Tag: Ayman Al-Zawahiri

Ayman Al-Zawahiri

  • Ayman Al-Zawahiri Killed: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    Ayman Al-Zawahiri Killed: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছে। যথার্থ বিচার হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    এই অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত মার্কিন অফিসাররা জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই এই অপারেশন চালানো হয়৷ সেই সময় জাওয়াহিরি নিজের কাবুলের বাড়ির বারান্দায় ছিলেন৷ তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে দু’টি হেলফায়ার মিসাইল (Hellfire Missile) আছড়ে পড়ে৷ গত ২৫ জুলাই এই অভিযানে ছাড়পত্র দেন বাইডেন৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ‘যাঁরা আমাদের দেশের মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রক্ষা করতে আমেরিকা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ৷ আজকে আমরা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি৷ তার জন্য যত সময় লাগুক না কেন, আমরা তাকে খুঁজে বের করবই৷’

    প্রায় একুশ বছর আগে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানার পর থেকই জাওয়াহিরিকে খুঁজছিল আমেরিকা৷ ওসামা বিন লাদেন বেঁচে থাকাকালীনই তিনি ছিলেন ছিলেন সংগঠনের দু’নম্বর নেতা। ২০১১ সালে পাকিস্তানে আমেরিকা ওসামা বিন লাদেনকে খতম করার পর আল কায়দার শীর্ষ পদে বসেন জাওয়াহিরি৷ দায়িত্ব নিয়ে জাওয়াহিরি ঘোষণা করেছিলেন, ওসামার অসমাপ্ত কাজ তাঁকেই শেষ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে তালিবান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন জয়শঙ্কর?

    ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের মাথার দাম রাখা হয়েছিল আড়াই কোটি মার্কিন ডলার৷ যদিও এর আগে আল জাওয়াহিরির নিহত খবর মিলেছিল। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি বহাল তবিয়তেই বেঁচে আছেন। এদিকে, তালিবানদের (Taliban) তরফেও তাদের মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে গত রবিবার কাবুলে এই অভিযানের কথা স্বীকার করেছেন৷ 

  • Ayman Al-Zawahiri: আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুতে স্বস্তিতে ভারতও, বলছেন বিশেষজ্ঞরা, কী কী লাভ হল?

    Ayman Al-Zawahiri: আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুতে স্বস্তিতে ভারতও, বলছেন বিশেষজ্ঞরা, কী কী লাভ হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল কায়দার (Al-Qaeda) শীর্ষ নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির (Ayman Al-Zawahiri) মৃত্যু প্রসঙ্গে এখনও মুখ খোলেনি ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, সাউথ ব্লকের এই ‘নীরবতার’ পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। নয়াদিল্লি জানতে চাইছে, জওয়াহিরি-অভিযানের পিছনে আমেরিকাকে সহযোগিতা করেছে কারা। যদি পাকিস্তান হয়, তাহলে আমেরিকার শত্রুকে শেষ করতে সাহায্যের বিনিময়ে তারা আমেরিকার কাছে ভারত-বিরোধী মনোভাব দাবি করতে পারে। তবে,আমেরিকার সঙ্গে ভারতের কৌশলগত অংশিদারিত্ব রয়েছে। চিনকে (China) ঠেকাতে সর্বদাই ভারতকে পাশে চায় আমেরিকা (America)।

    এছাড়াও, তালিবানের নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে ভারত। কাবুলে দূতাবাস খোলা হয়েছে। তালিবানের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতের নিরাপত্তা কর্তারা সাউথ ব্লককে জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের মাটিকে ভারত-বিরোধী কোনও গোষ্ঠীকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে কাবুল। কিন্তু আফগানিস্তানে জাওয়াহিরির অবস্থান অন্য কথা বলছে বলে গুঞ্জন সাউথ ব্লকে। তাই এখনই জাওয়াহিরির মৃত্যু প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাইছে না নয়াদিল্লি।

    আরও পড়ুন: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন

    আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু না বললেও জাওয়াহিরির মৃত্যুতে সাময়িক স্বস্তিতে ভারত। দীর্ঘ দু’দশক ধরে এই আয়মান আল জাওয়াহিরির নিশানায় ছিল ভারত। ২০০১ সাল থেকে বিভিন্ন ভিডিয়োতে ভারতের নামোল্লেখ করতেন তিনি। আর ২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেন নিহত হবার পর থেকেই নয়াদিল্লিকে হুমকি দিয়ে বিবৃতি  দিতে থাকেন জাওয়াহিরি।  বিজেপির সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার পয়গম্বর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পরও সুর চড়ান তিনি। জাওয়াহিরি বলেছিলেন, গুজরাত, দিল্লি, মুম্বই ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালাবে আল কায়দা। তার আগে কর্নাটকে হিজাব নিয়ে টানাপড়েনের সময়েও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন আল কায়দার শীর্ষ নেতা। হিজাব পরা কর্নাটকের কলেজ ছাত্রীর প্রতিবাদের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল তার মুখে।

    ভারতের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে হমকি দিয়েই শুধু থেমে থাকেননি জাওয়াহিরি। ২০১৪ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে আল কায়দার আঞ্চলিক বিকাশের পরিকল্পনা করেন তিনি। একটি ভিডিয়োতে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুসলিমদের উদ্দেশে জিহাদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। কাশ্মীরকে প্যালেস্তাইনের সঙ্গে তুলনা করেন নিহত আল-কায়দা প্রধান। ভারতকে সমর্থন করার জন্য মুসলিম দেশ সৌদি আরবেরও সমালোচনা করতেন তিনি। 

  • Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত হয়েছেন আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    আরও পড়ুন: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস 

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। যথার্থ বিচার হয়েছে।’  

    আয়মান আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পর ব্যাপক নেতৃত্ব সংকটে আল-কায়দা। মধ্য প্রাচ্যের একটি সংস্থার মতে সাইফ আল-আদেল (Saif al-Adel) নিতে চলেছেন এই জঙ্গি সংগঠনের দায়িত্ব। 

    কে এই সাইফ আল-আদেল?

    ১৯৮০ সালে এই সাইফ আল-আদেল মাক্তাব আল-খিদমাত নামের চরমপন্থী সংগঠনে যোগদান করেন। ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদের সময় সাইফের পরিচয় হয় লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে। তারপর থেকেই আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ১৯৮০ সালে রুশ সেনার বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে যুদ্ধও করেন এই কুখ্যাত জঙ্গি। এমনটাই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার।

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি    

    ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষীদের প্রধান ছিলেন এই সাইফ। ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তাঁর মাথার দাম ১ কোটি মার্কিন ডলার রেখেছে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, বহু মার্কিন নাগরিক খুন, নাশকতা, আমেরিকার সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনায় মূল চক্রী ছিলেন এই জঙ্গি। ১৯৯৩ সাল থেকে মার্কিন সেনা খুঁজছে এই কুখ্যাত জঙ্গিকে। ‘ব্ল্যাক হক ডাউন’ নাশকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এই জঙ্গি। এই হামলায় ১৮ জন মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। তখন সাইফের বয়স ছিল ৩০ বছর। যদিও মধ্য প্রাচ্যের ওই সংস্থা এও দাবি করেছে যে, ইরানের উপস্থিতিতে সাইফকে আল-কায়দার প্রধানের পদ দেওয়া খুব একটা সহজ হবে না। 

     

     

  • Ayman al-Zawahiri: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস

    Ayman al-Zawahiri: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাবুলে আমেরিকার ড্রোন হানায় (US Drone strike) নিহত হয়েছেন আল কায়দার (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। ৯/১১ হামলার অন্যতম চক্রীর আফগানিস্তানে (Afghanistan) মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন স্বয়ং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)।

    লাদেনের (Osama Bin Laden) হত্যার ১১ বছর পর এবার তাঁর ডানহাতকে খতম করল বাইডেনের (Joe Biden) দেশ। কাবুলে দীর্ঘদিন ধরে ঘাঁটি গেঁড়ে বসা এই কুখ্যাত জঙ্গি আসলে ছিলেন একজন চক্ষু চিকিৎসক। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তার নিজস্ব সংগঠন তৈরি হয়েছিল। ছেলেবেলা থেকে জাওয়াহিরিও মেধাবী ছাত্র হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিশোর বয়সে কাকার হাত ধরেই মিশরের ধর্ম নিরপেক্ষ সরকারের সমালোচনা করতে শুরু করেন জাওয়াহিরি। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বন্ধুদের নিয়ে একটি সংগঠন তৈরি করে ফেলেছিলেন জাওয়াহিরি। নাম দিয়েছিলেম ‘জামাত-আল-জিহাদ’। যাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল মিশরের তৎকালীন সরকারকে গদিচ্যুত করা।

    তবে নিজস্ব সংগঠন তৈরি করলেও পারিবারিক রীতি মেনে ডাক্তিরি পড়তে শুরু করেন জাওয়াহিরি। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিসিনের ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। সেনাবাহিনীতে চোখের অস্ত্রপচারেও দীর্ঘদিন হাত পাকান তিনি। নিজস্ব ক্লিনিকও খোলেন জাওয়াহিরি। এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে আজা নোয়ের সঙ্গে বিবাহ হয় জওয়াহিরির। তাদের এক পুত্র এবং এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    সোভিয়েতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তৎকালীন মুজাহিদিন যোদ্ধাদের চিকিৎসা করতেন অয়মান আল-জওয়াহিরি (Ayman Al Zawahiri)। সেখানেই ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে তাঁর দেখা। ১৯৮১ সালের ৬ অক্টোবর মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের হত্যায় জাওয়াহিরির হাত ছিল বলে জানা যায়। গ্রেফতার হন তিনি। তিন বছর জেল খাটার পর মুক্তি পান তিনি। এরপর লাদেনের সঙ্গে তার যোগাযোগ বাড়ে। লাদেনের ব্য়ক্তিগত চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন। লাদেনের রক্তচাপের সমস্যা, সুগারের মাত্রা সহ সমস্ত বিষয়গুলি তিনিই পর্যবেক্ষণে রাখতেন। ধীরে ধীরে জাওয়াহিরির সংগঠনটি লাদেনের আল কায়দার সঙ্গে মিশে যায়। সেই সময় লাদেনের উপদেষ্টা পদে বসেন তিনি। এরপর একে একে ১৯৯৮ সালে দু’জনে মিলে কেনিয়া এবং তাজানিয়ায় আমেরিকার দূতাবাসে হামলা চালান। এর ঠিক তিন বছর পর ভয়াবহ ৯/১১ হামলার ঘটনা ঘটে। যা লাদেন-জাওয়াহিরির মিলিত উদ্যোগ। ২০১১ সালে লাদেনের মৃত্যুর পর আল কায়দার রাশ জওয়াহিরির হাতে চলে যায়।

LinkedIn
Share