইলের পাল্লা হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩৫০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুন: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

LinkedIn
Share