Tag: australia vs south africa

australia vs south africa

  • ICC World Cup 2023: রোহিতের হাতে কাপ দেখার স্বপ্ন! ইডেন কেন সমর্থন জানাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে?

    ICC World Cup 2023: রোহিতের হাতে কাপ দেখার স্বপ্ন! ইডেন কেন সমর্থন জানাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রিন্স অফ ক্যালকাটার চোখের সামনে থেকে বিশ্বকাপ নিয়ে গিয়েছিলেন রিকি পন্টিং। ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারত খেলেছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ফাইনালে ভারত হেরেছিল ১২৫ রানে। তাই কলকাতা যেন কোনওভাবেই চায় না ফাইনালে মুখোমুখি হোক ভারত-অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার ইডেনের গ্যালারি অন্তত তাই বলছিল। আমেদাবাদে রোহিতের হাতে যে কোনও মূল্যে কাপ দেখার স্বপ্নই বুনে চলেছে কলকাতা-সহ গোটা দেশ।

    প্রোটিয়াদের সমর্থন

    বৃহস্পতিবার, টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট করতে এলে উল্লাসে ফেটে পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন। কিন্তু দ্রুত উইকেট পড়ে গেলে খানিকটা চুপ করে যায় ইডেন। এরপর ডেভিড মিলার সেঞ্চুরি করতেই শব্দব্রহ্ম ইডেনে। ওঠে মেক্সিকান ঢেউ-ও। আর দ্বিতীয় পর্বে! গ্যালারি যেন মনে প্রাণে চাইছিল, ২১২ রানের পুঁজি নিয়ে কোনও ম্যাজিক হোক। বেশ কিছু হাফ-চান্স, ইডেনের হতাশা বাড়াল। অস্ট্রেলিয়া তিন উইকেট হারাতেই ফের মেক্সিকান ওয়েভ গ্যালারিতে। শামসি-মহারাজের কোনও ডেলিভারি টার্ন করতেই ম্যাজিকের প্রত্যাশা বাড়ল। কিন্তু পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের রোখা সহজ নয়। নক-আউটে ব্যাগি গ্রিনরা যে ভয়ঙ্কর তা বিলক্ষণ জানে কলকাতা।

    আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়া

    বিশ্বকাপ রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। পুরুষদের একদদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া মোট ১৩ বার একে অপরের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছে। এরমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল আটটা ম্যাচে জয়লাভ করেছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালে, ১৯৮৭ সালে, ২০১১ সালে এবং ২০১৯ সালে এবং চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জয়লাভ করেছিল। ২০০৩ সালে এই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই টিম ইন্ডিয়া ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ২০১৫ সালে এই দুই দলের মধ্যে সেমিফাইনাল ম্যাচে টক্কর হয়। দুবারই পরাজিত হয় ভারত। একদিনের ফরম্যাটে রেকর্ডের দিকে তাকালেও অস্ট্রেলিয়া অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৫০টি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারত জিতেছে ৫৭টি ম্যাচে। আর ৮৩টি ম্যাচে তারা হেরে গিয়েছে। এছাড়া ১০টি ম্যাচ অমীমাংসিত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: আবারও আটকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা! ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া

    রেহিতদের নিয়ে আশা

    সময় বদলেছে। পরিবর্তন হয়েছে মানসিকতার। রোহিতের ভারত এখন অবশ্য অপরাজেয়। চলতি বিশ্বকাপের ১০টি ম্যাচের ১০টিতেই জিতেছে মেন-ইন-ব্লু। সোনার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে আর মাত্র একটা ধাপ দূরে কোহলি-শামিরা। রোহিতের ভারত শুধু জিততে জানে। তাই ইডেনে বৃহস্পতিবার, ম্যাচ শেষে ছিল একটাই আওয়াজ এবার ২০০৩-এর বমধুর প্রতিশোধ নিতে হবে। কলকাতার জামাই মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত পেরেছিল। ২০১১ সালে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে জিতেছিল ধোনি-ব্রিগেড। রোহিতরাও পারবে বিশ্বাস ক্রিকেট পাগল কলকাতার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: আবারও আটকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা! ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া

    ICC World Cup 2023: আবারও আটকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা! ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেকটা কাছে পৌঁছেও সেমিফাইনালের বাধা পেরোতে ব্যর্থ প্রোটিয়ারা। ৩ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৯৯ ও ২০০৭ সালের পর আবার ২০২৩-এর ক্রিকেট বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ বারের চ্য়াম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া প্রথম ট্রফি জিতেছিল ইডেন গার্ডেন্সেই। ১৯৮৭ সালে প্রথম ট্রফি জয়ের মঞ্চে অষ্টম ফাইনাল নিশ্চিত করল অজিরা। রবিবার আমেদাবাদে ভারতের সামনে ব্যাগি গ্রিনরা।

    ‘চোকার্স’ তকমা মুছল না

    এদিনও ‘চোকার্স’ তকমা মুছে ফেলতে পারল না টেম্বা বাভুমার দল। বিশ্বকাপের শুরু থেকে দারুণ ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেনা গেল না সেমিফাইনালের অর্ধেক সময়। পাঁচ বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে পাঁচ বারই হারল দক্ষিণ আফ্রিকা।  এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেন বাভুমা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের ফসল ঘরে তুলতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ২১২ রানেই শেষ হয়ে গেল তাদের ইনিংস। ডেভিড মিলার ১০১ রানের লড়াকু ইনিংস না খেলতে পারলে এবং হেনরিক ক্লাসেন ৪৭ রান না করলে বড় লজ্জায় পড়তে হত দক্ষিণ আফ্রিকাকে। 

    সহজ হল না অস্ট্রেলিয়ার জয়

    এক দিনের ক্রিকেটে ২১৩ রানের লক্ষ্য তেমন বড় নয়। ইডেনের ২২ গজে সেই রান খুব সহজে তুলতে পারল না অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার অবশ্য ইনিংস শুরু করেন আগ্রাসী মেজাজে। ৪৮ বলে ৯টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে ৬২ রান করলেন হেড। ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাট থেকে এল ১৮ বলে ২৯ রানের ইনিংস। ১টি চার এবং ৪টি ছয় মারলেন তিনি। মার্করাম এবং কেশব মহারাজ দুই ওপেনারকে পর দু’ওভারে আউট করতেই চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেই চাপ সঙ্গী হল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গোটা ইনিংসে। তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ হলেন মিচেল মার্শ (শূন্য)। দলকে তেমন ভরসা দিতে পারলেন না স্টিভ স্মিথ (৬২ বলে ৩০), মার্নাস লাবুশেন (৩১ বলে ১৮), গ্লেন ম্যাক্সওয়েলরা (১)। শেষ দিকে লড়াই করলেন জশ ইংলিস। তাঁকে সঙ্গ দিলেন স্টার্ক। শেষ পর্যন্ত স্টার্কের সঙ্গে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে গেলেন অধিনায়ক কামিন্স।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AUS vs SA: ইডেনের আকাশে কালো মেঘ! টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার

    AUS vs SA: ইডেনের আকাশে কালো মেঘ! টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা। ইডেনের খটখটে ন্যাড়া উইকেট চটের কভার দিয়ে ঢাকা ছিল দুপুর পর্যন্ত। স্পিনাররা মারাত্মক সুবিধে পাবেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা বেশ কষ্টকর। তাই টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে রোহিত শর্মার ভারতীয় দল। রবিবার ট্রফির লড়াইয়ে কারা তাঁদের প্রতিপক্ষ হবে, তা ঠিক হবে ইডেনের বাইশ গজে। 

    টস গুরুত্বপূর্ণ

    এই ম্যাচে টস যে এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। উইকেট দেখে সিএবি প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বলছিলেন, ‘পরে যারা ব্যাট করবে, মহা চাপে পড়বে।’ কয়েক দিন আগে এই ইডেনেই ভারতের বিরুদ্ধে ৮৩ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদবের স্পিন সামলাতে ডানদিক-বাঁদিক খুঁজে পাননি কুইন্টন ডি’ককরা। সে দিক থেকে দেখলে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পার হাতে আজ তৈরি হতে পারে ম্যাচের ভাগ্য। সাহায্য পাবেন ম্যাক্সওয়েলও।

    ম্যাড-ম্যাক্স শো

    বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা মুখিয়ে রয়েছেন ম্যাড-ম্যাক্স শো দেখার জন্য। ইডেন গার্ডেন্সের পিচ ব্যাটারদের জন্য খুবই ভালো। তবে স্পিনারদের জন্যও এই পিচে সুবিধা রয়েছে। পেসাররা এখান থেকে খুব বেশি সাহায্য পাবেন না। ব্যাটাররা সেট হয়ে গেলে তাদের রান করা থেকে আটকানো সহজ হবে না। যে দল টসে জিতবে সেই দল প্ৰথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    দক্ষিণ আফ্রিকা কখনও বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেনি। হ্যান্সি ক্রোনিয়ে থেকে গ্রেম স্মিথ – অসাধারণ সব অধিনায়ক দুরন্ত সমস্ত দল নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছেন। কিন্তু সেমিফাইনালে গিয়ে বারবার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। ১৯৯৯ সালের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছেই হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল অন্য়তম ফেভারিট প্রোটিয়াদের। যদিও এবার গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে ইডেনের সেমিফাইনাল বৃষ্টিতে আজ পণ্ড হলে, শুক্রবার রিজার্ভ ডে রয়েছে। আর দু’দিনই কোনও ভাবে খেলা না হলে, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা লিগ টেবলে অজিদের থেকে এক ধাপ উপরে দুই নম্বরে থাকার সুবাদে ফাইনালে চলে যাবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Australia in CWC23: আধ ডজন ক্যাচ মিস! পরপর ২টি ম্যাচ হার, এ যেন ‘অচেনা’ অস্ট্রেলিয়া

    Australia in CWC23: আধ ডজন ক্যাচ মিস! পরপর ২টি ম্যাচ হার, এ যেন ‘অচেনা’ অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে দলকে বিশ্ব চিনত তাদের ফিল্ডিংয়ের জন্য, ব্যাটিং ও বোলিংয়ের পাশাপাশি বিপক্ষের মনে ভয় ধরাত যে দলের ফিল্ডিং, আজ সেই অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডিংয়ের এ কী হাল! স্রেফ একটি ম্যাচেই বিপক্ষের ছ-ছটি ক্যাচ ফস্কালেন অজি ক্রিকেটাররা। যার ফল দিতে হল ম্যাচ হেরে। প্রথমে ভারত, পরে দক্ষিণ আফ্রিকা— বিশ্বকাপে প্রথম ২টি ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হল প্যাট কামিন্সদের। যা অতীতে কখনও হয়েছে বলে কেউ মনে করতে পারছেন না।

    ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

    বৃহস্পতিবার, ব্যাটিং সহায়ক লখনউয়ের পিচেও ব্যাটিং ধরাশায়ী হয় অস্ট্রেলিয়ার। জেতার জন্য কামিন্সদের সামনে ৩১২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের কাছে তা সমস্যার নয়। কিন্তু, এই রান তাড়া করতে গিয়েই হোঁচট খেল ওয়ার্নার, স্মিথ, লাবুশেন, ম্যাক্সওয়েল সমৃদ্ধ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। ১৭৭ রানেই শেষ হয়ে যায় অজিদের ইনিংস। প্রথম ম্যাচে চেন্নাইয়ের ঘুর্ণি পিচে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ১৯৯ রান। কিন্তু, লখনউয়ের পিচ একেবারে সোজা। সেখানেও ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা। 

    জঘন্য অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডিং

    এ তো গেল ব্যাটিং-ব্যর্থতার আখ্যান। এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ের সময় জঘন্য ফিল্ডিংয়ের উদাহরণ পেশ করল টিম কামিন্স। এক বা দুটো নয়, একেবারে ৬টা ক্যাচ ফস্কালেন অজি ফিল্ডাররা। বাভুমার ক্যাচ তিন বার এবং মার্করাম, জানসেন ও মিলারের ক্যাচ এক বার করে পড়ে। একটা সময় দেখে বিশ্বাস হচ্ছিল না, এটাই কি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন টিম? ফিল্ডিং ও ব্যাটিং যদি অজস্র প্রশ্ন তুলে দিয়ে থাকে, তাহলে পিছিয়ে নেই দলের বোলিংও। অন্তত দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ তাই প্রমাণ করে। 

    নির্বিষ অস্ট্রেলিয়ার বোলিং

    ভারতের বিরুদ্ধে অজি বোলারদের মধ্যে লড়াইয়ের একটা চেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। ১৯৯ স্কোরে থমকে যাওয়া সত্ত্বেও শুরুতেই ভারতের তিন উইকেট তুলে লড়াই করার একটা জায়গা তৈরি করে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা। যদিও, বিরাট-রাহুল যুগলবন্দি তাদের সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছিল। কিন্তু, বৃহস্পতিবার প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে স্টার্ক, কামিন্স, হেজেলউড, জাম্পা সমৃদ্ধ বিপক্ষের মনে ভয় ধরানো অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত বোলিং লাইনআপকে একেবারে ক্লাবস্তরে নামিয়ে আনেন বাভুমা-ডি’কক-মার্করামরা। বিশ্বকাপে, অস্ট্রেলিয়ার এরকম নির্বিষ বোলিং শেষ কবে দেখা গিয়েছিল, সেই প্রশ্ন সকলের মনে ঘুরপাক খেতে থাকে। 

    প্রবল চাপে অস্ট্রেলিয়া

    প্রথম ২টি ম্যাচ হেরে টিম কামিন্স যে প্রবল চাপে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে, অস্ট্রেলিয়া যে ফিরে আসতে পারে, তেমন সুযোগ রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপের ফরম্যাট লিগের মতো। ফলত, ১০টি দল প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে খেলবে। অর্থাৎ, প্রতি দল ৯টি করে ম্যাচ খেলবে। পয়েন্ট তালিকায় থাকা প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে যাবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক লক্ষ্য হল ওই প্রথম চারে থাকা। সেই সুযোগ অবশ্যই রয়েছে। তবে, তার আগে দলের ভুল-ত্রুটিগুলো এখনই শুধরে ফেলতে হবে পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share