Tag: awami leauge

awami leauge

  • Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Election) জাতীয় সংসদের নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে রবিবারই। সেদিন সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনা। নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীরা বুধবার অর্থাৎ আজকে শপথ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়া মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন (Bangladesh Election) হবে বৃহস্পতির সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সরকারি সূত্রে  এ কথা জানা গিয়েছে। হাসিনার দলের এই বিপুল জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমেত আন্তর্জাতিক মহলে আরও ২০টি দেশ। যার মধ্যে রয়েছে জাপান, থাইল্যান্ড সমেত অন্যান্য দেশ।

    কী বলছেন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব

    বাংলাদেশ (Bangladesh Election) সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব মহম্মদ মাহবুব হোসেন মঙ্গলবার বলেন, ‘‘বুধবার সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যেরা শপথ নেবেন। এর পরে ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বঙ্গভবনে হবে এই শপথ অনুষ্ঠান।’’ প্রসঙ্গত, হাসিনার মন্ত্রিসভায় কারা মন্ত্রী হবেন, সে বিষয়ে কিছু জানান নি তিনি। জানা গিয়েছে, সেদেশের জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-এর নির্বাচিত সাংসদেরা বুধবার শপথের অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন না। বাংলাদেশের (Bangladesh Election) সংবিধান অনুযায়ী, প্রথমে স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান। সেসময় কোনও সাংসদ উপস্থিত থাকতে না পারলে, পরবর্তীকালে এই শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচিত সাংসদরা প্রথম বৈঠক থেকে পরববর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত হাজির না থাকলে তাঁর আসন শূন্য বলে ধরে নেওয়া হবে।

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হয় বাংলাদেশে

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। কিন্তু ভোট হয় ২৯৮ আসনে। কারণ ১টি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু হয় এবং অপর একটি আসনে সব মনোনয়নগুলি বাতিল হয়ে যায়। ২৯৮ আসনের মধ্যে হাসিনার দল পেয়েছে ২২৫ আসন। আওয়ামি লিগ জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-কে ২৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে দেয়। তারা ১১টিতে জিতেছে। নির্দল ও অন্যরা পেয়েছে ৬২টি। জানা গিয়েছে, জয়ী নির্দলদের বেশিরভাগই আওয়ামি লিগের সদস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ঠিক কোথায় রয়েছেন? বিগত কয়েকদিন ধরে এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য পুলিশকে তাঁর প্রশ্ন, কেন এখনও শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হল না? অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতেই নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তবে তাঁর খোঁজে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে গোয়েন্দাদের হাতে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ অথবা মায়ানমারে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছেন সন্দেশখালির এই নেতা।

    নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও

    ইতিমধ্যে আগেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, ওই লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পরেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পক্ষে সীমান্ত পার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, শাহজাহানের উপরে নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও, কারণ সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে বলেই জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে কান পাতলে এখনও শোনা যায় যে শেখ শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে উঠে এসেছেন।

    সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান

    তবে গোয়েন্দাদের হাতে যে নতুন তথ্য এসেছে তাতে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে, সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং একের পর এক তাঁর অবস্থান বদল করছেন। অন্তত মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে তেমনটাই জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখন নাকি একটি মাত্র মোবাইল ব্যবহার করছেন শাহজাহান। সেই সিমের লোকেশন অনুযায়ী তদন্তকারীদের কাছে এই তথ্য মিলছে। তবে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে শাহজাহানের ফোন অন্য জনের কাছে রয়েছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বাংলাদেশ পালানোটা কঠিন হলেও অন্ততপক্ষে গোপনে নদী পেরিয়ে সেখানে যাওয়ারই পরিকল্পনা করছেন শাহজাহান।

    শাহজাহানের লোকেশন

    ইডি সূত্রে খবর মিলেছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) প্রথম লোকেশন সরবেড়িয়া গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন বলেই অনুমান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। দ্বিতীয় লোকেশন পাওয়া যায় সন্দেশখালিতে। এরপরে হিঙ্গলগঞ্জে কয়েক ঘণ্টা ছিলেন শাহজাহান। তারপরে আবার বেপাত্তা হয়ে যান তিনি। রবিবার তাঁর লোকেশন পাওয়া যায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তীর কুমড়োখালি এলাকায়। ইতিমধ্যে ভোটের ফলাফল বেরিয়েছে বাংলাদেশের। সে দেশে আবার তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লিগের সরকার। গোয়েন্দাদের অনুমান, এবার জলপথে বাংলাদেশ পালিয়ে যেতে চান শাহজাহান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) নিজের কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। ফের একবার মসনদে হাসিনার দল আওয়ামী লিগ। বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হয়, এর মধ্যে হাসিনার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল ২১৭টি আসনে। এর মধ্যে ১৬৪ আসনেই জয়ী হয়েছে হাসিনার দল (Bangladesh Election)। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশের মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লিগের টিকিটে লড়াই করে জয়ী হলেন ক্রিকেটার শাকিব আল হাসান।

    আড়াই লাখ ভোটে জয় হাসিনার

    মুজিবকন্যা তথা বাংলাদেশের (Bangladesh Election) প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগের অন্তর্গত গোপালগঞ্জ জেলার গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের ভূমিকন্যা। ১৯৯১ সাল থেকেই এই কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়ান তিনি। প্রতিবারই জয়ী হয়েছেন। তবে এবারের তাঁর জয় যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তাঁর প্রাপ্ত ভোট নয়া রেকর্ড তৈরি করেছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯০ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে হাসিনা একাই পেয়েছেন ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট। তাঁর ‘নিকটতম’ প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিপি দলের শেখ আবুল কালাম পেয়েছেন ৪৬০টি ভোট। অন্যদিকে ৪২৫টি ভোট পেয়ে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জাকের পার্টির প্রার্থী মাহাবুর মোল্লা।

    রবিবার ছিল বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচন

    বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় রবিবার। সকাল ৮টা থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। উৎসবের মেজাজে চলতে থাকে ভোট। ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টেয়। মোট ৩০০টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নওগাঁ-২ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল হয়। ভোট শেষ হলে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনার প্রক্রিয়া। রবিবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ বেসরকারি ভাবে হাসিনার জয়ের খবর প্রকাশ্যে আনে বাংলাদেশের (Bangladesh Election) একটি সংবাদমাধ্যম। বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৬৯ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।

    ভোট বয়কট করেছিল বিএনপি

    তবে, এই নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা আগেই করেছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি। ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছিল আরও একাধিক রাজনৈতিক দল। ভোটের আগের দিন শনিবার থেকে দেশে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাকও দেয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। তাদের দাবি ছিল, এই ভোট একতরফা ভাবে করা হচ্ছে। যদিও, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ নেতা এ কে আব্দুল মোমেন বিরোধীদের অভিযোগ খারিজ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anti Hindu Violence: বাংলাদেশের অন্যতম সতীপীঠ চন্দ্রনাথ মন্দিরের দখল নিচ্ছে মৌলবাদীরা?

    Anti Hindu Violence: বাংলাদেশের অন্যতম সতীপীঠ চন্দ্রনাথ মন্দিরের দখল নিচ্ছে মৌলবাদীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দু পীঠস্থানগুলি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এই তালিকায় নবতম সংযোজন চট্টগ্রামের চন্দ্রনাথ মন্দির। কয়েক দিন ধরেই চট্টগ্রামের চন্দ্রনাথ মন্দিরকে ঘিরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার (Anti Hindu Violence) খবর মিলেছে। এরই মধ্যে দুষ্কৃতীদের হামলায় চন্দ্রনাথ ধামের ১০ জন ভক্ত আহত হয়েছেন তিন দিন আগেই। চন্দ্রধাম হল হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান। ভক্তদের বিশ্বাস এখানে মাতা সতীর ডান হাত পড়েছিল। এক হাজার কুড়ি ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের উপর অবস্থিত এই মন্দির হিন্দুদের (Anti Hindu Violence) পবিত্র আস্থাস্থল বলে পরিচিত। বহু পুণার্থী এখানে আসেন তাঁদের মনস্কামনা পূরণের জন্য।

    মন্দির চত্বরেই চলছে গো-মাংস রান্না!

    অভিযোগ, পবিত্র এই ধর্মস্থানে উঠে এসেছে বেশ কিছু মুসলিম দোকানদার, ততদূর পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু এই সমস্ত দোকানগুলিতে এমন কিছু কাজ করা হচ্ছে যা হিন্দু ধর্মের (Anti Hindu Violence) ভাবাবেগে আঘাত লাগছে। ২০২২ সালের পর থেকেই চন্দ্রনাথ মন্দিরের আশপাশের এই দোকানগুলিতে গরুর মাংস রান্না করার অভিযোগ ওঠে এবং কিছু উগ্র মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যরা পাহাড়ি এই মন্দিরে ঘনঘন যাতায়াত শুরু করে। এতেই বোঝা যায় তাদের উদ্দেশ্য। মন্দির চত্বরকে অপবিত্র করা এবং ভক্তদের উপর হামলার ঘটনায় সে দেশের সংখ্যালঘু সংগঠন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বর্তমানে উগ্রপন্থী মুসলমানরা মন্দির চত্বরে ‘আল্লাহু আকবর’ এবং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ধ্বনি তুলছে এবং মন্দিরকে ঘিরে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছে।

    মৌলবাদীরা রাজনৈতিক মদতপুষ্ট

    বাংলাদেশের ওই সংখ্যালঘু সংগঠনের আরও অভিযোগ, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকেই মন্দিরের (Anti Hindu Violence) চত্বরে নামাজের আয়োজন করে মৌলবাদীরা এবং মন্দিরের পাশেই একটি মসজিদ বানানোর পরিকল্পনা শুরু করে। এর পাশাপাশি সেখানে  নানা গুজবও ছড়ানো হতে থাকে। জানা গিয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ যারা করছে তারা সবাই জামাতের সদস্য। এই জামাত আবার বিএনপি বা বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির সঙ্গে জোটে রয়েছে। আবার এই ধরনের কার্যকলাপে যুক্ত অনেকেই হেফাজত-এ-ইসলাম বাংলাদেশ নামে সংগঠনের সদস্য। যাদের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে আবার শাসকদল আওয়ামি লিগের। ডিসেম্বর মাস পড়তেই এই বিবাদ চরম আকার ধারণ করতে শুরু করে। সেখানে দর্শন করতে যাওয়া অনেকের কাছেই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি উগ্রপন্থীরা উস্কানিমূলক স্লোগানও দিতে থাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share