Tag: ayan shil

ayan shil

  • Municipality Recruitment Scam: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    Municipality Recruitment Scam: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন’–ঠিক এই কথাটাই যেন প্রযোজ্য রাজ্যের ক্রমবর্ধমান দুর্নীতির খতিয়ান ও তাতে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের জড়িত থাকার বিষয়টিতে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে গরুপাচার, কয়লা পাচারে একাধিক রাজ্যের শাসক দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতামন্ত্রীদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে, অভিযোগ উঠেছে। ব্যতিক্রম নয় পুর-নিয়োগ দুর্নীতিও। বর্তমান শাসকের জমানায় দুর্নীতি যে কীভাবে দল ও প্রশাসনকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রেখেছে, তার আরেকটা উদাহরণ দেখা গেল বৃহস্পতিবার।

    সকাল ৬টায় মন্ত্রীর দুয়ারে ইডি

    এদিন পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের আরেক মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ল। বৃহস্পতিবার সাত সকালে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। পুর-নিয়োগ দুর্নীতির (Municipality Recruitment Scam) তদন্তে কলকাতা সহ রাজ্যের ১২ জায়গায় এক যোগে ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সেই সূত্রেই এদিন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান রথীন ঘোষের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। 

    এদিন, সকাল ৬টা নাগাদ খাদ্যমন্ত্রীর মাইকেলনগরের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ৫টি গাড়িতে রথীনের বাড়িতে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। সকাল থেকেই চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান (Municipality Recruitment Scam)। বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। বাড়িতেই রয়েছেন রথীন ঘোষ। খাদ্যমন্ত্রী সহ তাঁর পরিবারের লোকজনদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু খাদ্যমন্ত্রীর বাড়িই নয়, এদিন কামারহাটি পুরসভার তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যান গোপাল সাহার অমৃতনগরের বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। পাশাপাশি বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিকের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে ইডির একটি দল। টিটাগড়ের প্রাক্তন পুর চেয়ারপার্সন প্রশান্ত চৌধুরীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিতাই দত্তের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। মোট ১২টি টিমে ভাগ হয়ে ৮০ জন ইডি আধিকারিক নেমেছেন অভিযানে।

    অয়ন শীলের সঙ্গে কী সম্পর্ক রথীনের?

    ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেআইনিভাবে পুরসভায় নিয়োগ (Municipality Recruitment Scam) সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে ইডি। এর মধ্যে অন্যতম হল মধ্যমগ্রাম পুরসভা। রথীন দীর্ঘদিন ধরে মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে, নিয়োগ-দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি চেয়ে মধ্যমগ্রাম পুরসভার কাছে নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। সেই নথি ইডি-র দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ। সূত্রের খবর, ফাইল ঘেঁটে বেশ কিছু সন্দেহজনক তথ্য উঠে আসে। সেখানে রথীন ঘোষের উল্লেখ মেলে। পাশাপাশি, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম কিংপিন অয়ন শীল তাঁর বয়ানে রথীন ঘোষের নাম উল্লেখ করেছেন। এমনকি, অয়ন শীলের বাড়িতে বাজেয়াপ্ত করা নথিতে উল্লেখ ছিল রথীনের নাম। সেই সূত্রেই এদিন রথীন ও তাঁর অনুগামীদের বাড়িতে একযোগে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে ইডি (Enforcement Directorate)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুরসভাগুলিতে নিয়োগ-দুর্নীতির মামলা কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) নতুন ডিভিশন বেঞ্চে গেল। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এই মামলা পাঠালেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে। এই সপ্তাহেই পুরসভার নিয়োগ-দুর্নীতির মামলার শুনানি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

    পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানায় রাজ্য। পরবর্তীকালে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এবং বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফিরিয়ে দেয়। তা চলে যায় প্রধান বিচারপতির কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    পুরনিয়োগ দুর্নীতি

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বলাগড়ের তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই উঠে আসে অয়ন শীলের নাম। তার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ওএমআর শিট মেলে। ইডির দাবি, রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভায় অন্তত ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিল প্রমোটার অয়ন শীল (Ayan Sil)। অয়নকে জেরা করেই এই তথ্য হাতে পান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। অয়নের ফ্ল্যাটের ডাস্টবিন থেকে পাওয়া কাগজে একাধিক পুরসভার নাম পাওয়া যায়। এই ডাস্টবিনেই পাওয়া যায় পুরসভায় চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাও। পুরসভার টেন্ডারেও একচেটিয়া নাম দেখা যায় অয়নের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক বার দাবি করেছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে রাজ্যের অন্তত ৬০টি পুরসভায় টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। ইডির দাবি, মোট ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট আবার এই মামলা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) ফিরিয়ে দেয়।  এই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করলেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে অয়ন পত্নী কাকলি, কী তথ্য উঠে এল?

    Recruitment Scam: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে অয়ন পত্নী কাকলি, কী তথ্য উঠে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির তলবে এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে যান নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি। সূত্রের খবর, অয়ন শীলের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি মিলেছে, তাতে কাকলির নাম রয়েছে। কাকলির নামে কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও হদিস পাওয়া গেছে বলে জানা যাচ্ছে। ইডি আধিকারিকরা ওই আকাউন্টগুলির লেনদেন খতিয়ে দেখছেন।
    শুধু কাকলি নয়, অয়নের ছেলে ও অয়নের কোম্পানির দুই কর্মচারীকেও তলব করা হয়েছে। তবে এদিন শুধু কাকলিকেই সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা গেছে। প্রসঙ্গত, অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজ়োনে কাকলি অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন বলে ইডি সূত্রের খবর।

    অয়নের ছেলের পেট্রোল পাম্প নিয়োগ দুর্নীতির টাকায়

    ইডি সূত্রে খবর, অয়নের ছেলের নামে একটি পেট্রল পাম্পও রয়েছে। অনুমান, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) তোলা টাকা এই ব্যবসায় লাগানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অয়নের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অয়ন ছিলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বন্ধু। সূত্রের খবর, তাঁর অফিস থেকে ওএমআর শিট, চাকরিপ্রার্থীর তালিকা ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। কিছু অ্যাডমিট কার্ডও পাওয়া গেছে।

    আরও পড়ুন: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    পুরসভার নিয়োগের ওএমআর শিট মিলেছে অয়নের বাড়ি থেকে

    কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, অয়নের কাছ থেকে যেসব ওএমআর শিট পাওয়া গেছে তা পুরসভা নিয়োগ (Recruitment Scam) সংক্রান্ত। এছাড়াও এমনকিছু তথ্য মিলেছে যেখানে অয়নের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীর নাম পাওয়া গেছে বলে ইডির দাবি।
    ইডির বক্তব্য, শ্বেতার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আর্থিক লেনদেন হয়েছে। তাঁর অ্যাকাউন্টে মোট ২৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে শ্বেতার যোগ রয়েছে কিনা তা এখনও তদন্ত সাপেক্ষ। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য শ্বেতাকেও ডাকা হয়।

     

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় শ্বেতা চক্রবর্তী অন্তত ৮ জন প্রভাবশালীর নাম বলেছেন

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন শ্বেতা। তাঁকে প্রায় ৫ ঘণ্টা জেরা করেন ইডির গোয়েন্দারা। শোনা যাচ্ছে, জেরায় শ্বেতা চক্রবর্তী অন্তত ৮ জন প্রভাবশালীর নাম বলেছেন যাঁরা নিয়মিত অয়নের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। সূত্রের খবর, তিনি এও স্বীকার করে নিয়েছেন যে তাঁর বাবা মায়ের আকাউন্ট থেকে অয়ন কালো টাকা সাদা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে আদালতে তুলে ইডি-র মুখে কৃষ্ণনাম কেন?

    ED: শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে আদালতে তুলে ইডি-র মুখে কৃষ্ণনাম কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সোমবার ভোরে শান্তনু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে ইডি (ED) গ্রেপ্তার করেছে। ৩৭ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জেরা করার পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি (ED)  তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি ইডি-র তদন্তকারীদের। প্রচুর নথিও উদ্ধার করেছেন তাঁরা। শুধুমাত্র শিক্ষক নিয়োগ নয়, পুরসভা ও দমকলের নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। অভিযোগ, তাঁর কাছে থেকে হাজার হাজার প্রার্থীর তথ্য মিলেছে। চাকরি দেওয়ার নামে অয়ন ৫০ কোটি টাকা তুলেছেন বলেও অভিযোগ । সোমবারই তাঁকে পেশ করা হয়েছে আদালতে। কেন্দ্রীয় সংস্থার মতে, দুর্নীতি এত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই বাঁচাতে পারে বাংলাকে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আরও দাবি, এখনও পর্যন্ত যা তথ্য তারা অয়নের অফিস ও বাড়ি থেকে পেয়েছে তার ভিত্তিতে এই দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু, এর বাইরেও বিপুল পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইলে এত তথ্য মিলেছিল, যাকে সোনার খনি বলে উল্লেখ করেছিল ইডি। এবার অয়ন শীলকে আদালতে পেশ করার পর ইডির (ED)  বক্তব্য, আমরা সোনার খনির খোঁজ পেয়েছি। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তাতে এই ব্যক্তির হাত গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই ব্যক্তির কোম্পানি ওএমআর শিট ছাপানোর দায়িত্বে ছিল। পুরসভার পরীক্ষায় প্রভাব খাটানো হত প্রভাবশালীদের দিয়ে, এমনটাও অভিযোগ কেন্দ্রীয় সংস্থার। ইডির (ED)  তরফে বলা হয়েছে, এই দুর্নীতি এতটা নীচে নেমেছে যে মজদুর ও টাইপিস্ট পদেও দুর্নীতি হয়েছে। রাজ্যের ৬০ টির বেশি পুরসভার নিয়োগে অয়নের ক্ষমতা ছিল বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুধু প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি, গ্রুপ ডি নয়, রাজ্যু জুড়ে দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে আছে বলে অভিযোগ।

    এদিন আদালতে কী বলেছে ইডি ? ED

     এটা শুধু এসএসসি বা টেটে নিয়োগের দুর্নীতির বিষয় নয়। এই দুর্নীতি রাজ্য সরকারের সব দপ্তরে হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি পরিসংখ্যান খোলা আদালতেই বলে ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, রাজ্যের ৬০টি পুরসভায় অন্তত পাঁচ হাজার বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। যার জন্য ৫০ কোটি টাকা তুলেছিলেন এই অয়ন শীল। ইডি এও বলেছে, সবটা এখানে বলা যাচ্ছে না। কেস ডায়েরিতে সবটা রয়েছে। বিচারকের উদ্দেশে ইডি-র আইনজীবী বলেন, সবটা দেখলে আপনি শিউরে উঠবেন। এদিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখে কৃষ্ণনামও শোনা গিয়েছে। আদালত কক্ষে ইডি বলে, মহাভারতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় যেমন অর্জুনকে পথ দেখিয়েছিলেন ভগবান কৃষ্ণ, তেমন এখানেও শ্রীকৃষ্ণ ছাড়া কেউ পথ দেখাতে পারবেন না। এর আগে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইল ফোনকে সোনার খনি বলেছিল ইডি। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি বলে, সেই ফোন থেকেই শান্তনু ও অয়নের চ্যাটের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। কিন্তু, কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে এও জানানো হয়, সেই খনি থেকে দুর্নীতি যোগের মাত্র ১০ শতাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ৯০ শতাংশ এখনও বাকি।

    কী বলেছেন অয়নের আইনজীবী?

    অয়নের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, একজন অভিযুক্তের কথায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁক মক্কেলকে, কোনও টাকা উদ্ধার হয়নি। আর নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য পুরসভা অনুমতি দিয়েছিল, সরকার অনুমোদিত কোম্পানি দ্বারা নিয়োগ করা হত।  ইডি-র (ED)  পাল্টা প্রশ্ন, স্যর ওঁদের জিজ্ঞেস করুন ওএমআর শিটে দাগ দেওয়ার অনুমতি ছিল? সরকারের ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত দুর্নীতিতে ভরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: সিবিআইয়ের পর পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করছে ইডি

    Recruitment Scam: সিবিআইয়ের পর পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) তদন্ত শুরু করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আগেই এই মামলায় তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। ইডি (ED) সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের (Ayan Shil) সংস্থা এবিএস ইনফোজনের নামে ইসিআইআর দায়ের করেছে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, রাজ্যের ৬০টি পুরসভায় চাকরি দেওয়ার নাম করে ৪০ কোটি টাকা তুলেছিল অয়ন শীল। অয়নকে জেরা করে জানা গিয়েছে, ষাটটির বেশি পুরসভায় প্রায় ৬ হাজার জনের বেআইনি নিয়োগের মধ্যে ৮০-৯০%-ই হয়েছে রেকমেন্ডেশন লিস্ট অনুসারে। বাকি ১০ পার্সেন্ট অয়ন শীল নিজের কোটায় নিয়োগ করেছিলেন।

    পুর কর্মীরাই অয়নের এজেন্ট

    ইডি সূত্রের খবর, পুরসভায় নিয়োগের (Recruitment Scam) জন্য বিভিন্ন প্রার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা টাকা প্রভাবশালী ও নেতাদের কাছে পাঠাতেন অয়ন। পুরসভা কর্মীরাই এজেন্ট হয়ে অয়ন শীলকে লিস্ট পাঠাত বলে অভিযোগ। ইডি-র দাবি, বিপুল টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে পুরসভার পিওন, ক্লার্ক, ইঞ্জিনিয়ার, মজদুর সহ বিভিন্ন পোস্টের চাকরি। অযোগ্যপ্রার্থীরা বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছে। এমনকী, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়ন শীলের সাংকেতিক কোড রহস্যের সন্ধানও পায় ইডি। অয়নের সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক নথি উদ্ধারের কথা জানায় ইডি। অয়নের অফিস থেকে পুরসভার বিভিন্ন পদে চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর শিট (উত্তরপত্র) পাওয়া গিয়েছে বলেও জানা যায় ইডির তরফে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় নিষিদ্ধ! বিশ্ব মাতাচ্ছে বাঙালির তৈরি ছবি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’

    পুর-দুর্নীতিতে অয়ন-যোগ

    একদিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি অন্যদিকে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, দুদিক থেকে বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকা এসেছে অয়ন শীলের কাছে। অয়নের ছেলে অভিষেক শীল, স্ত্রী কাকলি শীল, ছেলের বান্ধবী, অয়নের মা, বাবা এবং অয়নের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীও রয়েছেন ইডির নজরে। এঁদের নামে বহু সম্পত্তি ও ব্যাঙ্কের লেনদেন রয়েছে বলে দাবি ইডির। ইডি সূত্রে দাবি, অয়নের কাছ থেকে যে সমস্ত ওএমআর শিটের প্রতিলিপি মিলেছে, সেগুলি পুরসভায় নিয়োগ (Recruitment Scam) সংক্রান্ত পরীক্ষার। ইডি মনে করছে, অয়নের সংস্থা যে সব উত্তরপত্রের মূল্যায়ন করেছে, সে সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়ে থাকতে পারে। ইডির রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কাঁচরাপাড়া, টাকি, দক্ষিণ দমদম, হালিশহর, বরানগর-সহ একাধিক পৌরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন অয়ন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ১৭টি জেলায় ছড়িয়ে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! চার্জশিটে আর কী কী জানাল ইডি?

    Recruitment Scam: ১৭টি জেলায় ছড়িয়ে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! চার্জশিটে আর কী কী জানাল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ১৭টি জেলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) জাল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তারা প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীদের একটি তালিকা হাতে পেয়েছিল। তালিকায় যেমন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, মালদহ, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুরের নাম রয়েছে, তেমনই নাম রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের হুগলি, নদীয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা এবং কলকাতার নামও। সোমবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও অয়ন শীলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই চার্জশিটে শান্তনু ও অয়নের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উল্লেখ করার পাশাপাশি কী ভাবে চাকরি বিক্রি হয়েছে কী ভাবে নগদ টাকার হাত বদল হয়েছে, সমস্তটাই উল্লেখ করা হয়েছে।

    নামে-বেনামে সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অয়ন শীলের নামে একগুচ্ছ অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে সেই চার্জশিটে। নামে-বেনামে মোট ১৪টি সম্পত্তি রয়েছে শান্তনুর। ৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৪৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা। পাশাপাশি বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার কর্মচারী থেকে একাধিক সঙ্গীর নামেও সম্পত্তি থাকার হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে চার্জশিটে দাবি করেছে ইডি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীদের একটি তালিকা উদ্ধার হয়েছিল। সেই তালিকায় রাজ্যের ১৭টি জেলার ৩৪৬ জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যার মধ্যে অন্তত ১০ জন অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ৩৪৬ জনের তালিকায় ১৪৮ জন চাকরিপ্রার্থীই বীরভূমের বাসিন্দা। তালিকায় এর পরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সংখ্যার নিরিখে তার পরে রয়েছে মালদহ, কোচবিহার, বর্ধমান, উত্তর দিনাজপুর, পুরুলিয়া। সবচেয়ে কম প্রার্থী দক্ষিণ ২৪ পরগনার। সেখান থেকে মাত্র একজন প্রার্থী চাকরির জন্য শান্তনুদের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ১৯ মে প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের ফল, ঘোষণা পর্ষদের

    শান্তনুর বিরুদ্ধে চিঠি

    টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার বিষয়টিও জায়গা পেয়েছে ইডির চার্জশিটে । শান্তনুর বিরুদ্ধে লেখা একটি চিঠি এই তদন্তে ইডির হাতিয়ার। চাকরি পেতে কয়েক জন চাকরি প্রার্থীর তরফে দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা।চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, যে চিঠি পেয়েছিলেন শান্তনু, তাতে জমি বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেছিলেন অনেকে বলে জানতে পেরেছে ইডি। কিন্তু চার বছর অপেক্ষার পর মেলেনি চাকরি, টাকা ফেরত পেতে শান্তনুকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছিল চিঠি। ইডির কাছে শান্তনু নিজেও ওই চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: অয়নের ছেলের সঙ্গে যৌথ ব্যবসা নগরোন্নয়ন দফতরের  আধিকারিকের মেয়ের, দাবি ইডির

    Recruitment Scam: অয়নের ছেলের সঙ্গে যৌথ ব্যবসা নগরোন্নয়ন দফতরের আধিকারিকের মেয়ের, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অয়ন শীলের সঙ্গে এবার নাম জড়াল সরকারি নগরোন্নয়ন দফতরের এক আধিকারিকের। ইডির দাবি, রাজ্য সরকারের আরবান ডেভেলপমেন্ট (Urban Development) বিভাগের আধিকারিক বিভাস গঙ্গোপাধ্যায়ের মেয়ের সঙ্গে পার্টনারশিপ ছিল অয়নের ছেলের। বিভাসের মেয়ে ইমনের সঙ্গেই অয়নের ছেলের ব্যবসার পার্টনারশিপের ফর্ম উদ্ধার করেছে ইডি। মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) গ্রেফতার অয়ন শীলকে আদালতে পেশ করে ইডি। শুনানির পর অয়ন শীলকে ২৫ এপ্রিল অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জেলে থাকাকালীন ইডি আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে পারবে বলে জানিয়েছে আদালত।

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রে খবর, হুগলির একটি পেট্রোল পাম্পেও অয়ন শীলের ছেলে অভিষেক শীলের পার্টনার ছিলেন ইমন। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকা নয়ছয়ের তথ্য মিলেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এ ক্ষেত্রে বিভাস গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার অয়ন শীলকে আদালতে পেশ করে ইডির তরফে এই দাবি করা হয়। এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, নগরোন্নয়ন দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর বিভাস চক্রবর্তীর মেয়ে ইমনের সঙ্গে যৌথ কোম্পানি খুলেছিলেন অয়নের ছেলে অভিষেক শীল। সেই কোম্পানির অধীনে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে শুক্লা পেট্রোল পাম্প নামে একটি পেট্রোল পাম্প কেনা হয়। এছাড়া একাধিক কারবারে যুক্ত ছিল সেই সংস্থা। ওই সংস্থার মাধ্যমে অয়নের নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    আদালতে ইডি জানিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে এই সরকারি আধিকারিকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। এর পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে আরও বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এদিন ইডির তরফে জানানো হয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রী কাকলি, ছেলে অভিষেক ও বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীকে জেরা করতে চায় তারা। আগামী সপ্তাহে ৩ জনকে তলব করেছে ইডি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে দাবি করেন ইডি আধিকারিকরা। শুধু ২০১৪-এর টেট নয় ২০১২-এর টেটেও টাকা তোলা হয়েছে, বলে আদালতে দাবি ইডি-র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayan Shil: প্রভাবশালীর কাছে ২৬ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন অয়ন, আদালতে দাবি ইডির

    Ayan Shil: প্রভাবশালীর কাছে ২৬ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন অয়ন, আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক এজেন্টের (Recruitment Scam) মাধ্যমে এক প্রভাবশালীর কাছে অয়ন ২৬ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। অন্তত নগর (Ayan Shil) দায়রা আদালতে এমনই দাবি করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন অয়ন শীল। শনিবার তাঁকে পেশ করা হয় আদালতে। তখনই ইডির (ED) আইনজীবী বলেন, তদন্তকারীদের জেরায় অয়ন স্বীকার করেছেন তিনি এক এজেন্টের মাধ্যমে এক প্রভাবশালীর কাছে ২৬ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। গরু পাচারের প্রসঙ্গও তোলেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, আগে বোলপুর বিখ্যাত ছিল শিক্ষার জন্য। এখন বোলপুর চেনা যায় দুর্নীতি ও গরু পাচারের জন্য।

    অয়নের (Ayan Shil) কীর্তি…

    ইডি জানিয়েছে, চাকরি দেওয়ার নামে এক হাজার প্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন (Ayan Shil)। তার মধ্যে ২৬ কোটি টাকা পৌঁছে গিয়েছিল প্রভাবশালীদের কাছে। সেই তালিকায় এমন ব্যক্তিও রয়েছে, যার নাম প্রকাশ্যে আদালতে বলা যাবে না। অন্তত ১৫ জন প্রভাবশালী অয়নকে চাকরির সুপারিশ পাঠাতেন। ডিল চূড়ান্ত হলে সেই সব প্রভাবশালীকে টাকা পাঠাতেন অয়ন।

    তাঁর প্রায় ৩০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন দফায় ৮ কোটি টাকা ঢুকেছে। ইডির দাবি, তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এক কোটি টাকা দিয়েছিলেন অয়ন। তাঁর ৪০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, আটটি ফ্ল্যাট, পাঁচটি গাড়ি, একটি পেট্রোল পাম্প, একটি হোটেলের হদিশ পেয়েছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দুর্নীতির টাকায়ই এসব হয়েছে। ইডির আইনজীবী বলেন, এই স্ক্যাম এখন দু ভাগে বিভক্ত। একটি এসএসসি, অন্য দিকে পুরসভা দুর্নীতি। যারা পরীক্ষায় পাশ করত, সেই যোগ্য প্রার্থীকে অযোগ্য করা হত ওএমআর শিটে জালিয়াতি করে। যারা টাকা দিত তাদের ফাঁকা ওএমআর শিট নেওয়া হত। পরে সেটা নিজেরা অফিসে বসে উত্তর বসিয়ে দিত।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুফোবিয়ার নিন্দা করে প্রস্তাব পাশ মার্কিন মুলুকে, কেন জানেন?

    এসএসসির ক্ষেত্রে কুন্তল ছিলেন অয়ন (Ayan Shil) ও পার্থর মাঝের সেতু। ইডি আরও জানিয়েছে, যেসব প্রার্থী বেশি নম্বর পেতেন, তাঁদের উত্তরপত্রে সঠিক উত্তরের অপশনের পাশাপাশি ভুল উত্তর দাগিয়ে দেওয়া হত। এর ফলে সেই যোগ্য প্রার্থীর উত্তরপত্র বাতিল হয়ে যেত। তাঁদের জায়গায় নিজেদের অযোগ্য প্রার্থীর উত্তরপত্রে সঠিক উত্তর পূরণ করে দিতেন। প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন গ্রেফতার হন ২০ মার্চ। পরে আদালতে পেশ করে ইডি দাবি করে, সোনার খনি খুঁজে পেয়েছে তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayan Shil: পালাও ইডি আসছে! তল্লাশির আগের দিন অয়ন শীলকে মেসেজ রহস্যময়ী শ্বেতার

    Ayan Shil: পালাও ইডি আসছে! তল্লাশির আগের দিন অয়ন শীলকে মেসেজ রহস্যময়ী শ্বেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  অয়ন শীলের হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ আসে, ‘পালিয়ে যাও ইডি আসছে’। ঠিক তার পরদিনই ইডি হানায় গ্রেফতার হন অয়ন শীল (Ayan Shil)। মেসেজ পাঠিয়েছিলেন যিনি, সেই রহস্যময়ীর পরিচয় পরবর্তীতে সামনে আসে তিনি শ্বেতা চক্রবর্তী। অয়ন শীলের বান্ধবী। পাড়া প্রতিবেশীরা অবশ্য জানতেন শ্বেতা আসলে অয়নের বান্ধবী। নিয়োগ দুর্নীতিতে সদ্য গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের খোঁজ পেয়ে ইডি আধিকারিকরা বলেছিলেন তাঁরা নাকি ‘সোনার খনি’র খোঁজ পেয়েছেন। সেই অয়নের বান্ধবী আবার শ্বেতা, যাঁর সম্পর্কেও একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ইডি-র হাতে। অয়নের সঙ্গে অ্যাকাউন্ট, তাঁর প্রযোজনায় ছবিতে অভিনয়, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে একসঙ্গেই থাকতেন শ্বেতা অয়ন।

    কী বলছেন শ্বেতা

    সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য শ্বেতার দাবি, “যা অভিযোগ সবই মিথ্যা। সর্বৈব মিথ্যা।”  ধৃত অয়ন শীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, “ওঁর সঙ্গে আমি গ্রাম পঞ্চায়েতে চাকরি করতাম। সেই সূত্রে পরিচয়।” শ্বেতা চাকরি করতেন হুগলিতে। ২০১৭ সাল থেকে অয়নের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বলে তিনি দাবি করেন। অয়নের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শ্বেতা। তিনি বলেন, “চুঁচুড়ায় আমি ওঁর কাছ থেকে ফ্ল্যাট কিনি। আমার কাছে চুক্তির কাগজপত্রও রয়েছে। ফ্ল্যাট কেনার সময়ে টাকাও দিই। সেই ফ্ল্যাটটা আমি রেজিস্ট্রি করিনি। কারণ সেখান থেকে পরবর্তীকালে আমি চলে আসি। যেহেতু আমি রেজিস্ট্রি করিনি, তাই সেই টাকা আমাকে ফেরত দেন। ৫৫ লক্ষ টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ফেরত দেন।

    অয়নের (Ayan Shil) সংস্থার প্রযোজনায় সিনেমায় ডেবিউ করেন শ্বেতা

    ইডি- সূত্রে খবর, অয়নের (Ayan Shil) সংস্থা ‘এবিএস ইনফোজোন প্রাইভেট লিমিটেড’ বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগের টেন্ডার পেতেন। সেই সংস্থাই ছিল ‘কাবাড্ডি কাবাড্ডি’ সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে। ওই ছবিতেই ডেবিউ করেছিলেন অয়নের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী। আর প্রথম সিনেমাতেই মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন অয়ন-বান্ধবী। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় শ্বেতাকে। তাঁর উত্তর, “আমি পারিশ্রমিকবাবদ কোনও টাকা নিইনি। ছবিতে আমি অভিনয় করেছি। ছবিটা এখনও রিলিজ হয়নি। ডাবিংও শেষ হয়নি। আমি আগে মডেলিং করতাম। অনেক জায়গায় মডেলিং করেছি, কিছু শর্ট ফিল্ম করেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sweta Chakraborty: অয়নের হাত ধরেই টলিউডে পা শ্বেতার! জানেন নৈহাটির এক সাধারণ মেয়ের কেরিয়ার গ্রাফ?

    Sweta Chakraborty: অয়নের হাত ধরেই টলিউডে পা শ্বেতার! জানেন নৈহাটির এক সাধারণ মেয়ের কেরিয়ার গ্রাফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগা-পাতলা চেহারা। দেখতে সুন্দর। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের আর পাঁচটা মেয়ের মতোই। চাকরি করতেন কামারহাটি পুরসভায়। সঙ্গে ছিল মডেলিংয়ের নেশা। ধীর গতিতে চলছিল জীবন। কিন্তু হঠাতই ছক ভাঙা জীবনের বাইরে গিয়ে তরতরিয়ে উঠতে শুরু করে নৈহাটির সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে শ্বেতা চক্রবর্তীর কেরিয়ার গ্রাফ। কিন্তু কী করে? প্রশ্ন উঠছিল শ্বেতার চেনা-বৃত্তে। কিন্তু কোটি কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়বেন শ্বেতা তা ভাবতে পারেনি নৈহাটির ৭/ডি বিজয়নগর জেলেপাড়ার বাসিন্দারা। 

    অয়নের প্রযোজনায় রুপোলি দুনিয়ায় পা শ্বেতার

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অয়ন শীলের (Ayan Shil) গ্রেফতারির পরই উঠে এসেছে শ্বেতার নাম, অয়নের অ্যাকাউন্ট থেকে যাঁর অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। ধৃত অয়নের প্রযোজনায় রুপোলি দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন শ্বেতা চক্রবর্তী। ২০১৫ সালের আগে জিরাট গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী ছিলেন শ্বেতা। ২০১৫ সালে ব্যক্তিগত কারণে ট্রান্সফার নিয়ে বলাগড়ের নিত্যানন্দপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতে যোগ দেন তিনি। অন্যদিকে ২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এই পঞ্চায়েতেরই কার্যনির্বাহী সহায়ক ছিলেন অয়ন শীল। সূত্রের খবর, সেই সময় থেকেই অয়ন-শ্বেতার পরিচয়। কিন্তু,পরবর্তীকালে দুজনেই চাকরি ছেড়ে দেন। 

    গাড়ি কিনতেও অয়নের সাহায্য 

    ইডি সূত্রের খবর, নৈহাটির বাড়ি ছেড়ে ২ বছর ধরে অয়নের ভাগ্নির পরিচয়ে কামারহাটির রথতলায় একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতেন শ্বেতা। তাঁকে গাড়ি কিনতেও সাহায্য করেছিলেন অয়ন। ইডির দাবি, অয়নের ঠিকানা থেকে পাওয়া একটা নথিতে শ্বেতাকে বড় অঙ্কের টাকা পাঠানোর উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে কামারহাটি পুরসভায় সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি করেন শ্বেতা। নিয়মিত অফিসও করতেন তিনি কিন্তু নিয়োগ তদন্তে অয়নের নাম উঠে আসার পর গত কয়েকদিন ধরে তিনি পুরসভায় আসছিলেন না। একাধিক সূত্রের দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার প্রভাবশালী এক প্রবীণ বিধায়কের সঙ্গে অয়নের মধুর সম্পর্ক থাকার সুবাদেই কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পান শ্বেতা।

    আরও পড়ুন: ৯ বছরেও প্রকাশিত হয়নি মেধাতালিকা! চাকরিপ্রার্থীদের অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার সল্টলেকে

    টলিউডে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডেও ঢেলেছিলেন অয়ন শীল। বান্ধবী শ্বেতাকে সিনেমায় নামাতে নিজের প্রোডাকশন হাউসও খোলেন তিনি। শ্বেতা একাধারে কামারহাটি পুরসভায় ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকরি করতেন আবার পাশাপাশি মডেলিংও করতেন। সূত্রের খবর ২০১৭ সালে অয়নের স্ত্রীর মাধ্যমেই শ্বেতার সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। অয়নের সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কাজ করতেন শ্বেতা। অয়নের প্রোডাকশন হাউসের প্রোযোজনায় নির্মিত ছবি ‘কবাডি কবাডি’তেই ডেবিউ করেছিলেন তিনি। ওই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহিনী সরকার, অর্জুন চক্রবর্তীর মতো অভিনেতারা। ছবির পরিচালনায় ছিলেন কৌশিক গাঙ্গুলী। যদিও ছবির কাজ শুরু হলেও শেষ হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। বড় পর্দায় দেখা না গেলেও বহু শর্ট ফিল্ম ও মডেলিং প্রজেক্টে দেখা গিয়েছে শ্বেতাকে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share