Tag: Ayodhya Ram Mandir

Ayodhya Ram Mandir

  • Ayodhya airport: রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি অযোধ্যা বিমানবন্দর, নামেও রামায়ণের ছোঁয়া

    Ayodhya airport: রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি অযোধ্যা বিমানবন্দর, নামেও রামায়ণের ছোঁয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম জন্মভূমির সঙ্গে জড়িয়ে গেল রামায়ণের রচয়িতা, মহর্ষী বাল্মীকির নামও। ২০২৪-এর ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জমকালো উদ্বোধন। তার আগে, ৩০ ডিসেম্বর উদ্বোধন হবে অযোধ্যার নবনির্মিত বিমানবন্দরের (Ayodhya airport)। বৃহস্পতিবার এর নাম বদলে ‘মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অযোধ্যাধাম’ করা হল। আগামী কাল, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ওই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বিমানবন্দরে সুবিধা

    উদ্বোধনের দিনেই অযোধ্যা বিমানবন্দরে ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান (Ayodhya airport) চলাচল করবে। এই দুই বিমান সংস্থা ইতিমধ্যে দিল্লি, মুম্বই এবং আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত বিমান চলাচলের কথা ঘোষণা করে দিয়েছে। অযোধ্যা বিমানবন্দরের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণকার্যে আনুমানিক ১,৪৫০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। সাড়ে ছ’হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে সেখানে তৈরি হয়েছে নতুন টার্মিনাল ভবন। ব্যস্ত সময়ে অন্তত ৬০০ জন যাত্রী সেখানে অপেক্ষা করতে পারবেন। সারা বছরে এর যাত্রীধারণ ক্ষমতা ১০ লাখের বেশি। সূ্ত্রের খবর, দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি টার্মিনাল ভবন তৈরি করা হবে অযোধ্যা বিমানবন্দরে। ৫০ হাজার বর্গমিটারের সেই ভবনে ব্যস্ত সময়ে অন্তত তিন হাজার যাত্রী থাকতে পারবেন। বছরে তার যাত্রীধারণ ক্ষমতা হবে ৬০ লক্ষ।

    আরও পড়ুন: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    বিমানবন্দরে রামায়ণের কাহিনি

    বিমানবন্দর (Ayodhya airport) সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি করা হয়েছে এই নতুন বিমানবন্দরটি। রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের পর, রামের প্রত্যাবর্তনের সময়, অযোধ্যাবাসী যে আনন্দ অনুভব করেছিলেন, বিমানবন্দরে আগত এবং এখান থেকে প্রস্থানকারী সকল যাত্রীরা যাতে সেই অনুভূতি পান, বিমানবন্দর নির্মাণের সময় সেটাই মাথায় রাখা হয়েছিল। টার্মিনাল ভবনের ভিতগুলি রামায়ণ মহাকাব্যের মূল ঘটনাগুলির ছবিতে সাজানো হয়েছে। কাজেই টার্মিনালের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময়ই যাত্রীরা রামের পুরো কাহিনি জেনে নিতে পারবেন। এই বিমানবন্দর উদ্বোধনের জন্য শনিবারই অযোধ্যা যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখবেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Narendra Modi: স্টেশন ও বিমানবন্দর উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় কঠোর নিরাপত্তা

    PM Narendra Modi: স্টেশন ও বিমানবন্দর উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় কঠোর নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন ও রামলালার মূর্তি স্থাপন ঘিরে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। তার মধ্যেই শনিবার রাম-নগরীতে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। রেল স্টেশন থেকে নতুন বিমানবন্দর, সড়ক থেকে নতুন ট্রেন উদ্বোধন সহ একাধিক কর্মসূচি নিয়ে অযোধ্যায় পৌঁছাবেন তিনি (Modi Ayodhya Visit)। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। এই নিয়ে এখন অযোধ্যায় চরম ব্যস্ততা। 

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রাম-নগরী

    প্রধানমন্ত্রীর সফর (Modi Ayodhya Visit) ঘিরে রাম নগরীকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। শহর জুড়ে বসানো হচ্ছে প্রচুর সিসিটিভি। রাস্তায় বসানো হচ্ছে আন্ডার ভেহিক্যল স্ক্যানার। শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ৫ হাজারের বেশি পুলিশকর্মীকে। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) যে যে রুটে যাবেন, সেখানে মোতায়েন এনএসজি কমান্ডো বাহিনী। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে ১৭ জন পুলিশ সুপার, ৪০ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ৮২ সার্কল অফিসার ও ৯০ ইন্সপেক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অযোধ্যা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা রাজকিরণ নায়ার বলেন, “পুলিশ সবদিক থেকে প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী, অতিরিক্ত পুলিশ আছে। সীমান্তে জোরদার চেকিং হচ্ছে।’’

    অযোধ্যা ধাম স্টেশনের উদ্বোধন

    জানা যাচ্ছে, শনিবার পৌনে ১১টা নাগাদ অযোধ্যায় পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী (Modi Ayodhya Visit)। ফের সওয়া ২টো নাগাদ দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেবেন। সাড়ে তিন ঘণ্টার এই ঝটিকা সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে সকল পরিকাঠামোর উন্মোচন হতে চলেছে, তার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য হল নতুনভাবে সংস্কার হওয়া, নতুন সাজে সেজে ওঠা অযোধ্যা স্টেশন, সম্প্রতি যার নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে অযোধ্যা ধাম জংশন রেল স্টেশন। রামের মুকুটের আদলে সেজে উঠছে অযোধ্য়া ধাম জংশন। ২৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে এই স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে লিফট, এস্ক্যালেটর, ফুড প্লাজা, চাইল্ড কেয়ার রুম। ত্রিতল এই স্টেশনকে আধুনিক ঝা চকচকে ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই স্টেশনকে সবুজ স্টেশন ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারতের সূচনা

    শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi) কর্মসূচি শুরু হবে এই স্টেশন থেকেই। নতুন রূপের অযোধ্যা ধাম স্টেশন উদ্বোধনের পাশাপাশি এই স্টেশন থেকেই এক জোড়া নতুন অমৃত ভারত ট্রেনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। একটি ট্রেন অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা যাবে। দ্বিতীয়টি মালদা টাউন থেকে বেঙ্গালুরুর এম বিশ্বেশ্বরয়া স্টেশন যাবে। এছাড়া, এদিনই আরও নতুন তিন জোড়া বন্দে ভারত ট্রেনের সূচনাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এই অঞ্চলের রেল পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে ২৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Modi Ayodhya Visit)। 

    নতুন বিমানবমন্দরের উন্মোচন

    শুধু রেল স্টেশন নয়, নব-নির্মিত অযোধ্যা বিমানবন্দরের উদ্বোধনও করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। রামায়ণের মহর্ষি বাল্মীকির নামে নাম রাখা হয়েছে নতুন বিমানবন্দরের। রামমন্দিরের রূপে সেজে উঠছে নতুন বিমানবন্দর। এছাড়া, লখনউ-অযোধ্যা জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের শিলান্যাস সহ অযোধ্যা সংলগ্ন ১১ হাজার ১০০ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় রয়েছে— নয়াঘাট থেকে লক্ষ্মণ ঘাটের সৌন্দর্যায়ন, দীপোৎসব প্রত্যক্ষ করার জন্য দর্শক গ্যালারি, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে হাঁটার রাস্তার নির্মাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির সংলগ্ন ৮৪-কোশী পরিক্রমা অঞ্চল ‘মদবিহীন এলাকা’ হিসাবে ঘোষিত করা হল। ওই এলাকায় মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা বা প্রস্তুত করা যাবে না। এমনকি, এলাকায় আগে থেকে যে মদের দোকান রয়েছে,  সেগুলিকেও তুলে দেওয়া হবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এমনই নির্দেশ দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। 

    ‘মদবিহীন’ অঞ্চল

    আগামী ২২ জানুযারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন হবে। সূচনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে সমগ্র অযোধ্যা জুড়ে সাজ সাজ রব। তারই মাঝে বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাম মন্দির সংলগ্ন এলাকায় এখন থেকে আর মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা- কোনওকিছুই করা যাবে না। জারি করা নির্দেশিকার জেরে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আগে থেকে থাকা সরকারি মদ দোকানগুলিও সরতে চলেছে। সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনও মদ ব্যবসায়ী দোকান সরাতে না চাইলে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পৎ রাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল। তার পরেই মন্দির সংলগ্ন এলাকা ‘মদবিহীন’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কে? চিনে নিন

    নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সরযূ নদীর তীরে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন তিনি। তার মাঝেই নতুন নিয়মের কথা জানাল উত্তরপ্রদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের সিদ্ধান্ত, ৮৪ কোশী পরিক্রমা মার্গে মদ বিক্রি বন্ধ। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সঙ্গে আলোচনা করেই এলাকাকে মদ-বিহীন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা ওখানে অবস্থিত দোকানগুলি সরিয়ে দিয়েছি। ১৫০-১৭৫ কিমি দীর্ঘ ওই রাস্তায় সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মদ বিক্রি। নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: শুভক্ষণ ৮৪ সেকেন্ড! তার মধ্যেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা শিশু বয়সের রামলালার মূর্তিতে

    Ayodhya Ram Mandir: শুভক্ষণ ৮৪ সেকেন্ড! তার মধ্যেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা শিশু বয়সের রামলালার মূর্তিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনের সময় যত এগিয়ে আসছে সারা দেশজুড়ে উৎসাহ বেড়ে চলেছে। রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু রামলালার শিশু বয়সের মূর্তি প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। মন্দিরকে ঘিরে গোটা রামনগরীতে এখন সাজো সাজো রব। পণ্ডিতরা জানিয়েছেন, তিথি-নক্ষত্র ধরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার ৮৪ সেকেন্ডের সময় পর্ব হবে গুরুত্বপূর্ণ সময়। ওই দিন ঠিক দুপুর ১২টা ২৯ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে ১২টা ৩০ মিনিট ৩২ সেকেন্ড হল শুভক্ষণ। এই সময়েই প্রভু রামলালাকে সিংহাসনে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    গর্ভগৃহের জন্য তিন মূর্তির প্রতিযোগিতা (Ayodhya Ram Mandir)

    মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার শিশু বয়সের মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা নিয়েও উদ্দীপনা চোখে পড়েছে। গর্ভগৃহের মধ্যে রামলালার যে শিশু মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে তা দেখতে শিশুসুলভ কোমল চেহারার। ইতিমধ্যে একইসঙ্গে তিনটি মূর্তি তৈরি করার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। এই তিনটির মধ্যে ঠিক কোন মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করা হবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি কোনটিকে স্থাপন করা হবে। এই মূর্তি নির্মাণ করছেন গনেশ ভট্ট, অরুণ যোগীরাজ এবং সত্যনারায়ণ পান্ডা। মন্দির ট্রাস্টের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, তিনজনের নির্মিত মূর্তির মধ্যে সেরা মূর্তিটিকে নির্বাচন করে গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে। আর বাকি দুটি মূর্তিকে মন্দিরের অন্য অংশে স্থাপন করা হবে।

    বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে মূল উদ্বোধনের অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। নিয়ম মেনে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করে রামলালার মূর্তির অভিষেক করা হবে। আর রামালালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে থাকবেন গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড় এবং লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত।

    প্রধান অতিথিদের তালিকা

    অযোধ্যায় রামমন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনে অতিথিদের তালিকা বেশ লম্বা। ওইদিন উপস্থিত থাকবেন তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামা, যোগগুরু রামদেব, শিল্পপতি গৌতম আদানি, মুকেশ আম্বানি, অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, রাজনীকান্ত, মাধুরী দীক্ষিত, রামায়াণের অভিনেতা অরুণ গোভিল সহ প্রমুখ। এছাড়াও পরিচালক মধুর ভান্ডারকর, গীতিকার প্রসূন জোশী, এসএন সুব্রহ্মণ্যমকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে বিরোধী রাজনীতির দলের নেতদের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। যাঁরা অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তাঁদের খাওয়া-দাওয়ার জন্য লঙ্গর, কমিউনিটি কিচেন এবং খাদ্য সরবরাহ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়রি। এই দিন হবে শ্রী রামচন্দ্রের ‘অভিষেক’। রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, রামের শ্বশুরবাড়ি ছিল জনকপুরধাম। এই ধাম থেকে প্রভু রামলালার জন্য উপহার হিসাবে আসবে গয়না, জামাকাপড়, মিষ্টির নানান পসরা। এরপর তা দিয়ে করা হবে রামলালার অভিষেক এবং পুজো। সেই সঙ্গে নেপাল থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে একটি বিশেষ শোভা যাত্রাও আসবে বলে জানা গিয়েছে। 

    জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যায় যাত্রা (Ayodhya Ram Mandir)

    রামায়ণে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে, শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল জনকপুরের রাজকন্যা সীতা মাতার সঙ্গে। এই জনকপুর এখন বর্তমানে নেপালে। প্রভু রামের মন্দিরে অভিষেকের দিনে এই সীতার বাপের বাড়ি থেকে আসবে বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি সহ নানা উপহার। সেই সঙ্গে জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত সীতামায়ের বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রাও হবে। আগামী ২০ জানুয়ারিতে এই যাত্রা শেষ হবে। এরপর মন্দির ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) হাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসা নানা উপহার তুলে দেওয়া হবে।

    জানকী মন্দিরের পক্ষে বক্তব্য

    জনকপুরধামের জানকী মন্দিরের প্রধান মহন্ত রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে বিশেষ যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বর, মাংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকে যাত্রা করবে। এরপর বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরক্ষপুর হয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) পৌঁছাবে যাত্রা।” প্রভু রামের উদ্দেশে এই যাত্রা ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    মন্দির নির্মাণে নেপালের বড় অবদান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর তীর থেকে শালগ্রাম শিলা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। ইতিপূর্বে এই শিলা থেকেই প্রভু রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এই শিলা নির্মিত মূর্তি, মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নামক্কাল জেলায় তৈরি করা হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য বিশেষ ঘণ্টা। এই ঘণ্টা অর্পণ করা হবে প্রভু শ্রী রামলালাকে। আগামী ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধনের জন্য মোট তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টাকে নিবেদন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রামভক্তদের মধ্যে এই ঘণ্টাগুলিকে নিয়ে তীব্র উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ঘণ্টা নির্মাণের শিল্পী কে (Ayodhya Ram Mandir)?

    বেঙ্গালুরুর নিবাসী এক রামভক্ত রাজেন্দ্র প্রসাদ হলেন এই বিশেষ ঘণ্টার শিল্পী। তাঁর বয়স ৬৯ বছর। তিনি তামিলনাড়ুর নামক্কালের মোহানুর রোডে অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস থেকে এই ৪৮টি বৃহৎ ঘণ্টা তৈরি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘণ্টাগুলির মোট ওজন প্রায় ১২০০ কেজি। এর মধ্যে আবার তৈরি করা ঘণ্টাগুলির ওজনের তারতম্য রয়েছে। ১২০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ৭০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ২৫ কেজি ওজনের একটি ঘণ্টা রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে ৩৬টি হাতে বাজানোর ঘণ্টা রয়েছে। উল্লেখ্য অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস হল একটি সপ্তম প্রজন্মের সংস্থা। সারা দেশে তাঁদের সুখ্যাতি কেবলমাত্র ঘণ্টা উৎপাদনের জন্যই। অযোধ্যার রামলালার মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) নিবেদিত এই ঘণ্টাগুলিকে গত ১৪ ডিসেম্বরেই বেঙ্গালুরুর আঞ্জেনেয়া মন্দিরে পুজোর জন্য পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেগুলি অযোধ্যার রামমন্দিরে যাবে।

    কী বললেন শিল্পী

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য তৈরি করা ঘণ্টার প্রসঙ্গে রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন, “এই অযোধ্যার রামমন্দিরের চূড়া আমাদের জাতীয় গর্বের প্রতীক। আমি নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি এই ঘণ্টা নির্মাণ করে। এটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের এবং শ্রীরামের কৃপায় বড় সুযোগ এসেছে। এই কাজে আমার ছেলে কালীদোস ওরফে এক্কা পুরুষোত্তম সহ আরও ২৫ জন নির্মাণ কাজ করেছেন। ঘণ্টাগুলি তৈরিতে নানা ধাতু যেমন তামা, রুপো এবং দস্তার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লোহা ব্যবহার করা হয়নি। এই ঘণ্টাগুলির শব্দ এবং তার কম্পন বেশ তীব্রতর হবে।”

    উল্লেখ্য অযোধ্যার রাম মন্দিরের জন্য ১০৮টি ঘণ্টার প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ৪৮টা ঘণ্টা প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই থুথুকুডি জেলার ইরাল থেকে ৬৫০ কেজির একটি সুবিশাল ঘণ্টা ইতিমধ্যেই অযোধ্যায় পৌঁছে গিয়েছে। রাম মন্দিরের আধ্যাত্মিক পরিবেশকে সুউচ্চ মার্গ দিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন রাম ভক্তরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: ১০৮ ফুট! ভদোদরা থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বিশাল ধূপকাঠি

    Ayodhya Ram Mandir: ১০৮ ফুট! ভদোদরা থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বিশাল ধূপকাঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য ১০৮ ফুট লম্বা এবং সাড়ে ৩ ফুট চওড়া একটি ধূপকাঠি তৈরি করা হয়েছে। এই ধূপকাঠি তৈরি হয়েছে গুজরাটের ভাদোদরায়। এই বিশাল মাপের ধূপকাঠি অর্পণ করা হবে ২২ জানুয়রি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনেই। প্রভু শ্রীরাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য এই ৩৫০০ গ্রাম ওজনের এই ধূপকাঠিকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ধূপকাঠি বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামানায় তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাণকারী। ভক্ত মহলে এই অভিনব ধূপকাঠিকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা।

    এই ধূপকাঠির নির্মাতা কে?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশাল আকৃতির ধূপকাঠি নির্মাণের শিল্পী হলেন গুজরাটের ভাদোদরা তালশালি এলাকার ভিহাভাই ভারওয়াদ নামের এক ব্যক্তি। আরও জানা গিয়েছে, তিনি গত ছয় মাস ধরে পরিশ্রম করে এই ধূপকাঠি তৈরি করেছেন। তবে এই মাসের শেষেই এর কাজ সম্পন্ন হবে। রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য নিবেদন করা হবে এই ধূপকাঠি। এর আগেও তিনি ১১১ ফুটের আরও একটি বিশাল ধূপকাঠি তৈরি করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by DeshGujarat (@deshgujaratinsta)

    নির্মাণে কী কী ব্যবহার করা হয়েছে?

    জানা গিয়েছে এই বৃহৎ ধূপকাঠি নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ৩০০ কেজি গোবর, ৯১ কেজি গব্য ঘি, ২৮০ কেজি দেবদারু গাছের কাঠ, ৩৭৬ কেজি গুগল, ২৮০ কেজি তেল, ২৮০ কেজি জাব, ৩৭০ কেজি কোপারা গুঁড়ো এবং ৪২৫ কেজি হবন বা আহুতির মশলা। এই কাজে বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য রঞ্জাবেন ভট্ট। তিনি প্রত্যেক দিন এই কাজে দুই থেকে তিন ঘণ্টা করে সময় ব্যয় করেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধূপকাঠিকে নিয়ে মন্দিরের প্রচার করা হবে।

    কেমন হবে যাত্রা পথ?

    ভাদোদরা থেকে অযোধ্যা (Ayodhya Ram Mandir) প্রায় ১৮০০ কিমি দূরত্ব। এই বিশাল আকৃতির ধূপ কাঠি লম্বা ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হবে অযোধ্যায়। ধুপকাঠি নিয়ে যাওয়ার যাত্রাপথ হবে, ভাদোদরা হয়ে হালোল, কালোল, গোধরা, শহেরা, আরাবল্লি, মোদাসা, শামলাজি, খেরওয়াদা, উদয়পুর, মালভাদা, সাভারিয়া শেঠ মন্দির, চিত্তোর, ভিলওয়ারা, দাদিয়া, কিষাণগড়, জয়পুর, ঘোসা মেহেন্দিপুর, বালাজি চোরায়া হয়ে ভরতপুর। এরপর আবার আগরা থেকে লখনউ, ইটাভা, কানপুর, উনাও, বরাবাঁকি হয়ে পৌঁছাবে অযোধ্যায়। ভক্ত মহলে এই নিয়ে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: নতুন বছরেই খুলছে রামমন্দিরের দ্বার, শুভদিনটি কবে জানেন?

    Ayodhya Ram Mandir: নতুন বছরেই খুলছে রামমন্দিরের দ্বার, শুভদিনটি কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই জন সাধারণের জন্য অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) দ্বার খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের তরফে। নতুন বছরের জানুয়ারি মাসেই মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালা প্রতিষ্ঠিত হবেন বলেও জানা গিয়েছিল। তবে ঠিক কবে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, তা জানা গিয়েছিল না। এবার জানা গেল সেই শুভদিনটিও।

    উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    শনিবার রামমন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন সংঘ নেতা জি জোশী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধু-সন্তদেরও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পাঠানো হয়েছে আমন্ত্রণপত্র। রামমন্দিরের প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্র দাস জানান, রামলালা দর্শনে ভক্তদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য বসানো হচ্ছে ৪২টি দরজা। মন্দিরের গর্ভগৃহে একটি সোনার দরজাও বসানো হবে। দরজায় খোদাই থাকবে ময়ূর, কলস, চক্র এবং ফুল। গর্ভগৃহে বসানো হবে রামের দুটি ছোট মূর্তি। গর্ভগৃহের দেওয়াল তৈরি হচ্ছে দুধসাদা মার্বেল পাথর দিয়ে। বৈদ্যুতিক যানের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা যেতে পারবেন মন্দিরের ভেতরে।

    বিদেশিদের জন্য ঘর

    টানা দু বছর ধরে চলছে রামমন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণের কাজ। জানা গিয়েছে, যেভাবে মন্দিরটি গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে ভূমিকম্প হলেও, এর কোনও ক্ষতি হবে না। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সেক্রেটারি চম্পত রাই জানান, মন্দিরের আয়ু অন্তত এক হাজার বছর। মন্দির নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১৮০০ কোটি টাকা। রামমন্দিরের নির্মাণশৈলি দেখতে আসতে পারেন ভিনদেশিরাও। বিদেশি অতিথিদের থাকার জন্য তাই এখানে থাকছে ঘর। অযোধ্যার ১০০টি প্লট দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনকে।

    আরও পড়ুুন: জি২০-এর মঞ্চেও ‘ইন্ডিয়া’র বদলে লেখা ‘ভারত’, দেশের নাম তাহলে বদলাচ্ছেই!

    এদিকে, রামমন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনের কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজানো হচ্ছে অযোধ্যা শহরকে। তৈরি করা হচ্ছে ঝাঁ চকচকে অযোধ্যা স্টেশন, আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীরা যাতে অনায়াসে রামলালার দর্শনে আসতে পারেন, তাই অযোধ্যাকে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে একাধিক হাইওয়ের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: মকর সংক্রান্তির দিন অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা, আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীকে

    Ram Mandir: মকর সংক্রান্তির দিন অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা, আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি। হিন্দুদের কাছে দিনটি অত্যন্ত পবিত্র। পবিত্র এই দিনেই অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে রামলালার মূর্তি। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রামমন্দির নির্মাণ ট্রাস্টের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। মঙ্গলবার এ কথা জানান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র। তিনি বলেন, ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠান চলবে ১০ দিন ধরে। ভক্তদের কথা মাথায় রেখে মূর্তি স্থাপনের এই অনুষ্ঠান যাতে দেশ-বিদেশে সম্প্রচার করা হয়, তার চেষ্টাও হবে বলে জানান নৃপেন।  

    মন্দির নির্মাণের অগ্রগতি

    অক্টোবরের মধ্যেই মন্দির নির্মাণের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি। মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজ যে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ত্রিপুরা সফরে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, রামমন্দির নির্মাণের কাজ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যেই সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে। চারতলার ওই মন্দিরের একতলার কাজ চলতি মাসেই শেষ হয়েছে বলেও জানান নৃপেন্দ্র। তিনি বলেন, এই তলটি রাম কথা শোনানোর জন্য সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

    মন্দিরের নকশা

    ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রামমন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছর মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তি। সেই উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় নির্মীয়মাণ রামমন্দিরের ছবি দেখিয়ে জানানো হয়েছিল, আগামী বছরই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে। সেই মতোই জোরকদমে চলছে কাজ। মন্দিরের নকশা দেখিয়ে নৃপেন্দ্র জানান, ৩৬০*২৩৫ ফুটের রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রথম তলে স্তম্ভ থাকবে ১৬০টি। দ্বিতীয় তলে স্তম্ভের সংখ্যা ১৩২টি। আর তৃতীয় তলে স্তম্ভ থাকবে ৭৪টি। মন্দিরে মণ্ডপ থাকবে পাঁচটি।

    আরও পড়ুুন: “২০১৩-র চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট”, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    সেগুন কাঠের দরজা থাকবে ৪৬টি। মন্দিরে ইট কিংবা স্টিল ব্যবহার করা হচ্ছে না। রাজস্থান থেকে আনানো গোলাপি রংয়ের বেলেপাথর ও মার্বেল বসানো হচ্ছে দেওয়ালে। মন্দিরের জন্য কর্নাটক থেকে আনানো হয়েছে গ্রানাইট। মন্দিরের গর্ভগৃহে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজস্থান থেকে আনা সাদা মার্বেল পাথর। গর্ভগৃহের দরজাটি হবে সোনায় মোড়ানো। মন্দিরের দেওয়ালে আঁকা থাকবে রামায়নের কাহিনি। তিনটি দরজা ও মন্দিরের চূড়াও হবে সোনায় মোড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mohan Bhagwat: সব মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার এত হিড়িক কীসের? সমালোচনা মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: সব মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার এত হিড়িক কীসের? সমালোচনা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (gyanvapi) কাণ্ডের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মসজিদে মসজিদে হিন্দু দেবদেবীর খোঁজ করার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তার সমালোচনা করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর প্রশ্ন, প্রতিটি মসজিদে শিবলিঙ্গের খোঁজ করার এত হিড়িক কীসের? আরএসএস কর্মীদের এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে ভাগবত বলেন, বিতর্ক তৈরি করা উচিত নয়। হিন্দু ও মুসলমানদের উচিত ঐতিহাসিক বাস্তবতা এবং ঘটনাগুলিকে হিংসা ছাড়াই মেনে নেওয়া।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্কের (Ram Mandir-Babri Masjid dispute) অবসান হয়েছে। এখন আদালতে চলছে জ্ঞানবাপী-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির বিতর্ক (Gyanvapi-Kashi Viswanath temple dispute)। তার পর একের পর এক মসজিদ (masjid) নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। সংঘ প্রধান যে এই বিতর্ক ভালোভাবে নিচ্ছেন না, তাঁর এদিনের বক্তব্যই তাঁর প্রমাণ।  

    জ্ঞানবাপী বিতর্ক থেকে আরএসএস-কে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করেন ভাগবত। জানান, অযোধ্যা ছাড়া আর কোনও আন্দোলনে জড়িত নন তাঁরা। তিনি বলেন, যদি কেউ অন্য মত পোষণ করেন, তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। সেক্ষেত্রে আদালতের রায় মেনে নিতে হবে।

    জ্ঞানভাপি মসজিদ-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির বিরোধের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন ভাগবত। পরামর্শ দেন, হিন্দু ও মুসলিম পক্ষগুলিকে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে যাতে বিষয়টির সৌহার্দ্যপূর্ণ মীমাংসা করা যায়। আদালত রায় দেওয়ার পরে এই ইস্যুতে কোনও আন্দোলন হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। 

    ধর্মীয় স্থানগুলি নিয়ে নিত্যবিরোধ উত্থাপনের বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনকে আগেই সতর্ক করেছিলেন ভাগবত। কুতুব মিনার (Kutub Minar) থেকে আজমেড় দরগাহ (Ajmer Dargah), তাজমহল (Taj Mahal) সহ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভে হিন্দু মূর্তিগুলির প্রমাণ সম্পর্কে সাম্প্রতিক দাবিদাওয়ার প্রেক্ষিতে ভাগবতের প্রশ্ন, কেন প্রতিটি মসজিদে শিবলিঙ্গের সন্ধান করা হবে?

    আরএসএস প্রধান বলেন, কিছু জায়গার প্রতি আমাদের বিশেষ ভক্তি ছিল। আমরা সেগুলি সম্পর্কে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের প্রতিদিন একটি নতুন বিষয় নিয়ে সামনে আসা উচিত নয়। কেন আমরা বিরোধ বাড়াব? ভাগবত বলেন, জ্ঞানবাপীর প্রতি আমাদের ভক্তি আছে। তা নিয়ে কিছু করাও ঠিক আছে। কিন্তু প্রতিটি মসজিদে শিবলিঙ্গের খোঁজ কেন? তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের উচিত আদালতের রায়কে আমাদের সম্মান জানানো। 

    আরও পড়ুন : ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    প্রত্যেক ভারতবাসীর উৎস যে একই তা এদিন ফের একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন ভাগবত। বলেন, ভারতীয় মুসলমানদের পূর্বপুরুষরাও হিন্দু ছিলেন। হিন্দুরা একটি অখণ্ড ভারতের দ্বিখণ্ডন মেনে নিয়েছে। একটি মুসলিম দেশ পাকিস্তানের পথ প্রশস্ত করেছে। সংঘ প্রধান বলেন, বিপুল সংখ্যক মুসলিম আছেন যাঁরা ভারতে থেকে গিয়েছেন এবং পাকিস্তানে যেতে পছন্দ করেননি, তাঁরা সকলেই ভারতীয়।

    ভাগবত বলেন, আমাদের কোনও প্রকার উপাসনার বিরুদ্ধে কোনও বিরোধিতা নেই। আমরা সকল প্রকার উপাসনাকে গ্রহণ করি এবং পবিত্র বলে মনে করি। তারা হয়তো উপাসনার একটি ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। ভাগবতের মতে, তাঁরা আমাদের মুনি, ঋষি, ক্ষত্রিয়দের বংশধর। আমরা একই পূর্ব পুরুষের বংশধর।

LinkedIn
Share