Tag: Astronaut

Astronaut

  • Astronaut: ‘গগনযান’-এর মহাকাশচারী দার্জিলিংয়ে, ৫৬ দিনের পর্বতারোহণ কোর্স শেষ করলেন ২৮ দিনে

    Astronaut: ‘গগনযান’-এর মহাকাশচারী দার্জিলিংয়ে, ৫৬ দিনের পর্বতারোহণ কোর্স শেষ করলেন ২৮ দিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ প্রতাপ দার্জিলিং-এর (Darjeeling) হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে একটি বিশেষ পর্বতারোহণ কোর্স সম্পন্ন করলেন। তিনি গগনযান মিশনের জন্য নির্বাচিত চার মহাকাশচারীর (Astronaut) মধ্যে একজন। মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে ৫৬  দিনের কোর্সটি সম্পূর্ণ করেছেন তিনি।

    প্রতাপ একজন ম্যারাথন দৌড়বিদও!(Astronaut)

    ৪২ বছর বয়সি অঙ্গদ প্রতাপ (Astronaut) বলেন, এই কোর্সটি আমার জন্য অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা ছিল। পর্বতারোহণ সব চেয়ে কঠিন এবং দুঃসাহসিক কাজ। সেটা এই কোর্স করতে এসে আমি উপলব্ধি করলাম। এনডিএ-র এই প্রাক্তন ছাত্রকে ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৪-এ আইএএফ-এর ফাইটার স্ট্রিমে কমিশন দেওয়া হয়েছিল। তিনি একজন উড়ন্ত প্রশিক্ষক। প্রায় ২৫০০ ঘণ্টা ওড়ার অভিজ্ঞতা সহ পাইলটও। একই সঙ্গে তিনি Su-30 MKI, MiG-21, MiG-29, Jaguar, Hawk, Dornier এবং An-32 সহ বিভিন্ন ধরনের বিমান উড়িয়েছেন। প্রতাপ ভারতের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ ফ্লাইট মিশনের অংশ হওয়া ছাড়াও, ২০২৩ সালে আয়রনম্যান ট্রায়াথলনও সম্পন্ন করেছেন। প্রতাপ একজন ম্যারাথন দৌড়বিদ, একজন প্রত্যয়িত স্কাই ডাইভার এবং একজন স্কুবা ডাইভারও।

    মহাকাশচারী কী বললেন?

    প্রতাপ (Astronaut) বলেন, “এই কোর্সটি এইচএমআই-এর অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন জয় কিষাণের উদ্যোগে করা হয়েছিল। বিশেষ করে আমার জন্য প্রাথমিক এবং উন্নত-উভয় কোর্সের পাঠ্যক্রম মিলিয়ে একটি একক কোর্স করা হয়েছিল। পর্বতারোহণ আমার স্বপ্ন ছিল।” অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার সময় প্রতাপ একজন পরীক্ষামূলক পাইলট হওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। ISRO-এর গগনযান মিশনের জন্য রাশিয়ায় তাঁর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। মহাকাশযানে প্রশিক্ষণের সময় তিনি তাদের শূন্য মাধ্যাকর্ষণে তাঁর স্পেস স্যুট পরার একটি ভিডিও দেখান। প্রতাপ মহাকাশচারীরা অনুসরণ করেন, এমন একটি  প্রোটোকলের কথাও বলেন। তিনি বলেন, “আমাদের চারটি আক্কেল দাঁত তুলে দেওয়া হয়। কারণ, দাঁতব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, এটি স্নায়ুতে আঘাত করে। এমনকী এটি একজনকে অজ্ঞান করে দিতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: দিনে দিনে কমছে ওজন! মহাকাশে সুনীতার ছবি দেখে উদ্বিগ্ন বিশ্ববাসী, সতর্ক নাসা

    Sunita Williams: দিনে দিনে কমছে ওজন! মহাকাশে সুনীতার ছবি দেখে উদ্বিগ্ন বিশ্ববাসী, সতর্ক নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দিন ধরে মহাকাশে আটকে থাকায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও বুচ উইলমোরের। সম্প্রতি নাসার পক্ষ থেকে সুনীতার যে ক’টি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভোচরের স্বাস্থ্যের অবনতি লক্ষ করার মতো। এই পাঁচ মাসে তাঁর ওজন এতটাই হ্রাস পেয়েছে যে সুনীতাকে অত্যন্ত শীর্ণকায় লাগছে। তাঁর এতটাই ওজন হ্রাস পেয়েছে, যা চিন্তা বাড়িয়েছে নাসারও।

    শীর্ণকায় সুনীতা

    গত পাঁচ মাস ধরে মহাকাশযানের ছোট্ট গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ সুনীতা উইলিয়ামসের (Sunita Williams) দুনিয়া। এক দিন এক দিন করে মহাকাশে ১৫০ দিন পার করে ফেলেছেন সুনীতা ও তাঁর সঙ্গী বুচ। মহাকাশকে নিজের ‘হ্যাপি প্লেস’ বলে বর্ণনা করেছেন সুনীতা উইলিয়ামস। বোয়িং স্টারলাইনারের যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও কখনও পৃথিবীতে ফেরা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েননি। তবে তাঁর ওজন মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় চিন্তিত নাসা। এই মিশনের সঙ্গে জড়িত নাসার এক কর্মীর কথায়, ‘ওঁর চামড়া ঝুলে গিয়েছে এবং হাড় ক্ষয়েছে। বর্তমানে শরীরের ওজন স্থিতিশীল করা সর্বাপেক্ষা জরুরি।’ ওই কর্মীর সংযোজন, ‘সুনীতার সর্বশেষ ছবি দেখে আমি আঁতকে উঠেছিলাম। যা দেখলাম তাতে উদ্বেগ হওয়া খুব স্বাভাবিক। বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’ সুনীতার ওজন দ্রুত স্থিতিশীল করা দরকার এবং এই মুহূর্তে তাঁদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন নাসার ওই কর্তা।

    সুনীতার স্বাস্থ্যে নজর

    সুনীতার স্বাস্থ্যের উপর কড়া নজর রাখছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। মহাকাশ যাত্রা শুরুর সময় গত ৫ জুন সুনীতার (Sunita Williams) ওজন ছিল ৬৩ কেজি। দিন যতই গড়িয়েছে ওজন ক্রমেই কমেছে সুনীতার। মহাকাশে ওজন স্থিতিশীল রাখতে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হয় মহাকাশচারীদের। শুধুমাত্র ওজন বজায় রাখার জন্য মহাকাশ সফরের সময় প্রতি দিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার ক্যালোরির খাবার খেতে হয় নভোচরদের। সেই পরিমাণ খাবার শরীরকে না দিলে শরীর ভাঙতে শুরু করে ও দ্রুত ওজন কমতে থাকে।

    আরও পড়ুন: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    সুনীতার সমস্যা

    মহাকাশ ভ্রমণের সময় বিপাকের পরিবর্তনের কারণে পুরুষ নভোচরদের তুলনায় দ্রুত পেশি ক্ষয় অনুভব করেন মহিলা মহাকাশচারীরা। শরীরের ওপর অভিকর্ষের নিরবচ্ছিন্ন টান না থাকায় মহাকাশে মানবদেহের পেশি ও হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। দুই সপ্তাহ পরেই পেশির ঘনত্ব ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ছয় মাস থাকলে তা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। খুব বেশি দিন মহাকাশে থাকলে দ্রুত হারে কমতে থাকে লাল রক্তকণিকার পরিমাণ। সে ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে রক্তাল্পতার মতো শারীরিক সমস্যাও। গবেষণা বলছে, মহাকাশে থাককালীন প্রতি সেকেন্ডে ২ লক্ষের বদলে ৩ লক্ষ লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়ে যায় নভোচরদের। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উপরে আইএসএসে রয়েছেন সুনীতারা। সেখানে বসেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তিনি। নিজের শারীরিক সমস্যা নিয়েও চিন্তিত নন সুনীতা। মহাকাশেই ঘর বানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sunita Williams: স্পেস স্টেশনে পা দিয়েই তুমুল নাচ সুনীতার! ভাইরাল ভিডিও

    Sunita Williams: স্পেস স্টেশনে পা দিয়েই তুমুল নাচ সুনীতার! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে তৃতীয় মিশনে (Space Mission Update) সফলতা লাভ। শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) নিরাপদে পৌঁছনোর পরই খুশিতে নেচে ওঠেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। এবারেও যাত্রার সময় নিজের ‘লাকি চার্ম’ গণেশের মূর্তি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন সুনীতা। সঙ্গে রেখেছেন শ্রীমদ্ভগবত গীতাও। স্পেস স্টেশনে পৌঁছে নাচ করার পাশাপাশি আইএসএসে থাকা অন্য সাত নভোচারীকে জড়িয়ে ধরে তিনি।

    স্পেস স্টেশনে সফল ডকিং (Space Mission Update)

    বুধবার ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস স্টেশন থেকে বোয়িং স্টারলাইনার রকেটে চেপে মহাকাশের জন্য রওনা দিয়েছিলেন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং তাঁর সহকারী বুচ উইলমোর। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছন তাঁরা। আগামী এক সপ্তাহ এই আন্তর্জাতিক স্পেশ স্টেশনেই থাকবেন সুনীতারা। উইলিয়ামস এবং মিস্টার উইলমোর হলেন স্টারলাইনারের প্রথম ক্রু। জানা গিয়েছে, উৎক্ষেপণের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর তাঁরা সফলভাবে বোয়িং মহাকাশযানটিকে আইএসএস-এ ডক করেন। 

    ঘণ্টা বাজিয়ে স্বাগত মহাকাশচারীদের (Sunita Williams)

    আইএসএস-এর একটি ঐতিহ্য আছে। সেই নিয়ম মাফিক এদিন স্পেস স্টেশনে (Space Mission Update) পৌঁছনোর পরেই সুনীতা উইলিয়ামস এবং মিস্টার উইলমোরকে ঘণ্টা বাজিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সুনীতা তাঁর নাচ নিয়ে জানিয়েছেন, এই আনন্দের মাধ্যমেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। একইসঙ্গে ক্রু মেম্বারদের নিজের ‘আরেকটি পরিবার’ বলেও উল্লেখ করেন। স্পেস স্টেশনে তাঁদের এমনভাবে স্বাগত জানানোর জন্য সকলকে ধন্যবাদও জানান তিনি। 

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    আসলে মহাকাশ গবেষণাকারীদের স্বপ্ন থাকে মহাশূন্য থেকে পৃথিবীকে একবার স্বচক্ষে দেখার। আর সেখানে তিন তিনবার মহাকাশে যাওয়া! এ যেন আক্ষরিক অর্থে স্বপ্নই। আর সেই স্বপ্নই এবার সত্যি করলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। তবে হিলিয়াম বেরিয়ে যাওয়ার সমস্যার জন্য প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ডকিং প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল। কিন্তু সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে অবশেষে সফলতা পেলেন উইলিয়ামস এবং মিস্টার উইলমোর। এবার আগামী এক সপ্তাহ সেখানে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুনর্ব্যবহারযোগ্য ক্যাপসুলের মাধ্যমে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন এই দুই মহাকাশচারী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: এই নিয়ে তৃতীয় বার! ফের মহাকাশে পাড়ি দিয়ে নজির সুনীতা উইলিয়ামসের

    Sunita Williams: এই নিয়ে তৃতীয় বার! ফের মহাকাশে পাড়ি দিয়ে নজির সুনীতা উইলিয়ামসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে যাবতীয় বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে মহাকাশে রওনা দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। এই নিয়ে তৃতীয় বারের জন্য মহাকাশে রওনা দিলেন, নাসায় কর্মরত সুনীতা। সুনীতার সঙ্গেই নাসার আর এক মহাকাশচারী ব্যারি উইলমোর মহাকাশে রওনা (Indian-Origin Astronaut) দিয়েছেন। জানা গিয়েছে আগামী এক সপ্তাহ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনেই থাকবেন তাঁরা।

    শীঘ্রই স্পেস স্টেশনে হবে রকেট লঞ্চ 

    বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা বেজে ৫২ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুনীতা এবং তাঁর সহযাত্রী। অ্যাটলাস ৫ রকেটে করে স্টারলাইনার স্পেস ক্যাপসুলে মহাকাশে পাড়ি (Indian-Origin Astronaut) দিয়েছেন সুনীতারা। স্টারলাইনারের রকেটটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। মহাকাশচারীরাই সেটির নকশা তৈরি করেছেন বলে জানিয়েছে নাসা। এছাড়াও আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, স্টারলাইনার সঠিক কক্ষপথের সন্ধান পেয়ে গিয়েছে। এরপর আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে রকেট লঞ্চ করবে সুনীতা (Sunita Williams) এবং উইলমোর। তবে এদিন উৎক্ষেপণের পরেই গন্তব্যের পথে যেতে যেতে রকেটে হিলায়াম লিক হয়। যদিও তাতে বড় কোনও সমস্যা হয়নি। সব ঠিক থাকলে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের অগ্রভাগে, হারমোনি মডিউলে নোঙর করবেন সুনীতা এবং উইলমোর। সেখানে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাবেন। এরপর আগামী ১০ জুন পৃথিবীতে ফিরে আসবেন তাঁরা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার পর, প্যারাশ্যুট এবং এয়ারব্যাগ ল্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে মাটি ছোঁবেন দুই মহাকাশচারী। 

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    মহিলাদের অনুপ্রেরণা সুনীতা (Sunita Williams) 

    মহাকাশ অভিযানে মহিলাদের জন্য অনুপ্রেরণা সুনীতা। এর আগে, ৩২২ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন সুনীতা। একসময় সর্বোচ্চ স্পেসওয়াকের রেকর্ডও তাঁর দখলে ছিল। পরে তাঁকে ছাপিয়ে যান পেগি হুইটসন। তবে এবার নিজেদের তত্ত্বাবধানে তৈরি নয়া রকেটে চেপে মহাকাশ অভিযানে (Indian-Origin Astronaut)  বেরিয়ে আবারও ইতিহাস রচনা করলেন সুনীতা। যদিও অনেক আগেই এই অভিযান সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বার বার অভিযান বাতিল হয়। রকেটের আসনে বসে পড়ার পরও নেমে আসতে হয় সুনীতা (Sunita Williams) এবং উইলমোরকে। তবে এবার সবকিছু ভালোয় ভালোয় সম্পন্ন হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৮ বছর বয়সে ফের মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস। এ নিয়ে তৃতীয়বার মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন সুনীতা (Astronaut Sunita Williams)। জানা গিয়েছে, বোয়িংয়ের পরীক্ষামূলক অভিষেক অভিযানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে তাঁর যাত্রা শুরু হবে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) ৭ মে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে। তাঁর এবারের যাত্রায় বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযানে সঙ্গী হচ্ছেন বুচ উইলমোর। 

    সুনীতার (Astronaut Sunita Williams) সঙ্গে থাকবে গণেশের মূর্তি

    ক্রিউ ফ্লাইট টেস্ট নামে এই অভিযানটি নাসার তত্ত্বাবধানে হবে। অ্যাটলাস ফাইভ রকেটের মাথায় বসবে স্টারলাইনার ক্যাপসুলটি। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন বলেন, বাণিজ্যিকভাবে মহাকাশচারী নিয়ে স্পেস স্টেশনে পাড়ি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটা। আমরা এর সাফল্যের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছি। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে সুনীতা তাঁর ‘গুড লাক চার্ম’ বা সৌভাগ্যের প্রতীক সম্পর্কে খোলসা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, গণেশ তাঁর সবসময়ের সঙ্গী। তাই এই মিশনে তিনি গণেশের মূর্তি তিনি সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এর আগে, সুনীতা ভাগবত গীতার কপি সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে গিয়েছিলেন।

    তৃতীয়বার মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি

    আনুমানিক ১০ দিনের অভিযানে উইলিয়ামস (Astronaut Sunita Williams) এবং উইলমোর  স্টারলাইনারের প্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং ক্ষমতা যাচাই করে দেখবেন। এই পরীক্ষার পরেই স্টারলাইনার মহাকাশ স্টেশনে মানুষ নিয়ে যেতে পারবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দুই নভশ্চর প্রায় এক সপ্তাহ কক্ষপথে থাকবেন। তারপর দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার কাছাকাছি পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। তখন ক্রিউ ক্যাপসুলটি প্যারাশ্যুটের মতো নেমে আসবে, যেখানে সেফ ল্যান্ডিংয়ের জন্য এয়ারব্যাগও থাকবে।

    স্টারলাইনার মহাকাশযানটিতে সাতজন নভশ্চর চড়তে পারেন। এটি একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান। যা সর্বোচ্চ ১০ বার যাতায়াতে সক্ষম। এর ব্যাস প্রায় ১৫ ফুট। এই অভিযান সফল হলে বোয়িং কোম্পানি স্পেস এক্সের ক্রিউ ড্রাগনের সমকক্ষ হবে। যারা নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভশ্চর পাঠায় ও ফেরত নিয়ে আসে। 

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    মহিলা হিসেবে স্পেসওয়াকের নজির

    নাসার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৫৮ বছর বয়সি সুনীতা (Astronaut Sunita Williams) তাঁর জীবনে দু’বার মহাকাশ যাত্রায় ৩২২ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন। একই সঙ্গে একজন মহিলা মহাকাশচারী হয়ে সর্বাধিক মোট সাতবার একটানা স্পেস ওয়াক করেছেন বা মহাকাশে হেঁটে রেকর্ড করেছেন, যার সময়কাল ছিল ৫০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। যদিও এবারের মহাকাশ পাড়ি প্রসঙ্গে খোদ সুনীতা বলেছেন, মহাকাশযান উড়লে তা নিরাপদ এবং আরামদায়ক হবে বলেই মনে হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share