Tag: attack

attack

  • Pahalgam Massacre: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ‘পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ’, ঘোষণা ভিএইচপি-র

    Pahalgam Massacre: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ‘পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ’, ঘোষণা ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে খুন হন অন্তত ২৮ জন পর্যটক (Pahalgam Massacre)। এঁরা প্রত্যেকেই হিন্দু। বেছে বেছে কেবল হিন্দু ধর্মাবলম্বী পর্যটকদেরই খুন করা হয়েছে। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। জঙ্গিদের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ ঘোষণা বলে আখ্যা দিয়েছে ভিএইচপি (VHP)। তারা ভারত সরকারের কাছে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিশোধ গ্রহণের দাবিও জানিয়েছে।

    ভিএইচপির বক্তব্য (Pahalgam Massacre)

    ভিএইচপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডঃ সুরেন্দ্র জৈন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “এই বর্বর ঘটনা কেবল একটি সন্ত্রাসী হামলা নয়, এটি পাক-মদতপুষ্ট ইসলামি জিহাদি শক্তির খোলাখুলি যুদ্ধ। নয়ের দশকে উপত্যকায় যে সন্ত্রাসের ছায়া নেমে এসেছিল, এটি তারই ভয়াবহ একটি স্মৃতিচারণ। কাশ্মীরে পুনরায় মাথা তোলার সাহস দেখানো ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদকে আমাদের মূলোৎপাটিত করতেই হবে।” পহেলগাঁওয়ের এই হামলার ঘটনায় গোটা দেশ স্তম্ভিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হামলাকারীরা পর্যটকদের প্যান্ট খুলিয়ে, কালমা পাঠ করতে বাধ্য করে এবং তাঁদের আইডি পরীক্ষা করে অমুসলিম নিশ্চিত হওয়া ব্যক্তিদের গুলি করে হত্যা করে। জৈন বলেন, “এই পদ্ধতিগত টার্গেটিং স্পষ্ট প্রমাণ করে যে হামলাটির পিছনে ধর্মীয় উসকানি কাজ করেছে।”

    টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড

    তিনি আরও বলেন, “এটি পাক-মদতপুষ্ট জিহাদি ও তাদের স্থানীয় স্লিপার সেলের পরিকল্পিত, টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড। তাদের অ্যাজেন্ডা স্পষ্ট— উপত্যকা থেকে হিন্দুদের বিতাড়িত করা, নয়ের দশকের ভয়াবহতা ফের সৃষ্টি করা (Pahalgam Massacre)।” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) এক নেতা পহেলগাঁওয়ের এই হামলাকে রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাকিস্তানি সামরিক বক্তব্য-সহ একটি ডিস্টার্বিং ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি একজন ভারতীয় সংসদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের উদাহরণ দেন। ওই সাংসদ কাশ্মীরে পর্যটন ও জমি কেনাকে ‘সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি ওই সাংসদের বক্তব্যের সঙ্গে পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরের বক্তব্যকে যুক্ত করেছেন। পাক সেনা প্রধান সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, ‘কাশ্মীরই একমাত্র অবশিষ্ট অ্যাজেন্ডা’। জৈনের অভিযোগ, এই যে মতাদর্শগত সমর্থন, এটাই পহেলগাঁওয়ে রক্তপাতের পথ প্রশস্ত করেছিল। তিনি বলেন, “এই পরিবেশ — ক্ষমতার করিডর থেকে পাকিস্তানের সেনা সদর দফতর পর্যন্ত — এই কাজগুলিকে সম্ভব করছে। এখন দ্বিধাহীনচিত্তে এটিকে ধ্বংস করার সময় এসে গিয়েছে (VHP)।”

    জনরোষ চরম আকার নিতে পারে!

    সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুসলমানদের একাংশ। পহেলগাঁওয়ের এই ঘটনার পর তারা আর মুখ খোলেনি। ভারতীয় মুসলিম নেতারা কেন এই নৃশংস ঘটনা নিয়ে নীরবতা অবলম্বন করছেন, সে প্রশ্ন তোলেন জৈন। তিনি বলেন, “ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে তাঁরা জাতীয় অস্থিরতা সৃষ্টি করেন, কিন্তু নিরীহ হিন্দু তীর্থযাত্রীদের হত্যার নিন্দা করতে তাঁরা এগিয়ে আসেন না? এই নির্বাচিত ক্ষোভ মেনে নেওয়া যায় না (Pahalgam Massacre)।” সরকার যদি দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে জনরোষ চরম আকার নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন জৈন। তিনি বলেন, “ভারতের মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। এখনই যদি কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, এই ক্ষোভ আরও তীব্র হবে। সরকারের এখন জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করার সময় এসেছে।”

    ২৫ এপ্রিল সারা দেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে বিজেপি ও বজরং দল ২৫ এপ্রিল সারা দেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবে বলে ঘোষণা করেছে। তাদের দাবি, নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, কাশ্মীরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নির্মূল করা এবং পাকিস্তানের প্ররোচনার বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখানো। জৈন বলেন, “এটাই সেই মুহূর্ত যখন ভারতকে বিশ্বকে দেখাতে হবে যে আমাদের মাটিতে ধর্মীয় নির্মূলকরণ আমরা আর কখনও সহ্য করব না।”

    বনধ পালিত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে

    এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বনধ পালিত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলের সমস্ত বাজার, স্কুল-কলেজ, পরিবহণ পরিষেবা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। উপত্যকার (VHP) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় সংগঠন এবং বাণিজ্যিক সংগঠনগুলি সর্বতোভাবে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেছে (Pahalgam Massacre)।

    মিরওয়াইজ উমর ফারুকের বক্তব্য

    মুতাহিদা মজলিস উলেমার প্রধান মিরওয়াইজ উমর ফারুক এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “যে কেউ যদি একজন নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করে, সে আসলে সম্পূর্ণ মানবজাতিকেই হত্যা করে। কাশ্মীরের রক্তাক্ত ইতিহাসে আর একটি হত্যাকাণ্ড। ইসলামে এই ধরনের নৃশংসতা ঘৃণ্য। আমরা জম্মু কাশ্মীরের জনগণের কাছে বন‍্‍ধ পালনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে এই জঘন্য অপরাধের প্রতিবাদ করার আবেদন করছি।” পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতিও শোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি সকল কাশ্মীরিদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে তাঁরা যেন পহেলগাঁওয়ে নৃশংস হামলায় নিহত (VHP) নিরীহ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই বন‍্‍ধকে সমর্থন করেন। এটি কেবল কয়েকজনের ওপর আক্রমণ নয় – এটি আমাদের সকলের ওপর আক্রমণ (Pahalgam Massacre)।”

  • Pahalgam Attack: পাকিস্তানেই অস্তিত্বের সঙ্কটে পাক সেনা, তাই কি নজর ঘোরাতেই পহেলগাঁও হামলা?

    Pahalgam Attack: পাকিস্তানেই অস্তিত্বের সঙ্কটে পাক সেনা, তাই কি নজর ঘোরাতেই পহেলগাঁও হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Attack) নিহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন। জখমও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মঙ্গলবার পর্যটকদের ভিড়ে মিশেছিল জঙ্গিরা (Pakistan)। পরে স্বমূর্তি ধারণ করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসবাদীরা। গুলি চালানোর আগে পর্যটকদের ধর্মীয় পরিচয়ও জানতে চায় জঙ্গিরা। সূত্রের খবর, এদিন যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, তাঁরা সকলেই হিন্দু। বৈসরন এলাকার এই হত্যালীলা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই অঞ্চলের সব চেয়ে ভয়াবহ অসামরিক হামলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। শ্রীনগর থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। মঙ্গলবার পর্যটকদের ওপর হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ নামে একটি সংগঠন। এটি পাকিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার একটি প্রক্সি গোষ্ঠী।

    হতাশার বহিঃপ্রকাশ! (Pahalgam Attack)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাহেলগাঁওয়ে এই হামলা একটি বৃহত্তর ও আরও উদ্বেগজনক ধারার অংশ। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা লোপ হওয়ার পরে নির্বাচনও হয়েছে সুষ্ঠুভাবে। ক্ষমতায় এসেছে ওমর আবদুল্লার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার। এর পরেই কৌশল বদলায় পাকিস্তান। তারা কাশ্মীর থেকে তাদের ফোকাস ঘোরায় শান্ত এবং হিন্দু অধ্যুষিত জম্মুর পার্বত্য জেলাগুলিতে। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিশ্চিন্তে বসবাস করছিলেন রাজৌরি, রেয়াসি এবং পুঞ্চের বাসিন্দারা। এই জায়গাগুলিকেই ফোকাস করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। এভাবে তারা যেমন একদিকে ভারতের প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করতে চেয়েছে, তেমনি অন্যদিকে ভারতের দুর্বলতাও খুঁজতে চেয়েছে। এসব অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক সুবিধাও নিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও অনুপ্রবেশের নিরন্তর চেষ্টাও চালিয়ে গিয়েছে পাক সেনা। সম্প্রতি জে সেক্টরে তারা এলওসি অতিক্রম করেছিল। যদিও ভারতীয় সেনা তাদের পিছু হঠতে বাধ্য করে। পাক সেনাদের এহেন কাজকর্ম একাধিক ফ্রন্টে ভারতের কৌশলগত অবস্থানের একটি পরীক্ষাও বটে।

    পাকিস্তানের মুখে চুনকালি

    উনিশ সালে (Pahalgam Attack) ভূস্বর্গ থেকে লুপ্ত করা হয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা। তার পর থেকেই ধীরে ধীরে ভারতের কাশ্মীরের ওপর থেকে পাক সেনার নিয়ন্ত্রণ আলগা হতে থাকে। অথচ মোদি সরকার যখন ৩৭০ ধারা বাতিল করে, তখন থেকে কূটনৈতিক, সামরিক কিংবা বাকযুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানানোর ঢের চেষ্টা করেছে পাকিস্তান (Pakistan)। যদিও প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের মুখে পড়েছ চুনকালি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ছিল নির্বিকার। ওআইসি কেবল আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েই খালাস। ৩৭০ ধারা লোপ পাওয়ার পর কাশ্মীরে বয়ে গিয়েছে শুধুই উন্নয়নের জোয়ার। শান্তির ভূস্বর্গে ক্রমেই নামছিল পর্যটকদের ঢল। অর্থনীতি চাঙা হয়েছিল ভূস্বর্গের। অবাধে হয়েছে নির্বাচন। জম্মু-কাশ্মীরের রাশ গিয়েছে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত একটি সরকারের হাতে। রাওয়ালপিন্ডি এক সময় যে স্বাভাবিকতার প্রতীকগুলিকে উপহাস করত, সেগুলিই ক্রমে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে কাশ্মীরে। তাই স্থানীয় কাশ্মীরিদের খেপিয়ে তোলার সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে পাক সেনার।

    পাক সেনার ইন্ধন

    এহেন প্রেক্ষাপটে (Pahalgam Attack) ইন্ধন জুগিয়েছে পাক সেনা প্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের ঘোষণা (Pakistan)। তিনি কাশ্মীরকে ‘পাকিস্তানের জীবনরেখা’ বলে উল্লেখ করেছেন। জিয়া আমলের পর থেকে এমন শব্দবন্ধ ব্যবহার করেননি কোনও পাক রাজনীতিক। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এটি কোনও কৌশলগত সংকেত নয়, বরং পাকিস্তানের গলায় হতাশার সুর স্পষ্ট, যে নিজের চোখের সামনে তার নিজের আদর্শিক পরিচয়ের মূলস্তম্ভকে হাতছাড়া হতে দেখছে। পাক সেনার বক্তব্য যতই জোরালো হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে রাওয়ালপিন্ডি আর কাশ্মীরের ডিসকোর্স নির্ধারণ করছে না, বরং পরোক্ষে তাদের পরাজয়েরই মোকাবিলা করছে।

    কেন প্ররোচনা?

    আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, একের পর এক সমস্যায় যখন জর্জরিত পাকিস্তান, তখন পাক সেনার এহেন প্ররোচনা (কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ কিংবা হামলার ছক) অযৌক্তিক বলে মনে হতে পারে। উপজাতীয় অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালিবান-পাকিস্তান তাদের ওপর আধিপত্য বজায় রাখছে। বালোচ বিদ্রোহীরা সৈন্যদের আস্ত একটি ট্রেনকে পণবন্দি করেছিল। পড়শি দেশ আফগানিস্তানের সঙ্গেও পাকিস্তানের সম্পর্ক এখন তলানিতে। দৃশ্যতই দেশটি বর্তমানে গভীর সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাহলে দেশের এই দুঃসময়ে ভারতের কাশ্মীর নিয়ে মাতল কেন পাকিস্তান? এর (Pahalgam Attack) এক এবং একমাত্র উত্তর হল, দেশে যখনই ভয়ঙ্কর কোনও সমস্যা দেখা দেয়, তখন পাকিস্তানিরা যাতে সরকার কিংবা সেনার বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ উগরে না দেন, তাই ভারতকে চিরশত্রু হিসেবে তাক করা। কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা, হামলা চালানো, প্রতিশোধের ঝুঁকি নেওয়া – এসবই বিভ্রান্তি তৈরি করতে পাক সেনার পুরানো চাল। এদিক থেকে বিচার করলে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলাও যুক্তিসঙ্গত হয়ে ওঠে। কারণ ‘ভারত-কার্ড’ খেলে দিয়ে পাক সেনা দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি আদতে দেশের অভ্যন্তরীণ (Pakistan) সমস্যা থেকে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গী ঘোরানোরই চেষ্টা করেছে (Pahalgam Attack)।

  • Jammu And Kashmir: পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলা, “জঙ্গিদের রেয়াত করা হবে না,” বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Jammu And Kashmir: পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলা, “জঙ্গিদের রেয়াত করা হবে না,” বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পর্যটকদের ওপর হামলা চালাল জঙ্গিরা (Terrorist Attack)। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর হামলা চালানো হয়। পর্যটকদের ভিড়েই মিশেছিল জঙ্গিরা। আচমকাই তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসবাদীরা। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ জনের। জখম পর্যটকদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।

    ট্রেকিংয়ের সময় হামলা (Jammu And Kashmir)

    এদিন বেশ কয়েকজন পর্যটক ট্রেকিং করছিলেন। সেই সময় হামলা চালানো হয় তাঁদের ওপর। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সেনা ও পুলিশ। জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে খবর, জখম পর্যটকদের মধ্যে তিনজন স্থানীয় বাকি তিনজন রাজস্থানের বাসিন্দা। জম্মু-কাশ্মীরের আকর্ষণীয় পর্যটনস্থলগুলির মধ্যে পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় পহেলগাঁও। ফি বছর প্রচুর পর্যটক বেড়াতে আসেন এখানে। এদিন সেরকমই এক পর্যটক দলকে নিশানা করে জঙ্গিরা। বর্তমানে সৌদি আরব সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর পেয়ে তিনি ফোন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। নেন ভূস্বর্গের সামগ্রিক পরিস্থিতির খবর। প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়ে দ্রুত কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন শাহ।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন (Jammu And Kashmir) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “এই জঘন্য অপরাধের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। যাঁরা আপনজনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতরা শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠুন, এই প্রার্থনা করি। আক্রান্তদের সব রকমের সাহায্য করা হচ্ছে।” তিনি লেখেন, “এই নারকীয় ঘটনার নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের রেয়াত করা হবে না। তাদের অসৎ উদ্দেশ্য কখনওই সফল হবে না। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের অটল প্রতিজ্ঞা অটুট, বরং আরও দৃঢ় হবে।”

    পর্যটকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “পর্যটকদের ওপর এই ধরনের হামলা নিন্দনীয়। এই ঘটনা বর্বরোচিত। হামলাকারীরা পশুর সমান, নির্মম, ঘৃণার যোগ্য। তাদের জন্য কোনও নিন্দাই যথেষ্ট নয়। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা জানাচ্ছি।” তিনি বলেন, “মৃতের সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে সরকারিভাবে জানানো হবে। সম্প্রতি বছরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে, তার মধ্যে এটিই সব চেয়ে বড় (Terrorist Attack)।” ঘটনার নিন্দা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিও।

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে চলছে হিন্দুদের ওপর নিদারুণ আক্রমণ, এক সপ্তাহের খতিয়ান দেখলে চমকে যাবেন

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে চলছে হিন্দুদের ওপর নিদারুণ আক্রমণ, এক সপ্তাহের খতিয়ান দেখলে চমকে যাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর ক্রমাগত নিদারুণ আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরগতিতে সংঘটিত একটি গণহত্যার মতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে (Roundup Week)। হিন্দুবিদ্বেষী সংকীর্ণ মানসিকতার কারণে দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করে এসেছে। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে হস্তক্ষেপ, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্রকরণ, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত – হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান আক্রমণের পাশাপাশি অভূতপূর্ব হিন্দুবিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৬ এপ্রিল থেকে ১২ এপ্রিল এই সাতদিনে বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের ওপর সংঘটিত অপরাধগুলির দিকে আমরা একবার চোখ বুলিয়ে নিই।

    ভারত (Hindus Under Attack)

    উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার বারগুম কাচারি বাড়ি এলাকায় অগ্রদূত ক্লাব আয়োজিত বাসন্তী পুজোর প্যান্ডেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় প্রতিমাগুলি। ‘প্রার্থনা সভা’ বা ‘স্বাস্থ্য উদ্ধার সভা’র অছিলায় স্থানীয় হিন্দুদের জবরদস্তিমূলক খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে এক পাদ্রি-সহ ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকান্ডা থানার বাহাতরাই অঞ্চলের ঘটনা। দাগী আসামি ওয়াজিদ শাহেনশা রামনবমী উদযাপনে বিঘ্ন ঘটাতে বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে ফেলে। গালিগালাজও করে। আহমেদাবাদের দানিলিমদার ঘটনা। পুনের কোঠরুডে একটি ইউনিসেক্স সেলুনের বিরুদ্ধে ইসলামিক ধর্মান্তর ও লাভ জিহাদে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একটি ভিডিওয় সত্য সনাতন ধর্ম নামক সংগঠনের সদস্যদের জাভেদ ও আরমান নামে দুই মুসলমানকে এক হিন্দু মেয়েকে কালমা পড়তে বাধ্য করা হতে দেখা গিয়েছে।

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    ওয়াকফ আইন ২০২৫ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ইসলামিস্টদের দ্বারা হিংসাত্মক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মালদার নিমতিতা স্টেশন ছিল এই অশান্তির ভরকেন্দ্র। এখানে ইসলামিস্টরা “আল্লাহু আকবর” ধ্বনি দিয়ে রেল ট্র্যাক দখল করে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দয়ে বলে অভিযোগ। উত্তরপ্রদেশের উননাওয়ে ওয়াকফ বিল নিয়ে তর্কে জড়িয়ে এক ক্যাব ড্রাইভার ওয়াসিম ও তার সহযোগীরা এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারকে আক্রমণ করে। অবসরপ্রাপ্ত ওই কর্নেলের নাম সূর্য প্রতাপ সিং। জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় আম আদমি পার্টির বিধায়ক মেহরাজ মালিকের হিন্দুদের লক্ষ্য করে আপত্তিজনক মন্তব্য করার পর হাতাহাতি হয়। বিজেপি বিধায়কদের প্রতিবাদে সভা স্থগিত করতে বাধ্য হয়। ঠাকুরগাঁও জেলায় ইসলামিস্টরা একটি শ্মশানের জমি দখলের চেষ্টা করে। অভিযোগ, শ্মশানে প্রিয়জনের দেহ সৎকার করতে যাওয়া হিন্দুদের ওপর হামলা চালায় ইসলামিস্টরা (Hindus Under Attack)।

    নাবালিকাকে ধর্ষণ

    পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মন্তাজ হোসেন নামে এক যুবক হিন্দু নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। কলকাতার নিউ টাউন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বারাণসীতে এক ছাত্রীকে টানা ছ’দিন ধরে যৌন নির্যাতন করা হয়। ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই ইসলামিস্ট। বিহারের সারণের রেওয়েলগঞ্জ এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ গির্জা ভেঙে ফেলেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারিরা লোভ দেখিয়ে তাঁদের জোরপূর্বক খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করছিল (Roundup Week)।

    ইউটিউবারকে হুমকি

    হিমাচলের উনা জেলার ইউটিউবার রোহিত কাটওয়ালকে খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলি হুমকি দেয়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আজমগড়ের আহিরৌলা থানা এলাকার আরুশা গ্রামে একটি বাড়ির ভিতরে বড় ধরনের খ্রিস্টান ধর্মান্তরের পর্দা ফাঁস করেছে। গুজরাটের আহমেদাবাদে ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুসলিম জনতা রাস্তায় নমাজ আদায় করে। তারা ‘মসজিদ কেড়ে নেওয়া হবে’ এই স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা বাড়ায়। ওয়াকফ সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হিংসার ঘটনা ঘটছে। জাফরাবাদ এলাকায় দুজন হিন্দু নিহত হন। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে মুসলিম জনতা সামশেরগঞ্জেই এক হিন্দু দম্পতির দোকানে হামলা চালায় (Hindus Under Attack)।

    পাকিস্তান

    পাকিস্তানের হিন্দু নাবালিকাদের অপহরণ, ধর্ষণ, জোর করে ধর্মান্তরকরণ ও বিয়ের ঘটনা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেবল সিন্ধ প্রদেশেই প্রতি বছর কমপক্ষে ১০০০ সংখ্যালঘু মেয়ে এই ধরনের যৌন দাসত্বের শিকার হয়। হিন্দু মন্দিরে নিয়মিত হামলাও হয়। সিন্ধের উমরকোট জেলার ২০ বছরের যুবক সুরজ কুমার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার পর হঠাৎই মুহাম্মদ আলি নামে একজন নতুন ইসলামিক পরিচয় নিয়ে আবির্ভূত হন। সরকারি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, নিখোঁজ থাকাকালে গুলজার খলিলে তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন (Roundup Week)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিরবচ্ছিন্ন হামলা হয়েই চলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাতের গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে একজনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির অপবিত্রকরণ, জমি দখল, মিথ্যা মামলার পর জনতার দ্বারা হামলা, ধর্ষণ, জবরদস্তি ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য করছে। টাঙ্গাইল জেলায় উন্মত্ত মুসলিম জনতা জনৈক অখিল চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ এনে তাঁকে পিটিয়ে (Hindus Under Attack) হত্যা করার চেষ্টা করে।

    কানাডা

    কানাডার অটোয়ায় ভারতীয় নাগরিক ধর্মেশ কাথিরিয়াকে খুন করেন এক শ্বেতাঙ্গ। আক্রমণকারী ধর্মেশের স্ত্রীকেও ছুরিকাঘাত করার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, আক্রমণকারী গিলস মার্টেল আগে ধর্মেশ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে (Roundup Week) জাতিগত বিদ্বেষমূলক ও ভারত-বিরোধী মন্তব্য করেছিলেন (Hindus Under Attack)।

  • Anti Hindu Attacks: শুধু মার্চেই ৮ জায়গায় হামলা! মমতা জমানায় এপার বাংলায়ও বাড়ছে মন্দির-মূর্তি ধ্বংসের ঘটনা

    Anti Hindu Attacks: শুধু মার্চেই ৮ জায়গায় হামলা! মমতা জমানায় এপার বাংলায়ও বাড়ছে মন্দির-মূর্তি ধ্বংসের ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও (Anti Hindu Attacks)! এখানেও নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের (West Bengal) মন্দির-বিগ্রহ। বিরোধীদের অভিযোগ, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই হিংসা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। হিন্দুদের উপাসনালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হামলার ঘটনা ঘটছে। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ মালদার মোথাবাড়ি। অভিযোগ, সেখানে পুলিশ গিয়ে হিন্দু মহিলাদের বলছেন শাঁখা-পলা খুলে ফেলতে, কালো কাপড়ে মুখ ঢাকতে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতি, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা এবং হিংসা মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চেই এ রাজ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে আটটি। এই তালিকায় রয়েছে মোথাবাড়িও। আসুন, দেখে নেওয়া যাক গত মাসে কোথায় কোথায় আক্রান্ত হয়েছে হিন্দুদের দেবালয়।

    বারুইপুরে মূর্তি পোড়ানোর অভিযোগ (Anti Hindu Attacks)

    ৭ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর শহরে মা শীতলার মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। পরে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। খবরে প্রকাশ, শেখ ইন্দু নামে এক ব্যক্তি মূর্তিটি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, মূর্তিটি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। যে মন্দিরে মূর্তিটি ছিল, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটিও। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত শেখকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে নিয়ে যায়। এদিনই এক ট্যুইট-বার্তায় বারুইপুর পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তি বহিরাগত। তার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা রয়েছে। ওই ট্যুইটে তাকে অসুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নওদায় হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তি ভাঙচুর

    এর ঠিক দুদিন পরেই মুর্শিবাদের (West Bengal) নওদায় হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তির ওপর হামলা হয়। গত ৯ মার্চ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা ব্লকের পাটিকাবাড়ি বাজারে হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “কয়েক ঘণ্টা আগে, অপরাধীরা মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা ব্লকের পাটিকাবাড়ি বাজারে হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।” তিনি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও মুখ্য সচিবের হস্তক্ষেপ চেয়ে দ্রুত শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুভেন্দু বিএসএফ মোতায়েনের দাবিও জানান। তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে আমি অনুরোধ করব, মাননীয় রাজ্যপালকে বিএসএফ পার্সোনাল মোতায়েনের অনুরোধ করুন, যাতে শীঘ্রই আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যায়।”

    বসিরহাটে কালী মন্দিরে হামলা

    এই ৯ মার্চ উত্তর ২৪ পরগনার (Anti Hindu Attacks) বসিরহাট শহরের শাঁখচূড়া বাজারে একটি কালী মন্দিরে হামলার খবর প্রকাশিত হয়। এক্স হ্যান্ডেলে এ নিয়ে একটি পোস্ট করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার পরেই ঘটনাটি আসে প্রকাশ্যে। তিনি জানান, হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহানূর মণ্ডলের নেতৃত্বে ওই মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এর ঠিক কয়েক ঘন্টা পরেই পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক ব্যাপার নেই। কালী মূর্তি ভাঙচুরের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে।

    নন্দীগ্রামে মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর

    ১৪ মার্চ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের কামালপুরের একটি হিন্দু মন্দিরে দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের মাধ্যমে ঘটনাটি জনসমক্ষে আনেন। ওই পোস্টে ভাঙচুর করা মূর্তির একটি ভিডিও-ও জোড়া ছিল। মালব্যর অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি পূজা ও রাম নারায়ণ কীর্তন সহ্য করতে না পেরে মন্দিরে ভাঙচুর চালায় এবং মূর্তির অবমাননা করে। তিনি পরিস্থিতির গুরুত্বও তুলে ধরেন। পোস্টের ওই ভিডিওয় দেখা যায়, এক ব্যক্তি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলছেন যে তারা কিছুই (West Bengal) করছে না। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভাঙচুর করা মূর্তির ভিডিও যিনি বানাচ্ছিলেন, একজন পুলিশ অফিসার তাঁকে ভয় দেখাচ্ছেন।

    শিরোনামে মোথাবাড়িও

    ২৭ মার্চ মোথাবাড়ি গ্রামে ব্যাপক হিংসা হয়। অভিযোগ, মুসলিম জনতা হিন্দুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িগুলিকে টার্গেট করেছিল (Anti Hindu Attacks)। বিজেওয়াইএম নেতা অচিন্ত্য মণ্ডলের শেয়ার করা একটি ভিডিও-সহ প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এক হিন্দু মহিলা ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “মুসলিমরা হিন্দুদের বাড়িঘর ধ্বংস করেছে।ভয়ে আমরা লুকিয়েছিলাম।” তাঁর অভিযোগ, বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করার পর টাকা-পয়সা ও জিনিসপত্রও লুট করা হয়েছে। তিনি বলেন, “পুলিশ তাদের প্রাণ নিয়ে দৌড়েছে। তারা আমাদের বাঁচায়নি।”

    আর এক হিন্দু মহিলার দাবি, তাঁদের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের শাঁখা-পলা খুলে হিজাবের মতো মাথা ঢাকতে হচ্ছে। আমরা অনিচ্ছা সত্ত্বেও তা করতে বাধ্য হচ্ছি।” তাঁর অভিযোগ, নারীদের অপহরণ ও নির্যাতন করা হচ্ছে। হিন্দুদের বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম পাথর ছোড়া হচ্ছে। হিন্দু নারীরা কোনও দাবি মানতে না চাইলে শিশুদের অপহরণ ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

    ঝাউবোনায় হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ২৯ মার্চ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করে মুর্শিদাবাদের ঝাউবোনায় হিন্দুদের (Anti Hindu Attacks) ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, হিন্দুদের মালিকানাধীন সুপারি বাগানে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং দোকান লুট করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলিকে তিনি জিহাদি মবস দ্বারা সংঘটিত হিংসা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতির অধীনে হিন্দুদের ওপর আর একটি ভয়ঙ্কর হামলা! মোথাবাড়ি হাঙ্গামার পর জিহাদি মবস ঝাউবোনা, নওদা (মুর্শিদাবাদ)-এ সন্ত্রাস ছড়িয়েছে। অন্ধকারের আড়ালে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দুদের সুপারি বাগানে আগুন ধরিয়ে দেয়, ঝাউবোনা ও ত্রিমোহিনী বাজারের দোকান লুটপাট করে এবং নিরীহ হিন্দুদের আক্রমণ করে।”

    দক্ষিণ দিনাজপুর মন্দিরে ভাঙচুর

    ৩০ মার্চ সুকান্ত ফের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের কেশবপুর গ্রামের একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে, মন্দির চত্বরে শীতলা মায়ের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “দক্ষিণ দিনাজপুরের (West Bengal) জাহাঙ্গিরপুর অঞ্চলের কেশবপুরে শ্রী শ্রী শীতলা মায়ের মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ দেখুন। রাতের আড়ালে মন্দিরটি ভাঙচুর করা হয়েছে। মায়ের মূর্তিটি এমনভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে যা বাংলাদেশের মৌলবাদী জিহাদিদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় (Anti Hindu Attacks)।”

  • Israel: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    Israel: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে বাজল রণদামামা! এবার ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান (Irans Attack)। তার পরেই তেহরানকে (ইরানের রাজধানী) যোগ্য জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ইজরায়েলের (Israel) প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বললেন, “ইরানকে এই ভুলের মাশুল গুণতে হবে।” ইজরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্বে তেল আভিভের (ইজরায়েলের রাজধানী) পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা।

    হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর বদলা! (Israel)

    ইজরায়েলি সেনার হামলায় খতম হয়েছে লেবাননের মদতপুষ্ট সংগঠন হিজবুল্লার প্রধান হাসান নাসরাল্লা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর বদলা নিতে ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। তেল আভিভের দাবি, ইরানের তরফে অন্তত ১৮১টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে। তবে তার বেশিরভাগই প্রতিরোধ করা গিয়েছে। তেল আভিভের কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জখমও হয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। এর পরেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরাট ভুল করে ফেলেছে ইরান। যথা সময়ে ওরা এর জবাব পেয়ে যাবে। আমরা তৈরিই রয়েছি।” তিনি বলেন, “যারাই আমাদের আক্রমণ করবে, আমরা তাদের যোগ্য জবাব দেব।”

    আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি ইরানের

    ইরান যে ইজরায়েলে হামলা চালাতে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল আগেই। হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর খবর পেয়ে তেহরানে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান হাজার হাজার মানুষ। নাসরাল্লার মৃত্যুর বদলা নেওয়ার দাবি জানায় তারা। চাপে পড়ে যায় ইরান সরকার। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দেয় তারা। জানিয়ে দেয়, এর (নাসরাল্লার মৃত্যু) ফল ভালো হবে না। এর পরেই মঙ্গলবার রাতে ইজরায়েলে হামলা চালায় ইরান। ইজরায়েল-ইরানের এই দ্বন্দ্বে আমেরিকা যাতে না জড়ায়, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে তেহরান। আমেরিকার উদ্দেশে তাদের হুমকি, আমেরিকা এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ইরাকে মার্কিন বেস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইজরায়েল প্রতিশোধ নিতে এলে তার পরিণাম ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে।

    ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে
    এদিকে, ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলের ওপর ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের হামলার পর জরুরি বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও। আমেরিকার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আধিকারিকরা ছিলেন বৈঠকে। বৈঠকের পর ইজরায়েলকে সাহায্যের নির্দেশ দেওয়া হয় মার্কিন সেনাকে। ইজরায়েলে ইরানের হামলার (Irans Attack) নিন্দাও করেছে বাইডেন সরকার। আমেরিকা যে ইজরায়েলের (Israel) পাশে রয়েছে, তাও জানিয়ে দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel-Lebanon Conflict: লেবাননে ঢুকে হামলা শুরু ইজরায়েলের, হিজবুল্লাকে সমূলে উৎখাতের ডাক!

    Israel-Lebanon Conflict: লেবাননে ঢুকে হামলা শুরু ইজরায়েলের, হিজবুল্লাকে সমূলে উৎখাতের ডাক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেজার ও ওয়াকি-টকি হামলা (Attack), দুই সপ্তাহের বিমান হামলার পর এবার স্থলপথে লেবাননে আক্রমণ শুরু করল ইজরায়েল। এবার রীতিমতো আগাম ঘোষণা করেই লেবাননে (Israel-Lebanon Conflict)  ঢুকে অভিযান শুরু করল তারা। মঙ্গলবার ভোরে ইজরায়েলি সেনার তরফে জানানো হয়, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লার ঘাঁটিতে নিয়ন্ত্রিত হামলা চালানো হবে। মূলত স্থলপথে হওয়া এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন নর্দার্ন অ্যারো’।

    ইজরায়েলকে সমর্থন জানিয়েছে আমেরিকা (Israel-Lebanon Conflict)  

    ইজরায়েলি সেনা সূত্রে খবর, হামাসের মতো হিজবুল্লারও গোপন সুড়ঙ্গগুলিকে নজরে রাখা হচ্ছে। ইরানের মদতপুষ্ট লেবাননের সশস্ত্র সংগঠনটির ভূগর্ভস্থ ‘নেটওয়ার্ক’ ধ্বংস করতে চাইছে ইজরায়েল (Israel-Lebanon Conflict)। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মঙ্গলবার সকালেই হিজবুল্লার সুড়ঙ্গে ঢুকে পড়েছে ইজরায়েলি সেনা। ইজরায়েলের সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ লেবানন ধরে সুড়ঙ্গগুলিতে এগোচ্ছে সেনা। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ লেবাননের হিজবুল্লা ঘাঁটি দাহিয়ে থেকে সকলকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইজরায়েল। ইজরায়েল স্থলাভিযান শুরুর ঘোষণা করার পরেই আমেরিকা বন্ধুরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন জানিয়েছেন, ইজরায়েলের ‘আত্মরক্ষার অধিকারকে’ সমর্থন করছে পেন্টাগন।

    আরও পড়ুন: মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক! নজরে দুই মহিলা, পানিহাটিসহ রাজ্যের সাত জায়গায় এনআইএ হানা

     গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ জন নিহত

    গত সপ্তাহে হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লাকে হত্যার পর ইজরায়েলের এটাই প্রথম স্থলপথে আক্রমণ। লেবানন (Israel-Lebanon Conflict)  সরকারের মতে, ধারাবাহিক বিমান হামলায় ইজরায়েল অনেক হিজবুল্লা কমান্ডারকে নির্মূল করেছে। ইজরায়েলের হামলায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১,০০০ ছুঁয়েছে। এছাড়া, ১০ লক্ষ মানুষ তাঁদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রককে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল, পূর্ব বেকা উপত্যকা এবং বেইরুটে ইজরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৯৫ জন নিহত এবং ১৭২ জন আহত হয়েছেন।

    হুথিকেও নিশানা

    লেবাননের (Israel-Lebanon Conflict) পাশাপাশি ইরানের মদতপুষ্ট আর এক সশস্ত্র গোষ্ঠী, ইয়েমেনের হুথিকেও নিশানা করছে ইজরায়েল। রবিবার ইজরায়েলি সেনা জানিয়েছে, ইয়েমেনের হোদেইদা শহরে হুথি নিয়ন্ত্রিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সমুদ্রবন্দরে হামলা চালানো হয়েছে। গত শনিবার ইজরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল হুথি। ঠিক সেই সময়ই আমেরিকা সফর শেষ করে ওই বিমানবন্দরে অবতরণ করেন নেতানিয়াহু। তবে তাঁকে নিরাপদেই বিমানবন্দর থেকে বার করে আনা হয়।

    নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    পশ্চিম এশিয়া জুড়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার ইজরায়েলের (Israel-Lebanon Conflict) প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই অঞ্চলে আরও উত্তেজনা রোধ করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “আমাদের বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই। আঞ্চলিক উত্তেজনা রোধ করা এবং সমস্ত পণবন্দিদের নিরাপদ মুক্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muslims Attack: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ভারতেই! গণেশ মূর্তি কিনে ফেরার পথে একতরফা হামলা, জখম যুবক

    Muslims Attack: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ভারতেই! গণেশ মূর্তি কিনে ফেরার পথে একতরফা হামলা, জখম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের (Hindu Youth) ওপর হামলা মুসলমানদের (Muslims Attack)। না, না, বাংলাদেশ নয়, এই ঘটনা ঘটেছে ভারতেই। আরও স্পষ্ট করে বললে, গুজরাটের কচ্ছ জেলার মুন্দ্রা এলাকায়। ইসলামপন্থীদের ওই হামলায় জখম হয়েছে যুবরাজ সিং জাদেদা নামে একজন। হামজা, ফারুক-সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এই ঘটনায় রবিবার দুপুর পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কাঠগড়ায় পাঁচ (Muslims Attack)

    জানা গিয়েছে, গণেশ পুজো উপলক্ষে মূর্তি কিনে বাড়িতে ফিরছিলেন মুন্দ্রা তালুকের সমঘোঘা গ্রামের বাসিন্দা জাদেজা-সহ তিন হিন্দু যুবক। অভিযুক্তরা রাস্তায় সাইকেল দাঁড় করিয়ে গল্পগাছা করছিল। জাদেজারা তাদের সাইকেল সরিয়ে নিতে বলেন। এনিয়ে শুরু হয় দুপক্ষে বচসা। অভিযোগ, এর পরেই ওই মুসলমান যুবকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। জখম হন জাদেজা। ঘটনায় মুন্দ্রা থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

    তরোয়াল উঁচিয়ে হুমকি

    কেবল জাদেজারা নন, বারংবার হর্ন দিয়ে ওই যুবকদের রাস্তার মাঝখান থেকে বাইক সরাতে বলেন এক টেম্পো চালকও। অভিযোগ, তাতেও কর্ণপাত করেনি অভিযুক্তরা। জাদেজারাও তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বলেন। এর পর চোটপাট করতে শুরু করে ওই যুবকরা। তার পরেই জাদেজাদের ওপর চড়াও হয় ওই যুবকরা। অভিযুক্তরা লোহার পাইপ দিয়ে যুবরাজকে মারধর করে। তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। মাটিতে পড়ে যান জাদেজা। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন কোথাও থেকে একটি তরোয়াল নিয়ে আসে (Muslims Attack)। তরোয়াল উঁচিয়ে হুমকি দেয়, জাদেজাদের শেষ করে দেবে, জীবিত থাকতে দেবে না।

    আরও পড়ুন: ভারতের দাবিই সত্যি প্রমাণিত হল, কার্গিল যুদ্ধে জড়িত থাকার কথা কবুল পাকিস্তানের!

    অভিযুক্তদের কয়েকজনের কাছেও ধারালো অস্ত্র ছিল। ভিড় জমে গেলে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। জাদেজা বলেন, “মামুলি একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু করে দেয় ওরা। গাড়িতে রাখা গণেশ মূর্তিকে লক্ষ্য করেও পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা।” যদিও মূর্তিটির (Hindu Youth) কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানান তিনি (Muslims Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muslims Attack Hindus: “বাংলাদেশ বানিয়ে দেব”! হিন্দুদের হুমকি মুসলমানদের, দ্রুত পদক্ষেপ যোগীর পুলিশের

    Muslims Attack Hindus: “বাংলাদেশ বানিয়ে দেব”! হিন্দুদের হুমকি মুসলমানদের, দ্রুত পদক্ষেপ যোগীর পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির মেয়েকে অশ্লীল টেক্সট পাঠানোর প্রতিবাদ করায় উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) এক হিন্দু তরুণীর বাড়িতে গিয়ে শ’চারেক মুসলমান (Muslims Attack Hindus) হুমকি দিচ্ছে, “বাংলাদেশ বানিয়ে দেব (বাংলাদেশ বানা দেঙ্গে)”। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই হুমকিই প্রমাণ করে ভারতে মুসলমানদের বাড়বাড়ন্ত।

    হিন্দু তরুণীকে অশ্লীল মেসেজ 

    ফেরা যাক খবরে। উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে এক হিন্দু তরুণীকে ইনস্টাগ্রামে অশ্লীল বার্তা পাঠাচ্ছিল মুজাম্মেল নামে এক মুসলমান যুবক। প্রতিবাদ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, তার পরেই শ’চারেক মুসলমান হামলা চালায় ওই হিন্দু তরুণীর বাড়িতে (Muslims Attack Hindus)। তাঁদের হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। এই সময়ই হেনস্থাকারীরা তরুণীর পরিবারকে হুমকি দেয়, বাংলাদেশ বানিয়ে দেওয়ার। প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অশান্তি শুরু হয় বাংলাদেশে। সেই আবহে হিন্দুদের ওপর নিদারুণ অত্যাচার করা হয়। জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বহু হিন্দু মহিলাকে। অত্যাচার চালানো হয় বলে অভিযোগ।

    বাড়ি বিক্রির হিড়িক

    বিজনোরের এই ঘটনার পরে ওই মহল্লায় বাড়ি বিক্রির হিড়িক পড়ে গিয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ, হিন্দুরা জানিয়ে দেয়, তাঁরা ওই মহল্লা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। বহু বাড়িতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘হাউস ফর সেল’ লেখা বোর্ড। তবে, দ্রুত পদক্ষেপ করে যোগীর পুলিশ (Muslims Attack Hindus)। উত্তেজনা যাতে না ছড়ায়, তাই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হিন্দুদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে মুজাম্মেলকে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজনোরের চাঁদপুরের সারাই রফি মহল্লার মহম্মদ মুজাম্মেল এলাকারই এক হিন্দু তরুণীকে অশ্লীল মেসেজ পাঠায়। ঘটনাটি ওই তরুণী তার পরিবারের সদস্যদের জানান। এর পর ওই তরুণীর এক আত্মীয় মুজাম্মেলকে ভয়েস মেসেজ পাঠায়। ওই তরুণের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে মুসলমনরা। শুধু তা-ই নয়, এর পর তিন থেকে চারশো মুসলমান হামলা চালায় ওই তরুণীর বাড়িতে। হুমকি দেওয়া হয় বাংলাদেশ বানানোর।

    আরও পড়ুন: “ইউক্রেন-রাশিয়ায় শান্তির সূর্যোদয় দেখতে চাই”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    এ কোন সকাল!

    এই সময় প্রতিবাদ করেন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দু। অভিযোগ, তাঁদের ওপরও হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। জখম হন কয়েকজন। এক মহিলাকেও বেধড়ক মারধর করে মুসলমানরা। ভয়ে বাড়ি-ঘরদোর বিক্রি করে মহল্লা ছেড়ে অন্য চলে যেতে চাইছেন সেখানকার হিন্দুরা (Muslims Attack Hindus)।

    উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনা ভয়াবহ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত। তবে বাংলায় মাস কয়েক আগেই এমন হুমকি দিতে শোনা গিয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের হুমায়ুন কবীরকে। তিনি বলেছিলেন, “আমি যদি দু’ঘণ্টার মধ্যে ভাগীরথীতে তোমাদের (হিন্দুদের!) ডুবিয়ে না দিই, রাজনীতি ছেড়ে দেব। শক্তিপুরে আপনাদের লোককে থাকতে দেব না। মনে রাখবেন, এখানে আপনারা ৩০ শতাংশ, আমরা ৭০ শতাংশ।”

    এ কোন সকাল!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) কট্টর মৌলবাদী মুসলিমদের দ্বারা সংগঠিত দাঙ্গা থেকে বাঁচতে হিন্দুরা একটি কুয়োয় ঝাঁপ দেন। এই পৈশাচিক হামলার বিবরণ সংবাদমাধ্যমের দৌলতে প্রকাশ্যে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা প্রমাণ করে দেয়, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর সেই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর কতটা নির্মম অত্যাচার নেমে এসেছে। সেনাবাহিনী এবং অন্তর্বর্তী সরকার মৌখিক নিরাপত্তার কথা বললেও, হিন্দু ধর্মের মানুষের জনজীবন এখনও বিপন্ন। আইনের শাসন নেই ওপার বাংলায়। প্রতিবাদে একাধিক শহরে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভে নেমেছেন।

    ভিডিওতে কী দেখা গিয়েছে (Bangladesh Crisis)?

    জানা গিয়েছে, ভিডিওটি ৫ অগাস্টের। সেদিন বাংলাদেশ অগ্নিগর্ভ ছিল, গণভবনে চলছিল লুট, প্রায় সব থানা হয়ে গিয়েছিল পুলিশ শূন্য! এমন অবস্থায় কট্টর ইসলামি মৌলবাদীরা মেহেরপুর (Bangladesh Crisis) ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) নৃশংস হামলা চালায়। হামলার কয়েকদিন পর একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক সংবাদ মাধ্যম সেই ভিডিওকে সম্প্রচার করছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরের মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। এমন অবস্থায় মন্দিরে আটকে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা জীবন বাঁচাতে কুয়োর জলে ঝাঁপ দিয়ছিলেন। জানা গিয়েছে, মোট ১৬-১৭ জন মানুষ কুয়োতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পরে মন্দিরের আশেপাশের লোকজন দড়ি ফলে কুয়ো থেকে ঝাঁপ দেওয়া সমস্ত হিন্দুকে বের করে নিয়ে আসেন। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাসও আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অত্যাচারের শিকার হিন্দুরা

    মেহেরপুরের (Meherpur ISKCON temple) ইসকন মন্দিরের পাশাপাশি ওইদিন ১টি কালী মন্দির ও ২টি দুর্গা মন্দির লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়। ১০টির বেশি হিন্দু বাড়ি এবং ৮/৯টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান লুট করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ২ জন হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস পরিস্থিতির ভয়াবহ বিবরণ দিয়ে বলেন, “উগ্র মুসলিম মৌলবাদীরা আমাদের ইসকন মন্দিরকে টার্গেট করেছে এবং ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরেও বোমা ছোড়া হয়। সারা রাত আমাদের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল, যখন আমরা কারও বাড়িতে আশ্রয় চাইছিলাম তারা বলেছিল, আমরা যদি আপনাকে আশ্রয় দিই তাহলে মুসলমানরা আমাদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, হিন্দুরা সর্বদা অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) শিকার হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    প্রতিবাদে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভ

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুরা ইসলামি মৌলবাদীদের হাতে ক্রমাগত হামলার সম্মুখীন হচ্ছে। মুসলিম মৌলবাদীরা ক্রমাগত হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ব্যাপক নির্যাতন করছে। গত কয়েক দিনে হিন্দুরা, বাংলাদেশে চট্টগ্রামের (Bangladesh Crisis) চিরাগী পাহাড় মোড়, বগুড়ার সাত মাথার মোড়, ঢাকার শাহবাগ, খুলনার শিববাড়ি এবং গোপালগঞ্জ সহ একাধিক জায়গায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করে গণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে। হিন্দুদের মূল শ্লোগান ছিল, ‘আমার মাটি আমার দেশ, বাংলা ছেড়ে যাব ক্যান।’ একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, আসানসোল, কল্যাণী, শিলিগুড়ি, কোচবিহার সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিন্দু সংগঠন আরএসএস-এর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share