Tag: Attack on ed

Attack on ed

  • ED:  দিল্লিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি, ফিরল সন্দেশখালির স্মৃতি 

    ED:  দিল্লিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি, ফিরল সন্দেশখালির স্মৃতি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার সকালের এই ঘটনা ফের একবার ফেরাল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের সন্দেশখালির স্মৃতি। জানা গিয়েছে সাইবার দুর্নীতির একটি মামলায় দিল্লির (Delhi) বিজওয়াসন এলাকায় তদন্তে যায় ইডির দল। ওই মামলার মূল অভিযুক্ত এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেটকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ই তদন্তকারী অফিসারদের ওপর হামলা চালানো হয়।

    মোট ৫ জন অভিযুক্ত, দাবি ইডির (ED)  

    জানা গিয়েছে, তদন্তকারী অফিসারদের ওপর হামলা চালিয়েছে অভিযুক্ত এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। ইডির (ED) ওপর হামলা হতেই তড়িঘড়ি ছুটে আসে পুলিশ। ইডির তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “ঘটনাস্থলে পাঁচ জন অভিযুক্ত ছিল। তাদের মধ্যে একজন পলাতক। মারধরের জেরে ইডির এক অতিরিক্ত ডিরেক্টর আহত হয়েছেন।”

    একটি মোবাইল অ্যাপের বিরুদ্ধেই সাইবার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে

    ইডি (ED) সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি মোবাইল অ্যাপের বিরুদ্ধেই (Delhi) সাইবার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে এবং তারই তদন্ত শুরু হয়। সেই তদন্তে নাম উঠে আসে এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট অশোক শর্মার। তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ফিশিং স্ক্যাম, কিউআর কোড প্রতারণা ও পার্ট টাইম চাকরির টোপ দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে প্রতারিত করা হচ্ছিল। অভিযুক্তর বাড়িতে সকালে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই হঠাৎ অশোক এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ইডির ওপর। পুলিশ জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাদের মধ্যে একজন পলাতক রয়েছে। তার সন্ধান চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে, যে সকল আধিকারিক হামলায় আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসাও চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: মধুর প্রত্যাঘাত! ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার

    Sheikh Shahjahan: মধুর প্রত্যাঘাত! ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার। ৫ জানুয়ারি সরবেড়িয়াতে আক্রান্ত হয় ইডির দল। মাথা ফাটে ৩ আধিকারিকের। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। তারপর থেকেই ফেরার ছিলেন শাহজাহান। এরপর একাধিক ঘটনাক্রম দেখা গিয়েছে সন্দেশখালিতে। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে প্রথমে রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করে শাহজাহানকে। তার পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় সিবিআই, এবার শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হলেন ইডির হাতে।

    সোমবার শাহজাহানকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হবে

    সোমবার শাহজাহানকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে অসহযোগিতার কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেশখালির শাহজাহানকে। সিবিআই হেফাজতের পরে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা ছিলেন বসিরহাট জেলে। চলতি সপ্তাহেই তাঁর সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। গতকাল শনিবার তাঁকে জেলের ভিতরেই জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আদালতে আর্জি জানায় ইডি। বসিরহাট আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদন মঞ্জুর করে। কোর্টের অনুমতি পেয়ে দুপুরেই শাহজাহানকে জেরা করতে বসিরহাট জেলে পৌঁছে যান ইডির গোয়েন্দারা। এরপর বিকেলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    ইডির দাবি, শাহজাহানের ৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সন্দেশখালির তৃণমূল নেতার কথায় অংসঙ্গতি ধরা পড়ে। ইডির দাবি, শাহজাহানের ৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়েন্দারা শাহজাহানের কাছে এই কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির উৎসও জানতে চান। কিন্তু শাহজাহান এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব না দেওয়াতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

    ইডির হাতে গ্রেফতার হলেও জেলেই থাকবেন তিনি

    রেশন দুর্নীতির পাশাপাশি, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে আরও একটি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। অন্তত এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ভেড়ির মাছ আমদানি রফতানির ব্যবসাতেও বিপুল দুর্নীতি করেছেন শাহজাহান। তবে ইডি তাঁকে গ্রেফতার করলেও শাহজাহানকে আপাতত ইডি হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে না। আপাতত জেলেই থাকবেন শাহজাহান। ইডি শ্যোন অ্যারেস্ট করে এদিন তাঁকে। তবে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে ইডির, এমনটাই খবর সূত্রের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলায় বাড়ির পাশ থেকেই ফোনে নির্দেশ দিচ্ছিলেন শাহজাহান, দাবি সিবিআই-এর

    Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলায় বাড়ির পাশ থেকেই ফোনে নির্দেশ দিচ্ছিলেন শাহজাহান, দাবি সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার সময় বাড়ির কাছ থেকেই নির্দেশ দিচ্ছিলেন শেখ শাহজাহান। ফোনে এভাবে নির্দেশ দিয়েই রেশন-দুর্নীতি মামলায় তদন্তকারী ইডি অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটানো হয়। পরিকল্পিত এই ছকের পিছনে ছিলেন এই তৃণমূল নেতাই। ঠিক এমনটাই আদালতে দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাজির করা হয়েছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতে। আদালত চত্বরকে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল।

    সিবিআই-এর বক্তব্য (Sandeshkhali)

    ছ’দিনের সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হতেই আদালতে ফের তোলা হয় শাহজাহানকে। সিবিআইয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন, “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের নির্দেশেই গত ৫ জানুয়ারি ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি নিজেই বাড়ির পাশের লোকজনকে একত্রিত হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।” একই সঙ্গে সুকমল সর্দার এবং মেহবুর মোল্লাকে এদিন হাজির করা হয়েছিল। তাঁদের ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ অজিত মাইতিকে ৫ দিনের জন্য হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সন্দেশখালি থানার পুলিশ ৭৬ নম্বর মামলায় তাঁকে ৭ দিনের জন্য হেফাজত চেয়ে আবেদন করেছিল। উল্লেখ্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অজিতকে দুর্নীতি এবং জমি দখলের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাঁকে মারধর করতে উদ্যত হয় এলাকাবাসী। এরপর একটি বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন তিনি। টানা ছয় ঘণ্টা আটকে থাকার পর পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করে।

    ৫ জানুয়ারি হামলা হয়েছিল

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে তিন ইডির অফিসার সহ কেন্দ্রীয় জওয়ানদের উপর আক্রমণ করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান পলাতক। সেই সঙ্গে তাঁর অনুগামীদের অত্যাচারের ঘটনায় এলাকার মানুষ ব্যাপক আন্দোলন করেন। চাপে পড়ে শিবু-উত্তমের মতো ঘনিষ্ঠ নেতাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় হয়। হামলার ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই-এর কাছে তদন্তভার যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলা, শাহজাহানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারা যোগ সিবিআই-এর

    Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলা, শাহজাহানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারা যোগ সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তল্লাশি অভিযানের সময় গত জানুয়ারিতে ইডির ওপর হামলা! অবশেষে শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার, আক্রান্ত ইডি আধিকারিকদের বয়ান দাখিল করে সিবিআই। শুক্রবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের বাড়ি সমেত বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এরপরই ধৃত নেতার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা যোগ করল সিবিআই। শুক্রবার এক বিবৃতিতে সিবিআই জানিয়েছে, গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার অভিযোগে যে মামলা দায়ের হয়, তার প্রেক্ষিতেই শুক্রবার ওই স্থানে অভিযান চালানো হয়। তদন্তের সুবিধার্থে ফরেন্সিক দলের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। পুরো অভিযানে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

    জেরায় কী জানাল শাহজাহান?

    বগটুইকাণ্ডে যেমনটা হয়েছিল, সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) তদন্তেও থ্রিডি লেজার স্ক্যানিং প্রযুক্তি ব্যবহার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন সরবেড়িয়া থেকে সিবিআই আলি গাজি নামে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ একজনের বাড়িতে যায় সিবিআইয়ের একটি দল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ইডিকে ভয় পেয়েই শাহজাহান এতদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন। সিবিআই-এর জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন শাহজাহান। সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান জানান, সরবেড়িয়ার বাড়িতে থাকলে তিনি প্রতিদিনই মর্নিং ওয়াকে বের হন। সেইমতো তিনি ৫ জানুয়ারিও সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়িতে ইডি এসেছে শুনে এবং ইডির ফোন পেয়েই তিনি ভয় পেয়ে যান। ইডির হাতে গ্রেফতার হতে পারেন, এই ভয়েই তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।

    মঙ্গলবারই তদন্তভার নেয় সিবিআই

    প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার নেয় সিবিআই। গত বুধবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা নিয়ে মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তার মধ্যে একটি এফআইআর হয় ইডির ওপর হামলার ঘটনায়। বাকি দু’টির মধ্যে একটি রাজ্য পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং অন্যটি রেশন বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগে। প্রথমে খুনের চেষ্টার ধারা যোগ করা না হলেও তা শুক্রবারই যুক্ত করেছে সিবিআই।

    বুধবার থেকে সিবিআই হেফাজতে শাহজাহান

    এর আগে, শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি ধারায় মামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। ন্যাজাট থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলাগুলিতে ডাকাতি থেকে শুরু করে খুনের চেষ্টা ইত্যাদি রয়েছে। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নেতা শাহজাহান গ্রেফতার হয় রাজ্য পুলিশের হাতে। বসিরহাট কোর্ট তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এর পরে হাইকোর্টের নির্দেশে বুধবার সন্ধ্যায় শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই টালমাটাল পরিস্থিতির সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের ৫ই জানুয়ারি। সেদিন শাহজাহান বাহিনী ইডি’র ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল। শাহজাহানের দাপটের কথা যতই তারপর থেকে প্রকাশ্যে এসেছে, ততই একটা প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। তা হল, তাঁর মাথায় কার কার হাত রয়েছে অর্থাৎ তৃণমূলের কোন কোন প্রভাবশালী নেতা তাঁর এই ধরনের অমানবিক অত্যাচারে মদত জুগিয়ে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই শাহজাহানের ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই খবর পাওয়া মাত্রই সেখানকার বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সাফাই গাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন। নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে সেদিন তিনি শাহজাহানকে ফোন করেছিলেন।

    কী বললেন বিধায়ক? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “ওইদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমি শাহজাহানকে ফোন করেছিলাম।” আর সেই ফোন তিনি নাকি নিজের ইচ্ছায় করেননি, করেছিলেন হাজি নুরুলের নির্দেশ মেনে। ফোনে তিনি শাহজাহানকে (Sandeshkhali) কী বলেছিলেন? সুকুমার মাহাতোর কথায়, “ইডির ওপর যাতে হামলা না হয়, সেই পরামর্শই আমি ওকে দিয়েছিলাম। যদিও ততক্ষণে সমস্ত ঘটনা ঘটে গিয়েছে।” তৃণমূলের প্রভাবশালী তত্ত্ব এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে। তাই সুযোগ বুঝে তৃণমূলের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরিতে নেমেছেন ওই বিধায়ক। তিনি বলেন, “আমি তেমনভাবে দল করি না। শুধু উন্নয়নের কাজকর্ম দেখছি।” তাঁর দাবি, তিনি রাজনৈতিকভাবে কোনও প্রভাবশালী নেতাও নন।

    ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন? (Sandeshkhali)

    এদিকে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হওয়ার পর ৩ মিনিটে মোট ২৮ টি ফোন করেছিলেন শাহজাহান। তাঁর নিজের হেফাজতে ছিল দুটি ফোন। ফোনগুলি করা হয়েছিল সেখান থেকেই। যেহেতু এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছিল ইডি, তাই তারা শুরুতেই ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছিল। এরপর সিবিআই যখন তদন্তের নির্দেশ পায়, তখন সেই কল লিস্ট (Sandeshkhali) তারা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। তৃণমূল বিধায়কের কাছে এটা পরিষ্কার যে কল লিস্ট অনুযায়ী তাঁরও ডাক আসবে। তাই আগেভাগেই তিনি সাফাই দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন, এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ জানুয়ারি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শংকর আঢ্যের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশির পর মধ্যরাতে শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে তাঁর শিমুলতলার বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান তাঁরা। সেই সময় সন্দেশখালি মডেলে হামলা চালানো হয়েছিল ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর। পরবর্তীতে এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ পেয়ে তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। ইডি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর হামলার এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শংকর আঢ্যের বাড়ির সামনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ধরে চারপাশ ঘুরে দেখেন সিবিআই কর্তারা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা।

    সন্দেশখালি মডেলেই প্রতিরোধ (CBI)

    তদন্তভার হাতে পেয়েই সিবিআই যেমন সন্দেশখালির ত্রাস শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে, ঠিক একই ভাবে সিবিআইয়ের (CBI) আরও একটি দল হানা দিয়েছিল বনগাঁয়। এই বনগাঁতেই রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বাধা পেয়েছিল ইডি। এখানে কোনও আধিকারিক প্রহৃত হননি ঠিকই, কিন্তু সন্দেশখালি মডেলেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    ঘটনার পুনর্নির্মাণ? (CBI)

    এদিন সিবিআই যা করল, তাকে সেদিনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ বলে চলে। সিবিআই আধিকারিকরা পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনার বিবরণ শোনেন। তাঁর বাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি এলাকার কোন কোন জায়গায় কতগুলি সিসিটিভি রয়েছে, তার পরিসংখ্যান নেয় সিবিআই। একই সঙ্গে সেদিন শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় কোন জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গাটিও তাঁরা ঘুরে দেখেন। সিবিআই আধিকারিকরা শংকর আঢ্যের বাড়ির ছবি তোলার পাশাপাশি তার বাড়ির সামনে রাস্তায় বিদ্যুতের পোলে লাগানো সিসিটিভির ছবিও তোলেন।

    তবে তাঁদের ওপর নতুন করে যাতে কোনও হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই সিবিআই (CBI) আগে থেকেই সতর্ক ছিল। আধা সেনা নিয়েই তারা এলাকায় ঘোরে। পুলিশকে অবশ্য এদিন আগাগোড়া তাদের সহযোগিতা করতেই দেখা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেশন-দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানকে ফের ইডির তলব, এই নিয়ে চতুর্থবার!

    Sandeshkhali: রেশন-দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানকে ফের ইডির তলব, এই নিয়ে চতুর্থবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছর শুরু হতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বাড়িতে পৌঁছয় ইডির দল। ৫ জানুয়ারির ওই অভিযানে শাহজাহান বাহিনীর হামলায় মাথ ফাটে ইডি আধিকারিকদের। সেদিন থেকেই নিঁখোজ শেখ শাহজাহান। এর মধ্যে দফায় দফায় অশান্ত হয়েছে সন্দেশকালি। এই আবহে ফের একবার শাহজাহানকে তলব করল ইডি। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে চতুর্থবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ডেকে পাঠাল রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত শাহজাহানকে। এর আগে তিনবার ইডি তাঁকে তলব করলেও, প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

    আজ শুক্রবার আগাম জামিনের মামলার শুনানি

    শেখ শাহজাহান কোথায়? তা নিয়ে সঠিক কিছুই বলতে পারছেন না কেউ। ২ দিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছিল শাহজাহানকে লুকোতে সাহায্য করছে রাজ্য পুলিশই। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের দাবি সে (শাহজাহান) সন্দেশখালিতেই রয়েছে। প্রকাশ্যে না এলেও আইনজীবী মারফত বারবার জামিনের আবেদন করছেন তিনি। আজ শুক্রবার শেখ শাহজাহানের আগাম জামিন মামলার শুনানি রয়েছে আদালতে। উল্লেখ্য, শাহজাহানের আগাম জামিনের যে মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, সেখানে আগের শুনানিতে ইডির তরফে শাহজাহানের প্রভাবশালী তত্ত্ব তুলে ধরা হয়েছিল। অন্যদিকে, আবার শাহজাহানের আইনজীবীর আর্জি ছিল, গ্রেফতার না করার শর্ত দিলে তবেই তাঁর মক্কেল হাজির হবেন।

    শাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে জনরোষ

    বৃহস্পতিবার ফের একবার জনরোষের চিত্র ধরা পড়ল ঝুপখালিতে (Sandeshkhali)। এলাকার এক মহিলা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “শাহজাহানের ভাই সিরাজ ওরফে সিরাজউদ্দিন আমার দোকানের জায়গা দখল করে নিয়েছে। শুধু আমার জায়গা নয়, গোটা এলাকা দখল করে নিয়েছে। ১৫ থেকে ১৬ বিঘা জমি দখল করে নিয়েছে গায়ের জোরে। আমাদের জমি দখল করে ভেড়ি তৈরি করে নিয়েছে ওরা। শুধু তাই নয়, ভেড়িগুলিকে লোকের কাছে চড়া দামে বিক্রিও করে দিয়েছে। এলাকায় এই তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে নতুন করে আর যাতে ভেড়ি নির্মাণ না হয়, সেই দাবি জানাই।” ক্ষোভ আর প্রতিবাদ গিয়ে পড়ে সিরাজের উপর। তাঁর ভেড়ি এবং অফিস আলাঘর পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ঠিক কোথায় রয়েছেন? বিগত কয়েকদিন ধরে এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য পুলিশকে তাঁর প্রশ্ন, কেন এখনও শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হল না? অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতেই নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তবে তাঁর খোঁজে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে গোয়েন্দাদের হাতে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ অথবা মায়ানমারে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছেন সন্দেশখালির এই নেতা।

    নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও

    ইতিমধ্যে আগেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, ওই লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পরেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পক্ষে সীমান্ত পার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, শাহজাহানের উপরে নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও, কারণ সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে বলেই জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে কান পাতলে এখনও শোনা যায় যে শেখ শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে উঠে এসেছেন।

    সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান

    তবে গোয়েন্দাদের হাতে যে নতুন তথ্য এসেছে তাতে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে, সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং একের পর এক তাঁর অবস্থান বদল করছেন। অন্তত মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে তেমনটাই জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখন নাকি একটি মাত্র মোবাইল ব্যবহার করছেন শাহজাহান। সেই সিমের লোকেশন অনুযায়ী তদন্তকারীদের কাছে এই তথ্য মিলছে। তবে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে শাহজাহানের ফোন অন্য জনের কাছে রয়েছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বাংলাদেশ পালানোটা কঠিন হলেও অন্ততপক্ষে গোপনে নদী পেরিয়ে সেখানে যাওয়ারই পরিকল্পনা করছেন শাহজাহান।

    শাহজাহানের লোকেশন

    ইডি সূত্রে খবর মিলেছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) প্রথম লোকেশন সরবেড়িয়া গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন বলেই অনুমান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। দ্বিতীয় লোকেশন পাওয়া যায় সন্দেশখালিতে। এরপরে হিঙ্গলগঞ্জে কয়েক ঘণ্টা ছিলেন শাহজাহান। তারপরে আবার বেপাত্তা হয়ে যান তিনি। রবিবার তাঁর লোকেশন পাওয়া যায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তীর কুমড়োখালি এলাকায়। ইতিমধ্যে ভোটের ফলাফল বেরিয়েছে বাংলাদেশের। সে দেশে আবার তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লিগের সরকার। গোয়েন্দাদের অনুমান, এবার জলপথে বাংলাদেশ পালিয়ে যেতে চান শাহজাহান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘এটা নাকি গরিব রাজ্য?’ ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্করের লেনদেন শুনে বিস্মিত বিচারকও

    Ration Scam: ‘এটা নাকি গরিব রাজ্য?’ ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্করের লেনদেন শুনে বিস্মিত বিচারকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমারকাণ্ড বাধে তৃণমূল নেতা শাহানওয়াজ সেখকে গ্রেফতার করতে যাওয়ার সময়। ইডি আধিকারিদের ওপর আক্রমণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গতকালই রাতে বনগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করে ইডি, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযোগে। সেখানেও বাধার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শনিবার শঙ্করকে আদালতে পেশ করা হয়। বিদেশে তৃণমূল নেতার টাকার লেনদেন শুনে হাঁ হয়ে যান খোদ বিচারকও। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”এটা নাকি গরিব রাজ্য।” প্রসঙ্গত, শঙ্করের বিরুদ্ধে ইডির অভিযোগ, কুড়ি হাজার টাকা কোটি টাকা বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। এর মধ্যে আগেই গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন করেছে শঙ্কর। টাকা পাঠানো হয়েছে দুবাইতে।

    ৯০টি ফরেক্স সংস্থার মাধ্যমে করা হয়েছে লেনদেন

    ইডির দাবি, ৯০টি ফরেক্স সংস্থার (Ration Scam) মাধ্যমে এই টাকা বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি সমেত বনগাঁতে তদন্তে (Ration Scam) বাধা পাওয়ার পরেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইডির গাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয় বনগাঁতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় শঙ্কর আঢ্যর অনুগামীরা। এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনটাই জানা যাচ্ছে। স্থানীয় থানাতে দায়ের করা হতে পারে অভিযোগও। ইডি সূত্রের খবর, সেই  প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে।

    বালুর মেয়ের মাধ্যমে চিঠি চালাচালি করত শঙ্কর

    জানা গিয়েছে, ধৃত মন্ত্রী বালুর সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে হাসপাতালের যোগাযোগ রেখেছিলেন শঙ্কর। গত ১৬ ডিসেম্বর মেয়ের হাতে চিঠি তুলে দিতে যাচ্ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, এমনই সময় সেই চিঠি ধরে ফেলে সিআরপিএফ-এর জওয়ানরা। চিঠি হাতে আসে ইডির। জানা যাচ্ছে সেখানে একাধিক নাম রয়েছে। বাংলা এবং ইংরেজিতে মিশিয়ে লেখা ছিল এই চিঠি। এমনটাই খবর ইডি সূত্রে। গত ১৯ ডিসেম্বর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরা (Ration Scam) করার সময় তিনি চিঠির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মারধরের পাশাপাশি চুরি করা হয়েছে ফোন, ল্যাপটপ, অভিযোগ ইডির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মারধরের পাশাপাশি চুরি করা হয়েছে ফোন, ল্যাপটপ, অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। সেখানেই তাঁদেরকে ব্যাপক মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। পরবর্তীকালে হাসপাতালে ভর্তি হন তাঁরা। তবে শুধু মারধর করাই নয় সেখানে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা ইডি আধিকারিকদের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এ সমস্ত কিছু চুরি করেছেন বলে খবর। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাগও চুরি করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, মোট চার থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন খোয়া গেছে ইডি আধিকারিকদের। এই জিনিসগুলি যে কখন বেহাত হল তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, যখন মারধরের ঘটনা ঘটে তখনই ওই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের (Sandeshkhali) মধ্যে কেউ ল্যাপটপ, মোবাইল, ব্যাগ সরিয়ে রাখতে শুরু করে।

    সমস্ত অভিযোগ এক করে দায়ের হবে এফআইআর

    তবে যেভাবে ইডি আধিকারিকদের হেনস্থা (Sandeshkhali) করা হয়েছে, তা খুব সহজে ছেড়ে দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গুয়াহাটির অফিসার রাজকুমার রামের মাথায় চোট লেগেছে। করা হয়েছে তাঁর স্ক্যান। বাকি ২ আধিকারিক অঙ্কুর দত্ত এবং সোমনাথ দত্ত তাঁদেরও আঘাতে সেলাই করতে হয়েছে। জানা গিয়েছে সন্দেশখালিতে যে ধরনের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, এরপরেই অভিযোগ জানাতে চলেছে ইডি। সূত্রের খবর যে সমস্ত রকমের অভিযোগ কে একত্রীভূত করে একসঙ্গে দায়ের করা হবে এফআইআর।

    এনআইএ তদন্তের আর্জি

    উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। এদিন ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় কারা কারা জড়িত ছিল, নাম উল্লেখ করে এনআইএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ‘দেশবিরোধী শক্তি’র বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র কাছে আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। শুক্রবার সকালেই সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিজের এক্স হ্যান্ডলের একটি পোস্টে ট্যাগ করেন শুভেন্দু। সেই এক্স বার্তায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানানোর পাশাপাশি তিনি জুড়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share