Tag: Attacks on Hindus

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ উভয় জায়গায়ই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্বের দৃষ্টি এই ধরনের আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তির দিকে যায়নি, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন (Roundup Week)। ২১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়কালের এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত বিবরণে এই ধরনের অপরাধের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হল। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে মানুষকে এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন করা যাবে বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। একটি প্রাচীন মন্দিরের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ ‘অরুলমিগু কন্যাকুমারী ভাগবতী আম্মান তিরুকোভিলে’র ‘কন্নিয়াম্বালম’ কল মণ্ডপম থেকে অবিলম্বে সব দখলদারি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে এবং কাঠামোটি সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জি জয়চন্দ্রন ও বিচারপতি কেকে রামকৃষ্ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এন্ডাওমেন্টস (HR&CE) দফতরকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করে মন্তব্য করে যে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি “আর্থিক লাভের জন্য” ব্যবহার করা হয়েছে এবং মণ্ডপমের ভেতরে নির্মাণসামগ্রী ও ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

    শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর

    ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে কর্নাটকের বাগালকোট শহরে কিলা ওনি এলাকায় শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর ও জুতো ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের স্মরণে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি উদ্‌যাপনের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল, এমন সময় এই ঘটনা ঘটে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে (Roundup Week)। ‘দ্য নিউজ মিনিটে’ সম্প্রতি বিনু করুণাকরণের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিরুনাভায়ার মহা মাঘ মহোৎসবকে “গেরুয়া চিত্রনাট্য” এবং “হিন্দুত্বের রাজনৈতিক নাটক” বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এটি ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে কেরলকে মেরুকরণ করতে পূর্ণাঙ্গ কুম্ভমেলার রূপ নেবে। সমালোচকদের মতে, অন্য ধর্মের বৃহৎ জনসমাবেশের ক্ষেত্রে নীরব থেকে এই ধরনের মন্তব্য ভণ্ড-ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচায়ক (Hindus Under Attack)।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ

    এদিকে, ওয়ারাঙ্গলের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT)-এ ছাত্রদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে (NHRC) একটি পিটিশন দাখিল হয়েছে। অভিযোগ, এনআইটি ওয়ারাঙ্গলের ১.৮কে হস্টেলে থাকা ছাত্ররা প্রায় এক বছর ধরে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পনেরো মিনিট ধরে হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তারা হস্টেলে গিয়ে প্রার্থনা সভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাঁরা সাংবিধানিক ধর্মীয় অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, এমনকি বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয় (Roundup Week)। কর্নাটকের শিবমোগ্গা জেলার উর্গাদুর এলাকায় নাবালক ইসলামপন্থী যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী সংকেত নামে এক হিন্দু কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর বন্ধু গিরিশকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারান (Hindus Under Attack)।

    মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জের

    কর্নাটকের চিত্রদুর্গ শহরের সন্থে ময়দানের কাছে মোবাইল দোকান মালিক বিক্রম চৌধুরীকে মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জেরে এক ইসলামপন্থী যুবক ছুরিকাঘাত করে। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ছবিটাও এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত এবং তা ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    গণধর্ষণের অভিযোগ

    বরিশাল জেলায় এক বিবাহিত হিন্দু মহিলাকে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি কীর্তনের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল হামলাকারীর কবলে পড়েন এবং তাঁকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রাম গ্রামে নিশান্ত বৈদ্য নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়, যা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত বলে অভিযোগ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্যে এলেও ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে দাবি করা হয়। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও নীতির ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। আপাতভাবে (Roundup Week) এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Attacks on Hindus: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে ভারত-বাংলাদেশে, বলছে রিপোর্ট

    Attacks on Hindus: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে ভারত-বাংলাদেশে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ, জমি দখল, হিন্দু উৎসব গুলিতে আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর (Attacks on Hindus)। এমনটাই দাবি হিন্দু পোস্ট পত্রিকার। তাদের প্রতিবেদনে গত ২৫ মে থেকে ১ জুন ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

    হিন্দু পোস্ট পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভারত এবং বাংলাদেশে যে হিন্দুদের উপর আক্রমণের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হল-

    ভারতে ঘটা ঘটনা (Attacks on Hindus)

    অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার জেলার হালিশহরে একটি হিন্দু মন্দিরের আক্রমণ চালায় এবং শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ।

    পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলাতে এক হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাপ্পা মিয়ার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গুজরাটের জামনগর থেকে যৌন নির্যাতনের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে আম-আদমি পার্টির সক্রিয় কর্মী মহম্মদ আক্রামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ করে ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করে।

    শনিবার ২৪ মে অন্ধপ্রদেশের কাডাপা জেলায় রহমত উল্লাহ নামে এক ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিন বছর বয়সি এক দলিত মেয়েকে ধর্ষণ করে সে।

    উত্তরপ্রদেশে জোর জবরদস্তি করে ইসলামিক ধর্মীয় রীতিনীতি মানতে বাধ্য করা হয় এক ব্যক্তিকে। এর পাশাপাশি তার হিন্দু পরিচয় (Attacks on Hindus) সম্পূর্ণ রূপে ত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কুলদীপ কুমার। তিনি পেশায় একজন টোটো চালক। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালেই তিনি আলফিয়া নামে একজন মুসলিম মহিলাকে বিয়ে করেন। কিন্তু তারপর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে থাকে। ২০২৫ সালেই তাঁর নাম রশিদ রাখতে বাধ্য করে তারা।

    মধ্যপ্রদেশের বালুদা নামের একটি গ্রামে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং হিন্দু মহিলাকে যৌন নির্যাতনের জন্য সে রাজ্যের পুলিশ মোবারক মন্ত্রী নামে একজনকে গ্রেফতার করে।

    অন্যদিকে একই চিত্র ধরা পড়ছে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশেও

    সম্প্রতি, মানিকগঞ্জ জেলায় একটি মন্দিরকে ভাঙচুর করে উগ্র মৌলবাদীরা। অভিযোগ দেবদেবীর মূর্তিও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। মানিকগঞ্জ জেলার গড়পাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত মন্দিরটি। বাংলাদেশের গবেষক আবুল বারাকত জানাচ্ছেন, যে ধরনের অত্যাচার শুরু হয়েছে হিন্দুদের ওপর তাতে ২০৫০ সালের মধ্যে, বাংলাদেশ আর কোনও হিন্দু থাকবে না (Hindu Dharma)।

LinkedIn
Share