Tag: Atal Bihari Vajpayee

Atal Bihari Vajpayee

  • Atal Bihari Vajpayee: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    Atal Bihari Vajpayee: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের রূপান্তরের স্থপতি অটল বিহারী বাজপেয়ীর শততম জন্মদিন বুধবার। এদিন থেকেই শুরু হল তাঁর শতবর্ষ উদযাপন। হিন্দুত্ব, জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক গর্বের প্রতীক ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনিই প্রথম যাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি, তাঁর নেতৃত্বে দেশকে এক নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন, যা আজও প্রাসঙ্গিক।

    জীবনের পাঠ

    ১৯২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর গোয়ালিয়রে এক শিক্ষিত ও মূল্যবোধে ভরপুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। তাঁর পিতা কৃষ্ণ বিহারী বাজপেয়ী, একজন শিক্ষক ও পণ্ডিত, ছিলেন। অটলজি’র প্রাথমিক বৌদ্ধিক এবং আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন তাঁর বাবাই। বীর সাভারকারের বিপ্লবী চিন্তা এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ী তরুণ বয়সেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এ যোগ দেন। আরএসএস তাঁকে আত্মনির্ভরতা, সাংস্কৃতিক গর্ব এবং ভারত মাতার প্রতি অবিচল কর্তব্যের মূলনীতিগুলি শেখায়।

    রাজনীতির হাতেখড়ি

    বাজপেয়ীর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ১৯৫১ সালে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় জনসংঘ (বিজেএস) থেকে। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে জাতীয়তাবাদী ভারতের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের জন্য নিরলস প্রচার চালাতে থাকেন। তাঁর সংসদীয় ভাষণগুলো ছিল রাষ্ট্রনায়কোচিত, যেখানে তিনি ভারতকে তাঁর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করার আহ্বান জানাতেন। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রাচীন ভারতের শিক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য।

    হিন্দুত্বের মৌলিক ভাবনাকে অগ্রাধিকার

    ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থায় যখন ইন্দিরা গান্ধী গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাকে দমন করেছিলেন, বাজপেয়ী তা প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উদিত হন এবং তাঁর বক্তব্য ও লেখনীর মাধ্যমে হিন্দুত্বের মৌলিক ভাবনার পক্ষে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেন। তাঁর ধারা এবং বিশ্বাস ভারতের সাংস্কৃতিক সত্তার রক্ষায় প্রতিনিয়ত অবদান রেখেছিল। ১৯৮০ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রতিষ্ঠার পর বাজপেয়ী দলটির একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি হিন্দুত্বের আদর্শকে একটি আধুনিক ও সমন্বিত রূপে উপস্থাপন করে। বাজপেয়ীর কৌশলগত সমঝোতা এবং প্রজ্ঞা ভারতকে নতুন দিগন্তে নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে আধুনিকীকরণ এবং ঐতিহ্য সমন্বিত ছিল।

    প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় যোগ। কিন্তু দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর প্রতি ছিল অপার শ্রদ্ধা। এক টালমাটাল সন্ধিক্ষণে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন – এক দিকে জোট রাজনীতির উত্থান, অন্য দিকে দেশের অর্থনীতিতে বড়সড় বদল আনার প্রক্রিয়া। ১৯৯৬, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-২০০৪ সাল এই তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ছিলেন বাজপেয়ী। অর্থাৎ ২২৬৮ দিন প্রধানমন্ত্রী পদে থেকে দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষা, যা ভারতকে একটি পারমাণবিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। বাজপেয়ীর কূটনৈতিক কৌশল এবং রাষ্ট্রীয় আত্মবিশ্বাস ভারতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা প্রদান করেছিল। পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, “এটি আগ্রাসন নয়, আত্মরক্ষার অংশ”।

    কার্যকরী রাষ্ট্রনীতির অংশ ছিল হিন্দুত্ব

    অটল বিহারী বাজপেয়ীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি হিন্দুত্বকে শুধু একটি আদর্শ হিসেবে নয়, বরং কার্যকরী রাষ্ট্রনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাঁর নেতৃত্বে, ভারত তার সাংস্কৃতিক পরিচয় ও গর্ব বজায় রেখে প্রগতির পথে এগিয়েছিল। তাঁর বক্তব্যগুলি দেশবাসীকে ভারত মাতা এবং তার ঐতিহ্যের প্রতি গর্বিত হতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। হিন্দুত্বের এক দৃঢ় পথপ্রদর্শক ছিলেন বাজপেয়ী। সনাতন ভারতের প্রতি ছিল তাঁর অগাধ আস্থা। প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেশকে উন্নতির পথ দেখিয়েছিলেন।

    হিন্দু ধর্ম নিয়ে বাজপেয়ীর অভিমত

    বাজপেয়ী নিজে শুধু সনাতনী হিন্দু ছিলেন না, তার পাশাপাশি সনাতন হিন্দু ধর্মের অন্তর্নিহিত নির্যাস তিনি বুঝতেন। হিন্দু ধর্ম নিয়ে এক এক প্রবন্ধে বাজপেয়ী লিখেছিলেন, “হিন্দুধর্মের প্রতি আমার আকর্ষণের প্রধান কারণ হল এটি মানবজাতির সর্বোচ্চ ধর্ম। হিন্দু ধর্ম কোন বইয়ের সাথে বা কোন নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচারকের সাথে যুক্ত নয়। হিন্দু ধর্মের রূপটি সর্বদা হিন্দু সমাজ দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এই কারণেই এটি অনাদিকাল থেকে ক্রমবর্ধমান এবং বিকাশ লাভ করে আসছে।”

    আরও পড়ুন: ক্লাব অফ রোমের মাধ্যমে উচ্চাকাঙ্খা পূরণ করেছিলেন মনমোহন সিং?

    যখন সমগ্র সমাজ ধর্ম ও জাতপাতের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়ই বাজপেয়ীর বক্তব্য খুবই প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করা হয়। একবার তিনি বলেছিলেন, “আপনারা জানেন, আমার জীবনের প্রথম দিকে, আমি পৈতে পরিধান করতাম, কিন্তু যখন আমি নিজেকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে নিবেদিত করি, তখন আমি এটি সরিয়ে দিয়েছিলাম কারণ আমি অনুভব করেছি যে এটি আমাকে অন্য হিন্দুদের থেকে আলাদা করেছে। আগে ‘শিখা’ এবং ‘সূত্র’ ছিল হিন্দুদের দুটি পরিচয়। বেশিরভাগ মানুষ শিখাকে আর রাখেন না। শিখা পালন না করে কেউ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছে এমন কথা বলা ভুল। হ্যাঁ, শিখা যখন জোর করে কাটা হয়, ধর্মীয় দমনের রূপক, তখন তা বন্ধ করা আমাদের কর্তব্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mukhtar Abbas Naqvi: ওয়াকফ সংশোধনী বিল ‘সময়ের দাবি’, বললেন মুক্তার আব্বাস নাকভি

    Mukhtar Abbas Naqvi: ওয়াকফ সংশোধনী বিল ‘সময়ের দাবি’, বললেন মুক্তার আব্বাস নাকভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill) ২০২৪ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। এহেন আবহে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি (Mukhtar Abbas Naqvi)। তাঁর মতে, এই বিলটি সময়ের দাবি।

    ‘ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪’ (Mukhtar Abbas Naqvi)

    সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে ‘ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪’ পেশ করেছে মোদি সরকার। এই বিল নিয়ে আলোচনার জন্য আজ, বৃহস্পতিবার প্রথমবার বৈঠকে বসতে চলেছে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি। তার আগে বিলটিকে সময়ের দাবি বলে দাবি করেছেন বিজেপির সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নাকভি। জানা গিয়েছে, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই বিলটি পাশ করাতে চায় এনডিএ সরকার।

    পার্লামেন্টারি জয়েন্ট কমিশনের বৈঠক

    তবে বিলটি সম্পর্কে যাবতীয় পর্যালোচনা করবে পার্লামেন্টারি জয়েন্ট কমিশন। এই কমিশনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করবে বিলটির ভবিষ্যৎ। বিলটি পাশ করাতে মরিরা সরকার যে কেবল বিরোধীদের দাবির কথা শুনছে তা নয়, বিলটি যাতে বিতর্ক ছাড়াই পাশ করিয়ে নেওয়া যায়, সেজন্য বোঝানোর চেষ্টা চলছে এনডিএর গুরুত্বপূর্ণ শরিক দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু এবং চিরাগ পাশোয়ানকেও। তাঁরা যাতে বিলটি সমর্থন করেন, জোর কদমে সেই চেষ্টাই করে চলেছে মোদি সরকার।

    ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে নাকভি (Mukhtar Abbas Naqvi) আগেই বলেছিলেন, “ওয়াকফ এবং ওয়াক্ত উভয়ের জন্যই এটি ভালো।” তাঁর মতে, সংস্কারগুলি সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয়। এদিন তিনি বলেন, “পুরো সিস্টেমটাকে (ওয়াকফ বোর্ডে) বেরিয়ে আসতে হবে টাচ মি নট পলিটিক্স থেকে। ওযাকফ সিস্টেমটাকে উন্নত করতেই সরকার এই বিল এনেছে।”

    আরও পড়ুন: পোল্যান্ড সফরে মোদি, গুজরাটের রাজার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ, বৈঠক প্রবাসীদের সঙ্গে

    তিনি বলেন, “এমন নয় যে এই প্রথম ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। এর আগেও ওয়াকফ আইন সংশোধন হয়েছে।” নাকভি বলেন, “কংগ্রেস এবং অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের জমানায় এই আইন সংশোধন হয়েছে। সরকার যে বিল পেশ করেছে, তা নিয়ে বিতর্ক হওয়া উচিত, আলোচনা হওয়া উচিত, ডিটেইলসে বিশ্লেষণও করা উচিত। সেই কারণেই বিলটিকে পাঠানো হয়েছে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটিতে।” তিনি (Mukhtar Abbas Naqvi) বলেন, “জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি একটা সাংবিধানিক বডি। এর (Waqf Amendment Bill) বৈঠকে বিলটি নিয়ে খোলা মনে আলোচনা হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আজ ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন মহাত্মা গান্ধী, বাজপেয়ীকে

    PM Modi: আজ ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন মহাত্মা গান্ধী, বাজপেয়ীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জুন, রবিবার তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সন্ধেয় রাষ্ট্রপতি ভবনে হবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। তার আগে এদিন সকালে রাজঘাটে গিয়ে তিনি শ্রদ্ধা জানান মহাত্মা গান্ধীকে। সেখান থেকে তিনি যান সদৈব অটলে। সেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানান মোদি। এর পর প্রধানমন্ত্রী যান ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের কাছে। পুষ্পস্তবক দিয়ে প্রার্থনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আগাগোড়াই ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।

    কারা থাকবেন শপথের অনুষ্ঠানে

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর পর শপথ নেবেন নয়া মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও। জমকালো এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু-সহ পড়শি দেশের একাধিক রাষ্ট্রনেতা। এদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকেও। তবে তিনি যাবেন কিনা, তা (PM Modi) এখনও স্পষ্ট নয়।

    কড়া নিরাপত্তার বলয়

    প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আঁটসাঁট করা হয়েছে দিল্লির নিরাপত্তা। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর। এদিন বিকেল তিনটে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দিল্লির আকাশসীমায়ও আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ২৯৩ আসন। নির্বাচন হয়েছিল লোকসভার ৫৪৩টি আসনে। সরকার গড়তে প্রয়োজন ছিল ২৭২টি আসন। ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে ঢের বেশি আসন পাওয়ায় সরকার গড়ার দাবি জানায় এনডিএ।

    আর পড়ুন: আজ দিল্লিতে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন মোদি, মন্ত্রিসভায় কারা?

    বিজেপির তরফে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে গিয়ে সরকার গড়ার দাবি জানান। তার আগেই অবশ্য প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন নরেন্দ্র মোদি। নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভেঙে যায় মন্ত্রিসভা। শুরু হয় নয়া সরকার গড়ার তোড়জোড়। তবে নয়া সরকার গঠিত না হওয়া ইস্তক কার্যনির্বাহী হিসেবে স্বপদে রয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nawaz Sharif: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

    Nawaz Sharif: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ‘দোষ’ কবুল করল পাকিস্তান। তারা স্বীকার করল, ১৯৯৯ সালে স্বাক্ষরিত লাহোর চুক্তি ভঙ্গ করেছে তারা। চুক্তি ভঙ্গের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif)। প্রসঙ্গত, লাহোর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিজেপির অটলবিহারী বাজপেয়ী। কার্গিলে পাক অনু্প্রবেশ যে ভুল ছিল, তা-ও কবুল করেন শরিফ। বলেন, “এটা আমাদের ভুল ছিল।”

    কী বললেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী? (Nawaz Sharif)

    দলীয় এক সভায় পাকিস্তানের প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৯৮ সালের ২৮ মে পাকিস্তান পাঁচটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। এরপর বাজপেয়ী সাহেব এখানে এসে আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু আমরা সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছি।…এটা আমাদের ভুল ছিল।” তিনি বলেন, “এই চুক্তির পরে পরেই পাকিস্তান কার্গিলে অনুপ্রবেশ করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। পাক সেনার অনুপ্রবেশের কারণেই হয়েছিল কার্গিল যুদ্ধ।” উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মোশারফ তার বাহিনীকে জম্মু-কাশ্মীরের কার্গিল জেলায় অনুপ্রবেশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শরিফ (Nawaz Sharif)। কার্গিল যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল ভারত। 

    বিল ক্লিন্টনের প্রস্তাব

    প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার ২৬তম বার্ষিকী উদযাপনের দিন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো থেকে আমাদের বিরত রাখতে পাকিস্তানকে পাঁচশো মার্কিন বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।” তিনি বলেন, “যদি আমার আসনে ইমরানের (প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান) মতো লোক থাকত, তাহলে তারা ক্লিন্টনের প্রস্তাব মেনে নিত।”

    আর পড়ুন: নির্বাচনী প্রচার শেষ, তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৯৯৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভারত ও পাকিস্তান শান্তি-নিরাপত্তা ও মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের স্বার্থে স্বাক্ষর করেছিল লাহোর চুক্তি। সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন নওয়াজ শরিফ। এই চুক্তির কিছুদিনের পরেই কার্গিলে অনুপ্রবেশ করে পাক সেনা।

    পড়শি দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী। লাহোর বাসযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনিই। সেই বাস লাহোরে পৌঁছলে বাজপেয়ী আলিঙ্গন করেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে। বাজপেয়ীর এই বন্ধুত্বের বার্তাকে সেদিন মর্যাদা দেয়নি পাকিস্তান। সেই ভুলের ‘রজত জয়ন্তী’তেই ভুল কবুল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর (Nawaz Sharif)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • National Technology Day: আজ জাতীয় প্রযুক্তি দিবস, ভারতে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম, জানুন ইতিহাস

    National Technology Day: আজ জাতীয় প্রযুক্তি দিবস, ভারতে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে  প্রযুক্তিগত উন্নতির (National Technology Day) দিক থেকে পৃথিবীর প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। যত সময় এগোচ্ছে, প্রযুক্তিগত দিক থেকে তত উন্নত হচ্ছে দেশ। জাতীয় স্তরে নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার এবং ব্যবহারের কথা স্মরণ করার জন্য প্রতিবছর ১১ মে পালন করা হয় জাতীয় প্রযুক্তি দিবস। প্রতিবছর ভারত সরকার ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সাইন্স এন্ড টেকনোলজি কমিউনিকেশন, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগ, বিভিন্ন এনজিও, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র সহ আরো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই দিনটি উদযাপন করেন। চলতি বছর বক্তৃতা, সেমিনার, তর্ক বিতর্ক, রেডিও বা টিভিতে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে এই দিনটি উদযাপন করা হবে। প্রযুক্তিকে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয় করার উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালন করা হয়।

    জাতীয় প্রযুক্তি দিবসের ইতিহাস

    জাতীয় প্রযুক্তি দিবসের (National Technology Day) একটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে ভারতে। এই দিনটিকে ভারতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কৃতিত্ব হিসেবে স্মরণ করা হয়। কারণ, ১৯৯৮ সালের আজকের দিনেই অর্থাৎ ১১ মে পোখরানে (Pokhran Operation) সফল ভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করেছিল ভারত। প্রতি বছর এই দিনে অনবদ্য কৃতিত্বের জন্য ভারতের বিজ্ঞানীদের সম্মান প্রদান করা হয়। ভারত তার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি দেখেছিল ১৯৯৯ সালের ১১ মে, যখন বিজ্ঞানীরা বেঙ্গালুরুতে প্রথম দেশীয় বিমান “হাঁসা ৩” উড়িয়েছিল। এই একই দিনে ত্রিশূল ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার সাক্ষী হয়েছিল দেশবাসী। ভারতের প্রযুক্তগিত অগগ্রতির কথা বিবেচনা করে ১৯৯৯ সালের ১১ মে তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রতি বছর এই দিনটিকে জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    পোখরান দিবস

    ১৯৯৮ সালের ১১ মে, রাজস্থানের পোখরানে সফলতার সঙ্গে দ্বিতীয়বার পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। এই প্রজেক্টের নাম ছিল পোখরান টু (Pokhran 2 Nuclear Test)। পোখরানের টেস্ট রেঞ্জ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্বারা ৫টি বিস্ফোরণ করা হয়।

    এরপর ভারতের মাস্টারমাইন্ড প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আবদুল কালামের নির্দেশে এবং অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের নেতৃত্বে ‘অপারেশন শক্তি’ নামে পোখরানে একের পর এক ৫টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয়। পরমাণু পরীক্ষার দিন তথা ১১ মে দিনটিকে ভারতের জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়। ভারতের অন্যতম রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আবদুল কালামের জন্য একটি ‘পারমাণবিক শক্তি’ দেশ হয়ে ওঠে ভারত। তাঁর নির্দেশনায় সফলভাবে পরিচালিত হয়েছিল পোখরান পরীক্ষা। তাই তিনি ‘ইন্ডিয়ান মিসাইল ম্যান’ নামে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manohar Joshi: প্রয়াত মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর জোশী, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Manohar Joshi: প্রয়াত মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর জোশী, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভোরে প্রয়াত হলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর জোশী (Manohar Joshi)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬। গত ২১ ফেব্রুয়ারি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই ভোর ৩:০২ নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরেই মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে জোশীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। ২০২৩ সাল থেকেই গভীর অসুস্থ ছিলেন জোশী। ২০২০ সালে প্রয়াত হন তাঁর স্ত্রী। মৃত্যুকালে জোশী রেখে গেলেন দুই কন্যা ও এক পুত্রকে। জোশীর (Manohar Joshi) মৃত্যুতে গভার শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে সংসদীয় কাজে জোশীর অবদান নিয়ে ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ১৯৩৭ সালের ২ ডিসেম্বর মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় জন্ম হয় মনোহর জোশীর

    ১৯৩৭ সালের ২ ডিসেম্বর মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় জন্ম হয় মনোহর জোশীর। পরবর্তীকালে পড়াশোনার জন্য পরে তিনি চলে যান মুম্বইয়ে। পড়াশোনা শেষ হলে পেশা হিসাবে বেছে নেন শিক্ষকতা। ১৯৬৭ সালেই সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের এই স্বয়ংসেবক। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মুম্বই পুরসভার সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭৬ সালে মুম্বইয়ের মেয়রও হন তিনি। ১৯৭২ সালে মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদে নির্বাচিত হন জোশী (Manohar Joshi)।

    বালা সাহেবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি

    ৮০-র দশকে তিনি মহারাষ্ট্রে বালাসাহেব ঠাকরের দল শিবসেনায় যোগ দেন। অচিরেই শিবসেনার শীর্ষ নেতা হিসেবে উঠে আসেন তিনি। বালা সাহেবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠও ছিলেন তিনি।  ১৯৯০ সালে ওই দল থেকেই প্রথমবারের জন্য বিধানসভা ভোটে নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্র বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন জোশী (Manohar Joshi)।  ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত জোশী মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন। এর পরে মুম্বই উত্তর-মধ্য কেন্দ্র থেকে সাংসদ হিসাবেও নির্বাচিত হন তিনি। অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত লোকসভার স্পিকারও ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯তম জন্মদিনটিকে ‘সুশাসন দিবস’ হিসেবে পালন করছে বিজেপি (BJP)। দিনটির স্মরণে দেশজুড়ে গুচ্ছ কর্মসূচির আয়োজন করেছে পদ্মশিবির।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

    সোমবার সাত সকালে সদৈব অটলে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিস্তম্ভে মাল্যদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীকে আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভারতীয় রাজনীতির চূড়া, লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী ও আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জাতির উন্নতি ও জনসেবায় নিবেদিত তাঁর সমগ্র জীবন সর্বদা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।” শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে তাঁর জন্মদিনে আমি স্মরণ ও স্যালুট করি। অটলজি নিঃস্বার্থভাবে দেশ ও সমাজের সেবা করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, ১৯২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন অটল। মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে জন্ম তাঁর। ১৯৫৭ সালে প্রথমবার বলরামপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হন (BJP)। ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধামন্ত্রী হন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি সুন্দর কবিতাও লিখতেন।

    পরিচিত ছিলেন বাগ্মী হিসেবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে হিন্দিতে বক্তৃতাও দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ১৬ অগাস্ট প্রয়াত হন অটল। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিনটিকে বিজেপি পালন করে সুশাসন দিবস হিসেবে। দেশজুড়ে নানা কর্মসূচিও পালন করে বিজেপি (BJP)।

     

    আরও পড়ুুন: আজ শহরে অমিত শাহ! যাবেন কালীঘাট মন্দিরে, দু’দিনে কী কী কর্মসূচি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Atal Bihari Vajpayee: ভারতীয় অর্থনীতিকে দিশা দেখিয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী

    Atal Bihari Vajpayee: ভারতীয় অর্থনীতিকে দিশা দেখিয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনবার। ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফায় তাঁর কার্যকালের মেয়াদ ছিল ১৩ মাস। আর তৃতীয় দফায় (১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত) পুরো পাঁচ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এতক্ষণ যাঁর কথা বলা হল, তিনি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বিজেপির অটল বিহারী বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee)। এই স্বল্প মেয়াদের ভারত-শাসন কালে দেশকে এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

    বাজপেয়ী জমানা

    বাজপেয়ীর কথা উঠলেই আমাদের মনে পড়ে ১৯৯৮ সালে পোখরানে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা ও ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের কথা। সব মিলিয়ে তাঁর বছর ছয়েকের রাজত্বকালে যে উন্নয়নের ধ্বজা তিনি উড়িয়েছিলেন, তা দেশকে দেখিয়েছে নয়া দিশা। নেহরু-গান্ধী পরিবার চেয়েছিলেন সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে। সেই কারণে সব কিছুই ছিল কেন্দ্রীভূত। কোনও দেশের উন্নয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে জিডিপি গ্রোথ। এই জিডিপি গ্রোথের জন্যই হয় কর্মসংস্থান। যে দফায় বাজপেয়ী পুরো মেয়াদ শেষ করেছিলেন, সেই সময় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছিলেন দেশে।

    উন্নয়নের জোয়ার

    তাঁর আমলেই উন্নয়ন হয়েছে রাস্তাঘাটের। উন্নত হয়েছে সড়ক। উন্নত হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। বিপ্লব এসেছিল টেলিকমের ক্ষেত্রে। সোনালি চতুর্ভুজ প্রকল্প তাঁরই (Atal Bihari Vajpayee) অবদান। দেশের চার মেট্রো শহর কলকাতা, চেন্নাই, দিল্লি এবং মুম্বইকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক সূত্রে গেঁথেছেন তিনি। এই চার শহর বাদেও দেশের প্রধান প্রধান শিল্প, কৃষি এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকেও সোনালি চতুর্ভুজ প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়ে এসেছিলেন একই বন্ধনীতে। গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা চালু করেছিলেন তিনিই। যার ফলশ্রুতি হিসেবে বর্তমানে দেশের রাস্তার দৈর্ঘ সব মিলিয়ে ৬.৪ মিলিয়ন কিলোমিটার। এই পুরো রাস্তার দু’ শতাংশ জাতীয় সড়ক। প্রসঙ্গত, কোনও একটি দেশের উন্নতিতে বড় ভূমিকা পালন করে রাস্তা ও রেললাইন। কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে সুগম হয় পরিবহণ। যা অর্থনৈতিক উন্নতির অন্যতম একটি কারণ।

    আমরা যদি চিনের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব অর্থনৈতিক সংস্কার করতে গিয়ে বেজিং প্রথমেই রেল এবং সড়ক উন্নয়নে জোর দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের সহায়তায় নয়ের দশকের মাঝামাঝি চিন চালু করে রোডস ইমপ্রুভমেন্ট ফর পোভার্টি অ্যালিভিয়েশন। তারপর থেকে চিন রেল ও সড়কের উন্নতিতে প্রাণপাত করছে। বেজিংয়ের সমৃদ্ধির এটাই হল চাবিকাঠি। তার পর থেকে আজও চিন জোর দিয়ে চলেছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে। বিশ্ব বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে ড্রাগনের দেশ হাতে নিয়েছে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্প। এবার তাকানো যাক ভারতের (Atal Bihari Vajpayee) দিকে। তথ্য বলছে, ১৯৯৯ সালের পর থেকে এ দেশে তরতরিয়ে বেড়েছে জিডিপি। বলা বাহুল্য, এই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বাজপেয়ী। এটা সত্য যে, নরসিমহা রাওয়ের সরকার যে অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিলেন নয়ের দশকের মাঝামাঝি, তার পর থেকেই ফিরতে থাকে ভারতীয় অর্থনীতির হাল।

    আরও পড়ুুন: পুলওয়ামায় শহিদ জওয়ানের স্ত্রী তাপসীকে ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে প্রার্থী করল বিজেপি

    ১৯৯৪ সালে ভারতের জিডিপি ছিল ৩৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০০২ সালে জিডিপির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। তার পরের দু বছরে ভারতের জিডিপি দাঁড়ায় ৫২৩.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তার পরের দু বছরে এর পরিমাণ হয় ৭২১ বিলিয়ন ডলার। তার পর থেকে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে ভারতের জিডিপি গ্রোথ। ১৯৯৮ সালে বাজপেয়ী যখন ক্ষমতায়, তখন ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৪২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাহলে দেখা গেল, বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee) যখন দেশের হাল ধরেন, তখনই প্রকৃত দিশা পায় ভারতীয় অর্থনীতি। কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, ভারতের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সম্পর্কের উন্নতিও ঘটেছিল বাজপেয়ীর হাত ধরে। পোখরানে পরমাণু বোমা পরীক্ষার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে চিড় ধরেছিল। যদিও বাজপেয়ীর আমলেই সেই ভাঙা সম্পর্ক ফের জোড়া লেগেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর। বুধবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে সদৈব অটল মেমোরিয়ালে যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মূর্মূ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য আরও অনেকে।

    বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা

    সোশ্যাল সাইটে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লিখতে গিয়ে মোদি জানান যে, বাজপেয়ীর নেতৃত্বে দেশ ভালোভাবে লাভবান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সঙ্গে আমিও যুক্ত হলাম। ভারত তাঁর নেতৃত্ব থেকে ভালভাবে লাভবান হয়েছে। দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যা ২১ শতকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে”।

    গোয়ালিয়রে  ১৯২৪ সালে জন্ম হওয়া অটল বিহারী বাজপেয়ী বিজেপির অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রথম অকংগ্রেসীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ১৬ মে থেকে ১ মে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবং পরবর্তীতে ১৯ মার্চ ১৯৯৮ সাল থেকে  ২২ মে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হন। এছাড়া ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ে ক্যাবিনেটে বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে অগাস্টের ১৬ তারিখে দিল্লির এইমস হাসপাতালে প্রয়াত হন অটল বিহারী বাজপেয়ী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Atal Bihari Vajpayee Biopic: অবিকল বাজপেয়ী! ‘ম্যায় অটল হুঁ’ সিনেমার ফার্স্ট লুকেই বাজিমাত পঙ্কজ ত্রিপাঠির

    Atal Bihari Vajpayee Biopic: অবিকল বাজপেয়ী! ‘ম্যায় অটল হুঁ’ সিনেমার ফার্স্ট লুকেই বাজিমাত পঙ্কজ ত্রিপাঠির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দেশের প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৮তম জন্মজয়ন্তী। এই বিশেষ দিনে তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর এবারে এই বিশেষ দিনে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠিও এক বড় খবর দিলেন। তিনিই হতে চলেছেন পর্দার অটল বিহারী বাজপেয়ী। প্রকাশ্যে আনলেন তাঁর প্রথম লুক। বড়পর্দায় উঠে আসবে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর জীবনকাহিনী (Atal Bihari Vajpayee Biopic)। আর এই খবর আগেই শোনা গিয়েছিল। তবে আসল চমক পাওয়া গেল রবিবার। প্রকাশ্যে এল ‘ম্যায় অটল হুঁ’ (Main Atal Hoon) সিনেমার ফার্স্ট লুক। আর তাতেই চমকে দিলেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি।

    বড়পর্দায় আসতে চলেছে অটলজির জীবনকাহিনী

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী ছিলেন ভারতের বিখ্যাত নেতাদের একজন। তিনি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় ছিলেন। রাজনৈতিক জীবন ছাড়াও , অটল বিহারী বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত জীবন এবং সংগ্রাম তাঁর ভক্তদের সবসময় অনুপ্রাণিত করে। আর এবার দেশের প্রবীণ প্রধানমন্ত্রীর জীবনকাহিনী (Atal Bihari Vajpayee Biopic) দেখা যাবে বড়পর্দায়। আর এই বিষয়টি তাঁর জন্মদিনেই প্রকাশ্যে আনা হল। সিনেমার নাম ‘ম্যায় অটল হুঁ’।

    প্রকাশ্যে প্রথম লুক

    ভানুশালী স্টুডিওস লিমিটেড এবং লিজেন্ড স্টুডিও তাদের আগামী ছবি ‘ম্যায় অটল হুঁ’-র প্রথম লুক প্রকাশ্যে এনেছে। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে। প্রযোজনা সংস্থার পাশাপাশি তিনিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তাঁর নতুন রূপ। ক্যাপশনে লিখেছেন, “না কভি কহি ডগমগায়া, না কভি কহি শর ঝুঁকায়া, ম্যায় এক অনোখা বল হুঁ, ম্যায় অটল হুঁ।” তিনি আরও লিখেছেন, “আমি জানি যে ‘অটল’ জি’র ব্যক্তিত্ব পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য আমার ব্যক্তিত্বের সংযম নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আমি নয়া উদ্যম এবং মনোবলের ভিত্তিতে আমার নতুন ভূমিকার প্রতি সুবিচার করতে সক্ষম হব।”   

    [insta]https://www.instagram.com/reel/Cmk-kaHoBgd/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    [insta]https://www.instagram.com/p/CmlBd3gIM1b/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    প্রসঙ্গত, ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বায়োপিকটি পরিচালনা করছেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী রবী যাদব। আগামী বছর ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা এই সিনেমাটি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি তাঁর ট্যুইটারেও তাঁর অনেক লুক প্রকাশ্যে এনেছেন। অটল বিহারী বাজপেয়ীর লুকে ভারতবাসীর নজর কেড়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি। 

LinkedIn
Share