Tag: Aurangabad

Aurangabad

  • Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) দুই শহর ঔরঙ্গাবাদ (Aurangabad) এবং ওসমানাবাদের (Osmanabad) নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিল শিবসেনার  (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) সরকার। ঔরঙ্গাবাদের নয়া নাম হবে ছত্রপতি শম্ভাজিনগর এবং ওসমানাবাদের নতুন নাম হবে ধারাশিব।

    বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়া নিয়ে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত একনাথ শিন্ডের। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই ঠাকরে সরকারের নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিল শিন্ডের সরকার। ঘটনার প্রতিবাদে ঔরঙ্গাবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শিবসেনার ঠাকরে শিবির। ঔরঙ্গাবাদ এবং ওসমানাবাদের নাম পরিবর্তন নিয়ে শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপির মহা বিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার সময় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে শহর দুটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঠাকরে। তবে শিন্ডে এবং ফড়নবিশের দাবি, নাম পরিবর্তন নিয়ে ঠাকরে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা ছিল বেআইনি। কারণ সেই সময় উদ্ধবকে বিধানসভায় সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঠাকরে। উদ্ধবের সরকার ঔরঙ্গাবাদের নাম পরিবর্তন করে শম্ভাজিনগর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শিন্ডে সরকার তার আগে বসিয়ে দিয়েছেন ছত্রপতি শব্দটি। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নাম পরিবর্তনের নয়া প্রস্তাব ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরে বিভাগীয় জেলা, তালুক, কর্পোরেশন এবং কাউন্সিল স্তরে দুই শহরেরই নাম পরিবর্তন করা হবে। শনিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে কৃষক নেতা ডিবি পাতিলের নামে করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার। প্রসঙ্গত, বর্তমান শিন্ডে  মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা দুই। একজন মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে, আর অন্যজন উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। মন্ত্রিসভা শীঘ্রই সম্প্রসারিত হবে বলেও জানা গিয়েছে শিবসেনা সূত্রে।

    আরও পড়ুন : শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

     

  • Cities Renamed in Maharashtra: শেষবেলায় দুই শহরের নাম বদল, হিন্দুত্ববাদ প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা উদ্ধবের!

    Cities Renamed in Maharashtra: শেষবেলায় দুই শহরের নাম বদল, হিন্দুত্ববাদ প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা উদ্ধবের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুসপ্তাহের টানাপোড়েন। অবশেষে গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে পা রেখেছিলেন নির্বাচনী রাজনীতিতে। শেষ মুহূর্তে বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে ‘মহা বিকাশ আঘাডি’ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মসনদে বসেছিলেন উদ্ধব। কিন্তু এত ঘটা করে সিংহাসনে বসেও শেষ রক্ষা হল না। মাত্র আড়াই বছরেই ভেঙে গেল উদ্ধব রাজত্ব। ছাড়লেন বিধান পরিষদের সদস্য পদও। ইস্তফা দিয়েই বলেছেন কোনও আফসোস নেই। সত্যিই কী শুরু থেকেই পদের প্রতি এতটা নির্মোহ ছিলেন উদ্ধব?

    আরও পড়ুন: আস্থাভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন উদ্ধব, গোয়ায় পৌঁছল একনাথ শিবির 

    মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অবস্থা যখন টালমাটাল তখন রাজ্যবাসীর মন পেতে চেষ্টার কোনও কসুর করেননি উদ্ধব। শেষবেলায় ফের হিন্দুত্বের পথেও হেঁটেছেন তিনি। গতকালই ঔরঙ্গাবাদের (Aurangabad) নাম পরিবর্তন করে সম্ভাজিনগর করার অনুমোদন দিয়েছে উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভা!  মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নামে নয় এবার ছত্রপতি শিবাজির ছেলে শম্ভাজির ( Sambhajinagar) নামে শম্ভাজিনগর হতে চলেছে ওই এলাকার নাম। ওসমানাবাদেরও (Osmanabad) নাম পাল্টে হচ্ছে ধারাশিব (Dharashiv)। হায়দ্রাবাদের শেষ নবাব মীর ওসমান আলি খানের নামে ছিল এই শহরের নাম। এই দুই শহরের নাম বদলের দাবি বহুদিনের। মারাঠা ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারকে প্রমাণ করে  ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ চেষ্টাটি করেছিলেন উদ্ধব।    

    এই সিদ্ধান্ত যে নিজের হিন্দুত্ববাদ প্রমানের মরিয়া চেষ্টার ফসল তা সহজেই বোঝা যায়। অর্থাৎ ইস্তফার কয়েক ঘণ্টা আগেও আশা ছাড়েননি উদ্ধব। কিন্তু তরী ডোবা আটকানো যায়নি।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ফড়নবিশের নেতৃত্বে সরকার গড়ছে বিজেপি? মন্ত্রিসভায় কারা?   

    সুত্রের খবর, এই প্রস্তাবে একেবারেই রাজী ছিল না শিবসেনার জোটসঙ্গী এনসিপি। তবে এদিনের বৈঠকের শেষ তিন মিনিটে আবেগপ্রবণ ঠাকরে কংগ্রেস ও এনসিপিকে ধন্যবাদ জানায় পাশে থাকার জন্য। এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরেই ইস্তফার সিদ্ধান্ত জানান উদ্ধব ঠাকরে। 

    উদ্ধবের এমন পরিণতিতে বিভিন্ন মহলের বিভিন্ন বক্তব্য সামনে আসছে। অনেকেই মনে করছেন, বিজেপি-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি থেকে সরে এসে ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে ঝোঁকার মতো সিদ্ধান্ত উদ্ধবের বিপক্ষে গিয়েছে। অনেকে আবার ছায়াসঙ্গী তথা দলের মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতকেও উদ্ধবের পতনের জন্য দায়ী করেছেন।

     

LinkedIn
Share