Tag: Ayodhya Ram Temple

Ayodhya Ram Temple

  • Ayodhya: মহাকুম্ভ শেষ, নেই বাড়তি চাপ, অযোধ্যার রামলালা দর্শনে চালু আগের সময়সূচিই

    Ayodhya: মহাকুম্ভ শেষ, নেই বাড়তি চাপ, অযোধ্যার রামলালা দর্শনে চালু আগের সময়সূচিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ সম্পন্ন হয়েছে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। মহা শিবরাত্রির দিন ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মহাকুম্ভ। চলেছে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ে বিপুল সংখ্যক ভক্তের পা পড়ে রামনগরীতে। মহাকুম্ভে স্নান সেরে অযোধ্যায় রামলালার দর্শন করবেন- এই উদ্দেশে অনেকেই বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ শেষ হতেই ভিড় কমেছে অযোধ্যাতেও। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভ যখন চলছিল, তখন অযোধ্যার (Ayodhya) রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু সোমবার থেকেই রাম মন্দির দর্শনের জন্য সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। আগের মতোই করা হয়েছে সময়সূচী।

    রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এবং প্রশাসনের বৈঠক

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এবং অযোধ্যার (Ayodhya) প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বিগত দিনগুলিতে ব্যাপক ভক্তদের ভিড় হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Temple)। চাপ কমাতে দর্শনের সময়সূচিতে বদল করে রাম মন্দির ট্রাস্ট। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত খোলা থাকত মন্দির। এরপর গতকাল সোমবার চালু করা হল আগের নিয়ম।

    ভোর ৪:১৫ থেকে ৬টা পর্যন্ত দ্বার বন্ধ থাকবে

    নতুন সময়সূচী অনুসারে, ব্রহ্ম মুহূর্তে ভোর ৪টায় মঙ্গল আরতির পর, স্নানের জন্য ৪:১৫ থেকে ৬টা পর্যন্ত দ্বার বন্ধ থাকবে। এর পরে, সকাল ৬টায় শৃঙ্গার আরতি অনুষ্ঠিত হবে। তারপর সকাল ৬:৩০ থেকে দর্শন শুরু হবে চলবে সকাল ১১:৫০ পর্যন্ত। এরপর, ভোগের জন্য দুপুর পর্যন্ত দ্বার বন্ধ থাকবে। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত আবার দর্শন শুরু হবে।

    দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কখন করা যাবে দর্শন (Ayodhya)

    রামলালার দুপুরের বিশ্রামের জন্য দুপুর ১২:৩০ থেকে ১টা পর্যন্ত দরজা বন্ধ থাকবে। দুপুর ১টা থেকে আবার দর্শন শুরু হবে এবং সন্ধ্যা ৬:৫০ পর্যন্ত চলবে। এরপর সন্ধ্যা ৬:৫০ থেকে ৭টা পর্যন্ত বালভোগের জন্য দরজা বন্ধ থাকবে। সন্ধ্যা ৭টায় আরতির পর ফের দ্বার দর্শনের জন্য দরজা খোলা হবে। দরজা খোলা থাকবে রাত ৯:৪৫ পর্যন্ত। এরপর রাত ৯:৪৫ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাত্রিভোগের জন্য দরজা বন্ধ থাকবে এবং রাত ১০টায় শয়ন আরতি অনুষ্ঠিত হবে। আরতিতে অংশগ্রহণকারী দর্শনার্থীরা রাত ৯:৩০ থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন। রাত ১০টা ১৫ নাগাদ আরতি-পুজোর পর রামলালা শয়নে যাবেন। সকাল পর্যন্ত মন্দির (Ayodhya) বন্ধ থাকবে।

  • Ayodhya Ram Mandir: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    Ayodhya Ram Mandir: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামায়ণের কাহিনী অনুযায়ী, রাম বনবাসের পরে দীপাবলির সময়ে অযোধ্যায় ফিরে এসেছিলেন। ২০১৫ থেকে সেই দীপাবলির আগের দিন অযোধ্যায় দীপোৎসব শুরু হয়েছে। চলতি বছর এই উৎসব ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম সেখানে দীপোৎসবের আয়োজন চলছে। এই উৎসবে স্থানীয় কারিগরদের উৎসাহ দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নীতি মেনে অযোধ্যা মন্দিরে সব রকম চিনা পণ্য (Chinese Lights in Diwali) নিষিদ্ধ করেছে শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। জ্বলবে শুধু মাটির প্রদীপ।

    চিনা পণ্য নয়

    রামমন্দির উদ্বোধনের পর প্রথমবার সেখানে দীপাবলি উদযাপন হচ্ছে। আয়োজনে কোনওরকম খামতি রাখতে রাজি নয় মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, এবছর দীপাবলি উদযাপনে শ্রীরামের জন্মভূমি ক্ষেত্র অযোধ্যা, মন্দির চত্বরে একেবারে নিষিদ্ধ চাইনিজ লাইট-সহ (Chinese Lights in Diwali) যে কোনও চিনা সামগ্রীর ব্যবহার। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট দীপাবলির সময় চিনা সামগ্রীর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, স্থানীয় কারিগরদের উৎসাহ দিতে এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’ উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আত্মনির্ভর ভারতের দিকে এগিয়ে যেতে চায় অযোধ্যা।

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) চিনা সাজসজ্জার সামগ্রী ব্যবহার না করা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে, অযোধ্যার কমিশনার গৌরব দয়াল বলেন, “শুধুমাত্র স্থানীয় কারিগরদের তৈরি স্থানীয় সামগ্রী ব্যবহার করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। মানুষের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। তবে মন্দির চত্বরের বাইরে গোটা শহরে চিনা উপাদান ব্যবহার না করার কোনও নির্দেশ নেই। এটি তাঁদের উপর নির্ভর করবে। আমরা মানুষকে জোর করতে পারি না।”

    প্রধানমন্ত্রীর শুভ-কামনা

    ইতিমধ্যেই দীপাবলি উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভ কামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই বছরের দীপাবলি বিশেষ বার্তাবহ। কারণ, ৫০০ বছর পর এই প্রথম ভগবান রাম অযোধ্যায় নিজের মন্দিরে দীপাবলি পালন করবেন। আমরাও তাঁর বিশালাকার মন্দিরে এই প্রথম শ্রীরামের সঙ্গে উৎসব পালন করব। এই মহান ও বিশাল দীপাবলির সাক্ষী হতে পারার মতো মুষ্টিমেয় সৌভাগ্যবান আমরা।” দীপাবলিতে মূল মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পাশাপাশি পুরো চত্বর-সহ মূল সড়ক সর্বত্র সেজে উঠবে মাটির প্রদীপে। দীপাবলি উপলক্ষে রামলালার মূর্তি এবং লক্ষ্মণের মূর্তিকে পরানো হবে নতুন ডিজাইনার পোশাক। পোশাক ডিজাইন করবেন বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Security in Ayodhya: প্রকৃতিবান্ধব দীপোৎসব, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম! নিরাপত্তার চাদরে মোড়া অযোধ্যা

    Security in Ayodhya: প্রকৃতিবান্ধব দীপোৎসব, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম! নিরাপত্তার চাদরে মোড়া অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলিতে বারাণসী এবং অযোধ্যাকে (Security in Ayodhya) আলোয় সাজিয়ে তোলা হয় প্রতি বছরই। তবে এ বছরই প্রথম বার দীপাবলির (Diwali in Ayodhya) সাক্ষী হতে চলেছে রাম মন্দির। অষ্টমতম দীপোৎসবে অযোধ্যাকে সাজিয়ে তুলতে তাই পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার। তিন দিন ধরে দীপোৎসব চলবে। লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে অযোধ্যায়। তার আগেই গোটা শহরকে দুর্গে পরিণত করে ফেলা হয়েছে। পুলিশ তো আছেই, নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে এনএসজি কমান্ডো। তৈরি রয়েছে সন্ত্রাসদমন শাখাও (এটিএস)।

    কড়া নিরাপত্তা অযোধ্যায়

    প্রশাসন সূত্রে খবর, অযোধ্যার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপত্তা (Security in Ayodhya) বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাম মন্দির-সহ এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০০০ পুলিশ, ১৫০ এনএসজি কমান্ডো, সন্ত্রাসদমন শাখা। দীপাবলিতে অযোধ্যার নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার রাজকরণ নায়ার। মন্দির শহরে দীপোৎসব যাতে মৃসণ ভাবে পালন করা যায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। শহরে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই অযোধ্যানগরীর প্রতিটি কোনা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। পুলিশ, এনএসজি কমান্ডোর পাশাপাশি থাকছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জল পুলিশ, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং আরও উদ্ধারকারী দল। সরযূ নদীতে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হবে।

    প্রকৃতিবান্ধব দীপাবলি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার সরযূ নদীর তীরে ২৮ লক্ষ প্রদীপ জ্বালানো হবে। এই দীপোৎসবের (Diwali in Ayodhya) জন্য বিশেষ প্রকৃতিবান্ধব দীপ আনানো হয়েছে। রাম মন্দির সেজে উঠবে সেই প্রকৃতিবান্ধব দীপে। যাতে মন্দিরের কোনও রকম ক্ষতি না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন এক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রকৃতিবান্ধব এই দীপোৎসবের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার একটা বার্তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। দীপোৎসবে যাতে সাধারণ মানুষ শামিল হতে পারেন তার জন্য ২৯ অক্টোবর থেকে ১ নভেন্বরের মধ্যরাত পর্যন্ত মন্দির খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র। দর্শনার্থীরা ৪বি গেট থেকে মন্দিরের সজ্জা দেখার সুযোগ পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Navami 2024: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    Ram Navami 2024: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের পর এবার প্রথম অযোধ্যায় রাম নবমীতে (Ram Navami  2024) পূজিত হবেন রামলালা। গত ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরে এই কয়েকমাসে এত বড় ইভেন্ট আর আসেনি। সেই হিসেবে মন্দির-কমিটি, রামভক্তগণ, অযোধ্যাবাসী (Ayodhya Ram Temple) তো বটেই সারা দেশই গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে! পুরাণ অনুযায়ী, দশরথপুত্র শ্রীরাম, যিনি আবার শ্রীবিষ্ণুর অংশজাত পূর্ণাবতার, তিনি চৈত্র নবরাত্রির শেষ দিনেই, নবমীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সেই হিসেবে দিনটি রামের জন্মদিন, যেটি ‘রামনবমী’ বলে চিহ্নিত ও পরিচিত। 

    ৪০ লাখ ভক্ত সমাগম

    রাম নবমীতে (Ram Navami  2024) ৪০ লাখ ভক্তের সমাগম হতে পারে অযোধ্যায়। ফৈজাবাদ জেলা প্রশাসন এবং উত্তরপ্রদেশ সরকার এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি দিচ্ছে। মন্দির চত্বরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  ইতিমধ্যে, নয়া ঘাট জোন, নাগেশ্বরনাথ জোন, হনুমানগড়ী মন্দির জোন, কনক ভবন মন্দির জোনে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য আধিকারিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল মন্দির ২০ ঘণ্টা করে দর্শনের জন্য খোলা থাকবে রামলালার দরজা। প্রত্যাশিত ভক্তের সংখ্যা বিবেচনা করে ট্রাস্টের তরফে সাতটি সারি করে দর্শকদের দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    রাম নবমীর দিন কখন কী 

    রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ওইদিন ভোর সাড়ে তিনটে মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিশেষ পুজো৷ এরপর রাত ১১টা পর্যন্ত অর্থাৎ, ১৯ ঘণ্টা দর্শনার্থীদের (Ayodhya Ram Temple) জন্য মন্দিরের দরজা খোলা থাকবে। এর মধ্যে ভগবানকে চারবার ভোগ নিবেদনের সময় মন্দিরের পর্দা পাঁচ মিনিটের জন্য শুধু বন্ধ হবে। রাম নবমীর দিন ব্রাহ্ম মুহূর্ত সাড়ে তিনটেয় বিশেষ পুজো শুরু হবে (Ram Navami  2024)৷ ভক্তদের দর্শনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হচ্ছে ৷ দর্শনের সময় ভক্তদের তাদের মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে না রাখতে বলা হয়েছে৷ সুগ্রীব কুইলায় ট্রাস্টের তরফে তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি পরিষেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সরযূ নদীতে স্নানের ক্ষেত্রেও নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন৷ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে দুই হাজার কর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে।

    সূর্য তিলক

    রামলালার কপালে ঠিক দুপুর ১২টার সময় এসে পড়বে সূর্যের আলো। যা ললাটে এঁকে দেবে সূর্যতিলক। সূত্রের খবর, প্রতি রাম নবমীর দুপুরেই সূর্যের আলোর একটি রশ্মি সরাসরি রামলালার মূর্তির কপালে এসে পড়বে (Ram Navami  2024)। আর এই কাজ সম্ভব হবে বহু বিজ্ঞানীর অক্লান্ত গবেষণায়। কারণ সূর্যরশ্মিকে প্রতিফলিত করাতে হবে রামলালার কপালে। আবার ওই নির্দিষ্ট সময়েই। মাত্র ৪ মিনিটের জন্য থাকবে এই তিলক। সূর্যের আলোর তিলক পরবেন রামলালা।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    বিশেষ লাড্ডু নিবেদন

    আগামী ১৭ এপ্রিল রাম নবমীতেই বিশেষ রেকর্ড গড়তে চলেছে রাম মন্দির। ওই দিন রাম মন্দিরে পাঠানো হবে ১,১১,১১১ কেজি লাড্ডু। তা রামলালাকে নিবেদন করা হবে। তারপর তা প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিলি করা হবে! দেবরাহা হংস বাবা ট্রাস্টের তরফে রাম মন্দিরে রাম নবমীতে (Ram Navami) পাঠানো হবে এই ১ লক্ষ ১১ হাজার ১১১ কেজি লাড্ডু! হংস ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে, তারা প্রতি সপ্তাহেই দেশের কোনও না কোনও বিখ্যাত মন্দিরে লাড্ডু পাঠান বিগ্রহকে নিবেদন করার জন্য। এর আগে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, তিরুপতি বালাজি মন্দিরেও এই রকম লাড্ডু পাঠানো হয়েছে। এবার পাঠানো হচ্ছে অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার উদ্দেশে।

    ঘরে বসেই দর্শন

    তবে যাঁরা কষ্ট করে মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) উপস্থিত থাকতে পারছেন না তাঁদের জন্য ঘরে বসেই রামলালার দর্শন মিলবে। প্রসার ভারতী এর লাইভ টেলিকাস্ট করবে। এদিনের জন্য অযোধ্যায় ১০০ টিরও বেশি জায়গায় এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Asansol: ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালার জীবন্ত রূপ! ৯ বছরের শিশুকে সাজিয়ে তুললেন দুই শিল্পী

    Asansol: ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালার জীবন্ত রূপ! ৯ বছরের শিশুকে সাজিয়ে তুললেন দুই শিল্পী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় অযোধ্যার প্রভু রামলালাকে কার্যত জীবন্ত করে তুললেন আসানসোলের (Asansol) দুই শিল্পী। আদল দেখে মনে হচ্ছে, ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালারই জীবন্ত রূপ। চোখ-মুখ-নাক যেন অবিকল অযোধ্যার রামলালা। ৯ বছরের এক শিশুকে এভাবে সাজিয়ে তুলেছেন যাঁরা, সেই দুই শিল্পী হলেন আশিস কুণ্ডু এবং রুবি কুণ্ডু।

    রামলালার বিগ্রহ দেখে অনুপ্রাণিত শিল্পী (Asansol)

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এই মূর্তি নিয়ে সারা ভারতের রামভক্তদের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল, ঠিক তেমনি দেশের বাইরেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। অযোধ্যার রামলালার এই বিগ্রহকে দেখেই অনুপ্রাণিত হন বারবনির (Asansol) মেক-আপ আর্টিস্ট দম্পতি রুবি ও আশিস। তাঁদের ব্রাইডাল মেক-আপ স্টুডিও রয়েছে। রামলালার মূর্তি দেখে কোন বালককে এই মূর্তির আদলে সাজাবেন, তার জন্য সন্ধান শুরু করেন তাঁরা।

    শিল্পী দম্পতির বক্তব্য (Asansol)

    শিল্পী দম্পতি বলেন, “আসানসোলের মহিশিলার বাসিন্দা নয় বছরের বালক আবির দে-কে নিপুণভাবে সাজানোর জন্য পরিকল্পনা শুরু করি। দীর্ঘ একমাস ধরে পরিকল্পনা করে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সন্ধান করে আমরা রূপ দিতে শুরু করি। অনেক প্রচেষ্টার পর কাজটি সম্পন্ন করতে পেরে আমরা খুব খুশি। তবে শিশুর কথা ভেবে ও গায়ে রাখতে পারবে, এমন হালকা অলঙ্কারই সাজে ব্যবহার করা হয়েছে। বেশিরভাগ কাজটাই রয়েছে ফোমের সজ্জায়। রামভক্ত হিসেবে এই কাজ করে নিজেকে (Asansol) খুব ধন্য মনে করছি।” আবিরও নিজে রামলালা সেজে খুব খুশি বলে জানা গিয়েছে।

    লাইভ সম্প্রচার

    উল্লেখ্য অযোধ্যায় রামলালা (Ayodhya Ram Temple) মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় এবং দর্শনার্থীদের দূরত্বের কথা মাথায় রেখে দূরদর্শনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকালে মঙ্গলারতি সরাসরি লাইভ দেখানো হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিষয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। দূরদর্শনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সময়ে সময়ে ভক্তি এবং আধ্যাত্মিক বিষয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। আগামী এপ্রিল মাস থেকে ওই নতুন লাইভ সম্প্রচার করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarakeswar: রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্য! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, এফআইআর বিজেপির

    Tarakeswar: রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্য! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, এফআইআর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রী রাম মন্দির নিয়ে রামেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর-এর হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর। আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জনগর্জন সভা’। এই সভায় প্রধান বক্তা থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভার প্রস্তুতি সভায় তৃণমূল নেতা তথা তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়ক রামেন্দু সিংহরায় শ্রী রাম মন্দিরকে অপবিত্র বলে দাবি করেন। এরপর রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যে তীব্র সোচ্চারে হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ফলে বিজেপির পক্ষ থেকে আরামবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। যদিও নিজের অবস্থানে অনড় তৃণমূল বিধায়ক।

    কী বলেন তৃণমূল বিধায়ক (Tarakeswar)

    তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়ক রামেন্দু নিজেদের প্রস্তুতি সভায় বলেন, “যে রাম মন্দির তৈরি হয়েছে, তা আমি মনে করি অপবিত্র, ওই মন্দিরে কোনও ভারতীয় হিন্দু যেন পুজো দিতে না যান। ওটা একটা শো-পিস”। যদিও এই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। মাধ্যম এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। সন্ধ্যার সময় আবার সাংবাদ মাধ্যমকে তিনি আরও বলেন, “এটা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, পরেও বলব। এফআইআর করলে করুক।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়কের কথা তুলে ধরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজের এক্স-হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের আসল প্রকৃতি। হিন্দুদের আক্রমণ করতে করতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাঁরা এখন হিন্দুদের পবিত্র ধর্মেরস্থানকেও অপবিত্র বলছে। এই মন্তব্যের শুধু বিরোধিতা করব না, ঘৃণ্য এই বিবৃতির মাধ্যমে বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। এখন এফআইআর দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওঁর কঠিন শাস্তি চাই। ”

    বিজেপির এফআইআর

    ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে আরামবাগ (Tarakeswar) থানায় এফআইআর করেন বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ। তিনি বলেন, “রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। জেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ জানানো হবে।”

             

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তাঁর জেলজীবন থেকে মুক্তির আশায় তৃণমূলের যুব সংগঠন সাঁইথিয়ায় হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে। আর এর ফলে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। কেষ্টর জামিনের জন্য কি এখন রাম নামেই ভরসা? গত ২২ শে জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই দেশ জুড়ে রাম নামের প্রভাব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। মন্দিরে রোজ উপচে পড়ছে ভিড়। এর মাঝেই তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের দলের দুর্নীতিতে  অভিযুক্ত জেলবন্দি নেতার মুক্তির জন্য রামনামের শরণ নিয়েছেন।

    দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার কেষ্ট (Birbhum)

    গরু পাচারকাণ্ডে অনেক দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। কয়লা পাচার কাণ্ডেও অভিযুক্ত তিনি। নিজের নামে অথবা অনামে-বেনামে প্রচুর চালকল সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অপর দিকে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তালিকায় অনুব্রতর মেয়ের নাম উঠেছে। স্কুলে না গিয়ে বেতন নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবার সঙ্গে এখন মেয়েও জেলে বন্দি। বীরভূমের (Birbhum) এই প্রতাপশালী এবং প্রভাবশালী নেতা বার বার কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু জামিন মঞ্জুর হয়নি। অভিযোগ গুরুতর বুঝেই হয়তো আইনের কৌশলের পাশপাশি রামনামের শরণ নিতে হয়েছে বীরভূমের জেলা তৃণমূলকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমের (Birbhum) জেলা সহ-সভাপতি দীপক দাস বলেছেন, “তৃণমূল শেষ পর্যন্ত রাম নাম করছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাবে না।” আবার তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় এই সবে পাত্তা দিতে নারাজ। তৃণমূলের রামনামে ভুল কিছু নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য  

    জেলা (Birbhum) কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় আরও বলেছেন, “অনুব্রত মণ্ডলকে অনেক মানুষ ভালোবাসেন। সকলেই চাইছেন তিনি যেন জেল থেকে মুক্তি পান। আর এই জন্যই কেউ রাম নাম আবার কেউ হরিনাম করছেন।” রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, জেলার সভাপতি পদে এখনও বহাল রয়েছেন কেষ্ট। তাঁর অনুগামীরা বাড়তি অক্সিজেন দিতে এই সমস্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনে গেরুয়া পোশাক পরে বিজেপির সঙ্গে শোভাযাত্রায় পা মেলালেন তৃণমূল কর্মীরাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে। সেখানকার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আরও তৃণমূল নেতা নিজে থেকেই যোগদান করেন শোভাযাত্রায়। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। রাজ্যে যেখানে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো বিজেপিকে লক্ষ্য করে পাল্টা সংহতি যাত্রা করেছেন, সেখানে তাঁরই দলের সাংসদ, বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং কর্মীরা রাম মন্দির উদ্বোধনের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন! দলের মধ্যেই এখন তাই চরম অস্বস্তি।

    তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য

    প্রায় ৫০০ বছর অপেক্ষার পর আজ অযোধ্যায় শ্রীরামের জন্মস্থানেই নবনির্মিত গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ হিন্দু সমাজের কাছে উচ্ছ্বাসের দিন। তাই এদিন বিজেপির মিছিলে যোগদান করে মালদার (Malda) তৃণমূলের কর্মীরা বলেন, “রামলালাকে ঘিরে মানুষের আবেগকে অস্বীকার করা যাবে না। আমরা হিন্দু, এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সকলে আমরা রামভক্ত। রাম সকলের, কোনও দলের সঙ্গে যোগ নেই শ্রীরামের। আমরা আমাদের মতো সমাজের জন্য কাজ করব।”

    বিজেপির গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূল (Malda)

    মালদায় (Malda) বিজেপির সঙ্গে গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূলের কর্মীরা। একই সঙ্গে পরনে গেরুয়া বস্ত্র, গেরুয়া উত্তরীয়, কপালে লাল তিলক, মাথায় গেরুয়া কাপড় বাঁধা। একই সঙ্গে হাত উঁচু করে কণ্ঠে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ দিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করেছেন। এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন এলাকার শত শত হিন্দু ধর্মের মানুষ।

    পুজোর স্থান কোথায় ছিল?

    আজ যখন অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলার জেলায় জেলায় হিন্দু সমাজের মন্দিরে মন্দিরে পুজো-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। আজ একই ভাবে মালাদার হরিশ্চন্দ্রপুরের কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির বানিয়ে প্রভু রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করে তাতেই পুজো করা হয়। এরপর একটি বিরাট শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) থেকে এলাকার গড়াগড়ি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সম্পন্ন করা হয়। এই শোভাযাত্রার শুরু এবং শেষ স্থানে ব্যাপক রামভক্তদের সমাগম হয়। একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে যোগদান করেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরামের মন্দিরের উদ্বোধন হল। এই উপলক্ষে বহরমপুরের গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে শ্রীরাম পুজোর আয়োজন করা হয় মহা সাড়ম্বরে। সোমবার সকালে এই পুজোকে কেন্দ্র করে হাজির হন সনাতনী সমাজের প্রত্যেক সদস্য, বহু ভক্ত এবং শহরের বহু সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে গঙ্গার জল আনতে যাওয়া হয় বহরমপুরের গোরাবাজার ঘাটে। আজকের দিনে বহরমপুরে (Murshidabad) গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে এই শ্রীরাম পুজোর আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র কাঞ্চন।

    শ্রীরাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তিতে পুজো (Murshidabad)

    অযোধ্যায় আজ মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা ভারতবর্ষের সনাতনীরা এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় ছিল। আজ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করে পুজোতে মেতেছে। বহরমপুর (Murshidabad) সায়দাবাদে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তি তৈরি করে পুজো-অর্চনার আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে চলেছে আগত ভক্তদের মধ্যে লাড্ডু ও ভোগের প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি চলে ভজন-কীর্তন। একই সঙ্গে আয়োজকদের উদ্যোগে ২০০ জন গরিব মানুষকে প্রদান করা হয় শীতবস্ত্র।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বহরমপুরের (Murshidabad) বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “রামায়ণে প্রভু রামের ১৪ বছর বনবাস হয়েছিল। কিন্তু আমাদের সনাতনীদের কাছে ৫০০ বছর ধরে অজ্ঞতাবাসে রাখা হয়েছে রামলালাকে। আজ অযোধ্যায় যুগাবতার রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দিরের জন্য অনেক রাম ভক্তদের রক্ত ঝরেছে। দেশে অনেক সরকার এসেছে, কিন্তু কেউ প্রভু রামের মন্দির নির্মাণ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেনি। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একান্ত চেষ্টায় মন্দির নির্মাণ-উদ্বোধন হয়। আজ আমরা সকল হিন্দু সংগঠন হিসাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সনাতনী সমাজের পক্ষ থেকে প্রভু রামের পুজো করছি। আজকের দিন আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং গৌরবের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে সাত সকালে কাঁথির রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে শ্রী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এদিন সকালে কাঁথির রাম মন্দিরের সামনে থেকে পুজোর উপাচার কিনে পুজো দিলেন এবং সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এভাবেই সারা দেশ আজ রাম নামে মেতে উঠেছে।

    সাংসদের স্ত্রী পুজো দিলেন (Ram Temple)

    প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সময় অতিক্রম করে আজ সেই শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়। নিজের জন্মভূমিতে নির্মিত মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক আজকের দিনেই সাত সকালে প্রবল শীতকে উপেক্ষা করে মন্দিরে গেলেন সাংসদ দিব্যন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। আজকের শুভক্ষণে প্রভু রামকে পুজো করলেন তাঁর স্ত্রী। আর অপর দিকে সাংসদ মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে প্রভু রামের চরণে ভক্তি অর্পণ করলেন। পাশাপাশি একই ভাবে মন্দিরের শিবের মাথায় জল ঢেলে পুজো দিলেন। অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে বাংলার অলিগলি, গ্রামগঞ্জের মন্দিরগুলি অপূর্ব সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে। অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও রাম নামে আজ মুখরিত।

    কী বললেন সাংসদ দিব্যেন্দু?      

    এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “এখন সকালে পুজো দিয়ে গেলাম। আবার প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Temple) অনুষ্ঠান শুরু হলে পুজো দিতে আসব। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করছি। বিশ্ববাসীর জীবন শান্তিময় এবং সুখকর হোক। আজ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হবে। দেশের উন্নয়ন এবং কল্যাণে শ্রী রামচন্দ্রের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।” অপর দিকে আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিকেলে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। এই সংহতি মিছিল সম্পর্কে সাংসদে দিব্যন্দু আরও বলেন, “উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই মিছিল হবে। সবার নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। নির্দেশ মেনেই করতে হবে, তাই আমি স্বাগত জানাই।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share