Tag: Avishek Banerjee

Avishek Banerjee

  • Avishek Banerjee: লাল কার্পেট, এলাহি আয়োজন, তবুও তৃণমূল বিধায়কের বাড়িমুখো হলেন না অভিষেক

    Avishek Banerjee: লাল কার্পেট, এলাহি আয়োজন, তবুও তৃণমূল বিধায়কের বাড়িমুখো হলেন না অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সামনের রাস্তা লাল কার্পেটে মোড়া। খাওয়ার জন্য এলাহি আয়োজন। সকাল থেকে পিল পিল করে কর্মী- সমর্থক এসে বা়ড়ির সামনে ভিড় করছেন। মোতায়েন পুলিশও। একেবারে সাজ সাজ রব। আর হবে নাই বা কেন, তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) আসার কথা রয়েছে দলের বর্ষীয়ান বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর ইসলামপুর গোলঘরের বাড়িতে। রবিবার দুপুরে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে খাওয়ার কথা ছিল দলের এই শীর্ষ নেতার। শনিবার তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই কথাও। কিন্তু, সকাল থেকেই কয়েকশো কর্মী-সমর্থককে নিয়ে করিমসাহেব প্রতীক্ষা করলেও কথা রাখেননি অভিষেক।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    তৃণমূলের বর্ষীয়ান বিধায়ক করিমসাহেবের খাসতালুক ইসলামপুরে দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) রবিবার সভা ছিল। সেই সভায় তৃণমূল বিধায়ক আমন্ত্রিত ছিলেন না। যা নিয়ে দলের অন্দরেই চর্চা চলছিল। বিধায়কের অভিমান ভাঙাতে উদ্যোগী হন অভিষেক (Avishek Banerjee) । তিনি রবিবার করিমসাহেবের বাড়িতে দুপুরে খাওয়াদাওয়া করবেন বলে বার্তা পাঠান। ভিভিআইপি যাবেন বলে পুলিশ প্রশাসনের কাছেও একই খবর ছিল। সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ফলে, করিমসাহেব ধরে নিয়েছিলেন অভিষেক তাঁর বাড়িতে আসছেন। এই খবর জানাজানি হতেই তাঁর বাড়িতে প্রচুর কর্মী-সমর্থক ভিড় করতে শুরু করেন। অবশেষে অভিষেক (Avishek Banerjee) করিমসাহেবের বাড়িতে না গিয়ে সোজা ইসলামপুরের কোর্ট ময়দানে দলীয় সভায় যোগ দেন। সভাস্থল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে করিমসাহবেবের বাড়ি। তিনি অভিমানে দলের সভায় যোগ দেননি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকশো কর্মী-সমর্থকও এদিন সভামুখো হননি। তৃণমূল নেতা মহম্মদ কফিরুউদ্দিন বলেন, করিমসাহেব আমাদের নেতা। তাঁকে অপমান করা হয়েছে। আমরাও তাই মিটিংয়ে যাইনি।

    অভিষেক (Avishek Banerjee) বাড়িতে না আসায় কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

     এদিন দিনভর অপেক্ষা করার পর অভিষেক (Avishek Banerjee)  না আসায় ক্ষোভ উগরে দিলেন করিমসাহেব। তিনি বলেন, আমি তো অভিষেককে আসতে বলিনি। তিনি নিজেই আসবেন বলেছিলেন। তাই, লাল কার্পেট সহ সব কিছুর আয়োজন করেছিলাম। কয়েক হাজার কর্মী, সমর্থক এখানে জমায়েত হয়েছিলেন। সকলকেই তিনি হতাশ করলেন। আসলে আমি তো তাঁকে চিনি না। উনিও আমাকেও চেনেন না। রাজীব গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলেই আমার আশীর্বাদ নিয়েছেন। অভিষেক (Avishek Banerjee) আমার আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হলেন। আর দলীয় সভায় আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেই আমি যাইনি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে দলীয় বিভিন্ন ইস্যুতে প্রকাশ্যেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধায়ক। এমনকি জেলা নেতৃত্বের প্রতিও তাঁর বিদ্রোহী মনোভাব সকলের জানা। এমনিতেই দলীয় সভায় ডাক না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন তিনি,  এবার অভিষেক (Avishek Banerjee) তাঁর বাড়িতে না আসায় তিনি জেলা রাজনীতিতে কার্যত ব্রাত্য হয়ে গেলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বাংলায় নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে, নাম না করে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বাংলায় নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে, নাম না করে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। ইতিমধ্যেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের পর তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছে। তাপস সাহাকে সিবিআই জেরা করেছে। যদিও সিবিআই ফিরে যাওয়ার পর তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়। এই প্রসঙ্গে রবিবার শ্রীরামপুর দলীয় কার্যালয়ে সাংগঠনিক কাজে যোগ দিতে এসে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, দুর্নীতিতে শুধু তাপস সাহাই নয় তৃণমূলের এমন কোনও বিধায়ক নেই যে নিজের প্যাডে লিখে চাকরির জন্য সুপারিশ করেননি। আজ না হয় কাল সেই চিঠি সিবিআইয়ের হাতে পৌঁছাবে। সমস্ত চিঠি নিয়ে ১৪ তলায় একটি কম্পিউটারে কমপাইলেশন করা হয়েছিল। আমরা সেই নামটাও জানি। রাজনীতির যারা খবর রাখেন, তাঁরাও সেই নামটা জানেন। এই মাথারাও ধরা পড়বে। আর সিবিআই চলে যাওয়ার পর তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার মাংস ভাত খাওয়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাগল বলি হওয়ার আগে প্রচুর শাকপাতা খায়। এ যাত্রায় বেঁচে গেলেও পরের যাত্রায় বাঁচবেন কিনা গ্যারান্টি নেই। সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে, এই বুঝি সিবিআই খপাৎ করে ধরল। এই ভয়ে ভয়ে থাকুন কিছুদিন।

     অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ যাত্রাকে কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার শ্রীরামপুর দলীয় কার্যালয়ে আসেন। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে, উত্তরপাড়া পার্টি অফিসেও তিনি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। অভিষেকের আগামী জনসংযোগ যাত্রা নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, নজর ঘোরানো তো বটেই, তার সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে হয়, বাংলার জনগণকে তিনি চেনেনও না, জানেনও না। প্যারাসুট নিয়ে নেমেছেন। বাংলার মাটি কি, কোনওদিন দেখেননি। গ্রামেও যাননি, এখন যাচ্ছেন। এই জনসংযোগ যাত্রায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে বাস ভাড়া হবে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্যান্ডেল হবে, তাঁবু হবে। ফাইভ স্টার তাঁবু হবে। তাঁর এইসব কর্মকান্ড দেখে লিবিয়ার বেদুইন নেতা মহম্মদ গদ্দাফির কথা মনে পড়ছে। গদ্দাফি একসময় এরকম তাঁবু করে গ্রামে গঞ্জে থাকতেন। কারণ, তিনি হোটেলে থাকতে পারতেন না, যেহেতু বেদুইন ছিলেন। যাক নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে বাংলায়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tmc: চাঁচলের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে একী অভিযোগ?

    Tmc: চাঁচলের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে একী অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ চাকরি নয়, এবার দলীয় পদ বিক্রির অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। কোনও বিরোধী দলের অভিযোগ নয়। অভিযোগ করছেন খোদ তৃণমূলেরই নেতা। যে সে নেতা নন, তিনি মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য। নাম মহম্মদ সামিউল ইসলাম। অভিযুক্ত চাঁচলের বিধায়ক( Tmc Mla) নীহার রঞ্জন ঘোষ।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে। তৃণমূলের (tmc) বেআব্রু চেহারা ততই প্রকট হচ্ছে। মালদহের চাঁচলে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল এবার প্রকাশ্যে। তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য এবং দলীয় বিধায়কের বিবাদ তুঙ্গে। সম্পর্ক এতটাই তলানিতে ঠেকেছে, একে অপরের বিরুদ্ধে দলীয় পদ বিক্রির অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগ করেই থামেননি। রীতিমতো চিঠি দিয়েছেন কালীঘাটে। বিধায়কও দলীয় নেতার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ছাড়েননি। তাঁর দাবি, প্রকাশ্যে তোলাবাজি বন্ধ করেছেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    বিধায়কের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    কয়েকজন ঠিকাদার নিয়ে দল পরিচালনা করছেন চাঁচলের বিধায়ক( Tmc Mla) নীহার রঞ্জন ঘোষ। এমনকী তিনি অর্থের বিনিময়ে পদও বিক্রি করছেন। এমনই অভিযোগ আনলেন তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ সামিউল ইসলাম। তিনি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) কাছেও এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। গত বিধানসভা ভোটের পর থেকেই দুজনের কাজিয়া চলছে। অভিযোগ, চাঁচলের নিজের দাপট বজায় রাখতেই দলীয় প্রার্থীকেই হারাতে চেয়েছিলেন। ফলে, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর জেলা পরিষদের এই সদস্যকে তিনি কাছে ভিড়তে দেননি। দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকেও। খবর জানতেন কালীঘাটও। মালদহের প্রশাসনিক সভাতেও মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তবে, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, চাঁচল কার দখলে থাকবে তা নিয়ে দুজনের বিবাদ তুঙ্গে। তার ফলেই এই চিঠি এবং পাল্টা বিবৃতি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ভালো অবস্থাতে যে তৃণমূল কংগ্রেস নেই তা পরিষ্কার। দুপক্ষ সক্রিয় অপর গোষ্ঠীর প্রার্থীদের হারাতে।

    প্রকাশ্যে একনেতা আরেক নেতার বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ক্ষুব্ধ মালদহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে।

    কার হাতে পঞ্চায়েতের টিকিট দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে, কে কত বেশি কাট মানি নিতে পারবে এই নিয়েই তৃণমূলে বিবাদ, কটাক্ষ বিজেপির। উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলে গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার নিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই তাদের গোষ্ঠী কোন্দল বেড়ে চলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে টিকিট দিতে পারবে, কে কাটমানির বেশি ভাগ বাটোয়ারা পাবে, এই নিয়ে এদের মধ্যে গন্ডগোল। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই। পঞ্চায়েত নির্বাচন আসলেই তা টের পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share